আবু সাঈদ খুদরী (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রামাদানের প্রথম দশকে (১-১০ তারিখ) ইতিকাফ করলেন। এরপর মাঝের দশকেও (১১-২০) একটি তুকি তাঁবুর মধ্যে ইতিকাফ করলেনে এবং তাঁবুর দরজায় একটি চাটাই ঝুলানো ছিলো। তিনি নিজ হাতে চাটাই ধরে তা তাঁবুর কর্নারে রাখলেন। এরপর নিজের মাথা বাইরে...
বড়দের বড়কথা ( সালাফদের আত্মশুদ্ধিমূলক বাণী):
রমজানের শেষ ১০ দিনের যে কোন রাত লাইলাতুল কদর হতে পারে। কি আমল করব?
--প্রথমত খেয়াল রাখতে হবে বড় জায়গায় ছোট বেয়াদবি ও বড় হয়ে যায়। তাই এই রাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব গুনাহ যাতে আমার দ্বারা না হয় কোনভাবেই।
-- দ্বিতীয়ত তওবার নিয়তে কিছু নফল সলাত পড়ব ইন শা আল্লাহ।
-- চেষ্টা থাকবে শেষ দশদিনে একবার কুরআন খতম দেওয়ার।
-- মাগরিব, ইশা, ফজর, তারাবি জামাত সহকারে পড়ব।
-- সুরা ইখলাস ১০ বার পড়লে জান্নাতে একটা বাড়ির ওয়াদা আছে। কমপক্ষে ১০০ বার না পারলেও ১০ বার পড়ব।
-- খুব মনোযোগ সহকারে দুয়া করব।
-- সদাকা সাধ্যমতো যা পারি করব।
-- সুবহানাল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহু আকবার লা ইলা হা ইল্লাল্লাহ, ১০০ বার করে পড়ব।
-- সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি সুবহানাল্লাহিল আযিম ১০০ বার পড়ব।
-- লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ ১০০ বার পড়ব।
-- লা ইলা হা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুওয়া আলা কুল্লি শাইইন ক্বদির ১০০ বার পড়ব।
-- লাইলাতুলকদর এর হাদিসে বর্ণিত দুয়া, ইস্তিগফার আর দরুদ সাধ্যমতো পড়ব।
-- তিলাওয়াত নিজের সুবিধা মত করব। ইন শা আল্লাহ। শেষ ১০ দিন প্রতি রাতে এই আমলগুলো করতে থাকলে আশা করি লাইলাতুল কদর এর বরকত থেকে মাহরুম হবোনা ইন শা আল্লাহ।
বিঃদ্রঃ যেসকল মা বোনের মাসিক অসুস্থতা থাকবে তারা নামাজ ও কুরআন তিলাওয়াত বাদে বাকি আমলগুলো করলেই কদরের বরকত লাভ করব ইন শা আল্লাহ।
লাইলাতুল কদরের রাতে আমল করতে এই গাইডলাইনটা দেখতে পারেন।
সর্বপ্রথম চেষ্টা করবেন দুপুরের দিকে একটু বিশ্রাম করে নিতে, যেন রাত জেগে ইবাদত করার এনার্জি পাওয়া যায় ইন শা আল্লাহ। গোসল থেকে শুরু করে সকল ধরনের বড় কাজ আগেভাগেই সেরে রাখুন যাতে মাগরিবের পর এক মুহূর্ত সময় নষ্ট না করতে হয়।
১। মাগরিবের পর থেকে অহেতুক স্ক্রিন টাইম, আনমনে স্ক্রল করে যাওয়া, টিভি দেখা থেকে একদম বিরত থাকুন। হাতের কোন কাজ থাকলেও মুখে দোয়া জিকির করতেই থাকুন।
২। মাগরিবের পর থেকেই কিন্তু কদরের রাতের শুরু, তাই ইফতারের পরে আপনি কোন ধরনের কথা উচ্চারণ করছেন খেয়াল রাখবেন। গীবত, পরনিন্দা হয়ে গেলে এ সমস্ত গুনাহের প্রভাবে যেন আপনার কদরের রাত যেন নষ্ট না হয়ে যায়।
৩| মাগরিবের নামাজের পর সন্ধ্যার দোয়া জিকির গুলো বই দেখে ভালোভাবে সবগুলো শেষ করুন। এগুলো আপনার পুরো রাতের ইবাদতকে সহজ করে তুলবে, শয়তানের ওয়াসওয়াসা থেকে রক্ষা করবে ইনশাআল্লাহ।
৪। এশার নামাজ ভাইরা তো মসজিদে পড়বেন আর বোনেরা যারা ঘরে থাকবেন একই সময়ে নামাজ শুরু করে দিবেন যাতে সম্পূর্ণ এনার্জি নিয়ে লম্বা সময় ধরে নামাজ পড়তে পারেন।
৫। এরপর কিছুটা বিশ্রাম নিন, কুরআন পড়তে পারলে রাত ১২টা ১টা পর্যন্ত কুরআন পড়ুন।
৬। রাত ১ টা থেকে ২ টা পর্যন্ত জিকির করুন।
যেমনঃ-
🔸 কদরের রাতে সর্বশ্রেষ্ঠ দুয়াটি বেশি বেশি পড়তে থাকুন— "আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আ'ফুউন তুহিব্বুল আফওয়া ফা'ফু আন্নি!"
🔸 আপনার জান্নাতে একটা একটা করে গাছ লাগাতে থাকুন লাইলাতুল কদরের রাতে " সুবহানাল্লাহিল আ'যিম ওয়া বিহামদিহ" এই জিকিরের মাধ্যমে।
আরো জিকির করুন ~
🔸 সুবহান আল্লহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লহু আকবার।
(১০০+ বার করে)
🔸 লা ইলাহা ইল্লাল্লহ (১০০+ বার)
🔸আস্তাগফিরুল্লহ ( ১০০+ বার, যত বেশি সম্ভব হয়)
🔸বেশী বেশী দুরুদ পড়া।
🔸 সুবহানাল্লহি ওয়াবিহামদিহি (কমপক্ষে ১০০ বার)
🔸 "লা ইলাহা ইল্লাল্লহু ওয়াহদাহু লা শারিকালাহু লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়া হুওয়া আ'লা কুল্লি শাইয়্যিন কদির" (কমপক্ষে ১০০ বার)
🔸 দুয়া ইউনুস - "লা ইলাহা ইল্লা আন্তা সুবহানাকা ইন্নী কুনতু মিনায্ যলিমীন" ।(যত পারেন)
🔸 "সুবহানাল্লহি ওয়াবিহামদিহি সুবহানাল্লহিল 'আযীম।" (কমপক্ষে ১০০ বার) ।
🌹"লা হাওলা ওয়ালা কুওওতা ইল্লা বিল্লাহ" বেশি বেশি পড়তে পারেন।
🌹 সূরা ইখলাস যত বেশি পড়া যায়।
🌹স্যায়েদুল ইস্তগফার পাঠ করা।
🌹সুরাহ মুলক পাঠ করা।
🌹সুরাহ বাকারাহ এর শেষ দুই আয়াত পাঠ করা।
🌹 কুরআনে উল্লেখিত দুআগুলো পাঠ করা।
🌹জান্নাত প্রার্থনা করা এবং জাহান্নাম থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করা ~
"আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল জান্নাতাল ফিরদাউস
আল্লাহুম্মা আজিরনি মিনান্নার "
রাত ২ টা থেকে ৩ টা পর্যন্ত আবার নামাজ পড়ুন। (তারাবির নামাজ) এবার ধীরে-সুস্থে রুকুতে এবং সিজদায় অনেকক্ষণ সময় দিবেন। বিশেষ করে সিজদায় অসম্ভব সময় নিয়ে দুয়া করবেন। সিজদায় বেশী বেশী সময় ব্যয় করুন।
৭।তারপর বিতরের নামাজ পরুন।
৮। শেষ রাতে অবশ্যই হাত তুলুন মালিকের কাছে।
আপনার প্রয়োজনের সব কিছু খুলে বলুন. চোখের পানি ফেলে বলুন, "হে আমার মালিক, আমি আপনার ইবাদত করি এবং আপনার কাছেই হাত পেতেছি...।
৯। সাহরি খান।
১০। ফজরের নামাজ পড়ুন।
*রমজানের শেষ দশ দিনের মধ্যে যে কোন রাত শবে কদর হয়ে যেতে পারে। তাই শবে কদরের রাত মিস করতে না চাইলে, দশ রাতেই আমল করুন। ***
আল্লাহ আমাদেরকে লাইলাতুল কদর পর্যন্ত পৌঁছে দিন।
(মূল লেখা লিখেছে: Baseera
বেশ কিছু পরিমার্জনা করা হয়েছে)
An Nahyan Khan Zeeshan vai
লাইলাতুল কদরের শ্রেষ্ঠ ১২ টি সহজ আমল, যেগুলো তুলনামূলক সহজ ও গোছানো। ইনশাআল্লাহ্ সকলেই আমল করতে পারবেন।
➖➖➖➖➖◄❖►➖➖➖➖➖
❖ (এক.) ৮/১০ রাকাত তাহাজ্জুদের নামাজ আদায় পড়া (বিশেষত শেষ রাতে)
লাইলাতুল কদরের প্রধান আমল হলো, কিয়াম তথা নামাজে দণ্ডায়মান হওয়া। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে সওয়াবের আশায় কদরের রাতে (ইবাদতের জন্য) দণ্ডায়মান হবে, তার পূর্বের গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।’’ [সহিহ বুখারি: ১৯০১, সহিহ মুসলিম: ৭৬০]
❖ (দুই.) ১৫/২০ বার সূরা ইখলাস পাঠ করা
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘যাঁর হাতে আমার জীবন, তাঁর কসম করে বলছি, নিশ্চয়ই এই সূরা ইখলাস কুরআনের এক তৃতীয়াংশের সমান।’’ [সহিহ বুখারি: ৫০১৩]
অন্য হাদিসে এসেছে, ‘‘যে ব্যক্তি সূরা ইখলাস ১০ বার শেষ করবে, তার জন্য জান্নাতে আল্লাহ্ একটি প্রাসাদ নির্মাণ করবেন।’’ [সিলসিলা সহিহাহ: ৫৮৯, হাদিসটি সহিহ]
❖ (তিন.) সুবহানাল্লাহ্, আলহামদুলিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্ ও আল্লাহু আকবার—প্রতিটি ১০০ বার করে মোট ৪০০ বার পড়া।
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন—
► ‘‘যে ব্যক্তি ১০০ বার ‘সুবহানাল্লাহ’ বলবে, সে ১০০ ক্রীতদাস মুক্ত করার সওয়াব পাবে;
► যে ব্যক্তি ১০০ বার ‘আলহামদুলিল্লাহ্’ বলবে, সে আল্লাহর রাস্তায় যুদ্ধের জন্য ১০০ টি সাজানো ঘোড়ায় মুজাহিদ প্রেরণের সওয়াব পাবে;
► যে ব্যক্তি ১০০ বার ‘আল্লাহু আকবার’ বলবে, সে ১০০টি মাকবুল (কবুলকৃত) উট কুরবানির সওয়াব পাবে;
► যে ব্যক্তি ১০০ বার ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলবে, সে এত সওয়াব পাবে, যার ফলে আসমান ও যমিন পূর্ণ হয়ে যাবে।’’ [ইবনু মাজাহ: ২/১২৫২, মুসনাদ আহমাদ: ৬/৩৪৪, হাদিসটি হাসান]
❖ (চার.) একটি গুরুত্বপূর্ণ তাসবিহ কমপক্ষে ১০০ বার পড়ার চেষ্টা করা।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি দৈনিক ১০০ বার পড়বে—
لَا إِلٰهَ إِلاَّ اللّٰهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيْكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ
[মোটামুটি উচ্চারণ: লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহদাহূ লা শারীকা লাহূ লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুওয়া ‘আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর।]
অর্থ: আল্লাহ্ ব্যতীত কোনো সার্বভৌম সত্তা নেই। তিনি এক; তাঁর কোনো অংশীদার নেই। রাজত্ব এবং প্রশংসা কেবল তাঁরই; তিনি সকল বিষয়ে সর্বশক্তিমান।
► সে ১০টি গোলাম মুক্ত করার সওয়াব পাবে;
► তার জন্য ১০০ সওয়াব লেখা হবে;
► তার ১০০ গুনাহ মিটিয়ে দেওয়া হবে;
► ওই দিন সন্ধ্যা পর্যন্ত সে শয়তান থেকে নিরাপদ থাকবে এবং (সন্ধ্যায় বা রাতে পাঠ করলে সকাল পর্যন্ত নিরাপদ থাকবে)
► ওই দিনের হিসেবে কেউ তার চেয়ে উত্তম সওয়াবের কাজ করতে পারবে না। তবে হ্যাঁ, ওই ব্যক্তি সক্ষম হবে, যে এর চেয়ে বেশি পড়বে।’’ [সহিহ বুখারি: ৩২৯৩, আবু দাউদ: ৫০৭৭]
অন্য হাদিসে এসেছে, ‘‘যে ব্যক্তি প্রত্যেকটি দশবার করে বলবে, সে ইসমাঈল (আ.)-এর বংশের চারজন ক্রীতদাস মুক্ত করে দেওয়ার নেকি পাবে।’’ [সহিহ বুখারি: ৬৪০৪]
❖ (পাঁচ.) কদরের রাতের বিশেষ দু‘আটি মনোযোগের সাথে ৩০/৪০ বার পড়া।
আয়িশা (রা.) বলেন, আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রাসূল! আমি যদি বুঝতে পারি, কোন রাতটি লাইলাতুল কদর, তাহলে ওই রাতে কী বলব?’ নবীজি বলেন, তুমি বলো—
اَللّٰهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّيْ
[আল্লাহুম্মা ইন্নাকা ‘আফুউ-উন, তু‘হিব্বুল ‘আফওয়া ফা’অ্ফু ‘আন্নী]
অর্থ: হে আল্লাহ্! তুমি ক্ষমাশীল, তুমি ক্ষমা করতে পছন্দ করো। অতএব, আমাকে ক্ষমা করে দাও। [মুসনাদ আহমাদ: ৬/১৮২, সহিহ]
❖ (ছয়.) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই ইস্তিগফারটি বেশ কয়েকবার পড়া।
ইবনু মাস‘ঊদ (রা.) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি এই দু‘আ পড়বে, তার গুনাহ্ ক্ষমা করে দেওয়া হবে—যদিও সে জিহাদের ময়দান থেকে পলায়নকারী হয়।’’
ﺃَﺳْﺘَﻐْﻔِﺮُ ﺍﻟﻠّٰﻪَ ﺍﻟَّﺬِﻱْ ﻻَ ﺇِﻟٰﻪَ ﺇِﻻَّ ﻫُﻮَ ﺍﻟْﺤَﻰُّ ﺍﻟْﻘَﻴُّﻮﻡُ ﻭَﺃَﺗُﻮْﺏُ ﺇِﻟَﻴْﻪِ
[আসতাগফিরুল্লাহ আল্লাযি (অথবা আস্তাগফিরুল্লাহাল্লাযি) লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল ‘হাইয়ুল ক্বাইয়ূমু ওয়া আতূবু ইলাইহি]
অর্থ: আমি আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি, যিনি ব্যতীত কোনো সার্বভৌম সত্তা নেই—তিনি চিরঞ্জীব, চিরস্থায়ী—এবং আমি তাঁর নিকট তাওবাহ্ করছি। [আবু দাউদ: ১৫১৭, তিরমিযি: ৩৫৭৭, হাদিসটি বিশুদ্ধ]
অন্য বর্ণনায় এসেছে, ‘‘আসতাগফিরুল্লাহাল ‘আযীম, আল্লাযি... (বাকি অংশে কোনো পরিবর্তন নেই)।’’ [তিরমিযি: ৩৫৭৭, হাসান]
❖ (সাত.) কয়েকবার সাইয়িদুল ইসতিগফার পড়া। অর্থাৎ এই ইস্তিগফারকে হাদিসে বলা হয়েছে ‘ইস্তিগফারের নেতা’।
ﺍَﻟﻠّٰﻬُﻢَّ ﺃَﻧْﺖَ ﺭَﺑِّﻲْ ﻟَﺎ ﺇِﻟٰﻪَ ﺇِﻟَّﺎ ﺃَﻧْﺖَ ﺧَﻠَﻘْﺘَﻨِﻲْ ﻭَﺃَﻧَﺎ ﻋَﺒْﺪُﻙَ ﻭَﺃَﻧَﺎ ﻋَﻠَﻰ ﻋَﻬْﺪِﻙَ ﻭَﻭَﻋْﺪِﻙَ ﻣَﺎ ﺍﺳْﺘَﻄَﻌْﺖُ ﺃَﻋُﻮْﺫُ ﺑِﻚَ ﻣِﻦْ ﺷَﺮِّ ﻣَﺎ ﺻَﻨَﻌْﺖُ ﺃَﺑُﻮْﺀُ ﻟَﻚَ ﺑِﻨِﻌْﻤَﺘِﻚَ ﻋَﻠَﻲَّ ﻭَﺃَﺑُﻮْﺀُ ﺑِﺬَﻧْﺒِﻲ ﻓَﺎﻏْﻔِﺮْ ﻟِﻲ ﻓَﺈِﻧَّﻪُ ﻟَﺎ ﻳَﻐْﻔِﺮُ ﺍﻟﺬُّﻧُﻮﺏَ ﺇِﻟَّﺎ ﺃَﻧْﺖَ
[আল্লাহুম্মা আনতা রাব্বী লা-ইলাহা ইল্লা আনতা খালাক্বতানী ওয়া আনা ‘আবদুকা, ওয়া আনা ‘আলা ‘আহ্দিকা ওয়া ওয়া’দিকা মাসতা ত’তু আ‘উযুবিকা মিন শাররি মা সনা’তু আবূ-উ লাকা বিনি’মাতিকা ‘আলাইয়া ওয়া আবূ-উ বিযানবী, ফাগফিরলি ফা ইন্নাহু লা-ইয়াগফিরুয যুনূবা ইল্লা আনতা] (অবশ্যই আরবি দেখে শিখুন, বাংলা উচ্চারণ সঠিক হয় না)
অর্থ: হে আল্লাহ! তুমিই আমার রব। তুমি ছাড়া কোনো সার্বভৌম সত্তা নেই। তুমিই আমাকে সৃষ্টি করেছো আর আমি তোমারই গোলাম। তুমি আমার কাছ থেকে যে অঙ্গীকার ও প্রতিশ্রুতি নিয়েছো, সাধ্যানুযায়ী আমি তার ওপর চলবো। আমি আমার কৃতকর্মের অনিষ্ট থেকে তোমার কাছে আশ্রয় চাই। তুমি আমার প্রতি তোমার যে নিয়ামত দিয়েছো তা স্বীকার করছি এবং আমার গুনাহের কথাও স্বীকার করছি। অতএব, তুমি আমাকে মাফ করে দাও। কারন তুমি ছাড়া কেউ গুনাহ ক্ষমা করতে পারে না।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি দিনের বেলায় এ দু‘আটি দৃঢ় বিশ্বাসের সাথে পড়বে, অতঃপর সেদিন সন্ধ্যা হওয়ার আগেই মারা যাবে, সে জান্নাতীদের অন্তর্ভুক্ত হবে। আর যে ব্যক্তি সন্ধ্যায় দৃঢ় বিশ্বাস নিয়ে এটি পড়বে, অতঃপর সকাল হওয়ার আগেই মারা যাবে, সে জান্নাতীদের অন্তর্ভুক্ত হবে।’’ [সহিহ বুখারি: ৬৩০৬]
❖ (আট.) নিজের জন্য, বাবা-মার জন্য এবং যেকোনো জীবিত ও মৃত মুসলিমের জন্য দু‘আ করা।
মুসলিম জাতির পিতা ইবরাহিম (আ.)-এর চমৎকার দু‘আ (ইসতিগফার)। এর মাধ্যমে একই সাথে নিজের জন্য, বাবা-মার জন্য এবং সকল জীবিত ও মৃত ঈমানদারের জন্য দু‘আ করা হয়। খুবই গুরুত্বপূর্ণ দু‘আ।
رَبَّنَا اغْفِرْ لِيْ وَلِوَالِدَيَّ وَلِلْمُؤْمِنِيْنَ يَوْمَ يَقُوْمُ الْحِسَابُ
‘‘হে আমাদের রর! যেদিন হিসাব কায়েম হবে, সেদিন তুমি আমাকে, আমার পিতামাতাকে ও মুমিনদেরকে ক্ষমা করে দিয়ো।’’ [সূরা ইবরাহিম, আয়াত: ৪১]
❖ (নয়.) গুরুত্বপূর্ণ একটি ব্যাপক অর্থবোধক দু‘আ বেশি করে পড়া।
اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ الْعَافِيَةَ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ
[উচ্চারণ: আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকাল ‘আ-ফিয়াতা ফিদ্দুনইয়া ওয়াল আ-খিরাহ।]
অর্থ: হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট দুনিয়া ও আখেরাতের নিরাপত্তা প্রার্থনা করছি। [আল-আদাবুল মুফরাদ: ১২০০, হাদিসটি সহিহ (হাদিসটি আরো দীর্ঘ)]
❖ (দশ.) দ্বীনের উপর টিকে থাকার দু‘আ, এটিও বেশি করে পড়া উচিত এই রাতে।
উম্মে সালামা (রা.) বলেন—রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে দু'আটি সবচেয়ে বেশি পড়তেন, তা হলো–
يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوبِ ثَبِّتْ قَلْبِي عَلٰي دِيْنِكَ
[মোটামুটি উচ্চারণ: ইয়া মুক্বাল্লিবাল ক্বুলূব! সাব্বিত ক্বালবী ‘আলা দীনিকা]
[অর্থ: হে অন্তরসমূহের পরিবর্তনকারী! আপনি আমার অন্তরকে আপনার দ্বীনের (ইসলামের) উপর অটল রাখুন।]
[তিরমিযি, হাদিস: ৩৫২২, হাসান]
❖ (এগারো.) কিছু দান-সদাকাহ্ করা।
যদি সম্ভব হয়, তবে রাতেই করুন। এটাই উত্তম। এক টাকা দান করলে হাজার মাস (৮৪ বছর) ধরে এক টাকা দান করার নেকি পাবেন। এই রাতের প্রতিটি আমল এভাবেই বৃদ্ধি পাবে। কারণ আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন, ‘‘কদরের রাতটি (মর্যাদার দিক থেকে) হাজার মাসের চেয়েও শ্রেষ্ঠ।’’ [সূরা ক্বাদর, আয়াত: ০৩]
যদি রাতে দিতে না পারেন, তবে রাতেই কিছু টাকা সাদাকাহ করার জন্য আলাদা করে রেখে দিন। এগুলো দিনের বেলা দিবেন গরিবদেরকে।
❖ (বারো.) বেশি করে দরুদ পড়বেন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর। শ্রেষ্ঠ দরুদ সেটিই, যা আমরা নামাজের শেষ বৈঠকে পড়ি।
বেশি বেশি আমল করতে গিয়ে কোয়ালিটির দিকে উদাসীন হবেন না। আল্লাহর কাছে আন্তরিকতাপূর্ণ আমলের মূল্য অনেক বেশি।
আল্লাহ্ তা‘আলা আমাদের আমল করার তাওফিক দান করুন।
মহিমান্বিত_রজনী
(বারো পর্ব)
পূর্বের পর্বগুলো সময়-সুযোগ বুঝে পড়ে নিবেন। সেগুলোতে আরো অনেক আমলের কথা আছে। এখানে খুবই সংক্ষেপ করা হলো।
Tasbeeh পেইজ হতে সংগৃহীত
এর সাথে সাথে আন্তরিকভাবে তাওবাহ করা।
লাইলাতুল কদর তালাশে রমাদানের শেষ ১০ রাতের জন্য বেসিক আমল প্ল্যান:
কুরআন তেলাওয়াত:
১. তিন বার সূরা ইখলাস (১২ আয়াত)
২. তিন বার সূরা ফালাক (১৫ আয়াত)
৩. তিন বার সূরা নাস (১৮ আয়াত)
৪. সুরাহ বাকারার শেষ ২ আয়াত
৫. সুরাহ মূলক (৩০ আয়াত)
৬. সুরাহ সিজদাহ (৩০ আয়াত)
৭. সুরাহ কদর ৫ আয়াত
মোট: ১১২ আয়াত*
*[ আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবনুল ‘আস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি রাতের সলাতে দশটি আয়াত তিলাওয়াত করবে, তার নাম গাফিলদের তালিকায় লিপিবদ্ধ করা হবে না। আর যে ব্যক্তি (রাতের) সলাতে এক শত আয়াত পাঠ করবে, তার নাম অনুগত বান্দাদের তালিকায় লিপিবদ্ধ করা হবে। যে ব্যক্তি সলাতে দাঁড়িয়ে এক হাজার আয়াত তিলাওয়াত করবে, তাকে অফুরন্ত পুরস্কার প্রাপ্তদের তালিকায় লিপিবদ্ধ করা হবে।
যিকর:
১. সুব্হা-নাল্লা-হি ওয়া বিহামদিহী ‘আদাদা খালক্বিহী, ওয়া রিদা নাফসিহী, ওয়া যিনাতা ‘আরশিহী, ওয়া মিদা-দা কালিমা-তিহী। × ৩
سُبْحَانَ اللّٰهِ وَبِحَمْدِهٖ عَدَدَ خَلْقِهٖ، وَرِضَا نَفْسِهٖ، وَزِنَةَ عَرْشِهٖ، وَمِدَادَ كَلِمَاتِهٖ
আমি আল্লাহর প্রশংসাসহ পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করছি— তাঁর সৃষ্ট বস্তুসমূহের সংখ্যার সমান, তাঁর নিজের সন্তোষের সমান, তাঁর আরশের ওজনের সমান ও তাঁর বাণীসমূহ লেখার কালি পরিমাণ (অগণিত অসংখ্য)
২. ইয়া রব্বি লাকাল হামদু কামা ইয়ামবাগি লিজালালি ওয়াজহিকা ওয়া লিআজিমি সুলতানিকা। × ১
يا رَبِّ لَكَ الحَمْدُ كما يَنْبَغِي لِجَلالِ وَجْهِكَ ولِعَظِيمِ سُلْطانِكَ
অর্থ : হে আমার প্রভু! তোমার সুউচ্চ মর্যাদা ও বিশাল রাজত্ব অনুপাতেই তোমার জন্য প্রশংসা।]
৩. আসতাগফিরুল্লাহ আল্লাযি (অথবা আস্তাগফিরুল্লাহাল্লাযি) লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল ‘হাইয়ুল ক্বাইয়ূমু ওয়া আতূবু ইলাইহি × ১
৪. সায়্যিদুল ইসতিগফার (ক্ষমা চাওয়ার শ্রেষ্ঠ দোআ) × ১
اَللّٰهُمَّ اَنْتَ رَبِّيْ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّاۤ اَنْتَ، خَلَقْتَنِيْ وَاَنَا عَبْدُكَ
হে আল্লাহ্! আপনি আমার রব্ব, আপনি ছাড়া আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই। আপনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন এবং আমি আপনার বান্দা।
আল্লা-হুম্মা আনতা রব্বী লা ইলা-হা ইল্লা আনতা খলাক্বতানী ওয়া আনা ‘আব্দুকা,
وَاَنَا عَلٰى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ، اَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ
আর আমি আমার সাধ্য মতো আপনার (তাওহীদের) অঙ্গীকার ও (জান্নাতের) প্রতিশ্রুতির উপর রয়েছি। আমি আমার কৃতকর্মের অনিষ্ট থেকে আপনার আশ্রয় চাই।
ওয়া আনা ‘আলা ‘আহদিকা ওয়া ওয়া‘দিকা মাস্তাত্বা‘তু। আ‘উযু বিকা মিন শাররি মা সানা‘তু,
اَبُوْءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَيَّ، وَاَبُوْءُ بِذَنْبِيْ
আপনি আমাকে আপনার যে নিয়ামত দিয়েছেন তা আমি স্বীকার করছি, আর আমি স্বীকার করছি আমার অপরাধ।
আবূউলাকা বিনি‘মাতিকা ‘আলাইয়্যা, ওয়া আবূউ বিযাম্বী।
فَاغْفِرْ لِيْ فَاِنَّهٗ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوْبَ اِلَّاۤ اَنْتَ
অতএব আপনি আমাকে মাফ করুন। নিশ্চয় আপনি ছাড়া আর কেউ গুনাহসমূহ মাফ করে না।
ফাগফির লী, ফাইন্নাহূ লা ইয়াগফিরুয যুনূবা ইল্লা আনতা
৫. সুবহানাল্লাহি ওয়াবিহামদিহী × ১০০
৬. দুরুদে ইব্রাহিম ১০ বার
নামাজ:
১. তারাবীহ সাধ্যমত
২. দুই রাকাত তওবার সালাত
৩. তাহাজ্জুদ/কিয়ামুল লাইল সাধ্যমত
৪. বিতর ৩ রাকাত
দুআ:
লাইলাতুল কদর প্রাপ্তির জন্য দুআ
জাহান্নাম থেকে মুক্তি ও জান্নাতুল ফেরদৌস প্রাপ্তির দুআ করা
কবরের আযাব থেকে মুক্তির দুআ
উম্মাহর জন্য দুআ
মুসলিম বন্দি ও মুজাহিদদের জন্য দুআ
নিজের শহীদি মৃত্যুর জন্য দুআ
বারবার হজ্জ উমরাহ নসিব হওয়ার জন্য দুআ
নিজের প্রয়োজন মাফিক দুআর লিস্ট তৈরি করে দুআ করা
আমল:
১. অন্তত একজন মুসলিমকে ইফতার করানো
২. অন্তত ১০ টাকা হলেও সাদাকাহ করা
৩. কদরের দুয়া পড়া:
اللَّهُمَّ إِنَّكَ عُفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي
উচ্চারণ : 'আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুয়্যুন; তুহিব্বুল আফওয়া; ফাফু আন্নি।’
অর্থ : হে আল্লাহ! আপনি ক্ষমাশীল; ক্ষমা করতে ভালোবাসেন; অতএব আমাকে ক্ষমা করে দিন।
৪. আল্লাহর সৃষ্টি নিয়ে ১ মিনিট চিন্তাভাবনা করা
৫. ১ মিনিট আখেরাতের কথা স্মরণ করা
৬. কুরআনের ১ আয়াত তর্জমা/তাফসীর সহকারে পড়া ও অন্তত ২-৩ মিনিট চিন্তা ভাবনা করা
৭. সেহেরীর সময়ে একান্ত ইস্তেগফার
Muhammad Rumy Ibn Yousuf ভাই
লাইলাতুল কদর তালাশে রমাদানের শেষ ১০ রাতের জন্য এডভান্সড আমল প্ল্যান:
কুরআন তিলাওয়াত:
১. তিন বার সূরা ইখলাস (১২ আয়াত)
২. তিন বার সূরা ফালাক (১৫ আয়াত)
৩. তিন বার সূরা নাস (১৮ আয়াত)
৪. সুরাহ বাকারার শেষ ২ আয়াত
৫. সুরাহ মূলক (৩০ আয়াত)
৬. সুরাহ সিজদাহ (৩০ আয়াত)
৭. সুরাহ কদর ৫ আয়াত
৮. ২৯+৩০ পারা (৪৩১+৫৬৪)=৯৯৫ আয়াত
মোট: ১১০৭ আয়াত*
*[ আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবনুল ‘আস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি রাতের সলাতে দশটি আয়াত তিলাওয়াত করবে, তার নাম গাফিলদের তালিকায় লিপিবদ্ধ করা হবে না। আর যে ব্যক্তি (রাতের) সলাতে এক শত আয়াত পাঠ করবে, তার নাম অনুগত বান্দাদের তালিকায় লিপিবদ্ধ করা হবে। যে ব্যক্তি সলাতে দাঁড়িয়ে এক হাজার আয়াত তিলাওয়াত করবে, তাকে অফুরন্ত পুরস্কার প্রাপ্তদের তালিকায় লিপিবদ্ধ করা হবে।
সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ১৩৯৮
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস ]
যিকর:
১. সুব্হা-নাল্লা-হি ওয়া বিহামদিহী ‘আদাদা খালক্বিহী, ওয়া রিদা নাফসিহী, ওয়া যিনাতা ‘আরশিহী, ওয়া মিদা-দা কালিমা-তিহী। × ৩
سُبْحَانَ اللّٰهِ وَبِحَمْدِهٖ عَدَدَ خَلْقِهٖ، وَرِضَا نَفْسِهٖ، وَزِنَةَ عَرْشِهٖ، وَمِدَادَ كَلِمَاتِهٖ
আমি আল্লাহর প্রশংসাসহ পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করছি— তাঁর সৃষ্ট বস্তুসমূহের সংখ্যার সমান, তাঁর নিজের সন্তোষের সমান, তাঁর আরশের ওজনের সমান ও তাঁর বাণীসমূহ লেখার কালি পরিমাণ (অগণিত অসংখ্য)
২. ইয়া রব্বি লাকাল হামদু কামা ইয়ামবাগি লিজালালি ওয়াজহিকা ওয়া লিআজিমি সুলতানিকা। × ১
يا رَبِّ لَكَ الحَمْدُ كما يَنْبَغِي لِجَلالِ وَجْهِكَ ولِعَظِيمِ سُلْطانِكَ
অর্থ : হে আমার প্রভু! তোমার সুউচ্চ মর্যাদা ও বিশাল রাজত্ব অনুপাতেই তোমার জন্য প্রশংসা।]
৩. আসতাগফিরুল্লাহ আল্লাযি (অথবা আস্তাগফিরুল্লাহাল্লাযি) লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল ‘হাইয়ুল ক্বাইয়ূমু ওয়া আতূবু ইলাইহি × ১
৪. সায়্যিদুল ইসতিগফার (ক্ষমা চাওয়ার শ্রেষ্ঠ দোআ) × ১
اَللّٰهُمَّ اَنْتَ رَبِّيْ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّاۤ اَنْتَ، خَلَقْتَنِيْ وَاَنَا عَبْدُكَ
হে আল্লাহ্! আপনি আমার রব্ব, আপনি ছাড়া আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই। আপনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন এবং আমি আপনার বান্দা।
আল্লা-হুম্মা আনতা রব্বী লা ইলা-হা ইল্লা আনতা খলাক্বতানী ওয়া আনা ‘আব্দুকা,
وَاَنَا عَلٰى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ، اَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ
আর আমি আমার সাধ্য মতো আপনার (তাওহীদের) অঙ্গীকার ও (জান্নাতের) প্রতিশ্রুতির উপর রয়েছি। আমি আমার কৃতকর্মের অনিষ্ট থেকে আপনার আশ্রয় চাই।
ওয়া আনা ‘আলা ‘আহদিকা ওয়া ওয়া‘দিকা মাস্তাত্বা‘তু। আ‘উযু বিকা মিন শাররি মা সানা‘তু,
اَبُوْءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَيَّ، وَاَبُوْءُ بِذَنْبِيْ
আপনি আমাকে আপনার যে নিয়ামত দিয়েছেন তা আমি স্বীকার করছি, আর আমি স্বীকার করছি আমার অপরাধ।
আবূউলাকা বিনি‘মাতিকা ‘আলাইয়্যা, ওয়া আবূউ বিযাম্বী।
فَاغْفِرْ لِيْ فَاِنَّهٗ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوْبَ اِلَّاۤ اَنْتَ
অতএব আপনি আমাকে মাফ করুন। নিশ্চয় আপনি ছাড়া আর কেউ গুনাহসমূহ মাফ করে না।
ফাগফির লী, ফাইন্নাহূ লা ইয়াগফিরুয যুনূবা ইল্লা আনতা
৫. সুবহানাল্লাহি ওয়াবিহামদিহী × ১০০
৬. লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকালাহু লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়া হুওয়া আ'লা কুল্লি শাইয়্যিন কদির" × ১০০
৭. আস্তাগফিরুল্লাহা ওয়া আতুবু ইলাইহি × ১০০০
৮. দুরুদ × ১০০০
৯. লা হাওলা ওয়ালা কূওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ × ১০০
১০. লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ × ১০০
১১. দুয়া ইউনুস - "লা ইলাহা ইল্লা আন্তা সুবহানাকা ইন্নী কুনতু মিনায্ যলিমীন" × ১০০
১২. সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহী, সুবহানাল্লাহিল ‘আযীম × ১০০
১৩.সুবহানাল্লাহি ওয়ালহামদু লিল্লা-হি ওয়ালা ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়াল্লা-হু আকবার × ১০০
১৪. সুবহানাল্লাহিল ‘আযীম ওয়াবিহামদিহী × ১০০
১৫. সাহাবি আবু উমামাহ আল বাহিলি (রা.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার আমি বসা অবস্থায় আমার ঠোঁট নাড়াচ্ছিলাম, এমন সময় রাসুল (ﷺ) আসলেন। তিনি আমাকে বললেন, ‘‘তোমার ঠোঁট নাড়াচ্ছো কেনো?’’ আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রাসুল! আমি আল্লাহর যিকর করছি।’ তিনি বললেন, ‘‘আমি কি তোমাকে এমন কিছুর খবর দেবো না, দিন-রাত যিকর করেও যেটির সওয়াব পর্যন্ত তুমি পৌঁছাতে পারবে না?’’ আমি বললাম, ‘অবশ্যই।’
রাসুল (ﷺ) তখন বলেন, তুমি বলো—
اَلْحَمْدُ لِلَّهِ عَدَدَ مَا أَحْصَى كِتَابُهُ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ عَدَدَ مَا فِي كِتَابِهِ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ عَدَدَ مَا أَحْصَى خَلْقُهُ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ عَلَي ماَ فِي خَلْقِهِ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ مِلْءَ سَمَاوَاتِهِ وَأرْضِهِ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ عَدَدَ كُلِّ شَيْءٍ وَالْحَمْدُ لِلَّهِ مِلْءَ كُلِّ شَيْءٍ
আল‘হামদুলিল্লা-হি ‘আদাদা মা আ‘হসো কিতা-বুহ্, ওয়াল‘হামদুলিল্লা-হি ‘আদাদা মা ফি কিতা-বিহ্, ওয়াল‘হামদুলিল্লা-হি ‘আদাদা মা আ‘হসো খলক্বুহ্, ওয়াল‘হামদুলিল্লা-হি ‘আলা মা ফি খলক্বিহ্, ওয়াল‘হামদুলিল্লাহি মিলআ সামা-ওয়া-তিহি ওয়া আরদিহ্, ওয়াল‘হামদুলিল্লা-হি ‘আদাদা কুল্লি শাই ই। ওয়াল‘হামদুলিল্লা-হি মিলআ কুল্লি শাই ই।
অর্থ: সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ্র জন্য, তাঁর কিতাব যা গণনা করেছে সেই পরিমাণ। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ্র জন্য, তার কিতাব যা গণনা করেছে তা সহকারে। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ্র জন্য, তার সৃষ্টি যা গণনা করেছে সেই পরিমাণ। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ্র জন্য, তার সৃষ্টির মধ্যে যা কিছু আছে তা সহকারে। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ্র জন্য, তার আসমান ও জমিন পরিপূর্ণ করে। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ্র জন্য, সকল কিছুর সংখ্যার সমপরিমাণ। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ্র জন্য, সব কিছুকে পরিপূর্ণ করে।
سُبْحَانَ اللَّهِ عَدَدَ مَا أَحْصَى كِتَابُهُ، وَ سُبْحَانَ اللَّهِ عَدَدَ مَا فِي كِتَابِهِ، وَ سُبْحَانَ اللَّهِ عَدَدَ مَا أَحْصَى خَلْقُهُ، وَ سُبْحَانَ اللَّهِ عَلَي ما
ইলম অন্বেষণ
প্রত্যেক মুসলিমের উপর ইলম অর্জন করা ফরয।
-সুনানে ইবনে মাজাহ, (হাদীস ২২৪) It's just Me • Myself & • I
ইতিকাফ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আমল। আমরা পূর্বে ৬ পর্বে “প্রোডাক্টিভ ইতিকাফ” সিরিজ লিখেছিলাম। সবগুলো পর্বের লিংক একত্রে দেওয়া হলো।
প্রথম পর্ব: ইতিকাফের পরিচয়, গুরুত্ব, বিধান ও উদ্দেশ্য
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=412564118130124&id=100081296173024&mibextid=Nif5oz
দ্বিতীয় পর্ব: ইতিকাফের গুরুত্ব লাভ
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=413753091344560&id=100081296173024&mibextid=Nif5oz
তৃতীয় পর্ব: ইতিকাফের আমল
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=414330434620159&id=100081296173024&mibextid=Nif5oz
চতুর্থ পর্ব: নারীদের ইতিকাফ
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=414923527894183&id=100081296173024&mibextid=Nif5oz
পঞ্চম পর্ব: ইতিকাফের নিয়মাবলী
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=415636277822908&id=100081296173024&mibextid=Nif5oz
শেষ পর্ব: কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=416174971102372&id=100081296173024&mibextid=Nif5oz
কদরের রাত:
পর্ব: ১
https://www.facebook.com/share/p/15aJDVBLvua/
পর্ব: ২
https://www.facebook.com/share/p/1CPq2m2Jju/
পর্ব: ৩
https://www.facebook.com/share/p/1CVnQkSws7/
পর্ব: ৪
https://www.facebook.com/share/p/181noBfn79/
পর্ব: ৫
https://www.facebook.com/share/p/1XUAwnmGSG/
পর্ব: ৬
https://www.facebook.com/share/p/1ZpJgRAe3R/
পর্ব: ৭
https://www.facebook.com/share/p/1Nfc9wniKo/
পর্ব: ৮
https://www.facebook.com/share/p/1AiSn8W2Fj/
পর্ব: ৯
https://www.facebook.com/share/p/1K4phn2e9C/
পর্ব: ১০
https://www.facebook.com/share/p/1MqeigVGJ4/
পর্ব: ১১
https://www.facebook.com/share/p/1CSDH32Lmn/
পর্ব: ১২
https://www.facebook.com/share/p/18BUHVubx5/
রামাদান সিরিজের ১৭ পর্বের লিংক একত্রে
‘যে রামাদানের সাক্ষাৎ পেলো, কিন্তু সেটি অতিবাহিত হওয়ার আগে নিজেকে (গুনাহ থেকে) মাফ করাতে পারলো না, তার ধ্বংস হোক!’ জিবরিল (আ.)-এর এমন দু‘আ শুনে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমিন’ (তা-ই হোক!) [ইমাম তিরমিযি, আস-সুনান: ৩৫৪৫; হাদিসটি হাসান সহিহ]
আমরা রামাদান নিয়ে ১৭ পর্বে #আলোকিত_রামাদান সিরিজ লিখেছি। যারা লেখাগুলো পড়তে পারেননি, পড়ে নিতে পারেন।
আলোকিত রামাদান সিরিজ
পর্ব ০১: রামাদানের প্রস্তুতি যেভাবে নেবো
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=196464939740044&id=100081296173024&mibextid=Nif5oz
পর্ব ০২: সাহরি ও তারাবি সম্পর্কে দুটো ভুল ধারণার অপনোদন
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=203810849005453&id=100081296173024&mibextid=Nif5oz
পর্ব ০৩: রোজার নিয়ত সম্পর্কে কিছু কথা
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=204379218948616&id=100081296173024&mibextid=Nif5oz
পর্ব ০৪: রামাদানে কুরআনের সাথে সম্পর্ক বৃদ্ধি করতে করণীয়
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=204678535585351&id=100081296173024&mibextid=Nif5oz
পর্ব ০৫: যারা কুরআন খতম দেবেন, তাদের জন্য কিছু পরামর্শ ও নির্দেশনা
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=205046985548506&id=100081296173024&mibextid=Nif5oz
পর্ব ০৬: সহজে কুরআনের ২ খতম দেওয়া
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=205128305540374&id=100081296173024&mibextid=Nif5oz
পর্ব ০৭: এই রামাদানকে জীবনের শ্রেষ্ঠ রামাদান বানাবো যেভাবে
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=205236545529550&id=100081296173024&mibextid=Nif5oz
পর্ব ০৮: রামাদানের ২৪ ঘণ্টার নমুনা রুটিন
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=205572935495911&id=100081296173024&mibextid=Nif5oz
পর্ব ০৯: রামাদানে যে ১০টি ভুল করা যাবে না
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=205682545484950&id=100081296173024&mibextid=Nif5oz
পর্ব ১০: গৃহিণী নারীদের রামাদান রুটিন
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=205794028807135&id=100081296173024&mibextid=Nif5oz
পর্ব ১১: শিশুদের রোজা রাখা
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=206230072096864&id=100081296173024&mibextid=Nif5oz
পর্ব ১২: সাবধান! আজান পর্যন্ত সাহরি খেলে রোজা হবে না
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=206344032085468&id=100081296173024&mibextid=Nif5oz
পর্ব ১৩: যেসব কারণে রোজা ভাঙে না
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=206774272042444&id=100081296173024&mibextid=Nif5oz
পর্ব ১৪: রোজাদারের দু‘আ কবুল হয়
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=206887488697789&id=100081296173024&mibextid=Nif5oz
পর্ব ১৫: রামাদানের শ্রেষ্ঠত্বের দিকগুলো
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=207450041974867&id=100081296173024&mibextid=Nif5oz
পর্ব ১৬: রোজার লাভ এবং ফজিলত
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=207970505256154&id=100081296173024&mibextid=Nif5oz
পর্ব ১৭: রোজাদার ব্যক্তিকে যেসব বিষয় থেকে বিরত থাকতে হবে
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=208506548535883&id=100081296173024&mibextid=Nif5oz
ইতিকাফ এবং শবে কদরের উপর আলাদা সিরিজ চলমান আছে। তাই, এই দুই বিষয়ে রামাদান সিরিজে খুব সামান্য আলোচনা করা হয়েছে।
রামাদান সিরিজের ১৭ পর্বের লিংক একত্রে
‘যে রামাদানের সাক্ষাৎ পেলো, কিন্তু সেটি অতিবাহিত হওয়ার আগে নিজেকে (গুনাহ থেকে) মাফ করাতে পারলো না, তার ধ্বংস হোক!’ জিবরিল (আ.)-এর এমন দু‘আ শুনে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমিন’ (তা-ই হোক!) [ইমাম তিরমিযি, আস-সুনান: ৩৫৪৫; হাদিসটি হাসান সহিহ]
আমরা রামাদান নিয়ে ১৭ পর্বে #আলোকিত_রামাদান সিরিজ লিখেছি। যারা লেখাগুলো পড়তে পারেননি, পড়ে নিতে পারেন।
আলোকিত রামাদান সিরিজ
পর্ব ০১: রামাদানের প্রস্তুতি যেভাবে নেবো
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=196464939740044&id=100081296173024&mibextid=Nif5oz
পর্ব ০২: সাহরি ও তারাবি সম্পর্কে দুটো ভুল ধারণার অপনোদন
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=203810849005453&id=100081296173024&mibextid=Nif5oz
পর্ব ০৩: রোজার নিয়ত সম্পর্কে কিছু কথা
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=204379218948616&id=100081296173024&mibextid=Nif5oz
পর্ব ০৪: রামাদানে কুরআনের সাথে সম্পর্ক বৃদ্ধি করতে করণীয়
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=204678535585351&id=100081296173024&mibextid=Nif5oz
পর্ব ০৫: যারা কুরআন খতম দেবেন, তাদের জন্য কিছু পরামর্শ ও নির্দেশনা
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=205046985548506&id=100081296173024&mibextid=Nif5oz
পর্ব ০৬: সহজে কুরআনের ২ খতম দেওয়া
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=205128305540374&id=100081296173024&mibextid=Nif5oz
পর্ব ০৭: এই রামাদানকে জীবনের শ্রেষ্ঠ রামাদান বানাবো যেভাবে
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=205236545529550&id=100081296173024&mibextid=Nif5oz
পর্ব ০৮: রামাদানের ২৪ ঘণ্টার নমুনা রুটিন
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=205572935495911&id=100081296173024&mibextid=Nif5oz
পর্ব ০৯: রামাদানে যে ১০টি ভুল করা যাবে না
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=205682545484950&id=100081296173024&mibextid=Nif5oz
পর্ব ১০: গৃহিণী নারীদের রামাদান রুটিন
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=205794028807135&id=100081296173024&mibextid=Nif5oz
পর্ব ১১: শিশুদের রোজা রাখা
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=206230072096864&id=100081296173024&mibextid=Nif5oz
পর্ব ১২: সাবধান! আজান পর্যন্ত সাহরি খেলে রোজা হবে না
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=206344032085468&id=100081296173024&mibextid=Nif5oz
পর্ব ১৩: যেসব কারণে রোজা ভাঙে না
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=206774272042444&id=100081296173024&mibextid=Nif5oz
পর্ব ১৪: রোজাদারের দু‘আ কবুল হয়
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=206887488697789&id=100081296173024&mibextid=Nif5oz
পর্ব ১৫: রামাদানের শ্রেষ্ঠত্বের দিকগুলো
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=207450041974867&id=100081296173024&mibextid=Nif5oz
পর্ব ১৬: রোজার লাভ এবং ফজিলত
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=207970505256154&id=100081296173024&mibextid=Nif5oz
পর্ব ১৭: রোজাদার ব্যক্তিকে যেসব বিষয় থেকে বিরত থাকতে হবে
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=208506548535883&id=100081296173024&mibextid=Nif5oz
ইসলামে অলসতা ও গড়িমসি কাটিয়ে ওঠার ৭টি কার্যকর উপায়!
মানুষ হিসেবে আমরা সবাই কোনো না কোনো সময় অলসতা বা কাজ পিছিয়ে দেওয়ার অভ্যাসে ভুগি। কিন্তু একজন মুমিনের জীবনে সময় খুবই মূল্যবান আমানত।
ইসলাম আমাদের এমন জীবনব্যবস্থা শিখিয়েছে, যেখানে আত্মিক শক্তি ও বাস্তব উদ্যোগ—দুটোই একসাথে চলে। অলসতা ও গড়িমসি (Procrastination) কাটিয়ে উঠতে ইসলাম আমাদের যে সুন্দর দিকনির্দেশনাগুলো দেয়, চলুন তার মধ্য থেকে ৭টি গুরুত্বপূর্ণ উপায় জেনে নিই।
১. দোয়ার পরিমাণ বাড়ান:
দোয়া শুধু মুখের কথা নয়, এটি আল্লাহর সঙ্গে হৃদয়ের সংযোগ। অলসতা দূর করার জন্য রাসূল ﷺ নিজেই দোয়া করতেন—
“হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই অক্ষমতা ও অলসতা থেকে।”
নিয়মিত ও আন্তরিকভাবে দোয়া করলে মন ধীরে ধীরে শক্ত ও দৃঢ় হয়।
২. নামাজ কখনো পরিত্যাগ করবেন না:
নামাজ একজন মুসলমানের জীবনের কেন্দ্রবিন্দু। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আমাদের সময়ানুবর্তিতা শেখায়, আত্মসংযম গড়ে তোলে এবং অন্তরকে আলোকিত রাখে। যে ব্যক্তি নামাজে যত্নবান, তার জীবনে এলোমেলোভাব ও আলস্য কমে আসে।
৩. বেশি বেশি যিকির করুন:
যিকির অন্তরের মরিচা পরিষ্কার করে। “সুবহানাল্লাহ”, “আলহামদুলিল্লাহ”, “আল্লাহু আকবার”—এই ছোট ছোট যিকির মনকে প্রশান্ত করে, মনোযোগ বাড়ায় এবং কাজে উদ্যম আনে।
৪. দিনের পরিকল্পনা করুন:
ইসলাম কখনো অগোছালো জীবন সমর্থন করে না। প্রতিদিনের কাজের একটি সহজ তালিকা বানান—কোন কাজ কখন করবেন, কত সময় দেবেন। পরিকল্পনা থাকলে কাজ পিছিয়ে দেওয়ার সুযোগ কমে যায়।
৫. অপ্রয়োজনীয় কথা ও কাজ এড়িয়ে চলুন:
বেশি কথা, অহেতুক আড্ডা ও অপ্রয়োজনীয় স্ক্রলিং সময় ও শক্তি দুটোই নষ্ট করে। ইসলাম সংক্ষিপ্ত ও অর্থবহ কথাকে পছন্দ করে। অকারণে সময় নষ্ট না করলে কাজের প্রতি মনোযোগ বাড়ে।
৬. বুঝে শুনে খান:
আপনি কী খাচ্ছেন, তা আপনার শরীর ও মন—দুটোর উপরই প্রভাব ফেলে। অতিরিক্ত বা অস্বাস্থ্যকর খাবার অলসতা বাড়ায়। হালাল, পরিমিত ও স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য গ্রহণ কর্মশক্তি ও সতেজতা বজায় রাখে।
৭. কুরআন পড়ুন ও শুনুন:
কুরআন শুধু পাঠের জন্য নয়, এটি জীবনের পথনির্দেশ। নিয়মিত কুরআন তিলাওয়াত ও তাফসির শোনা অন্তরে নূর জাগায়, দায়িত্ববোধ তৈরি করে এবং জীবনকে অর্থপূর্ণ করে তোলে।
অলসতা কোনো স্থায়ী সমস্যা নয়—এটি দূর করা সম্ভব, যদি আমরা আল্লাহর দিকে ফিরে যাই এবং নিজেদের অভ্যাসে সামান্য পরিবর্তন আনি। ইসলাম আমাদের শেখায়, সফলতা শুধু ফলাফলে নয়, বরং সচেতন চেষ্টা ও ইখলাসে। আজই ছোট একটি পদক্ষেপ নিন—ইনশাআল্লাহ, পরিবর্তন আসবেই।
ছোট পদক্ষেপ
হাবিবুন নাহার মিমি
রৌদ্রময়ী
অফিসের নতুন পলিসি:
১. যদি কোনো এমপ্লয়ি একদিনও সময় মত আসে তাহলেও তাকে এই মাসে বোনাস দেওয়া হবে
২. যদি প্রতি দিন টাইম মত আসে, প্রতিদিন একটা করে বোনাস দেওয়া হবে
৩. যদি একদিনও সময় মত না আসতে পারে, জাস্ট একটা অ্যাপোলজি মেইল দিবে, তাতেও বোনাস দেওয়া হবে
৪. যদি কোনো এমপ্লয়ি কোনো টাস্ক কমপ্লিট করে, সে প্রতি টাস্কে একটা করে বোনাস পাবে
৫. টাস্ক কমপ্লিট করতে না পারলে আর একটা অ্যাপোলজি মেইল দিবে, তাতেও বোনাস দেওয়া হবে!
মাস শেষ!
সবার অ্যাকাউন্টে স্যালারি হিট করলো
সবার তো চোখ ছানাবড়া!
সবাই এইচ আর এ হুমড়ি খেয়ে পরলো
সবাই জানতে চায়!
এইচ আর জানলো,
এই মাসে ম্যানেজমেন্ট কোনো এক উদ্ভূত কারণে এক্সট্রা জেনেরাস হয়ে গিয়েছিল
সবাইকে খালি বোনাস দিয়ে বেরিয়েছেন
সবাই আফসোস করা স্টার্ট করলো
ইশ! কেন প্রতিদিন টাইমমত আসলাম না!
ইশ! কেন প্রতিটা টাস্ক কমপ্লিট করলাম না!
তবে এক জন এমপ্লয়ীকে পাওয়া গেলো,
কিউবিকোলের কর্নারের মন খারাপ করে চুপচাপ বসে আছে
কারণ আজ তার অ্যাকাউন্ট কোনো বোনাস ঢুকে নাই!
অর্থাৎ
সে একদিনও টাইমমত অফিসে আসে নাই
সারা মাসে একটা টাস্কও কমপ্লিট করে নাই
এমনকি একটিবারের জন্য কোনো অ্যাপোলজি ইমেইল থ্রো করে নাই
উলটো এখন ভাবছে
চাকরিটা না যায় যায়!
তার এই অবস্থা দেখে
এক কলিগ ফ্রাস্ট্রেটেড হয়ে বলে উঠলো
"কি বলেন আপনি!
এই মাসেও কেউ আবার বোনাস না পায় কিভাবে!
কি করলেন আপনি সারা মাস!
আপনি ভাই দূরে গিয়ে মরেন!"
পাশ থেকে আরেক কলিগ ফ্রাস্ট্রেটেড হয়ে বলে উঠেন
জি ভাই ঠিকই বলছেন
"আমিন!"
-
-
-
এটা একটা কল্পকাহিনি,
তবে সম্ভবত একই ধরনের ফ্রাস্ট্রেশন জিব্রাইল আমিনকেও পেয়ে বসে ছিল!
যেদিন তিনি এসে বললেন
"ধ্বংস হোক সেই ব্যক্তি যে রামাদান পেলো
অথচ নিজেকে মাফ করাতে পারলো না!
যার জবাবে আমার নবীও বলেছিলেন
"আমিন!
কারণ এই মাসে আল্লাহ এতটাই জেনেরাস হয়ে উঠেন
কেউ আবার মাফ পায় না কি করে!!!
-
-
জীবনে তো অনেক ভুল করলাম
তবে বুকে আশা
এখনো সুযোগ আছে
চলেন দৌড়াই!
বেশি বেশি মাফ চাই!
তাড়াতাড়ি ইমেইল ড্রাফট করি
এই বলে যে
ডিয়ার সারা জাহানের ম্যানেজমেন্ট,
শুনেছি আপনি ক্ষমাশীল
শুনেছি ক্ষমা করতেই আপনি ভালোবাসেন
আমাকে কি কাইন্ডলি একটু ক্ষমা করে দেয়া যায়?
লেখা: সামিউল হক ভাই।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Barishal