01/01/2025
আমার দুজন ছাত্র নতুন হিফয নিয়েছে (২৮/১২/২৪) ওদের জন্য দুয়া করবেন আল্লাহ যেন হক্কানি হাফেজ আলেম হিসেবে কবুল করে।
আমিন
🏛️ দারুল হিকমা কওমি মাদ্রাসা চাদপুরা বরিশাল সদর বরিশাল
একটি অলাভজনক ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটি ইসলামের নীতি নৈতিকতায় বিশ্বাসী।
01/01/2025
আমার দুজন ছাত্র নতুন হিফয নিয়েছে (২৮/১২/২৪) ওদের জন্য দুয়া করবেন আল্লাহ যেন হক্কানি হাফেজ আলেম হিসেবে কবুল করে।
আমিন
🏛️ দারুল হিকমা কওমি মাদ্রাসা চাদপুরা বরিশাল সদর বরিশাল
20/06/2024
অত্র মাদরাসার হিফাজখানা ভবনটি গত রেমাল ঘূর্ণিঝড়ে পড়ে যায়, সবাই সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিলে ভবনটি নতুন করে নির্মাণ করা যায়।
আমরা কি করি আর আমাদের কি করা উচিত - কি আশা করি আর কি পাই
-------------------------------------------------------------------------
আমরা যখন ছাত্র / ছাত্রী - আমরা চাই কি ভাবে যত কম লেখা-পড়া করে সর্বোচ্চ ভালো ফল পাওয়া যায়। এই জন্য আমরা স্যারের পিছনে সাজেশন এর জন্য ঘুর ঘুর করি। মোটামুটি একটা সাজেশন পেলে কিভাবে একটাকে আরো সংক্ষিপ্ত করা যায় উঠে পড়ে লেগে যাই। এর জন্য বন্ধুদের সাথে পরামর্শ করে কি ভাবে স্যারকে বুঝিয়ে পরীক্ষার আগেই প্রশ্নপত্র বের করা যায় তার পায়তারা করতে থাকি। প্রয়োজনে হাজার পাচেক টাকাও খরচ করি। আমরা কি একবারও ভেবে দেখেছি এই ভাবে লেখা-পড়া শেষ করার পর আমাদের ব্রেইন নামক থলিতে কতটুকু জ্ঞান জমা করতে পারলাম।
সবাই জানে মুহিববুল্লাহ (উদাহরণ স্বরূপ) ভালো ছাত্র। সব বিষয়এ এ+ পেয়েছে। মুহিববুল্লাহ ভালো ভাবেই জানে যে ইউনিভার্সিটি ভর্তি পরীক্ষায়, মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় কিংবা ইনজিনিয়াড়িং ভর্তি পরীক্ষায় টিকতে হলে যে জ্ঞান থাকা দরকার তা তার নেই, তবে চিন্তার কোনো কারণ নেই। বরাবর যেভাবে সে এ+ পেয়েছে , এখানেও সে সেইরকম কিছু একটা পথ বের করে ফেলবে। কারণ এই একটি কৌশল সে বিগত পাচ বছর খুব ভালো ভাবে প্রয়োগ করেছে এবং ফলও পেয়েছে দারুন। এলাকার লোক বলে ছেলেটার কি মেধাবী দেখছ ! লেখা-পড়ার তেমন খবর নাই, সারাদিন খেলা-ধুলা আর বন্ধুদের নিয়ে আড্ডা। তারপরও কিভাবে সে এ+ পেয়ে যাচ্ছে (আমি খুব কমই এ+ পেতাম, কারণ ঝোপ বুঝে কোপ মারতে পারতাম না, পরীক্ষায় কোনটা আসবে সেটা নিয়া কখনো ভাবিনাই, বরং প্রতিটা চাপ্টার ভালো ভাবে বুঝার চেষ্টা বেশি করেছিলাম। তাই ফলাফল তাত্ক্ষণিক না পেলেও আজ ১০ বত্সর পর আমি নিজেকে যতটা ভাগ্যবান মনে করছি, ততটা আমার ডাক্তার কিনবা ইনজিনিয়ার বন্ধুটি নয়)?
মিথ্যা খ্যাতির যে কি বিরম্বনা হয় তা বোধ হয় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর "উকিল দুকরি" নাটকের মত এত সুন্দর করে আর কেউ বলছে কি না আমার জানা নাই। অথচ আমরা কি মন্ত্রী, কি শিক্ষক আর কি শিক্ষার্থী, সর্ব ক্ষেত্রেই যত কম কাজ করে যত বেশি প্রচার করা যায় বেস্ত হয়ে যাই, এতে করে আমরা আমাদেরকেই যে জ্যান্ত মূর্তি বানাচ্ছি সে দিকে কোনো খেয়াল নাই।
"সহজ" শব্দটা যতটা সহজ মনে হয় অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এর ফলাফল ঠিক এর উল্টো হয় অর্থাত "কঠিন" হয় এবং আপনি একটা সহজ পথ অবলম্বন করে ইতিমধ্যে একটা কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে যাচ্ছেন অথবা পড়েছেন, এটা উপলব্ধি করতে অনকে সময় লেগে যায়। এই "সহজ" শব্দটা "কঠিন" শব্দে রুপান্তরিত হওয়ার প্রধান কারণ হল সবাই একই কাজ, একত্রে, একই নিয়মে সহজে করতে চায় এবং তা প্রতিযোগিতার সাথে করতে চায়। ঠিক তখনই "কঠিন" নামক শব্দটা হাসতে হাসতে এসে সামনে হাজির হয়। একটা ভালো উদাহরণ দিলে বিষয়টা আরো পরিষ্কার হয়।
একটা সময় ছিল যখন মানুষ একটা গাড়ির জন্য ঘন্টার পর ঘন্টা দাড়িয়ে থাকত। যাদের যথেষ্ট টাকা পয়সা আছে তারা ভাবলো এইভাবে আর চলা যায় না। একটা প্রাইভেট গাড়ি দরকার। যেই ভাবা সেই কাজ - একটা গাড়ি কিনে ফেলল। এখন সে খুব সহজেই মাত্র কয়েক মিনিটে যেকোনো জায়গায় চলে যায়। এখন জীবনটা কত সহজ মনে হয়। তাদের এই সহজ যাতায়েত দেখে অনকেই এই সহজ পদ্ধতি অর্থাত গাড়ি কেনা শুরু করলো। যারা গাড়ি বিক্রি করে তারা প্রচুর গাড়ি আমদানি করে সহজে ধনী হওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠলো। ৩০-৬০ লক্ষ্য টাকার গাড়ি সবার পক্ষে কেনা সম্ভব নয়। তাই তারা গ্রাহকদের জন্য সহজ পন্থা বাতলে দিল। ব্যাঙ্ক লোন নিতে হবে। ২০,০০০ টাকা বা তার বেশি বেতন দেখাতে পারলে কিস্তিতে গাড়ি পওয়া যাবে। এতে করে ব্যাংকও সহজে অনেক টাকা কামাইতে পারে। সরকার, ব্যাঙ্ক এবং গাড়ি বিক্রেতারা গাড়ি কেনার বিষয়টা এত সহজ করে দিল যে এর পরও যদি কেউ আমার মত গাড়ি কিনতে না পারে তাহলে সে হয় ফকির, না হয় কিপ্টা, আর না হয় সে অসামাজিক। তাই সামাজিক মর্যাদা রক্ষার্থে আমরা গাড়ি কিনছি। কতটা প্রয়োজন তা মোটেই ভাবছি না। তাই সবাই একটা কথা সহজে মেনে নিয়েছে আর তা হলো যত বেশি গাড়ি তত বেশি মর্যাদা। গাড়ির চাপে বর্তমানে আমরা যে সুবিধা ও অসুবিধা দেখছি আর ভোগ করছি আজ একটু খতিয়ে দেখা দরকার :
- যেখানে হেটে গেলে সময় লাগে ৫ মিনিট, সেখানে গাড়িতে গেলে লাগে ৩০ মিনিট।
- যে রুগীর বাসা থেকে হাসপাতালে গিয়ে চিকিত্সা নিয়ে ১ ঘন্টার মধ্যে বাসায় ফেরার কথা, সে রাস্তাতেই মারা যাচ্ছে।
- ফায়ার সার্ভিসের দল যখন আধা ঘন্টার মধ্যে প্রায় অক্ষত অবস্থায় ভবনের আগুন নিয়ন্ত্রণ করার কথা, আশেপাশের কিংবা গোটা এলাকা ধংশ হওয়ার আগ পর্যন্ত পৌছতে পারা না।
- কাজ সেরে ১ ঘন্টার মধ্যে বাসায় থাকার কথা, সারাদিন লেগে যায়, সাথে খরচ বেড়ে যায়।
- ১ লক্ষ্য গাড়ি জ্যামে আটকে থেকে ১ লক্ষ্য লিটার গ্যাস, তেল পুরে ফেলছে প্রতি ঘন্টায় অথচ কোনো ফল নেই
- সুস্থ মানুষ দ্রুত অসুস্থ হচ্ছে আর অসুস্থ মানুষ হার্ট এটাক, ব্রেন স্টক এ দ্রুত মারা যাচ্ছে
- যেখানে এক গাড়ি ছাড়া আপনি কত স্বাধীন ছিলেন, এখন পরাধীন হয়ে (গাড়ি, ড্রাইভার) চিন্তাযুক্ত জীবন যাপন করছেন
- গাড়িতে গ্যাস অপচয় এর ফলে বাসা-বাড়িতে গ্যাস থাকে না, দিনে দিনে দাম বাড়ছে।
- জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ার ফলে উত্পাদন খরচ বেড়ে যায়, আর আমরা বেশি দাম দিয়ে পণ্য ক্রয় করি
এইভাবে তালিকা তৈরী করলে আরো অনেক বড় করা যাবে। আমার তালিকা করার মূল উদ্দেশ্য না। আপনি আপনার যাতায়েত বব্যবস্থাকে যত সহজ করেছিলেন, গুটিকয়েক স্বার্থ সন্ধানী লোক আপনাকে গাড়ি কেনার জন্য যে সহজ পথ বাতলে দিয়েছিল, এখন আপনি নিজেই ভাবুন আপনার এই সহজ ব্যক্তি স্বার্থ আজ জাতীয় স্বার্থকে কতটা ক্ষতিগ্রস্থ করেছে। অথচ আপনিও সুখী নাই। এখন এই সর্ব লোকের বাক্তি স্বার্থের "সহজ" শব্দটা আজ বরই "কঠিন" শব্দে পরিনত হয়েছে। যে ব্যাঙ্ক, যে গাড়ি বিক্রেতা, যে মন্ত্রী, যে বিজ্ঞাপন দাতা, যে অভিনয় শিল্পী, যে মিডিয়া আপনার কাছে একটা গাড়ি বিক্রি করে সহজে ধনী হয়েছেন, তারাও কিন্তু প্রতিদিন এই কঠিন সমস্যাগুলোর সম্মুখীন হচ্ছেন। (মুহিব্বুল্লাহ)
একদিন এক কৃষকের গাধা একটা গর্তে পড়ে গেল। প্রানীটি কয়েক ঘণ্টা ধরে চিৎকার করতে লাগল এবং তাঁর মালিকও চিন্তা করল তাকে কি করা যায়। অবশেষে তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন গাধাটির অনেক বয়স হয়েছে, তাই এটা মোটেই খারাপ হবে না যদি তাকে মাটি দিয়ে সম্পূর্ণ ঢেকে মেরে ফেলা হয়।
তিনি তার প্রতিবেশীদের আমন্ত্রণ জানালো তাকে সাহায্য করার জন্য। তারা সবাই একটি করে বেলচা নিল এবং ওই গর্তে মাটি ফেলতে লাগলো। প্রথমে গাধাটি বুঝল যে তাকে ভয়ঙ্করভাবে মেরে ফেলা হচ্ছে গাধাটি আরও বেশী চিৎকার করতে লাগলো।
গর্তে কিছু মাটি ফেলার পর, কৃষক শেষ বারের মতো গর্তের দিকে দেখল, তিনি বিস্মিত হয়ে গেল গর্তে যা দেখল। গর্তে যত বার বেলচা থেকে মাটি পরতে লাগলো, গাধাটা তা দেহ থেকে মাটি গুলো ঝেড়ে সে ঐ মাটির উপর তার পা গুলো রাখতে লাগলো। কৃষকের প্রতিবেশীরা অবিরাম ভাবে বেলচা দিয়ে মাটি ফেলতে লাগলো এবং প্রানীটি একইভাবে তার দেহ থেকে মাটি গুলো ঝেড়ে সে ঐ মাটির উপর তার পা গুলো রাখতে লাগলো। একসময় দেখা গেল গাধাটা ঠিক গর্তের উপরে উঠে আসল এবং তার জীবনটা ফিরে পেল।
শিক্ষাঃ এই গাধাটার মতই প্রতিনিয়ত ময়লা এসে আমাদের জীবনে পরছে। জীবনকে যদি সুন্দর করতে চান ঐ ময়লা গুলো জীবন থেকে ঝেড়ে ফেলে উপরের দিকে যান। জীবনের প্রতিটি সমস্যা এক একটি মাটি ভরা বেলচার মতো, আমরা সমস্যার চাপে হারিয়ে যেতে পারি যদি না সেগুলো ঠেলে তার উপর দাঁড়াতে না পারি।
[আমাদের পোস্ট গুলো ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না,এতে তারাও অনেক উপকৃত হবে।]
(সংগৃহীত)
08/08/2015
কিছু হারানোর ব্যাথা সেই বোঝে, যা তার নেই...।
08/08/2015
অযুর নিয়মটা ভালোভাবে জেনে নেয়া জরুরী...।
পড়েছি - মিথ্যা বলা মহা পাপ।
দেখেছি - সত্য পাগলের প্রভাব।
পড়েছি - সকল মানুষ ভাই ভাই।
দেখেছি - দুঃসময়ে আমি নাই।
পড়েছি - সবুরে মেওয়া ফলে।
দেখেছি - মেওয়া আসে টাকার
বলে।
পড়েছি - মানুষ মানুষের জন্য।
দেখেছি - মানুষ মানুষকে করে শুন্য।
পড়েছি - উপকার করলে উপকার
পাবে।
দেখেছি - উপকার করলে নিশ্চিত
বাঁশ খাবে।
পড়েছি - আইন সবার জন্য সমান।
দেখিছি - আইনবাজ'রাই করে আইনের
অপমান।
------তাশাহুদ ও আকায়েদ-----
আত্তাহিয়্যাতু লিল্লাহি, ওয়াস
সালাওয়াতু, ওয়াত- তাইয়্যিবাতু, আস
সালামু আলাইকা, আইয়্যুহান নাবিয়্যু,
ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ, আস
সালামু আলাইনা,
ওয়া আলা ইবাদিল্লাহিস-সালিহীন।
আশহাদু আল-লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু,
ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু
ওয়া রাসূলুহু।
*
অর্থ : আমাদের সকল সালাম শ্রদ্ধা,
আমাদের সব নামায এবং সকল প্রকার
পবিত্রতা একমাত্র আল্লাহর উদ্দেশ্যে।
হে নবী, আপনার প্রতি সালাম, আপনার
উপর আল্লাহর রহমত এবং অনুগ্রহ বর্ষিত
হউক। আমাদের এবং আল্লাহর সকল নেক
বান্দাদের উপর আল্লাহ্র রহমত এবং অনুগ্রহ
বর্ষিত হউক। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে,
আল্লাহ ছাড়া (ইবাদাতের যোগ্য) আর
কেউ নেই, আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে,
হযরত মুহাম্মাদ সা. আল্লাহর
বান্দা এবং রাসূল।
----------------------------------
তাশাহুদে একটা গুরুতব বিসয়
আছে তা আমি তুলে দরছি – তা হচ্ছে ,
এই তাশাহুম হচ্ছে আল্লাহ্ এবং রসুলের
(স) সরাসরি কথোপকথন দেখুন
লাইন ১- নবী (স) বলছেন ঃ- :
আমাদের সকল সালাম শ্রদ্ধা, আমাদের সব
নামায এবং সকল প্রকার
পবিত্রতা একমাত্র আল্লাহর উদ্দেশ্যে।
লাইন ২- আল্লাহ্ উত্তরে বলছেন ঃ-
হে নবী, আপনার প্রতি সালাম, আপনার
উপর আল্লাহর রহমত এবং অনুগ্রহ বর্ষিত
হউক।
লাইন ৩- নবী (স) বলছেন ঃ- :
আমাদের এবং আল্লাহর সকল নেক
বান্দাদের উপর আল্লাহ্র রহমত এবং অনুগ্রহ
বর্ষিত হউক।
লাইন ৪- নবী (স) আরও বলছেন ঃ-হউক।
আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ
ছাড়া (ইবাদাতের যোগ্য) আর কেউ নেই,
লাইন ৫- নবী (স) আরও বলছেন ঃ-
আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, (হযরত)
মুহাম্মাদ (সা.) আল্লাহর
বান্দা এবং রাসূল।
**--নোট বা আলোচনা--**
---- এখানে দুটো গুরুত্ব পূর্ণ
বিসয়ে আমি সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করব
১। “আমাদের প্রাতি সালাম” –
এখানে দেখা যাচ্ছে প্রথমে নবী(স)
আল্লাহ্ কে সালাম ও শ্রদ্ধা জানালেন,
তার পর আল্লাহ্ উত্তর দিলেন “হে নবী,
আপনার প্রতি সালাম,” – তার
জওয়াবে নবী (স) বললেন “আমাদের
প্রতি সালাম” --- এখানে নবী (স)
বললেন কেবল মাই না “আমাদের”
প্রাতি সালাম, এই আমাদের অর্থ হল
“আমারা পাচ জন, পাক পাঞ্জাতন,
আহ্লে বায়াত” – তার পর ই আন্যান্য সকল
নেক বন্দাদের প্রাতি সালামের
কথা বললেন। ----- তাই বলতে হয়
এটা গুরুত্ব পূর্ণ বিসয় যে, যখনি কেহ
আমাদের নবী (স) কে সালাম
জানাবে তখন ই তার সাথে তার
আহ্লে বায়াত দের কেও সালাম
জানাইতে হয় – এটার গুরুত্ব, এই তাশাহুদ
থেকেই বুজা যায়, এটা নবী(স) এর
আহ্লে বায়াতের একটা বিরাট মরতবা, এই
মর্তবা আর কোন সাহাবি পান নাই,
প্রতি নামাজে রাসুল(স) কে তার
আহলে বায়েত সালাম দিতে হয়,
নতুবা নামাজ হয় না, এই ধরনের মর্তবা আর
কোন সাহাবিদের কে দোয়া হয় নাই। --
তার পর দেখুন তাশাহুদ এর পর
দুরুদে ইব্রাহিম পরতে হয়,
দুরুদে ইব্রাহিমে, হাজ্রাত ইব্রাহিম ও
তার আহাল এর উপর সালাম –
এখানে হাজ্রাত ইব্রাহিম এর আহাল এর
মধ্যে আমাদের নবী (স) পরতেছেন –
আবার মুহাম্মাদের (স) এর আহাল এর
মধ্যে আলী, ফাতিমা, হাসান হুসাইন
পরতেছেন কেজেই এদের নামের
পরে “আলাইহিস সালাম” বলতে হয়,
“রাদিয়াল্লাহু” বলা ঠিক নয়। --- এমন ও
মুসল্মান আছেন যারা নামাজের পরে দুরুদ
ও পরেন না। কিন্তু তারা চিন্তা করেন
না যে তাশাহুদেও ত একই নির্দেশ,
যা তারা অমান্য করতেছেন।
২। “সাক্ষি”
একানে আনুবাদ টা “সাক্ষ্য” হবে না,
আসলে হবে “সাক্ষি”। -- কারন “সাক্ষ্য”
মানে হচ্ছে evidence মানে প্রামান,
যা দলিল দিয়ে প্রামান হতে পারে, অন্য
ভাবে প্রামান হতে পারে, পরক্ষ
ভাবে প্রামান হতে পারে। কিন্তু
অপরদিকে “আমি সাক্ষী” বলতে বুজায়,
আমি নিজ চোখে দেখেছি। ---
এখানে এই তাশহুদ টা হচ্ছে রসুল (স)
মেরাজে আল্লাহর সাথে কথা বারতা,
রাসুল (স) আল্লাহর সামনে উপস্থিত
থেকে মুখা মুখি দুই ধনুর পরিমান
কাছে থেকে কথা বার্তা—তাই
এখানে রাসুল যখন “সাক্ষি” দিচ্ছেন
আল্লাহর একত্ব বাদের, তখন
তিনি আল্লাহকে নিজ চোখে দেখেই
“সাক্ষি” দিচ্ছেন --- কাজেই নামাজে ও
সকলের জন্য ফরজ হয়ে যায় আল্লাহ্ ,
কে দেখে “সাক্ষি” দেওয়া। এই জন্য ই ত
নামাজ মুমিনের জন্য মেরাজ। -- তার পর
নবী (স) আরও “সাক্ষি” দিচ্ছেন
যে “মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসুল” – এখন
দেখুন নামাজি দেরকে এটা ও ত
“সাক্ষি” দিতে হবে যে “মুহাম্মাদ
আল্লাহর রাসুল” – আল্লাহকে ত
দেখতে হবেই এবং মুহাম্মাদ কে ওত
আল্লাহর সাথে রাসুল
হিসেবে দেখতে হবে --- অথচ
মুসল্মানরা আকায়েদ
বানায়ে রেখেছে যে আল্লাহ্
কে দেখা যাওয়ার নয় –
তাহলে যে কি ভাবে “সাক্ষী”
দিবে তা আমার বুজে আসে না।