Cadet Coaching Home

English Version Coaching Center
National Curriculum Education is the backbone of a nation.

To educate the students we established in 2007 which is continuing its programme successfully each and every year from the very beginning of its establishment.

Operating as usual

02/12/2023

পঞ্চম শ্রেণীর বার্ষিক পরীক্ষা শেষ?
তাহলে আজই আপনার সন্তানকে ভর্তি করান Cadet Coaching Home এর বেসিক ক্যাডেট কোর্সে।
নতুন পাঠ্য সূচি, নতুন সিলেবাস- তাই Cadet Coaching Home এর লেকচার সিট, প্রশ্নপত্র প্রণয়ন সহ সবকিছুতেই থাকছে নতুনত্বের ছোঁয়া।

শিক্ষার্থীদের Math এর প্রতি দুর্বলতা কাটিয়ে English Grammar এর দক্ষতা বৃদ্ধি সহ সকল শিক্ষার্থীকে ক্যাডেট কলেজে ভর্তি পরীক্ষার জন্য এক অনন্য সহায়ক হিসেবে সাহায্য করবে Cadet Coaching Home এর বেসিক ক্যাডেট কোর্স।

ক্যাডেট কলেজের ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য
বাংলা এবং ইংরেজি মিডিয়ামের জন্য পৃথক ব্যাচ।
কোর্স শুরু: ১৫ডিসেম্বর,‌২০২৩।
শীঘ্রই আপনার সন্তানের আসন নিশ্চিত করুন।
একজন শিক্ষার্থীকে শুধু ভালো ছাত্র/ছাত্রী হিসেবে নয়, ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলায় আমাদের মূল লক্ষ্য।
প্রচারে নয়, আমরা বিশ্বাস করি উন্নতমানের সেবা প্রদানে।

02/12/2023
কোচিং সেন্টারের কাণ্ড: ঢাবি ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হয়ে ‘থাপ্পড়’ খেতে হলো জাকারিয়াকে! 02/11/2021

কোচিং সেন্টারের কাণ্ড: ঢাবি ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হয়ে ‘থাপ্পড়’ খেতে হলো জাকারিয়াকে! ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খ ইউনিটের (কলা অনুষদ) ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হওয়া মো. জাকারিয়াকে নাজ...

02/11/2021

কালো জিরা( Black Cumin)

মরণ ব্যতিত মহারোগের ঔষধ..

শুধুমাত্র আপনাকে জানতে হবে কালোজিরা সেবন আপনি কীভাবে করবেন। আজকের এই লেখাটিতে আমরা সেই বিষয়টিও পরিষ্কারভাবে জেনে নেব। এই কালোজিরার বীজ থেকে এক ধরনের তেল তৈরি হয় যে তেল আমাদের দেহের রোগ দূর করতে অত্যন্ত উপকারী।

কালোজিরার বীজ সরাসরি সেবন করতে পারেন অথবা তেল হিসেবেও সেবন করা যায়। বিশেষত দেহের বাহ্যিক ব্যবহারের জন্য এই তেল অত্যন্ত উপকারী।

হাজার হাজার রোগ থেকে মুক্তির জন্য কালোজিরার গুণের কথা নিশ্চয়ই কারো অজানা নয়। তবুও বন্ধু আজ মাত্র এক চামচ কালোজিরা খাওয়ার উপকারিতা নিয়ে এমন সব তথ্য আপনাদের জানাবো যে লেখাটি সম্পূর্ণ পড়লে কালোজিরা সম্পর্কে আর কোন তথ্য আপনাদের দরকার হবেনা।

কালোজিরা সম্পর্কিত সকল ধরনের তথ্য অর্থাৎ কালোজিরা খাওয়ার উপকারিতা অপকারিতা এবং কিভাবে খেতে হবে সবকিছু থাকবে আজকের এই আর্টিকেলটিতে।

তাহলে আর কথা না বাড়িয়ে কালোজিরা সম্পর্কে একদম সঠিক তথ্য বিস্তারিত ভাবে জেনে নেই। একটু ধৈর্য ধরে কালোজিরা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য গুলো জানুন সারাজীবন শিশু থেকে বৃদ্ধ প্রতিটি মানুষের সুস্থ থাকার জন্য কাজে লাগবে।

১০০ টিরও বেশি উপযোগী উপাদান রয়েছে এই কালোজিরাতে।

সাড়ে পাঁচ হাজার বছর আগের আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে কালোজিরার বহুল ব্যবহার উল্লেখ করা হয়েছে।

সেই সময় থেকে ঘুরে আজ পর্যন্ত চিকিৎসা ক্ষেত্রে কালোজিরার ব্যবহার এর সফলতা বহুবার প্রমাণিত হয়েছে। প্রাচীন রোমান সাম্রাজ্যের মত সভ্যতাকেও কালোজিরেকে সর্ব রোগের মহৌষধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্যদিকে বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ( সা) বলেছেন তোমরা কালোজিরার ব্যবহার করবে। কেননা একমাত্র মৃত্যু ব্যতীত সর্ব রোগের মুক্তি রয়েছে এতে। বুঝতেই পারছেন কেউ যদি সঠিকভাবে সঠিক মাত্রায় কালোজিরা সেবন করে থাকেন তাহলে তার দেহ থেকে ছোটো-বড় বহু রোগ একেবারে দূর করা সম্ভব।

নাম্বার ১ সকাল বেলায় ঘুম থেকে উঠে একদম বাসিমুখে পর্যাপ্ত পরিমাণে হালকা গরম পানি পান করুন তারপরে পেট পরিষ্কার করে ১ চা চামচ পরিমাণ কালোজিরা খুব ভালো করে চিবিয়ে খেয়ে আবারো এক গ্লাস পানি পান করুন।

কেউ চাইলে এর সাথে এক থেকে দুই কোয়া রসুন ভালো করে চিবিয়ে খেয়ে নিতে পারেন। কেউ চাইলে কালোজিরার সাথে আদাও ভালো করে চিবিয়ে খেতে পারেন।

যাদের সকালে কাঁচা হলুদ খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে কাঁচা হলুদের উপকারিতা পাচ্ছেন তারা এই কালোজিরার সাথে কাঁচা হলুদ যুক্ত করে খেতে পারেন। আবার শুধুমাত্র কালোজিরা আপনারা সকালবেলায় ১ চা-চামচ করে খেয়ে তারপরে পানি পান করে তার আধাঘন্টা পরে সকালের নাস্তা করুন।

এতে আপনার দেহ থেকে সকল ধরনের জীবাণু ভাইরাস একেবারে দূর হয়ে যাবে। বহুদিন থেকেই গ্যাস, এসিডিটি ও বদহজম, গড় হজমের জন্য পেটের মধ্যে সবসময় অস্বস্তি, পেট পরিষ্কার না হওয়া, খাওয়ার পরে অ্যাসিডিটিতে বুক জ্বালাপোড়া করা এই ধরনের সমস্যায় ভুগছেন তারা এই নিয়মে কালোজিরা সেবনে করে খুব ভালো ফল পাবেন।

এমনকি যাদের ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা রয়েছে তারাও এই উপায়ে কালোজিরা খেয়ে উপকার পাবেন। এই একই ভাবে কালোজিরা সেবন করে ডায়বেটিসে আক্রান্ত রোগীরা ডায়াবেটিসকে একদম নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেন। কারন কালোজিরা সেবন আপনার রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। ফলে আপনাকে ডায়াবেটিস নিয়ে আর কখনোই চিন্তা করতে হবে না।

যেকোনো মুদি দোকান, গ্রোসারি শপ, ওষুধের দোকান অথবা আয়ুর্বেদিক পণ্য পাওয়া যায় এমন দোকান থেকে কালোজিরার তেল সংগ্রহ করুন। তবে মনে রাখবেন পুরাতন কালোজিরার তেল কিন্তু শরীরের জন্য ভালো নয়।

বিশেষত সেবনের জন্য পুরাতন কালোজিরার তেল একেবারেই গ্রহণযোগ্য নয়। কালোজিরার তেল ছয় মাস পর্যন্ত আপনি খেতে পারবেন কিন্তু বাহ্যিক ঘরের জন্য এক বছর পর্যন্ত এর ব্যবহার করা যাবে। কালোজিরা আপনি কয়েক ভাবে সেবন করতে পারেন।

যারা দীর্ঘদিন থেকেই অ্যাজমা বা হাঁপানি, শ্বাসকষ্ট, বুকে জমাট বাধা কফ, কাশি এই ধরনের সমস্যায় ভুগছেন তাদের জন্য এই নিয়মে কালোজিরা খাওয়া খুবই উপকারী এবং সেইসাথে কালোজিরার তেল বুকে এবং পিঠে দিনে দুইবার করে মালিশ করতে হবে। এই মালিশের তেল অন্যভাবেও প্রস্তুত করা যায়। কালোজিরার তেল ৩ থেকে ৪ টেবিল-চামচ তিন থেকে চার কোয়া রসুন কুচি এবং হাফ চা চামচ হলুদ গুড়া একসাথে ফুটিয়ে তেলটা আরো বেশি কার্যকরী করে তোলা যায়।

বাড়তি করে ইনসুলিন গ্রহণেরও প্রয়োজন পড়বে না। কিন্তু যারা ইতোমধ্যেই ইনসুলিনের গ্রহন শুরু করেছেন ওষুধ খাচ্ছেন তারা একেবারে ওষুধ বন্ধ করে না দিয়ে ওষুধের পাশাপাশি কালোজিরা সেবনে এইভাবে করে যেতে থাকুন। ধীরে ধীরে ঔষধের মাত্রা এবং ইনসুলিন গ্রহণের মাত্রা কমিয়ে আনতে আনতে আপনি ওষুধ ইনসুলিন গ্রহণে ছেড়ে দিয়ে কালোজিরা সেবনকে নিয়মিত করুন।

কালোজিরা রসুন সহযোগে একটানা খেতে থাকুন ডায়াবেটিস সারা জীবনের জন্য নিয়ন্ত্রণে থাকবে। যারা হাইপারটেনশন বা উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন তাদের বলব এই একই নিয়মে কালোজিরা সেবন করুন। চাইলে আপনি এর সাথে ১-২ কোয়া রসুন যুক্ত করে নিন।

রসুন এবং কালোজিরা এই একই নিয়মে খেলে আপনার রক্তচাপ সারাজীবন নিয়ন্ত্রণে থাকবে এবং সেইসাথে কখনোই দেহের এলজিএল অর্থাৎ খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়বে না। সবসময় কোলেস্টরেল স্বাভাবিক থাকবে ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে থাকবে। আর এজন্যই আপনি কখনোই হার্টঅ্যাকের মত মৃত্যুঝুঁকিতে পড়বেন না।

আপনার হৃদরোগের মতো কঠিন রোগ কখনোই হবে না। একটি বিষয় আপনি নিশ্চিত থাকতে পারেন যে, আপনার হার্ট ভালো থাকবে নিয়মিত কালোজিরা সেবনে এবং এর সাথে যদি এক থেকে দুই কোয়া রসুন যুক্ত করে নিতে পারেন তাহলে তা আরো বেশি কার্যকরী ও ফলপ্রসূ হবে।

কালোজিরা সেবনে আরেকটি নিয়ম হলো ১ চা চামচ পরিমাণ কালোজিরা এবং ১ চা চামচ মধু একসাথে সেবন করা। আপনি চাইলে এই নিয়মে দিনে ২ বারও সেবন করতে পারেন। তবে এক্ষেত্রে আপনার রোগের তীব্রতার উপর তা নির্ভর করছে। রোগের তীব্রতা বেশি হলে টানা সাতদিন দুইবার করে এক চা-চামচ করে কালোজিরা এবং মধু সকালে ও রাতে সেবন করতে পারেন।

তাহলে ওটা খুলে যাবে এবং সেইসাথে ব্যাথাও দূর হবে। কালোজিরার আশ্চর্য গুণ হলো কালোজিরা যেমন হাইপারটেনশন বা উচ্চ রক্তচাপের রোগীরা খেতে পারবেন তেমনি যাদের লো প্রেসার বা নিম্ন রক্তচাপ তারাও খেতে পারবেন। আসলে কালোজিরা রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে আপনার রক্তচাপকে স্বাভাবিক করে।

এই কারণে কালোজিরা এবং মধুর যদি আপনি খেতে পারেন তাহলে আপনার রক্তচাপ সবসময় নিয়ন্ত্রণে থাকবে স্বাভাবিক থাকবে। রক্তসঞ্চালন বাড়ায় এবং সেইসাথে কালোজিরা মস্তিস্কের স্মৃতিশক্তি অনেক গুণ বাড়িয়ে দেয়। স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে, ঘুম ভালো করতে এবং মানসিক উদ্বিগ্নতা অবসাদ দূর করতে নিয়মিত কালোজিরা সেবন করুন।

রাতে এক গ্লাস দুধের সাথে এক চামচ পরিমাণ কালোজিরা গুঁড়ো করে ভালো করে মিশিয়ে খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ুন দেখবেন রাতের ঘুম যেমন ভালো হবে তেমনি শরীর থেকে সকল ধরনের রোগের চিহ্ন একেবারে মুছে যাবে। সকালে ঘুম থেকে উঠবেন একদম ফিট লাগবে নিজেকে। এভাবে কালোজিরার সেবন করলে আপনার দেহ থেকে আরও কিছু রোগ একেবারে দূর হয়ে যাবে।

যারা যৌন দূর্বলতায় ভুগছেন তাদের যৌন দুর্বলতা সমস্যা একেবারে দূর হবে। পুরুষদের যৌন অক্ষমতা যৌন দুর্বলতা দূর করতে এই কালোজিরা দুধের সঙ্গে এক চা-চামচ মধু মিশিয়ে সেবন করতে পারেন। আবার চাইলে আপনি সকালবেলায় কালোজিরা রসুন এবং মধু একসঙ্গে সেবন করতে পারেন। এতে সকল ধরনের যৌন দূর্বলতা একেবারে দূর হবে।

চোখের যে কোন সমস্যায় চোখের পিড়ায় চোখ লাল হলে ফুলে গেলে চোখের যেকোনো ধরনের এলার্জি হলে কালোজিরার তেল চোখের ওপরে নিচে এবং উভয় পাশের মালিশ করুন সেই সাথে কালোজিরা যে কোন নিয়মে আপনি খেতে থাকুন তাহলে চোখের পীড়া দূর হবে। কিডনি ও লিভার ভালো রাখতে প্রতিদিন কালোজিরা সেবন করুন।

এমনকি কিডনি বা ব্লাডারে পাথর হলে ও কালোজিরা সেবনে সেই পাথরকেও গলিয়ে বের করে দিতে পারে। যদি প্রাথমিক অবস্থায় কালোজিরা সেবনে নিয়মিত করা যায় দিনে দুইবার করে তাহলে এই রোগ দূর করা সম্ভব। কালোজিরা সেবন করুন এবং আপনার ফুসফুস কিডনি লিভার হার্ট এই সব ধরনের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ একদম সুস্থ সবল রাখুন আজীবন।

যাদের ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা আছে চুল পড়ার সমস্যা আছে তারা নিয়মিত কালোজিরা সেবনে করুন এবং কালোজিরার তেল মালিশ করতে থাকুন। অনেকেরই ত্বকের ছুলি,মেছতা আছে তারা আক্রান্ত স্থান আপেল দিয়ে ঘষে ভালো করে পরিষ্কার করে নিয়ে তারপরে কালোজিরার তেল মালিশ করুন।

পনের দিন থেকে এক মাস পর্যন্ত এই রোগের উপশম হবে। আবার যাদের চুল পড়ার পর তাদের সমস্যা আছে খুশকির সমস্যা আছে তারা কালোজিরা সেবনে পাশাপাশি কালোজিরার তেল চুলের গোড়ায় মালিশ করতে থাকুন। এতে চুল পড়ার সমস্যা দূর হবে চুলের গোড়া অনেক বেশী মজবুত হবে।

তেলের উপকারিতা!

সেই তেল মালিশ করলে হাঁপানি বা শ্বাসকষ্ট খুব দ্রুত উপশম হবে। এই একই তেল আপনি বাতের ব্যথায় ব্যবহার করতে পারেন। বাতের ব্যথা বা ইউরিক এসিড বেড়ে যাওয়ার কারণে যে ব্যথা হয়ে থাকে ফুলে লাল হয়ে যায় এবং এমন ব্যথা হয় যে একজন মানুষ হাঁটাচলা পর্যন্ত করতে পারেন না তিনি একই নিয়মে কালোজিরা সেবন করবেন মধু সহযোগী এবং এইভাবে তেল মালিশ করবেন দিনে দুইবার।

তাহলে সকল ধরনের বাত ব্যথা, হাড়ের ব্যথা, জয়েন্টের ব্যাথা, কোমরের ব্যথা সব একেবারে দূর হয়ে যাবে। মাথা ব্যথায় এই তেল কপালে এবং কানের পাশে মালিশ করুন মাথাব্যথা একেবারে দূর হয়ে যাবে। সাইনোসাইটিস হলেও এই তেল আপনি মালিশ করতে পারেন কপালে নাকের পাশে এবং মাথার দিকে।

কালোজিরা সেবন করতে পারেন কিন্তু ঔষধ হিসেবে নয় এবং যেসব শিশুর বয়স ২ বছর হয়নি তারাও ওষুধের মতো কালোজিরা সেবন করতে পারবেন না। শুধুমাত্র বুকে ঠান্ডা লাগলে ব্যথা হলে কালোজিরার তেল প্রস্তুত করে তা মালিশ করতে পারেন।

এতে কোন ধরনের ক্ষতি হবার সম্ভাবনা নেই।

09/09/2020

এই মহিলাটি কেরালার মল্লপুরমের একটি স্কুলের গণিতের শিক্ষিকা ছিলেন। একদিন তাঁর এক ছাত্রী রেলস্টেশনের কাছে তাঁকে ভিক্ষা করতে দেখে প্রথমে সঠিকভাবে চিনতে পারেনি। তখন কাছে গিয়ে সে আশ্চর্য্য হয়ে যায়,এটা যে তার স্কুলের শিক্ষিকা। তখন সেই ছাত্রী তাঁর অবস্থা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করায় তিনি বলেন যে - “আমি অবসর নেওয়ার পরে আমার সন্তানরা আমাকে ছেড়ে চলে যায় এবং তাদের জীবনযাত্রার কথা আমি জানি না”। তাই তিনি রেলওয়ে স্টেশনের সামনে ভিক্ষা শুরু করেন। তখন মেয়েটি কেঁদে ওঠে এবং তাঁকে তার বাড়িতে নিয়ে যায়, ভাল পোষাক দেয়, খাওয়ার ব্যবস্থা করে এবং তাঁর ভবিষ্যৎ জীবনযাপনের পরিকল্পনা করে। তার সাথে পড়াশোনা করা প্রতিটি বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ করে এবং তাঁকে থাকার জন্য আরও ভাল জায়গায় ব্যবস্থা করে দেয়।
নিজের সন্তানরা তাকে ছেড়ে চলে গেলেও, তিনি যে ছেলেমেয়েদের শিক্ষা দিয়েছিলেন তারা তাঁকে ছেড়ে যায়নি। এটাই গুরু শিষ্য সম্পর্কের মাহাত্ম্য ....

06/06/2020

আজানের জবাব দেয়ার পদ্ধতিঃ

আজান: আল্লাহু আকবার-আল্লাহু আকবার
জবাব: আল্লাহু আকবার-আল্লাহু আকবার

আজান: আল্লাহু আকবার-আল্লাহু আকবার
জবাব: আল্লাহু আকবার-আল্লাহু আকবার

আজান: আশহাদু আল্লাইলাহা ইল্লাল্লাহ
জবাব: আশহাদু আল্লাইলাহা ইল্লাল্লাহ

আজান: আশহাদু আল্লাইলাহা ইল্লাল্লাহ
জবাব: আশহাদু আল্লাইলাহা ইল্লাল্লাহ

আজান: আশহাদু আন্নামুহাম্মাদার রাসুলুল্লাহ
জবাব: আশহাদু আন্নামুহাম্মাদার রাসুলুল্লাহ

আজান: আশহাদু আন্নামুহাম্মাদার রাসুলুল্লাহ
জবাব: আশহাদু আন্নামুহাম্মাদার রাসুলুল্লাহ

আজান: হাইয়া আলাস্ সালাহ
জবাব: লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লাবিল্লাহ

আজান: হাইয়া আলাস্ সালাহ
জবাব: লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লাবিল্লাহ

আজান: হাইয়া আলাল্ ফালাহ
জবাব: লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লাবিল্লাহ

আজান: হাইয়া আলাল্ ফালাহ
জবাব: লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লাবিল্লাহ

আজান: আস-সালাতু খাইরুম মিনান নাওম
জবাব: সদাক্বতা ও বারারতা

আজান: আস-সালাতু খাইরুম মিনান নাওম
জবাব: সাদাক্বতা ও বারারতা।

আজান: আল্লাহু আকবার-আল্লাহু আকবার
জবাব: আল্লাহু আকবার-আল্লাহু আকবার

আজান: লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ
জবাব: লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ

অর্থাৎ, মুয়াজ্জিন আযানে যা যা বলবে তাই বলতে হবে, শুধুমাত্র হাইয়্যা আলাস সালাহ ও হাইয়্যা আলাল ফালাহ বললে জবাবে সেটা না বলে বলতে হবে লা হাউলা ওয়ালা কুওয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ।
এটা হচ্ছে আযানের জবাব দেওয়ার পদ্ধতি।

11/04/2020
চট্টগ্রাম চট্টগ্রাম করোনা ভাইরাসের সর্বোচ্চ ঝুঁকিতে আছে : সিভিল সার্জন - Ctg Times | Latest Chattogram News 16/03/2020

চট্টগ্রাম চট্টগ্রাম করোনা ভাইরাসের সর্বোচ্চ ঝুঁকিতে আছে : সিভিল সার্জন - Ctg Times | Latest Chattogram News সমুদ্র ও বিমান বন্দরের কারণে করোনা ভাইরাস সংক্রমণে সর্বোচ্চ ঝুঁকিতে চট্টগ্রাম এমনটা জানিয়ে চট্টগ্রামের সিভিল স...

10/12/2019

#সিরিয়ার একটি শহরের নাম রাকা। সেখান থেকে খলিফা হারুনুর-রশিদের নিকট চিঠি আসলো। চিঠিতে লেখা ছিল: শহরের বিচারক এক মাস যাবত অসুস্থ,বিচার কাজ স্থগিত হয়ে আছে । খলিফা যেন দ্রুত ব্যবস্থা করেন । খলিফা চিঠির জবাব পাঠালেন । আগামী সপ্তাহের মধ্যে নতুন বিচারক আসবেন । এক সপ্তাহের মধ্যে নতুন বিচারক এসে যোগ দিলেন ।

বিচার কাজ শুরু হয়েছে । স্থানীয় প্রহরীরা একজন বৃদ্ধা মহিলাকে আসামী হিসেবে দরবারে হাজির করলেন । তার অপরাধ ছিল তিনি শহরের এক রেস্তারাঁ থেকে কিছু রুটি আর মধু চুরি করার সময় হাতেনাতে ধরা পরেন ।

বিচারক: আপনি চুরি করেছেন?

– জ্বি ।

– আপনি কি জানেন চুরি করা কতো বড় অপরাধ ও পাপ ?

– জ্বি ।

– জেনেও কেন চুরি করলেন ?

– কারণ আমি গত এক সপ্তাহ যাবত অনাহারে ছিলাম । আমার সাথে এতিম দু’নাতিও না খেয়ে ছিল । ওদের ক্ষুদারত চেহারা ও কান্না সহ্য করতে পারিনি তাই চুরি করেছি। আমার আর এ ছাড়া কোন উপায় ছিল না হুজুর ।

বিচারক এবার পুরো দরবারে চোখবুলালেন। বললেন কাল যেন নগর, খাদ্য,শরিয়া, পুলিশ প্রধান ও সমাজের গণ্যমান্য ব্যাক্তিগন সবাই উপস্থিত থাকেন ।তখন এর রায় দেওয়া হবে ।

পরদিন সকালে সবাই হাজির হলেন । বিচারক ও যথাসময়ে উপস্থিত হয়ে রায় ঘোষণা করলেন-“ বৃদ্ধা মহিলার চুরির অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় ৫০টি চাবুক, ৫০০ দিণার রৌপ্য মুদ্রা আর অনাদায়ে এক বছর কারাদণ্ড দেওয়া করা হলো। তবে অকপটে সত্য বলার কারণে হাত কাটা মাফ করা হলো। বিচারক প্রহরীকে চাবুক আনার নির্দেশ দিয়ে নিচে নেমে ঐ বৃদ্ধা মহিলার পাশাপাশি দাঁড়ালেন ।

বিচারক বললেন যে নগরে একজন ক্ষুধার্তবৃদ্ধ মহিলা না খেয়ে ক্ষুধার যন্ত্রণায় চুরি করতে বাধ্য হয় সেখানে তো সবচেয়ে বড় অপরাধী সে দেশের খলিফা। আর আমি এসেছি খলিফার প্রতিনিধি হয়ে । আমি যেহেতু তাঁর অধীনে চাকরি করি তাই ৫০টি চাবুকের ২০টি আমার হাতে মারা হউক । আর এটাই হলো বিচারকের আদেশ । আদেশ যেন পালন করা হয় এবং বিচারক হিসাবে আমার উপর চাবুক মারতে যেন কোনো রকম করুণা বা দয়া দেখানো না হয়।

বিচারক হাত বাড়িয়ে দিলেন । দুই হাতে পর পর ২০টি চাবুক মারা হলো। চাবুকের আঘাতের ফলে হাত থেকে রক্ত গড়িয়ে পরছে । ঐ অবস্থায় বিচারক পকেট থেকে একটি রুমাল বের করলেন । কেউ একজন বিচারকের হাত বাঁধার জন্য এগিয়ে গেলে বিচারক নিষেধ করেন। এরপর বিচারক বললেন “ যে শহরে নগর প্রধান, খাদ্য গুদাম প্রধান ও অন্যান্য সমাজ হিতৈষীরা একজন অভাব গ্রস্হ মহিলার ভরন-পোষণ করতে পারেন না। সেই নগরে তারা ও অপরাধী। তাই বাকি ৩০টি চাবুক সমান ভাবে তাদেরকে মারা হোক ।“

এরপর বিচারক নিজ পকেট থেকে বের করা রুমালের উপর ৫০টি রৌপ্য মুদ্রা রাখলেন । তারপর বিচারপতি উপস্থিত সবাইকে বললেন “যে সমাজ একজন বৃদ্ধমহিলাকে চোর বানায়, যে সমাজে এতিম শিশুরা উপবাস থাকে সে সমাজের সবাই অপরাধী । তাই উপস্থিত সবাইকে ১০০ দিণার রৌপ্য মুদ্রা জরিমানা করা হলো।“

এবার মোট ৫০০দিনার রৌপ্য মুদ্রাথেকে ১০০ দিণার রৌপ্য মুদ্রা জরিমানাবাবদ রেখে বাকি ৪০০টি রৌপ্য মুদ্রা থেকে ২০টি চুরি যাওয়া দোকানের মালিককে দেওয়া হলো। বাকি ৩৮০টি রৌপ্য মুদ্রা বৃদ্ধা মহিলাকে দিয়ে বললেন “ এগুলো আপনার ভরণপোষণের জন্য । আর আগামী মাসে আপনি খলিফা হারুনুর রশিদের দরবারে আসবেন । খলিফা হারুনুর রশিদ আপনার কাছে ক্ষমা প্রার্থী । “

একমাস পরে বৃদ্ধা খলীফার দরবারে গিয়ে দেখেন ; খলীফার আসনে বসা লোকটিকে চেনা চেনা মনে হচ্ছে । মহিলা ভয়ে ভয়ে খলীফার আসনের দিকে এগিয়ে যান। কাছে গিয়েবুঝতে পারেন লোকটি সেদিনের সেই বিচারক। খলীফা চেয়ার থেকে নেমেএসে বললেন —আপনাকে ও আপনার এতিম দু’নাতিকে উপোস রাখার জন্য সেদিন বিচারক হিসেবে ক্ষমা চেয়েছিলাম । আজ দরবারে ডেকে এনেছি প্রজা অধিকারসমুন্নত করতে না পারা অধম এই খলীফাকে ক্ষমা করে দেওয়ার জন্য ।আপনি দয়াকরে আমাকে ক্ষমা করুন ।

09/09/2019

কালেক্ট

পাশের বাসার আন্টির সাথে একসাথে বসে টিভি দেখছি আর টুকটাক কথা বলছি। এমন সময় মা এসে বললো বাবার প্রেসারের ঔষধ শেষ হয়ে গেছে আমি যেন এখন ফার্মেসিতে গিয়ে ঔষধটা এনে দেই। আমি যখন ঔষধ আনতে যাবো তখনি আমার ছোটবোন বললো,
-ভাইয়া, ফার্মেসি থেকে আসার সময় আমার জন্য একটা সেনোরা প্যাড নিয়ে আসিস তো।
আমার বোনের কথা শুনে পাশের বাসার আন্টি আঁচলে মুখটা ঢেকে বললো,
~ ছিঃ ছিঃ এত বড় মেয়ে হয়েছে তবুও একটু লজ্জা শরম নাই। নিজের ভাইকে বলে এইসব পঁচা জিনিস আনতে...
আমি আন্টিকে কিছু বলতে যাবো তার আগেই আমার বোন আন্টির সামনে বসে হাসতে হাসতে বললো,
- আচ্ছা আন্টি আপনার যখন সন্তান হয়েছিলো সেই কথাটা আপনি আপনার ভাইকে বলতে লজ্জা পেয়েছিলেন?
পাশের বাসার আন্টি অবাক হয়ে বললো,
~আমার সন্তান হয়েছে সেটা আমার ভাইকে বলতে লজ্জা পাবো কেন? সন্তান হওয়া তো আনন্দের ব্যাপার।
- আন্টি পিরিয়ড হওয়াটাও আনন্দের ব্যাপার। একজন মেয়েকে পরবর্তীতে সন্তান সম্ভাবনা হতে সাহায্য করে এই পিরিয়ড প্রক্রিয়া । কিন্তু আপনাদের মত কিছু মানুষ আল্লাহ তালার এই নিয়ম চক্রটাকে খারাপ চোখে দেখে...

ফার্মেসি থেকে যখন বাবার ঔষধ আর সেনোরা প্যাড কিনে বাসায় ফিরছি তখন খেয়াল করলাম একটা মেয়ে ফার্মেসি থেকে একটু দূরে চুপচাপ অনেকক্ষণ ধরে দাঁড়িয়ে আছে। আমি মেয়েটার কাছে গিয়ে বললাম,
-- বোন, তোমার কি কিছু দরকার?
আমার মুখ থেকে বোন ডাকাটা শুনে মেয়েটা কিছুটা স্বাভাবিক ভাবে বললো,
~ ভাইয়া একটু ফার্মেসিতে যাওয়া দরকার ছিলো কিন্তু অনেক লোক তো তাই যেতে সংকোচ বোধ করছি। লোক গুলো কমলে যাবো।
আমি মেয়েটার কথা শুনে ওর হাতে সেনোরার প্যাকেটটা দিয়ে বললাম,
-- তোমার যেটা লাগবে সেটা এইখানে আছে। আমি আমার বোনের জন্যই এটা কিনে নিয়ে যাচ্ছিলাম।
মেয়েটা আমতা আমতা করছিলো আমি তখন মেয়েটাকে বললাম,
-- এতে সংকোচ বোধ করার কিছু নেই। নেক্সট টাইম যখন কিনবে তখন মনে কোন সংকোচ না রেখে সরাসরি কিনবে।আর কেউ যদি তোমার এটা নিয়ে হাসাহাসি করে তাহলে ধরে নিবে ও বিকৃত মস্তিষ্কের মানুষ।
পিরিয়ড মেয়েদের জন্য লজ্জা না পিরিয়ড মেয়েদের জন্য অহংকার...

বাস দিয়ে ময়মনসিংহ থেকে ত্রিশাল যাচ্ছি। একটু পর খেয়াল করলাম আমার একটু সামনে বসা একটা মেয়ের জামার ফাঁক দিয়ে ব্রার কালো ফিতাটা দেখা যাচ্ছে। আর আমার পাশে বসা ২টা ছেলে এটা দেখছে আর হাসাহাসি করছে। আমি মিষ্টি হেসে ছেলে দুইটাকে বললাম,
-- কি ভাই, কি দেখে মনে এত আনন্দ পাচ্ছেন??
একটা ছেলে নিজে নিজের ঠোঁট কামড় দিয়ে বললো,
~ গুপ্তধন দেখে ফেলেছি ভাই। তাই মনে এত আনন্দ..
আমি হেসে হেসে বললাম,
- ভাইয়ের তো দেখছি সেই রকম ফিলিংস। দেখেই সব মজা নিয়ে নেন। তা ভাইয়ের বাসা কোথায়, ভাই বোন কয়জন?

ছেলেটা মেয়েটার ব্রার ফিতার দিকে তাকিয়ে বললো,
~ বাসা ভাই ভালুকা। আর একজন বড় বোন আছে। আনন্দ মোহন কলেজে পড়ে।
-- ভালুকা থেকে আপনার বোন কি বাস দিয়ে আনাগোনা করে?
~ জ্বি ভাই..
আমি তখন মুচকি হেসে বললাম,
-- আপনার বোনের পিছনে সিটে বসেও মনে হয় কোন না কোন ছেলে আপনার মত আপনার বোনের গুপ্তধন দেখার চেষ্টা করে।

আমার কথাটা শুনে ছেলেটা মাথাটা নিচু করে ফেললো। আর পাশে বসা ছেলেটাকে বললাম,
-- কি ভাই, আপনার বোন কিসে চলাচল করে?
ছেলেটা কিছু না বলে রাগান্বিত হয়ে আমার দিকে তাকিয়ে রইলো।
আমি আর কিছু না বলে শুধু মুচকি হাসলাম। আর একটা চিরকুট মেয়েটার হাতে দিয়ে বাস থেকে নেমে পড়লাম...

রিকশা করে যখন ছোট বোনকে নিয়ে বাসায় ফিরছি। তখন ছোট বোন বললো,
- ভাইয়া কয়েকটা প্যারাসিটামল নিয়ে নে...
রিকসা দাড় করিয়ে আমি যখন ফার্মেসি থেকে প্যারাসিটামল কিনতে যায় তখন ফার্মেসির ছেলেটা আমাকে প্যারাসিটামলের সাথে একটা প্যাকেট ধরিয়ে দেয়। আমি প্যাকেটা খুলে ছেলেটাকে বললাম,
-- আজকাল প্যারাসিটামলের সাথে কনডমের প্যাকেট ফ্রি দাও না কি?
ছেলেটা মুচকি হেসে বললো,
~ একটু পর তো ভাই আপনাদের লাগবে।
আমিও তখন মুচকি হেসে ছেলেটাকে বললাম,
-- তুমি যখন তোমার বোনের সাথে কোথাও ঘুরতে বের হও তখন কি পকেটে কনডমের প্যাকেট রাখো?
ছেলেটা কিছু বললো না শুধু মাথাটা নিচু করে দাঁড়িয়ে রইলো....

আমরা পুরুষ আজকাল নিজেদেরকে ক্ষুধার্ত বাঘ মনে করি আর আমাদের চোখে নারীরা হলো একটা টগবগে হরিণের বাচ্চা...

রাস্তায় চলার সময় যখন কোন নারীর সাদা জামাতে রক্তের দাগ দেখতে পাই তখন পাশে থাকা বন্ধুটাকে সেই দাগটা দেখিয়ে মনে একটা পিশাচিক আনন্দ পাই। অথচ আমরা ভুলে যায় নারীর যদি পিরিয়ড না হতো তাহলে আমাদের জন্মই হতো না...

নারীর ওড়নার ফাঁক দিয়ে দেখা এক টুকরো নরম মাংস পিন্ড দেখে আমাদের পুরুষদন্ড দাঁড়িয়ে যায়। অথচ আমরা ভুলে যায় জন্মের পর আমরা নারীর এই নরম মাংসপিণ্ড থেকেই দুধ পান করেছি...

রিকশায় ছেলে মেয়েকে একসাথে দেখলেই আমাদের মনে একটা খারাপ চিন্তা এসে যায় অথচ আমরা ভুলে যায় ওরা তো ভাই বোন হতে পারে, বন্ধু হতে পারে, মামা ভাগ্নি হতে পারে...

আমরা সবসময় বলি নারীজাতি খারাপ অথচ আমরা এটা ভুলে যায় আমাদের জন্ম কোন না কোন নারীর গর্ভে...

আমাদের চোখে নারীজাতি যতই খারাপ হোক না কেন তাদের সম্মান করতে হবে কারণ সৃষ্টির শুরু থেকে ওরা সেই সম্মান পেয়ে এসেছে।সেই নারীই হলো আমাদের মা, আমাদের বোন, আমাদের অর্ধাঙ্গিনী

নারী

03/09/2019

টাকার অভাবে অ্যাম্বুলেন্সে তোলা যায় নি প্রিয় বাবার লাশ।টাকাবিহীন জীবনের কোনো রঙ নেই,মৃত্যুর পরেও তাই৷

ছবিঃ ঢাকা মেডিকেল কলেজের সামনে।

'মুসলিম শাসকরা ধর্মান্তরে বাধ্য করালে ভারতে হিন্দুই থাকত না' : অধ্যাপক শেলডন | TDN Bangla 29/08/2019

'মুসলিম শাসকরা ধর্মান্তরে বাধ্য করালে ভারতে হিন্দুই থাকত না' : অধ্যাপক শেলডন | TDN Bangla টিডিএন বাংলা ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের প্রখ্যাত বুদ্ধিজীবী ও ভাষাতাত্ত্বিক অধ্যাপক শেলডন পোলক বলেছেন, মুসলমান শাস.....

Photos from Cadet Coaching Home's post 18/08/2019

আমাদের জন্য অনেক কিছুই শিখার আছে।

ন্যায়পরায়ণ মানুষ গুলো এমনি হয়,

ইনি হলেন আলেসানে ওয়াতারা, আইভরি কোস্টের প্রেসিডেন্ট। এবার তিনি হজ্জে গেছেন। তাকে এইভাবে রাস্তায় শুয়ে থাকতে দেখা যায়। রাষ্ট্র তাকে হজ্জের খরচ দিতে চেয়েছিল,তিনি নেন নাই। সৌদি বাদশাহ তাকে অতিথি হিসাবে ট্রিট দিতে চেয়েছিলেন, তাও তিনি ফিরিয়ে দিয়েছেন। উনি নিজের আয়ে, নিজের খরচে সাধারণ মানুষের মতো হজ্জ করতে চেয়েছেন। আর সেটাই উনি করেছেন। এই ছবিতে, তিনি তার সঙ্গী এবং তার জনগণ যারা নিজের টাকায় হজ্জ সম্পন্ন করেছেন তাদের সাথে বিশ্রাম নিচ্ছেন।
আল্লাহ্‌ রাব্বুল ইজ্জত উনার এবং উনার সহযোগীদের হজ্জ কবুল করুন। আমাদের দেশে যারা জনগণের টাকায় হজ্জ করতে যান তারা কি লজ্জিত হবেন??
আল্লাহ এমন লোকের জন্যেই মনে হয় টিকিয়ে রেখেছেন পৃথিবী । কখনো ক্ষমতার অপব্যবহার ও দাপট দেখিয়ে চলেননি।
কিছু মানুষ একটু ক্ষমতা পেলে তাকে কে পায়!

: Dr. Abul Bashar

Want your school to be the top-listed School/college in Chandgaon?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Chandgaon
Other Chandgaon schools & colleges (show all)
Hazera Taju Degree College Rover Scout Group Hazera Taju Degree College Rover Scout Group
Chandgaon, Chattagram
Chandgaon

Borhan uddin Borhan uddin
Chandgaon, 4212

Welcome to my page

Chandgaon Model School & College, Chattogram. Chandgaon Model School & College, Chattogram.
Chaleh Ahmed Chowdhury Jame Mosque
Chandgaon, 4208

A Complete Class Dependent Modern Institution.

Spoken English For Kids Spoken English For Kids
Chandgaon

you have to learn english

Tutor needed Tutor needed
Chattogram, Chattogram Division
Chandgaon, 4212

Tutors database for the students who need tutors. Search for tutors and tuitions in Bangladesh. We have lots of House tutors that can easily meets your needs.

Asset- Academic Aid & Admission Care Asset- Academic Aid & Admission Care
Chandgaon

An Academic care for SSC, HSC & Varsity Admission students.

AL AMIN'S  CARE AL AMIN'S CARE
House/370, , , Rd-14, B/Block, Chandgaon R/A
Chandgaon, 4212

Assalamu Alaikum, Heartiest congratulations and best wishes to all from Al Amin's Care.

Reja- E- Mustafa Al Quran Academy Reja- E- Mustafa Al Quran Academy
Chittagong
Chandgaon, 4212

Reja - E - Mustafa (S) Al Quran Academy, Chattogram. Established: 2021

Europe Bangla Ielts academy Europe Bangla Ielts academy
Chandgaon, 4100

IELTS is a task-based test covering the four language skills (listening, reading, writing and speaki

Impressive Professional Accountants' Care & Training. (IMPACT) Impressive Professional Accountants' Care & Training. (IMPACT)
Nadira Books & Stationary, Huq Market Unit 1, Bahaddarhat
Chandgaon, 4212

FiA, CAT & ACCA