Señorita Diaries

Señorita Diaries “Turn your dreams into plans and your plans into reality.”
(1)

বিখ্যাত ট্রাভেল ডকুমেন্টারি ব্লগার রুহি চেনেট এর ইহুদিদের নিয়ে এই ডকুমেন্টারি দেখে অনেক অজানা তথ্য জানতে পারলাম। ডকুমেন...
29/08/2026

বিখ্যাত ট্রাভেল ডকুমেন্টারি ব্লগার রুহি চেনেট এর ইহুদিদের নিয়ে এই ডকুমেন্টারি দেখে অনেক অজানা তথ্য জানতে পারলাম। ডকুমেন্টারিটি কমেন্ট বক্সে পাবেন।

ভিডিওতে উঠে আসা কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সংক্ষেপে তুলে ধরছি :

১. তারা নিচের একটি কক্ষে দিনে তিনবার প্রার্থনা করে এবং সারাদিন গবেষণা ও পড়াশোনা করে। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, তারা প্রতিদিন ১০ ঘণ্টারও বেশি পড়াশোনা করে। সেখানে প্রায় ৫০০ জন ছেলে রয়েছে, যাদের বেশিরভাগই ইসরাইল থেকে এসেছে। তারা বলছিল, একজন মা যেমন সন্তান প্রসবের সময় নয় মাসের মধ্যে শেষ মাসে সবচেয়ে বেশি কষ্ট করেন, তেমনি পৃথিবীও এখন শেষ সময়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। তাদের বিশ্বাস, খুব শিগগিরই মাসীহ (দাজ্জাল) আসবেন এবং পবিত্র ভূমিতে তৃতীয় মন্দির নির্মাণ করে তারা সেখানে ফিরে যাবেন।

২. তারা কেউ মোবাইল, ইন্টারনেট ইত্যাদি ব্যবহার করে না। কারণ, তারা বিশ্বাস করে এসব তাদের রুহানিয়াত ও ঈশ্বরের প্রতি মনোযোগ নষ্ট করে দেয়। সুতরাং, এসব থেকে বিরত না থাকলে ইবাদতের স্বাদ নষ্ট হবে এবং তাদের মধ্যে আধ্যাত্মিকতা অবশিষ্ট থাকবে না।

৩. তাদের আয়-রোজগার ও ক্যারিয়ার নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তারা বলে, এসব নিয়ে এত চিন্তা করার কিছু নেই; ঈশ্বরই ব্যবস্থা করে দেবেন।

৪. তারা ইবাদতের শুরুতেই দান করে এবং জেরুজালেমের দিকে মুখ করে ইবাদত করে। তাদের ইবাদতখানায় স্কুল, কলেজসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের দান বাক্স রয়েছে। তারা সেসব বাক্সে দান করে।

৫. তারা বারবার জিজ্ঞেস করছিল, ‘আপনি ইহুদি কি না?’ কারণ, তারা ইহুদি ছাড়া অন্যদের সঙ্গে কথা বলতে পছন্দ করে না। এমনকি যোগাযোগের জন্য তাদের আলাদা মোবাইলও রয়েছে। তারা ভিডিও ক্যামেরা পছন্দ করে না; প্রয়োজন হলে ছবি তোলে। ইন্টারনেটের কথা তো বাদই দিলাম — টিভি, সিনেমা ইত্যাদি সম্পর্কেও তাদের তেমন কোনো ধারণা নেই। কোনো খেলোয়াড় বা সেলিব্রিটির নামও তারা জানে না। তারা জানে কেবল তাদের রাব্বি বা ধর্মগুরু কী বলেছেন এবং তিনি কোথায় থাকেন।

৬. তারা সাধারণত ১০ জনের কম সন্তান নেয় না; অর্থাৎ তাদের পরিবারে সন্তানসংখ্যা অনেক বেশি। সন্তান নেওয়া বা সন্তান নেওয়া বন্ধ করার মতো বিষয়েও তাদের রাব্বি বা প্রধান ধর্মগুরুর কাছে যেতে হয়। কারণ, তারা তাঁর কথাকে ঈশ্বরের নির্দেশের মতোই বিশ্বাস করে। তাদের দাবি অনুযায়ী, প্রতি ২০ বছর পরপর তাদের জনসংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যায়।

৭. তাদের নিজস্ব বিচারব্যবস্থা রয়েছে, যেখানে তারা তাওরাত অনুযায়ী বিচার করে। এমনকি তারা নিজেদের মধ্যে একে অপরকে খুবই সহযোগিতা করে। নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ ও পরস্পরকে সাহায্য করতে তারা খুব পছন্দ করে। তাদের নিজস্ব পুলিশবাহিনীও রয়েছে, যারা টহল দেয় এবং কোনো ইহুদি নারী অশালীন পোশাক পরেছেন কি না বা মাথা ঢেকে চলছেন কি না, সেদিকেও খেয়াল রাখে। তাদের নিজস্ব অ্যাম্বুলেন্সও রয়েছে। এক কথায়, তাদের নিজস্ব ব্যবস্থাপনার প্রায় সবকিছুই রয়েছে।

৮. তাদের নারীরা বেশি সন্তান নেওয়া কিংবা টিভি-সিনেমা দেখতে না পারা নিয়ে কোনো অভিযোগ করে না। তারাও শালীন পোশাক পরেন এবং ইবাদতের জন্য ইবাদতগাহে যান। তবে ইবাদতগাহে তাঁদের জন্য আলাদা জায়গা রয়েছে, যেখানে কাঁচ দিয়ে ঘেরা পৃথক অংশে তাঁদের ইবাদত করতে হয়।

৯.বিবাহিত নারীদের জন্য তাদের চুল ঢেকে রাখা বাধ্যতামূলক । অনেক নারী (বিশেষ করে সাতমার সম্প্রদায়ের) তাদের চুল সম্পূর্ণ কামিয়ে ফেলেন এবং বাইরে বের হওয়ার সময় পরচুলা (উইগ) বা স্কার্ফ ব্যবহার করেন । তারা মনে করেন চুল শরীরের অন্যান্য অংশের চেয়েও বেশি সংবেদনশীল, তাই এটি ঢেকে রাখা জরুরি । এছাড়া তাদের পোশাকের ক্ষেত্রে কনুই এবং হাঁটু ঢেকে রাখা বাধ্যতামূলক এবং উৎসগুলোতে 'মডেস্টি প্যাট্রোল' বা শালীনতা রক্ষাকারী দলের কথা উল্লেখ করা হয়েছে যারা মানুষের পোশাকের ওপর নজর রাখে ।

১০. বিজ্ঞাপনের পাশাপাশি তাদের স্থানীয় ম্যাগাজিনগুলোতেও কোনো নারীর মুখ বা ছবি ছাপানো হয় না, যা তাদের কঠোর 'শালীনতা' রক্ষারই একটি অংশ ।এই সম্প্রদায়ের বিজ্ঞাপনে সাধারণত কোনো নারীর মুখ বা ছবি দেখানো হয় না। এমনকি তাদের নিজস্ব বিভিন্ন সেবার বিজ্ঞাপনেও (যেমন তাদের ডায়াল-আপ সোশ্যাল মিডিয়া বা কোনো বিশেষ প্লাটফর্ম) শুধুমাত্র পুরুষদের ছবি ব্যবহার করা হয় ।

হাসিদিক পাড়ায় বাইরের আধুনিক ট্রাক বা যানবাহনের গায়ে থাকা "অশালীন বা অনুপযুক্ত বিজ্ঞাপন" (inappropriate advertisements) যাতে মানুষের চোখে না পড়ে, সেজন্য রাস্তার কিছু অংশে বিশেষ আড়াল বা ব্লকিংয়ের ব্যবস্থা করা হয় ।

এখন একবার আমাদের কথা চিন্তা করলে? আমরা কতটা ধোঁকার মধ্যে পড়ে আছি?

19/08/2026

থার্ড ইয়ার থেকে মেডিকেল স্টুডেন্টদের ফরেনসিক ক্লাস শুরু হয়।
ক্লাসের একটা পার্ট হচ্ছে পোস্ট মর্টেমে উপস্থিত থাকা; কীভাবে করা হয় দেখা ও শেখা ।
আমরা একদম প্রথম যে দুইটা কেস পেয়েছিলাম-
দুইটাই মেয়ে,অল্প বয়সী।
দুইটাই সুইসাইডাল কেইস।
একজন গলায় ফাঁস,আরেকজন বিষ খেয়ে মরা।
প্রথমেই ডেড বডির শরীর থেকে কাপড় সব খুলে ফেলা
হয়। ডাক্তার , স্টুডেন্ট ,পুলিশ এবং ডোম ( যারা কমনলি লাশ কাটে,
হ্যান্ডেলকরে ) সবাই উপস্থিত থাকে সেখানে। এরপর গলা
থেকে নাভির নিচ পর্যন্ত ছুরি দিয়ে চামড়া
কাটা হয়। এরপর গরুর যেভাবে চামড়া ছাড়ায় সেভাবে চামড়া ছাড়ায়।
তারপর বুকের পাঁজর যেভাবে যেভাবে কাটে সেটাকে ঠিক
কাটা বলা যায় না; ভাঙে বললেই ভালো! গরুর হাড় যেভাবে কশাইরা
কাটে অনেকটা সেরকম।
কন্ঠনালী অনেকটা টেনে হিঁচড়ে বের করে জিহ্বা সহ।
এরপর হার্ট, লিভার, পাকস্থলি কেটে প্রিজার্ভ করা হয় ।
বেশি খারাপ লাগে যখন মগজ বের করে। আমাদের দেশে
'ইলেক্ট্রিক স' নাই, মাথার খুলি কাটার জন্য। ওরা যেটা করে-
কাঠমিস্ত্রির দোকানে হাতুড়ি বাটাল হয়ত দেখে থাকবেন, ওই হাতুড়ি
বাটাল দিয়ে বাড়ি দিয়ে দিয়ে খুলি ফাটায়; (মেডিকেল ক্যাম্পাস) খুলি ভাঙার শব্দটা খুব অদ্ভুত!
তার আগে মাথার মাথার চামড়া সহ চুল মোটামুটি বলা যায় হ্যাঁচকা টানে
খুলে ফেলা হয়। তখন মানুষটাকে আর মানুষ মনে হয় না ।
এক্সামিন শেষে ব্রেইনটাকে পেটের ভেতর পুরে দিয়ে
সেলাই করে দেয়।
সত্যি বলতে কোরবানির সময় গরু ছাগল জবাই থেকে মাংস কাটা
সবই দেখেছি, করেছি।
আমার কাছে মনে হয়েছে গরু ছাগলও অনেক যত্ন নিয়ে
কাটে মানুষ! কারণ ওটার চামড়া দামী, মাংস দামী। চামড়াটা যেন অক্ষত
থাকে, চামড়া যেন থেতলে না যায়; এমন অনেক কিছু
মেইনটেইন করা লাগে। শুধু পোস্ট মর্টেমের সময়
যেভাবে ডেড বডির সাথে বিহেভ করা হয়, সেটা দেখে প্রত্যেক ডাক্তার আর মেডিকেল স্টুডেন্ট মনে মনে এই
দোয়া করতে কখনও ভুলে না- খোদা , আমাকে এমন মৃত্যু দিও না যে আমার মৃতদেহের পোস্ট মর্টেম করার প্রয়োজন
পড়ে ।
!
এইগুলো সাধারণত পাবলিকলি না বলাই ভালো। কিন্তু এতকিছু আজকে
বললাম শুধু নিউজ ফিডে একটা সুইসাইডাল মৃত্যুর খবর বেশ ঘুরপাক
খাচ্ছে দেখে। সেই পুরাতন প্রেম, প্রেমে ব্যর্থতা, হতাশায় ডুবে যাওয়া
এরপর মেয়েটার/ছেলেটার সুইসাইড; মরার আগে ছেলেটাকে/মেয়েটাকে দায়ী করে যাওয়া।
একবার আমার ফ্রেন্ড লিস্টের একটা মেয়ে স্ট্যাটাস দিয়েছিল
'এই দেশে যতটুকু শালীনতা এখনও আছে ধর্মীয়
মূল্যবোধের কারণেই'।
মেয়েটা হিন্দু; এইরকম স্ট্যাটাস সাধারণত মুসলমানেরাও খুব একটা
ওপেনলি দেয় না।
মেডিকেল ক্যাম্পাস
যাই হোক, সেই সুইসাইডের দোষ কাকে দেব?
মেয়েটাকে?
ছেলেটাকে? নাকি বাবা- মাকে?
আজকাল এইসব ধর্মীয় মূল্যবোধের কথা বলাও
তো মুশকিল। আর কে কাকে শেখাবে! এই জেনারেশনের কাছে এইসব রিলেশন প্রেম-প্রীতিই মূখ্য বিষয়। ব্রেইনের
কর্টেক্স জুড়ে এছাড়া আর কিছু আছে বলেও মনে হয় না।
টাইমলাইন জুড়ে এইসবই দেখি প্রতিদিন । ফেইসবুকে এই রকম
ফ্লার্টিং এর কাহিনী সবাই পড়ে, জানে। তবুও কেন যেন 'আমার ও এইরকম না' এমন অ্যটিচ্যুড প্রত্যেকটা মেয়েই ধারণ করে।
মেয়েদের বলে রাখি- দুনিয়ার সব ছেলেকেই দেহ দান করার পর ফ্লার্ট বলার আগে শুরু থেকেই ফ্লার্ট ভাবাটা সেইফ।
আমি ছেলে হলেও এই কথাই বলব।মেডিকেল ক্যাম্পাস।
নিজের নিপাট ভদ্র কলেজ ফ্রেন্ডটাও যখন এক মেয়ের জীবন নষ্ট করে বলে 'এই
মুহূর্তে আমার বিয়ে করা সম্ভব না', এরপর আরেক মেয়েকে
পারিবারিক ভাবে বিয়ের প্রস্তাব পাঠায় তখন পুরুষ জাতির কাউকে
বিশ্বাস করতে বলার মুখ থাকে না ।
আর যে তোর জীবন নষ্ট করল তার জন্য নিজের জীবন
শেষ না করে দিয়ে প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য বেঁচে থাক!
নারে , বাপ মায়ের এতদিনের জমানো ভালোবাসা এত সস্তা করে
দেওয়ার অধিকার কেউ তোকে দেয় নাই। আর একদল আছে
এদের প্রতি সিম্প্যাথি দেখিয়ে আহা-উহু করে এই ওয়েকে উৎসাহিত করে ৷
মনে রেখ, তোমার বোনটা বা ভাইটা তোমার ওই আহা উহু
দেখে মনের মধ্যেগেঁথে নেয়-
'Su***de is a noble way to get public sympathy.'
আর হ্যাঁ, যাদের মন এখনও বলে সুইসাইড জিনিসটা মন্দ না;
তাদের বলছি- এই স্ট্যাটাসের প্রথম অংশটা আবার একটু পড়ে নাও।
মনে রাইখ , তুমি মরে মনে করছ হিরো হয়ে যাচ্ছ! অথচ
ডোমের ছুরি আর হাতুড়ি বাটালের নিচে তোমার মূল্য কোরবানির
গরুর সমানও থাকে না ।
If you still think su***de is a good way, then get ready for
Jahannam.

10/06/2026

৩য় দিনটা আসলেই মনে থাকবে চিরদিন!

বেবি ডেলিভারির ৩য় দিনে একটা খুবই অদ্ভুত ব্যাপার ঘটে। এটা এমন একটা endocrine event - যা হিউমান এক্সপেরিয়েন্সে সবচাইতে steepest fall.

পুরুষদের মেইন হরমোন যেমন testosterone, তেমনি নারীদের জন্য oestrogen and progesterone. এটার effect আমাদের ভালোলাগা, খারাপ লাগা সবকিছুর উপর খুবই শক্তিশালী। এটা আমাদের mood থেকে শুরু করে সবকিছুকে affect করে।

পুরো প্রেগন্যান্সি জুড়ে placenta এই হরমোন লেভেলটা বাড়িয়ে রাখে প্রচুর পরিমানে। কিন্তু ডেলিভারির পর যখন placenta বের হয়ে যায়, পোস্টপার্টামের ৩-৫ তম দিনে এই হরমোন লেভেল কমে আসে ৮০% এর চাইতে বেশী নিচে !

হুট্ করে এই তীব্র মাত্রার fall একদম upside down করে ফেলে নতুন মা কে। তার শরীরের প্রধান কোনো হরমোন হঠাৎ করে ৮০% পর্যন্ত নেমে যাওয়া - endocrine science এ এর মতো নজির আর একটাও নেই স্বাভাবিক অবস্থায়। যেটা প্রতিটা নতুন মা পার করেন।

এসময় -
• প্রচন্ড overwhelming লাগে
• ক্ষুদ্রতম কিছুতেও প্রচন্ড irritation লাগতে পারে
• নরমাল কথা বলতেও প্রচন্ড ক্লান্তি লাগতে পারে, কারণ physical এবং ইমোশনাল reserve প্রায় শূন্য
• এমন সব ঠুনকো ব্যাপারে কান্না পায় যেটা স্বাভাবিক সময় হলে কখনোই পেত না।
• ঘরভর্তি মানুষের মাঝেও নিজেকে সম্পূর্ণ একা লাগতে পারে।

This is not something that a human body faces everyday.

এই তৃতীয় থেকে পঞ্চম দিনের পর আস্তে আস্তে হরমোন একটু একটু করে স্টেবল হতে শুরু করে বেশ কিছুটা সময় নিয়ে । তবে এই সময়টা প্রপার সাপোর্ট না পেলে পোস্টপার্টাম ডিপ্রেশনের সূচনা হতে পারে এখান থেকেই।

এসময় হাজবেন্ডের সাপোর্ট সবচেয়ে বেশী দরকার।

নতুন বাবারা, আপনাদের প্রতি earnest রিকোয়েস্ট, এই কয়টা দিন স্ত্রীকে সর্বোচ্চ ছাড় দিন। তার কোনো কথা, কোনো আচরণ personally নিবেন না। She's going through emotional rollercoaster right now.

আপনিই একমাত্র protective shield আপনার স্ত্রীর এসময়ে।

তার দায়িত্বগুলি ভাগ করে নিন। বেবিকে রাখুন কিছুটা সময়, মাকে ঘুমানোর সুযোগ করে দিন যতখানি সম্ভব। তার খাওয়া দাওয়া যাতে neglected না হয় - খেয়াল রাখুন। Pure গেস্টদের allow না করাই ভালো, মা একটুখানি stable হোক আগে।

তার খোঁজ রাখুন, কেমন লাগছে। Assure করুন যে, এই জার্নিতে সে একা না। আপনার সন্তানকে বহন করতে গিয়ে যা কিছুই সে সইছে, আপনি এই কষ্টে তার একান্ত পাশেই আছেন।

এতটুকুই আপনার স্ত্রী আজীবন ভুলতে পারবে না। এসময়ের একটু support তাকে দ্রুত প্রাণবন্ত হয়ে উঠতে সাহায্য করবে।

আমরা প্রত্যেককেই বদলাতে পারবো না, প্রত্যেককেই সমব্যথী করে তুলতে পারবো না। তবে আমরা বিশ্বাস করি, হাজবেন্ডের মধ্যে অনেক বড় একটা অংশ আছেন যারা সত্যিই loving, প্রচন্ড responsible.
Our today's call out is to those loving heroes who stand strong in their wives most difficult times.

✍️Doctor panel Confident Motherhood

কপি পোস্ট

09/06/2026

ব্রিজ বানানোর জন্য বাচ্চাদেরমাথা লাগতো সেই যামানায় বড় হইছি আমরা।
কি পরিমাণ স্ট্রেস সেটা এই জেনারেশন বুঝবেনা

এই তিনটি অতি ক্ষুদ্র বস্তু আসলে কী জানেন? এটি কোনো মানুষের তৈরি কারুকাজ নয়, বরং আপনার শরীরের ভেতর লুকিয়ে থাকা এক অবিশ্বা...
13/04/2026

এই তিনটি অতি ক্ষুদ্র বস্তু আসলে কী জানেন? এটি কোনো মানুষের তৈরি কারুকাজ নয়, বরং আপনার শরীরের ভেতর লুকিয়ে থাকা এক অবিশ্বাস্য জৈবিক প্রকৌশল! 👂✨
এরা হলো মানুষের কানের মধ্যভাগে থাকা তিনটি ক্ষুদ্রতম হাড়—ম্যালিয়াস (Malleus), ইনকাস (Incus) এবং স্টেপিস (Stapes)। বিজ্ঞানীদের মতে, মানুষের শরীরের মোট ২০৬টি হাড়ের মধ্যে এরাই আয়তনে সবথেকে ছোট। একটি চালের দানার চেয়েও ক্ষুদ্র এই হাড়গুলো আমাদের শ্রবণ প্রক্রিয়ার মূল চাবিকাঠি। আমরা যখন কোনো শব্দ শুনি, তখন শব্দতরঙ্গ কানের পর্দায় আঘাত করে এবং এই তিনটি হাড় সেই কম্পনকে বহুগুণ বাড়িয়ে সরাসরি আমাদের অভ্যন্তরীণ কানে পৌঁছে দেয়, যা পরবর্তীতে আমাদের মস্তিষ্ক শব্দ হিসেবে গ্রহণ করে।
একবার ভেবে দেখুন, আল্লাহর কী অদ্ভুত এক নিপুণ কারুকাজ! আমাদের বেঁচে থাকার জন্য কত সূক্ষ্ম মেকানিজম প্রতি সেকেন্ডে আমাদের অজান্তেই কাজ করে যাচ্ছে। এই তিনটি ছোট হাড়ের যেকোনো একটির সামান্য ক্ষতিও মানুষকে চিরদিনের জন্য শ্রবণশক্তিহীন করে দিতে পারে।
বিজ্ঞানের এই চমকপ্রদ তথ্যটি কি আপনার আগে জানা ছিল? আমাদের দেহের এমন রহস্যময় গঠন আপনাকে কতটা রোমাঞ্চিত করে? কমেন্টে আপনার অনুভূতি শেয়ার করুন। আর আল্লাহর এই বিস্ময়কর তথ্যের কথা বন্ধুদের জানাতে পোস্টটি আপনার টাইমলাইনে শেয়ার করতে পারেন! ❤️🌐

আল্লাহর এই নিপুণ কারুকাজ সবার জানা জরুরী তাই এই পোস্টটি খুব শেয়ার করুন, যেন সবাই দেখতে পারে। সুবহানাল্লাহ লিখে কমেন্ট করতে ভুলবেন না।‌

08/04/2026

Allahumma inni as’aluka al-jannah,
Allahumma inni as’aluka husnul khatimah,
Allahumma inni as’aluka al-‘afiyah,
Allahumma inni as’aluka rizqan wasi‘an wa barakah,
Allahumma inni as’aluka a job with a positive workplace environment,
Allahumma inni as’aluka happiness in everything I do,
Allahumma inni as’aluka a good personality, inside and out,
Allahumma inni as’aluka clear skin, good body, good health,
Allahumma inni as’aluka if it’s good for me.

তিন বোন- প্রীতিলতা, তারুলতা, বনলতা!🌿
06/04/2026

তিন বোন- প্রীতিলতা, তারুলতা, বনলতা!🌿

06/04/2026

আস্তাগফিরুল্লাহ!

বাবার সাথে ঝগড়া লেগে মা কিছুদিনের জন্যে বাড়ি থেকে অন্য জায়গায় গিয়েছিল। মেয়ে তখন মায়ের সাথে যায়নি ,বাড়িতেই ছিল। মেয়েটা ভেবেছিল বাবা তো বাড়িতে আছে তার সাথেই থাকি কোন সমস্যা হবে না।

কিন্তু রাতের দিকে মেয়েটা লক্ষ্য করে তার বাবা তার রুমে এসে অনেকক্ষণ যাবত বসে আছে। মেয়েটা ভেবেছিল হয়তো কোন দরকারে এসেছে। কোন দরকার আছে কিনা মেয়েটা জিজ্ঞেস করেছিল বাবাকে।

কিন্তু কোন উত্তর না দিয়েই বসে ছিল বাবা। তার কিছুক্ষণ পরই বাবা ইউসূফ মেয়ের উপর ঝাপিয়ে পড়ে। মেয়েটা কোনকিছু বুঝে উঠার আগেই তাকে পাষবিকভাবে ধ*র্ষণ করে তার আপন বাবা।

মেয়েটা প্রথমে বাঁধা দিতে চেয়েছিল কিন্তু বয়সে ছোট হওয়ায় বাবার সাথে আর পেরে উঠেনি। তাছাড়া চিৎকার করতেও চেয়েছিল কিন্তু বাবা তখন মেয়েটার মুখে কাপড় পেচিয়ে মুখটা বন্ধ করে রেখেছিল।

ওইদিন রাতে বাবাটা প্রথম ধ*র্ষণ করে মেয়েটাকে। প্রথমবার ধ*র্ষণের ঘটনাটা ঘটেছিল ২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে। মেয়েটা ভেবেছিল মা আসলে মাকে সবকিছু বলে দিবে।

কিন্তু কয়েকদিন কেটে যাওয়ার পরও মা আসেনি। এজন্যে মেয়েটা ভেবেছিল পাশের বাসার চাচীকে সবকিছু বলবে কিন্তু নিজের বাবার সাথে এমন ঘটনা লজ্জায় বলতে পারেনি। তাছাড়া বাবা তাকে হুমকিও দিয়েছিল।

এভাবে মা যতদিন আসেনি ততদিন রাতে অমানুষিকভাবে নিজের মেয়েটাকে ধ*র্ষণ করতে থাকে বাবা ইউসূফ।

এর কিছুদিন পর মা বাড়িতে আসে। বাবা ইউসূফ বুঝে যায় মেয়ে এবারে মাকে সবকিছু বলে দিবে তাই সে দিনেরবেলা মেয়েকে নিজের রুমে ডেকে বলে- তোর মাকে যদি কিছু বলিস তাইলে তোরে কাইট্টা টুকরা টুকরা কইরা নদীতে ভাসাইয়া দিমু, তোরে মারেও ভাসাইয়া দিমু।

মেয়েটা লজ্জায় এবং ভয়ে মাকেও কিচ্ছু জানাতে পারে না।

মা বাড়িতে আসার পরও মেয়েটাকে ধ*র্ষণ করতো বাবা ইউসূফ। ঘর খালি পেলেই অমানুষিক নির্যাতন করতো মেয়েটাকে। লাগাতার ধ*র্ষণের কারণে মেয়েটা যাতে গর্ভবতী না হয় সেজন্যে জোর করে ঔষধও খাওয়াতো মেয়েটাকে।

এভাবে এ বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত মেয়েটাকে ধ*র্ষণ করে তার আপন বাবা। টানা ধ*র্ষণের কারণে ঔষধেও কাজ না হওয়ায় মেয়েটা গর্ভবতী হয়ে পড়ে।

এভাবে আরও কিছুদিন চলার পর মেয়েটার পেট বাড়তে থাকে এবং গর্ভধারণের লক্ষ্যণ মা তাসলিমা বুঝতে পারে। মা তখন জানতে চায় এবং মেয়েটা নিজ থেকেই পুরো ঘটনাটা মাকে বলে দেয়।

সাথে মেয়েটা এটাও বলে- সে যে মাকে এটা জানিয়েছে সেটা যাতে বাবাকে না জানায়। মেয়েটার মনে তখনও ভয় ছিল বাবা জানতে পারলে তাদের মা মেয়ে দুজনকেই কেটে নদীতে ভাসিয়ে দিবে।

মেয়েটা তখন ৭ মাসের প্রেগন্যান্ট। বাবা ইউসূফ যখন বুঝতে পারে মেয়েটা মাকে সবকিছু বলে দিয়েছে তখন সে তার স্ত্রীকে জোরাজোরি করতে থাকে মেয়েটার পেটের বাচ্চা নষ্ট করার জন্যে।

মা তখন রাগারাগি করে বাবাটার সাথে। তখন বাবাটা চুপ থাকার জন্যে তার স্ত্রীকেও হুমকি দেয়। তাকে নিয়ে সংসার করবে না, তালাক দিবে এসবও বলে। তাছাড়া কেউ যাতে কিচ্ছু জানতে না পারে সে ব্যবস্থাও করে বাবাটা।

পরিচিত এক মহিলার মাধ্যমে নিজের মেয়ের এবরশন করায়। তারপর গর্ভের ৭ মাসের বাচ্চাটাকে ফেলে দিয়ে আসে নর্দমার ড্রেনে।

এতকিছুর করার পর কয়েকদিন কেটে যায়। বাবাটা ভেবেছিল সবকিছু ধামাচাপা দিতে পেরেছে সে। কিন্তু এত ছোট্ট মেয়ের এবরশন করানোয় মেয়েটার পেটে প্রচন্ড ব্যথা শুরু হয়। তাই বাধ্য হয়েই মেয়েটাকে নিয়ে আসতে হয় উপজেলা হাসপাতালে।

বাবাটা ডাক্তারের কাছেও সবকিছু লুকিয়েছে, পেট ব্যথার সঠিক কারণটা জানায়নি। পরে ডাক্তাররা পরীক্ষা নিরিক্ষা করার পর বুঝতে পারে মেয়েটার এবরশন হয়েছে ,সেকারণেই পেটে প্রচন্ড ব্যথা হচ্ছে।

পরে ডাক্তারদের ভরসায় মেয়েটাও পুরো ঘটনা তাদের সাথে শেয়ার করে। ডাক্তাররা তখন মেয়ের মাকে থানায় গিয়ে মামলা করতে বলে। ডাক্তারদের ভরসায় মা গতকাল ভোলার চরফ্যাশন থানায় মামলা করে।

বাবা টা টের পেয়ে আগেভাগেই হাসপাতাল থেকে পালিয়ে গিয়েছিল। আজকে সাড়াশি অভিযান চালিয়ে পুলিশ বাবাটাকে গ্রেফতার করেছে।

মেয়ের মা আজকে কেঁদে কেঁদে বলছিল - আমার এত ছোট মেয়েটারে ওর বাপের কাছে রাইখা গেছিলাম কিন্তু ওরা বাবাই ওর এত বড় সর্বনাশটা করল।

মেয়েটাও বলছিল- আমার বাবা আমার সাথে এত জঘন্য কাজ করবে আমি ভাবতেও পারি নাই। বলেই ফুপিয়ে ফুপিয়ে কাঁদছিল মেয়েটা। এরপর আরও অনেক কিছু বলতে চেয়েছিল মেয়েটা কিন্তু কান্নার কারণে দম বন্ধ হয়ে আসছিল, বাকি কথাগুলো বলতে পারেনি।

আজকে বাবাটা ধরা পড়েছে কিন্তু কাল কিংবা পরশু ঠিকই টাকা দিয়ে জামিন নিয়ে বের হয়ে যাবে। কারণ এদেশের আইন, আদালত টাকার কাছে নিয়মতি বিক্রি হয়।

অন্যান্য মেয়েরা ধ*র্ষিত হলে তাদের বাবা-মা ভরসা দেয়, মাথায় হাত বুলিয়ে সান্ত্বনা দেয় অথচ এই মেয়েটাকে সান্ত্বনা দেয়ার মতো মানুষটাই তাকে ধ*র্ষণ করেছে।

এই মেয়েটা এখন পরিবারের কাছে, সমাজের কাছে, বন্ধু-বান্ধবীদের কাছেও লাঞ্চিত হবে, লজ্জায় মুখ দেখাতে পারবে না।

ধ*র্ষক বাবাটা হয়তো ঠিকই মুক্তি পেয়ে যাবে কিন্তু এই ছোট্ট মেয়েটাকে আজীবন ধ*র্ষিতার কলঙ্ক বয়ে বেড়াতে হবে

- Ibrahim Khalil Shawon

Address

Bogura

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Señorita Diaries posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Señorita Diaries:

Shortcuts

Share