যেহেতু হজ্ব এর সময় চলমান তাই হজ্ব বিষয় এই পেইজ থেকে পোস্ট করা হবে । আশা করি আপনি /আপনারা সেয়ার করে অন্য ভাই/বোনকে দেখার সুজুগ করে দিবেন। কারন এমন কতিপয় এবাদত রয়েছে যা অনেকে আমরা জানিই না তাই আপনার মাধ্যমে যদি কোন ব্যক্তি এ বিষয় অবগত হয়ে ইবাদত করেন তাহলে ইবাদতের সওয়াব হিসাবে আপনিও একটি অংশ পাবেন ইনশাল্লাহ।
আভিদানিকঅর্থ: হজ্ব একটি আরবি শব্দ। অর্থ নিয়ত করা, দর্শন করা, সঙ্কল্প করা, এরাদা করা, গমন করা, ইচ্ছা করা, প্রতিজ্ঞা করাসহ , কোনো মহৎ কাজে ইচ্ছা করা।
আর শরিয়তের পরিভাষায় নির্দিষ্ট দিনে নিয়তসহ ইহরামরত অবস্থায় আরাফার ময়দানে অবস্থান করা এবং বায়তুল্লাহ শরীফ তাওয়াফ করা।
আবার অনেকে বলেন, জিলহজ্বের ৯ তারিখ ইহরাম বেঁধে আরাফাতের মাঠে অবস্থানসহ কয়েকটি নির্দিষ্ট স্থানে নির্ধারিত কয়েকটি আমল যথাযথভাবে আদায় করে কাবা গৃহ তাওয়াফ করাকে হজ্ব বলে।
আল-ফিকাউল ইসলামী গ্রন্থে বলা হয়েছে, “নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট কাজের মাধ্যমে নির্ধারিত স্থান যিয়ারত করা হল হাজ্জ”।
আল-কামসুল ফিকহ গ্রন্থে আছে, “আল্লাহর নৈকট্য লাভের আশায় একটা নির্ধারিত সময়ে মক্কা মুয়াযযামার বায়তুল হারামে গমনের নিয়ত পোষণ করাই হল হাজ্জ”।
শরহে বিকায়া গ্রন্থাগার বলেন, “নির্দিষ্ট সময়ে সুনির্দিষ্ট স্থান যিয়ারত করার নাম হল হাজ্জ”।
মাওঃ মোঃ রাহতুল ইসলাম
Ad Deen Islamic Model School আদ্ দ্বীন ইসলামিক মডেল স্কুল
সবার জন্য উন্মুক্ত পাঠশালা।
হালাল বিনোদন। 🤣🤣
আবদা (রহঃ) ... আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সালাম করতেন, তিনবার সালাম করতেন। আর যখন কোন কথা বলতেন তা তিনবার বলতেন। [বুখারী শরিফ, অধ্যায়ঃ ৩, হাদিস নং ৭২]
حَدَّثَنَا عَبْدَةُ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُثَنَّى، قَالَ حَدَّثَنَا ثُمَامَةُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَنَسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ كَانَ إِذَا سَلَّمَ سَلَّمَ ثَلاَثًا، وَإِذَا تَكَلَّمَ بِكَلِمَةٍ أَعَادَهَا ثَلاَثًا.
মহরানা বা কাবিনের ধার্য্য কৃত টাকা কি? এবং কেনো? কখন আদায় করবো? না কি আদায় না করলেও চলে? কেনইবা আদায় করবো? এটা কি স্ত্রী স্বামীকে ক্ষমা করে দিতে পারবেন?
কেহ বিষয়টি বুঝিয়ে বললে খুশি হতাম।
ফরজ গোসলের সঠিক পদ্ধতি।
মাওঃ মোঃ রাহতুল ইসলাম।
গোসলের আগে প্রস্রাব-পায়খানা সেরে নেবে। এতে বীর্য ইত্যাদি সম্পূর্ণরূপে বের হওয়া সহজ হয়। প্রথমে দুই হাত কবজি পর্যন্ত তিনবার ধৌত করবে। এরপর ডান হাতে পানি নিয়ে বাঁ হাত দিয়ে শরীরের যেসব জায়গায় বীর্য ও নাপাকি লেগে থাকে, তা ধুয়ে পরিষ্কার করবে। এবার বাঁ হাত ভালো করে ধুয়ে ফেলবে। তারপর অজু করবে, তবে পা ধৌত করবে না। অতঃপর পুরো শরীর ধোয়ার জন্য প্রথমে তিনবার ডানে, তারপর তিনবার বাঁয়ে পানি ঢেলে ভালোভাবে ধুতে হবে, যেন শরীরের কোনো অংশ এমনকি কোনো পশমও শুকনো না থাকে। নাভি, বগল ও অন্যান্য জায়গায় পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুতে হবে। সব শেষে গোসলের জায়গা থেকে সামান্য সরে গিয়ে দুই পা তিনবার ধুয়ে নেবে। (হেদায়া : ১/৩০)
# উঁচু স্থানে বসে গোসল করা, যাতে পানি গড়িয়ে যায় ও গায়ে ছিটা না লাগে। পানির অপচয় না করা। বসে বসে গোসল করা।
# লোকসমাগমের স্থানে গোসল করবে না। পবিত্র জায়গায় গোসল করবে। ডান দিক থেকে গোসল শুরু করা। (বাদায়েউস সানায়ে ১/৩৪, রদ্দুল মুহতার ১/৯৪)
# বাহ্যিক অঙ্গের চুল পরিমাণ জায়গাও শুকনো থাকলে ফরজ গোসল শুদ্ধ হবে না। (শরহে মুখতাসারুত তাহাভি ১/৫১০)
# নেইলপলিশ, রং বা সুপার গ্লু ইত্যাদি যা শরীরে পানি পৌঁছার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধক হয়, তা উঠিয়ে নিচে পানি পৌঁছানো জরুরি, অন্যথায় গোসল শুদ্ধ হবে না। (ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/১৩)
# ফরজ গোসলে পুরুষের দাড়ি ও মাথার চুল গোড়াসহ সম্পূর্ণ ভালোভাবে ভিজতে হবে। নারীদের চুল বাঁধা থাকলে খোলা ছাড়া যদি চুলের গোড়ায় পানি পৌঁছানো সম্ভব হয়, তাহলে না খুলে শুধু গোড়ায় পানি পৌঁছানোই যথেষ্ট। আর যদি চুল খোলা থাকে তাহলে পুরুষের মতো সম্পূর্ণ চুল ধৌত করা ফরজ। (বাদায়েউস সানায়ে ১/৩৪, রদ্দুল মুহতার ১/১৪২)
# ফরজ গোসলে নারীদের কান ও নাকফুল নাড়িয়ে ছিদ্রে পানি পৌঁছানো জরুরি। (আল মুহীতুল বুরহানি ১/৮০)
# কানের ভেতর ও নাভিতে পানি পৌঁছানোর ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা জরুরি।
মহিলারা যদি রমযান মাসে কোনো ওষুধ প্রয়োগের মাধ্যমে ঋতুস্রাব বন্ধ...
প্রশ্ন
মহিলারা যদি রমযান মাসে কোনো ওষুধ প্রয়োগের মাধ্যমে ঋতুস্রাব বন্ধ রাখে তাহলে ওই দিনগুলোতে রোযা রাখতে পারবে কি না এবং এতে রোযার কোনো ক্ষতি হবে কি না?
উত্তর
রমযান মাসে কোনো মহিলা ওষুধ খেয়ে স্রাব বন্ধ রাখলে ওই দিনগুলোতেও তাকে রোযা রাখতে হবে। তার এ রোযাগুলো ত্রুটিযুক্ত হবে না; বরং পূর্ণ সহীহ বলেই গণ্য হবে।
উল্লেখ্য, ঋতুস্রাব মহিলাদের স্বভাবজাত বিষয়। এ অবস্থায় রোযা না রাখার বিধান রয়েছে এবং এর পরিবর্তে অন্য সময় রোযা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সুতরাং রমযানে স্রাব বন্ধকারী ওষুধ ব্যবহার করার প্রয়োজন নেই। কেননা রমযানে ¯্রাবের কারণে রোযা না রাখলেও শরীয়তের কোনো বিধান লঙ্ঘন হয় না। উপরন্তু ঔষধ ব্যবহারে কোনো কোনো ক্ষেত্রে শারীরিক ক্ষতির আশংকা থাকে। তাই এ থেকে বিরত থাকাই উচিত।
-জামিউ আহ্কামিন নিসা ১/১৯৮; ফাতাওয়া রহীমিয়া ৮/১৩৬
এই পেইজের সাথে থাকুন।
https://www.facebook.com/Dont-be-ashamed-to-know-follw-according-to-your-knowledge-112017200383215/?modal=admin_todo_tour
হায়েজ নেফাসওয়ালী স্ত্রী লোকের পালনীয় কর্তব্য
নিম্নলিখিত ১৮টি মাসয়ালা আলমগীরী কিতাব হতে দেয়া হইলঃ-
১। স্ত্রীলােকের ঋতু ও নেফাসা অবস্থায়া রোজা রাখিবেন না এবং নামাজ ও পরিবেন না । ( তবে যখন পাক হবেন তখন রোজা ক্বাজা আদায় করিবেন এবং নামাজ ক্বাজা আদায় করিতে হবে না । রোজা বছরের একবার এবং নামাজ প্রতিদিন পাঁচ বার আশে তাই।)
২। ঋতু বা নেফাস প্রকাশ বা আলামত দেখতে বা অনুভব হলে শিয়োর হয়ে নামাজ বা রোজা ছেড়ে দিতে হবে ।
৩। রোজা অবস্থায় সূর্যাস্তের সামান্ন পূর্বে ঋতু বা নেফাস প্রকাশ বা আলামত দেখতে বা অনুভব হলে ঐ দিনের রোজা ক্বাজা আদায় করিতে হবে ।
(চলমান 01)
এমন অনেকে আছেন যারা মাসায়ালা জিজ্ঞাসা করতে লজ্জাপান তাদের জন্য আমাদের ক্ষুদ্র প্রয়াশ। যেহেতু পোস্ট বড় হলে পড়া হয় না তাই ছোট করে বার বার পোষ্ট দেয় হবে নিচের লিংকে আমাদের পেইজ থেকে প্রকাশ করা হবে । তাই আমদের পেইজে লাইক কমেন্ট করে সাথে থাকার অনুরোধ করা হলে ।
৪। নামাযের ওয়াক্তে হায়েজ বা নেফাস হইলে এই ওয়াক্তের নামায মাফ হইবে।
সম্পুর্ণ নামায আদায় করিতে পারে এমত সময় না থাকিলে সেই ওয়াক্তের নামায মাফ হইবে ।
৫। নামাযের শেষ ওয়াক্তে যদি নামায আরম্ভ করে আর ঐ নামাযের মধ্যে তাহার হায়েজ বা নেফাস হয়, তবে নামায ছাড়িয়া দিবে। ঐ নামাযের কাজা করিতে হইবে না।
৬। নফল নামাযের বা নফল রােযার মধ্যে হায়েজ বা নেফাস আসিলে উহার কাজা আদায় করিতে হইবে।
৭। ঋতুবতী বা নেফাসওয়ালী স্ত্রীলােক প্রত্যেক নামাযের ওয়াক্তে অজু করিয়া
তাছবীহ তাহলীল পাঠ করিবে। (ইহা মুস্তাহাব)।
৮। হায়েজ নেফাস বা এইরূপ অন্য কোন কারণে যাহাদের উপর গােসল করা
ফরজ, তাহাদের মসজিদে প্রবেশ করা হারাম। কিন্তু গুরুতর প্রয়ােজন বশতঃ প্রবেশ করার বিধান আছে। যেমন-মসজিদ ছাড়া অন্যত্র পানি না পাইলে, শত্রু, চোর, ডাকাত ও হিংস্র প্রাণী কিংবা শীততাপ হইতে আশ্রয় না পাইলে ঐ অবস্থায় মসজিদে প্রবেশ করা জায়েয আছে। কিন্তু তাইয়াম্মুম করিয়া লওয়া ভাল।
৯। হায়েজ ও নেফাস অবস্থায় কবর যিয়ারত করিতে পারে।
১০। হায়েজ, নেফাস কিংবা অন্য যে কোন অশুচিতার কারণে নাপাক অবস্থায় কাবা শরীফের তাওয়াফ করা হারাম।
প্রতিদিন নামাজের মাসআলা ও প্রয়োজনীয় দোয়া দেওয়া হবে। ইনশাআল্লাহ । আমাদের সাথে থাকার জন্য অনুরোধ করা হলে।
বুখারী হাদীস নং ৮০৪। আবূ সাঈদ আল-খুদরী থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত শুরু করে (তাকবীরে তাহরীমার পর) বলতেন: সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা ওয়া তাবারাকাসমুকা ওয়া তাআলা জাদ্দুকা ওয়া লা ইলাহা গাইরুকা
(হে আল্লাহ! আমি আপনার সপ্রশংস পবিত্রতা ঘোষণা করছি, আপনার নাম বরকতপূর্ণ, আপনার মাহাত্ন সুউচ্চ এবং আপনি ব্যতীত কোন ইলাহ নেই)।
Click here to claim your Sponsored Listing.