আহমদিয়া অদুদিয়া সুন্নিয়া তাহফিজুল কোৱআন মাদৱাসা

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from আহমদিয়া অদুদিয়া সুন্নিয়া তাহফিজুল কোৱআন মাদৱাসা, High School, Khawja Road, Badamtal, Mushi Bari, Chandgaon.

Operating as usual

21/03/2024

স্মরণ....
মুসলিম উম্মাহ যাঁর কাছে ঋণী : উম্মুল মুমিনিন হযরত সাইয়্যিদা খাদিজাতুল কুবরা (র.)
..................................................
ড. এ. এস. এম. ইউসুফ জিলানী
..................................................
উম্মুল মুমিনিন হযরত খাদিজা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) প্রিয় নবী রাসূলে আকরাম সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম এর প্রথম স্ত্রী। তিনিই ছিলেন সর্বপ্রথম ইমান আনয়নকারী মুসলমান। তার আগে কোনো পুরুষ বা কোনো মহিলা ইমান আনেন নি। তিনি কুরাইশের শ্রেষ্ঠ গোত্র বনু আসাদ বিন আবদিল ইজ্জা বিন কুসাঈয়ের সাথে সম্পৃক্ত। কুসাঈ পর্যন্ত গিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লামের বংশধারা এবং হযরত খদিজা (রাদিয়াল্লাহু আনহা)’র বংশধারা এক হয়ে যায়। ফলে বংশধারার দিক থেকেও তিনি ছিলেন একজন অভিজাত মহিলা। শুধু ইসলামি যুগে নয়, জাহেলিয়া যুগেও তিনি তাহিরা উপাধিতে ভূষিত ছিলেন। তাঁর মর্যাদা ও আভিজাত্যের কারণে মক্কাবাসীরা তাঁকে سيدة نساء قريش (কুরাইশের রমণিশ্রেষ্ঠা উপাধি দিয়েছেন)। [তারিখে দামিশ্ক, ৬৬: ১৪, ১: ৩২৭। আল ইসাবা, ৪: ২৮১।]
প্রিয় নবীর বিবাহধীনে আসার পর কুরআন করিমে তাকে উম্মুল মুমিনিন উপাধি দেয়া হয়। [আল আহযাব, ৩৩: ৬।]
প্রিয় নবী রাসূলে আকরাম সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম এক হাদিসে তাঁকে জান্নাতের রমনিকুল শ্রেষ্ঠা উপাধি দিয়েছেন। [আহমদ, আল মুসনাদ, ১: ২৯৩।]
উম্মুল মুমিনিন সাইয়্যিদা খদিজা (র.)’র জন্ম আবরাহা বাদশার বায়তুল্লাহ আক্রমনের পনেরো বছর আগে। অন্যান্য পরিবারের তুলনায় এ পরিবারটি সবদিক বিবেচনায় সম্মানি ও পবিত্র ছিলো। [ইবনে সাদ, আত তাবকাত, ৮: ১৭।]
তাঁর পিতা খুয়ায়লিদ ছিলেন মক্কার একজন প্রসিদ্ধ ও সম্পদশালী ব্যবসায়ী। হস্তিবর্ষের দুই বছর আগে আরব গোত্রীয় সাইফ বিন ইয়াজান ইয়ামানের বাদশাহ আহবাশকে পরাজিত করে ইয়ামেন দখল করেন। তার এ জয়ে আরবরা খুবই খুশি হলো। আর তাকে অভিনন্দন জানানোর জন্য কুরায়েশ থেকে একটি প্রতিনিধিদল প্রেরণ করা হয়েছিলো। তাতে প্রিয়নবীর পিতামহ আবদুল মুত্তালিব বিন হাশিমসহ অন্যান্য নেতার সাথে হযরত খাদিজার পিতা খুয়াইলিদ বিন আসাদও ছিলেন। [আল ওয়াফা বেতারিফে ফাযায়েলে মুস্তাফা, ১: ৭৭।]
তার মাতার নাম ফাতিমা বিনতে যায়েদা। তিনিও ছিলেন কুরাইশি। আরবে বংশমর্যাদাকে খুবই গুরুত্ব দেয়া হয়। কুরাইশের বংশ পরম্পরার বিশুদ্ধ ধারাবাহিকতার একবিংশতম পুরুষ হলেন নাযার মাদ বা আদনান। হযরত খাদিজার বংশপরম্পরার একটি অনন্য বৈশিষ্ট হলো-তত পুরুষ পর্যন্ত তাঁর দাদিদের নামও রক্ষিত রয়েছে এবং তার নানীদের নামও।
হযরত খাদিজা ছিলেন জাহেলি যুগের সব ধরণের কুপ্রথা ও নোংরামি থেকে পূত পবিত্র। তাই নবীজির আতœপ্রকাশের পূর্বে খাদিজা তাহিরা (পূতÑপবিত্র) নামে সমধিক পরিচিত ছিলেন। হযরত খাদিজার নাম তাহিরা ছিলো না বরং আল্লাহর পক্ষ থেকে এ ব্যবস্থা কার্যকর হয়েছিলো যে, লোকজন স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে তাঁর নাম তাহিরা রেখে দিয়েছিলো। তারা তাঁকে তাহিরা নামে ডাকতে শুরু করে যেমন রাসূল-এর নাম লোক মুখে আল আমিন প্রচারিত ও বহুল ব্যবহৃত হতে থাকে, যেন নবীজির আমানতদারি ও বিশ্বস্ততার বিষয়টি সর্বমহলে ব্যপ্তি লাভ করে। তাতে কারো কোনো আপত্তির আর অবকাশ না থাকে। এ রকম পরিস্তিতির জন্যই বলা হয়ে থাকে সকলের মুখের ভাষা আল্লাহরই অমোঘ ঘোষণা। যেহেতু হযরত খাদিজা ছিলেন, সে যুগের মরিয়ম। তাই মরিয়ম কে যেমন বলা হয়েছিলো- وطهرك واصطفاك علي نساء العالمين-
তোমাকে পূত পবিত্র অবস্থায় রাখা হয়েছে এবং জগতের নারী সমাজের মাঝে তোমাকে মনোনীত করা হয়েছে। [সূরা আলে ইমরান, ৪২] তেমনি হযরত খাদিজাকেও এ ঘোষণার উল্লেখযোগ্য অংশ আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রদান করা হয়েছে।তাই তিনি তাহিরা নামে খ্যাতি লাভ করেছেন। যিনি এমনি পূত-পবিত্র যাকে আল্লাহর পক্ষ হতে পূত-পবিত্র রাখা হয়েছে তাহিরা নামে যিনি খ্যাত হয়েছেন তিনি এমন কোনো ব্যক্তির প্রতিই অনুরক্ত হবেন যিনি তার মতোই তাহিরা তথা পূত-পবিত্র, যাবতীয় অন্যায় ও পাপাচার থেকে বিমুক্ত ও সর্বজনখ্যাত। এ সম্পর্কে আল্লাহ তায়ালা বলেন-
والطيبات للطيبين والطيبون للطيبات-
পাকপবিত্র পুরুষ পাক পবিত্র মহিলাদের জন্য, পাক পবিত্র মহিলারা পাক পবিত্র পুরুষদের জন্য। [সূরা নূর, ২৬।]
নাফিসা বিনতে উনাইসা বর্ণনা করেন, হযরত খাদিজা যেমনি ছিলেন সম্ভ্রান্ত বংশীয়া, চরিত্রবান, পূত-পবিত্র ও সুন্দরি তেমনি প্রচুর সম্পদের মালিক। তাই তিনি যখন বিধবা হয়ে গেলেন তখন কুরাইশের প্রত্যেক সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি তাঁকে বিবাহ করতে আগ্রহী ছিলো। কিন্তু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম যখন হযরত খাদিজার ব্যবসায়ী পণ্য নিয়ে সফরে গেলেন এবং আশাতীত বিপুল লাভ করে মক্কায় ফিরে আসলেন, তখন হযরত খাদিজা তার প্রতি অত্যন্ত আগ্রহী হয়ে উঠলেন। তিনি আমাকে ডেকে পাঠালেন, উদ্দেশ্য রাসূলের মনোভাব সম্পর্কে অবগতি লাভ করা। আমি নবীজির কাছে এলাম, তাকে জিজ্ঞাসা করলাম, আপনার বিয়ে করতে আপত্তি কিসের? তিনি বললেন, আমার হাতে তো কিছু নেই। আমি বললাম, যদি আপনার এ আর্থিক দিকটির কোনো ব্যবস্থা হয়ে যায়, সম্পদ ও সৌন্দর্যের অধিকারী সমগোত্রের কারো পক্ষ থেকে যদি প্রস্তাব আসে তাহলে কোনো আপত্তি নেই তো? তিনি বললেন, সে কে? আমি জানালাম খাদিজা। শুনে তিনি তা কবুল করলেন। [আল ইসাবা, ৪: ২৮২।]
বিবাহের সময় হযরত খাদিজার বয়স ছিলো চল্লিশ বছর এবং নবীজির বয়স ছিলো পঁচিশ বছর। বিবাহ অনুষ্ঠানে ওয়ারাকা ইবনে নাওফেলও উপস্থিত ছিলেন। আবু তালেব বিয়ের খুতবা পাঠের পর ওয়ারাকা সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন। [যুরকানি, ৩: ২২২।]
বিবাহের ইজাব কবুলের পর হযরত খাদিজা (র.) একটি গরু জবাই করে মেহমানদের আপ্যায়ন করেন। [যুরকানি, ৩: ২২২।]
মর্যাদা ও শ্রেষ্ঠত্ব
বুখারি ও মুসলিমে হযরত আবু হুরায়রা হতে বর্ণিত। রাসূলে আকরাম সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম কাছে জিবরাইল (আ.) এসে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! খাদিজা আপনার নিকট খাবার নিয়ে আসছেন। যখন আপনার সামনে চলে আসবেন তখন তাকে আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের পক্ষ থেকে এবং এরপর আমার পক্ষ থেকে সালাম জানাবেন। সেই সাথে এ সুসংবাদ জানাবেন যে, জান্নাতে মুক্তা দিয়ে তৈরি একটি প্রাসাদ তাকে দান করা হবে। সে প্রাসাদে কোনো শোরগোল হবে না, কোন ধরণের বিপদাপদ ও কষ্ট হবে না।
নাসাই শরিফের বর্ণনায় রয়েছে, হযরত খাদিজা খাবার নিয়ে উপস্থিত হলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম তাকে সালাম ও শুভবার্তা পৌছিয়ে দিলেন, হযরত খাদিজা তার জবাবে বলেন,
ان الله هو السلام وعلي جبريل السلام وعليك يا رسول الله ورحمة الله وبركاته-
আল্লাহ তো স্বয়ং সালাম (তাই আল্লাহর উপর আর কি সালাম পাঠানো হবে?) তবে জিবরাইল কে সালাম সে সাথে হে আল্লাহর রাসূল আপনার প্রতিও সালাম এবং আল্লাহর রহমত ও বরকত বর্ষিত হোক। (যার বদৌলতে আমার প্রতি সালাম ও রহমত বরকত বর্ষিত হয়েছে)। ইবনে সুন্নীর বর্ণনায় রয়েছে। এরপর হযরত খাদিজা বলেন, যারা শুনছে তাদের প্রতিও সালাম কেবল শয়তান ব্যতীত। যুরকানি, শরহে মাওয়াহিব, ৩: ২২২।
ইবনে কাইয়্যেম বলেন, আল্লাহ তায়ালা কর্তৃক কারো উদ্দেশ্যে সালাম পাঠানো- এটা এমন এক মর্যাদা ও সম্মান যার একক অধিকারী হয়েছেন হযরত খাদিজা, তাতে এ সৃষ্টির কেউ তার সাথে অংশীদার হন নি, হতে পারেন নি।
উম্মতের সকল ওলামা এ কথার উপর একমত যে, মহিলাদের মাঝে হযরত খাদিজা (র.) হযরত আয়েশা (র.) ও হযরত ফাতিমা (র.) এ তিন মহিলাই সর্বোত্তম ও সর্বাধিক মর্যাদার অধিকারী। হাফেজ আবদুল বার বলেন, হযরত ইবনে আব্বাস কর্তৃক বর্ণিত হাদিসে রাসূলে আকরাম সাল্লাল্লাহু সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
سيدة نساء العالمين مريم ثم فاطمة ثم خديجة ثم اسية-
জগতের সকল মহিলার মাঝে সর্বশ্রেষ্ঠ মারইয়াম, তারপর ফাতিমা, তারপর খাদিজা তারপর আসিয়া। যুরকানি, ৩: ২২৩।
সন্তানাদি
হযরত খাদিজা (র.)র গর্ভে নবীজির চার কন্যা হযরত যয়নাব, হযরত রুকাইয়া, হযরত উম্মে কুলসূম ও হযরত ফাতিমা (র.) এবং দুই পুত্র হযরত কাসিম ও আবদুল্লাহ (র.) জন্মগ্রহণ করেন। উভয় পুত্রই শৈশবে ইনতিকাল করেন। আর কন্যারা সকলে বয়প্রাপ্ত হন এবং পাত্রস্থও হন। তাদের সন্তান সন্তুতিও হয়।
মৃত্যু
তিনি নবুয়তের দশম বর্ষে/প্রিয় নবীর জন্মের ৫০ তম বর্ষে হিজরতের তিন বছর পূর্বে ১০ রমজান, অথবা ২২ এপ্রিল ৬২০ ইং মক্কানগরীতে ইনতিকাল করেন। [ইবনুল জাওযি, আল-ওয়াফা বিআহওয়ালিল মুস্তাফা, পৃ. ৬৪৬।] কুহে হাজুন নামক স্থানে(-এর অন্তর্গত মক্কার কবরস্থান জান্নাতুল মুআল্লায়) তাঁকে দাফন করা হয়। লাশ শোয়ানোর সময় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম নিজেই তার কবর শরীফে নামেন। তখনও পর্যন্ত জানাযার নামাযের বিধান প্রবর্তিত হয় নি। পঁচিশ বছর নবীজির স্ত্রী হিসাবে জীবন যাপন করে ৬৫ বছর বয়সে তিনি ইনতিকাল করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলায়হি রাজেউন। যুরকানি, ৩: ২২৬।
আম্মাজানের কদমে পাকে জানাই লাখো সালাম। আল্লাহ তাঁর উসিলায় আমাদের ক্ষমা করুন।

*বিস্তারিত দেখুন আমার লিখিত “আহলে বায়তে রাসূল (দ.)”
২১/০৩/ ২০২৪ ইং
পুনঃ প্রকাশ
০১/ ০৪/ ২০২৩ ইং
(পুন: প্রকাশ)
..............
পূর্বে প্রকাশিত
২২ এপ্রিল, ২০২১ইং।
...........
ড. এ. এস. এম. ইউসুফ জিলানী, ঢাকা।
.........................................................

07/02/2024

✅হুজুরে পাক সাহিবে লওলাক সাইয়াহে আফলাক আহমদে মুজতবা #মুহাম্মদে_মুস্তফা সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়ালিহি ওয়াসাল্লামা এরশাদ ফরমালেন-
ওহে বেলাল!আমি মেরাজ রজনীতে জান্নাত পরিদর্শনকালে আমার সামনে তোমাকে হাঁটতে দেখেছি,তোমার জুতোর আওয়াজ শুনেছি।বলো তো কি বিশেষ আমল করো?
উত্তরে মুয়াজ্জিনে বেমেসাল হজরতে বেলাল বললেন-এয়া রাসুলাল্লাহ্ যখনই ওযু করি সাথে সাথে তাহিয়্যাতুল ওযুর ২ রাকাত নামায পড়ে নেই।

আল্লাহর হাবীব বললেন-হুম!এজন্যই তো,,,

☞বুঝা গেলোঃ-
1️⃣রাসুলে পাক সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সশরীরে মেরাজে গিয়েছেন।
2️⃣মেরাজ জাগ্রত অবস্থায় হয়েছে ঘুমে নয়।

3️⃣হজরত বেলাল তখনো মারা যাননি,দুনিয়াতে জীবিত অবস্থায়ই ছিলেন, তারপরেও তিনি জান্নাতে হাঁটাহাঁটি করছেন।
4️⃣আরো বুঝা গেলো রাসুলে পাক সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুরে কাছে সবকিছু দেখেন এবং শুনেন।
5️⃣রাসুলে পাক সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর গোলামী করলে সে দুনিয়ায় থেকেও জান্নাতে হাঁটাহাঁটি করতে পারেন।
6️⃣গোলামানে মুস্তফা একই সময়ে একাধিক স্থানে উপস্থিত থাকতে পারেন।
7️⃣কে জান্নাতে যাবেন আর কে জাহান্নামে যাবে আমাদের আকা মাওলা সরকারে দোআলম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সব স্বচক্ষে দেখেছেন,তাই জানেন।

8️⃣শুধু জান্নাত_জাহান্নাম কেনো হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মেরাজের রাতে স্বয়ং রব্বে করীমকে কপালের চোখে দেখেছেন।

9️⃣মেরাজের রাতে মহানবী হজরত মুহাম্মদ রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে স্বচক্ষে আল্লাহকে দেখেছেন এটা যে অস্বীকার করবে সে বড় গোনাহগার সাব্যস্ত হবে।

🔟মাকামে লা মাকানে মহান আল্লাহ পাক সিদ্দিকে আকবরের কন্ঠে আওয়াজ দিয়ে রাসুলে পাককে অভয় দিয়ে বলেছেন
قف يامحمد،ان ربك يصلي.
ওহে মোহাম্মদ!একটু থামুন;আপনার প্রভু সালাত ফরমাচ্ছেন।
শুনে সাহিবে তাজ ও মেরাজ কিছুক্ষণের জন্য ভাবনার জগতে চলে গেলেন।ভাবতে লাগলেন-এ সুউচ্চ মাকামে সিদ্দিকে আকবর কিভাবে কোত্থেকে কেনো এলো।আর আমার রবি বা কি রকম সালাত করছেন!?
রব্বে করীম সংশয় নিবারনে আবার ঐ কন্ঠে আওয়াজ দিলেন,কেনো নয়, কোরানেি তো আছে
هو الذي يصلي عليكم ملائكته...
এতে সরকার দোআলম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বুঝে গেলেন সালাত মানে কি।
★ সৈয়্যদুনা সিদ্দিক আকবর রাদিআল্লাহু তাআ'লা আনহু সে মহান ব্যাক্তিত্ব যার কন্ঠকে আল্লাহ পাক মেরাজের রাতে লা-মকানে পেয়ারা নবীকে অভয় দেয়ার লক্ষ্যে ব্যবহার করেছেন। সুবহানাল্লাহি বিহামদিহি।
★এটা সিদ্দিকে আকবরের একক ও অনন্য বৈশিষ্ট্য।

16/01/2024

❝ইবলিশ শয়তান ৬ লক্ষ বছর আল্লাহর ইবাদত করেছিল আর তাকে যখন শয়তান বলে আরশ থেকে নিক্ষিপ্ত করা হচ্ছিল তখন সে বলেছিল আমি যত বছর আপনার ইবাদত করেছি এর পরিবর্তে আমি যা চাই তাই দিতে হবে❞.........

❝আল্লাহ বলেন,, কি চাও❞??

❝উওরে শয়তান বলল,, হে আল্লাহ আপনি আমাকে পৃথিবীতে মারদুদ হিসেবে নিক্ষেপ করেছেন আমার জন্য একটি ঘর বানিয়ে দিন❞,,,,,,,,

❝আল্লাহ পাক বলেনঃ তোমার ঘর হাম্মাম খানা❞,,,,,

❝শয়তানঃ একটি বসার জায়গা দিন❞..

❝আল্লাহ পাক বলেন,, তোমার বসার জায়গা বাজার ও রাস্তা❞,,,,,,,

❝শয়তানঃ আমার খাওয়ার প্রয়োজন❞

❝আল্লাহ পাক বলেন,, তোমার খাওয়া ঐ সব জিনিস যাতে আল্লাহর নাম নেয়া হয় না❞,,,,,,

❝শয়তানঃ আমার পানীয় প্রয়োজন❞

❝আল্লাহ পাক বলেন,, নেশাদ্রব তোমার পানি❞

❝শয়তানঃ আমার দিকে আহবান করার কোন মাধ্যম দিন❞..........

❝আল্লাহ পাক বলেনঃ নাচ-গান, বাদ্য-বাজনা তোমার দিকে আহবান করার মাধ্যম❞.....

❝শয়তানঃ আমাকে লিখার কিছু দিন❞

❝আল্লাহ পাক বলেনঃ শরীরে দাগ দেওয়া উল্কি ট্যাটু অংকন করা❞,,,,,,

❝শয়তান: আমাকে কিছু কথা দিন❞......

❝আল্লাহ পাক বলেন,, মিথ্যা বলা তোমার কথা❞,,,,

❝শয়তানঃ মানুষকে বন্দি করার জন্য একটি জাল ফাদ দিন❞....

❝আল্লাহ পাক বলেন তোমার জাল ফাদ হলো বেপর্দা নারী❞

❝রেফারেন্স: তাবরানী অধ্যায়, মাজমাউজ্জা ওয়ায়েদ,,
হাদিস❞ নঃ ২/১১৯

❝হে আমার রব!আমাদের সবাইকে শয়তানের ধোকার হাত থেকে রক্ষা করো❞।
❝আমিন❞

23/11/2023

কাবা ঘর সম্পর্কীয় কিছু কথা-------

(১) কাবা ঘরের ভেতরে কোনো ইলেকট্রিক লাইট নাই।

(২) এ ঘরের মেঝে এবং ওয়াল মার্বেল পাথর
দ্বারা নির্মিত।

(৩) এ ঘরের কোনো জানালা নাই।

(৪) কাবা ঘরের ১টি মাত্র দরজা।

কাবা ঘরের ছাদে ১২৭ সে.মি লম্বা ও ১০৪ সে.মি. প্রস্থের একটি ভেন্টিলেটার আছে যেটি দিয়ে সূর্যের আলো ভেতরে প্রবেশ করে।

এটি একটি কাচ দিয়ে ঢাকা থাকে।

যখন কাবা ঘরের ভেতর পরিস্কার করা হয় তখন এই কাচটি খোলা হয়।

কাবা শরীফের দুটি সিলিং রয়েছে।

এর ভেতরের দেয়ালগুলি সবুজ ভেলভেটের পর্দা দিয়ে আবৃত। এই পর্দাগুলি প্রতি তিন বছর পর পর পরিবর্তন করা হয়।

এর সিলিংকে তিনটি কাঠের পিলার ধরে রেখেছে। প্রতিটি পিলারের ব্যাস ৪৪ সে.মি.।

পবিত্র কাবা শরীফ পরিস্কার করার জন্যে এর দরজা বছরে দুইবার খোলা হয়। রমজান এর ১৫ দিন আগে
এবং হজ্জ এর ১৫ দিন আগে।

পরিস্কারের পরে মেঝে এবং দেয়াল সাদা কাপড় ও টিসু দিয়ে মোছা হয়। এরপর দেয়ালগুলি পারফিউম দিয়ে সুগন্ধযুক্ত করা হয়।

কাবা শরীফের কালো কাপড়ের আবরনটি (কিশওয়া)। প্রতি বছর ৯ই জিলহজ্জ পরিবর্তন করা হয়।

কাবা শরীফের দরজার চাবি বনী সায়বা নামক এক গোত্রের কাছে থাকে। মহানবী মুহাম্মদ (সাঃ) এই চাবী এই গোত্রের কাছে দিয়েছিলেন,
যা কিয়ামতের আগ পর্যন্ত তাদের কাছেই থাকবে।
তারা কাবা শরীফ পরিস্কার করার কাজের জন্য বিভিন্ন মুসলিম দেশের প্রেসিডেন্ট, মন্ত্রী, কুটনীতিক ও গন্যমান্য ব্যক্তিদের অভিবাদন জানান। মক্কা শহরের গভর্নর তাদের কাবা শরীফের ভিতরে নিয়ে যান এবং তারা জমজম কুপের পানি এবং গোলাপ জল দিয়ে কাবা শরীফের ভিতর পরিস্কার করেন!

হে-আল্লাহ্‌ আমাদের সবাইকে তোমার ঘরে যাওয়ার তৌফিক দান কর "আমিন"

Photos from আহমদিয়া অদুদিয়া সুন্নিয়া তাহফিজুল কোৱআন মাদৱাসা's post 23/11/2023
Photos from আহমদিয়া অদুদিয়া সুন্নিয়া তাহফিজুল কোৱআন মাদৱাসা's post 23/11/2023

"আলহামদুলিল্লাহ"
আমাদের প্রতিষ্ঠান আহমদিয়া অদুদিয়া সুন্নিয়া তাহফিজুল কোরআন মাদরাসার ছাত্র মুহাম্মদ ওয়াহিদুল আলম ত্বহা শিশু কিশোর কোরআন প্রতিযোগিতা ২০২৩. ক২ গ্রুপে তৃতীয় স্থান অধিকার করেছেন।
ব্যবস্থাপনায়:
বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ঘাঁটি জহুরুল হক।

01/10/2023

☞হজরত ওমর রাদিআল্লাহু তাআ'লা আনহু,যিনি কোন রাস্তা বেয়ে হেঁটে গেলে শয়তান সে রাস্তায় হাঁটেনা বিকল্প পথ খুঁজে নেয়।

☞হজরত আম্মার বিন ইয়াসির রাদিয়াল্লাহু তালা আনহু, যাকে রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শয়তান থেকে সম্পুর্ন মুক্ত বলে ঘোষণা করেছেন।

☞হজরত আবু হোরায়রা রাদিআল্লাহু তাআ'লা আনহু,যিনি শয়তানকে তিনদিন লাগাতার তিনবার গ্রেফতার করেছেন।

☞হজরত মুয়াবিয়া রাদিআল্লাহু তাআ'লা আনহু,যাকে শয়তান খুব ভয় করে।একদিন ফজরের নামাজে ঘুম থেকে উঠতে দেরী হচ্ছিল শয়তান নামাজের জন্য ডেকেও দিয়েছিলো।

✔অর্থাৎ শয়তান সবার সাথে শয়তানী করেনা,করতে পারেনা।

➤তাই শয়তান থেকে বাঁচতে সাহাবা_তাবেয়ীন, আউলিয়ায়ে কামেলীনদের সাথেই থাকুন।
"নয়ে নয়ে বাতেল ফেরকৌ সে বাঁচো।
কুঈ তো বিস সালছে কুঈ তো চালিস সাল সে নিকলে হেঁ"।

01/10/2023

পবিত্র কুরআনের আলোকে ঈদে মিলাদুন্নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এ পৃথিবীতে যত নেয়ামত রয়েছে বা এসেছে এর মধ্যে সবচেয়ে বড় নেয়ামত হচ্ছে রাসুলে করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয় সাল্লাম । আল্লাহর এ নেয়ামত ও আনুগ্রহকে কেন্দ্র করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা ও আনন্দ করার নির্দিশ স্বয়ং রাব্বুল আলামীন নিজে দিয়েছেন ।
যেমন এরশাদ হচ্ছেঃ-قُلْ بِفَضْلِ اللَّهِ وَ بِرَحْمَتِهِ فَبِذَالِكَ فَلْيَفْرَحُوْا هُوَا خَىْرٌ مِمَّا ىَجْمَعُوْنَ
অর্থাৎ হে রাসুল আপনি বলুন আল্লাহর দয়া ও রহমতকে কেন্দ্র করে তারা যেন আনন্দ করে এবং এটা হবে তাদের অর্জিত সকল কর্মফলের চেয়েও শ্রেষ্ট। সুরা ঈউনূছ,আয়াত ৫৮
উল্লেখ্য যে, নবীজীর শুভাগমনের চাইতে শ্রেষ্ট নেয়ামত এবং দয়া বিশ্ববাসীর জন্য আর কি হতে পারে ? যেমন অন্য আয়াতে রয়েছে-وما ارسلنك إلا رحمة للعالمينহে রাসূল, নিশ্চই আমি আপনাকে জগতসমুহের রহমত করেই প্রেরণ করেছি। (সূরা আম্বিয়া, আয়াত ১০৭)
দ্বিতীয় দলীলঃ আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ ফরমানঃ-قَالَ عِيْسَى ابْنُ مَرْيَمَ اَللَّهُمَّ رَبَّنَا اَنْزِلْ عَلَيْنَا مَاءِدَةً مِنَ السَّمَاءِ تَكُوْنُ لَنَا عِيْدًا الِّاَوَّلِنَا وَاَخِرِنَا وَ اَيَةً مِنْكَ وَارْزُقْنَا وَاَنْتَ خَيْرُ الرَّازِقِيْنَ-
অর্থাৎ ঈসা ইবনে মারইয়াম (আঃ) দুয়া করলেন, হে আল্লাহ! হে আমাদের প্রভু আমাদের প্রতি আকাশ হতে খাদ্য অবতীর্ন করুন যেন সেটা আমাদের জন্য অর্থাৎ আমাদের মধ্যে যারা প্রথমে ( বর্তমানে আছে ) এবং যারা পরে, সকলের জন্য আনন্দের বিষয় হয় এবং আপনার পক্ষ হতে এক নিদর্শন হয়। আর আপনি আমাদেরকে রিযিক প্রদান করুন বস্তুত আপনিই সর্বোত্তম রিযিক প্রদানকারী। (সূরা মায়েদা আয়াত ১১৪)মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে খাদ্য ভর্তি খাঞ্চা পেলে তা যদি ঈসা (আঃ) এর ভাষায় সৃষ্টির আদি থেকে অন্ত পর্যন্ত আনন্দোৎসবের কারণ হয় তবে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মত মহান নেয়ামতে আগমন দিবস কতই না মর্যাদাবান , গুরুত্ববহ, ও আনন্দের তা সহজেই আনুমেয়।

মিলাদ পালন করেছেন নবীজি নিজেই -عَنْ اَبِى قَتَدَةَ الاَنْصاَرِى رَضِى الله عَنهُ اَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سءل عَنْ صَوْمِ يَوْم الاِ ثْنَيْنِ قَلَ ذَاكَ يَوْمٌ وُلِدْتُ فِيْهِ بُعِثْتُ اَوْاُنْزِلَ عَلَىَّ فِيْهِ-
অর্থাৎ হযরত আবু কাতাদা (রা:) হতে বর্নিত রাসুলে পাকসাল্লাল্লাহু তায়ালা আলায়হি ওয়াসাল্লামার দরবারে আরজ করা হলো তিনি প্রতি সোমবার রোজা রাখেন কেন? উত্তরেনবীজি ইরশাদ করেন, এই দিনে আমি জম্মন গ্রহন করেছি, এই দিনেই আমি প্রেরিত হয়েছি এবং এই দিনেই আমার উপরপবিত্র কুরআন নাযিল হয় ।(সহীহ মুসলিম শরীফ ২য় খন্ড, ৮১৯ পৃষ্ঠা, বায়হাকী: আহসানুল কুবরা, ৪র্থ খন্ড ২৮৬ পৃ: মুসনাদে আহমদ ইবনে হাম্বল ৫ম খন্ড ২৯৭ পৃ: মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক ৪র্থ খন্ড ২৯৬পৃ: হিলিয়াতুল আউলিয়া ৯ম খন্ড ৫২ পৃ:)͏ আরো মজার ব্যপার হল আবুলাহাব একজন কাফের হওয়ার পরও নবীজীর জন্মেরর দিন খুশি হয়ে সে তার সংবাদ দাতা দাসী সুয়াইবাকে আযাদ করে দেওয়ার কারনে পরকালে কঠিন আযাবের ভিতরে ও প্রতি সোমবার তার আযাব হালকা করে দেওয়া হয়।(উল্লেখ্য যে আবু লাহাবের ঘটনা সম্পর্ক হাদিসটি আল্লামা ইবনে জাওযী, আল্লামা কুস্তালানী, আল্লামা জালালুদ্দিন সূয়ূতী সহ আরো অনেকে বর্ণনা করেছেন। )
সাহাবায়ে কেরামের মতে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিশ্ব বিখ্যাত মুহাদ্দিস আল্লামা ইবনে হাজর মক্কি হায়তমী রহমাতুল্লাহি আলাইহি প্রনীত কিতাব ‍‍‍‍‌‌‌‌‌‌‍‍"আন ইন মাতুল কুবরা আলাল আলম ফী মাওলিদি উলদে আদম”এর মধ্যে কতিপয় হদিস শরীফ রিলক্ষিত হয়।- সর্বশ্রেষ্ট সাহবী ও ইসলামের প্রথম খলিফা হযরত আবু বকর (রা:)বলেন-مَنْ اَنْفَقَ دِرْهَمًا عَلَى قِرا ةَ مَوْ لِدِ النَّبىُ مَلَى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَنَرَفِيْقِى فىِ الجَنّةِ
অর্থাৎ মিলাদুন্নবী উপলেক্ষে যে কমপক্ষে এক দিরহাম খরচ করবে সে বেহেশতের মধ্যে আমার বন্ধু হবে।
দ্বিতীয় খলিফা হযরত ওমর ফারুক রদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন -مَنْ عَظَّمَ مَوْلِدِ النَّبِىُ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَدْ اَخْيَا الاسْالاَمُ
যে মিলাদুন্নবীকে সম্মান করল সে যেন ইসলামকেই জিন্দা করল,
তৃতীয় খলিফা হযরত উসমান বিন আফফান (রাঃ) বলেন -مَنْ اَنْفَقَ دِرْهَمًا عَلَى قرأة مَوْلِدِ النَّبِىُ صَلّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمْ فَكَا نَّمَا ثَهِيد غَزُوَةِ بَدَر رَوحُنَيْنُ
যে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে কমপক্ষে এক দিরহাম খরচ করবে সে যেন বদর এবং হুনাইনের যুদ্ধে অংশ গ্রহন করল,
চুতর্থ খলিফা হযরত আলি মুরতাদ্বার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন-مَنْ عَظَّمَ مَوْ لِدِ النَّبِى صَلّى اللهُ عَلَيْهِ وَ سَلَّمَ وَكَانَ سَبَبَا لِقرا ته لا يَحْرُمُ مِنَ الدُّنْيَا اِلا َّبِالاِ يْمَانِ وَيَدْخُلُ الجَنَّهَ بِغَيْرِ حِسَاب
অর্থাৎ যে ব্যিক্ত মিলাদুন্নাবী সম্মান করবে তার বদৌলেত সে ঈমান ব্যতিরেকে দুনিয়া হতে বিদায় নেবেনা এবং কোন হিসাব নিকাশ ছাড়া বেহেশতে প্রবেশ করবে।
বিশিষ্ট তাবেয়ী হযরত হাসান বসরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন-وَدَوتْ لَوْكَانَ لِى مِثل جَبَلٍ اُحٍد زَهْبًا فَا نْفَقُتُهُ عَلَ قِراَ ة مَوْلِدِالنّبِى صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلّمَ
অর্থাৎ আমার মন চায়, যদি আমার কাছে উহুদ পাহাড় পরিমান স্বর্ন থাকত, তাহলে সব গুলো মিলাদুন্নবী(দ) পালনে খরচ করতাম।
হযরত জুনাঈদ বাগদাদী রহমাতুল্লাহি আলাহি বলেন-مَنْ حَضَرَ مَوْلِدِالنَّبِى صَلّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلّمُ وَعَظّمَ قدره فَقَد فَازَ با لاِ يْما ن
অর্থাৎ যে ব্যক্তি মিলাদুন্নবী মাহফিলে উপস্থিত হয় এবং তার যথাযথ সম্মান করে তাহলে তার ঈমান সফল হয়েছে।

30/09/2023

#বুয়েট পাস এমন একজনকে চিনি, যার বিবাহিত জীবনের ১৩টা বছর শুধু একটা বাচ্চা নেয়ার চেষ্টায় কাটিয়ে দিচ্ছে। তার জীবনে সফলতা আছে কিন্তু পূর্ণতা নাই।

#ব্যাংকের এ,জি,এম এমন একজনকে চিনি, যার বউ দুইটা বাচ্চা রেখে আরেকজনের সাথে পালিয়ে গেছে। তার জীবনে সফলতা-পূর্ণতা সবই ছিলো, কিন্তু ভালোবাসাটা কপালে জুটেনি।

#এম,বি,এ পাশ করা একজনকে চিনি, পড়ালেখা শেষ করে ভালো কিছু করার জন্যে চলে যান দেশের বাহিরে , তারপর বিবাহের প্রস্তাব দেন ১৪ বছরের ভালোবাসার মানুষটির পরিবারে। শুধুমাত্র ছেলে প্রবাসী বলে বিবাহ দেননি। ভালো চাকুরী মানেই কি সব কিছু??

#প্রেম করে পালিয়ে বিয়ে করা এক মেয়ের গল্পটা জানি, কি নিদারুণ অত্যাচার সহ্য করে একদিন গলায় বিষ ঢেলে দিলো। ভালোবাসার জন্যে ঘর ছেড়েছিলো, সফলতা আসেনি কখনও।

#দেশ সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া মেয়েটার গল্পটা জানি। শুধু গায়ের রঙটা কালো বলে প্রেমিকের বাবা মায়ের হাজারো অবহেলার কথা মাথায় তুলে নিয়ে রিলেশনটা ব্রেকাপ করতে হয়েছিলো। সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইডি কার্ড গলায় ঝুলিয়েও সে সুখী হতে পারছে না।

#ক্যারিয়ার গঠনের জন্য যে মেয়ে, তার বাবা মাকে বিয়ের কথা উচ্চারণ করতে দেয়নি, সে মেয়েটির শেষ পর্যন্ত বিয়েই হয়নি। টাকা পয়সা সব আছে কিন্তু স্বামী সংসার নেই।

#চাকুরী না পাওয়া তরুণের গল্পটাও করুণ। বেকার থাকার সময়ে প্রেমিকার বিয়ের আয়োজনটা থামাতে পারে নাই। চাকুরীটা হাতে পাওয়ার আগেই বাবা মারা গেলো। "সফলতা মানেই সুখ" বাক্যটা তার কাছে সম্পূর্ণ মিথ্যা।

#পুলিশের একজন এসপি-কে জানি, যিনি ভাগ্যের গেড়াকলে পড়ে; সন্তান হারিয়েছেন, স্ত্রীকে হারিয়েছেন, সংসার ও চাকুরি সব হারিয়ে, এখন ক্ষমতাহীন নিঃস্ব জীবন-যাপন করছেন। সফলতা তার জীবনে সুখ আনতে আনতে পারেনি।

#একজন প্রফেসরের সাথে আমার কথা হয়েছিলো। তিনি বলেছিলেন, "বিবাহের চার বছর পর থেকে স্বামী অসুস্থ। আজ বারো বছর হলো দুই সন্তান ও অসুস্থ স্বামী নিয়ে সংসার করছি। জীবনে কি পেলাম?" সবই ছিলো, ভালো চাকুরী, দুই সন্তান। শুধু অর্থই জীবনের সব কিছু, একথা তার কাছে হাস্যকর।

#এক পরিচিত বড় ভাই ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার হয়েও এখন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক এবং হোমিওপ্যাথিক কলেজের প্রভাষক।

#একজন এম এ(ফার্স্ট ক্লাস ১৬তম)এলএল বি পাশ করে ওকালতি প্রাকটিস ও কলেজের প্রভাষক পদ ছেড়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক!

আসলে জগতে কে সুখে আছে? টাকায় সুখ দিয়েছে কয়জনকে? জীবনে সফলতা মানেই কি সুখ? একটা জীবনে সুখী হয়ে মারা গেছে ক'জন!!

সুখী দেখেছিলাম আমার এলাকার নসু পাগলাকে, সে এক বেলা পেট ভরে খেয়ে কি আয়েশী হাসিটাই না হেসেছিলো!! শুধু ভরা পেটেই যে সুখে থাকতে পারে তার চেয়ে সুখী আর কেও নাই!! আমরা যারা মানুষ, তাদের মন ভরে সুখ কখনো আসে না। আমরা কখনো পরিপূর্ণভাবে সুখী হতে পারি না। বাস্তবতা বড় ফ্যাকাশে, স্বপ্নের মতো রঙিন হয় না।

একটু সুখের জন্যে অনেক কিছুর দরকার নেই। চলুন, আমরা মনটাকে একটু ভালো করি, ক্ষমতা ও অর্থের দম্ভ থেকে সরে আসি, হিংসা, লোভ, স্বার্থপরতা ত্যাগ করি, সৃষ্টিকর্তার তরে নিজেকে সপে দিই; আর কাউকে না ঠকাই।
আমাদের জীবন সুখের হবে।

25/09/2023

ছোট বাচ্ছা মসজিদে আনা

23/09/2023

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম

মিলাদ অর্থ জন্ম।কিন্তু যখন এটা রাসূল (দ)'র দিকে নিছবত হয় তখন অর্থ হয় শুভাগমন। ঈদে মিলাদুন্নাবি (দ) অর্থ রাসুলুল্লাহ স্বাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শুভাগমন উপলক্ষে খুশিচিত্তে নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করা, তাঁর জন্মবৃত্তান্ত আলোচনা করা।
ঈদে মিলাদুন্নাবি (দ) পালন করাটা উত্তম, না করলে গুনাহ নেই। তবে বিরোধিতা করা গুমরাহির অন্তর্ভুক্ত।

আপনার মনে প্রশ্ন আসতে পারে যে, আজ যেভাবে র‍্যালী- মিলাদ মাহফিল করে মিলাদুন্নাবী পালন হচ্ছে সেভাবে মিলাদুন্নাবি পালন তো স্বয়ং রাসুলুল্লাহ স্বাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বা তাঁর সাহাবীরাও করেননি। যেই কাজ রাসুলের সাহাবীরায় করেননি আমরা কিভাবে সে কাজ করতে পারি? আমরা কি রাসুলুল্লাহ স্বাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সাহাবীদের চেয়েও বেশী ভালোবাসি??

এর উত্তরে এটাই বলবো যে, ক্বুরয়ান হাদিসে এমন কোনো আয়াত নেই যেখানে আল্লাহ বা রাসুলুল্লাহ স্বাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে, হে আমার বান্দা বা উম্মতেরা তোমরা এমন কোনো কাজ করো না যা আমি বা আমার সাহাবা করেননি। বরং ইসলামে নতুন সৃষ্ট ভালো কাজকে সর্বদাই উৎসাহ প্রদান করা হয়েছে। স্বয়ং রাসুলুল্লাহ স্বাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, সাহাবাগন বিদয়াতে হাসানা পছন্দ করেছেন।

উমার রাঃ যখন নিয়মিত ভাবে তারাবীর নামায জামাত সহকারে পড়া আরম্ভ করলেন, (দেখুন বুখারী শরীফ, তারাবিহ অধ্যায় ১৮৮৩ নং হাদিস) তখনতো কোনো সাহাবি উমার রাঃ কে এ প্রশ্ন করেননি যে, হে উমার যে কাজ স্বয়ং রাসুলুল্লাহ স্বাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিয়মিতভাবে করেননি তাহলে আপনি কেনো নিয়মিতভাবে করছেন? আপনি কি দ্বীন রাসুলের চেয়ে বেশি বুঝেন?
কোনো সাহাবীই উমার রাঃ কে এ প্রশ্ন করেননি, কেননা তারা জানতেন এ কাজ উত্তম, এ বিদয়াত ভালো, এ নব্যসৃষ্টি ভালো। তাইতো উমার রাঃ একে "নে'মাতু বিদয়াতিল হাযিহি" অর্থাৎ উত্তম বিদআত বলে আখ্যায়িত করেছেন। (দেখুন বুখারী তারাবীহ অধ্যায়)

এভাবেই আপনি যখন শরীয়ত মেনে মিলাদুন্নাবি পালন করবেন, তখন কেউ আপনাকে নবী করেননি, সাহাবী করেননি বলে প্রশ্ন করলে তাকে উপরোক্ত হাদিস দ্বারা বুঝিয়ে দিন যে, নবি করেননি, সাহাবী করেননি তাই একাজ করা যাবেনা একথা ঠিক নয়। বরং নবীজী যা নিষেধ করেছেন তা করা ঠিক নয়। আল্লাহ তায়ালা সুরা হাশরের ৭ নং আয়াতে একথাই উল্লেখ করেছেন।
মিলাদুন্নাবিতে জুলুছ, মিলাদ মাহফিল করাটা মুস্তাহাব, তথা ভালো কাজ।

আল্লাহ সুরা আম্বিয়ার ১০৭নং আয়াতে এরশাদ করেন অর্থঃ "আমি আপনাকে বিশ্ববাসীর জন্যে রহমত স্বরূপই প্রেরণ করেছি।" আল্লাহ এখানে রাসুলুল্লাহ স্বাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে সমগ্র জাহানের জন্য রহমত হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
আবার সূরা ইউনুস:৫৮ এ আল্লাহ এরশাদ করেন - "আপনি বলে দিন, তারা যেনো আল্লাহর অনুগ্রহ ও রহমত প্রাপ্তিতে খুশি উদযাপন করে। এ (খুশি ও আনন্দ উদযাপন) তাদের সমুদয় সঞ্চয় থেকে উত্তম।" সুবহানআল্লাহ।

১ম আয়াতে আল্লাহ রাসুলুল্লাহ স্বাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে রাহমাত বলছেন এবং ২য় আয়াতে আল্লাহ আদেশ দিয়েছেন এই রাহমাত (অর্থাৎ রাসুলকে) পেয়ে খুশি উদযাপন করতে। শুধু উদযাপনই নয় বরং এই খুশি উদযাপন করাটা তাদের সমস্ত সঞ্চয় (আমল) থেকে উত্তম বলে স্বয়ং আল্লাহ ঘোষনা দিয়েছেন। রাইসুল মুফাসসিরিন আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাঃ সহ অনেক মুফাসসিরীন এ বিষয়ে একমত যে, উক্ত আয়াতে বর্ণিত 'ফাদল' (অনুগ্রহ) ও 'রাহমাত' দ্বারা রাসুলুল্লাহ স্বাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বুঝানো হয়েছে। এছাড়াও বুখারী শরীফে ইবনু আব্বাস রা. থেকে বর্ণিত রয়েছে যে,"মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর শ্রেষ্ঠ নি'মাত।" (বুখারী ২/৫৬৬)।

সূরা আল ইমরান:১৬৪ - "আল্লাহ ঈমানদারদের উপর অনুগ্রহ করেছেন যে, তাদের মাঝে তাদের নিজেদের মধ্য থেকে নবী পাঠিয়েছেন।" এখানেও আল্লাহ বোঝাতে চাচ্ছেন যে রাসুলকে প্রেরন করে তিনি মুমিনদের উপর অনেক বড় এহসান করেছেন, তাই এই নেয়ামত পাওয়ার জন্য তাদের খুশি উদযাপন করা উচিৎ।
সূরা আল বাক্বারাহ:২৩১ -"আল্লাহর নির্দেশকে হাস্যকর বিষয়ে পরিণত করো না। আল্লাহর সে অনুগ্রহের কথা স্মরণ কর, যা তোমাদের উপর রয়েছে ।" এখানেও আল্লাহ তাঁর অনুগ্রহ তথা নবিজীর কথা স্বরন করার আদেশ দিয়েছেন।

এছাড়াও পবিত্র কোরআনের আলোকে জানা যায়, আল্লাহর নে'মাত প্রাপ্তিতে খুশি উদযাপন করা নবীদেরই সুন্নাত। যেমন ঈসা (আঃ) যখন আল্লাহর দরবারে নিজ উম্মতের জন্যে খাদ্য চেয়েছিলেন, তখন এভাবে আরজ করলেন, সূরা মায়েদা-১১৪ অর্থঃ "হে আল্লাহ আমাদের রব! আসমান থেকে আমাদের জন্যে নেয়ামতের খানা অবতীর্ণ করুন, যা আমাদের পূর্ববর্তী ও পরবর্তীদের জন্যে ঈদ হয়ে যায়।" কোরআনের এ আয়াতে ঈসা আঃ এ আশাই ব্যক্ত করেছেন যে, যেদিন আল্লাহপাকের নেয়ামত অবতীর্ন হবে, সেদিনটি ঈদ হিসেবে পালিত হোক পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সকল উম্মতের জন্য; যা ওই নেয়ামতের শুকরিয়া আদায়ের একটি উত্তম পন্থা।
ঈসা আঃ যদি সামান্য জান্নাতি খাবার পেয়ে ঈদ উদযাপন করতে পারেন তাহলে আমরা রাহমাতুল্লিল আলামিনকে (যাকে সৃষ্টি না করলে আল্লাহ কিছুই সৃষ্টি করতেননা) পেয়ে কেনো ঈদ উদযাপন করতে পারবো না? তাঁর চেয়ে বড় নেয়ামত আর কি আছে বা হতে পারে বা কখনও হবে? বরং এদিন ঈদ মানানো ঈসা আঃ এর ঈদ মানানোর চেয়ে কোটিগুন উত্তম। তাই মিলাদুন্নাবি পালন করা কুরআন হতে প্রমাণিত, আলহামদুলিল্লাহ।

রাসুলুল্লাহ স্বাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি নিজের মিলাদ নিজেই পালন করেছেন?
হ্যাঁ, তিনি করেছেন। কেননা হযরত আবু কাতাদা (রা) হতে বর্ণিত, একজন সাহাবী রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের খেদমতে আরজ করলেন "ইয়া রাসুলাল্লাহ আমার মাতা পিতা আপনার কদমে কুরবান হোক। আপনি প্রতি সোমবার রোজা পালন করেন কেনো?
জবাবে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, এই দিনে আমি জন্মগ্রহন (আগমন) করেছি এবং এই দিনেই আমার উপর ওহী নাজিল হয়েছে। (সহীহ মুসলিম শরীফ ২য় খন্ড, ৮১৯ পৃষ্ঠা, বায়হাকী: সুনানে কুবরা, ৪র্থ খন্ড ২৮৬ পৃ: মুসনাদে আহমদ ইবনে হাম্বল ৫ম খন্ড ২৯৭ পৃ: মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক ৪র্থ খন্ড ২৯৬পৃ: হিলয়াতুল আউলিয়া ৯ম খন্ড ৫২ পৃ:)।
দেখুন রাসুল স্বাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রতি বছরে নয় বরং প্রতি সপ্তাহে নিজের শুভাগমন পালন করেছেন। তাহলে আমাদের প্রতি বছরে উদযাপন করাটা কোন ভিত্তিতে অবৈধ হতে পারে?

রাসুলুল্লাহ স্বাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে পেয়ে খুশি হওয়ার ফলাফলঃ হযরত আব্বাস (রা) বর্ণনা করেন, আবু লাহাবের মৃত্যুর এক বছর পর আমি তাকে স্বপ্নে দেখি। সে আমাকে বলে "কবরের জিন্দেগীতে আমি শান্তিতে নেই। কিন্তু হ্যাঁ, প্রত্যেক সোমবার তর্জনী আঙ্গুল থেকে আমি মিস্টি পানি পেয়ে থাকি কেননা আমি ছুয়াইবা নামক বাদীকে (নবীজীর মিলাদের সংবাদ দেয়ায় খুশী হয়ে) আযাদ করেছিলাম এ আঙ্গুলের ইশারায়। "(সহিহ বুখারী কিতাবুন নিকাহ-৫১০১নং হাদিস)। এই ঘটনা বর্ণনা করতে গিয়ে হজরত আব্বাস রাঃ বলেন আবু লাহাবের এই সোমবারের শাস্তি লাঘবের কারণ রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্মের খবর আবু লাহাবকে দিলে সে খুশি হয়ে সুয়াইবাকে (খবরকারী দাসী) আজাদ করেছিল। (ফাতহুল বারি সরহে সহীহুল বুখারী ,৯ম খন্ড,১১৮ পৃষ্ঠা, ইমাম ইবনে হাজার আসক্বালানী)।

এখানে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল আবু লাহাবের মত কাফের যার ধ্বংস হওয়ার ব্যপারে কুরআনে সুরা নাযিল হয়েছে, যার স্থান সর্বদাই জাহান্নাম, সে যদি নবীজির জন্মদিবসের সংবাদে খুশি হয়ে মাত্র একটি দাসী আযাদ করলে প্রতি সোমবার জাহান্নামে আল্লাহ তাকে পানি দান করেন, তাহলে আমরা যারা মুমিন সুন্নি মুসলমান, নবি প্রেমিক তারা মিলাদুন্নাবি পালন করলে আল্লাহ কি আমাদের উত্তম প্রতিদান দিবেন না? ইন শা আল্লাহ অবশ্যই দিবেন, কেননা তিনিই বলেছেন নবিকে পেয়ে খুশি উদযাপন করা সকল সঞ্চয়কৃত আমলের চেয়ে উত্তম (সুরা ইউনুস ৫৮)। আলহামদুলিল্লাহ।

আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা) বর্ণনা করেন, একদা তিনি উনার গৃহে সাহাবায়ে কেরামদের নিয়ে হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্মবৃত্তান্ত আলোচনা করছিলেন। শ্রবনকারীরাও তা শুনে আনন্দ পাচ্ছিলেন।
ঠিক ওই সময় নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সেখানে উপস্থিত হয়ে বললেন, তোমাদের জন্য আমার শাফায়াত ওয়াজিব হয়ে গেছে "। এই হাদিসটি বিভিন্ন হাদিস গ্রন্থে এসেছে। যেমনঃ মাওলুদুল কবীর, আত তানভীর ফী মাওলিদিল বাশীর ওয়ান নাযার, হকিকতে মোহাম্মদী (মিলাদ অধ্যায়), দুররুল মুনাজ্জাম, ইশবাউল কালাম।

নবিজীকে পেয়ে যে জাশনে জুলুস বা খুশি হয়ে মিসিল বা র‍্যালী করা তাও কিন্তু নতুন কিছু নয়। বরং এটাও সাহাবীদের সুন্নত। মুসলিম শরীফের ২য় খণ্ডের ৪১৯ পৃষ্ঠায় হাদিসে বর্ণিত আছে "রাসূল স্বাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেদিন হিজরত করে মদিনা শরীফে আগমন করেছেন ওইদিন মদিনাবাসী আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা সাহাবীগন রাসূল স্বাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আগমনের শুকরিয়া হিসেবে আনন্দ মিছিল করেছিলেন এবং তালায়াল বাদরু আলাইনা..... এই নাত পাঠ করেছিলেন। কেউ কেউ বাড়ির ছাদের উপর আরোহন করেছিলেন, আবার অনেকে রাস্তায় ছড়িয়ে পড়েছিলেন এবং 'ইয়া রাসূলাল্লাহ স্বাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শ্লোগান দিয়ে আনন্দ প্রকাশ করেছিলেন।" হ্যা, এটাইতো আমরাও করে থাকি, সাহাবিদের দেখানো পথে হেটে, তাঁদের সুন্নতের উপর আমল করে। আলহামদুলিল্লাহ।

এছাড়াও উমার রাঃ এর ইসলাম গ্রহনের প্রসিদ্ধ ঘটনা যা আমরা সকলেই জানি এবং যা ইবনে ইসহাক্বের সিরাহ সহ অসংখ্য সিরাতের কিতাবে পেয়ে থাকি যে, উমার রাঃ ইসলাম গ্রহন করলে সাহাবিগন রাসুলে আরাবি স্বাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে আবেদন জানান যে তারা ইসলামের সুমহান বানী ও উমার রাঃ এর মুসলমান হওয়ার কথা পুরো মক্কায় প্রকাশ্যে ছড়িয়ে দিতে চান মিসিলের মাধ্যমে (কেননা উমার রাঃ এর মুসলমান হওয়ার আগে ইসলাম প্রচার চুপি চুপি করে করা হত, কুফফারে মক্কার অত্যাচারের ভয়ে)। রাসুল স্বাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের অনুমতি দিলে তাঁরা ৪০ জন সাহাবি একে অপরের হাত ধরে মক্কার অলিগলিতে লাইলাহা ইল্লাল্লাহ স্লোগান দিয়ে মিসিল করেছিলেন। আলহামদুলিল্লাহ। সাহাবিগন উমারকে রাঃ পেয়ে খুশিতে মিসিল করতে পারলে আমরা কি উমার রাঃ এর নবি, সমস্ত নবিদের সরদার, শাফায়াতের কান্ডারী, আমাদের ঈমান-জান কে পেয়ে খুশিতে মিসিল করতে পারিনা?

এটা অত্যান্ত দুঃখের বিষয় যে কিছু পথভ্রষ্টদের ঈমান এতই দুর্বল হয়ে গিয়েছে যে আজ তারা নিজের পরিবারের বা অন্য কারো জন্মদিন বিধর্মীদের নিয়মে (গানবাজনা, নাচ যা সম্পুর্ন ইসলাম বিরোধী) পালন করলে তাদের বিবেক তাদের বাধা দেয়না, তখন তারা কুরয়ান-হাদিসে এর বৈধতা খোজে না। কিন্তু যখনিই কোনো নবি প্রেমিক মুমিন রাসুলুল্লাহ স্বাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে পেয়ে কুরয়ান ও শরিয়ত মোতাবেক (মিলাদুন্নাবিতে কুরয়ান-হাদিস পাঠ, নবিজীর উপর দরুদ ও সালাম পাঠ, নবিজীর আলোচনা যা আল্লাহ পুরো কুরয়ান জুড়ে করেছেন, সাহাবিদের সুন্নতের অনুসরণ করে জাশনে জুলুস করা, অবশেষে মুনাজাত করা হয়। আপনিই বলুন এখানে কোন কাজটি ইসলাম বিরোধী? একটিও পাবেন না, বরং সবই কুরয়ান হাদিস মতে উত্তম কাজ)।
যখন আমরা রাসুল স্বাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মিলাদুন্নবী পালন করি তখন কিছু অবুঝের ঈমান/বিবেক কুরআন হাদিস খুজে!!! ধিৎকার এমন বিবেকে যা ইসলাম, আল্লাহ ও রাসুল স্বাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে মানুষকে দুরে রাখে। এটা ঈমান নয় বরং এটা শয়তান। কেননা আমরা পড়েছি ইবন কাসির এর আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া, ২য় খন্ড, ১৬৬ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছেঃ যখন রাহমাতুল্লিল আলামিনের জন্ম হলো তখন ইবলিস খুবই কেঁদেছিল ও দুঃখিত হয়েছিল। তাই আজ মিলাদুন্নাবিতে কারো মন যদি ব্যথিত হয়, তাহলে সেই বিবেচনা করুক তার ঈমান কোন দিকে যাচ্ছে এবং কাকে অনুসরণ করছে? রাহমানকে নাকি শয়তানকে!!!

কিছু স্বল্পজ্ঞানী বলে থাকে যে এদিনই রাসুল স্বাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওয়াফাতও করেছেন, তাই আমাদের শোক পালন করা উচিত!! তাদের জ্ঞাতার্থে বলছি যে হাদিসে এসেছে নবীগন কবরে জীবিত ও তারা নামাযরত। দেখুন মুসলিম শরীফ খন্ড: ৪ পৃষ্ঠা: ১৮৪৫ হাদীস নং ২৩৭৫, ইবনে মাযাহ শরীফ খন্ড: ২ পৃষ্ঠা ২৯১ হাদীস নং ১৬৩৭, মুসনাদে আবু ইয়ালা খন্ড:৩ পৃষ্ঠা৩৭৯ হাদীস নং ৩৪১২ (সহীহ) হাইছামী, মাজমাউয যাওয়ায়েদ খন্ড ৮ পৃষ্ঠা ২১১।
এছাড়াও সহিহ হাদিসমতে আপনি সাধারণ কোনো মানুষের জন্যও তিন দিনের বেশি শোক পালন করতে পারবেননা। (সহীহ বুখারি- ৩০৭ ই. ফা.)। তাইতো রাসুলুল্লাহ স্বাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জন্য শোক পালন আজ পর্যন্ত কেউ করেননি। এছাড়াও রাসুল স্বাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন "আমার জীবন তোমাদের জন্য কল্যানকর এবং আমার ওয়াফাত ও তোমাদের জন্য কল্যানকর।" (শিফা শরীফ কৃত কাজী আয়াজ খন্ড২ পৃ১৯, খাসায়েসুল কুবরা কৃত ঈমাম সুয়ুতী খন্ড২ পৃ২৮১)।

অবাক লাগে যখন শুনি কিছু অবুঝ মিলাদুন্নাবির র‍্যালীকে জন্মাষ্টমীর মিসিলের সাথে তুলনা দেয়; কেউ কেউ তো এতোদুর বলে ফেলে যে, মিলাদুন্নাবীর র‍্যালী নাকি জন্মাষ্টমীর অনুকরণে করা হয়!!! মুসলমানেরা হিন্দুদের অনুকরনে নাবীজির জন্মদিন পালন করে!!! নাউজুবিল্লাহ
এই সমস্ত মুর্খদের বলবো দয়া করে ইতিহাস সম্পর্কে পড়ুন, ইতিহাস জানুন; যে কোনটি কতসালে পালন করা শুরু হয়। সর্বজনস্বীকৃত মত হলো রাষ্ট্রীয়ভাবে, আবারো বলছি রাস্ট্রীয়ভাবে প্রথম ঈদে মিলাদুন্নবীর পালন শুরু করেন আরবের অধিপতি বাদশাহ মালিক মুজাফফর উদ্দিন কৌকুরী, ৬০৪ হিজরীতে তথা ১১৭৪ খ্রিস্টাব্দে আর জন্মাষ্টমী পালন শুরু হয় ১৫৬৫ খ্রিষ্টাব্দে (সময় হলে উইকিপিডিয়া দেখুন, নিজেই সত্যতা যাচাই করুন)। এর অর্থ হলো রাস্ট্রীয়ভাবেও মিলাদুন্নাবি পালনের কমপক্ষে ৪০০ বছর পর হিন্দুরা মুসলিমদের অনুকরণে তাদের ধর্মগুরুর জন্মদিন পালন শুরু করেছে।তার মানে মুসলমানেরা বিধর্মীদের অনুকরণ করেনি বরং তারা মুসলমানদের অনুকরন করেছে।

মিলাদুন্নাবীর মাসে আরেকভাবে ফিৎনা ছড়ানো হচ্ছে একথা বলে যে, রাসুলুল্লাহ স্বাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জন্মতারিখের নাকি ঠিক নেই!! অথচ জন্মতারিখের কয়েকটি হাদিস বিদ্যমান রয়েছে। যেখানে হযরত আফফান রাঃ হতে বর্নিত, হযরত জাবির ও হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন, "রাসুলুল্লাহ স্বাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জন্ম(শুভাগমন) হস্তি বাহিনী বর্ষের ১২ই রবীউল আউয়াল সোমবার হয়েছিল।" (মুসান্নাফ ইবনে আবী শায়বা; বুলূগুল আমানী ফী শরহিল ফাততিহর রব্বানী' ২য় খণ্ড, ১৮৯ পৃঃ বৈরুতে মুদ্রিত; আল-বিদায়াহ ওয়ান নিহায়াহ' ২য় খণ্ড, ২৬০ পৃঃ বৈরুতে মুদ্রিত)।

এছাড়াও ৫৬টি মুসলিম দেশের মধ্যে ৫১টি দেশই (স্বয়ং সৌদিআরব এর অন্তর্ভুক্ত) ১২ই রবিউল আউয়াল রাষ্ট্রীয় ছুটি ঘোষনা করেছে; তাই মুসলিম উম্মাহ যে এ বিষয়ে একমত তা প্রমানে এ তথ্য যথেষ্ট। (একমত না হলে একেক দেশ একেক দিনে পালন করতো নয় কি?)
এরপরেও যদি কারো ১২ই রবিউল আউয়াল রাসুলের জন্মদিন(শুভাগমন) অবিশ্বাস হয়, তাহলে তারা যেদিন বিশ্বাস করে, সেদিনই মিলাদুন্নাবি পালন করুক; কেননা আমরা চাই আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের সর্বাধিক গুণগান হোক, তা যেদিনই বা যেখানেই হোক না কেনো; আলহামদুলিল্লাহ। আমাদের নিকট ১২ তারিখ সর্বাধিক গ্রহনযোগ্য তাই আমরা ১২ তারিখ করি, আপনার নিকট যে তারিখ গ্রহনযোগ্য মনে হয় আপনি সেই তারিখে করুন কারোও বিরোধিতা না করে।

হাজার বছর ধরে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের দ্বারা উদযাপিত মহান দিন ঈদে মিলাদুন্নাবিকে ৫০/১০০ বছরের আগের কোনো লেখকের বইয়ের মাধ্যমে আপনি হারাম বিদআত বলতে পারেননা। ঈদে মিলাদুন্নাবি পালন যদি আসলেই বিদআত /হারাম/ অনৈসলামিক হতো তাহলে ৫৬টি মুসলিম দেশের মধ্যে ৫১টি দেশই এদিনে রাষ্ট্রীয় ছুটি ঘোষনা করতো কেনো? কেনো এ আইন বানানোর সময় সেদেশের প্রকৃত মুসলমানেরা!! এর বিরুদ্ধাচার করলোনা?
এগুলিই কি প্রমান করেনা ঈদে মিলাদুন্নাবি পালন মুসলিম উম্মাহর স্বীকৃত খারাপ বিদআত নয় বরং একটি উত্তম আমল?

কিছু অবুঝেরা বলে থাকে যে ইসলামে ঈদ নাকি শুধু দুটোই, ঈদুল ফিতর ও আযহা!!! আসলেই কি তাই? হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ স্বাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, নিশ্চয় এ দিন (জুমুআর দিন) আল্লাহ তা’আলা মুসলমানদের জন্য ঈদের দিন হিসেবে নির্ধারণ করেছেন। সুতরাং যে ব্যক্তি জুময়া পড়তে আসবে সে যেন গোসল করে ও সুগন্ধি থাকলে উহা লাগায় এবং তোমাদের উপর মিসওয়াক করা আবশ্যক। [ইবন মাজাহ পৃঃ ৭৮]। অনেক রেওয়াতে ৯ই জিলহজ্ব অর্থাৎ আরাফার দিনটিকেও ঈদের দিন হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। [দেখুনঃ – মিশকাত শরীফ পৃঃ ১২১ ও তিরমিযী শরীফ পৃঃ ১৩৪]।
সুতরাং একথা বলা যে ঈদ শুধু দুটোই স্বল্পজ্ঞান বা মুর্খতা ছাড়া কিছুই নয়।

৯ম শতাব্দীর মুজাদ্দিদ ইমাম জালালুদ্দিন সুয়ুতী (রঃ) মিলাদুন্নাবী এর পক্ষে উনার রচিত স্বীয় কিতাব হুসনুল মাক্বাসিদ ফি আ'মালিল মোলিদ ৬৫ পৃঃ, হাজী ইমদাদুল্লাহ মুহাজেরে মক্কী রাঃ তাঁর ফায়সালায়ে হাফ্ত মাসায়েলে মিলাদুন্নবি পালন সম্পর্কে উত্তম কথা বলেছেন। এছাড়াও ইবনে তাইমিয়া (যাকে সমস্ত বাতেলেরা নিজের ইমাম মনে করে) (১২৬৩খৃঃ - ১৩২৮খৃঃ) তার কিতাব “ইক্তিদায়ে সিরাতে মুস্তাকীম ৩১৩" পৃস্টায় লিখেছে, ”যদি মিলাদ মাহফিল নবী স্বাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর প্রতি ভালবাসা ও সম্মান প্রদর্শনের জন্য করা হয়ে থাকে তবে আল্লাহ এ মুহাব্বত ও সম্মান প্রদর্শনের কারণে সওয়াব বা প্রতিদান দেবেন।”

একই কিতাবের ৩১৫ পৃস্টায় সে লিখেছে, “বরং ঐ দিনে (রাসুল স্বাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জন্মদিনে) পরিপূর্ণরূপে অনুষ্ঠান করা এবং এ দিনের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা, উত্তম নিয়ত এবং হুজুরে পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর প্রতি মুহাব্বত প্রদর্শন বড় প্রতিদানের কারন হবে।”
এছাড়াও অসংখ্য ইমাম,মুহাদ্দিস, মুফাসসির, মুজাদ্দিদ ও হক্কানী আলেমগন মিলাদুন্নাবী পালন করেছেন যার বর্ননা জগতবিখ্যাত কিতাব আন নে'য়মাতুল কুবরা আ'লাল আ'লাম এ বিস্তারিতভাবে রয়েছে।

অপরপক্ষে মিলাদুন্নাবি পালন হারাম বা নাজায়েজ হওয়ার কথা কুরয়ান-সহিহ হাদিসতো দূরের কথা বরং দ্বয়ীফ হাদিসেও নেই।
আসল কথা বলতে পথভ্রষ্টরা সাধারণ মুসলমানদের বিপথগামী করতে জন্মদিবস ঠিক নেই, বিদাত, নাবী সাহাবি পালন করেননি, শোক দিবস পালন করা উচিৎ, এটা বিধর্মী সভ্যতা ইত্যাদি ভিত্তিহীন কথা বলে থাকে। আর আশিক্বে রাসুলের জন্য তো এটুকু দলীলই যথেষ্ট যে এদিনে তার প্রিয়তম হাবীব দুনিয়ায় তাশরিফ এনেছেন, আলহামদুলিল্লাহ। এ দিনে আমরা ফরজ সালাতের পর বেশি বেশি নফল ইবাদত,যিকির-আযকার করবো, বেশি বেশি দরুদ শরীফ পাঠ করবো, রোযা রাখবো, রাসূল (দ)'র জীবনবৃত্তান্ত আলোচনা করবো, উনার প্রদত্ত আদর্শকে নিজেদের জীবনে প্রতিফলন ঘটানোর সর্বোচ্চ চেস্টা করবো ইনশাআল্লাহ।
আল্লাহ আমাদের ঈমানকে ছদ্মবেশী বাতেলদের হাত থেকে রক্ষা করে সিরাতে মুস্তাক্বিমে চলে এই মহান দিবসকে যথাযোগ্য মর্যাদার সাথে পালন করার তওফিক দান করুন।(আমিন)

Want your school to be the top-listed School/college in Chandgaon?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Videos (show all)

❝ইবলিশ শয়তান ৬ লক্ষ বছর আল্লাহর ইবাদত করেছিল আর তাকে যখন শয়তান বলে আরশ থেকে নিক্ষিপ্ত করা হচ্ছিল তখন সে বলেছিল আমি যত বছ...

Location

Category

Telephone

Website

Address

Khawja Road, Badamtal, Mushi Bari
Chandgaon
CHANDGAON-4212
Other High Schools in Chandgaon (show all)
Chandgaon NMC Adarsha High School Chandgaon NMC Adarsha High School
Khaza Road
Chandgaon, 4212

The CHANDGAON N.M.C. MODEL HIGH SCHOOL, CHITTAGONG also known as 'Chowdhury School' is an ancient Sc

Mohara Ideal School & College Mohara Ideal School & College
Mohara
Chandgaon, 4208

This is an ideal educational institution in real..

A.L. Khan High School A.L. Khan High School
Mohara
Chandgaon, 4208

Welcome to the official page of A.L. khan High School

Anowara Model High School, Batch 07 Anowara Model High School, Batch 07
Anowara
Chandgaon

A renowned school in Anwara , Chittagong.....

Bandar Nagari School & College Bandar Nagari School & College
Shah Waliullah R/A, 1 Kilometer
Chandgaon

Residential, Non residential, Day care. Fully class dependent Suitable, convenient atmosphere