14/11/2022
Brilliants Academy - ব্রিলিয়ান্টস একাডেমী
শিক্ষা আনে চেতনা ,চেতনা আনে পরিবর্তন ।
আপনার সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়াই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য।
14/11/2022
14/11/2022
সন্তান আপনার, মেধাবিকাশের দায়িত্ব আমাদের।♥♥♥♥♥
বই হচ্ছে অতীত আর বর্তমানের মধ্যে বেঁধে দেয়া সাঁকো।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
16/12/2016
ছন্দে ছন্দে Preposition শিখুনঃ
-
নগর, শহর, দেশ, এদের আগে in বসিয়ে
করবে বেশ।
-
সপ্তাহ, মাস, বছর, ঋতু, দশক, যুগ, শতাব্দী,
এদের আগে in বসানো হয় আজ অব্দি।
-
প্রভাত, দুপুর, গোধূলি, রাত, এদের আগে
at বসিয়ে করবে বাজিমাত।
-
সময়ের আগে at বসে, দিনের আগে on,
দিনের অংশ ভাগে in না বসালে,
করবে তবে Wrong।
-
Festival-এ at, নম্বরেও at, with হয় বস্তুতে,
এইভাবে preposition শিখবে আনন্দ আর
ফুর্তিতে।
-
Person-এ by, পাশে বুঝাতেও by,
(যানবাহনের আগে) কিন্তু in a car,
দক্ষতায় অদক্ষতায় at না বসালে সব হবে
ছারখার।
-
ছোট হলে at, বড় হলে in, কখন হয়? এই
পার্থক্য না বুঝলে মনে থাকবে ভয়।
-
বাহির থেকে ভিতরে into ব্যবহার
করো, ভিতর থেকে বাহিরে হয় out of,
Preposition না বুঝলে মুড থাকবে off।
-
লেগে (স্পর্শ করে) থাকলে on হয়, নইলে
হয় above, Since, for বুঝ না, কেন নাও ভাব?
-
শুরু থেকে বুঝাতে since হয়, নইলে হয় for,
গতি বুঝাতে (উপর দিয়ে) over, নিচে হয়
under, Preposition আসলেই খুব মজার।
-
মাত্রা (স্তর) বুঝাতে হয় below, Preposition
শিখতে পেরে, আমি আছি খুব ভালো।
-
On- এ গিয়ে গতি হলে শেষ হয় onto,
সাথে বুঝাতে with হয়,দিক বুঝাতে to.
কোনো কিছুর ভিতর দিয়ে যেতে হয়
through (বাধা থাকলে)।
-
এ পাশ থেকে ওপাশে যেতে হয় across,
(বাধা না থাকলে)।
-
Preposition শিখলে নেই কোনো Loss। এর
বুঝাতে of হয় Boss.
আসুন গণিত নিয়ে একটু মজা করি
১২৩৪৫৬৭৮৯ সংখ্যাটা একটু ভালো করে দেখ। হ্যাঁ, ১ থেকে ৯ পর্যন্ত অংক নিয়ে সাজানো হয়েছে এই সংখ্যাটি।
আচ্ছা, তোমাদের কি মনে হচ্ছে না ১ থেকে ৯ পর্যন্ত একবার অংক বলেছি আবার ১২৩৪৫৬৭৮৯ কে সংখ্যা বলেছি কেন? বলছি কারণ দুটো আসলে আলাদা জিনিস। ০,১,২,৩,৪,৫,৬,৭,৮,৯ এগুলোকে অংক বলে। আর অংকগুলোকে একসঙ্গে বলে সংখ্যা। যেমন ১১ একটি সংখ্যা। আর আমরা যে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ বা অন্যান্য হিসাব নিকাশ করি এগুলো সব মিলিয়েই হচ্ছে গণিত। তাহলে আমরা যে বলি আমি অংক করছি বা কাল আমার অংক পরীক্ষা এসব কথা একদমই ভুল। এখানে অংকের স্থানে শব্দটি হবে ‘গণিত’। যা বলছিলাম, ১২৩৪৫৬৭৮৯ এই সংখ্যাটির কথা। এটি একটি মজার সংখ্যা। কারণ এতে ধারাবাহিকভাবে ৯টি অংক আছে। অথবা ধর, ৯৮৭৬৫৪৩২১। এটি প্রথমটার ঠিক উলটো একটি সংখ্যা।
আবার ১১১১১১১ বা ২২২২২২ এ সংখ্যাগুলোও মজার। একই অংক আসছে বারবার। একে উলটো করে লিখলেও কিন্তু একই সংখ্যা আসবে।
৯ এর নামতা আমরা সবাই জানি নিশ্চয়ই? এর ফলগুলো চট করে বলে দাও তো! ৯, ১৮, ২৭, ৩৬, ৪৫, ৫৪, ৬৩, ৭২, ৮১, ৯০। এখন আমরা এই সংখ্যাগুলো নিয়েই খেলা করব। তবে, আমরা শেষের সংখ্যাটি আজ বাদই রাখব।
১ থেকে ৯ এর মাঝের অংকগুলো থেকে ৮ কে একটু বাদ দিয়ে আমরা লিখতে পারি, ১২৩৪৫৬৭৯। এই সংখ্যার সাথে ৯ এর নামতার ফলগুলোকে এক এক করে গুণ করে দেখ দেখি কী আসে! ১২৩৪৫৬৭৯ X ৯ = ১১১১১১১১১ ১২৩৪৫৬৭৯ X ১৮ = ২২২২২২২২২ ১২৩৪৫৬৭৯ X ২৭ = ৩৩৩৩৩৩৩৩৩ ১২৩৪৫৬৭৯ X ৩৬ = ৪৪৪৪৪৪৪৪৪ ১২৩৪৫৬৭৯ X ৪৫ = ৫৫৫৫৫৫৫৫৫ ১২৩৪৫৬৭৯ X ৫৪ = ৬৬৬৬৬৬৬৬৬ ১২৩৪৫৬৭৯ X ৬৩ = ৭৭৭৭৭৭৭৭৭ ১২৩৪৫৬৭৯ X ৭২ = ৮৮৮৮৮৮৮৮৮ ১২৩৪৫৬৭৯ X ৮১ = ৯৯৯৯৯৯৯৯৯ কী চমৎকার একটা সিরিজের মতো হয়েছে দেখ! সংখ্যাগুলো দেখতেই ভালো লাগছে তাই না? ৮ কে বাদ দিয়েছি তাই বুঝি মন খারাপ হল? চল ৮ নিয়ে আরেকটা খেলা দেখে নেই।
৯ X ৯ + ৭ = ৮৮ ৯৮ X ৯ + ৬ = ৮৮৮ ৯৮৭ X ৯ + ৫ = ৮৮৮৮ ৯৮৭৬ X ৯ + ৪ = ৮৮৮৮৮ ৯৮৭৬৫ X ৯ + ৩ = ৮৮৮৮৮৮ ৯৮৭৬৫৪ X ৯ + ২ = ৮৮৮৮৮৮৮ ৯৮৭৬৫৪৩ X ৯ + ১ = ৮৮৮৮৮৮৮৮ ৯৮৭৬৫৪৩২ X ৯ + ০ = ৮৮৮৮৮৮৮৮৮ ৯ থেকে ধারাবাহিকভাবে এর আগের অংকগুলো একটা করে বসিয়ে এর সাথে ৯ গুণ, আর তার সাথে ধারাবাহিকভাবে ৭ থেকে ০ পর্যন্ত যোগ। সবগুলোর ফলের দিকে তাকিয়ে দেখ! গণিত আসলে খুব মজার একটা খেলা। শুধু মজাটা খুঁজে নিতে হয়
আসুন কিছু মজার শব্দের সাথে পরিচিত হই এবং একটু বিনোদন উপভোগ করা যাক .
Season=কাল; Cull=চয়ন করা .
Sister=বোন; Bone=হাড় .
Tiger=বাঘ; Bug=ছারপোকা .
What=কি; Key=চাবি .
Cheek=গাল; Gull=প্রতারনা করা .
Colour=রং, Wrong=ভুল .
Leech=জোঁক; Joke=রসিকতা .
Village=গ্রাম; Gram=ছোলা .
Bridge=পুল; Pull=টানা..
আরো কিছু লেখার ইচ্ছে ছিল কিন্তু ব্যাস্ততার কারনে আজকে এইটুকুই থাক ।
ভালো থাকবেন সবাই,,, এই কামনা করি,,।।
একটি শিক্ষনীয় স্টাটাসঃ
এক দেশে ছিলো এক পিপড়া। সে প্রতিদিন ৯টায় অফিসে ঢুকতো। তারপর কারো সঙ্গে সময় নষ্ট না করে সঙ্গে সঙ্গে কাজে বসে যেত।
সে যে পরিমাণ কাজ করত, তাতে কোম্পানির উৎপাদন হতো প্রচুর এবং এর ফলে সে আনন্দের সঙ্গেই জীবন নির্বাহ করত।
ওই অফিসের সিইও সিংহ অবাক হয়ে দেখত, এই পিঁপড়াটি কোনো ধরনের সুপারভিশন ছাড়াই প্রচুর কাজ করছে। সিংহ ভাবল, পিঁপড়াকে যদি কারও সুপারভিশনে দেওয়া হয়, তাহলে সে আরও বেশি কাজ করতে পারবে।
কয়েক দিনের মধ্যেই সিংহ একটি তেলাপোকাকে পিঁপড়ার সুপারভাইজার হিসেবে নিয়োগ দিল। সুপারভাইজার হিসেবে এই তেলাপোকাটির ছিল দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, আর সে দুর্দান্ত রিপোর্ট লিখতে পারত।
তেলাপোকাটি প্রথমেই সিদ্ধান্ত নিল, এই অফিসে একটি অ্যাটেনডেন্স সিস্টেম থাকা উচিত।
কয়েক দিনের মধ্যেই তেলাপোকার মনে হলো, তার একজন সেক্রেটারি দরকার, যে তাকে রিপোর্ট লিখতে সাহায্য করবে। … সে একটা মাকড়সাকে নিয়োগ দিল এই কাজে যে সব ফোনকল মনিটর করবে, আর নথিপত্র রাখবে।
সিংহ খুব আনন্দ নিয়ে দেখল যে তেলাপোকা তাকে প্রতিদিনের কাজের হিসাব দিচ্ছে আর সেগুলো বিশ্লেষণ করছে গ্রাফের মাধ্যমে। ফলে খুব সহজেই উৎপাদনের ধারা সম্পর্কে ধারণা নেওয়া যাচ্ছে এবং সিংহ সেগুলো বোর্ড মিটিংয়ে ‘প্রেজেন্টেশন’ আকারে পেশ করে বাহবা পাচ্ছে।
কিছুদিনের মধ্যেই তেলাপোকার একটি কম্পিউটার ও লেজার প্রিন্টার প্রয়োজন হলো এবং এগুলো দেখভালের জন্য আইটি ডিপার্টমেন্ট গঠন করল। আইটি বিশেষজ্ঞ হিসেবে নিয়োগ পেল মাছি।
আমাদের কর্মী পিঁপড়া, যে প্রতিদিন অফিসে এসে প্রচুর কাজ করে মনের সুখে গান গাইতে গাইতে বাসায় ফিরত, তাকে এখন প্রচুর পেপার ওয়ার্ক করতে হয়, সপ্তাহের চার দিনই নানা মিটিংয়ে হাজিরা দিতে হয়।
নিত্যদিন এসব ঝামেলার কারণে কাজে ব্যাঘাত ঘটায় উৎপাদন কমতে লাগল, আর সে বিরক্ত হতে লাগল।
সিংহ সিদ্ধান্ত নিল, পিঁপড়া যে বিভাগে কাজ করে, সেটাকে একটা আলাদা ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করে সেটার একজন ডিপার্টমেন্ট প্রধান নিয়োগ দেওয়ার এটাই উপযুক্ত সময়।
সিংহ ঝিঁঝিপোকাকে ওই ডিপার্টমেন্টের প্রধান হিসেবে নিয়োগ দিল। ঝিঁঝিপোকা প্রথম দিন এসেই তার রুমের জন্য একটা আরামদায়ক কার্পেট ও চেয়ারের অর্ডার দিল।
কয়েক দিনের মধ্যেই অফিসের জন্য স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যান তৈরি করতে ঝিঁঝি পোকার একটি কম্পিউটার ও ব্যক্তিগত সহকারীর প্রয়োজন হলো। কম্পিউটার নতুন কেনা হলেও ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে ঝিঁঝিপোকা নিয়োগ দিল তার পুরোনো অফিসের একজনকে।
পিঁপড়া যেখানে কাজ করে, সেখানে আগে ছিল চমৎকার একটা পরিবেশ। এখন সেখানে কেউ কথা বলে না, হাসে না। সবাই খুব মনমরা হয়ে কাজ করে।
ঝিঁঝিপোকা পরিস্থিতি উন্নয়নে সিংহকে বোঝাল, ‘অফিসে কাজের পরিবেশ’ শীর্ষক একটা স্টাডি খুব জরুরি হয়ে পড়েছে।
পর্যালোচনা করে সিংহ দেখতে পেল, পিঁপড়ার বিভাগে উৎপাদন আগের তুলনায় অনেক কমে গেছে।
কাজেই সিংহ কয়েক দিনের মধ্যেই স্বনামখ্যাত কনসালট্যান্ট পেঁচাকে অডিট রিপোর্ট এবং উৎপাদন বাড়ানোর উপায় বাতলে দেওয়ার জন্য নিয়োগ দিল।
পেঁচা তিন মাস পিঁপড়ার ডিপার্টমেন্ট মনিটর করল, সবার সঙ্গে ওয়ান টু ওয়ান কথা বলল। তারপর বেশ মোটাসোটা একটা রিপোর্ট পেশ করল সিংহের কাছে। ওই রিপোর্টের সারমর্ম হলো, এই অফিসে প্রয়োজনের তুলনায় কর্মী বেশি। কর্মী ছাঁটাই করা হোক।
পরের সপ্তাহেই বেশ কয়েকজন কর্মী ছাঁটাই করা হলো। বলুন তো, কে সর্বপ্রথম চাকরি হারাল?
ওই হতভাগ্য পিঁপড়া। কারণ, পেঁচার রিপোর্টে লেখা ছিল, ‘এই কর্মীর মোটিভেশনের ব্যাপক অভাব রয়েছে এবং সর্বদাই নেতিবাচক আচরণ করছে, যা অফিসের কর্মপরিবেশ নষ্ট করছে।
এবার ভাবুন তো, আপনার পজিশানটা কী আপনার অর্গানাইজেশনে?
( সংগৃহিতঃ বিদেশি গল্পের অবলম্বনে
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Telephone
Website
Address
Bhola
8300