Muaz Academy

Muaz Academy

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Muaz Academy, Education Website, KHARKI, PATARHAT, MEHENDIGONJ, BARISHAL, Barishal.

Education refers to the discipline that is concerned with methods of teaching and learning in schools or school-like environments, as opposed to various nonformal and informal means of socialization

21/10/2024

কে বলতে পারবেন মাথাটি কিসের?

30/08/2024

একতাই শক্তি ! একতাই শক্তি!একতাই শক্তি!একতাই শক্তি..........

26/08/2024

বন্যাদুর্গতদের সেবায় মহান আল্লাহ যে পুরস্কার দেবেন.........

হঠাৎ বন্যা পরিস্থিতি তীব্র আকার ধারণ করেছে ফেনী, কুমিল্লা, নোয়াখালীসহ বিভিন্ন অঞ্চলে। সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থা ফেনীর ফুলগাজী, পরশুরাম ও ছাগলনাইয়া উপজেলায়।
বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে বাড়িঘর, রাস্তাঘাট, ফসলি জমি, ভেসে গেছে পুকুর। এখনো হাজারো মানুষ পানিবন্দী অবস্থায় রয়েছে।

স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় এসব এলাকা পুরোপুরি বিদ্যুতহীন হয়ে পড়েছে। বন্ধ হয়ে গেছে মোবাইল নেটওয়ার্কও।

এ পরিস্থিতিতে বন্যাদুর্গতদের সেবায় হাত বাড়িয়ে দেয়া আমাদের সবার কতব্য। সৃষ্টির সেবা ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ বিধান। এটি স্বতন্ত্র ইবাদতও বটে। এ বিষয়ে ত্রুটি হলে কিয়ামতের দিন মহান আল্লাহর সামনে জবাবদিহির মুখোমুখি হতে হবে। প্রশ্ন করা হবে, বস্ত্রহীনদের বস্ত্রদান ও ক্ষুধার্তদের খাদ্যদান সম্পর্কে। ইসলামে মানবীয় গুণাবলির ক্ষেত্রে পরোপকার ও জনকল্যাণমূলক কাজকে অন্যতম শ্রেষ্ঠ গুণ আখ্যা দিয়ে এর প্রতি উৎসাহ দেয়া হয়েছে।

মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে বলেন, ‘যদি তোমরা প্রকাশ্যে দানখয়রাত করো তবে তা কতই না উত্তম। আর যদি দান গোপনে করো এবং অভাবগ্রস্তদের দিয়ে দাও তবে তা তোমাদের জন্য আরও উত্তম। (এর দ্বারা) আল্লাহ তোমাদের গোনাহ মাফ করে দেবেন। জেনে রাখ, তিনি তোমাদের কাজকর্মের ব্যাপারে অধিক খবর রাখেন।’ (সুরা বাকারা, আয়াত: ২৭১)

সামর্থ্যবান হওয়া সত্ত্বেও যারা বন্যার্তদের সাহায্যে এগিয়ে আসবে না, তাদেরকেও মহান আল্লাহ সাহায্য করবেন না। নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘যে ব্যক্তি মানুষের প্রতি দয়া করে না, তার প্রতিও দয়া করা হয় না।’ (তিরমিজি: ৪/৩২৩)

বন্যার্তদের জন্য সামর্থ্য অনুযায়ী সাহায্যের হাত সম্প্রসারিত করলে আল্লাহ তাদের জান্নাতে বিশেষ রিজিক দিয়ে সম্মানিত করবেন।

নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘যে ব্যক্তি কোনো বস্ত্রহীনকে কাপড় পরাবে, আল্লাহ তাকে জান্নাতের সবুজ রেশমি কাপড় পরাবেন। যে ব্যক্তি কোনো ক্ষুধার্ত ব্যক্তিকে আহার করাবে, আল্লাহ তাকে জান্নাতের ফল খাওয়াবেন। যে ব্যক্তি কোনো তৃষ্ণার্তকে পানি পান করাবে, আল্লাহ তাকে জান্নাতের পবিত্র প্রতীকধারী পানীয় পান করাবেন।’ (আবু দাউদ: ২/১৩০)

বিখ্যাত সাহাবি হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে আছে, ‘যে ব্যক্তি কোনো মুমিনের পার্থিব কষ্টসমূহ থেকে কোনো কষ্ট দূর করবে; কিয়ামতের কষ্টসমূহ থেকে আল্লাহ তার একটি কষ্ট দূর করবেন। যে ব্যক্তি কোনো অভাবীকে দুনিয়াতে ছাড় দেবে আল্লাহ তাকে দুনিয়া ও আখিরাতে ছাড় দেবেন। যে ব্যক্তি কোনো মুমিনের দোষ গোপন রাখবে, আল্লাহ দুনিয়া ও আখিরাতে তার দোষ গোপন রাখবেন। আর আল্লাহ বান্দার সাহায্যে থাকেন যতক্ষণ সে তার ভাইয়ের সাহায্য করে যায়।’ (মুসলিম; আবু দাউদ)।

প্রকৃতি আল্লাহর দান। মনুষ্য বসবাসের উপযোগী করেই প্রকৃতিকে সাজানো হয়েছে। প্রকৃতি মহান আল্লাহ কর্তৃক সৃষ্ট, তিনি কর্তৃক পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত। মাঝেমধ্যে প্রকৃতি বিরূপ রূপ ধারণ করে। রূঢ় ও রুষ্ট হয়, যাকে আমরা প্রাকৃতিক দুর্যোগ বলে থাকি। যেমন- ঘূর্ণিঝড়, কালবৈশাখী ঝড়, শিলাবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি, জলোচ্ছ্বাস, ভারী বর্ষণ, বন্যা, খরা, দাবানল, শৈত্যপ্রবাহ; দুর্ভিক্ষ, মহামারি, ভূমিকম্প, সুনামি প্রভৃতি।

দুর্যোগে বিচলিত না হয়ে ধৈর্য ধারণ করা
আল্লাহ রাব্বুল আলামিন কিছু কিছু বিপদ-আপদ ও বালা-মুসিবত দিয়ে মানুষকে সতর্ক করেন। আল্লাহ তাআলা বলেন: ‘আর আমি অবশ্যই তোমাদেরকে পরীক্ষা করব কিছু ভয়, ক্ষুধা এবং জান, মাল ও ফলফলাদির ক্ষতির মাধ্যমে। আর তুমি ধৈর্যশীলদের সুসংবাদ দাও। যারা, নিজেদের বিপদ-মুসিবতের সময় বলে, “নিশ্চয় আমরা আল্লাহর জন্য এবং নিশ্চয় আমরা আল্লাহরই দিকে প্রত্যাবর্তনকারী”, তাদের ওপরই রয়েছে তাদের রবের পক্ষ থেকে মাগফিরাত ও রহমত এবং তারাই হিদায়াতপ্রাপ্ত।’ (সুরা-২ [৮৭] বাকারা, রুকু: ১৯, আয়াত: ১৫৫-১৫৭; পারা: ২)।

দুর্যোগের সময় করণীয় সুন্নত আমল
প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় কিছু সুন্নত আমল করার মাধ্যমে ক্ষয়ক্ষতি থেকে বাঁচার সুযোগ রয়েছে। হাদিস শরিফে আছে, যখন কোথাও ভূমিকম্প সংঘটিত হয় অথবা সূর্যগ্রহণ হয়, ঝোড়ো বাতাস বা বন্যা হয়, তখন সবার উচিত মহান আল্লাহর কাছে তওবা করা, তার কাছে নিরাপত্তার জন্য দোয়া করা, মহান আল্লাহকে স্মরণ করা এবং ক্ষমা প্রার্থনা করা। এ ক্ষেত্রে রাসুলুল্লাহ (সা.) নির্দেশ দিয়ে বলেছেন, ‘দ্রুততার সঙ্গে মহান আল্লাহর জিকির করো, তার নিকট তওবা করো।’ (বুখারি ২/৩০; মুসলিম ২/৬২৮)।

আল্লাহর জিকিরের সর্বোত্তম উপায় হচ্ছে নামাজ পড়া, কোরআন তিলাওয়াত বা দোয়া-দরুদ পাঠ করা। দুর্যোগের সময় জিকিরের আরও উপায় হতে পারে ইস্তিগফার, তসবি পাঠ ইত্যাদি। হাদিস শরিফে বর্ণিত আছে, প্রচণ্ড ঝোড়ো হাওয়া বইলে রাসুলুল্লাহ (সা.) মসজিদে যেতেন এবং নামাজে মশগুল হতেন। (মিশকাত শরিফ: ৬৯৬)। সাহাবিদের জীবনে আমরা দেখি, বিপদে-মুসিবতে তারা নামাজে দাঁড়াতেন ও ধৈর্য ধারণ করতেন। (মিশকাতুল মাসাবিহ: ৫৩৪৫)। ঝড়-তুফানের প্রাদুর্ভাব ঘটলে তাকবির (আল্লাহু আকবার [আল্লাহ মহান]) বলা ও আজান দেওয়া সুন্নত। (তবে এই আজানে ‘হাইয়া আলাছ ছলাহ’ [নামাজের জন্য আসো] ও ‘হাইয়া আলাল ফালাহ’ [সফলতার জন্য আসো] বাক্যদ্বয় বলার প্রয়োজন নেই)।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে বাঁচার উপায়
আল্লাহ তাআলা মানুষকে আশরাফুল মখলুকাত হিসেবে সৃষ্টি করেছেন। তিনি অযথা কাউকে শাস্তি দিতে চান না। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণ হলো আল্লাহ তাআলার অসন্তুষ্টি। আল্লাহর আজাব থেকে বাঁচার জন্য আমল পরিশুদ্ধ করতে হবে। যে আমলে আল্লাহ খুশি হন, সে আমল বেশি বেশি করতে হবে। নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত, দান-সদকা ইত্যাদি ভালো কাজ করতে হবে।

হাদিস শরিফে বর্ণিত আছে, ‘সদকা আল্লাহর অসন্তুষ্টিকে নিভিয়ে দেয় এবং অপমৃত্যু রোধ করে।’ (তিরমিজি শরিফ: ৬০০)।

সাধারণ বৃষ্টি-বাদলের সময় ও বৃষ্টির পর পড়ার সুন্নত দোয়া
হজরত আয়িশা সিদ্দিকা (রা.) বর্ণনা করেন, বৃষ্টি হলে রাসুলুল্লাহ (সা.) এই দোয়া পড়তেন: ‘আল্লাহুম্মা ছয়্যিবান নাফিআ’ (হে আল্লাহ! এই বৃষ্টি যেন আমাদের জন্য উপকারী ও কল্যাণকর হয়)। (বুখারি শরিফ ও মুসলিম শরিফ)। হজরত যায়িদ ইবনে ছাবিত (রা.) বর্ণনা করেন, বৃষ্টির পর রাসুলুল্লাহ (সা.) বলতেন: ‘আল্লাহ তাআলার দয়া ও অনুগ্রহে আমরা বৃষ্টিস্নাত হয়েছি।’ (বুখারি শরিফ ও মুসলিম শরিফ)।

ভারী বর্ষণ ও অতিবৃষ্টির সময় পড়ার সুন্নত দোয়া
হজরত আনাস ইবনে মালিক (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) অধিক বৃষ্টি ও ভারী বর্ষণের সময় এই দোয়া পড়তেন, হে আল্লাহ! এই ঝড়, তুফান ও ভারী বর্ষণ আমাদের আশপাশ থেকে সরিয়ে নিন, দয়া করে আমাদের ওপর ঝড়, তুফান ও ভারী বর্ষণ দেবেন না। হে আল্লাহ, এই ভারী বর্ষণ দিন টিলা-পর্বতে, উঁচু ভূমিতে, উপত্যকায়, বনভূমি ও চারণ ভূমিতে। (বুখারি শরিফ ও মুসলিম শরিফ)।

ঝড়-তুফানের সময় পড়ার সুন্নত দোয়া
হজরত আয়িশা সিদ্দিকা (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) ঝড়-তুফানের সময় এর ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পেতে এই দোয়া পড়তেন, হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট প্রার্থনা করি এই ঝড়ের কল্যাণ, এর মধ্যস্থিত কল্যাণ, এর সঙ্গে প্রেরিত কল্যাণ। আমি আপনার নিকট পানাহ চাই এই ঝড়ের অনিষ্ট থেকে, এর মধ্যস্থিত অনিষ্ট থেকে, এর সঙ্গে প্রেরিত অনিষ্ট থেকে। (বুখারি শরিফ ও মুসলিম শরিফ)।

বজ্রপাত, ঝড়-তুফান ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে বাঁচার দোয়া
প্রাকৃতিক দুর্যোগের ভয়াবহ করুণ এক রূপ হলো বজ্রপাত, যা মহান রাব্বুল আলামিনের শক্তিমত্তা ও ক্রোধের বহিঃপ্রকাশ। এ সম্পর্কে কোরআন মজিদে রয়েছে: ‘বজ্রধ্বনি তার সপ্রশংস মহিমা ও পবিত্রতা ঘোষণা করে, ফেরেশতাগণও তাকে ভয় করে (প্রশংসা ও পবিত্রতা বর্ণনা করে)। তিনি বজ্রপাত ঘটান এবং যাকে ইচ্ছা তা দ্বারা আঘাত করেন। আর তারা আল্লাহ সম্পর্কে বিতণ্ডা করে, অথচ তিনি মহা শক্তিশালী।’ (সুরা-১৩ [৯৬] রাআদ, রুকু: ২, আয়াত: ১৩; পারা: ১৩)।

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) বর্ণনা করেন, বজ্রপাত ও বিজলি চমকানোর সময় এর ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পেতে রাসুলুল্লাহ (সা.) এই দোয়া পড়তেন, হে আল্লাহ! গজব দিয়ে আমাদের নিঃশেষ করবেন না, আজাব দিয়ে আমাদের ধ্বংস করবেন না; এর পূর্বেই আমাদের ক্ষমা করে দিন)। (মিশকাত শরিফ: ১৫২১; সুনানে তিরমিজি শরিফ: ৩৪৫০; নাসাই শরিফ: ৯২৭; মুসনাদে আহমাদ: খণ্ড-২, পৃষ্ঠা ১০০, হাদিস: ৫৭৬৩; আদাবুল মুফরাদ বুখারি: ৭২১)।

বৃষ্টি হওয়া ভালো। অসহ্য গরম দূর হয়ে স্বস্তির বারিধারা নেমে আসে। কিন্তু অতিবৃষ্টি ভালো না। বন্যা ও জলাবদ্ধতা তৈরি হতে পারে এতে। সমাজের অনেক মানুষের জন্য কষ্টও তৈরি হয়।

অতিবৃষ্টি যেন না হয়— রাসুল (সা.) থেকে দোয়া পাঠের বর্ণনা পাওয়া যায়। আনাস (রা.) বলেন, একবার জুমার দিন রাসুলুল্লাহ (সা.) খুতবা দেওয়া অবস্থায় জনৈক সাহাবি মসজিদে প্রবেশ করে বললেন, হে আল্লাহর রাসুল! জীবজন্তু মৃত্যুমুখে পতিত হয়েছে। পথ রুদ্ধ হয়ে গেছে। আল্লাহ তাআলার কাছে আমাদের জন্য বৃষ্টি প্রার্থনা করুন।

তখন রাসুল (সা.) তার দুই হাত উঠিয়ে দোয়া করতে শুরু করেন—

বাংলা উচ্চারণ: আল্লাহুম্মাসক্বিনা, আল্লাহুম্মাসক্বিনা, আল্লাহুম্মাসক্বিনা।

অর্থ: হে আল্লাহ! আমাদের বৃষ্টি দান করো! হে আল্লাহ! আমাদের বৃষ্টি দান করো! হে আল্লাহ! আমাদের বৃষ্টি দান করো!

আনাস (রা.) বলেন, আল্লাহর শপথ! তখন আকাশে বিন্দুমাত্র মেঘের ছোঁয়াও ছিল না, রাসুলুল্লাহ (সা.) এর দোয়ার পর দিগন্তে মেঘের উদ্ভাস হয়, কিছুক্ষণের মধ্যে পুরো আকাশ ছেয়ে ফেলে, অতঃপর মুষলধারে বৃষ্টি আরম্ভ হয়।

আনাস (রা.) আরও বলেন, আল্লাহর শপথ! পরবর্তী ছয় দিন যাবৎ আমরা সূর্য দেখিনি। সপ্তাহান্তে পরবর্তী জুমায় পুনরায় ওই ব্যক্তি যখন মসজিদে প্রবেশ করে তখন রাসুলুল্লাহ (সা.) খুতবারত অবস্থায়, ওই ব্যক্তি আরজ করলেন, হে আল্লাহর রাসুল! ধনসম্পদ সব নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, পানিতে পথ রুদ্ধ হয়ে গেছে, আল্লাহ তায়ালার কাছে বৃষ্টি বন্ধ হওয়ার প্রার্থনা করুন।

তখন রাসুলুল্লাহ (সা.) দুই হাত উঁচিয়ে দোয়া করলেন—

বাংলা উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা হাওয়া-লাইনা, ওয়ালা আলাইনা; আল্লাহুম্মা আলাল আ-কাম ওয়াজ জিরাব ওয়া বুতুনিল আওদিআ; ওয়া মানাবিতিস শাজার। (বুখারি, হাদিস: ১০১৪)

অর্থ: হে আল্লাহ! আমাদের আশপাশে বৃষ্টি দিন, আমাদের ওপরে নয়। হে আল্লাহ! পাহাড়-টিলা, খাল-নালা এবং গাছ-উদ্ভিদ গজানোর স্থানগুলোতে বৃষ্টি দিন।

বর্ণনাকারী বলেন, তখনই বৃষ্টি বন্ধ হয়ে যায়, অতঃপর আমরা নামাজান্তে রোদের মধ্যে বের হই।’ (বুখারি, হাদিস: ১০১৩; মুসলিম, হাদিস: ৮৯৭)

ঝড়, বৃষ্টি, বন্যা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ পৃথিবীর স্বাভাবিক ঘটনা ও গতিপ্রকৃতির অংশ। প্রায় প্রতি বছরই বিশ্বের বিভিন্ন দেশকে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবলে পড়তে হয়। বন্যা এবং এ জাতীয় প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা দিলে দেশ, সমাজের প্রধানরা পরিস্থিতি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকেন। মানুষের জান-মাল রক্ষার চেষ্টা করে থাকেন।

বিপদ-আপদে ভুক্তভোগীদের পাশে দাঁড়ানো সবার দায়িত্ব। তবে যারা সমাজ বা দেশের প্রধান এ বিষয়ে তাদের সবার আগে এগিয়ে আসা ও যথাযথ ব্যবস্থাগ্রহণ করা জরুরি। সময়মতো ব্যবস্থা গ্রহণ করতে না পারলে দায়িত্বশীলদের জনসাধারণের অসন্তোষে পড়তে হবে। এছাড়া পরকালে মহান রবের সামনে জবাবদিহিতা তো করতেই হবে।

বন্যা এবং এ জাতীয় প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় অবশ্যই সবাইকে নিজ নিজ জায়গা থেকে সজাগ থাকতে হবে। একইসঙ্গে আল্লাহর রাসূল সা.-এর বর্ণিত পন্থা অনুসরণ করে উত্তরণের চেষ্টা করতে হবে। রাসূল সা. ঝড়-বৃষ্টি, বন্যা থেকে রক্ষা পেতে যেসব দোয়ার প্রতি গুরুত্ব দিতে বলেছেন, তার ওপর আমল করা যেতে পারে।

এতে করে দুর্যোগ থেকে রক্ষা পেতে নিজেদের চেষ্টার পাশাপাশি আল্লাহর কাছে রহমত প্রার্থনা করা হবে, যা সহজেই বিপদ থেকে রক্ষায় সহায়তা করবে। মানুষের চেষ্টা এবং আল্লাহর রহমত একত্রিত হলে বিপদ থেকে উদ্ধার সহজ।

এখানে একটি দোয়া উল্লেখ করা হলো যা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রবল বৃষ্টির সময় পড়তেন।
দোয়াটির বাংলা উচ্চরণ হলো— আল্লাহুম্মা হাওয়া-লাইনা, ওয়ালা আলাইনা; আল্লাহুম্মা আলাল আ-কাম ওয়াজ জিরাব ওয়া বুতুনিল আওদিআ; ওয়া মানাবিতিস শাজার। (বুখারি, হাদিস: ১০১৪)

অর্থ: হে আল্লাহ! আমাদের আশপাশে বৃষ্টি দিন, আমাদের ওপরে নয়। হে আল্লাহ! পাহাড়-টিলা, খাল-নালা এবং গাছ-উদ্ভিদ গজানোর স্থানগুলোতে বৃষ্টি দিন।

আরেক হাদিসে আয়েশা রা. বলেন, যখন আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হতো এবং ঝোড়ো বাতাস বইত—তখন রাসুল (সা.) এর চেহারায় চিন্তার রেখা ফুটে উঠত। এই অবস্থা দেখে তিনি এদিক-সেদিক পায়চারি করতে থাকতেন এবং এ দোয়া পড়তেন।

দোয়াটির বাংলা উচ্চারণ— আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা খাইরাহা ওয়া খাইরা মা-ফিহা ওয়া খাইরা মা-উরসিলাত বিহি, ওয়া আউজুবিকা মিন শাররিহা ওয়া শাররি মা-ফিহা ওয়া শাররি মা-উরসিলাত বিহি।

অর্থ: হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে এ বৃষ্টির কল্যাণগুলো কামনা করছি, এই বৃষ্টিতে যেসব কল্যাণ রয়েছে সেগুলো কামনা করছি এবং এই বৃষ্টির মাধ্যমে প্রেরিত কল্যাণ প্রার্থনা করছি। আর আর এ বৃষ্টি ও বৃষ্টির মাধ্যমে প্রেরিত সব রকম অকল্যাণ ও বিপদাপদ থেকে পরিত্রাণ চাই।’ (বুখারি, হাদিস: ৩২০৬; মুসলিম, হাদিস: ৮৯৯; তিরমিজি, হাদিস: ৩৪৪৯)

নামাজ বা সালাত ইসলাম ধর্মের ৫টি রোকনের মধ্যে দ্বিতীয় রোকন। প্রাপ্তবয়স্ক ও বুদ্ধি-জ্ঞান সম্পন্ন নারী পুরুষ নির্বিশেষে, প্রতিটি মুসলিমের জন্য ফরজ বা অবশ্যকরণীয় একটি ধর্মীয় কাজ। ৫ ওয়াক্ত ফরজ নামাজ ছাড়াও নফল নামাজ পড়ার বিধান ইসলামি শরিয়তে রয়েছে।

ইচ্ছাকৃত ফরজ নামাজ না পড়া কবিরা গুনাহ বা বড় পাপ। কেয়ামতের দিন সর্বপ্রথম নামাজের হিসাব নেয়া হবে।
সংগৃহিত
মেহেদী হাসান

25/08/2024

25/08/2024

climate

13/08/2024

জনতার প্রশ্ন.....?
বৈষম্যকে নির্মূল করেছিলেন হযরত ওমর ফারুক (রা:)-"ভৃত্যকে চড়ালেন উটের পিঠে, নিজে ধরলেন রশি"বর্তমানে এটা সম্ভব?

31/03/2024

ঈদের আগের দিন খলিফা ওমর রাঃ এর স্ত্রী নিজ স্বামীকে বললেন, ‘আমাদের জন্য ঈদের নতুন কাপড় না হলেও চলবে, কিন্তু ছোট বাচ্চাটি ঈদের নতুন কাপড়ের জন্য কাঁদছে’। আরব জাহানের শাসক খলিফা ওমর (রা) বললেন, ‘আমার তো নতুন কাপড় কেনার সামর্থ্য নেই’। পরে খলিফা ওমর (রা) তার অর্থমন্ত্রী আবু উবাইদা (রা) কে এক মাসের অগ্রিম বেতন দেয়ার জন্য চিঠি পাঠালেন। সমগ্র মুসলিম জাহানের প্রেসিডেন্ট যিনি, যিনি সেই সময় প্রায় অর্ধেক পৃথিবী শাসন করছেন, তাঁর এ ধরণের চিঠি পেয়ে আবু উবাইদার (রা) চোখে পানি এসে গেল।

উম্মতে আমীন আবু উবাইদা (রা) বাহককে টাকা না দিয়ে চিঠির উত্তরে লিখলেন, ‘আমীরুল মুমিনীন! অগ্রিম বেতন বরাদ্দের জন্য দুটি বিষয়ে আপনাকে ফয়সালা দিতে হবে। প্রথমত, আগামী মাস পর্যন্ত আপনি বেঁচে থাকবেন কি না? দ্বিতীয়ত, বেঁচে থাকলেও দেশের জনসাধারণ আপনাকে সেই মেয়াদ পর্যন্ত খিলাফতের দায়িত্বে বহাল রাখবে কিনা?’ চিঠি পাঠ করে খলিফা ওমর (রা) কোন প্রতি উত্তর তো করলেনই না, বরং এত কেঁদেছেন যে তাঁর চোখের পানিতে দাঁড়ি ভিজে গেলো। আর হাত তুলে আবু উবাইদার (রা) জন্য দোয়া করলেন- একজন যোগ্য অর্থমন্ত্রী নির্বাচিত করতে পেরেছেন ভেবে। আলহামদুলিল্লাহ এটাই ইসলাম।

Want your school to be the top-listed School/college in Barishal?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address

KHARKI, PATARHAT, MEHENDIGONJ, BARISHAL
Barishal
8270

Opening Hours

Monday 04:00 - 04:45
Friday 04:00 - 04:45