19/08/2025
উর্মি গ্রুপ ভোলা টেক্সটাইল ইন্সটিটিউটের সঙ্গে শিল্প–শিক্ষা সংযোগ জোরদারে সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষর করেছে।
এই সহযোগিতার মূল লক্ষ্য রিসোর্স সেন্টার গঠন, শিল্পে সার্কুলারিটি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন, এবং শিক্ষার্থীদের জন্য ইন্টার্নশিপ ও শিল্প পরিদর্শনের সুযোগ সৃষ্টি। উদ্যোগটি জাতীয় উন্নয়ন লক্ষ্য ও বৈশ্বিক টেকসই মানদণ্ডের সাথে সামঞ্জস্য রেখে টেক্সটাইল খাতকে আরও দক্ষ ও পরিবেশবান্ধব করতে অবদান রাখবে।
30/09/2024
অধ্যক্ষ মহোদয়ের, বিদায় সংবর্ধনা, ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা।
10/03/2024
বার্ষিক ক্রিয়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ২০২৪ এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান।
06/10/2023
তুমি কি আমার নদী হবে🏞️❣️
যার জোয়ার ভাটাই ভেসে যাবো কোনো অজানা গন্তব্যে🥀💜
20/09/2023
বিশ্বমানের টেক্সটাইল শিল্পের কাতারে বাংলাদেশের টেক্সটাইল শিল্প ইতিমধ্যেই নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছে। যার ফলে এই শিল্পে প্রয়োজন দক্ষ প্রযুক্তিজ্ঞানসমৃদ্ধ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার। বাংলাদেশে চাকরির বাজারে যে কয়টি পেশার অসম্ভব চাহিদা রয়েছে তার মধ্যে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার অন্যতম। চাহিদার তুলনায় এই পেশাতে যোগ্য প্রার্থীর সংখ্যা বাংলাদেশে অনেকে কম। বাংলাদেশে যেখানে চাকরির পদসংখ্যার বিপরীতে চাকরি প্রার্থীর আধিক্য দেশের বেকার জনগোষ্ঠী বৃদ্ধির অন্যতম কারণ, তখন এই শিল্পে বিরাজ করছে সম্পূর্ণ ভিন্ন পরিবেশ। ক্রমবর্ধমান টেক্সটাইল শিল্পের দ্রুত বিকাশের কারণে এই শিল্পে চাকরির রয়েছে অবারিত সুযোগ। টেক্সটাইল শিল্পে দক্ষ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের চাহিদা এতোটাই বেশি যে, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করার পূর্বেই ছাত্রদের চাকরি হয়ে যায়। বাংলাদেশে খুব কম শিল্পেই চাকরি প্রার্থীর তুলনায় প্রতিষ্ঠানের চাকরির চাহিদা বেশি রয়েছে।
টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের কাজের মূল জায়গা হিসেবে দেশী-বিদেশী বিভিন্ন টেক্সটাইল শিল্প প্রতিষ্ঠানকেই বিবেচিত করা হয়। টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের বাংলাদেশে সরকারি-বেসরকারি দুটি ক্ষেত্রেই রয়েছে চাকরি বিশাল ক্ষেত্র। সরকারী বিভিন্ন টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রিতে কাজের সুযোগের পাশাপাশি বেসরকারি পর্যায়ে স্থাপিত টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রিতে কাজের রয়েছে অবারিত সুযোগ। সেই সাথে গার্মেন্টস শিল্পেও টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের রয়েছে ব্যপক চাহিদা। দেশী-বিদেশি বিভিন্ন বায়িং অফিসে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়াররা যথেষ্ট গুরুত্ব সহকারে কাজ করে চলেছে। তবে টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রিতে উৎপাদন কার্যক্রমের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত হয়ে কাজ করতে হয় তাদের। মূলত একজন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারকে যেকোন ছোট-বড় টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রির পণ্য উৎপাদন কার্যক্রমের প্রাণ হিসেবে বিবেচিত করা হয়।
বিভিন্ন কম্পোজিট শিল্প, স্পিনিং, উইভিং সহ গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠানে দক্ষ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়াররা কাজ করে থাকেন। সেই সাথে বিভিন্ন ব্যাংক এবং শিল্প ঋণ প্রদানকারী সংস্থা সমূহের শিল্পঋণ বিতরণ সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে চাকরির সুযোগ রয়েছে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের। শুধুমাত্র দেশের অভ্যন্তরেই তাদের জন্য রয়েছে বিশাল কাজের ক্ষেত্র। চাহিদার তুলনায় দেশে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের অপ্রতুলতার কারণে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানগুলো শেষ বর্ষে অধ্যায়নরত টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের চাকরি প্রদান করে থাকে।
ফলে এই বিষয়ে পড়ালেখা সম্পন্নকারী কোন ব্যক্তিকে বেকার বসে থাকতে হয় না। বরং একজন ছাত্র ছাত্রী শিক্ষাজীবন সমাপ্ত করার পূর্বেই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কর্তৃক চাকরিতে প্রবেশের আমন্ত্রণ জানানোর কারণে তাদের পছন্দমত বেতন এবং সুযোগসুবিধা দিতে সক্ষম প্রতিষ্ঠানকে নিজেই মনোনিত করে। অর্থাৎ বাংলাদেশে অন্যান্য চাকরির ক্ষেত্রে যখন চাকরির পদের বিপরীতে অসংখ্য তরুণ-তরুণী হন্যে হয়ে ছুটে চলেছে তখন টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রিতে একজন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের চাকরির আমন্ত্রণের মধ্য হতে নিজের পছন্দমত প্রতিষ্ঠান নিজেই নির্বাচিত করে থাকে।
SSC এরপর দ্রুত সময়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানিমুখী টেক্সটাইল শিল্পে নিশ্চিত ক্যারিয়ার গড়তে তোমার সিদ্ধান্ত হোক ৪ বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং!
15/03/2023
ডিপ্লোমা ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করার পর কি পদক্ষেপ নিবেন?
প্রতি বছর সরকারি ও বেসরকারি টেক্সটাইল ইন্সটিটিউট মিলিয়ে প্রায় কয়েক হাজার শিক্ষার্থী ডিপ্লোমা ইন টেক্সটাইল পাশ করেন। তাদের অনেকেই পর্যাপ্ত গাইডলাইনের অভাবে ভুগেন। গাইডলাইনের অভাবে অনেকে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতেও দ্বিধায় থাকেন। আজকের লেখাটি পড়লে সকল প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন। ডিপ্লোমা ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করার পর একজন শিক্ষার্থীর ৪ টি সুযোগ থাকে।
১. পড়াশোনা :
ডিপ্লোমা ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করার পর একাংশ শিক্ষার্থী দেশের সনামধন্য সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিএসসি করার জন্য ভর্তি পরীক্ষা দেওয়ার জন্য প্রিপারেশন নিয়ে থাকে। দেশের সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিএসসি করার আসল কারনগুলো যদি বলি?
i.ভার্সিটিতে না পড়তে পারলে জীবনের বড় অংশ অপূর্ন থেকে যায়। ভার্সিটির প্রতিটা ক্লাস,ফরমাল প্রোগ্রাম,ইভেন্ট,সেমিনার,রিসার্চ,আড্ডা একজন স্টুডেন্টকে ম্যাচুর করে।
ii.ক্যারিয়ারের অনেকগুলো পথ উন্মুক্ত হয়ে যায়। তার মধ্যে স্কলারশিপ নিয়ে বিদেশে যাওয়া,বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে জয়েন,বিসিএস,ব্যাংকে ডেডিকেটেড টেক্সটাইল অফিসার ইত্যাদি অন্যতম।
iii.পিএইচডি হোল্ডার ফ্যাকাল্টি,সমৃদ্ধ ল্যাব,সরকারের ভুর্তুকিতে নাম নাত্র খরচে পড়াশোনা করা,নামমাত্র খরচে হলে থাকা,হলে শত শত স্টুডেন্টদের সাথে থাকা,এছাড়াও ডিনস এওয়ার্স, UGC Merit Scholarship, Prime Minister Gold Medal, Convocation ইত্যাদি পেতে হলে তো পাবলিকে পড়তেই হয়।
এই সুযোগগুলো ভোগ করতে চাইলে আপনারা DUET, BTEC তে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারেন।
প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় : কেউ যদি ডিপ্লোমা পাশ করার পর সরকারিতে চান্স না পায় তাহলে দেশের সনামধন্য কিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসসি ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করতে পারেন। এবং পাশ করার পর জব অথবা বাইরে পড়াশোনার জন্য প্রস্তুতি নিতে পারেন৷
২.চাকরী :
সরকারি : ডিপ্লোমা ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করার পর সরকারি চাকরি নেই এটা ভুল ধারনা । ডিপ্লোমা প্রকৌশলীগন বিভিন্ন গবেষণা ইন্সটিটিউট, টেক্সটাইল ইন্সটিটিউট ও ইন্জিনিয়ারিং কলেজের ল্যাব সরকারি ও সহকারী ইন্সট্রাক্টর ইত্যাদি পদে চাকরির আবেদন করতে পারেন।
তবে হ্যা সরকারি চাকরীর সার্কুলার কম আসে। সেই ক্ষেত্রে বিএসসি করার পাশাপাশি বা জব করার পাশাপাশি এই সার্কুলারগুলোতে আবেদন ও পরীক্ষা দিতে পারেন।
বেসরকারি চাকরি :
ডিপ্লোমা পাশ করে টেক্সটাইল সেক্টরে চাকরী করতে পারেন যদি কারো আর পড়াশোনা করার ইচ্ছা না থাকে। চাকুরীর সুযোগ রয়েছে। কিন্তু আপনাকে পর্যাপ্ত স্কিলড হতে হবে৷ মনে রাখবেন স্কিলড মানুষের চাকুরীর অভাব হয় না এবং প্রমশনও তাড়াতাড়ি হয়।
৩. চাকরী + পড়াশোনা :
যদি কারো সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পড়াশোনা করার ইচ্ছা না থাকে এবং টেক্সটাইল সেক্টরে কেরিয়ার গড়ার স্বপ্ন থাকে তাহলে এটা তার জন্য বেস্ট অফশন। কারন হলো এই সেক্টরের সফলতার মূল কাঠি হলো পরিশ্রম ও অভিজ্ঞতা। যদি আপনি ডিপ্লোমা পাশ করার পর জবে ঢুকেন এবং পাশাপাশি বিএসসি পড়েন প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে তাহলে আপনি অন্যদের তুলনায় ৪ বছর এগিয়ে থাকবেন৷
কেউ যদি ডিপ্লোমা পাশ করে জবের পাশাপাশি পড়াশোনা না করে এবং ভবিষ্যতে টেক্সটাইলে কেরিয়ার গড়ার স্বপ্ন থাকে তাহলে সে পিছিয়ে থাকবে। এই সেক্টরে কিছু ক্ষেত্রে সার্টিফিকেটের চেয়ে অভিজ্ঞতা ও কাজের কাজের মূল্যায়ন বেশি। আমি নিজের চোখে অনেক সফল মানুষ দেখেছি যারা ডিপ্লোমা করে জব + পড়াশোনা করেছে৷ এবং তাদের সফলতার চাবিকাঠি এই অপশনেই হয়েছে। সুতরাং আবারো বলছি যারা ভবিষ্যতেও টেক্সটাইল সেক্টরে কেরিয়ার গড়তে চায় তারা জব + পড়াশোনা দুটাই চালু রাখুন।
৪. বিদেশে বিএসসি :
যারা MSc ও PhD করতে চায়৷ কিন্তু দেশের প্রথম সারির বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সুযোগ মেলেনি। তারা বিদেশে পাড়ি জমায়। স্কলারশিপ নিয়ে বিএসসি অনেকে করতেছে এখন। চায়নায় আমাদের দেশের ডিপ্লোমা ধারীদের অনেক সুযোগ রয়েছে। আমার ক্লোজ অনেক ভাই ডিপ্লোমা পাশা করে কম খরচে ও বিশ্বমানের শিক্ষা নিতে বাহিরে পাড়ি জমায়।
বাইরের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পড়ার অরেকটি কারন হলো টেকনিক্যাল নলেজ শেখা ও যথেষ্ট স্কিলড হওয়া৷ দেশের টেক্সটাইল সেক্টরেরও বাহিরের গ্রাজুয়েটদের দাম বেশি৷ নিজের চোখের দেখা এক ভাই চায়না থেকে MSc করে এসে ২ বছরে Country Incharge পর্যন্ত হয়ে গেছে।
উপরের প্রত্যেকটি পয়েন্টে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে৷ এখন এটা পড়ার পরে আপনারা নিজেই বুঝতে পারবেন আপনার কোন দিকে যাওয়া উচিৎ।
আমাকে এই আর্টিকেলটি লিখতে যারা সাহায্য করেছে তারা হলো :
Rasel Kaium
AGM, A Reputed Knit Composite Factory.
Tanvir Hossain
B.Sc in Textile Engineering (DUET)
Lecturer, BUBT
09/02/2023
ভোলা টেক্সটাইল ইন্সটিটিউট
চারটি বিভাগ.....
১.Wet processing
2.Yarn manufacturing
3.Appaerl manufacturing
4.Fashion design
এই বিভাগ গুলো সবই ভালো, কিন্তু এটা সর্বদা মনে রাখো
তুমি যে বিভাগ পেয়েছো এটা তোমার কাছে ভালো আর বন্ধু
যে বিভাগ পেয়েছে এটা তার কাছে ভালো।
আসলে তুমি যেটা পেয়েছো সেটা ভালোভাবে চেষ্টা করো ।
দুশ্চিন্তা করার দরকার নেই, ভালো ভাবে চেষ্টা করো সফল হবেই ইনশাআল্লাহ 🖤
পরিশ্রম করলে ব্যর্থ হবে না,
ধন্যবাদ সবাইকে
সকলে প্রতি দোয়া ও শুভকামনা রইলো
ভোলা টেক্সটাইল ইন্সটিটিউট।
08/02/2023
▪️নোবেল চালু-১৯০১
▪️ফিফা গঠিত-১৯০৪
▪️বঙ্গভঙ্গ-১৯০৫
▪️বঙ্গভঙ্গ রদ-১৯১১
▪️টাইটানিক ধংস-১৯১২
▪️রবীন্দ্রনাথের নোবেল লাভ-১৯১৩
▪️১ম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়-১৯১৪
▪️রুশ বিপ্লব-১৯১৭
▪️১ম বিশ্বযুদ্ধ শেষ-১৯১৯
▪️২য় ভার্সাই চুক্তি-১৯১৯
▪️ম্যাগনাকার্টা-১২১৫
▪️উত্তর আমেরিকা আবিস্কার-১৪৯২
▪️শিল্প বিপ্লব-১৭৬০
▪️আমেরিকা মুক্ত-১৭৭৬
▪️১ম ভার্সাই চুক্তি-১৭৮০
▪️ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ -১৮০০
▪️ট্রাফালগার যুদ্ধ-১৮০৫
▪️ওয়াটার লুর যুদ্ধ -১৮১৫
▪️দাশ প্রথার বিলোপ-১৮৬৩
▪️আব্রাহাম লিংকন মারা যান-১৮৬৫
▪️সুয়েজ খাল খনন-১৮৬৯
▪️ফরাসি বিপ্লব-১৭৮৯
▪️দুই জার্মানী একত্রিত হয়-১৯৯০
▪️শিমন পেরেজ+ইয়াসির আরাফাত নোবেল পান-১৯৯৩
▪️নেলসন ম্যান্ডেলা প্রেসিডেন্ট হন-১৯৯৪
▪️সিটি বিটি সই হয়-১৯৯৬
▪️সিটি বিটি অনুমোদন-২০০০
▪️জাতিসংঘ নোবেল পায়-২০০৭
▪️দঃ সুদান স্বাধীন হয়-২০১১
▪️এপিজে আঃ কালাম মারা যান-২০১৫
▪️মোঃ আলী মারা যান-২০১৬
▪️ফিডেল কাস্ত্রো মারা যায়-২৫ নভেম্বর,২০১৬
▪️ঢাবি স্থাপিত-১৯২১
▪️হিটলার জার্মান চ্যান্সলর হন-১৯৩৩
▪️২য় বিশ্বযুদ্ধ শুরু-১৯৩৯
▪️ছিয়াত্তরের মনবন্তর-১১৭৬ (বাংলা)
▪️২য় বিশ্বযুদ্ধ শেষ-১৯৪৫
▪️জাতিসংঘ-১৯৪৫
▪️দেশ বিভাগ-১৯৪৭
▪️আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ-১৯৪৮
▪️বিবিসি বাংলার যাত্রা-১৯৪৯
▪️এভারেস্ট বিজয়-১৯৫৩
▪️সুয়েজ খাল জাতীয়করন-১৯৫৬
▪️চাঁদে ১ম মানুষ যায়-১৯৬৯
▪️তাইওয়ান স্বাধীনতা হারায়-১৯৭১
▪️ইরানে ইসলামী বিপ্লব-১৯৭৯
▪️আঃ ছালাম ও মাদার তেরেসার নোবেল লাভ-১৯৭৯
▪️ফকল্যান্ড যুদ্ধ-১৯৮২