It's Lamia's Time

It's Lamia's Time

Share

Educational page!

Photos from It's Lamia's Time's post 18/06/2022

সিলেট, কুড়িগ্রাম, সুনামগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় বর্তমানে বন্যা পরিস্থিতি পূর্ববর্তী বন্যার চেয়েও অনেক ভয়াবহ। কিছুদিন আগে যে বন্যা হয়েছিলো, তার রেস কাটতে না কাটতে আবারও এরকম ভয়াবহ বন্যা থেকে একমাত্র আল্লাহ্‌-ই উদ্ধার করতে পারেন।

যদিও এমন অবস্থায় রাষ্ট্রের ভূমিকাই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ত্বপূর্ন। তবে রাষ্ট্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে সকলকেই নিজেদের সামর্থ্যানুযায়ী এগিয়ে আসতে হবে।

পরম করুনাময় মহান আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ, আল্লাহ যেন সিলেট বাসীদের এই দূর্যোগ পরিস্থিতি থেকে রক্ষা করেন। আমিন ।
©

03/04/2022

🗨️ রোজার নিয়ত করা কি ফরজ? প্রশ্নটা যখন চলে এসেছে হয়তো অনেকেই জানেন না নিয়ত করা ফরজ, সুন্নত নাকি নফল?
— রমজানের রোজা রাখা যেমন ফরজ তেমনি রোজার জন্য নিয়ত করাও ফরজ। নিয়ত ছাড়া দিনভর না খেয়ে উপবাস করলেও রোজা হবে না। রোজা রাখার জন্য সাহরির পর অন্তরের দৃঢ় সংকল্প করাই নিয়ত। এটি করতে হবে। মুখে উচ্চারণ করার পরও অন্তরে একনিষ্ঠ সংকল্প রাখতে হবে। তবেই রোজা আদায় হবে।

🗨️ রোজার নিয়ত করার সময়:
— ফরজ রোজার নিয়ত সাহরির পর রাত বাকি থাকতেই করা উত্তম। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি ফজরের আগে রোজা রাখার নিয়ত করবে না তার রোজা (পূর্ণাঙ্গ) হবে না।’ (আবু দাউদ)

📌 সাহরির দোয়া:–

نَوَيْتُ اَنْ اُصُوْمَ غَدًا مِّنْ شَهْرِ رَمْضَانَ الْمُبَارَكِ فَرْضَا لَكَ يَا اللهُ فَتَقَبَّل مِنِّى اِنَّكَ اَنْتَ السَّمِيْعُ الْعَلِيْم

বাংলা উচ্চারণ:– নাওয়াইতু আন আছুমা গাদাম মিন শাহরি রমাজানাল মুবারাকি ফারদাল্লাকা, ইয়া আল্লাহু ফাতাকাব্বাল মিন্নি ইন্নিকা আংতাস সামিউল আলিম।

বাংলা অর্থ:– হে আল্লাহ! আমি আগামীকাল তোমার পক্ষ থেকে পবিত্র রমজানের নির্ধারিত ফরজ রোজা রাখার ইচ্ছা পোষণ (নিয়ত) করলাম। অতএব তুমি আমার পক্ষ থেকে (আমার রোজা তথা পানাহার থেকে বিরত থাকাকে) কবুল কর, নিশ্চয়ই তুমি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞানী।

📌 ইফতারের দোয়া:–

اَللَّهُمَّ لَكَ صُمْتُ وَ عَلَى رِزْقِكَ وَ اَفْطَرْتُ

বাংলা উচ্চারণ:– আল্লাহুম্মা লাকা সুমতু, ওয়া আ’লা রিযক্বিকা আফত্বারতু।

বাংলা অর্থ:– হে আল্লাহ! আমি তোমারই জন্যে রোজা রেখেছি এবং তোমারই দেওয়া রিজিক দ্বারা ইফতার করছি।

..........

🗨️ রমজানের কিছু সহজ আমল:–

১. রোজা রাখা।
২. জামাতের সাথে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ এবং তারাবীহ্ ও তাহাজ্জুদ আদায় করা।
৩. মিথ্যা কথা বলা থেকে বিরত থাকা।
৪. রোজাদারকে ইফতার করানো।
৫. বেশি বেশি কোরআন তেলাওয়াত করা।
৬. যতটুকু সম্ভব দান-সদকা করা।
৭. সামর্থ্য থাকলে ওমরা করা।
৮. ইতে’কাফ করা।
৯. জিকির, দরুদ, ইস্তেগফার ও প্রচুর পরিমাণে দোয়া করা।
১০. সব প্রকার গুনাহমুক্ত থাকা; বিশেষ করে চোখের হেফাজত করুন।

14/03/2022

বেশি মোবাইল ফোন ব্যবহারে চেহারার সতেজতা কমে!!
---------------------------------
যখন কেউ কোন নেশায় আশক্ত হয়; যেমন মোবাইল ফোনের নেশা, তখন তার অতি বেশি ডোপামিন নিঃসরণ হয়। অতি ডোপামিন নিঃসরণ মেলাটোনিন (যা চেহারা সতেজ রাখে) নিঃসরণ কমায়। ফলে চেহারার সতেজতা কমে।

--

In the pineal gland, dopamine can stop the effects of norepinephrine, a neurotransmitter involved in producing and releasing melatonin. When influenced by dopamine, pineal gland makes and releases less melatonin.

14/03/2022

চাপা আবেগগুলি কি করে?
---------------------------

যদি আপনি চাপা অনুভূতির মুক্তির ব্যবস্থা না করেন, তবে আপনি একটি বিরুপ মানসিক অবস্থায় আটকে থাকতে পারেন।

যদি দেখেন যে মানসিক পীড়া দীর্ঘস্থায়ী হয়েছে তবে এটি সচেতন থেকে অচেতন বা অবচেতন মনে গিয়ে বসে গেছে যেখানে এটি আপনার আচরণের উপর আরও শক্তি অর্জন করেছে।

আপনার ইগো আপনার সমস্ত চাপা আবেগ জানে এবং সেগুলি আপনার বিরুদ্ধে ব্যবহার করে। প্রতিবার, আপনি সেগুলি নিরাময় না করলে, ইগো নিজের সম্পর্কে সমাধান না করা বিশ্বাসের মাধ্যমে আপনার বর্তমান এবং ভবিষ্যতের প্রতি আঘাত করতে থাকে। এ চাপা আবেগগুলো দুশ্চিন্তা, বিষন্নতা, শুচিবায়, সামাজিক ও পারিবারিক সম্পর্কে বিভ্রাট প্রভৃতি নানা সমস্যা সৃষ্টি করে। এগুলো ঠিক করে না নিলে সব সময় এ চাপানো আবেগগুলো অবচেতন মনে বসে বসে মানসিক শক্তি ক্ষয় করতে থাকবে, মানসিক শক্তি ড্রেন করতে থাকবে (Drainage of mental energy)। ফলে আপনি মানসিক, পেশাগত ও সামাজিক ভাবে অনেক পিছিয়ে পড়তে পারেন।

চাপা, নীপীড়িত আবেগগুলি থেকে মুক্তির কিছু পদ্ধতি:
---------------------------------------------

1. কোরআন পড়া বা শোনা – এ কাজে ব্রেনে আলফা ওয়েভ তৈরি হয়। তা ছাড়া ব্রেনে সেরোটোনিন রিলিজ হয়। ফলে সচেতন ব্রেন শক্তিশালী হয়। ফলে সচেতন ব্রেন সহজে অবচেতন মনের এই চাপানো আবেগকে নিয়ন্ত্রন করতে পারে। ফলে মন ভাল হয়।

2. গতি- গতি আবেগ রিলিজ করে। লাফানো, সাইকেল চালানো, খেলাধুলা ইত্যাদি। অরক্ষিত ক্ষতগুলি আমাদের দেহে শক্তি আটকে রেখেছে। গঠণ্মুলক কাজে এসব শক্তি ব্যবহার করতে পারলে খুব ভাল। আটকে রাখা হলে এ শক্তি কাউকে কুড়ে কুড়ে খায়।

3. কাউকে বা কোথাও বলে ফেলা কথাগুলো
আবেগকে দমন বা নীপিড়ন না করে এগুলো ঠিক করে ফেলা প্রয়োজন। এগুলো ঠিক করে ফেলার জন্য প্রয়োজনে সময় নেওয়া দরকার। কাউকে বা কোথাও যদি সেসব আবেগের কথা বলে ফেলতে পারেন, অনেক হালকা লাগবে, মানসিক পীড়াগুলো দূর হবে।

4. লেখা- এটি একটি শক্তিশালী কৌশল। প্রায় আপনার মনে যা কিছু আসে লিখুন। শুরুতে, আপনি ভাবতে পারেন, এটি মূল্যহীন । তবে, কয়েক মিনিট পরেই আপনি সীমাবদ্ধ বিশ্বাসের উপরে পৌঁছে যাবেন। আপনি যদি শুরু করতে না জানেন তবে নিজেকে এই জাতীয় প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করুন: “আমার সমস্যাগুলো কি কি?” “এ সমস্যাগুলো সমাধানে আমি কি কি করতে পারি?” "এই মুহুর্তে আমার কেমন লাগছে?" "এই পরিস্থিতিতে আমি কী ধরণের ব্যক্তি?" "কেন এটা আমাকে কষ্ট দেয়?" বা, "পরিস্থিতি সম্পর্কে আমার কি কি বোঝা উচিত?"

5. অনুভব করা- নেতিবাচক আবেগ থেকে মুক্তি পাওয়ার একটি উপায় হ'ল তাদের অনুভব করা, তাদের গ্রহণ করা (দুঃখ বোধ করা ঠিক আছে) এবং তারপরে ছেড়ে দেওয়া।

Photos from It's Lamia's Time's post 08/01/2022

মধ্যযুগীয় চিকিৎসা শাস্ত্র কতটা ভয়াবহ ছিল!!

বর্তমানে চিকিৎসা কত সহজ এবং ব্যাথা-বেদনা যতটা কম অনুভব করানো যায় তাই চেষ্টা করছেন ডাক্তারগণ। আজ থেকে প্রায় দেড়শ বছর পূর্বেও (অর্থাৎ গত শতাব্দীতেও) চিকিৎসা পদ্ধতি যেমন ছিল; শুনে শিউরে উঠবেন আপনি।

সার্জারি বা অপারেশন করতে গিয়ে রক্তপাত, ব্যথা, সংক্রমণ তিনটি সমস্যাকে জয় করে বর্তমান চিকিৎসাশাস্ত্র অনেক উন্নত হয়েছে। এখন অপারেশন থিয়েটারে ভয়ের বদলে রয়েছে রোগ মুক্তির আনন্দ। কিন্তু ঊনবিংশ শতাব্দীর কাহিনী ছিল সম্পূর্ণ উল্টো।

ঊনবিংশ শতাব্দীতে চিকিৎসার সবচেয়ে ভয়াবহ দিক হলো তখন না ছিল কোন চেতনানাশক আর না ছিল অ্যান্টিসেপটিক। তখন অজ্ঞান/অবশ না করেই অপারেশন করা হতো। ভাবা যায়? কত কঠিন কাজ! রোগী যাতে নড়াচড়া করতে না পারে সে জন্য কয়েকজন শক্তিশালী মানুষ লাগতো তাকে চেপে ধরে রাখার জন্য। তখন ডাক্তারদের কাছে ব্যথামুক্তির ঔষধ বলতে আফিন/কোকেন ছিল। আফিমের ওভারডোজে মারা পড়তো অনেক রোগী। সার্জারি কক্ষে সার্জনদের না ছিল কোন অনুভূতি, আর না আবেগ।

আণুবীক্ষণিক অনুজীবের কারণে যে মৃত্যুও ঘটতে পারে সে সম্পর্কে তখনকার চিকিৎসকদের কোন ধারণা ছিল না।তখন চিকিৎসকদের পরনে থাকতো রক্তমাখা অ্যাপ্রোন। পরপর অপারেশন করতে হতো বলে তারা তাদের রক্তমাখা হাতও পরিষ্কার করতেন না এবং একই ছুরি-কাঁচি ব্যবহার করতেন।

তখনকার অপারেশন থিয়েটারের পরিবেশ ছিল অবর্ণনীয় যন্ত্রণায় কাতর রোগীদের চিৎকার-চেঁচামেচিতে পূর্ণ। হাসপাতাল মানেই ছিল মারাত্মক দৃশ্য,গন্ধ এবং শব্দ। চেতনানাশক আবিষ্কারের আগে অস্ত্রোপচার ছিল মৃত্যুপথযাত্রীর রোগের শেষ সম্বল হিসেবে এক নিষ্ফল প্রচেষ্টা মাত্র। তখন দক্ষতার চেয়ে দ্রুততা বেশি গুরুত্ব পেত।তাই এ ধরনের অপারেশনের পর বেঁচে থাকার সম্ভাবনাও তেমন থাকতো না। অপারেশন পরবর্তী মৃত্যুর হার ছিল ৮০% এর বেশি।

ঐ সময়ে সার্জন রবার্ট লিস্টনের মাত্র ৩০ সেকেন্ডে রোগীর পা কেটে ফেলার রেকর্ড রয়েছে। তার এই দ্রুততার কারণে রোগী এবং লিস্টনের সহকারীর গ্যাংগ্রীন ইনফেকশন হয়েছিল শোনা যায়।
আরেকবার একজন রোগী মূত্রাশয়ের পাথর অপসারণ করানোর জন্য তার কাছে এসে হাসপাতালের পরিবেশ এবং লিস্টনের ক্ষিপ্রতা দেখে বাথরুমে ঢুকে দরজা আটকে রাখে। লিস্টন বাথরুমের দরজা ভেঙে তাকে বের করে এনেছিলেন এবং বিছানার সাথে তাকে বেঁধে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করেছিলেন।

এরকম কিছু মারাত্মক সার্জারি সিস্টেম ছিল:
✓মাইগ্রেন- ট্রেপ্যানিং(Trepanning)। ট্রেপ্যানিং এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে মাথার খুলিতে একটি ছিদ্র করা হতো। এটি ইতিহাসের সবথেকে প্রাচীনতম অস্ত্রোপচারের মধ্যে একটি।

✓হাড়ভাঙা- চামড়া কেটে ভাঙ্গা হাড়ের চিকিৎসা করা হতো!

✓রক্তক্ষরন- রক্ত ক্ষরন বন্ধ করার জন্য চামড়া কেটে রক্তনালীকে লাইগেট করা হতো।

এছাড়াও ফুসফুসের পুঁজকে ফুটো করে বের করা, শরীরে জমে থাকা রক্ত ছিদ্র করে বের করে দেয়ার মতো ভয়ংকর অপারেশন করতে হতো সেসময়।

১৮৪৬ সালে সার্জন জন কলিন্স ওয়ারেন সর্বপ্রথম ইথার গ্যাস ব্যবহার করে রোগীর অনুভূতিশূণ্য করে অপারেশন সম্পন্ন করেন। কিন্তু আনুবীক্ষণিক জীবাণুর সংক্রমণের ফলে রোগীকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
পরবর্তীতে ১৮৬৫ সালে তরুণ সার্জন ও জীবাণুবিদ জোসেফ লিস্টার অস্ত্রপচার যন্ত্র এবং ক্ষতস্থান কার্বোলিক এসিড দ্বারা জীবানুমক্ত করে; গরম জলে ওটি ড্রেস, লিনেন ধুয়ে সার্জারী সম্পন্ন করেন। এজন্য বলা হয়ে থাকে, তিনি মেডিসিনের সবচেয়ে ভয়ংকর এবং মারাত্মক ধাঁধার সমাধান করেছেন।

এরকম ভাবে ধীরে ধীরে বর্তমান চিকিৎসা শাস্ত্র উন্নতি লাভ করেছে।
নাহ্! ভালোই হয়েছে আমরা ডিজিটাল যুগে আছি।

07/01/2022

⚠️⚠️TikTok

তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে মানুষের অন্যতম সঙ্গী হলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। বর্তমান সময়ে তরুণ-তরুণীদের কাছে সবচেয়ে বেশি আলোচিত অ্যাপের নাম টিকটক (TikTok)। এর আক্ষরিক অর্থ "গলাকম্পন ছোট ভিডিও"। এটি স্মার্টফোনের অ্যাপ এবং ব্যাপক জনপ্রিয় সামাজিক মাধ্যম। এই মাধ্যমের কন্টেন্টগুলো বিনোদনের জন্য, তাই ব্যবহারকারীরা ভরপুর বিনোদন পেয়ে থাকে এখান থেকে। বিনোদনের নামে এ যেন সামাজিক অবক্ষয়।

জনপ্রিয় এই মাধ্যমটি চালু হয়েছিল সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সালে। বিভিন্ন পেশার মানুষেরা তাদের দৈনন্দিন ব্যস্ততার ফাঁকে বিনোদনের জন্য টিকটকের ভিডিওগুলো দেখে থাকে। অল্প সময়ে বিনোদনের জন্য এটি সেরা অ্যাপ,তাই এর ব্যবহারকারীর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। আর সেই সাথে এসবের প্রতি আসক্তিও বাড়ছে। যার ফলে শিক্ষার্থীদের উপর পড়ছে নেতিবাচক প্রভাব।

"টিকটক"-এর বহুল জনপ্রিয়তার মূল কারণ:-

•ভিডিওর আকার ছোট। ৩-৬০ সেকেন্ডের ভিডিও এখানে আপলোড করা হয়।
•অ্যাকাউন্ট খোলা এবং ব্যবহার করা সহজ।
•নতুন নতুন অনেক ফিচার & ফিল্টার সহজেই ব্যবহার করা যায়।
•লিপ সিঙ্ক করা যায়।
•অন্যের কন্ঠ ব্যবহার করে ভিডিও বানানো সম্ভব।

তরুণ প্রজন্মরা এবং কোমলমতি শিক্ষার্থীরা দ্রুত জড়িয়ে পড়েছে ইন্টারনেট দুনিয়ার এই রঙিন তামাশায়। শিক্ষার্থীরা ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে টিকটকের অতল অন্ধকারে। কেউ ভিডিও করছে, আর একদল মানুষ সেসব একটার পর একটা দেখে আসক্তিতে ভুগছেন। ছোট ছোট ভিডিও আপলোড করে অনেকেই এখন রীতিমত তারকা। মিলিয়ন মিলিয়ন ভক্ত তাদের। জনপ্রিয় কোনো গানের সাথে ঠোঁট মেলানো, মুভির বিখ্যাত সংলাপ আওড়ানো, নাচ-গান, কমেডি ইত্যাদি ভিডিও প্রকাশ করা হয় এখানে। এমনকি ইসলামিক ওয়াজও বাদ যায়নি এসবের কবল থেকে।

অতিরিক্ত টিকটক অ্যাপ ব্যবহারের কারণে সামগ্রিকভাবে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে পারিবারিক ও সামাজিক পর্যায়ে। মানসিক ভারসাম্যহীনতা, বাস্তবতার প্রতি বিমুখতা, মনস্তাত্ত্বিক অবক্ষয় ও চারিত্রিক অবনতির মতো ভয়ানক জটিল মানসিক সমস্যা দেখা দিচ্ছে ব্যবহারকারীদের। শুধু তাই নয়; তাদের মধ্যে উগ্রতা, অশালীনতা, অশ্লীলতা, কল্পনাপ্রবণতার মতো বিভিন্ন জটিল রোগ তৈরি হয়েছে।

যারা ভবিষ্যতে নেতৃত্ব দিবেন তারা এরকম অসুস্থ হয়েই বড় হচ্ছেন। এই অসুস্থ গোষ্ঠী কিভাবে বাংলাদেশ বা গোটা বিশ্বের নেতৃত্ব দিবে?

টিকটকের করাল গ্রাস থেকে তরুণ প্রজন্মকে বাঁচানোর জন্য টিকটক বন্ধই একমাত্র সমাধান নয়; দরকার সচেতনতা বৃদ্ধি।

এখন তো টিকটকের মতোই আরেকটি নতুন এপস হচ্ছে লাইকি। লাইকি (likee) হলো ছোট ভিডিও নির্মান এবং শেয়ার করার প্ল্যাটফর্ম। এখানেও তারকাখ্যাতি লাভের আশায় এবং টাকার নেশায় বুদ হয়ে তরুণ-তরুণীরা মেতে উঠেছে ছোট ছোট ভিডিও তৈরিতে। লাইকিতে,‌ প্রতি ৫০০ ভিউ= ১ ডায়মন্ড = ৪০ টাকা। এভাবে অনেকেই মাসে ৩০-৪০k টাকা আয় করছে। তাছাড়াও, স্টার বানানোর নাম করে দিনদিন নিকৃষ্ট সব কর্মকাণ্ড ঘটে চলেছে।

আর যারা শুধু অল্প বিনোদনের জন্য এই ছোট ছোট ভিডিওগুলো দেখেন, তারাও ধীরে ধীরে টিকটকের আসক্তিতে ভুগছেন। একটা ভিডিও থেকে অন্য একটিতে, সেটা থেকে অন্য একটিতে, এভাবেই মূলত তারা ভিডিওগুলো দেখছে; আর নিমিষেই ঘন্টার পর ঘন্টা সময় নষ্ট করেছে। টিকটকের অতল গহ্বরে হারিয়ে যাচ্ছে। মূলত তাদের থেকেই অনুপ্রাণিত হচ্ছে টিকটকাররা। শিক্ষার্থীরা নিজেদের পড়াশোনা বাদ দিয়ে টিকটক, লাইকির পেছনে সময় নষ্ট করেছে। এতে তাদের মন-মানসিকতার উপরও বিরূপ প্রভাব ফেলছে।

এমতাবস্থায় দ্রুত পদক্ষেপ না নেয়া হলে সুস্থ মস্তিষ্কের তরুণ প্রজন্মকে ফিরে পাওয়া যাবে না। ব্যক্তিগত সচেতনতা বৃদ্ধি, পারিবারিক ও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাদানের ব্যবস্থা নেয়া জরুরি। প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং কঠোর আইন প্রয়োগ করতে হবে। সবথেকে বেশি জরুরি সমূলে উৎপাটন।

30/12/2021

The Social Media : FACEBOOK

ফেসবুক : অনেক বেশি জনপ্রিয় একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। কিন্তু এর প্রতিষ্ঠা তথ্য নিয়ে আমাদের অনেকেরই দ্বিমত & প্রচুর আগ্রহ আছে। আজকে তাহলে সঠিক তথ্যাবলী-ই জানা যাক!

•প্রতিষ্ঠাতা : কোন কিছু নিয়ে গবেষণা করতে গেলে সর্বপ্রথম যে তথ্যটি আমাদের মাথায় আসে তা হলো সেই জিনিসটির কারিগর/প্রতিষ্ঠাতা কে। ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ। এডোয়ার্ডো সেভারিন ও ক্রিস হিউজেস (ব্যবসায়িক মুখপাত্র), অ্যান্ড্রু ম্যাককুলাম (গ্রাফিক্স আর্টিস্ট), ডাস্টিন মস্কোভিজ (প্রোগ্রামার) এই ৪ জন সহযোগীর সাথে যৌথ প্রচেষ্টা ও প্রযোজনায় তৈরি হয়েছে ফেসবুক নামের বিশাল ওয়েবসাইটটি।

•মার্ক জাকারবার্গের পরিচয় : জাকারবার্গের সম্পূর্ণ নাম মার্ক এলিয়ট জাকারবার্গ। তিনি
১৯৮৪ সালের ১৪ মে নিউইয়র্কের হোয়াইট প্লেইন-এ জন্মগ্রহণ করেন। তার মা সাইকোলজিস্ট ক্যারেন ও বাবা ডেন্টিস্ট এডওয়ার্ড।জুকারবার্গ ৪ ভাই-বোনদের মধ্যে সবচেয়ে বড়। তার ছোট তিন বোন হচ্ছে র্যা ন্ডি, ডোনা এবং এরিএল। তিনি শৈশব থেকেই কম্পিউটারের প্রতি প্রচণ্ড আগ্রহী ছিলেন। তাই মাধ্যমিক শ্রেণীতে থাকাকালীন শখের বশে সফটওয়্যার লেখা শুরু করেন।
সফটওয়্যার নিয়ে কাজ করার পাশাপাশি ১৯৯৮ সাল থেকে ২০০০ পর্যন্ত উচ্চমাধমিক বিদ্যালয়ে পড়াশুনা করেন। এরপর ২০০০ সালে তিনি ফিলিপ্স এক্সেটার একাডেমী পড়াশুনা করেন।
২০০২ সালে জুকারবার্গ হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। সফটওয়্যার নিয়ে কাজ করার জন্য জুকারবার্গ হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে “go-to campus software” ডেভলপার হিসেবে খ্যাতি অর্জন করে নিয়েছিলেন।

•দি সোশ্যাল নেটওয়ার্ক : ২০১০ সালের ১ অক্টোবর মার্ক জুকারবার্গের বিশ্ববিদ্যালয় এবং ফেসবুক প্রতিষ্ঠা নিয়ে নির্মিত হয় কাল্পনিক ছায়াছবি 'দি সোশ্যাল নেটওয়ার্ক'। এই ছবিটির প্রায় পুরো কাহিনীই কাল্পনিক। এবং ছবিটি দেখা শেষে সাংবাদিকদের নিজের হতাশার কথা জানান মার্ক।

•প্রতিষ্ঠা সময় : ফেইসবুক প্রতিষ্ঠা হয় ৪ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৪ ইং। (মাত্র ২৩ বছর বয়সে)তখন তিনি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং এর ছাত্র ছিলেন।

•পূর্বনাম : "দ্যা ফেইসবুক ডট কম"।

•পূর্বসূরি : "ফেসম্যাস"ওয়েবসাইট।

•অভিযোগ : মার্ক জাকারবার্গের বিরুদ্ধে দিব্য নরেন্দ্র, ব্রাদার্স ক্যামেরুন এবং টেইলর উইঙ্কলভস আইডিয়া ও কোড চুরির অভিযোগ আনেন। যদিও সেটাকে ভিত্তিহীন বলে মনে করা হয়।

•ফেসম্যাস : মার্ক জাকারবার্গ-এর অগ্রযাত্রা শুরু হয় যখন তিনি প্রথম “কোর্স ম্যাচ” নামক একটি ওয়েবসাইট তৈরিতে সক্ষম হন। এরপর ২৮-১০-২০০৩ সালে দ্বিতীয় বর্ষে পড়াকালীন তিনি "ফেসম্যাস" নামক একটি ওয়েবসাইট চালু করেন। "ফেসম্যাস" ওয়েবসাইটে তিনি হার্ভার্ডের ৯ টি হাউসের শিক্ষার্থীদের ছবি ব্যবহার করেন। এজন্য তিনি হার্ভার্ডের সংরক্ষিত তথ্য কেন্দ্র হ্যাক করেন। তিনি দুটি করে ছবি পাশাপাশি রেখে এতে সব স্টুডেন্টদের ভোট দিতে বলেন। তখন মাত্র ৪ ঘন্টায় ৪৫০ ভিজিটর ২২০০০ ছবিতে অনলাইন ভোট দেয়! এতে তিনি আরো বেশি উৎসাহিত হন।

•২০০৪ : ফেসম্যাস হতে অনুপ্রাণিত হয়ে ২০০৪ সালের জানুয়ারিতে মার্ক জাকারবার্গ তার নতুন সাইট এর কোড লেখা শুরু করেন এবং ফেব্রুয়ারিতে হার্ভার্ডের ডরমিটরিতে "দ্যা ফেইসবুক ডট কম" এর উদ্বোধন করেন।

•নাম পরিবর্তন : ২০০৫ এর আগস্টে ‘দ্য ফেইসবুক ডট কম’ নাম পাল্টে কোম্পানির নাম রাখা হয় শুধু ‘ফেসবুক’। হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য একটি ফরম ফিলাপ করতে হতো, যেখানে ব্যবহারকারীর পরিচয় পত্র থাকত এবং সেটার নাম ছিল ফেসবুক।
মার্ক জাকারবার্গ যেহেতু ওখানেই অধ্যয়নরত ছিলেন তাই এই সাইটের নাম ফেইসবুক ডট কম এর বদলে ফেসবুক লিখে দিয়েছেন তিনি। ডিসেম্বরে ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা হয়ে দাঁড়ায় প্রায় ৫৫ লাখ।

•এভাবে ২০০৯ সাল থেকে জুকারবার্গের ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা দ্রুত বাড়তেই থাকে। ২০১৬ তে ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছিল ১০০ কোটি বা তারও বেশি।

•সম্মাননা : ২০১০ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক টাইম ম্যাগাজিন-এ মার্ক ‘পারসন অব দ্য ইয়ার’ হিসেবে মনোনীত হন।

25/11/2021

https://www.facebook.com/558512774327461/posts/2014083585437032/

গোসলের সময় হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি‼️

স্নানাগারে ঢুকে আগেই মাথা ভিজাচ্ছেন? তাহলে সাবধান। তাড়াহুড়া করে গোসল করতে গিয়ে আবার হার্ট অ্যাটাক না হয়ে যায়!

গত ২১ নভেম্বর জাপানের ‘আধুনিক জার্নাল’ ম্যাগাজিনে প্রকাশিত এক নিবন্ধে বলা হয়েছে, ভুল উপায়ে গোসল করার কারণে জাপান প্রতি বছর ১৪ হাজার মানুষ মারা যায়। ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে তাপমাত্রা নেমে যাওয়ার কারণে ধমনীতে রক্তের চাপ বেশি হয়। (তথ্যসূত্র: উইকিপিডিয়া)

🔹হার্ট অ্যাটাক কী?
~ রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে গেলে বা রক্তচাপ থাকলে অথবা কোন কারণে হার্টে রক্ত চলাচল বাধাগ্রস্ত হলে তাকে হার্ট অ্যাটাক বলে।

🔹এ সমস্যা সাধারণত শীতকালে বেশি হয়ে থাকে।

🔹গোসলের সময় কেন হয়?
~হঠাৎ ঠান্ডা পানির সংস্পর্শে এলে সিম্পেথেটিক টোন বেড়ে যায়, ফলে স্কিন বা ত্বকের তাপমাত্রা কমে যায় । যার ফলে রক্তচাপ বেড়ে যায়। গবেষণায় দেখা গেছে, হঠাৎ করে ঠান্ডার মুখোমুখি হলে মানুষের রক্তনালি সংকুচিত হয়ে যায়। এতে অভ্যন্তরীণ রক্তচাপ বেড়ে যেতে পারে। সেই সাথে রক্তের অভ্যন্তরীণ কিছু রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটতে পারে। এ কারণে, রক্তনালিতে রক্ত জমাট বাঁধার প্রবণতা বেড়ে যায়। আগে থেকে যদি কারো রক্ত জমাট বাঁধা সমস্যা থাকে, তাহলে তাদের রক্ত জমাট বেঁধে থ্রম্বোসিস বেশি হয়। এই থ্রম্বসিস হার্টের করোনারি আর্টারিতে ঘটলে তখন হার্ট অ্যাটাক হতে পারে।

🔹কাদের জন্য ঝুঁকি?
~সবারই কমবেশি ঝুঁকি রয়েছে। তবে, যাদের
✓উচ্চ রক্তচাপ ,
✓উচ্চ কোলেস্টেরল ,
✓মাইগ্রেন আছে তাদের জন্য খুব বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। তাছাড়া আগেও হার্ট অ্যাটাক হয়েছে এমন ব্যক্তির জন্য মারাত্মক ঝুঁকি রয়েছে। যারা কায়িক পরিশ্রমী নয় তাদের জন্যও ঝুঁকি রয়েছে।

🔹গবেষণা থেকে জানা যায় 42 ডিগ্রি সেলসিয়াস(42°C) তাপমাত্রায় পানিতে 10 মিনিটের বেশি থাকলে স্নায়ুবিক উত্তেজনা হয়, যার ফলে হৃদস্পন্দনের গতি ও রক্তচাপ বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। “স্নানাগারে ঢুকে আগেই মাথা ভিজালে মাথার রক্ত সঞ্চালন কমে যেতে পারে”-বলেছিলেন থাং ছেংলিন (অধ্যাপক, ছোং ছাং চিকিৎসা বিশ্ববিদ্যালয়, চীন)। তার মতে গোসলের সঠিক পদ্ধতি হচ্ছে সর্বপ্রথম মুখ ধোয়া, শরীর ধোয়া এবং তারপর চুল ধোয়া।
........

09/11/2021
03/11/2021

রানওয়ে ‘অ্যালার্ম’!

সোর্স : জ্ঞান গৃহ

Want your school to be the top-listed School/college in Barishal?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address

Barishal