ড. ইউনূসকে বলতো সুদি ইউনূস! পশ্চিমাদের দালাল ইউনূস, ইসলাম বিদ্বেষী ইউনূস! হাসিনা নামটা পর্যন্ত নিতো না।
দেশের মোল্লা- মুন্সিরা পর্যন্ত বাজে ভাষায় গালাগালি করছে!
অথচ সেই ইউনূস দেখিয়ে গেছে মোল্লাদের কিভাবে সম্মান করতে হয়।
ইমামের বেতন করছে ৬ গ্রেডে!
যেখানে একজন বিসিএস ক্যাডারের বেতন ৯ ম গ্রেড
মুয়াজ্জিনের বেতন করছে ৯ ম গ্রেড যেটা নব্য বিসিএস ক্যাডারের সামান।
শুধু বেতন বাড়িয়ে সম্মান করে নাই, দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো নির্বাচনের পর্যবেক্ষক হচ্ছেন ইমাম খতিবরা!
কি বুঝলেন?
ইতিহাসের প্রথম এই জমিনে ইমাম, মুয়াজ্জিনদের সম্মান ফিরিয়ে দিলেন!
ইমাম মানে নেতা, সুদী ইউনূস সেই প্রকৃত নেতা বানিয়ে দিয়ে গেলেন।
এখন আর সরকারি কর্মকর্তারা চাইলেই ইমামদের ভয় দেখিয়ে কথা বলা বন্ধ করে রাখতে পারবে না।
চাইলেই কেউ মাহফিলে বাধা দিতে পারবে না।
কারণ সেই ক্ষমতা ইউনূস মোল্লাদের দিয়া গেছে।
চাইলেই হাসিনার মতো শাপলা কিলিং করতে পারবে না। কারণ ইমামরা এখন বাধা দেয়ার ক্ষমতা আছে।সিনা টান টান করে কথা বলতে পারবে।
শুনেন, হাসিনা ইউনূসকে সুদী, ভিলেন, ব্যাংক খেকো বানিয়ে রাখতো।
যেন হাসিনারে কাউন্টার দিতে না পারে। হাসিনার ভুল আঙ্গুল দিয়া দেখাইতে না পারে। কারণ হাসিনা জানতো ইউনূসের মতো ক্ষমতাবান বাংলাদেশে দ্বিতীয় কেউ নাই।
সে জানতো ,ইউনূসের মতো লোক আসলে হাসিনা নাই হয়ে যাবে।
বিদেশি কোন সমর্থন কিংবা সহযোগিতা পাবে না।
তাই ড. ইউনূসকে মামলা দিয়ে দমিয়ে রাখছে।
বার বার বলি এবারও বলি,
হুজুগে হয়েন না! চিলে কান নিয়া গেছে কান হাত না দিয়া চিলের পিছনে দৌড়ায়েন।
নিজের কানে আগে হাত দিয়েন।
এদেশে রাজনীতিবিদরা সবচেয়ে বেশি গেইম খেলে মোল্লা কার্ড! আর সেই ফাঁদে মোল্লারা সহজেই পড়ে যায়।
শেষ পর্যন্ত রাজনীতিবিদরা জয়ী হয়, মোল্লারা অপমাণিত হয়।
নেতারা মোল্লাদের মধ্যে কামড়াকামড়ি লাগিয়ে রাখে।
উগ্রবাদী আচরণ করতে বাধ্য করে।
আর সেই সুযোগটা কাজে লাগিয়ে নেতারা জঙ্গি গেইম খেলে।
এবার সেই সুযোগটা আর দিয়েন না।
সত্য মিথ্যা পার্থক্য করার সক্ষমতা অর্জন করেন, প্রকৃত পক্ষে কে বা কারা দেশের সম্পদ আগে ভাবেন!
মুর্খদের ন্যারেটিভে হুজুগের মতো লাফালাফি কইরেন না!
Anisur Rahman এর লেখা।
Focus On Bright Future. FBF
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Focus On Bright Future. FBF, Education Website, College Road, Barishal.
"Focus on Bright Future" একটি ক্যারিয়ার ভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম, যা শিক্ষার্থী ও তরুণদের জন্য দিকনির্দেশনা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং উজ্জ্বল ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যেতে অনুপ্রেরণামূলক পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করে।
গণভোটে “হ্যাঁ” ভোটের পক্ষে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সমর্থন কেন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক চর্চার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ
সাম্প্রতিক সময়ে কিছু মন্তব্যে বলা হয়েছে, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার বিষয়ে জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫ বাস্তবায়নের ওপর আসন্ন গণভোটে “হ্যাঁ”ভোটের পক্ষে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের প্রকাশ্য সমর্থন একটি অন্তর্বর্তী প্রশাসনের নিরপেক্ষতার সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ হতে পারে। এই উদ্বেগ আলোচনার যোগ্য হলেও, বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা, অন্তর্বর্তী সরকারের ম্যান্ডেট এবং আন্তর্জাতিক গণতান্ত্রিক চর্চার আলোকে মূল্যায়ন করলে এ ধরনের সমালোচনার ভিত্তি নেই।
বাংলাদেশের এই সংকটময় সময়ে নীরবতা নিরপেক্ষতার প্রতীক নয়; বরং তা দায়িত্বশীল নেতৃত্বের অভাবই ফুটিয়ে তোলে।
১. অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ম্যান্ডেট সংস্কার, আনুষ্ঠানিকতা নয়
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার শুধু দৈনন্দিন রাষ্ট্র পরিচালনা বা নিরপেক্ষ নির্বাচন তত্ত্বাবধানের জন্য গঠিত হয়নি। এটি দীর্ঘদিনের অপশাসনের ফলে সৃষ্ট শাসনতান্ত্রিক সংকট, জনঅনাস্থা এবং প্রাতিষ্ঠানিক চরম দুর্বলতার প্রেক্ষাপটে সৃষ্ট গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে গঠিত সরকার। স্থানীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিষ্ঠিত যে এই সরকারের মূল দায়িত্ব হলো রাষ্ট্রকে স্থিতিশীল করা, গণতান্ত্রিক বিশ্বাসযোগ্যতা পুনরুদ্ধার করা এবং নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের আগে প্রয়োজনীয় সংস্কারের একটি গ্রহণযোগ্য কাঠামো তৈরি করা।
প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে প্রফেসর ইউনূস গত আঠারো মাসে রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজ, পেশাজীবী ও তরুণদের সঙ্গে ব্যাপক পরামর্শের মাধ্যমে যে সংস্কার প্রস্তাব তৈরি করেছেন, বর্তমান সংস্কার প্যাকেজ তারই ফল। তাই এই সংস্কারের পক্ষে অবস্থান না নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া অন্তর্বর্তী সরকারের মূল উদ্দেশ্যকে ভুলভাবে বোঝার শামিল।
যে অন্তর্বর্তী সরকার সংস্কারের দায়িত্ব নিয়ে গঠিত, গণতান্ত্রিক সিদ্ধান্তের মুহূর্তে সেই সংস্কার থেকে সেই সরকার নিজেকে দূরে রাখবে—এমন প্রত্যাশা বাস্তবসম্মত নয়।
২. সুপরামর্শ গণতান্ত্রিক পছন্দের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ
অন্তর্বর্তীকালীন হোক বা নির্বাচিত হোক আন্তর্জাতিক গণতান্ত্রিক চর্চায় সরকার প্রধানদের গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক বা প্রাতিষ্ঠানিক পরিবর্তন নিয়ে নীরব থাকার বাধ্যবাধকতা নেই। বরং গণতন্ত্রে প্রত্যাশা করা হয় যে নেতারা জাতীয় স্বার্থে প্রয়োজনীয় নীতি ও সংস্কারের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরবেন এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জনগণের ওপর ছেড়ে দেবেন।
অন্যান্য অনেক দেশের মতো বাংলাদেশেও গণভোট কোনো টেকনোক্র্যাটিক প্রক্রিয়া নয়। এটি সরাসরি জনগণের মতামত জানার মাধ্যম। সরকারের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা যখন স্পষ্টভাবে তাঁদের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন, তখন ভোটারদের সিদ্ধান্ত আরও তথ্যভিত্তিক ও অর্থবহ হয়।
গণতান্ত্রিক বৈধতার মূল প্রশ্ন হলো নেতারা অবস্থান নিলেন কি না, তা নয়; বরং—
ভোটাররা সেই অবস্থান প্রত্যাখ্যান করতে স্বাধীন কি না
বিরোধী পক্ষ প্রকাশ্যে প্রচারণা চালাতে পারছে কি না
পুরো প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্য কি না
এই সব শর্ত বর্তমান প্রেক্ষাপটে অক্ষুণ্ণ রয়েছে।
৩. এই মুহূর্তে বাংলাদেশের জন্য নেতৃত্ব অপরিহার্য
বাংলাদেশের সংস্কার গণভোট কোনো বিমূর্ত নীতিগত প্রশ্ন নয়; এটি দীর্ঘদিনের শাসনব্যর্থতার জবাব—যা বছরের পর বছর নাগরিক সমাজ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে উদ্বিগ্ন রেখেছে, প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুর্বল করেছে, প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন নির্বাচন এবং তত্ত্বাবধানকারী সংস্থার রাজনীতিকরণের মাধ্যমে দেশকে সংকটে ফেলেছে।
এই বাস্তবতায় সংস্কারের পক্ষে প্রধান উপদেষ্টার অবস্থান ধারাবাহিকতা ও জবাবদিহিতারই প্রকাশ। যিনি নিজে সংস্কারের সমস্যা চিহ্নিত করেছেন এবং সমাধানে ঐকমত্য তৈরির নেতৃত্ব দিয়েছেন, তাঁর জন্য এখন নীরব থাকা হবে অসংগত ও দায়িত্বহীন।
যে অন্তর্বর্তী নেতৃত্বের বৈধতা সংস্কার থেকে আসে, তাদের পক্ষে সংস্কারের পক্ষে কথা বলা পক্ষপাত নয়; বরং তা তাদের প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্ব।
৪. আন্তর্জাতিক নজির এই পদ্ধতিকে সমর্থন করে
এই ক্ষেত্রে বাংলাদেশ কোনো ব্যতিক্রম নয়। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় স্বীকার করবে যে বিশ্বজুড়ে বহু দেশে সরকারপ্রধানরা—ইউরোপ, এশিয়া বা অন্য যে কোনো অঞ্চলে—গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় পরিবর্তনসংক্রান্ত গণভোটে প্রকাশ্যে পক্ষে বা বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। এসব ঘটনাকে গণতান্ত্রিক রীতির লঙ্ঘন হিসেবে নয়, বরং দায়িত্বশীল রাজনৈতিক নেতৃত্বের স্বাভাবিক প্রকাশ হিসেবেই দেখা হয়।
আধুনিক ইতিহাসে এর বহু উদাহরণ রয়েছে:
যুক্তরাজ্য (২০১৬): প্রেসিডেন্ট ডেভিড ক্যামেরন ব্রেক্সিট গণভোটে “থাকুন” ভোটের পক্ষে সক্রিয়ভাবে প্রচারণা চালান এবং ইইউ সদস্যপদ বজায় রাখাকে জাতীয় স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ বলে তুলে ধরেন।
স্কটল্যান্ড (২০১৪): ফার্স্ট মিনিস্টার অ্যালেক্স স্যালমন্ড “ইয়েস স্কটল্যান্ড”প্রচারণায় ছিলেন প্রধান মুখ এবং গণভোটকে দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের গণতান্ত্রিক সুযোগ হিসেবে উপস্থাপন করেন।
তুরস্ক (২০১৭): প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোয়ান নির্বাহী ক্ষমতা বাড়ানোর সাংবিধানিক সংশোধনের পক্ষে দেশব্যাপী প্রচারণা চালান।
কিরগিজস্তান (২০১৬): প্রেসিডেন্ট আলমাজবেক আতামবায়েভ সংসদীয় ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে সাংবিধানিক সংস্কারের পক্ষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
ফ্রান্স (১৯৬২): প্রেসিডেন্ট শার্ল দ্য গল রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পদ্ধতি পরিবর্তনের জন্য গণভোটের পক্ষে সরাসরি জনগণের সমর্থন চান, সংসদীয় বিরোধিতা উপেক্ষা করে।
এই সব ক্ষেত্রেই বর্তমান সরকারপ্রধানদের সমর্থনকে অগণতান্ত্রিক বলা হয়নি। বরং এটিকে রাজনৈতিক জবাবদিহিতার প্রকাশ হিসেবে দেখা হয়েছে—নেতারা যা সঠিক মনে করেন তার পক্ষে কথা বলেন এবং শেষ পর্যন্ত জনগণের সিদ্ধান্ত মেনে নেন।
গণভোটের বৈধতা নেতাদের নীরবতার ওপর নির্ভর করে না; এটি নির্ভর করে ভোটারদের স্বাধীনভাবে পক্ষে বা বিপক্ষে মত দেওয়ার সুযোগের ওপর।
বাংলাদেশের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য হলো, গণভোটের ফলাফলের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো নির্বাচনী স্বার্থ জড়িত নেই। প্রফেসর ইউনূস ও তাঁর উপদেষ্টারা ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করা, ব্যক্তিগত রাজনৈতিক লাভ বা দলীয় সুবিধা চান না। তাঁদের দায়িত্ব স্পষ্টভাবে সময়সীমাবদ্ধ ও অন্তর্বর্তী।
একবার সংস্কার গৃহীত বা প্রত্যাখ্যাত হলে তার বাস্তবায়ন বা পরিণতি বহন করবে নির্বাচিত সরকার। ফলে অযথা প্রভাব বিস্তারের ঝুঁকি খুবই সীমিত, এবং এই সমর্থনের সৎ উদ্দেশ্য স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়।
৫. সরকারি প্রচারণা মানেই জোরজবরদস্তি নয়
জেলা পর্যায়ে প্রচারণা চালানো নিয়ে যে উদ্বেগ রয়েছে, তা প্রেক্ষাপটসহ বিবেচনা করা প্রয়োজন। জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে পরিচালিত কার্যক্রমের মূল উদ্দেশ্য হলো সংস্কারের বিষয়বস্তু ও গুরুত্ব জনগণের কাছে স্পষ্ট করা, বিশেষ করে যেখানে ভুল তথ্য ও বিভ্রান্তি সচেতন অংশগ্রহণকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।
ক্রান্তিকালীন সময়ে এ ধরনের সরকারি সম্পৃক্ততা স্বাভাবিক এবং এটিকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অতিরিক্ত বা অনৈতিক প্রচারণা বলা যায় না। জন পরিসরে থাকা আলোচনায় সরকারের উপস্থিতি বিরোধী মত দমন করে না; বরং নিশ্চিত করে যে নাগরিকরা বুঝেশুনে সংস্কার বিষয়ে মতামত দিতে পারেন।
৬. উপসংহার: নীতিগত লঙ্ঘন নয়, গণতান্ত্রিক দায়িত্ব
এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় ঝুঁকি সমর্থনে নয়, বরং দ্বিধা ও নীরবতায়। যে সংস্কারের জন্য অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নিয়েছে, তা সমর্থন না করলে জনগণের আস্থা ক্ষুণ্ন হবে, ভোটাররা বিভ্রান্ত হবে এবং পরিবর্তনের ধারাবাহিকতা নষ্ট হবে।
“হ্যাঁ” ভোটের পক্ষে প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের অবস্থান সামঞ্জস্যপূর্ণ কারণ—
অন্তর্বর্তী সরকারের রয়েছে সংস্কারমূলক ম্যান্ডেটে
প্রাতিষ্ঠানিক পুনর্গঠনের জরুরি প্রয়োজনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ
প্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিক গণতান্ত্রিক চর্চার সঙ্গে সামঞ্জস্যতা
ভোটারদের প্রতি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার নীতি
শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের জনগণেরই। এটাই গণতন্ত্রের নিশ্চয়তা। নেতৃত্ব সেই সিদ্ধান্ত কেড়ে নেয় না; বরং তা স্পষ্ট ও অর্থবহ করতে সহায়তা করে।
🔥ব্রেকিং নিউজ!
২০২৫-২৬ অর্থবছরের ৬ষ্ঠ থেকে মাস্টার্স পর্যন্ত শিক্ষামন্ত্রণালয় কর্তৃক শিক্ষার্থীদের আর্থিক অনুদানের সার্কুলার প্রকাশিত!
⛔️আবেদন শুরু : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
⛔️আবেদন শেষ : ১৭ মার্চ ২০২৬
💰উপবৃত্তির পরিমাণ (এককালীন) :
৬ষ্ঠ - ১০ম শ্রেণী পর্যন্ত : ৮,০০০ /=
১১শ - ১২শ শ্রেণী পর্যন্ত : ৯,০০০/=
অনার্স - মাস্টার্স শ্রেণী পর্যন্ত : ১০,০০০/=
⛔যারা আবেদন করতে পারবেন:
১. দেশের সকল স্বীকৃতিপ্রাপ্ত বেসরকারি সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (এমপিওভুক্ত ও নন-এমপিও) মেরামত, আসবাবপত্র, লাইব্রেরি এবং খেলাধুলার সরঞ্জাম সংগ্রহের জন্য আবেদন করতে পারবে।
২. শিক্ষক-কর্মচারী: বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা তাদের দুরারোগ্য ব্যাধি বা দৈব দুর্ঘটনার চিকিৎসার জন্য অনুদানের আবেদন করতে পারবেন।
৩. ছাত্র-ছাত্রী: সকল সরকারি ও বেসরকারি সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা দুরারোগ্য ব্যাধি, দৈব দুর্ঘটনা বা শিক্ষা গ্রহণের ব্যয়ের জন্য আবেদন করতে পারবে। বিশেষ করে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী, অসহায়, দরিদ্র এবং অনগ্রসর এলাকার শিক্ষার্থীরা অগ্রাধিকার পাবে।
🎉 অনার্স ১ম বর্ষ ভর্তি (২য় মেধা তালিকা) সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য 🎉
📌 ভর্তি প্রক্রিয়া:
▪️ ২৬ জুলাই থেকে ৩ আগস্ট এর মধ্যে অনলাইনে এডমিশন ফর্ম পূরণ করে কলেজে ভর্তি হতে হবে।
📌 মাইগ্রেশন ও বিষয় পরিবর্তন:
▪️ যাদের মাইগ্রেশনের মাধ্যমে বিষয় পরিবর্তন হয়েছে, তাদের নতুন বিষয়ে এডমিশন ফর্ম ডাউনলোড করে কলেজে জমা দিতে হবে।
▪️ পূর্বের সাবজেক্ট বাতিল বলে গণ্য হবে।
📌 ভর্তি না হলে:
▪️ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভর্তি না হলে তাদের সিটগুলো রিলিজ স্লিপ এর জন্য বরাদ্দ রাখা হবে।
📌 রিলিজ স্লিপ আবেদন:
▪️ যাদের ১ম বা ২য় মেধা তালিকায় নাম আসেনি, তারা রিলিজ স্লিপে যেকোনো ৫টি সরকারি বা বেসরকারি কলেজে আবেদন করতে পারবেন।
▪️ রিলিজ স্লিপের বিজ্ঞপ্তি আগস্টের শেষের দিকে প্রকাশিত হতে পারে।
📌 ক্লাস শুরু:
▪️ ২য় মেধা তালিকায় ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের কলেজের চলমান রুটিন অনুযায়ী ক্লাস করতে হবে।
✅ দয়া করে সময় মতো ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করুন।
কোন কিছু বুঝতে সমস্যা হলে টেক্সট করুন ধন্যবাদ ❤️
30/06/2025
চট্টগ্রামের এক সাদামাটা বাড়িতে জন্ম ও বেড়ে ওঠা মামিয়া চৌধুরীর। ছোটবেলা থেকেই পড়ালেখার প্রতি তার ছিল প্রবল আগ্রহ। পরিবার, সমাজ বা আর্থিক সীমাবদ্ধতা—কোনো কিছুই তাকে থামাতে পারেনি।
২০১৫ সালে কাপাসগোলা সিটি করপোরেশন উইমেন্স কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন মামিয়া। এরপর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে রসায়নে অনার্স সম্পন্ন করেন। অনেকের কাছে হয়তো এটি সাধারণ একাডেমিক পথ মনে হতে পারে, কিন্তু মামিয়া নিজের মধ্যে লালন করেছিলেন ব্যতিক্রম কিছু করার স্বপ্ন।
২০২২ সালে তিনি মাস্টার্সে ভর্তি হন গাজীপুরে অবস্থিত ঢাকা ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজিতে (ডুয়েট)। এখান থেকেই শুরু হয় তার গবেষণা-ভিত্তিক বাস্তব পথচলা। ২০২৩ সালে মামিয়া ডুয়েটে রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কাজ শুরু করেন। সেখানে তিনি গবেষণার পাশাপাশি একটি আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রবন্ধ প্রকাশ করেন এবং দুটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে গবেষণাপত্র উপস্থাপন করেন।
শুধু গবেষণাই নয়, একইসঙ্গে তিনি ২০২৪ সালে আইএফআইসি ব্যাংক পিএলসি-তে সহকারী অফিসার হিসেবে যোগ দেন। একদিকে চাকরি, অন্যদিকে গবেষণা—দুয়ের ভারসাম্য রেখে এগিয়ে যান স্বপ্নের পথে।
গবেষণা, একাডেমিক ফলাফল এবং নিজের প্রচেষ্টার কারণে তিনি স্কলারশিপের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করেন। সবকিছু পেরিয়ে অবশেষে তিনি সুযোগ পান Tennessee Technological University-তে মাস্টার্স করার জন্য, একটি সম্পূর্ণ ফুল-ফান্ডেড স্কলারশিপ-সহ। এতে রয়েছে ফুল টিউশন মওকুফ, প্রতি মাসে স্টাইপেন্ড এবং অতিরিক্ত সামার স্টাইপেন্ড।
আগামী ফ্যাল সেমিস্টার থেকেই তার ক্লাস শুরু হচ্ছে। মামিয়া এখন ব্যস্ত প্রস্তুতি নিতে—বিদেশ যাত্রার, নতুন জীবনের, নতুন স্বপ্নের।
মামিয়া চৌধুরীর এই অর্জন প্রমাণ করে, শুধুমাত্র ঢাকা বা নামকরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই নয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও একাডেমিক শ্রেষ্ঠত্ব, গবেষণায় দক্ষতা আর আত্মবিশ্বাসের মাধ্যমে পৌঁছানো যায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে।
তার এই যাত্রা শুধু তার নিজের নয়—এটি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজারো শিক্ষার্থীর জন্য এক আলোকবর্তিকা। মামিয়া আমাদের দেখিয়ে দিয়েছেন, সঠিক লক্ষ্য, কঠোর পরিশ্রম আর অবিচল ইচ্ছাশক্তি থাকলে সীমাবদ্ধতাও হার মানে।
29/06/2025
🎓 ইংরেজি সাহিত্য পড়েও গড়া যায় উজ্জ্বল ক্যারিয়ার: জানুন চ্যালেঞ্জ, সুযোগ আর সফলতার কৌশল!
> ✍️ ইংরেজি সাহিত্যের শিক্ষার্থী বলে হতাশ?
ইংরেজি সাহিত্য শুধু কবিতা, নাটক আর উপন্যাস পড়ার বিষয় নয়—এটি বিশ্বকে বিশ্লেষণ করার একটি দৃষ্টিভঙ্গি!
🎯 অনেকেই ভাবেন, “এই বিষয় পড়ে চাকরি পাবো কই?”
🧩 হ্যাঁ, কিছু চ্যালেঞ্জ আছে:
▪ সরাসরি চাকরির সুযোগ কম
▪ পরিবার বা সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি
▪ প্রযুক্তিগত দক্ষতার ঘাটতি
কিন্তু...
🌟 সুযোগ আছে অসংখ্য!
▪ শিক্ষকতা, সাংবাদিকতা, ফ্রিল্যান্সিং
▪ অনুবাদ, স্ক্রিপ্ট রাইটিং, ব্লগিং
▪ বিদেশে ফুল স্কলারশিপে মাস্টার্স ও গবেষণার সুযোগ
▪ বিসিএস, ব্যাংক, NGO বা কর্পোরেট চাকরিতে জাঁকিয়ে বসার সম্ভাবনা
✔️ সফল হতে যা করতে হবে:
🔹 IELTS/GRE প্রস্তুতি
🔹 প্রযুক্তি ও সফট স্কিল শিখা
🔹 নিয়মিত বই পড়া ও লেখালেখি
🔹 পাবলিক স্পিকিং ও কমিউনিকেশন স্কিল
🗣️ মনে রাখবেন, ইংরেজি সাহিত্য পড়া মানে নিজেকে বিশ্বমানের একজন চিন্তাবিদ হিসেবে তৈরি করা।
👉 যদি আপনি ইংরেজি সাহিত্যের শিক্ষার্থী হন, তাহলে ভয় না পেয়ে গড়ে তুলুন আপনার স্কিল।
🔗 এই পোস্টটি শেয়ার করুন যেন আরও শিক্ষার্থীরা উদ্বুদ্ধ হয় 💙
03/06/2025
আলহামদুলিল্লাহ, বোনদের জন্য নিরাপদ ক্যাম্পাসের যাত্রা শুরু হবে এবার ইনশাআল্লাহ।
Closing Ceremony &
Career Design Programme - 2025
Batch: Victory 36
Session: 2019-20
Department of English
Govt. Brojomohun College, Barishal
সরকারি বি. এম কলেজ, বরিশাল।
Cinamtographer- Raiyan Rasel & Salman Ahmed
Edit - Raiyan Rasel
© ChitroKuthir - চিত্রকুঠির
একনজরে প্রফেসর ড. #মুহাম্মদ #ইউনূস-এর একটি সংক্ষিপ্ত #জীবনী তুলে ধরা হলো।
যে কোন ভাইবা পরীক্ষার জন্য দরকার।
🧑🏫 ড. মুহাম্মদ ইউনূস-এর জীবনীঃ
নাম: ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
জন্ম: ২৮ জুন ১৯৪০, চিটাগাং (বর্তমান চট্টগ্রাম), ব্রিটিশ ভারত (বর্তমান বাংলাদেশ)
পেশা: অর্থনীতিবিদ, সমাজসেবক, শিক্ষাবিদ
বিশেষ পরিচিতি: মাইক্রোক্রেডিট বা ক্ষুদ্রঋণের জনক, গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা
নোবেল পুরস্কার: শান্তিতে নোবেল পুরস্কার (২০০৬) – গ্রামীণ ব্যাংকসহ যৌথভাবে।
🎓 শিক্ষা জীবন:
চট্টগ্রাম কলেজ থেকে স্নাতক (১৯৫৭) এবং
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর। ফুলব্রাইট স্কলারশিপে যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষা।ভ্যান্ডারবিল্ট ইউনিভার্সিটি থেকে অর্থনীতিতে পিএইচডি।
🏛️ পেশাগত জীবন:
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতির অধ্যাপক হিসেবে ছিলেন।১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষের সময় দরিদ্রদের জন্য ক্ষুদ্রঋণের ধারণা শুরু করেন।
১৯৮৩ সালে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেন – যার মাধ্যমে গরিব ও নারী উদ্যোক্তাদের ঋণ দেওয়া হয় জামানত ছাড়া।
🌍 বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি ও অবদান:
২০০৬ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হয়। মাইক্রোফাইন্যান্স মডেল বিশ্বব্যাপী অনুকরণীয় হয়।বিশ্বের অনেক দেশে ইউনূস মডেল অনুসরণ করে দারিদ্র্য বিমোচনের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
"সোশ্যাল বিজনেস" ধারণার প্রচারক – ব্যবসাকে শুধুমাত্র লাভ নয়, সামাজিক পরিবর্তনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
✍️ লিখিত গ্রন্থ:
Banker to the Poor, Creating a World Without Poverty, Building Social Business.
🏅 পুরস্কার ও সম্মাননা:
নোবেল শান্তি পুরস্কার (২০০৬),প্রেসিডেনশিয়াল মেডেল অব ফ্রিডম, যুক্তরাষ্ট্র,কংগ্রেশনাল গোল্ড মেডেল, যুক্তরাষ্ট্র,বাংলাদেশের স্বাধীনতা পুরস্কার।
🌱 উদ্দেশ্য ও দর্শন:
ড. ইউনূস বিশ্বাস করেন:
“দারিদ্র্য কোনো মানুষের প্রকৃত স্বভাব নয়, এটা কৃত্রিমভাবে তৈরি – এবং তা দূর করা সম্ভব।”
ড. ইউনূস এর বিশ্ববিখ্যাত একটি তত্ত্ব হলোঃ “থ্রি-জিরো তত্ত্ব” যা বর্তমান পৃথিবীতে খুবই জনপ্রিয়। এই তত্ত্বের বিষয়বস্তু হলোঃ
🌍 থ্রি-জিরো: ভবিষ্যতের পথ
ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বাস করেন, একটি সুন্দর পৃথিবী গড়া সম্ভব —
যেখানে থাকবে না
1️⃣ দারিদ্র্য।
2️⃣ বেকারত্ব।
3️⃣ কার্বন দূষণ।
এই তিনটি লক্ষ্যই তাঁর Three Zeros Vision।
👉 সমাধানমুখী ব্যবসা (Social Business) এর মাধ্যমেই গড়া যাবে টেকসই ভবিষ্যৎ।
> “চাকরি খুঁজে নয়, মানুষ যেন নিজেই চাকরি তৈরি করে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Barishal
8500