কেউ খাবার যোগাতে কাজের সন্ধানে দৌড়াচ্ছে।
আবার কেউ অতিরিক্ত খেয়ে, খাবার হজমের জন্য দৌড়াচ্ছে।
গভীর রাতে, কারো পাজেরো গাড়ি থামছে, নিষিদ্ধ পল্লীতে, ঘরে অপেক্ষারত স্ত্রী দীর্ঘশ্বাস ফেলছে.!
কেউ ভাঙা ঘরে থেকে স্ত্রীকে নিয়ে অবিরত স্বপ্নের জোয়ারে ভাসছে।
কেউ ভাবছে আর কয়েকটা দিন! ডিভোর্স পেপারে সাইন করলেই মুক্তি। কেউ একটা সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জন্য যুদ্ধ করে চলছে।
কেউ সন্তান ডাস্টবিনে ফেলে দিয়ে দায়মুক্ত হতে চাইছে। কেউ একটা সন্তানের জন্য সারাটা জীবন হাহাকার করছে!
কেউ লাখ টাকার ডাইনিং টেবিলে বসেও তৃপ্তি সহকারে ভাত খেতে পারছেনা!
কেউ পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ কচলিয়ে গোগ্ৰাসে ভাত গিলছে।
কারো দামি খাটে শুয়েও আবার ঘুমের ওষুধ খেতে হচ্ছে! কেউ আবার হিমেল হাওয়ায় অঘোরে ঘুমোচ্ছে।
কারো পড়ার টেবিলে নতুন বইয়ের সমারোহ কিন্তু পড়তে ইচ্ছে করছেনা।
কেউ পুরাতন বইয়ের দোকান চষে বেড়াচ্ছে, পকেট খালি বলে!
কেউ বিলাস বহুল গাড়িতে বসে চিন্তিত, সন্তানগুলো মানুষ হলোনা! এতো সম্পত্তি রাখতে পারবেতো?
কেউ পায়ে হেঁটে পথ চলছে, মনে মনে ভাবছে... সন্তানতো মানুষ করতে পেরেছি! আল্লাহ চাইলে, ওরাই জীবনটা এখন গড়ে নিবে।
সত্যিই নানান রঙের মানুষ, নানান রঙের স্বপ্নের ঘুড়ি...! ,
তবে শেষ ঠিকানা সাড়ে তিন হাত মাটি।
Islamic Story
This is Islamic Page
আপনার কখনো মনে হয়েছে, এর চেয়ে মরে গেলে ভালো হতো?
কখনো মনে হয়েছে, মরে গেলেই এই সমস্যা থেকে বেঁচে যাবো?
কিন্তু সত্যি কথাটা কি জানেন?
দুনিয়ার সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা, সবচে বড় বিপদ মৃত্যুর সামনে কিছুই না।
মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত আমাদের ভুল গুলো শোধরানোর সুযোগ থাকে। গুনাহগুলোর জন্য মাফ চাওয়ার পথ থাকে। যে পরীক্ষা দেখে মরে যেতে মন চাইছে, সেই পরীক্ষা আমাদের মজবুত করতে এসেছে, ভেংগে দিতে নয়।
মরে গেলে কি হবে?
যাদের কথা ভেবে মরে যাচ্ছি, তাদের কেউ খুব কাঁদবে এরপর ভুলে যাবে, কেউ কাঁদবেও না, ভুলে যাবে, কেউ মনে রাখবে, কিন্তু সেই মনে রাখায় মৃত আমার কিছু আসবে যাবে না।
কিন্তু মৃত্যুর পরে যে জীবন, যে প্রশ্ন আর জবাব, যে হিসাবের সামনে আমাকে পরতে হবে, তার মত বড় পরীক্ষার জন্য কি আমি প্রস্তুত?
এই পৃথিবীতে যে পরীক্ষাগুলো আসে, সেগুলোর সমাধান এমন ভাবে হওয়া সম্ভব যেন কোন পরীক্ষাই ছিলো না।
অথবা এমন ভাবে সমাধান হওয়া সম্ভব যা পরীক্ষার আগের অবস্থার চেয়ে উত্তম।
আবার এমনও হতে পারে যে এই দুনিয়ায় সেই পরীক্ষার হিকমাহ বুঝলাম না, কিন্তু রব্বের সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট থেকে আখিরাতে অসাধারণ নিয়ামত পেলাম।
আল্লাহ সুবহানা তা'লা আল মু'মিন। আমরা তাঁর সম্পর্কে যে ধারণা পোষণ করবো তিনি তা সত্য প্রমাণ করবেন।
তাই তো আমাদের রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহিস সালাম মৃত্যুর আগে আল্লাহ সুবহানা তা'লা সম্পর্কে সুধারণা রাখার বিষয়ে জোর দিয়েছেন।
হিন্দি মুভিতে সুইসাইড খুব সাধারণ ভাবে দেখানো হয়। ইন্ডিয়ায় সুইসাইডের মাত্রাও অনেক বেশি। এর একটা বড় কারণ ওরা পরজন্মে বিশ্বাস করে। ভাবে মরে আবার নতুন জীবন নিয়ে এই পৃথিবীতে ফিরে আসবে।
কিন্তু একজন মুসলিম মৃত্যুর পরের জীবন সম্পর্কে সম্পূর্ণ ভিন্ন বিশ্বাস ধারণ করে। মুসলিম হিসেবে আমরা জানি, মৃত্যুর পরে আর এই দুনিয়ার জীবনে ফিরে আসা সম্ভব নয়। মৃত্যুর পর থেকেই আখিরাতের জীবন। সেই জীবনটা অনেক বেশি কঠিন, যদি না আমরা এই জীবন থেকেই সেখানের জন্য সঞ্চয় না করে থাকি।
“আমার কাছে কুরআানের সবচেয়ে কষ্টদায়ক আয়াত হলো
সূরা কাসাস এর এই আয়াতটি -
"আপনি যাকে ভালোবাসেন, ইচ্ছা করলেই তাকে হেদায়াত করতে পারবেন না।আল্লাহ যাকে ইচ্ছা হেদায়াত দান করে থাকেন!"
~[সূরা-কাসাসঃ৫৬]
যতবার এই আয়াত এর মর্মটা উপলব্ধি করি, ততবার চোখের পানি ঝড়ে!
দুনিয়াতে আমরা নিজের আপনজনকে খুব বেশিই ভালবাসি, হয়তো অনেক সময় নিজের থেকেও কাউকে বেশিই ভালবেসে ফেলি, তাদের হেদায়েতের জন্য প্রতিনিয়ত দুআ করি কিন্তু ফলাফল তাদের হেদায়েত নসিব হয়না!
হেদায়েত অনেক দামি নিয়ামত!
স্বয়ং আল্লাহ সুবাহানাহু ওয়া তা'আলার পক্ষ থেকে আসে! আর দুনিয়াতে হেদায়েত পাওয়া এবং হেদায়েতের পথে টিকে থাকতে পারা পরকালের জন্য নিশ্চয় সুসংবাদ!
এজন্যই আল্লাহ সুবাহানাহু ওয়া তা'আলা বলেছেন,
তিনি যাকে ভালবাসেন তাকে হেদায়েত দান করেন, যাকে ইচ্ছা তাকে সেখানে আমি আপনি কাঁদলেও কি!
আহ! কতশত আহাজারি, কত বুঝানোর ব্যর্থ চেষ্টা ভালবাসার মানুষগুলো যেন বুঝে দুনিয়াটা ক্ষনিকের এখানে সবদিক দিয়ে কেউ পরিপূর্ণ নয়! একদিন মরতে হবে!
দুনিয়া নয়, বরং দুনিয়াতে বেঁচে থেকে জান্নাতের চিন্তা করে নফসকে পরাজিত করতে হবে! মন যা চায়, তা করা যাবেনা বরং কুরআান ও হাদীস যেটা বলে সেটাই মানতে হবে! তবেই তো আমরা সফল হবো।
হে আমাদের রব! আপনি আমাদের সহায় হউন, সহীহ পথের হেদায়েত দান করুন, আ-মীন!🤍🖤🤍
নারী : কে আমি?😔
ইসলাম : তুমি প্রথমে মানুষ, তারপরে নারী।🌺
নারী : আমি সংসারের বোঝা,🙂
ইসলাম : তুমি সংসারের রানী।❣️
নারী : আমি স্বার্থপর।আমি যত নষ্টের সূচনা,😔
ইসলাম : তুমি অনুসূয়া, পুরুষের প্রেরণা।🌼
নারী : আমি আঁধার,আমি তমসা।😔
ইসলাম : তুমি জৌতি,তুমি ভরসা।❣️
নারী : আমি মায়াবীনি, আমি কুহকিনী।🥺
ইসলাম : তুমি মায়াবতী, তুমি সুহাসিনী।🌺
নারী : আমি লাঞ্চিতা,আমি ধর্ষিতা।😔
ইসলাম : তুমি অদ্বিতীয়া,তুমি অপরাজিতা।🌺🌹
নারী : আমি কলংকিনি,আমি অভিশাপ।😔
ইসলাম : তুমি সদ্যজাত শিশুর মতোই নিষ্পাপ।❣️
নারী : আমি অবাধ্য স্ত্রী,আমি হৃদয়হীন নিষ্ঠুর প্রেমিকা।😔
ইসলাম : তুমি স্নেহময়ী বোন,মমতাময়ী মা।❣️
নারী : কে আমি?🙂
ইসলাম : তুমি নারী,তুমি মহিয়সী।❣️
"নারী" একমাত্র ধর্ম ইসলাম যেখানে নারীকে,
সর্বোচ্চ শ্রেষ্ঠ মর্যাদার স্থান দিয়েছেন।❣️❣️❣️
❣️🌸আলহামদুলিল্লাহ🌸❣️
মহান আল্লাহ তা'আলা সবাইকে সঠিক বুঝার তৌফিক দান করুন [আমীন]
একটি মেয়েকে প্রশ্ন করা
হয়েছিল,
বাজারের খোলা তেল ব্যবহার
করো..?
নাকি প্যাকেটের তেল ব্যবহার
করো..?
মেয়ে: খোলা তেল নিরাপদ নয়,
তাছাড়া এটা বাজে তেল
হিসেবেই
পরিচিত।
আর আধুনিক যুগে,
খোলা জিনিস পছন্দ কে করবে..?
তাছাড়া খোলা তেল সস্তা,
তাই প্যাকেটের তেল ব্যবহার
করি।
তারপর মেয়েটিকে বলা হল-
তাহলে তুমি এই রকম
খোলামেলা চলছ
কেন.?
একেবারে সস্তার মত,
আধুনিক ছেলেরাতো খোলা,
আর সস্তা জিনিস নিতে চায়না..
ওরা প্যাকেটের ভাল জিনিস
খোঁজে,
খোলা জিনিস কিনে বখাটে
বাজে
ছেলেরা..
তুমি দেখেশুনে সস্তা হচ্ছ কেন..?
মেয়েটি কথাগুলো শুনে চুপ হয়ে
গেল-
বিঃদ্র :- জ্ঞানী মেয়েদের জন্য
ইশারাই যথেষ্ট।
নারীর সৌন্দর্য পর্দায়, নগ্নতায়
নয়।
👉আযানের মধ্যে লুকিয়ে আছে অলৌকিক গনিতের খেলা।
🌸আল্লাহর কসম এই আযানের এই তথ্যগুলো পড়ার পর আপনি বাকরুদ্ধ হবেন আর আল্লাহর উপর আপনার ঈমান বৃদ্ধি পাবে 🌹ইনশাআল্লাহ🌹
🕋১। আযানের ১ম শব্দ হল আল্লাহ এবং শেষ শব্দ ও হল আল্লাহ। এর মানে আল্লাহই শুরু এবং আল্লহই শেষ।
🕋২। আযান শব্দটি পবিত্র কুরআনে সর্বমোট রয়েছে ৫ বার। আর আমাদের প্রতিদিন নামাজ ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করি।
🕋৩। আযানের মধ্যে সর্বমোট শব্দ হল ৫০ টি। আর আল্লাহ মিরাজের সময় হযরত মুহাম্মাদ (সঃ) কে সর্বপ্রথম ৫০ ওয়াক্ত ফরজ নামাজ দিয়েছিলেন। পরে তা কমিয়ে ৫ ওয়াক্ত করা হয়। আর সহীহ হাদিস বলে একজন ব্যাক্তি ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করলে আল্লাহ তাকে ৫০ ওয়াক্তের সাওয়াব দিবেন।
🕋৪। আযানের মধ্যে সর্বমোট ১৭ টি ভিন্ন অক্ষর রয়েছে। আর আমাদের প্রতিদিন ফরজ নামাজ হল ১৭ রাকাত। ফজর ২ + জোহর ৪ + আসর ৪ + মাগরিব ৩ + এশা ৪ মোট ১৭ রাকাত।
🕋৫। আযানের মধ্যে সবচেয়ে ব্যাবহৃত শব্দ হল ( আল্লাহ) আল্লাহ শব্দের আলিফ অক্ষরটি সম্পূর্ণ আযানে আছে মোট ৪৭ বার, লাম অক্ষরটি ৪৫ বার এবং হা অক্ষরটি ২০ বার। সুতরাং ৪৭+ ৪৫ + ২০ = ১১২। আর পবিত্র কুরআনের ১১২ নম্বর সূরা হল সূরা ইখলাস। যে সূরায় আল্লাহ নিজের পরিচয় দিয়েছেন।"
💦🤎সুব-হান-আল্লাহ🤎💦
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
BHOLA