07/03/2025
✨ পিএসসি ব্যাচ - ২০১৪ এর প্রথম পুনর্মিলনী আয়োজন ✨
প্রিয় বন্ধুরা,
পিএসসি ব্যাচ - ২০১৪ এর ১০ বছর পূর্তি উপলক্ষে প্রথম পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে! ❤️💥
উক্ত আনন্দঘন আয়োজনে তুমি-আমি-আমরা সবাই একসঙ্গে মিলিত হবো পুরোনো দিনের স্মৃতিচারণে, হাসি-আড্ডায় আর দুর্দান্ত সময় কাটাতে!
📌 অনুষ্ঠানের তারিখ: ৩ এপ্রিল
📌 স্থান: বানারীপাড়া বন্দর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ ❣️
📌রেজিট্রেশন ফি-৬০০ টাকা
যারা অংশগ্রহণ করতে ইচ্ছুক, দ্রুত রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করুন! 📩📞
রেজিষ্ট্রেশন লিংক: https://forms.gle/2JUYRceJMoVGYsCZA
চলো, একসঙ্গে ফিরে যাই সোনালি শৈশবের দিনগুলোতে! ✨💫
29/12/2022
বন্ধু হারিয়ে যায়,বন্ধুত্ব নয়🥀
২৫/১২/২২💔
17/09/2022
শোক সংবাদ ---
বানারীপাড়া পৌরসভার ৯নং ওর্য়াড নিবাসী আমাদের সবার পরিচিত মুখ কে এম শফিকুল আলম জুয়েল (বড়দা) এর বাবা বানারীপাড়া ইউনিয়ন ইনস্টিটিউশন পাইলট বিদ্যালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শ্রদ্ধাভাজন মোঃ আক্কাস আলী খান স্যার চিকিৎসাধীন অবস্থায় বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে ৭টা১০মিনিটে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।
(ইন্না লিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউইন)
মহান আল্লাহ তাকে যেন জান্নাত দান করুণ,এবং তার পরিবারের সবাইকে শোক সহ্য করার ক্ষমতা দান করুন আমীন।
(Students Unity of Banaripara 2020)
26/03/2022
শুভ জন্মদিন বাংলাদেশ 🇧🇩❤️
13/05/2021
ঈদ মোবারক। ঈদ আমাদের মাঝে বয়ে আনুক অনাবিল সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি। সবাইকে Students Unity of Banaripara 2020 পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
আপনি ও আপনার পরিবার নিরাপদ থাকুন, সুস্থ থাকুন।মাস্ক ব্যবহার করুন,সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন এবং স্বাস্থ্যবিধী মেনে চলুন।
20/02/2021
বাংলা ভাষা আন্দোলন ছিল তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমান বাংলাদেশ) সংঘটিত একটি সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক আন্দোলন। মৌলিক অধিকার রক্ষাকল্পে বাংলা ভাষাকে ঘিরে সৃষ্ট এ আন্দোলনের মাধ্যমে তৎকালীন পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সাধারণ মানুষের দাবির বহিঃপ্রকাশ ঘটেছিল। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারিতে এ আন্দোলন চূড়ান্ত রূপ ধারণ করলেও বস্তুত এর বীজ বপন করা হয়েছিল বহু আগে, অন্য দিকে এর প্রতিক্রিয়া এবং ফলাফল ছিল সুদূরপ্রসারী।
১৯৪৭ সালে দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে ব্রিটিশ ভারত ভাগ হয়ে পাকিস্তানের উদ্ভব হয়। কিন্তু পাকিস্তানের দু’টি অংশ - পূর্ব পাকিস্তান এবং পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে সাংস্কৃতিক, ভৌগোলিক ও ভাষাগত দিক থেকে অনেক মৌলিক পার্থক্য ছিল। ১৯৪৮ সালে পাকিস্তান সরকার ঘোষণা করে যে, উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা। এ ঘোষণার প্রেক্ষাপটে পূর্ব পাকিস্তানে অবস্থানকারী বাংলাভাষী সাধারণ জনগণের মধ্যে গভীর ক্ষোভের জন্ম হয় ও বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে। কার্যত পূর্ব পাকিস্তান অংশের বাংলাভাষী মানুষ আকস্মিক ও অন্যায্য এ সিদ্ধান্তকে মেনে নিতে পারেনি এবং মানসিক ভাবে মোটেও প্রস্তুত ছিল না। ফলস্বরূপ বাংলাভাষার সম-মর্যাদার দাবিতে পূর্ব পাকিস্তানে আন্দোলন দ্রুত দানা বেঁধে ওঠে। আন্দোলন দমনে পুলিশ ১৪৪ ধারা জারি করে ঢাকা শহরে সমাবেশ-মিছিল ইত্যাদি বেআইনি ও নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।
১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি (৮ ফাল্গুন ১৩৫৮) এ আদেশ অমান্য করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বহু সংখ্যক ছাত্র ও প্রগতিশীল কিছু রাজনৈতিক কর্মী মিলে মিছিল শুরু করেন। মিছিলটি ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের কাছাকাছি এলে পুলিশ ১৪৪ ধারা অবমাননার অজুহাতে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলিবর্ষণ করে। গুলিতে নিহত হন জব্বর, রফিক, সালাম, বরকত-সহ আরও অনেকে। শহিদদের রক্তে রাজপথ রঞ্জিত হয়ে ওঠে। শোকাবহ এ ঘটনার অভিঘাতে সমগ্র পূর্ব পাকিস্তানে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
ক্রমবর্ধমান গণআন্দোলনের মুখে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকার শেষাবধি নতি স্বীকার করতে বাধ্য হয় এবং ১৯৫৬ সালে সংবিধান পরিবর্তনের মাধ্যমে বাংলা ভাষাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি প্রদান করে।
তখন থেকে প্রতি বছর এ দিনটি জাতীয় ‘শোক দিবস’ হিসেবে উদ্যাপিত হয়ে আসছে। বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালনায় ২১ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা এক মিনিটে প্রথমে রাষ্ট্রপতি এবং পরে একাদিক্রমে প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, শিক্ষকবৃন্দ, ঢাকায় অবস্থিত বিভিন্ন দূতাবাসের কর্মকর্তাবৃন্দ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন এবং সর্বস্তরের জনগণ কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে এসে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করেন। এ সময় আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি গানের করুণ সুর বাজতে থাকে।
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর একুশে ফেব্রুয়ারি সরকারি ছুটির দিন হিসেবে ঘোষিত হয়। এ দিন শহিদ দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে রেডিও, টেলিভিশন এবং সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। দেশের সংবাদপত্রগুলিও বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করে।