“No hanky panky” (নো হ্যাংকি প্যাংকি) — এটা একটা ইংরেজি ইডিয়ম (idiom), যার অর্থ নির্ভর করে ব্যবহারের প্রেক্ষাপটে।👇
🔹 মূল অর্থ:
👉 “No hanky panky” মানে —
কোনো ধোঁকাবাজি, গোপন ফন্দি বা অশোভন আচরণ নয়।
🔹 উদাহরণসহ ব্যাখ্যা:
1. যদি অফিস বা রাজনীতির প্রসঙ্গে বলা হয় —
👉 “We want transparency — no hanky panky!”
মানে: আমরা স্বচ্ছতা চাই, কোনো চালবাজি নয়।
2. আর যদি ব্যক্তিগত বা রোমান্টিক প্রসঙ্গে বলা হয় —
👉 “They were just friends, no hanky panky!”
মানে: তারা শুধু বন্ধু, কোনো অশোভন সম্পর্ক নয়।
প্যারাডক্স কোচিং এন্ড পাবলিকেশন
একটি জব ও ভর্তি হেল্পলাইন। বই, কোচিং।অনলাইন, অফলাইন। সকল জব ও সকল ভর্তি। 01722910902(24/7)
ভোলার বিধ্বংসী মুহূর্তের...
১৯ তম নিবন্ধন প্রিলি. সাজেশন লাগলে ইনবক্সে মেসেজ করুন!
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার MCQ সাজেশন পেতে যোগাযোগ করুন।
01722910902
😍
অনার্স১ম বর্ষ (২৪-২৫) ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্র তালিকা প্রকাশ করেছে এনইউ।
৪৮ তম স্পেশাল বিসিএস ও গুরুত্বপূর্ণ কিছু কথা..
একটু বড় লেখা। মনোযোগ দিয়ে পড়ুন। আশা করি, অনেক উপকৃত হবেন।
স্পেশাল বিসিএস সাধারণত দুই ধাপে হয়ে থাকেঃ
🖋️ ২০০ নাম্বারের প্রিলি
🖋️ ১০০/৫০ নাম্বারের ভাইবা
এই ৩০০/২৫০ নাম্বারের মাধ্যমে সম্মিলিত মেধাতালিকায় (শিক্ষা ক্যাডারে বিষয়ভিত্তিক মেধাতালিকায়) ক্যাডার নিয়োগ দেয়া হয়।
🖋️সচরাচর বিশেষ বিসিএস সাধারণত শিক্ষা ক্যাডার এবং স্বাস্থ্য ক্যাডারের জন্য আলাদা হয়। তবে, এবার দুইটা একসাথে হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। একসাথে পরীক্ষা হলে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা অভিন্ন প্রশ্নে (বর্তমান সিলেবাস অনুযায়ী ২০০ নম্বরে) হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
🖋️আর যদি একই প্রশ্নে না হয়, তাহলে MCQ এর সিলেবাস ও নম্বর বিভাজন নিম্নরূপে হতে পারে।
➡️স্বাস্থ্য ক্যাডারের জন্যঃ
বাংলা-২০
ইংরেজি- ২০
বাংলাদেশ বিষয়াবলি- ২০
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি- ২০
গণিত- ২০
মেডিকেল সায়েন্স অথবা ডেন্টাল সায়েন্স- ১০০
সর্বমোট= ২০০
➡️শিক্ষা ক্যাডারের জন্যঃ
বাংলা- ২০
ইংরেজি- ২০
বাংলাদেশ- ২০
আন্তর্জাতিক- ১০
বিজ্ঞান- ১০
গনিত- ২০
অনার্সে পঠিত বিষয়ঃ ১০০
সর্বমোট= ২০০
➡️অথবা (শিক্ষা ক্যাডারের জন্য)
বাংলা- ৪০
ইংরেজি- ৪০
বাংলাদেশ- ৪০
আন্তর্জাতিক- ৪০
বিজ্ঞান- ২০
গনিত- ২০
সর্বমোট= ২০০
➡️অথবা (শিক্ষা ক্যাডারের জন্য)
বর্তমান প্রিলির সিলেবাস অনুযায়ী সকল বিষয়ে মোট- ১০০
অনার্সে পঠিত বিষয়- ১০০
সর্বমোট= ২০০
🖋️তবে, কথা যাইহোক- বাংলা, অংক, ইংরেজি, সাধারণ জ্ঞান এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কমন বিষয়। তাই, এই বিষয়গুলোতে আদা জল খেয়ে লেগে পড়ুন। মনে রাখবেন, রিটেন নাই যেহেতু, প্রিলিতে ১ টি নম্বর বেশি পেলে চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে বহুগুণ।
🖋️বিশেষ করে গণিত আর ইংরেজিতে বেশি জোর দিন। অনেকের গণিতে ফুল মার্কস আসবে। চাকরি পেতে এটা তাকে এগিয়ে রাখবে।
🖋️স্পেশাল বিসিএসে কোনো লিখিত পরীক্ষা হয় না। ১১০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষার প্যারা না থাকায় এটা একটা বিশাল সুযোগ। কাজে লাগান।
➡️পড়লে পড়ার মত করে পড়ুন। নাহলে স্টপ। এতবড় সুযোগ কাজে লাগান। আপনার সাবজেক্টে আসন কতগুলো আছে, সেটা নিয়ে ভাববেন না। মনে করবেন, আপনাকে লিখিত দিতে হবে না। ক্যাডার হলে এবারই, নাহলে আর না..
এভাবে পড়ুন...
কথাগুলো ভাল লাগলে শেয়ার করুন।
আবির কায়ছার
৪০ তম বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা)
জিরো থেকে ১০০% ইফেক্টিভ সাকসেসফুল ব্যাংক জব প্রস্তুতি যেভাবে নিবেন
======================================
>>>> ব্যাপক সার্কুলার ২০২৫ এর শুরুতেই >>>>
👉 সমন্বিত ব্যাংক অফিসার ক্যাশ (১০ম গ্রেড), পদ: ১২৬২ টি
👉 ৮টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পদের নামঃ অফিসার জেনারেল(১০ম গ্রেড), পদ: ৯৯৭টি।
👉 সমন্বিত ব্যাংক "সিনিয়র অফিসার"(৯ম গ্রেড), এর পদ: ১৫৫৪ টি।
✅ এ পর্যন্ত মোট পোস্টঃ ১২৬২+৯৯৭+১৫৫৪= ৩৮১৩টি
======================================
👉 সামনে ২০২২ সাল বেইজড বিভিন্ন পোস্টের ব্যাংকের পরীক্ষা। এই সুযোগটি হতে পারে আপনার লাইফের গেম চেঞ্জার। শুরু করুন এখন থেকেই
টার্গেট যদি থাকে ব্যাংক জব এই বই গুলো ভালো করে পড়ুন আর অন্য কোনো বই লাগবে না। বর্তমানে ব্যাংকের অধিকাংশ প্রশ্ন করছে BIBM, সুতরাং সেই অনুযায়ী ১০০% ইফেক্টিভ প্রস্তুতি নিতে হবে,তাহলেই সাকসেস এর দেখা পাবেন।
ব্যাংক জবের প্রিলি ও রিটেনের জন্য বর্তমান ট্রেন্ড অনুযায়ী যে ৯টি বই অবশ্যই পড়বেনঃ
-----------------
সকল ব্যাংক জবের পরীক্ষার ১০০% সাকসেসফুল প্রস্তুতির জন্য বেষ্ট সেলার যে যে ০৯ টি বই অবশ্যই পড়বেন
-----------------
১. শীকর বাংলা,
২. সেলফ সাজেশন বেসিক কম্পিউটার,
৩. খাইরুলস ব্যাংক ম্যাথ,
৪. MP3 বাংলাদেশ,
৫. MP3 আন্তর্জাতিক,
৬. মাস্টার ইংলিশ,
৭. রিসেন্ট BIBM ব্যাংক জব সল্যুশন,
৮. রিসেন্ট পাবলিকেশন ভোকাবুলারি,
৯. 1+ ফোকাস রাইটিং,
১০. জাহিদ সোহেল ম্যাপ, ও কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স।
যদি টার্গেট থাকে আপনার ব্যাংক জব তাহলে আজকে থেকেই শুরু করুন , সাফল্য আপনার কাছে ধরা দিতে বাধ্য। লেখাটি শেয়ার করে নিজে টাইমলাইনে রাখুন, যে কোনো সময় কাজে লাগবে।
BIBM ব্যাংক জব প্রস্তুতি শুন্য থেকে - যেভাবে নিবেন
✪✪✪✪✪✪✪✪✪✪✪✪✪✪✪✪✪✪✪✪✪✪✪✪✪✪✪✪✪✪✪✪
✅ প্রিলি। (১০০ মার্কস)
✅ রিটেন। (২০০ মার্কস)
✅ ভাইভা ( ২৫ মার্কস )
❂ প্রিলির প্রস্তুতিঃ
✪✪✪✪✪✪✪✪✪✪
❂ এমসিকিউ (১০০ মার্কস এর হয়): BIBM সাধারণত ব্যাংক জবের পরীক্ষা গুলোতে যে ধরনের প্রশ্ন করেঃ
✅ ১: বাংলা (২৫ টি ) প্রশ্ন
✅ ২: ইংরেজি (২৫ টি) প্রশ্ন
✅ ৩:গণিত (2০ টি প্রশ্ন )
✅ ৪:সাধারণ জ্ঞান (২০ টি) ও
✅ ৫: বেসিক কম্পিউটার (১০ টি) প্রশ্ন আসে ।
❂ ব্যাংক প্রিলির জন্য কোন বই পড়বেনঃ
✪✪✪✪✪✪✪✪✪✪✪✪✪✪✪✪✪✪✪✪✪
✅১। #বাংলাঃ বাংলার জন্য শীকর/অভিযাত্রী/অগ্রদূত/ যে কোনো একটা বাংলা বই পড়ুন । বাংলায় একটা স্ট্রং জোন তৈরি করুন , ব্যাকরণ পার্ট ভালো করে পড়ুন। বাংলা আপনাকে এগিয়ে রাখবে।
✅২। #ইংরেজিঃ ইংরেজি গ্রামারের জন্য MASTER/Need ইংলিশ থেকে বুঝে বুঝে পড়ুন। রিসেন্ট পাবলিকেশন ভোকাবুলারির বইটাও দেখতে পারেন। ইংরেজি দেখে ভয় পাবেন না, রেগুলার ইংরেজি পড়লে অনেকটাই আপনার আয়ত্তে থাকবে।
✅৩। #গনিতঃ ম্যাথ এর বেসিক টপিক গুলো আগে ক্লিয়ার করুন, ম্যাথের জন্যঃ শাহীন ম্যাথ/ম্যাজিক ম্যাথ/খাইরুলস ব্যাংক ম্যাথ বা যে কোনো একটা পড়ুন । গণিতটা প্রতিদিন প্যাকটিস করে নিজের আয়ত্তে নিন। রিসেন্ট জব স্ল্যুশন থেকে বিগত প্রশ্ন সমাধান করে যাবেন।
✅৪। #সাধারন জ্ঞানঃ বাংলাদেশও আন্তর্জাতিকঃ জর্জ এর MP3/আজকের বিশ্ব/ মিহির জিকে বা যে কোন একটা বই ভালো করে পড়ুন , বেসিক ক্লিয়ার করুন, কমন টপিক গুলো আগে ভালো করে শেষ করুন। সাম্প্রতিকঃ সেলফ সাজেশন সাম্প্রতিক ও কারেন্ট অ্যাফেয়ার্সই যথেষ্ঠ। ব্যাংকে সাম্প্রতিক থেকে প্রশ্ন গুলো বেশী হয়। ব্যাংক রিলেটেড টার্ম গুলি ভালো করে জেনে যাবেন ।
✅৫। #কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তিঃ "সেলফ সাজেশন বেসিক কম্পিউটার " বইটি অবশ্যই দেখে যাবেন , ফ্যাকাল্টি বেইজড এর সকল প্রশ্নের সমাধান দেয়া আছে ,যা অন্য কোনো বইতে নাই। গত বাংলাদেশ ব্যাংকের AD সহ 92+ পরীক্ষায় এখান থেকে হুবহু ১০০% অপশন সহ কমন ছিল, ইদানিং এই বই থেকেই প্রশ্ন হচ্ছে যা BIBM সহ অনেক পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ । ভালো প্রস্তুতির জন্য এই বইয়ের শুরুতে দেওয়া বিগত সালের সকল প্রশ্ন ভালো করে পড়ূন।
❂ ব্যাংক রিটেনের জন্য কোন বই পড়বেনঃ
✪✪✪✪✪✪✪✪✪✪✪✪✪✪✪✪✪✪✪✪✪✪
👉 রিটেনে সাধারণত (২০০) মার্কস এর হয়ঃ
ফোকাস রাইটিংঃ- 1+ফোকাস রাইটিং/ ইউনিক ফোকাস রাইটিং বা অন্য যে কোনো একটি বই পড়ুন।
✅১ । ফোকাস রাইটিং বাংলা ও ইংরেজি (সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক ইস্যু)- (৩০+৩৫ মার্কস ): তথ্য, উপাত্ত ও পয়েন্ট, চার্ট আকারে ভালো করে লিখলে এখান থেকে ভালো মার্কস পাওয়া যায়। বাজেট, মেগা প্রকল্প সহ বর্তমান সময়ের আলোচিত বিষয়, এর উপরে গুরুত্ব দিতে হবে। ডেইলি পত্রিকার সম্পাদকীয় অংশগুলি ভালো করে পড়লে এখান থেকে অনেক কিছু ধারণা পাবেন।
✅২ । সাধারণ জ্ঞান- (৩০ মার্কস ): ব্যাংক রিলেটেড টার্ম সহ অন্যান্য সাধারণ জ্ঞান এর টপিক থেকেও প্রশ্ন হয়। সুতরাং ভালো প্রস্তুতির জন্য বিস্তারিত পড়তে হবে, এক্ষেত্রে প্রিলি ও রিটেন উভয় কাভার হবে। যেহেতু কোন অপশন থাকবে না , এক্সাক্ট উত্তর টাই লিখতে হবে সুতরাং ভালো করে পড়তে হবে।
✅৩। কম্প্রিহেনশন (ইংলিশ) - (২০ মার্কস ): যথা সম্ভব কম সময় দিয়ে উত্তর করার প্যাক্টিস করতে হবে। যত সময় কম দিবেন অন্য প্রশ্নের উত্তর তত ভালো করে লিখতে পারবেন। বাসায় ভালো করে প্যাকটিস করলে এখানে ভালো করা যায়। কমন কিছু কম্প্রিহেনশন দেখে যান ভালো করবেন।
✅৪ । ম্যাথ ssc লেভেল - (২৫ মার্কস ): কোন অলটারনেট অপশন নেই, সুতরাং আগের থেকে ম্যাথ কম থাকলেও ভালো করে পড়তে হবে, ম্যাথ ভালো পারলে এগিয়ে থাকবেন, সঠিক হলে ফুল মার্কস পাওয়া যায়। বেশি করে প্যাক্টিস করুন।
✅৫। ট্রান্সলেশন (ইংলিশ টু বাংলা ও বাংলা টু ইংলিশ)- (২০+২০ মার্কস): এখান থেকেও ভালো করা যায় ফোকাস রাইটিং ভালো করে পড়লে এই অংশ টি সহজ হয়ে যায়। এক্সাক্ট উত্তর করার চেষ্টা করুন।
✅৬। প্রিসাইস রাইটিং (২০ মার্কস ): ইংরেজিতে ভালো ধারণা ও দক্ষতা থাকলে এখান থেকে ভালো উত্তর করতে পারবেন। যে কোন ফোকাস রাইটিং এর সহায়তা নিলে প্রস্তুতি ভালো হবে।
(এখনকার সময়গুলোতে রিটেনের জন্য ব্যংক রিলেটেড তথ্য, সাধারণ জ্ঞান ও সাম্প্রতিক আলোচিত অংশ ভালো করে পড়তে হবে।)
সহায়ক বইঃ
✶✶✶✪✪✪✶✶✶
জবসল্যুশন বা ডাইজেস্ট যে কোন একটি বই ভালো করে ৪/৫ বার রিভিশন দিয়ে পড়ুন , ওরাকল বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক ম্যাপ, যে কোন মুক্তিযুদ্ধের বই , ভোকাবুলারির ভালো বই পড়তে পারেন।
[ ব্যাংক জবের বিভিন্ন পদের সিলেবাস ভিন্ন ভিন্ন, তাই সিলেবাস এর পিডিএফ পেতে ফলো দিয়ে রাখুন বা ইনবক্স করুন।]
লেখাটি শেয়ার করে নিজে টাইমলাইনে রাখুন, যে কোনো সময় কাজে লাগবে। ১০+ সফল ব্যাংকারদের দ্বারা রচিত সাজেশন- সুতরাং এটি ফলো করে পড়ুন, সাফল্য অতি সন্নিকটে ইন শা আল্লাহ।
লেখাঃ
আহম্মদ আলী, সহকারী পরিচালক (এপি), বাংলাদেশ ব্যাংক,
লেখাটির সহযোগিতায়ঃ
কবির হোসেন, সুপারিশপ্রাপ্ত- অফিসার জেনারেল, বাংলাদেশ ব্যাংক,
সাত্তার খান, এসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার আইটি , সোনালী ব্যাংক পিএলসি.
সবার জন্য শুভ কামনা।
, , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , #৪৭তমবিসিএসপ্রিলি, , , , #47বিসিএস, , #ব্যাংকজব, , , , , , , #বাংলাদেশব্যাংকসহকারীপরিচালক, , #সহকারীপরিচালক, #বাংলাদেশব্যাংক, , , , , , , , #ব্যাংকজবপ্রস্তুতিবই, #ব্যাংকজববইpdf, #ব্যাংকজবসিলেবাসPDF, #ব্যাংকজবসিলেবাস২০২৪, #প্রফেসরসব্যাংকজবসলিউশন, #বাংলাদেশব্যাংকনিয়োগগাইড, #৪০দিনেব্যাংকপ্রস্তুতি, #বেসরকারিব্যাংকজবপ্রস্তুতি job preparation , #ব্যাংক জব প্রস্তুতি বই , #ব্যাংক জব বই pdf, #ব্যাংক জব সিলেবাস PDF , #ব্যাংক জব সিলেবাস ২০২৪, #৪০ দিনে ব্যাংক প্রস্তুতি, #সরকারি ব্যাংক জব সিলেবাস , #বেসরকারি ব্যাংক জব প্রস্তুতি, #বাংলাদেশ ব্যাংক নিয়োগ গাইড, job question, job circular 2024, jobs in Bangladesh, bank job circular, #সমন্বিত ব্যাংক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৪, job 2024 #৪৭তমবিসিএসপ্রিলি #46বিসিএসরিটেন #ব্যাংকজব #সহকারীপরিচালক #বাংলাদেশব্যাংক #ব্যাংকজব #কোটাআন্দোলন #সুশান্তপাল #প্রশ্নফাস #সার্চলাইট BCS, 47th BCS, Bcs Ict book, Bcs science book, Best book for Bcs, Ntrca, primary job, Bank job, Ict book for bank job, Bcs book pdf, self computer pdf, self science pdf, self science, bcs science, Bcs written, Bank job written, Bank job book list, Best book for bank job, Ict book for bcs, ict book for bank, best book for primary, best book for ntrca, Job solution pdf, recent gk, Gk book for BCS, বিসিএস, প্রাইমারি জব, ব্যাংক জব, শিক্ষক নিবন্ধন, বিসিএস রিটেন, বিসিএস প্রিলি, কম্পিউটার বই
Palestine will be free
পেট ভর্তি অশিক্ষা, পকেট ভর্তি টাকা, মাথা ভর্তি কুবুদ্ধি, মন ভর্তি প্রতিহিংসা, এ এক ভয়ংকর কম্বিনেশন।
এক পোস্টে প্রায় সব ইতিহাস!
ইহুদী ধর্মের জাতির পিতা এবং ইসলাম ধর্মের জাতির পিতা একজন ই, হযরত ইবরাহীম(আঃ)।
ইবরাহীম(আঃ) এর দুই পুত্র, ইসহাক(আঃ) আর ইসমাইল(আঃ)।
হয়রত ইসহাক(আঃ) এর পুত্র ছিলেন হযরত ইয়াকুব(আঃ), উনার আরেক নাম ইস/রা/ইল। এই ইয়াকুব(আঃ) এর বংশকে আল্লাহ্ তা'আলা বনি-ই/সরা/ইল নামে সম্বোধন করেছেন।
হযরত ইয়াকুব(আঃ) এর ১২সন্তানের মধ্যে ১জনের নাম ছিলো ইয়াহুদা। এই ইয়াহুদা এর বংশই পরবর্তীতে সবচেয়ে বেশি বিস্তার লাভ করে।
তাই, বনি-ই/সরা/ইল এর আরেক নাম ই/হু/দী।
ই/হু/দী ধর্ম আর বংশ দুটো আলাদা।
সব ইহুদী বংশের লোক ইহুদী ধর্মের হলেও সব ইহুদী ধর্মের লোক ই ইয়াহুদার বংশ নয়।
এই ইয়াহুদা ই কিন্তু তার আপন ভাই ইউসুফ(আঃ) কে কূপে ফেলে হত্যা করতে চেয়েছিল!
৪ হাজার বছর আগে ইসহাক(আঃ) এর মৃত্যুর পর ইয়াকুব(আঃ) আল্লাহ্'র নির্দেশে শামনগরী (সিরিয়া) থেকে কেনানে হিজরত করেন। এই কেনান ই বর্তমানের ফিলিস্তিন।
এরপর কেনানে (ফিলিস্তিন) দুর্ভিক্ষ দেখা দিলে ইয়াহুদা তার সব ভাই এর সাথে মিশরে চলে যায় এবং মিশরে বসবাস শুরু করে।
মিশরের তখনকার রাজা ছিলেন ইউসুফ(আঃ), যিনি ইয়াকুব(আঃ) এর ১২সন্তানের মধ্যে ১১তম। সেই কারণে ইয়াহুদা ও তার বংশ মিশরে অনেক দাপটের সাথে থাকতে শুরু করে।
তারপর কালের পরিক্রমায় ক্ষমতা যায় ফারাও রাজাদের হাতে। ফেরাউন এসে বনি-ই/সরা/ইলদের এত অত্যাচার শুরু করে যে এরা সারাদিন 'ইয়া নাফসী' 'ইয়া নফসী' করতো।
তখন আল্লাহ্ তাদের কাছে পাঠালেন মূসা(আঃ) আর তাওরাত কিতাব। মুসা(আঃ) ফেরাউনকে নীলনদে ডুবানোর মাধ্যমে বনি-ই/সরা/ইল মুক্তি পায়।
তারপর মূসা(আঃ) সবাইকে নিয়ে কেনানে (ফিলিস্তিন) ফিরে যান। পরে তারা সেখানে গিয়ে আল্লাহ্'র অশেষ রহমত পাওয়া সত্ত্বেও মুসা(আঃ) এর ওফাতের পর আবার আল্লাহ্ কে ভুলে যায়, গরুপূজা সহ নানা রকম অনাচার শুরু করে।
তারপর তাদের মধ্যে ক্ষমতার লোভে নিজেদের একতা ভেঙ্গে যায়, ভিনদেশীরা তাদের এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে তাদের আবার গোলাম বানিয়ে অত্যাচার করতে থাকে।
এর ১০০বছর পরে দাউদ(আঃ) আর উনার ছেলে সুলাইমান(আঃ) এর মাধ্যমে আল্লাহ তা'আলা আবারও এই অত্যাচার থেকে তাদেরকে মুক্তি দেন।
কিন্তু সুলাইমান(আঃ) এর মৃত্যুর পর ই/হু/দীরা আবার শয়তানের পূজা শুরু করে। তাদের ভিতরে থাকা ধর্ম ব্যবসায়ীরা তাওরাত কিতাবের মধ্যে নিজেদের সুবিধামত সংযোজন-বিয়োজন করার মতন ধৃষ্টতা দেখায়।
তারা তাওরাতে সংযোজন করে যে, "আল্লাহ্ তায়ালা ইসহাক(আঃ) এর স্বপ্নে কেনানকে ইহুদীদের জন্য প্রমিজ ল্যান্ড হিসেবে দিয়েছেন, এটা তাদের জয় করে নিতে হবে।"
এটাকে তারা 'জেকব লেডার ড্রিম' বলে।
তাদের এমন নির্লজ্জতা ও ধৃষ্টতার কারণে তারা বারবার আল্লাহ্'র শা/স্তির মুখে পড়েছে। যেমনঃ
কখনো গৃহহীন হয়ে যাযাবরের মতো ঘুরেছে,
ব্যবিলনীয় সাম্রাজ্যের দ্বারা গণহ/ত্যার শিকার হয়েছে,
রোমান সাম্রাজ্যের দ্বারা সিরিয়া থেকে আরব দেশে বিতাড়িত হয়েছে।
মহানবী(সাঃ) এর সময় তারা আরব দেশ থেকে বিতাড়িত হয়ে চলে যায় ইউরোপে।
আর উমার(রা:) ফিলিস্তিন ও আল-আকসা বিজয় করেন।
আজ ইস/রা/য়েলের এতো ঘনিষ্ঠ বন্ধু ইউরোপও তখন তাদেরকে আশ্রয় দেয়নি।
বনি-ইস/রা/ইলের এমন পরিণতির কারণ আল্লাহ তায়ালা এর শা/স্তির পাশাপাশি তাদের ব্যবহার!
তখনকার লোকদের ভাষ্যমতে, তারা অত্যন্ত ধূর্ত প্রকৃতির মানুষ ছিল।
তাদেরকে যে জায়গায় আশ্রয় দেয়া হতো সেই জায়গাতেই তারা তাদের প্রতিবেশীর জমি দখল করতো!
ই/হু/দীরা বেশিরভাগ ব্যবসায়ী ছিল আর তাদের ব্যবসা অন্যদের থেকে কৌশলগতভাবে আলাদা ছিলো, যার কারণে যাযাবরের মতো ঘুরলেও তাদের অর্থ-সম্পদ ভালোই ছিল। সেই অর্থ-সম্পদ এর দাপট দেখিয়ে তারা সেইসব এলাকার স্থানীয় লোকদের উপরই ছড়ি ঘুরাতো।
তাই তারা সেইসব এলাকার রাজা ও বাসিন্দাদের দ্বারা বার বার বিতাড়িত হতো।
বিভিন্ন ঘাত-প্রতিঘাত সহ্য করার পর তারা একসময় বুঝতে পারে যে, যেকোনো সমাজকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে গেলে শিক্ষা ও অর্থের বিকল্প নেই।
তাই তারা শিক্ষা অর্জন ও অর্থ উপার্জনের উপর গুরুত্ব দেয়।
তারা বিশ্বাস করে, কেনান তাদের জন্য সৃষ্টিকর্তা কর্তৃক বরাদ্দকৃত ভূমি।
তারা এটাও বিশ্বাস করে যে, একসময় তাদের একজন মসিয়াহ্(দাজ্জাল) এসে তাদের এই ভূমিকে উদ্ধার করে দিবে।
১৮ শতাব্দীতে ই/হু/দীরা তাদের ধর্ম-পরিচয় গোপন করে ইউরোপে বসবাস শুরু করে।
তখন থিওডোর হার্জেল নামে তাদেরই একজন ব্যবসায়ী ফিলিস্তিনকে নিজেদের দখলে আনার লক্ষ্যে ১৮৯৭ সালে জিওনিজম আন্দোলন শুরু করে ই/হু/দীদেরকে আবারও নতুন করে স্বপ্ন দেখানো শুরু করে।
এই আন্দোলনকে যারা সমর্থন করে, তাদেরকে জিওনিস্ট বলে।
যেহেতু ই/হু/দীরা অনেক শিক্ষা অর্জন আর অর্থ উপার্জন করেছিলো, তাই তাদের মধ্যে কিছু সংখ্যক মানুষ ইউরোপে ধর্ম গোপন করে থাকলেও কেউ কেউ মেধার জোরে ইউরোপে গুরুত্বপূর্ণ পদ দখল করতে, বিজ্ঞানী হিসেবে স্বীকৃতি পেতে শুরু করে।
তখন তারা শুধুমাত্র পদ দখল করেই থেমে থাকেনি, সেই সাথে নিজেদের একটা রাষ্ট্র গঠনেও প্রচুর সমর্থন সংগ্রহ করার চেষ্টা করতে থাকে।
তখন ইউরোপের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিলো, তাদেরকে আফ্রিকার উগান্ডায় থাকার ব্যবস্থা করে দেয়া হবে।
ঠিক এমন সময় শুরু হয় প্রথম বিশ্বযুদ্ধ।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আগে যুক্তরাজ্য নিজেদের অস্ত্র সংরক্ষণের জন্য এক ধরনের গ্লিসারিন ইউজ করতো, যেটা আসতো জার্মানি থেকে।
কিন্তু যুদ্ধের সময় জার্মানি যুক্তরাজ্যের বিপক্ষে থাকায় গ্লিসারিন সরবরাহ বন্ধ করে দেয়।
তখন যুক্তরাজ্যকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসে চাইম ওয়াইজম্যান নামক একজন ই/হু/দী গবেষক ও ব্যবসায়ী। তিনি গ্লিসারিন এর বদলে এসিটোন দিয়ে অস্ত্র সংরক্ষণের পদ্ধতি শিখিয়ে দেন এবং যুদ্ধে প্রচুর অর্থ সহায়তা দেন।
তার এমন অভুতপূর্ব অবদানের জন্য যুদ্ধের পর যুক্তরাজ্য যখন তাকে পুরস্কৃত করতে চায়, তখন সে জানায় যে তার একমাত্র পুরস্কার হবে তাদের প্রমিজল্যান্ড মানে ফিলিস্তিনে তাদের বসবাসের সুযোগ করে দেয়া!
এখানে উল্লেখ্য, চাইম ছিলেন জিওনিজম আন্দোলনের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।
ফিলিস্তিন তখন ছিল উসমানী সালতানাতের দখলে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে পরাজয়ের পর তুরস্কের ক্ষমতা একেবারে নিঃশেষ হয়ে যায়। সেই সুযোগে ধাপে ধাপে ই/হু/দীরা ফিলিস্তিনে প্রবেশ করতে থাকে।
প্রথমে তারা ফিলিস্তিনিদের কাছে ঘর ভাড়া করে থাকতে শুরু করে, তারপর বেশি দামের লোভ দেখিয়ে সেগুলো কিনতে থাকে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানি পরাজয়ের পর পুরো বিশ্বের ক্ষমতা ইউরোপের হাতে চলে যায়।
ই/হু/দীরা তখন স্থানীয় ফিলিস্তিনিদেরকে অত্যাচার-জোর-জবরদস্তি করা শুরু করলে ফিলিস্তিনিরা প্রতিবাদ করে।
তখনই ইউরোপ থেকে ঘোষণা আসে, পুরো ফিলিস্তিনের ৫৫ ভাগ থাকবে ফিলিস্তিনিদের দখলে আর বাকি ৪৫ ভাগ হবে ই/হু/দীদের।
৬লাখ ই/হু/দীর জন্য ৪৫% আর ১২কোটি ফিলিস্তিনির জন্য ৫৫% জায়গা!
জাতিসংঘ থেকে স্বীকৃতি পাওয়ার পর ই/হু/দীরা ইজ/রা/য়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে।নবগঠিত এই রাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হয় চাইম ওয়াইজম্যান।
ইজ/রায়ে/ল রাষ্ট্র গঠন হওয়ার ঠিক ৬ মিনিটের মধ্যে আমেরিকা তাদেরকে স্বীকৃতি দেয়!
আর এভাবেই যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ মদদে তারা ইয়াকুব(আঃ) এর সাথে কেনানে আসা যাযাবর থেকে আজকে গাজাকে ধ্বংসকারী দানবে পরিণত হয়েছে!
আর বিশ্বের সকল মুসলিম রাষ্ট্রপ্রধানেরা মুখে কুলুপ এঁটে চুপ করে বসে আছেন আর চোখে ঠুঁলি পরে সবকিছুকে না দেখার ভান করছেন!
Collected
১. ভুলঃ কোমর ব্যথা মানে কিডনি রোগ!
নির্ভুলঃ কিডনি রোগে প্রস্রাব কমে যায়, খাওয়ার রুচি কমে যায়, বমি বমি লাগে, মুখ ফুলে যায়!
২. ভুলঃ ঘন ঘন প্রস্রাব মানেই ডায়াবেটিস বা বহুমূত্র রোগ!!
নির্ভুলঃ ডায়াবেটিস হলে প্রথম অনুভূতি হল- এতো খেলাম, তবুও কেন শক্তি পাইনা, এছাড়া ওজন কমে যায়, মুখে দুর্গন্ধ হয়, ঘা শুকাতে চায়না!
৩. ভুলঃ ঘাড়ে ব্যথা মানেই প্রেসার!
নির্ভুলঃ প্রেসার বাড়লে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কোন উপসর্গ পাওয়া যায় না! একটু অস্বস্তিকর অনুভুতি হয় মাত্র।
৪. ভুলঃ বুকের বামে ব্যথা মানে হার্টের রোগ!
নির্ভুলঃ হার্টের রোগে সাধারণত বুকে ব্যথা হয় না। হলেও বামে নয়তো বুকের মাঝখানে ব্যথা হয়... হার্টের সমস্যায় সাধারণত বুকের মাঝখানে চাপ চাপ অনুভূতি হয়, মনে হয় বুকের মাঝখানটা যেন কেউ শক্ত করে ধরে আছে!!
৫. ভুলঃ মিষ্টি খেলেই ডায়াবেটিস হয়।
নির্ভুলঃ ডায়াবেটিস হরমোনাল অসুখ। অগ্ন্যাশয় ঠিকমত কাজ না করলে ডায়াবেটিস হয়। তাই মিষ্টি খাওয়ার সাথে এই রোগ হবার সম্পর্ক নেই। কিন্তু ডায়াবেটিস হয়ে গেলে মিষ্টি খেতে হয় না।
৬. ভুলঃ প্রেগন্যান্সিতে বেশি পানি খেলে পায়ে পানি আসে।
নির্ভুলঃ প্রেগন্যান্সিতে প্রোটিন কম খেয়ে, কার্বোহাইড্রেট বেশি খেলে পায়ে পানি আসে। তাই প্রোটিন বেশি বেশি খেতে হয়।
৭. ভুলঃ এক্সক্লুসিভ ব্রেস্ট ফিডিং করাকালীন বেবির (৬মাসের আগে পানিও খাওয়ানো যায় না একারণে) ডায়রিয়া হলে, মা স্যালাইন খেলেই বেবিরও চাহিদা পূরণ হয়ে যায়।
নির্ভুলঃ মা খেলেই বাচ্চার চাহিদা পূরণ হয় না... বেবিকেও স্যালাইন খাওয়াতে হয়।
৮. ভুলঃ দাঁত তুললে চোখের আর ব্রেইনের ক্ষতি হয়।
নির্ভুলঃ দাঁত তোলার সাথে চোখের আর ব্রেইনের কোনো সম্পর্ক নেই। দাঁত, চোখ, মাথার নার্ভ সাপ্লাই সম্পূর্ণ আলাদা।
৯. ভুলঃ মাস্টারবেশন করলে চোখের জ্যোতি কমে যায়!
নির্ভুলঃ ভিটামিন এ জাতীয় খাবার না খেলে চোখের জ্যোতি কমে যায়।
১০. টক/ ডিম/ দুধ খেলে ঘা দেরীতে শুকায়।
নির্ভুলঃ টক/ ডিমের সাদা অংশ/ দুধ খেলে ঘা তাড়াতাড়ি শুকায়।
১১. ভুলঃ অস্বাভাবিক আচরন, ভাংচুর, পাগলামি মানেই জ্বিন ভুতে ধরা!!!
নির্ভুলঃ এটা বাইপোলার ডিসঅর্ডার, সিজোফ্রেনিয়া, হ্যালুসিনেশন।
১২. ভুলঃ তালু কাটা, এক চোখ, কপালে চোখ, বাঘের মত ডোরাকাটা দাগ নিয়ে জন্ম গ্রহন করা বাচ্চা কিয়ামতের আলামত, আল্লাহর গজব, বাঘের বাচ্চা।
নির্ভুলঃ মানুষের পেট থেকে বাঘের বাচ্চা হয় না আর কিয়ামতের আলামত বা গজব বাচ্চাদের উপর আসে না। এসব জিনগত রোগ বা জন্মগত রোগ।
১৩. ভুলঃ প্রেগন্যান্ট মহিলা আয়রণ, ক্যালসিয়াম এসব খেলে বাচ্চা বড় হয়ে যায়। তাই গাইনী ডাক্তার সিজার করার জন্য এগুলা প্রেসক্রাইব করে....
নির্ভুলঃ প্রেগন্যান্ট মহিলা আয়রণ, ক্যালসিয়াম না খেলে গর্ভস্থ বেবির নিউরাল টিউব ডিফেক্ট হয়।
১৪. ভুলঃ প্রেগন্যান্সিতে সাদাস্রাব হলে ফ্লুইড কমে যায়।
নির্ভুলঃ White discharge এবং Amniotic fluid সম্পূর্ণ আলাদা দুটো ফ্লুইড.. একটার সাথে আর একটার কোনো সম্পর্ক নেই।
১৫. বাচ্চা না হওয়া মানেই বন্ধ্যা নারী।
নির্ভুলঃ বন্ধ্যা, নারী এবং পুরুষ উভয়ই হতে পারে।।
এ ধরণের আরো অনেক ধরণের গুজব বা কুসংস্কার আমাদের সমাজে প্রচলিত, যেগুলোর কোনো ভিত্তি বা বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা নেই।
সৌজন্যেঃ ডাক্তার তানিয়া সুলতানা
বিঃ দ্রঃ আমাদের পোষ্টগুলো যদি আপনাদের ভাল লাগে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন।
ওয়াকফ ইস্যুতে উত্তাল মুর্শিদাবাদ, ইন্টারনেট বন্ধ করে ভারতীয় পুলিশের গুলি
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Barishal