Good night
Barguna crush & confusion BCC
আপনার পছন্দের মানুষের কাছে পৌঁছে দিবো আপনার মনে যত্নে রাখা কথা
Barguna manee agun
আর্জেন্টিনার জন্য শুভকামনা
04/07/2026
03/07/2026
Love is power
30/06/2026
Argentina supportar der obostha 🤣🤣
Brazil to jitlo, tumra ki rag krla 🇧🇷✌️
29/06/2026
২০১৯ সালের আজকের এই দিনে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির উপস্থিতিতে প্রকাশ্য দিবালোকে কু/পি/য়ে হ/ত্যা করা হয় রিফাতকে। সেই বহুল আলোচিত রিফাত শরীফ হ/ত্যা/কা/ণ্ডে/র সাত বছর আজ (২৬ জুন)।
ওই ঘটনার পর দেশজুড়ে আলোড়ন শুরু হয়। মামলায় পরবর্তীতে মিন্নিসহ কয়েকজনকে মৃ/ত্যু/দ/ণ্ড দেন আদালত।
এখন কোথায় মিন্নি?
কারা কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারের কনডেম সেলে বন্দি রয়েছেন মিন্নি। মৃ/ত্যু/দ/ণ্ড/প্রাপ্ত বন্দি হিসেবে মিন্নি কনডেম সেলে বেশিরভাগ সময় বেশ নিরিবিলি থাকেন। নিয়মিত নামাজ পড়েন। ধর্মীয় গ্রন্থ পাঠের মধ্য দিয়েই তার দিন কাটে।
কারা কর্তৃপক্ষের ভাষ্য মতে- কারাগারের অন্য বন্দি বা কারারক্ষীদের সঙ্গে তিনি খুব একটা কথা বলেন না। কেবল নির্দিষ্ট নিয়মে বাবা-মা বা নিকটাত্মীয়রা সাক্ষাৎ করতে এলে তাদের সঙ্গে কিছু সময় কথা বলেন। কারা কর্তৃপক্ষের ভাষ্যমতে, কারাগারে তার আচরণ স্বাভাবিক এবং এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের শৃঙ্খলাভঙ্গের রেকর্ড নেই।
আদালত কর্তৃক সাজা ঘোষণার পর মিন্নিকে প্রথমে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগারে রাখা হয়। তবে পরে আইনি প্রক্রিয়া ও পরিবারের সদস্যদের সাক্ষাতের সুবিধার কথা বিবেচনা করে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থানান্তর করা হয়।
কী ঘটেছিলো সেদিন?
২০১৯ সালের ২৬ জুন বরগুনা সরকারি কলেজ গেটের সামনের ঘটনা। সেখানে রিফাত শরীফের ওপর ধারালো অ/স্ত্র নিয়ে হা/ম/লা চালায় স্থানীয় গ্যাং ‘বন্ড বাহিনী’র সদস্যরা। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হলে ডাক্তাররা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে ব্যাপক ক্ষোভ ও আলোচনার জন্ম দেয়। সেখানে স্পষ্টতই দেখা যায়- হামলার সময় মিন্নির আচরণ ছিলো সন্দেহজনক।
মিন্নি গ্রেফতার:-
হ/ত্যা/কা//ণ্ডের পরদিন রিফাতের বাবা আব্দুল হালিম দুলাল শরীফ বরগুনা সদর থানায় ১২ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও বেশ কয়েকজনকে আসামি করে মামলা করেন। তদন্তের একপর্যায়ে পুলিশের পক্ষ থেকে এই হ/ত্যা/কা/ণ্ডে/র পরিকল্পনায় রিফাতের স্ত্রী মিন্নির সম্পৃক্ততার দাবি করা হয়। ঘটনার প্রায় ২০ দিন পর মিন্নিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
২০১৯ সালের ১ অক্টোবর পুলিশ আদালতে মোট ২৪ জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র জমা দেয়। প্রাপ্তবয়স্ক ও অপ্রাপ্তবয়স্ক- দুই ভাগে মামলার বিচার চলে। ২০২০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর প্রাপ্তবয়স্ক আসামিদের মামলায় আদালত মিন্নিসহ ছয়জনকে মৃত্যুদণ্ড দেন এবং চারজনকে খালাস দেন। একই বছরের ২৭ অক্টোবর শিশু আদালত অপ্রাপ্তবয়স্ক কয়েকজন আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন।
মিন্নির পরিবার কী বলছে?
মামলার শুরু থেকেই মিন্নির পরিবার দাবি করে আসছে, তাকে পরিকল্পিতভাবে এ মামলায় জড়ানো হয়েছে। তদন্তের সময় প্রকৃত ঘটনাকে ভিন্ন খাতে নেওয়া হয়েছে এবং রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে একজন সাক্ষীকে আসামিতে পরিণত করা হয়েছে বলে অভিযোগ তাদের। পরিবারের পক্ষ থেকে আরও অভিযোগ করা হয়, গুরুত্বপূর্ণ আলামত ও সিসিটিভি ফুটেজ যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা হয়নি এবং তদন্তে নানা অসঙ্গতি ছিল।
আমার মেয়ে খু/নি হয়ে গেলো শুধু শম্ভুদার কারণে:-
মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোর বরাবরই বলেছেন, মিন্নি তার স্বামীকে হাজারো মানুষের সামনে বাঁচানোর আপ্রাণ চেষ্টা করেছে। কিন্তু সে ব্যর্থ হয়। শেষ পর্যন্ত সে খু/নি হয়ে গেল শুধু শম্ভুদার কারণে। তিনি এমন একটি পরিকল্পনা এখানে করেন তার ছেলেকে বাঁচানোর জন্য। তার ছেলে হলো বরগুনার মাদক সম্রাট। সে মাদকের ডিলার এবং এই ‘নয়ন বন্ড’ থেকে শুরু করে বরগুনার যত মাদকাসক্ত মানুষ ও যুব সমাজ সবই তাদের নিয়ন্ত্রণে ছিল।
কিশোর গ্যাং ‘বন্ড বাহিনী’ তৎকালীন আওয়ামী লীগের এমপি ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুর ছেলে সুনাম দেবনাথের ছত্রছায়ায় গড়ে ওঠে। বন্ড বাহিনীর মাদকের ব্যবসা চালাতো সুনাম। তাকে বাঁচাতেই শম্ভু নির্দোষ মিন্নিকে ফাঁসিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
29/06/2026
কে জিতবে মতামত কমেন্টে জানাতে পারেন
Tmr Ex e je khela tmke dekhaise tar kache ei FIFA world cup kichui nah!
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Barisal