তিমিরকাঠী বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়
মোট পরিক্ষার্থী: ৩৬
পাসের সংখ্যা: ২২
পাসের হার: ৬১.১১% জিপিএ-৫: ০
Bharatkathi G.R. Secondary School,Barisal
Bharatkathi G,R, Secondary School was faunded on the 02/01/1972.Currently it is regarded as the best
কয়া আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়
মোট শিক্ষার্থী: ৫২
পাসের সংখ্যা: ২৬
পাসের হার ৫০.০০% জিপিএ-৫: ০
তিমিরকাঠী মাধ্যমিক বিদ্যালয়
মোট পরিক্ষার্থী: ৪৩
পাসের সংখ্যা: ৩২
পাসের হার: ৭৪.৪২ জিপিএ-৫: ০
ফেল করার কারণ হিসেবে শিক্ষকদের সময়মতো নকল সরবরাহের ব্যর্থতাকে দুষছেন অভিভাবকেরা
JURKATHI SECONDARY GIRLS SCHOOL
No. of Students: { Examinee: 12, Appeared: 11, Passed: 0, Percentage of Fail: 100%
ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ হতে জিপিএ-৫ তো দূরে থাক ,এ গ্রেডও পাননি কোনো শিক্ষার্থী।
BUSINESS STUDIES: PASSED=17; NOT PASSED=5;
HUMANITIES: PASSED=27; NOT PASSED=43;
SCIENCE: PASSED=15; NOT PASSED=1; GPA5=1
দুনিয়াতে ট্যালেন্ট বলতে কিছু নাই।পরিশ্রমী পোলাপান দিনের পর দিন সাধনা করে যে দক্ষতা যে জ্ঞান অর্জন করে আইলসা পোলাপান সেটাকেই ট্যালেন্ট বলে।
এই কথাগুলা বিশ্বাস না হলে, তোমার আশেপাশের ট্যালেন্টেড একটা স্টুডেন্টকে বলো-- তোর তো ডিব্বা ভর্তি ট্যালেন্ট। তাই আজকের পর থেকে ক্লাসের বাইরে তুই বই ধরবি না। কোন প্রাকটিস, রিভিশন দিবি না। বাসায় কোন স্টাডি করবি না। দেখি ট্যালেন্ট এর ঠেলায় তুই ক্লাসে ফার্স্ট, সেকেন্ড হতে পারস কিনা?
তখন বুঝতে পারবে সে শুধু মগজের ঘিলু দিয়ে ট্যালেন্টেড হয় নাই। বরং হার্ডওয়ার্ক, ডেডিকেশন, পার্সপেক্টিভ আর ডিসিপ্লিন এর আউটকাম হিসেবে ট্যালেন্টেড হইছে। এজন্যই আশেপাশে অনেক ট্যালেন্টেড পোলাপান দেখবে: প্রেমের চক্করে, ওভার কনফিডেন্স এর ঢেকুরে, সঙ্গেদোষে, কিংবা জায়গা পরিবর্তনে এডজাস্ট করতে না পেরে, অথবা ফোকাস হারিয়ে হার্ডওয়ার্ক করা কমায় দিছে। আর দুই-তিন মাসের মধ্যে তার ট্যালেন্ট গায়েবুল হাওয়া হয়ে গেছে।
একজন ট্যালেন্টেড পোলাপান আর আমরা ফাঁকিবাজ (স্বঘোষিত স্মার্ট !!!) ম্যাংগোপিপল এর মধ্যে ডিফারেন্স কী কী !!!
১. Hard Work over Shortcut
ওরা হার্ডওয়ার্ক করে। দিনের পর দিন বোকার মতো পড়ালেখা, প্রাকটিস, রিভিশন দেয়, শিখে নেয়, বুঝে নেয়। আর আমরা শর্টকার্ট সিলেবাস, চালাকি, কপিবাজি, টিচারকে বোকা বানানোর ফাঁকফোকর খুঁজি।
২. Discipline over Deadline
ওরা বারোমাসি। বছরের বারোমাস হার্ডওয়ার্ক করে, বারোমাস অর্গানাইজডভাবে এফোর্ট দেয়। রেগুলার এফোর্ট মেইনটেইন করে। রেগুলার ভালো আউটপুট পায়। আর আমরা সিজনাল। শুধু পরীক্ষার ডেডলাইন আসলে কোমড়ে গামছা বেঁধে নামি। কোন রকমে পার পেলে আবার যেই লাউ সেই কদু হয়ে যাই।
৩. Maximizing Effort over Maximizing Entertainment
আমাদের ঘুম ভাঙ্গে ফেইসবুক দিয়ে আবার আমরা ঘুমাইতে যাই ফেইসবুক স্ক্রল করতে করতে। এছাড়া খেলা, মুভি, নাটক, BTS, ভাইরাল, নিউ ট্রেন্ড, এই এপ ওই এপ তো আছেই। আর যারা ট্যালেন্টেড তাদের হিসাবটা জাস্ট উল্টা। তারা খেয়াল করে করে সিরিয়াস কাজ কর্ম করে। এর মধ্যে রিলাক্স বা ব্রেক এর জন্য হালকা একটু সময় পাইলে এন্টারটেইনমেন্ট নিদৃষ্ট সময় দেখে।
৪. Finishing The Task over Excuses
অসুস্থ, মাথাব্যাথা, ফ্যামিলি ইস্যু, কারেন্ট না থাকা, ইন্টারনেট না থাকা, বুয়া সাজেক ট্যুরে, কিংবা পাশের বাসার বিড়াল এর মিয়াও, মিয়াও করার মতো সব সমস্যাই আমাদের লাইফে যেমন আছে ট্যালেন্টেড পোলাপান এর লাইফেও আছে। শুধু ডিফারেন্স হচ্ছে:: আমরা সমস্যাকে পুঁজি করে অজুহাত হিসেবে কাজ টা না করে পার পেতে চাই। আর ওরা যত দ্রুত সম্ভব এডজাস্ট করে কাজটা ফিনিশ করার রাস্তা বের করে ঠিকই কাজটা ফিনিশ করে ফেলে।
এইটুক পড়ার পর কিছু স্বঘোষিত পন্ডিত বলবে-- ভাই, এতো পরিশ্রম করে কি হবে?
তাদের জন্য উল্টা প্রশ্ন: এতো পরিশ্রম না করে, কি করছো?
16/12/2021
১৬ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বীর শহীদদের প্রতি জানাই-🇧🇩
বিনম্র শ্রদ্ধা❤️
স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
স্বাধনতার ৫০ বছর 🤝
শুভ জন্মদিন বাংলাদেশ 🇧🇩❤️
#বিজয়দিবস #বাংলাদেশ #ভরতকাঠী
সিম্পল একটা মাইন্ডসেট। সিম্পল একটা টেকনিক মনে প্রাণে বিশ্বাস করলে। অনেক সময় সেই টেকনিক দিয়েই অনেক কিছু ঘটিয়ে ফেলা যায়। এই যেমন ধরো, তোমার পড়তে ভাল্লাগে না? পড়তে মন চায় না?
জাস্ট REST ফর্মুলা এপ্লাই করো। এই REST ফরমুলাটা অ্যাপ্লাই করতে গিয়ে প্রথমেই REST- এর ভিতরের E- এর দিকে খেয়াল করো।
E দিয়ে Eleminate:
এই E দিয়ে বুঝায় ইলিমিনেইট (Eliminate) করে ফেলা। তাই তোমাকে কিছু জিনিস ইলিমিনেট করতে হবে। এখন তুমি চিন্তা করে দেখ-- সারাদিন না পড়লেও সারাদিনের সময়টা কোন না কোনভাবে পার হয়ে যায়। হয়তো মোবাইল টিপাটিপি করতে? ফেইসবুক ঘাটাঘাটি করতে? ইউটিউবে স্ক্রলিং করতে? বন্ধুদের সাথে চ্যাট করতে? নাকি ভিডিও গেমস, মুভি দেখা, খেলা দেখা, নিউজ এর পিছনে। কিসের পিছনে যায়? সেটার ছোট খাটো একটা লিস্ট বের করো।
লিস্ট হয়ে যাওয়ার পর তোমার একটা কাজ। সেটা হচ্ছে তোমার এই লিস্টের সবচেয়ে বড় তিনটা কাজ করা বন্ধ করতে হবে। অর্থাৎ তুমি যেসব কাজে সবচেয়ে বেশি সময় নষ্ট করছো সেগুলাকে ইলিমিনেট করতে হবে।
তুমি যদি মোবাইল খুব বেশি ইউজ করো তাহলে মোবাইলটা টার্ন অফ করে তোমার আম্মুকে তিনদিনের জন্য দিয়ে দিবে। বা তুমি যদি কিছু না করে সারাদিন বিছানায় শুয়ে থাকো। তাহলে এই বিছানা, কাথা, বালিশ তোমার রুম থেকে বের করে বারান্দায় বা তোমার পাশের রুমে নিয়ে রেখে আসবে। অর্থাৎ যে কাজগুলা তোমার সময় খেয়ে ফেলে, তুমি তাদেরকে খেয়ে ফেলবে।
S দিয়ে Specific
এই S দিয়ে বুঝায়-- তোমাকে একটু স্পেসেফিক (Specific) হতে হবে। সেটা বেশি দিনের জন্য না। বা পুরা দিনের জন্য না। বরং ছোট্ট একটা সময়ের জন্য। শর্ট একটা ডিউরেশনের জন্য। কখনো চিন্তা করবে না যে এই সপ্তাহ পড়ে ফাটাইয়া ফেলবো। বা আজকে সারাদিন শুধু পড়বোই পড়বো। খাওয়া বাথরুম কিছুই করমু না। খালি পড়মুই। এইসব চিন্তা করে কোন লাভ নাই। বরং তুমি চিন্তা করবি-- আমি জাস্ট এক ঘন্টা পড়মু। তার বেশি না।
আর খুব খায়েশ হলে- বড় জোড় দেড় থেকে দুই ঘন্টা। এর বেশি চিন্তাই করবে না। আর এই এক দেড় ঘন্টার মধ্যে দশটা সাবজেক্ট না। এমনকি একটা সাবজেক্টের সবকিছু না। শুধু সিম্পল, স্পেসিফিক একটা জিনিস ডিসাইড করবে। যেটা এক ঘন্টার মধ্যে আমি শেষ করবো। এক ঘন্টার মধ্যে শেষ না হলে দেড় বা দুই ঘন্টার মধ্যে শেষ করবো। এই রকম একটা ডিসিশন নিলে তোমার জন্য টার্গেটটা অনেক ছোট এবং স্পেসিফিক হয়। এবং সেটার জন্য সাহসও করা যায়। অ্যাটেম্পট নেওয়াটা ইজিয়ার হয়।
T দিয়ে Timebox
এই T দিয়ে বুঝায় টাইমবক্স (Timebox) । অর্থাৎ তোমাকে একটা টাইমবক্স সেট করতে হবে। ধর, সারাদিনে তুমি অনেক হাবিজাবি কাজ করো। ইউটিউবে এনজয়, নেটফ্লিক্সে বেনজয়, ভিডিও গেমসে ধনঞ্জয়, ফেইসবুকে বিশ্বজয়, হেনোতেনো। ফ্রেন্ডদের সাথে ফোনে আড্ডা, সোশ্যাল মিডিয়া। হাবিজাবি। সেগুলা কর। কোন সমস্যা নাই। শুধু সারাদিনের মধ্যে-- জাস্ট দুই ঘন্টার দুইটা টাইমবক্স সেট করবে। এগুলাকে আমি বলি ডিসকানেক্টটেড বা এনালগ টাইমবক্স।
যাতে সারাদিনের মধ্যে মোট চার ঘন্টা সলিড টাইমবক্স হয়ে যায়। তুমি সারপ্রাইজড হয়ে যাবে যে অন্যসময় তুমি সারাদিনে যতটুকু পড়তা, দুই ঘন্টার দুইটা টাইমবক্সের মধ্যে তুমি তার চাইতে বেশি পড়ালেখা করে ফেলতে পারতেছো।
R দিয়ে Reward
এই R দিয়ে বুঝায় রিওয়ার্ড (Reward)। কারণ কী? ছোটবেলায় তোমাকে যখন তোমার আম্মু বলতো যে এই অংকটা শেষ করো বা তুমি যদি ক্লাসে ভালো রেজাল্ট করো তাইলে তোমাকে আইসক্রিম দিবো। নতুন জামা কিনে দিবো। অথবা এই জিনিসটা খাইতে দিবো বা মোবাইলে খেলতে দিবো। সেই লোভে বা সেই আশায় কিন্তু তুমি সিরিয়ালসি পড়ালেখা করতে।
এখন সেই রিওয়ার্ড সিস্টেমটা তোমাকে আবার চালু করতে হবে। নিজে নিজে। ধরো, তুমি একটু পরে খাবে। তার আগে তুমি বিশ মিনিট বা ত্রিশ মিনিট এর একটা শর্ট স্পেসিফিক টার্গেট সেট করে ফেলো। আচ্ছা, আমি যদি এই কাজটা ফিনিশ করতে পারি, তাহলে তারপরে গিয়ে লাঞ্চটা বা ডিনারটা করবো।
যখন তুমি এই কাজটা শেষ করে লাঞ্চ করতে যাবে তখন ওই লাঞ্চটা তোমার কাছে একটা রিওয়ার্ড হিসেবে চলে আসবে। হয়তো তুমি খেতেই কিন্তু এখন একটু স্ট্রাটেজিক ভাবে তোমার ওই খাওয়াটা তোমার কাছে একটা রিওয়ার্ড হিসেবে আসবে।
একইভাবে তুমি হয়তো একটা জামাই কিনবে। বা ব্যাকপ্যাকই কিনবে, কিন্তু একটা কন্ডিশন দিয়ে দিলে। ঠিক আছে আমি যদি এই চ্যাপ্টারের চল্লিশটা অংক শেষ করতে পারি তাইলে আমি এই কাজের রিওয়ার্ড হিসেবে নিজেকে এই জামাটা উপহার দিবো। তারমানে তুমি উপহার দিচ্ছো বা পুরষ্কার হিসেবে পাচ্ছ। তখন ওই জিনিসটা তোমার নিজের একটু ভালো ফিল হবে। যতবার তুমি ওই জামাটা পরবে ততবার তোমার মনে হবে আচ্ছা; কেমেস্ট্রির প্রথম দশ চ্যাপ্টার রিভিশন দেয়ার রিওয়ার্ড হিসেবে আমি এই জামাটা পাইছি।
শেষ কথা হচ্ছে-- তোমাকে REST ফর্মুলাই এপ্লাই করতে হবে। এমন কোন কথা নাই। তুমি চাইলে REST টেকনিককে মডিফাই করে তোমার মতো করে আরেকটা টেকনিক নিজে নিজে ডেভেলপ করে সেটা এপ্লাই করতে পারো। তবে যেই টেকনিকই এপ্লাই করো না কেন, নিজেকে বুঝিয়ে সুজিয়ে বোকা বানিয়ে বলতে হবে-- আমি এই পলিসি এপ্লাই করবো। এই পলিসি দিয়েই কাজ হবে। সেজন্যই হয়তো স্টিভ জবস বলে গেছেন-- stay hungry stay foolish
অন্য দিকে যেকোন টেকনিক নিয়ে খুব বেশি এনালাইসিস, খুব বেশি জাস্টিফিকেশন, খুব বেশি বুদ্ধি বের করার চেষ্টা করলে সেটা কখনোই কাজ করবে না। বুদ্ধি পেঁচাইতে পেঁচাইতে গুতুম পেঁচা হয়ে যাবে। কাজের কাজ না করে এনালাইসিস করতে করতে এনালাইসিস প্যারালাইসিস হয়ে যাবে।
সিম্পল একটা মাইন্ডসেট। সিম্পল একটা টেকনিক মনে প্রাণে বিশ্বাস করলে। অনেক সময় সেই টেকনিক দিয়েই অনেক কিছু ঘটিয়ে ফেলা যায়। এই যেমন ধরো, তোমার পড়তে ভাল্লাগে না? পড়তে মন চায় না?
জাস্ট REST ফর্মুলা এপ্লাই করো। এই REST ফরমুলাটা অ্যাপ্লাই করতে গিয়ে প্রথমেই REST- এর ভিতরের E- এর দিকে খেয়াল করো।
E দিয়ে Eleminate:
এই E দিয়ে বুঝায় ইলিমিনেইট (Eliminate) করে ফেলা। তাই তোমাকে কিছু জিনিস ইলিমিনেট করতে হবে। এখন তুমি চিন্তা করে দেখ-- সারাদিন না পড়লেও সারাদিনের সময়টা কোন না কোনভাবে পার হয়ে যায়। হয়তো মোবাইল টিপাটিপি করতে? ফেইসবুক ঘাটাঘাটি করতে? ইউটিউবে স্ক্রলিং করতে? বন্ধুদের সাথে চ্যাট করতে? নাকি ভিডিও গেমস, মুভি দেখা, খেলা দেখা, নিউজ এর পিছনে। কিসের পিছনে যায়? সেটার ছোট খাটো একটা লিস্ট বের করো।
লিস্ট হয়ে যাওয়ার পর তোমার একটা কাজ। সেটা হচ্ছে তোমার এই লিস্টের সবচেয়ে বড় তিনটা কাজ করা বন্ধ করতে হবে। অর্থাৎ তুমি যেসব কাজে সবচেয়ে বেশি সময় নষ্ট করছো সেগুলাকে ইলিমিনেট করতে হবে।
তুমি যদি মোবাইল খুব বেশি ইউজ করো তাহলে মোবাইলটা টার্ন অফ করে তোমার আম্মুকে তিনদিনের জন্য দিয়ে দিবে। বা তুমি যদি কিছু না করে সারাদিন বিছানায় শুয়ে থাকো। তাহলে এই বিছানা, কাথা, বালিশ তোমার রুম থেকে বের করে বারান্দায় বা তোমার পাশের রুমে নিয়ে রেখে আসবে। অর্থাৎ যে কাজগুলা তোমার সময় খেয়ে ফেলে, তুমি তাদেরকে খেয়ে ফেলবে।
S দিয়ে Specific
এই S দিয়ে বুঝায়-- তোমাকে একটু স্পেসেফিক (Specific) হতে হবে। সেটা বেশি দিনের জন্য না। বা পুরা দিনের জন্য না। বরং ছোট্ট একটা সময়ের জন্য। শর্ট একটা ডিউরেশনের জন্য। কখনো চিন্তা করবে না যে এই সপ্তাহ পড়ে ফাটাইয়া ফেলবো। বা আজকে সারাদিন শুধু পড়বোই পড়বো। খাওয়া বাথরুম কিছুই করমু না। খালি পড়মুই। এইসব চিন্তা করে কোন লাভ নাই। বরং তুমি চিন্তা করবি-- আমি জাস্ট এক ঘন্টা পড়মু। তার বেশি না।
আর খুব খায়েশ হলে- বড় জোড় দেড় থেকে দুই ঘন্টা। এর বেশি চিন্তাই করবে না। আর এই এক দেড় ঘন্টার মধ্যে দশটা সাবজেক্ট না। এমনকি একটা সাবজেক্টের সবকিছু না। শুধু সিম্পল, স্পেসিফিক একটা জিনিস ডিসাইড করবে। যেটা এক ঘন্টার মধ্যে আমি শেষ করবো। এক ঘন্টার মধ্যে শেষ না হলে দেড় বা দুই ঘন্টার মধ্যে শেষ করবো। এই রকম একটা ডিসিশন নিলে তোমার জন্য টার্গেটটা অনেক ছোট এবং স্পেসিফিক হয়। এবং সেটার জন্য সাহসও করা যায়। অ্যাটেম্পট নেওয়াটা ইজিয়ার হয়।
T দিয়ে Timebox
এই T দিয়ে বুঝায় টাইমবক্স (Timebox) । অর্থাৎ তোমাকে একটা টাইমবক্স সেট করতে হবে। ধর, সারাদিনে তুমি অনেক হাবিজাবি কাজ করো। ইউটিউবে এনজয়, নেটফ্লিক্সে বেনজয়, ভিডিও গেমসে ধনঞ্জয়, ফেইসবুকে বিশ্বজয়, হেনোতেনো। ফ্রেন্ডদের সাথে ফোনে আড্ডা, সোশ্যাল মিডিয়া। হাবিজাবি। সেগুলা কর। কোন সমস্যা নাই। শুধু সারাদিনের মধ্যে-- জাস্ট দুই ঘন্টার দুইটা টাইমবক্স সেট করবে। এগুলাকে আমি বলি ডিসকানেক্টটেড বা এনালগ টাইমবক্স।
যাতে সারাদিনের মধ্যে মোট চার ঘন্টা সলিড টাইমবক্স হয়ে যায়। তুমি সারপ্রাইজড হয়ে যাবে যে অন্যসময় তুমি সারাদিনে যতটুকু পড়তা, দুই ঘন্টার দুইটা টাইমবক্সের মধ্যে তুমি তার চাইতে বেশি পড়ালেখা করে ফেলতে পারতেছো।
R দিয়ে Reward
এই R দিয়ে বুঝায় রিওয়ার্ড (Reward)। কারণ কী? ছোটবেলায় তোমাকে যখন তোমার আম্মু বলতো যে এই অংকটা শেষ করো বা তুমি যদি ক্লাসে ভালো রেজাল্ট করো তাইলে তোমাকে আইসক্রিম দিবো। নতুন জামা কিনে দিবো। অথবা এই জিনিসটা খাইতে দিবো বা মোবাইলে খেলতে দিবো। সেই লোভে বা সেই আশায় কিন্তু তুমি সিরিয়ালসি পড়ালেখা করতে।
এখন সেই রিওয়ার্ড সিস্টেমটা তোমাকে আবার চালু করতে হবে। নিজে নিজে। ধরো, তুমি একটু পরে খাবে। তার আগে তুমি বিশ মিনিট বা ত্রিশ মিনিট এর একটা শর্ট স্পেসিফিক টার্গেট সেট করে ফেলো। আচ্ছা, আমি যদি এই কাজটা ফিনিশ করতে পারি, তাহলে তারপরে গিয়ে লাঞ্চটা বা ডিনারটা করবো।
যখন তুমি এই কাজটা শেষ করে লাঞ্চ করতে যাবে তখন ওই লাঞ্চটা তোমার কাছে একটা রিওয়ার্ড হিসেবে চলে আসবে। হয়তো তুমি খেতেই কিন্তু এখন একটু স্ট্রাটেজিক ভাবে তোমার ওই খাওয়াটা তোমার কাছে একটা রিওয়ার্ড হিসেবে আসবে।
একইভাবে তুমি হয়তো একটা জামাই কিনবে। বা ব্যাকপ্যাকই কিনবে, কিন্তু একটা কন্ডিশন দিয়ে দিলে। ঠিক আছে আমি যদি এই চ্যাপ্টারের চল্লিশটা অংক শেষ করতে পারি তাইলে আমি এই কাজের রিওয়ার্ড হিসেবে নিজেকে এই জামাটা উপহার দিবো। তারমানে তুমি উপহার দিচ্ছো বা পুরষ্কার হিসেবে পাচ্ছ। তখন ওই জিনিসটা তোমার নিজের একটু ভালো ফিল হবে। যতবার তুমি ওই জামাটা পরবে ততবার তোমার মনে হবে আচ্ছা; কেমেস্ট্রির প্রথম দশ চ্যাপ্টার রিভিশন দেয়ার রিওয়ার্ড হিসেবে আমি এই জামাটা পাইছি।
শেষ কথা হচ্ছে-- তোমাকে REST ফর্মুলাই এপ্লাই করতে হবে। এমন কোন কথা নাই। তুমি চাইলে REST টেকনিককে মডিফাই করে তোমার মতো করে আরেকটা টেকনিক নিজে নিজে ডেভেলপ করে সেটা এপ্লাই করতে পারো। তবে যেই টেকনিকই এপ্লাই করো না কেন, নিজেকে বুঝিয়ে সুজিয়ে বোকা বানিয়ে বলতে হবে-- আমি এই পলিসি এপ্লাই করবো। এই পলিসি দিয়েই কাজ হবে। সেজন্যই হয়তো স্টিভ জবস বলে গেছেন-- stay hungry stay foolish
অন্য দিকে যেকোন টেকনিক নিয়ে খুব বেশি এনালাইসিস, খুব বেশি জাস্টিফিকেশন, খুব বেশি বুদ্ধি বের করার চেষ্টা করলে সেটা কখনোই কাজ করবে না। বুদ্ধি পেঁচাইতে পেঁচাইতে গুতুম পেঁচা হয়ে যাবে। কাজের কাজ না করে এনালাইসিস করতে করতে এনালাইসিস প্যারালাইসিস হয়ে যাবে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Barishal
Opening Hours
| Monday | 10:00 - 16:00 |
| Tuesday | 10:00 - 16:00 |
| Wednesday | 10:00 - 16:00 |
| Thursday | 10:00 - 16:00 |
| Saturday | 10:00 - 16:00 |
| Sunday | 10:00 - 16:00 |