Eternal Echoes: Islam, Politics, and Lessons from the Past

Eternal Echoes: Islam, Politics, and Lessons from the Past Discover Islamic history, politics, and wisdom with us. Join us for enlightenment and insight

05/07/2024
চরিত্রের আদর্শ বিভিন্ন কেন?কিন্তু এখন প্রশ্ন এই যে, চরিত্রের ভাল-মন্দ যখন সর্বজন জ্ঞাত ও পরিচিত এবং মানুষের এক প্রকারের ...
15/06/2024

চরিত্রের আদর্শ বিভিন্ন কেন?

কিন্তু এখন প্রশ্ন এই যে, চরিত্রের ভাল-মন্দ যখন সর্বজন জ্ঞাত ও পরিচিত এবং মানুষের এক প্রকারের গুণকে ভাল ও অন্য এক প্রকারের গুণকে মন্দ মনে করার ক্ষেত্রে সমগ্র দুনিয়া চিরদিন অভিন্ন মত পোষণ করেছে, এখন চরিত্র সম্পর্কে এরূপ বিভিন্ন আদর্শের সৃষ্টি হলো কেন? দুনিয়ার এ বিভিন্ন চরিত্র নীতির মধ্যে এরূপ পাণ্র্ক্য হবারইবা কারণ কি? চরিত্র সম্পর্কে ইসলামের আদর্শ সম্পূর্ণ আলাদা; একথা কোন্ কারণে বলা হয় এবং চরিত্রের ব্যাপারে ইসলামের এক স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য রয়েছে বলে দাবী করার মূলে এর বিশেষ অবদানই বা (Contribution) কি? এ বিষয়টি বুঝার জন্য যখন আমরা দুনিয়ার বিভিন্ন চরিত্রনীতির উপর দৃষ্টি নিক্ষেপ করি, তখন প্রথম দৃষ্টিতেই আমরা এ পার্থক্য দেখতে পাই যে, জীবনের সমগ্র ক্ষেত্রে বিভিন্ন নৈতিক গুণকে প্রযুক্ত করা এবং তাদের সীমা ও তাদের পরস্পরের মধ্যে সামঞ্জস্য স্থাপন করার ব্যাপারে দুনিয়ার চরিত্রনীতিগুলোর একটির সাথে অন্যটির মিল নেই।
আরো একটু গভীর দৃষ্টিতে দেখলে এ পার্থক্যের কারণ জানা যায় এবং তা এই যে, মূলত চরিত্রের ভাল-মন্দের মাপকাঠি নির্বাচন এবং ন্যায়-অন্যায় সংক্রান্ত জ্ঞানলাভের মাধ্যম নির্দিষ্ট করার ব্যাপারেই এদের একটির সাথে আর একটির সাদৃশ্য নেই। উপরন্তু আইনের পশ্চাতে কোন্ কার্যকরী শক্তি (Sanction) বর্তমান থাকবে যার চাপে এটা প্রবর্তিত হবে এবং কিসের প্রেরণাইবা মানুষ তা পালন করতে উদ্বুদ্ধ হবে : এ মৌলিক প্রশ্নেও চরিত্রনীতিগুলোর মধ্যে পার্থক্য বর্তমান। কিন্তু এই পার্থক্য ও গরমিলের মূল কারণ যখন আমরা খুজে দেখতে চেষ্টা করি, তখন শেষ পর্যন্ত এ নিগুঢ় তত্ত্ব আমাদের নিকট সুস্পষ্ট হয়ে উঠে যে, বিশ্ব প্রকৃতি, বিশ্ব প্রকৃতির অভ্যন্তরে মানুষের মর্যাদা এবং সেই দুনিয়ার মানুষের উদ্দেশ্য সম্পর্কে বিভিন্ন প্রকারের ধারণা থাকার দরুনই চরিত্রনীতিগুলো বিভিন্ন পথে পরিচালিত হয়েছে এবং ধারণার এ বিভিন্নতাই মূল হতে শুরু করে শাখা পর্যন্ত এদের মূল ভাবধারা, এদের মেযায ও প্রকৃতি এবং এদের রূপ কাঠামোকে পর্যন্ত সম্পূর্ণরূপে বিভিন্ন করে দিয়েছে। মানুষের জীবন আসল সিদ্ধান্তমূলক প্রশ্ন হচ্ছে এই যে, এ বিশ্ব প্রকৃতির সৃষ্টিকর্তা কেউ আছে কিনা? থাকলে তা বহু না এক ? সৃষ্টিকর্তা যাকেই স্বীকার করা হবে তার গুণাবলী কি? আমাদের সাথে তার কিসের সম্পর্ক ? তিনি আমাদের পথপ্রদর্শনের কোন ব্যবস্থা করেছেন কি ? আমরা তার নিকট জবাবদিহি করতে বাধ্য হবো কি ? জবাবদিহি করতে হলে কিসের জবাবদিহি করতে হবে ? আমাদের জীবনের পরিণতি কি ? কোন্ উদ্দেশ্যের প্রতি লক্ষ্য রেখে আমাদেরকে কাজ করতে হবে ? বস্তুত এ সকল প্রশ্নের জবাব যে ধরনের হবে তদনুযায়ীই জীবন ব্যবস্থা রচিত হবে এবং এর সাথে সংগতি রেখে চরিত্রনীতি নির্ধারিত হবে।
এ সংক্ষিপ্ত আলোচনায় দুনিয়ার বিভিন্ন জীবন পদ্ধতি পর্যালোচনা করা, উল্লেখিত প্রশ্নগুলো সম্পর্কে এদেরকে কি জবাব দিয়েছে এবং সেই জবাব তার স্বরূপ ও পথ নির্ধারণের কি প্রভাব বিস্তার করেছে, তা এখানে বিস্তারিত প্রকাশ করে বলা আমার পক্ষে কঠিন। কাজেই উল্লেখিত প্রশ্নগুলো সম্পর্কে ইসলামের জবাব এবং সেই অনুযায়ী রচিত বিশেষ ধরনের চরিত্র 'বিধান সম্পর্কেই আমি আলোচনা করব।

ইসলামের জীবন পদ্ধতি পুস্তক থেকে সংগৃহীত
লেখকঃ সাইয়েদ আবুল আ'লা মওদুদী

ইসলামের নৈতিক আদর্শমানুষের প্রকৃতিতে চরিত্রের অনুভুতি একটা স্বাভাবিক অনুভুতি। ইহা এক প্রকারের গুণ ও কাজকে পসন্দ করে এবং ...
13/06/2024

ইসলামের নৈতিক আদর্শ

মানুষের প্রকৃতিতে চরিত্রের অনুভুতি একটা স্বাভাবিক অনুভুতি। ইহা এক প্রকারের গুণ ও কাজকে পসন্দ করে এবং আর এক প্রকারের গুণ ও কাজকে করে অপসন্দ। এ অনুভুতি ব্যক্তিগতভাবে মানুষের মধ্যেও কমও হতে পারে, বেশীও হতে পারে। কিন্তু সামগ্রিকভাবে মানবতার তীব্র চেতনা চরিত্রের কোন কোন গুণকে ভাল এবং কোন কোন গুণকে মন্দ বলে চিরদিন একইরূপে অভিহিত করেছে। সততা সুবিচার, ওয়াদাপূর্ণ করা এবং বিশ্বাসপরায়ণতাকে চিরদিন মানব চরিত্রের প্রশংসনীয় গুণ বলে মনে করা হয়েছে। মিথ্যা, যুলুম, প্রতিশ্রুতি ভংগ করা ও বিশ্বাসঘাতকতাকে মানবেতিহাসের কোন যুগেই পসন্দ করা হয়নি। সহানুভূতি, দয়া, দানশীলতা এবং উদারতাকে চিরদিনই সম্মান করা হয়েছে।
পক্ষান্তরে স্বার্থপরতা, নিষ্ঠুরতা, কৃপণতা ও সংকীর্ণ দৃষ্টিকে কোন দিনই মর্যাদা দান করা হয়নি। ধৈর্য, সহিষ্ণুতা, দৃঢ়তা ও আদর্শপরায়ণতা এবং বীরত্ব ও উচ্চ আশা চিরদিনই শ্রদ্ধা পাবার উপযুক্ত গুণ হিসেবে গণ্য হয়েছে। পক্ষান্তরে অস্থিরতা, নীচতা, খোশামোদী, হীন মনোবৃত্তি ও কাপুরুষতাকে কোন দিনই অভিনন্দিত করা হয়নি। আত্নসংযম, আতুসম্মান জ্ঞান, নিয়ামানুবর্তিতা ও অকপট মেলামেশাকে চিরদিনই মানুষের বৈশিষ্ট্য হিসেবে গণ করা হয়েছে এবং প্রবৃত্তির গোলামী, অশালীন আচরণ, সংকীর্ণতা, বে-আদবী ও কুটিল মনোবৃত্তি মানব চরিত্রের বৈশিষ্ট্যের তালিকায় কোন দিনই স্থান পায়নি। কর্তব্যপরায়ণতা, প্রতিশ্রুতি পূর্ণ করা, কর্মপটুতা এবং দায়িতবোধ চিরদিনই সম্মান পেয়ে এসেছে। কিন্তু কর্তব্য সম্পর্কে উদাসীন, দায়িত্বজ্ঞানহীন, প্রতিশ্রুতি ভঙ্গকারী ও কর্মবিমুখ মানুষকে কোনদিনই সুনজরে দেখা হয়নি। এভাবে সমাজ জীবনের ভাল ও মন্দ গুণাবলী সম্পর্কেও মানবতার সিদ্ধান্ত চিরকাল প্রায় একই প্রকারের রয়েছে।
পৃথিবীর দরবারে সম্মান এবং মর্যাদা চিরদিন কেবল সেই সমাজই লাভ করতে পেরেছে যাতে নিয়ম-শৃংখলা আছে, সহানুভূতি ও পারস্পরিক সহযোগিতা আছে, পারস্পরিক ভালোবাসা ও হিতাকাংখা আছে এবং সামাজিক সুবিচার ও সাম্য ব্যবস্থা আছে। দলাদলি উচ্ছৃংখলতা, ভেদ-বৈষম্য, অনিয়ম-অনৈক্য, পারস্পরিক শত্রভা, যুলুম ও অসহযোগিতাকে দুনিয়ার ইতিহাসে কোন দিনই সামাজিক সৌন্দর্য ও বৈশিষ্ট্যের মধ্যে গণ্য করা হয়নি। কাজ-কর্মের ভাল-মন্দ সম্পর্কেও একথা সম্পূর্ণ রূপে সত্য। চুরি, ডাকাতি, ব্যভিচার, হত্যা, জালিয়াতি ও ঘুষখোরকী কোন দিনই ভাল কাজ বলে মনে করা হয়নি। কটুক্তি, নিপীড়ন, কুৎসা, চোগলখুরী, হিংসা-দ্বেষ, অকারণে দোষারোপ এবং মানব সমাজে অশান্তি ও উচ্ছৃংখলতা সৃষ্টি করাকে কোন সময়েই পুূণ্যের কাজ বলে মনে করা হয়নি। প্রতারক, ধোকাবাজ, অহংকারী, রিয়াকারী (শুধু পরকে দেখাবার জন্য যে পুণ্যের কাজ করে) মুনাফিক ও অন্যায় জেদপরায়ণ এবং লোভী ব্যক্তি কখনও ভাল লোকের মধ্যে পরিগণিত হয়নি। পক্ষান্তরে পিতা-মাতার খেদমত করা, আত্নীয়-স্বজনকে সাহায্য করা, পাড়া-প্রতিবেশীর সাথে ভাল ব্যবহার করা, বন্ধু-বাদ্ধের সাথে অকপট ও আন্তরিক সম্বন্ধ স্থাপন করা, ইয়াতীম, মিসকীন ও অসহায় লোকদের দেখাশুনা করা, রুগ্ন ও অসুস্থ লোকদের সেবা শুশ্রষা করা এবং বিপদগ্রস্ত লোকদের প্রতি সহানুভূতি প্রদর্শন করা চিরকালই নেকীর কাজ বলে অভিহিত হয়েছে। সৎকর্মশীল, মিষ্টভাষী, কোমল স্বভাব ও হিতাকাংখী মানুষ চিরদিনই সম্মান লাভ করেছে। মানবতা চিরদিনই সেসব লোককেই শ্রেষ্ঠ ও উত্তম বলে মনে কের এসেছে যারা সত্যবাদী, সত্যের অনুসন্ধানকারী, যাদের উপর সকল কাজেই নির্ভর করা চলে, যাদের ভিতর বাহির একই প্রকার এবং যাদের কথা ও কাজে পরিপূর্ণ মিল আছে, যারা শুধু নিজেদের প্রাপ্য অংশ লাভ করে তৃপ্ত হন এবং অন্যের অধিকারকে উদার চিত্তে আদায় করে থাকেন, যারা নিজেরা শান্তিতে 'থাকতে অভ্যস্ত এবং মানুষকেও শান্তি দান করতে যত্নবান, যাদের নিকট হতে প্রত্যেকেই মঙ্গলময় কাজের আশা করতে পারে এবং যাদের দ্বারা কিছুমাত্র ক্ষতি-লোকসান হবার কারো আশংকা থাকে না।
এ আলোচনা হতে স্পষ্টরূপে জানা গেল যে, মানব চরিত্র মূলত এমন এক বিশ্বব্যাপী সনাতন সত্য যা দুনিয়ার সকল মানুষই অবগত আছে। পাপ ও পৃণ্য কিংবা ভাল ও মন্দ এমন কোন গোপনীয় বস্তু নয় যে, সেটাকে অন্য কোন স্থান হতে খুজে বের করে আনতে হবে। এটাতো মানুষের জ্ঞাত ও চির পরিচিত সত্য। এর চেতনা ও অনুভুতি মানব প্রকৃতিতে স্বাভাবিকভাবেই ঠিক। এ কারণেই পবিত্র কুরআনে নেকীকে “মারূফ” (জানা) এবং পাপকে “মুনকার (অজানা) নামে অভিহিত করেছেন। নেকী তা-ই যাকে সকল মানুষ ভাল বলে জানে এবং পাপ তাই যাকে মানুষই ভাল বলে জানে না। এ তত্ত্ব সম্পর্কেই পবিত্র কুরআনের ভাষায় বলা হয়েছে: ?? আল্লাহ তায়ালা মানব প্রকৃতিকে ভাল এবং মন্দের জ্ঞান
স্বাভাবিকভাবেই দান করেছেন। (সূরা আশ শামস : ৮)

ইসলামের জীবন পদ্ধতি পুস্তক থেকে সংগৃহীত
লেখকঃ সাইয়েদ আবুল আ'লা মওদুদী

আল্লাহ তা'আলা যাকে অপছন্দ করেন তাকেও অঢেল ধন সম্পদ দান করেন। আর যাকে পছন্দ করেন তাকে দান করেন হিকমাহ।যাকে হিকমাহ দান করা...
12/06/2024

আল্লাহ তা'আলা যাকে অপছন্দ করেন তাকেও অঢেল ধন সম্পদ দান করেন। আর যাকে পছন্দ করেন তাকে দান করেন হিকমাহ।
যাকে হিকমাহ দান করা হয় তার ভিতরে থাকে সাকিনা। আরবি সাকিনা শব্দের অর্থ শান্ত, প্রশান্ত, ধীর, স্থির।
টেবিল ভর্তি খাবার অথচ প্রত্যেকটা খাবারে আপনি দোষ খুঁজে পাচ্ছেন, পেট ভরে খেতে পারছেন না। কেননা আপনাকে সম্পদ দান করা হয়েছে, হিকমাহ দেয়া হয়নি যে কারণে আপনার ভিতর সাকিনা নেই।
আপনাকে হিকমাহ দেয়া হয়েছে যে জন্যে আলু ভর্তা আর ডাল দিয়েও পরম প্রশান্তি নিয়ে পেট ভরে খেয়ে উঠে বলে উঠবেন আলহামদুলিল্লাহ।
উচ্চশিক্ষিতা সুন্দরী স্ত্রী পেয়েও আপনি তাকে নিয়ে সুখী নন, কারণ আপনাকে হিকমা দেয়া হয়নি।
টয়োটা এলিয়নে চড়েও আপনি সুখী নন, আপনার কেন পাজেরো নাই? এর কারণ আপনার মাঝে হিকমাহ নাই, সাকিনা উঠে গেছে। আপনি আপনার অবস্থানে সুখী নন।
আরবি হিকমা শব্দের অর্থ প্রজ্ঞা। যাকে আল্লাহ তা'আলা হিকমা দান করেন সে সর্ব অবস্থায় সন্তুষ্ট থাকে, শান্তিতে থাকে। এর অর্থ নিজেকে মানিয়ে চলা এবং তাতে সন্তুষ্ট থাকা।
রিজিক শব্দের অর্থ অনেক ব্যাপক।
■▪রিযিকেরর সর্বনিম্ন স্তর হচ্ছেঃ টাকা, পয়সা, অর্থ এবং সম্পদ।
■▪রিযিক এর সর্বোচ্চ স্তর হচ্ছেঃ শারীরিক এবং মানসিক সুস্থতা।
■▪রিযিকের সর্বোত্তম স্তর হচ্ছেঃ পুণ্যবান স্ত্রী এবং পরিশুদ্ধ নেক সন্তান এবং
■▪রিযিক এর পরিপূর্ণ স্তর হচ্ছেঃ মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি।
■■ রিযিক খুব গভীর একটি বিষয়, যদি আমরা তা বুঝতে পারি।
■■ আমি পুরো জীবনে কত টাকা আয় করবো সেটা লিখিত, কে আমার জীবনসঙ্গী হবে সেটা লিখিত, কবে কোথায় মারা যাবো সেটাও লিখিত এবং কতটা খাবার ও পানীয় গ্রহণ করবো তাও লিখিত বা নির্দিষ্ট।
■■ আশ্চর্যের ব্যাপার হচ্ছে, আমি কতগুলো দানা বা ভাত দুনিয়াতে খেয়ে তারপর মারা যাবো সেটা লিখিত। একটি দানাও কম না এবং একটিও বেশি না।
■■ ধরুন এটা লিখিত যে আমি সারাজীবনে এক কোটি টাকা আয় করবো, এই সিদ্ধান্ত আল্লাহ্‌ তা'আলা নিয়েছেন।
■■ কিন্তু, আমি হালাল উপায়ে আয় করবো না হারাম উপায়ে আয় করবো সেই সিদ্ধান্ত একান্তই আমার।
■■ যদি ধৈর্য ধারণ করি, আল্লাহ্‌ তা'আলার কাছে চাই, তাহলে হালাল উপায়ে ওই এক কোটি টাকা আয় করেই আমি মারা যাবো। আর হারাম উপায়ে হলেও ওই এক কোটিই... নাথিং মোর, নাথিং লেস!
■■ আমি যেই ফলটি আজকে টেকনাফ বসে খাচ্ছি, সেটা হয়ত ইতালি কিংবা থাইল্যান্ড থেকে ইমপোর্ট করা। ওই গাছে যখন মুকুল ধরেছে তখনই নির্ধারিত হয়েছে যে, সেটি আমার কাছে পৌঁছাবে। এর মধ্যে কত পাখি ওই ফলের উপর বসেছে, কত মানুষ এই ফলটি পাড়তে গেছে, দোকানে অনেকে এই ফলটি নেড়েচেড়ে রেখে গেছে, পছন্দ হয় নি বা কিনেনি। এই সব ঘটনার কারণ একটাই, ফলটি আমার রিযিকে লিখিত। যতক্ষণ না আমি কিনতে যাচ্ছি, ততক্ষণ সেটা ওখানেই থাকবে।
এর মধ্যে আমি মারা যেতে পারতাম, অন্য কোথাও চলে যেতে পারতাম, কিন্তু না! রিযিকে যেহেতু লিখিত আমি এই ফলটি না খেয়ে মারা যাবো না।
■■ রিযিক জিনিসটা এতোটাই শক্তিশালী!
■■ কিংবা যেই আত্মীয় কিংবা বন্ধু-বান্ধব আমার বাসায় আসছে, সে আসলে আমার খাবার খাচ্ছে না। এটা তারই রিযিক, শুধুমাত্র আল্লাহ্‌ তা'ইলা আমার মাধ্যমে তার কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন। হতে পারে এর মধ্যে আমাদের জন্য মঙ্গল রয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ!
■■ কেউ কারওটা খাচ্ছে না, যে যার রিযিকের ভাগই খাচ্ছেন।
■■ আমরা হালাল না হারাম উপায়ে খাচ্ছি, সেটা নির্ভর করছে আমি আল্লাহ্‌ তা'আলার উপর কতটুকু তাওয়াক্কাল আছি, কতটুকু ভরসা করে আছি। কেননা,
আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ
-------"দুনিয়ায় বিচরণকারী এমন কোনো প্রাণী নেই, যার রিযিকের দায়িত্ব আল্লাহর ওপর নেই। তাদের স্থায়ী এবং অস্থায়ী অবস্থানস্থল সম্পর্কে তিনি অবহিত। সব কিছুই একটি সুস্পষ্ট কিতাবে লেখা আছে।"
-----(সুরা হুদ : আয়াত ৬)
■■ আল্লাহ তা'আলা অন্যত্র বলেনঃ
-------"যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্য কোনো না কোনো পথ বের করে দেবেন। আর তাকে (এমন উৎস থেকে) রিযিক দেবেন, যা সে ধারণাও করতে পারবে না।"
-----(সুরা ত্বালাক : আয়াত ২-৩)
■▪মহান আল্লাহ্‌ তা'আলা আমাদের সঠিক পথ এবং হালাল ও প্রশস্ত কামাই রোজগার ও রিযিক এর ব্যবস্থা করে দিন এবং সকল প্রকার হারাম কামাই রোজগার ও রিযিক থেকে হিফাযত করুন এবং আমাদের সবাইকে ক্ষমা করুন, এবং হিফাযত করুন(আমীন)।
(সংগৃহীত)

১। আযানের ১ম শব্দ হল আল্লাহ এবং শেষ শব্দ ও হল আল্লাহ, এর মানে আল্লাহ ই শুরু এবং আল্লাহ ই শেষ!২। আযান শব্দটি পবিত্র কুরআন...
10/06/2024

১। আযানের ১ম শব্দ হল আল্লাহ এবং শেষ শব্দ ও হল আল্লাহ, এর মানে আল্লাহ ই শুরু এবং আল্লাহ ই শেষ!
২। আযান শব্দটি পবিত্র কুরআনে সর্বমোট রয়েছে ৫ বার! আর আমাদের প্রতিদিন নামাজ ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করি!
৩। আযানের মধ্যে সর্বমোট শব্দ হল ৫০ টি! আর আল্লাহ মিরাজের সময় হযরত মুহাম্মাদ (সঃ) কে সর্বপ্রথম ৫০ ওয়াক্ত ফরজ নামাজ দিয়েছিলেন!
পরে তা কমিয়ে ৫ ওয়াক্ত করা হয়! আর সহীহ হাদিস বলে একজন ব্যাক্তি ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করলে আল্লাহ তাকে ৫০ ওয়াক্তের সাওয়াব দিবেন!
৪। আযানের মধ্যে সর্বমোট ১৭ টি ভিন্ন অক্ষর রয়েছে!
আর আমাদের প্রতিদিন ফরজ নামাজ হল ১৭ রাকাত!
ফজর ২ + জোহর ৪ + আসর ৪ + মাগরিব ৩ + এশা ৪
মোট ১৭ রাকাত!
৫। আযানের মধ্যে সবচেয়ে ব্যাবহৃত শব্দ হল ( আল্লাহ)
আল্লাহ শব্দের আলিফ অক্ষরটি সম্পূর্ণ আযানে আছে মোট ৪৭ বার, লাম অক্ষরটি ৪৫ বার এবং হা অক্ষরটি ২০ বার!
সুতরাং ৪৭+ ৪৫ + ২০ = ১১২
আর পবিত্র কুরআনের ১১২ নম্বর সূরা হল সূরা ইখলাস! যে সূরায় আল্লাহ নিজের পরিচয় দিয়েছেন! আল্লাহ আমাদের বুঝার তৌফিক দান করুন। আমিন।

31/05/2024

ইসলাম নামকরন কেন?

দুনিয়ায় যত রকম ধর্ম রয়েছে তার প্রত্যেকটির নামকরণ
হয়েছে কোন বিশেষ ব্যক্তির নামে। অথবা যে জাতির
মধ্যে তার জন্ম হয়েছে তার নামে। যেমন, ঈসায়ী
ধর্মের নাম রাখা হয়েছে তার প্রচারক হযরত ঈসা (আ)-
'এর নামে। বৌদ্ধ ধর্ম মতের নাম রাখা হয়েছে তার
প্রতিষ্ঠাতা মহাত্মা বুদ্ধের নামে। জেরদশতি ধর্মের নামও
হয়েছে তেমনি তার প্রতিষ্ঠাতা জরদশতের নামে। আবার
ইয়াহুদী ধর্ম জম্ম নিয়েছিল ইয়াহুদা নামে বিশেষ
গোষ্ঠীর মধ্যে দুনিয়ায় আরো যেসব ধর্ম রয়েছে,
'তাদেরর নামকরণ হয়েছে এমনিভাবে অবশ্য নামের
দিক দিয়ে ইসলামের রয়েছে একটি অসাধারণ বৈশিষ্ট্য।

কোন বিশেষ ব্যক্তি অথবা জাতির সাথে তার নামের
সংযোগ নেই। বরং ইসলাম শব্দটির অর্থের মধ্যের
আমরা একটি বিশেষ গুণের পরিচয় পাই, সেই গুণই
প্রকাশ পাচ্ছে এ নামে। নাম থেকেই বুঝা যায় যে,
ইসলাম কোন এক ব্যক্তির আবিষ্কার নয়, কোন এক
জাতির মধ্যে এ ধর্ম সীমাবদ্ধ নয়। ইসলাম কোন বিশেষ
ব্যক্তি, দেশ অথবা জাতির সম্পত্তি নয়। তার উদ্দেশ্য
হচ্ছে মানুষের মধ্যে ইসলামের গুণরাজি সৃষ্টি করা।
প্রত্যেক যুগে প্রত্যেক কওমের যেসব খাঁটি ও
সৎলোকের মধ্যে এসব গুণ পাওয়া গেছে, তারা
ছিলেন মুসলিম এ ধরনের লোক আজো রয়েছেন,
ভবিষ্যতেও থাকবেন।

ইসলাম পরিচিতি
লেখক সাইয়েদ আবুল আ'লা মওদুদী
পুস্তক থেকে সংগৃহীত

ইসলাম ধর্মের প্রচার শুরু হয় ৬১২ সালে। ৬২২সালে মদীনায় প্রথম মুসলিম অধ্যুশিত রাজ্য তৈরি হয়। ৬৩২ সালের মধ্যে মুহাম্মাদ (...
11/05/2024

ইসলাম ধর্মের প্রচার শুরু হয় ৬১২ সালে। ৬২২সালে মদীনায় প্রথম মুসলিম অধ্যুশিত রাজ্য তৈরি হয়। ৬৩২ সালের মধ্যে মুহাম্মাদ (সা:) আরবের অধিকাংশ অধিকারে আনেন।এরপর রশিদীয় খিলাফত প্রতিষ্ঠা হয়। এই সময় অন্তর্দ্বন্দ্ব দেখা যায়। এরপর উমাইয়া বংশের শাসন শুরু হয়। তার পর আব্বাসীয় বংশ আসে। এরমধ্যে ইসলাম স্পেন থেকে চীন সীমান্ত অব্ধি ছড়িয়ে যায়। এরপর আফগান শাসকরা ভারত আক্রমণ করেন ও পরে উপমহাদেশেও মুসলিম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়। এরপর তুর্কিশক্তির উত্থান হয়। ক্রুসেড বা ধর্মযুদ্ধ বাধে। স্পেনে পুনরায় খ্রিষ্টীয় শাসন হয়। এরমধ্যে উসমানীয় তুর্কিদের হাতে পূর্ব রোমান সাম্রাজ্যের পতন হয়।
উৎস : উইকিপিডিয়া






















ইসলামের ইতিহাস হলো ইসলামি সভ্যতার রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক, সামরিক এবং সাংস্কৃতিক বিকাশের ইতিহাস। ইসলামি সভ্যতা সপ্ত...
11/05/2024

ইসলামের ইতিহাস হলো ইসলামি সভ্যতার রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক, সামরিক এবং সাংস্কৃতিক বিকাশের ইতিহাস। ইসলামি সভ্যতা সপ্তম শতাব্দীতে আরব উপদ্বীপে উৎপত্তি লাভ করে এবং পরবর্তীতে বিশ্বের অনেক অংশে ছড়িয়ে পড়ে। অধিকাংশ ইতিহাসবিদ বিশ্বাস করেন যে ইসলামের উৎপত্তি মক্কা ও মদিনায় সপ্তম শতাব্দীর শুরুতে মুহাম্মাদ এর মাধ্যমে। মুহাম্মাদ হলেন ইসলামের নবী। তিনি মক্কায় জন্মগ্রহণ করেন এবং ৬১০ খ্রিস্টাব্দে তিনি আল্লাহর কাছ থেকে প্রথম ওহী লাভ করেন। তিনি মক্কা ও মদিনায় তার ধর্মপ্রচার শুরু করেন, যেখানে তিনি ইসলামের শিক্ষা প্রচার করেন। মুসলিমরা এই সময়কে ইব্রাহিমীয় নবীদের দ্বারা প্রেরিত মূল ধর্মে ফিরে আসার সময় হিসাবে বিবেচনা করে। ইব্রাহিমীয় নবী হলেন আদম, নূহ, ইব্রাহিম, মুসা, দাউদ, সুলায়মান এবং ঈসা। মুসলিমরা বিশ্বাস করেন যে এই নবীরা সকলেই একই ঈশ্বরের কাছ থেকে বাণী পেয়েছিলেন।

উৎস : উইকিপিডিয়া

Address

East Keshobkathi, Otra, Uzipur
Barishal
8222

Telephone

+8801716251616

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Eternal Echoes: Islam, Politics, and Lessons from the Past posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Eternal Echoes: Islam, Politics, and Lessons from the Past:

Shortcuts

Share