21/04/2026
মাশাআল্লাহ' (مَا شَاءَ الله) অর্থ 'আল্লাহ যা চেয়েছেন' বা 'আল্লাহ যেমন চেয়েছেন' [১, ৭]। এটি মূলত কোনো ভালো বিষয়, সৌন্দর্য, সফলতা বা নিয়ামত দেখে আল্লাহর প্রশংসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের বাক্য [৫, ৯]। এর প্রধান ফজিলত হলো এটি বদনজর থেকে রক্ষা করে, প্রশংসিত বস্তুতে বরকত আনে, এবং নম্রতা ও কৃতজ্ঞতার অনুভূতি তৈরি করে [৬, ১১, ১৩]।
মাশাআল্লাহ বলার ফজিলত ও গুরুত্ব:
বদনজর থেকে সুরক্ষা: কারো সুন্দর কিছু দেখলে বা ভালো অবস্থা দেখে 'মাশাআল্লাহ' বললে, সেই ব্যক্তি বা বস্তুর ওপর থেকে বদনজর (Evil Eye) বা হিংসা থেকে নিরাপত্তা পাওয়া যায় [৬, ১৪]।
বরকত লাভ: কোনো ভালো বিষয় দেখার পর মাশাআল্লাহ বললে আল্লাহর পক্ষ থেকে তাতে বরকত নাজিল হয় [২, ১৩]।
আল্লাহর ইচ্ছা ও প্রশংসার স্বীকৃতি: এর মাধ্যমে স্বীকার করা হয় যে, জগতের সব কিছু আল্লাহর ইচ্ছায় ঘটে। এটি অহংকার দূর করে এবং বিনয় সৃষ্টি করে [৫, ১২]।
সওয়াব বা নেকি: এটি আল্লাহর প্রশংসা ও কৃতজ্ঞতাসূচক একটি দুয়াজাতীয় বাক্য, যা বলার মাধ্যমে সওয়াব অর্জিত হয় [৫]।
সাফল্যে উৎসাহিত করা: কারো সফলতা বা অর্জনের প্রশংসা করতে এটি ব্যবহার করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি উৎসাহিত বোধ করেন [৩]।
কখন মাশাআল্লাহ বলবেন?
কোনো সুন্দর মানুষ, দৃশ্য বা বস্তুর প্রশংসা করার সময় [৬]।
নিজের বা অন্যের কোনো সফলতা, সম্পদ বা উন্নতির খবর শুনে বা দেখে [৫]।
শিশুদের সুন্দর অবয়ব দেখলে [৬]।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: সফল, সুন্দর কিছু দেখে কেউ 'মাশাআল্লাহ' বললে, এর উত্তরে আলহামদুলিল্লাহ বা সুবহানাল্লাহ বলা উচিত