বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় যেকোনো হার্বাল সাপ্লিমেন্ট এড়িয়ে চলাই ভালো, কারণ এগুলোর সব উপাদান শিশুর জন্য নিরাপদ কিনা তা সবসময় বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত নয়।
Huma
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Huma, Education, কালিবাড়ি রোড, ভোলা সদর ভোলা, Barishal.
শিশুর জন্মের পর প্রথম ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই বিসিজি (BCG) এবং ওপিভি (OPV) জিরো ডোজের মাধ্যমে টিকা দেওয়া শুরু করতে হয়। এরপর নিয়মিত শিডিউল অনুযায়ী বাচ্চার বয়স দেড় মাস বা ৬ সপ্তাহ পূর্ণ হলে পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ টিকাগুলো দেওয়া শুরু হয়।
সাধারণত ৩৭ সপ্তাহে বাচ্চা উল্টো (Breech) থাকলে সরাসরি নরমাল ডেলিভারি বেশ ঝুঁকিপূর্ণ, তবে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের মাধ্যমে 'ECV' পদ্ধতিতে পেট ম্যাসাজ করে বাচ্চা ঘোরানোর চেষ্টা করা সম্ভব হতে পারে। যদি বাচ্চা না ঘোরে, তবে মা ও শিশুর নিরাপত্তার স্বার্থে চিকিৎসকরা সাধারণত সিজারিয়ান সেকশন (C-section) করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।
সিজারের আগে শরীরে রক্ত কম থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শে রক্ত নেওয়া শুধু সম্ভবই নয় বরং নিরাপত্তার জন্য জরুরি। এ ক্ষেত্রে দ্রুত হিমোগ্লোবিন পরীক্ষা করে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সংখ্যক রক্তদাতার (ব্লাড ডোনার) ব্যবস্থা করে রাখা উচিত।
সাধারণত গর্ভাবস্থার ৩৯ সপ্তাহ পূর্ণ হলে সিজার করানো বাচ্চার স্বাস্থ্যের জন্য সবচেয়ে ভালো, কারণ এতে তার ফুসফুস ও অঙ্গপ্রত্যঙ্গ পূর্ণ গঠন পায়। তবে মা বা বাচ্চার কোনো জটিলতা থাকলে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ৩৭ থেকে ৩৮ সপ্তাহের মধ্যেও সিজার করা নিরাপদ হতে পারে।
ঘুমের মধ্যে অজান্তে পজিশন পরিবর্তন হওয়া খুব স্বাভাবিক এবং এতে বাচ্চার কোনো বড় ক্ষতির সম্ভাবনা নেই; শুধু টের পাওয়া মাত্রই আবার বাম কাতে ফিরে শুয়ে পড়ুন। শরীরের নিচে এবং দুই হাঁটুর মাঝে বালিশ ব্যবহার করলে আপনি স্থিরভাবে একপাশে শুয়ে থাকতে বেশি আরাম পাবেন।
সাধারণত জন্মের ৪ সপ্তাহ বা ১ মাস পর থেকে শিশুকে প্যাসিফায়ার দেওয়া নিরাপদ, যাতে সে বুকের দুধ খাওয়ার সঠিক পদ্ধতিটি (Latch) আগে ভালোভাবে শিখে নিতে পারে। তবে দীর্ঘমেয়াদী দাঁতের সমস্যা বা ইনফেকশন এড়াতে ৬ মাস থেকে ১ বছরের মধ্যে এটি ছাড়িয়ে দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
গর্ভাবস্থার শুরুর দিকে জরায়ু ছোট থাকায় চিত হয়ে শোয়া ক্ষতিকর নয়, তবে অভ্যাসের জন্য ধীরে ধীরে বাম কাতে শোয়ার চেষ্টা করা ভালো। ১৬ সপ্তাহের পর থেকে চিত হয়ে শুলে শরীরের প্রধান রক্তনালীতে চাপ পড়ে বাচ্চার রক্ত সঞ্চালন কমিয়ে দিতে পারে, তাই তখন থেকে এটি এড়িয়ে চলাই শ্রেয়।
শেষ দুই মাসে সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও বিশ্রামের মাধ্যমে বাচ্চার ওজন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো সম্ভব, কারণ এই সময়েই তারা দ্রুত বড় হয়। প্রোটিনযুক্ত খাবার (ডিম, দুধ, মাছ, মাংস) এবং পর্যাপ্ত ক্যালরি নিশ্চিত করার পাশাপাশি বাম কাতে ফিরে শুলে বাচ্চার রক্ত সঞ্চালন ও পুষ্টি বৃদ্ধি পায়।
এক মাস বয়সী শিশুর ঘনঘন দুধ খেতে চাওয়া এবং কম ঘুমানো একদম স্বাভাবিক, কারণ এই সময় তাদের পাকস্থলী খুব ছোট থাকে এবং তারা দ্রুত বেড়ে ওঠে (Growth Spurt)। যদি শিশুর প্রস্রাব-পায়খানা ঠিক থাকে এবং ওজন বাড়ে, তবে দুশ্চিন্তার কিছু নেই; সে কেবল তার প্রয়োজনীয় পুষ্টি নিশ্চিত করছে।
সাধারণত গর্ভাবস্থার ৩২ থেকে ৩৬ সপ্তাহের পর জরায়ুতে জায়গা কমে যাওয়ায় বাচ্চার পজিশন আর খুব একটা পরিবর্তন হয় না। তবে অধিকাংশ শিশু ৩৬ সপ্তাহের মধ্যেই চূড়ান্তভাবে মাথা নিচের দিকে (Cephalic position) নিয়ে আসে।
সিজারের পর পিঠের ব্যথা ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার উপায়
📍 ক্যালসিয়াম ও আয়রনের অভাব পূরণ:
▪️সিজারের পরবর্তী পিঠের ব্যথার অন্যতম প্রধান কারণ হলো শরীরে প্রয়োজনীয় খনিজের ঘাটতি। এটি কাটিয়ে উঠতে:
💊 সাপ্লিমেন্টের গুরুত্ব:
ক্যালসিয়াম ও আয়রনের অভাব পূরণে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত ওষুধ সেবন করুন।
⚠️ সতর্কবার্তা:
কোষ্ঠকাঠিন্যের ভয়ে সাপ্লিমেন্ট বন্ধ করবেন না; বরং প্রয়োজনে ভালো ব্র্যান্ডের বা লিকুইড সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করুন।
🥗 কোষ্ঠকাঠিন্য ও ডায়েট নিয়ন্ত্রণ:
▪️পেট পরিষ্কার থাকলে এবং শরীরে পুষ্টি থাকলে পিঠের ব্যথা দ্রুত উপশম হয়। এজন্য যা করবেন:
💧 প্রচুর পানি: প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করুন যা শরীরের বিষাক্ত পদার্থ বের করতে সাহায্য করবে।
🌾 ইসবগুলের ভুষি:
কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার জন্য ইসবগুলের ভুষি একটি অত্যন্ত কার্যকর প্রাকৃতিক সমাধান।
🥦 ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার:
খাদ্যতালিকায় নিয়মিত টাটকা শাকসবজি ও আঁশযুক্ত খাবার রাখুন।
💡 মনে রাখবেন:
শরীরের অভ্যন্তরীণ ঘাটতি পূরণ হলে এবং হজম প্রক্রিয়া স্বাভাবিক থাকলে সিজার পরবর্তী জটিলতাগুলো দ্রুত সেরে যায়।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Culinary Team
Attire
Contact the school
Telephone
Website
Address
Barishal
8300