Bandana Nursery School, Binodpur

Bandana Nursery School, Binodpur Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Bandana Nursery School, Binodpur, School, Binodpur, Binodpur.

আপনার সন্তানের সুন্দর ভবিষ্যৎ বিনির্মানে আপনার সঠিক শিক্ষক নির্বাচন করা অত্যাবশকীয়।প্রাচীন গ্রীসের রাজা ফিলিপ ছিলেন গ্রী...
11/01/2025

আপনার সন্তানের সুন্দর ভবিষ্যৎ বিনির্মানে আপনার সঠিক শিক্ষক নির্বাচন করা অত্যাবশকীয়।

প্রাচীন গ্রীসের রাজা ফিলিপ ছিলেন গ্রীকবীর আলেকজান্ডারের পিতা। তিনি বালক আলেকজান্ডারের শিক্ষার কোন ত্রুটি করেননি।তিনি জানতেন একজন জ্ঞানী বিচক্ষণ আদর্শ শিক্ষকই কেবল পারবে তার প্রিয় সন্তানকে শক্তিশালী, পান্ডিত্ব, কৌশলী করে গড়ে তুলতে।সন্তানের শিক্ষার জন্য তিনি দ্বারস্থ হলেন জগৎবিখ্যাত দার্শনিক এরিস্টোটললের কাছে।পরবর্তীতে তাকেই নিযুক্ত করেছিলেন আলেকজান্ডারের শিক্ষক হিসাবে। আলেকজান্ডার আর দশজন অভিজাত গ্রীক কিশোরের মতই শিখছিলেন দর্শন, শরীরচর্চা ও যুদ্ধবিদ্যা। প্রায় তিন বছর সান্নিধ্যে থাকার পর ১৬ বছর বয়সে এরিস্টোটলের কাছে তাঁর পাঠগ্রহণ সম্পুর্ণ হয়। এরপর আলেকজান্ডার যোগ দেন পিতার সামরিক বাহিনীতে। অসম্ভব সাহসিকতার সাথে লড়েন প্রতিটি যুদ্ধে। বাবার মৃত্যুর পর তিনি স্থলাভিষিক্ত হন বাবার স্থলে এভাবেই মাত্র ১৩ বছরে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহৎ অঞ্চলের শাষকে পরিনত হন কেবল মাত্র তার পান্ডিত্ব, শিক্ষা, রণকৌশল, বুদ্ধিমত্তার জন্য।যা শিখেছিলেন একজন পৃথিবী বিখ্যাত শিক্ষকের কাছেই। অর্থাৎ একজন ভাল জ্ঞানী আদর্শ শিক্ষকই পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী মানুষ কেননা তার সৃষ্টিই এই বিশ্বকে এগিয়ে নেবে।।

আমরা চাইনা শিক্ষার বানিজ্যকরণের জাতাকলে শিক্ষা নামক সুন্দর ব্যাবস্থাপনার পরিবর্তে নিষ্পেষিত হউক শিশুর মস্তিষ্ক ।একটু স্বাধীন ভাবে চাপ মুক্ত ভাবে ও বেড়ে উঠুক।আমরা বিশ্বাস করি কেউ মেধাহীন নয়। একটি সুষ্ঠু সুন্দর পরিবেশ পেলে বিকশিত হবেই। সবাই দোয়া করবেন।।সময় পেলে " বন্দনা শিক্ষাঙ্গন " বিনোদপুর, মহম্মদপুর, মাগুরাতে পরিদর্শন করুন।

জাপানে  বাচ্চাদের নামের শেষে চান আর বড়দের সাথে সান যোগ করে ডাকা হয়। সুতরাং তোত্তচান বললে বুঝতেই পারবেন তার নাম আসলে তোত্...
01/11/2024

জাপানে বাচ্চাদের নামের শেষে চান আর বড়দের সাথে সান যোগ করে ডাকা হয়। সুতরাং তোত্তচান বললে বুঝতেই পারবেন তার নাম আসলে তোত্ত আর চান হচ্ছে তার নামের লেজ।

তোত্তচানকে তার প্রথম শ্রেণীতে পড়ার সময়ই স্কুল থেকে বহিষ্কার করা হয়। অপরাধ গুরুতর। সে ক্লাসে জোরে জোরে ডেস্কের ঢাকনাটি খোলে আর লাগায়। জানালা দিয়ে ফেরিওয়ালাদের ডাকে। তখন ফেরিওয়ালারা নানারকম বাজনা বাজিয়ে গান গাইতো আর তোত্তচান ক্লাসের সব বাচ্চাদেরকে সাথে নিয়ে সেটা উপভোগ করতো। অপরাধ আরো আছে, লেখাপড়ায় মনযোগী না হয়ে সে জানালা দিয়ে সোয়ালো পাখির সাথে কথা বলতো।

তোত্তচানের মা কিন্তু বললেন না যে তাকে স্কুল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তিনি বললেন, “একটা ভালো স্কুল পাওয়া গেছে আমরা তোমাকে সেখানে ভর্তি করার চেষ্টা করবো। যদি তুমি সেখানকার পরীক্ষায় টিকে যাও তাহলে তোমাকে তারা ভর্তি করে নিবে। মায়ের দুশ্চিন্তায় ঘুমই আসলো না সারা রাত, যদি তোত্তচান পরীক্ষায় না টিকে!

নতুন স্কুলের গেটে গিয়েই তোত্তচান সিদ্ধান্ত নেয়, এই স্কুলে তাকে পড়তেই হবে। কী সুন্দর গাছের গুড়ি দিয়ে তৈরি গেট। মোটেও কংক্রীটের নয়। স্কুলে ঢুকে তার চোখ ছানাবড়া। ক্লাসরুম গুলো একবারে অরিজিনাল রেলের বগি। স্টেশন থেকে এতদূর কিভাবে বগিগুলো আনা হলো, তাও একটা বিরাট বিস্ময়। এটা স্কুল নাকি রেল স্টেশন!

ভর্তি পরীক্ষা শুরু হলো। মাকে বাইরে পাঠিয়ে দিয়ে প্রধান শিক্ষক তার পরীক্ষা নেওয়া শুরু করবেন। পরীক্ষা শুরুর আগেই তোত্তচান প্রধান শিক্ষককে প্রশ্ন করলো, “ তুমি কি প্রধান শিক্ষক নাকি স্টেশনের লোক?”

তোত্তচান ভেবেছিলো তাকে প্রধান শিক্ষক প্রশ্ন করবেন আর তাকে তার উত্তর দিতে হবে। ব্যাপার ঘটলো পুরো উল্টো। প্রধান শিক্ষক তাকে বললেন, “বলোতো তোত্তচান, তোমার সম্পর্কে কি কি বলতে চাও?”

তোত্তচান সুযোগ পেয়ে হড়বড়িয়ে কত কথা বললো! তার কুকুর রকির কথা, স্টেশনের টিকেট চেকার তাকে টিকিট দেয়নি সে কথা, সর্দি লাগলে নাক সুড়ুৎ সুড়ুৎ করলে মা রেগে যান সে কথা। আগের স্কুলের কথাও বললো সে। একসময় তার কথা ফুরিয়ে গেল। কথা ফুরিয়ে গেলে, সে জানতে পারলো, সে একটানা চার ঘন্টা কথা বলেছে। এরমধ্যে প্রধান শিক্ষক কোন কথা বলেননি। মন দিয়ে তার কথা শুনেছেন। তোত্তচানের কথা শেষ হলে তিনি বললেন, “আজ থেকে তুমি এই স্কুলের একজন।” তত্তোচান তো অবাক, "এ আবার কেমন পরীক্ষা!"

কয়েকদিনের মধ্যেই বোঝা গেল এই স্কুল একদম অন্যরকম। একটা বড় ডাইনিং রুমে সব বাচ্চারা টিফিনের সময় খেতে বসে। সবার বাড়ি থেকে খাবার নিয়ে আসতে হয়। প্রধান শিক্ষকের নির্দেশ প্রতিদিন “সমুদ্রের কিছু আর পাহাড়ের কিছু খেতে হবে।”

তোত্তচান অবশ্য প্রথমদিন বুঝতে পারলো না সমুদ্রের আর পাহাড়ের বিষয়টা কি। পরে বুঝলো পৃথিবী দু’ভাগে বিভক্ত। সমুদ্র থেকে দেখলে বাকি অংশ পাহাড় বা ডাঙা আর ডাঙা থেকে দেখলে বাকিটা সমুদ্র।

টিফিন পিরিয়ডে প্রধান শিক্ষক সব বাচ্চাদের খাবারের প্লেটের সামনে গিয়ে দেখতে লাগলেন তারা কি খাবার এনেছে। সামুদ্রীক মাছ বা শৈবাল সমুদ্রের খাবার। শাক-সব্জি বা লতাগুল্মগুলো পাহাড়ের খাবার। সবাই সাধারণত দুই ধরণের খাবারই আনে । প্রধানশিক্ষকের পেছনে পেছনে তার স্ত্রী গামলা ভর্তি সমু্দ্র আর পাহাড়ের খাবার নিয়ে ঘুরে। কেউ যদি শুধু সমুদ্রের খাবার আনে তখন প্রধান শিক্ষক বলেন, “এই বাবুটিকে পাহাড় থেকে কিছু খাবার দাও।” তখন তার স্ত্রী বাচ্চাটির প্লেটে পাহাড়ের খাবার দেয়। যার প্লেটে সমুদ্রের নেই, তাকে সেভাবেই সমুদ্রের খাবার দেওয়া হয়।

বাচ্চাদের প্রথম ক্লাসে ব্ল্যাক বোর্ডে লিখে দেওয়া হয়, আজ কি কি পড়ানো হবে। কোনটা আগে বা কোনটা পরে পড়ানো হবে, তার ধরা বাঁধা কোন নিয়ম নেই। যার যার ইচ্ছে মত আগে পরে পড়তে পারে। কেউ আগে ছবি আঁকে, কেউ অংক করে কেউ বা শুরু করে বিজ্ঞান। দুপুরের মধ্যে যদি সবার পড়া তৈরি হয়ে যায়, তাহলে তাদের হাঁটাহাঁটি ক্লাস শুরু হয়। শিক্ষক তাদের নিয়ে গ্রামের পথ ধরে হাঁটতে হাঁটতে নদী, মাঠ বা উপসনালয়ে নিয়ে যান বেড়াতে।

তোত্তচানের নতুন স্কুলের নাম তোময়ে স্কুল। সেখানে সবার আগে আত্নবিশ্বাস জাগিয়ে তোলা হতো। যেমন বেঁটে বলে যে ছেলেটি হীনমনত্যায় ভূগতো। সেই আকিরা তাকাহাশি বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় সব খেলায় প্রথম হলো। প্রথম হওয়ার কারণ হলো, তার সাইজেই সব খেলা উদ্ভাবন করা হয়েছিল। সবাইকে দৌঁড় দিতে হবে একটা পাইপের মধ্যে দিয়ে। লম্বা বাচ্চারা তো পাইপের মধ্যে দৌঁড়াতেই পারলো না। বার বার পড়ে যেতে লাগলো আর সেই বেঁটে ছেলেটাই গুটি গুটি পায়ে প্রথম হয়ে গেল। তার আত্নবিশ্বাস বেড়ে গেল। সেই আত্নবিশ্বাসে একদিন বড় হয়ে সে তড়িৎ প্রকৌশলে ডিগ্রি পেয়ে যায়। এখন সে হামানা হ্রদের পাড়ে এক বিরাট ইলেকট্রনিক্স কোম্পানীতে উচ্চপদে কর্মরত। অথচ স্বয়ং তার মা-বাবারা ছোট আকিরা তাকাহাশিকে নিয়ে ভীষণ দুশ্চিন্তায় ছিলেন।

স্কুলের ছুটিতে ছোট্ট বাচ্চাদের নিয়ে নদী-পাহাড়ে ক্যাম্পিং, বনভোজন, হাসপাতালে রোগীদের দেখতে যাওয়া, গান গেয়ে গেয়ে খাওয়া, রাতে অন্ধকার গোরস্থানে গিয়ে ভূত ভূত খেলা, ভয় পাওয়া, সব মিলে অসাধারণ একটা স্কুল জীবন।

তেৎসুকো কুরোয়ানাগি জাপানি টেলিভিশনের একটি প্রভাতি অনুষ্ঠান করেন। তার ক্লাস ওয়ানের স্মৃতি নিয়ে তিনি এই বইটি লিখেন। তার সেই অসাধারণ স্কুলটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, প্রধান শিক্ষক সোসাকু কোবাইয়াশি। তিনি গবেষণা করেছেন বাচ্চাদের উপযোগী শিক্ষা নিয়ে। ১৯৪৫ সালের যুদ্ধে মার্কিনিরা জাপানে বোমা ফেললে তোময়ে স্কুল ধ্বংস হয়ে যায়। স্বল্পকালীন সময়ের এই স্কুল একটি আদর্শ স্কুল হতে পারতো। সেজন্যেই তোৎসুকো কুরোয়ানাগি এই বইটি লিখেন।

বইটি প্রকাশের প্রথম বছরই পঁয়তাল্লিশ লক্ষ কপি বিক্রি হয়। বর্তমানে বইটির বিভিন্ন অধ্যায় জাপানে স্কুলের পাঠ্য। সারা বিশ্বে অসংখ্য ভাষায় বইটি অনূদিত হয়েছে।

প্রতিটি মা-বাবার বইটি পড়া উচিত। অন্ততঃ তাদের সন্তানদের স্বার্থে।

বইয়ের নাম- “তোত্তচান, জানালার ধারের ছোট্ট মেয়েটি”
লেখক- তেৎসুকো কুরোয়ানাগি

ঋণ স্বীকার — জনাব আশাদুজ্জামান জুয়েল মহাশয় এর লেখা। উনি বাংলাদেশে বইটির প্রাপ্তিস্থান উল্লেখ করেছেন। আমাদের দেশে মাননীয়া মৌসুমী ভৌমিক- এর অনুবাদ পাওয়া যায়।

ভালো কিছু গ্রহণ করতে ক্ষতি কি? এই উদ্যোগটি সত্যি সময়োপযোগী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ওয়াটাল বেল:(বেল বাজলেই পানি পান করবে শিক্ষ...
22/04/2024

ভালো কিছু গ্রহণ করতে ক্ষতি কি?
এই উদ্যোগটি সত্যি সময়োপযোগী

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ওয়াটাল বেল:
(বেল বাজলেই পানি পান করবে শিক্ষার্থীরা)

তীব্র তাপদাহ থেকে বাঁচতে প্রতিটি স্কুলে ওয়াটার বেল জরুরি।
ক্লাসের জন্য যেভাবে বেল বাজানো হয় সেভাবে নিয়মিত তিন বার ওয়াটার বেল বাজবে। যখন বেল বাজবে তখন ছাত্ররা যেন অবশ্যই পানি পান করে। বাধ্যতামূলক পানি পান করতে হবে। কর্তৃপক্ষ একবার শরবতের ব্যবস্থা করবে। কোমলমতি ছাত্ররা পানি পান করতে অনাগ্রহী থাকে। ফলে গরমে যে কোন ধরনের রোগ হতে পারে। শ্রেণির কক্ষের জানালা অবশ্যই খোলা রাখতে হবে। প্রতিটি শ্রেণিকক্ষে বাধ্যতামূলক জগ/কলস ভর্তি পানি রাখতে হবে।

অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। আমরাও পালন করবো।
19/04/2024

অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। আমরাও পালন করবো।

"জেড জেনারেশন" এবং শিক্ষকের দ্বায়িত্বঃআমরা অনেকেই হয়ত Baby boomers, Generation X, Generation Y এসব শুনেছি। ১৯৪০ থেকে ১৯৫...
10/03/2024

"জেড জেনারেশন" এবং শিক্ষকের দ্বায়িত্বঃ

আমরা অনেকেই হয়ত Baby boomers, Generation X, Generation Y এসব শুনেছি। ১৯৪০ থেকে ১৯৫৯ এর মধ্যে যাদের জন্ম তাদের বলা হয় বেবি বুমার্স। এ এরপরে ১৯৬০ থেকে ১৯৭৯ সালের মধ্যে যাদের জন্ম তাঁরা জেনারেশন এক্স, ১৯৮০ থেকে ১৯৯৪ সালের মধ্যে যারা জন্ম নিয়েছে তারা জেনারেশন ওয়াই বা মিলেনিয়াল এবং ১৯৯৫ থেকে ২০১০ এর মধ্যে যাদের জন্ম তারা জেনারেশন জেড।

জেনারেশন জেড যে সময়টাতে জন্মগ্রহণ করেছে সে সময়টাতে বিশ্বজুড়ে শুরু হয়ে গেছে ইন্টারনেট ব্যবহার। এরা নিজেদেরকে নিয়ে থাকতে পছন্দ করে।এরা সাইলেন্ট জেনারেশন নামেও পরিচিত।

অত্যন্ত আশাবাদী এই ছেলেমেয়েরা তাদের আগের প্রজন্মের থেকে নিজেদের অনেক এগিয়ে কল্পনা করতে ভালোবাসে। তারা ক্রিয়েশনকে বেশি প্রাধান্য দেয়। নতুন ও পুরাতনের সমন্বয়ে ছিলো ‘এক্স’ কিংবা ‘ওয়াই’রা।এরা ভার্চ্যুয়াল জগতে অনেক বেশি সম্পৃক্ত। একই সঙ্গে হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়াটাও একটা বড় সমস্যা হয়ে উঠেছে। ভার্চ্যুয়ালি তারা অনেক এগিয়ে গেলেও বাস্তবতায় পিছিয়ে পড়ার কারণে হতাশার শিকার হচ্ছে। মানবিক সম্পর্কের অবনতির পেছনেও এর দায় রয়েছে। প্রয়োজন না থাকলেও প্রায় সারা দিন তারা অনলাইনে ‘অ্যাকটিভ’। যুক্তরাষ্ট্রে ৫৯ শতাংশ কিশোর-কিশোরী অনলাইনে হয়রানির শিকার হয়। এর ভেতরে রয়েছে অপমানজনক কথাবার্তা, গালিগালাজ, গুজব ছড়ানও নেতিবাচক দিকগুলো বাদ দিলে এই প্রজন্মের অর্জনটাও কম নয়। সুতরাং, ‘জেড’ জেনারেশনের গতিশক্তির সঠিক প্রয়োগটা জরুরি।

এখন তাই এই জেড জেনারেশনের সাথে সাথে 'ওয়াই' জেনারেশন বা এক্স জেনারেশনের অভিভাবক বা শিক্ষকদেরকেও আপডেট হতে হবে। এসেছে নতুন শিশু তাই বলে স্থান ছেড়ে দিলেই শুধু চলবে না। সেই স্থানে বসাবার জন্য যোগ্য করে গড়ে তোলার দায়িত্বটাও কিন্তু আমাদের।
শিক্ষক বাবা, মা অভিভাবকদের।

★আমাদের এই সন্তানদের জন্য এখন সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টিই তাদেরকে বুঝতে চেষ্টা করা। এটা টিচার বা অভিভাবকদের জন্য কষ্টকর তখনই যখন তারা এই জেনারেশনের সাথে ঠিকঠাক যোগাযোগ করতে পারেননা।
★জেনারেশন জেড এর ইনফরমেশন সেন্ডিং এবং রিসিভিং এর পদ্ধতিগুলো ভিন্ন তাই তাদের যোগাযোগের পদ্ধতিগুলি আমাদের বুঝতে হবে। তাদের যোগাযোগ পদ্ধতিগুলি কিভাবে কাজ করে আমাদেরকে জানতে হবে।
★এদের সাথে বন্ধুর মতো আচরণ করুন।ওদের ভালো লাগার বিষয় গুলোকে গুরুত্ব দিন।
★ভুল করলে কাউন্সিলিং করুন,পাশে থাকুন।
★অতি উচ্চাশা এবং একাকীত্ব থেকেই হতাশার সৃষ্টি হয়। এদের মাঝে আবেগের চূড়ান্ত মোড দেখা যায়।যার জন্য এরা খুব এমবিশাস হয়,তাই হতাশা ভর করলে আত্মহত্যা করার ঝুঁকি নেয়, তাই এদের সাথে বন্ধুর মতো আচরণ করুন, ..
★আন্তঃযোগাযোগ সম্পর্ক গুলো বৃদ্ধি করুন।
★ শ্রেনিকক্ষে এনগেজড বেসড লার্নিং করার সুযোগ দিন।
★ এরা self directed , তাই ওদের মতামতকে বিবেচনা করতে হবে।এরা সার্টিফিকেট এর চেয়ে ক্যারিয়ারে আগ্রহী। চ্যালেঞ্জ নিতে পছন্দ করে।তাই নিজেকেও আপডেট করুন এবং
অনার করুন তাদের মতামত গুলোকে।
★ কন্টেন্ট, এন্ড্রাগোজি,টেকনোলজি তিনটার সমন্বয় করে লেসন প্ল্যান করুন।

Address

Binodpur
Binodpur
7631

Telephone

+8801676714227

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bandana Nursery School, Binodpur posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category