08/05/2026
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মজয়ন্তীতে গভীর শ্রদ্ধা।
তিনি শুধু একজন কবি নন, তিনি বাঙালির আত্মার ভাষা। তাঁর কবিতা, গান, গল্প আর দর্শন যুগের পর যুগ আমাদের চিন্তা, অনুভূতি ও মানবতার পথ দেখিয়ে চলেছে।
“যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে তবে একলা চলো রে” —
চেতনা আজও আমাদের সাহস জোগায়।
শুভ জন্মজয়ন্তী, কবিগুরু।
আপনার সৃষ্টি চিরকাল বেঁচে থাকুক প্রতিটি বাঙালির হৃদয়ে। 🌼
13/04/2026
এসো হে বৈশাখ, নিয়ে আসো নতুন আশার আলো, নতুন স্বপ্ন আর নতুন সম্ভাবনা। 🌿
শুভ নববর্ষ ১৪৩৩!
26/01/2026
ঐতিহ্য আর আধুনিকতার মেলবন্ধন। আমাদের পিঠা উৎসব-২০২৬ এর কিছু রঙিন মুহূর্ত
শীতের আমেজ আর বাঙালির লোকজ সংস্কৃতির মেলবন্ধনে আজ ২৬শে জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত হলো 'পিঠা উৎসব-২০২৬'।
উৎসবের বিশেষ মুহূর্ত: অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন আমাদের পরম শ্রদ্ধেয় উপাচার্য সৈয়দ শামসুদ্দিন আহমেদ মহোদয়। লাল ফিতা কেটে উৎসবের সূচনা করার পর তিনি বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের সাজানো প্রতিটি স্টল পরিদর্শন করেন। উপাচার্য মহোদয়ের সাথে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত রেজিস্ট্রার, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, কালচারাল ক্লাবের কনভেনর এবং অন্যান্য শিক্ষক ও অতিথিবৃন্দ।
আমাদের উদ্দেশ্য ও চেতনা: এই পিঠা উৎসব কেবল স্বাদ আর আনন্দের আয়োজন নয়; এটি আমাদের শিক্ষার্থীদের শেকড়ের সাথে যুক্ত করার একটি প্রয়াস। গ্রামীণ কৃষি জীবনের সাংস্কৃতিক ভাবধারাকে ধারণ করার পাশাপাশি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক দায়বদ্ধতা পালনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিশ্ববিদ্যালয় সর্বদা অগ্রণী ভূমিকা রাখে।
"এ ধরনের আয়োজন আমাদের শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাসী ও সৃজনশীল করে তোলার পাশাপাশি দেশীয় ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।" — সৈয়দ শামসুদ্দিন আহমেদ (মাননীয় উপাচার্য)
🙏 কৃতজ্ঞতা প্রকাশ: কালচারাল ক্লাবের কনভেনর শাকিলা ফেরদৌস এই উৎসবকে সফল করায় সকল শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন। বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মহোদয়ের সার্বক্ষণিক দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতার জন্য তিনি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
আমাদের এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকুক। সৃজনশীলতা আর ঐতিহ্যের মিশেলে এগিয়ে যাক ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিশ্ববিদ্যালয়!
25/01/2026
আগামীকাল, ২৬ জানুয়ারি ২০২৬ (সোমবার) বেলা ১০ টা হতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে কালচারাল ক্লাব কর্তৃক আয়োজিত "পিঠা উৎসব ২০২৬" এর আয়োজন করা হয়েছে। উক্ত অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য মহোদয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টের ছাত্র-ছাত্রীদের নিজস্ব উদ্যোগ নিয়ে স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ থাকবে।
পিঠা উৎসব বাঙালির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ, যা মূলত শীতকালে নতুন ধান ওঠার পর থেকে শুরু হয় এবং গ্রামীণ জীবনে আনন্দ ও সামাজিক বন্ধনকে দৃঢ় করে, যেখানে ভাপা, চিতই, পাটিসাপটা, নকশি পিঠার মতো নানা ধরনের সুস্বাদু পিঠার আয়োজন করা হয়, যা আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখতে সাহায্য করে। পড়াশোনার পাশাপাশি এক্সট্রা কারিকুলার অ্যাক্টিভিটি স্টুডেন্টদের দায়িত্বশীল মনোভাব, নেতৃত্ব ও মনোবল বাড়ায়।
উক্ত আয়োজনে আপনাদের সবার উপস্থিতি আমাদের সকলের জন্য আনন্দের ও উৎসাহের অংশ হবে। সকলকে আন্তরিকভাবে আমন্ত্রণ জানানো হলো।