03/05/2025
প্যাসেজ সলভিং এর জন্য সাধারনত বিভিন্ন শর্টকাট টেকনিক এভেইলেবল রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে আগে প্রশ্ন পড়ে নেওয়া এবং এর পরে প্যাসেজ স্কিম থ্রু করা, কি ওয়ার্ড স্ক্যান করা ইত্যাদি। তবে সবচেয়ে পরিশ্রমসাধ্য কিন্ত মোস্ট ইফেক্টিভ পন্থা নিয়ে কমই আলোচনা করা হয়। কারন আমরা সাধারনত সবসময় কম পরিশ্রমে বেশি আউটপুট পাওয়ার আশায় থাকি, যার জন্য ‘শর্টকাট ইন্ডাস্ট্রি’ এতো বিকশিত!
সবচেয়ে পরিশ্রমসাধ্য কিন্ত মোস্ট ইফেক্টিভ পন্থাটা কী তাহলে?
এটা সম্ভবত আমরা সবাই জানি- পুরো প্যাসেজটি বুঝে বুঝে পড়ে ফেলা। যখন পুরো প্যাসেজটি বুঝে যাবেন, তখন প্যাসেজ সংক্রান্ত যেকোনো প্রশ্ন একবারেই উত্তর করতে পারবেন, বারবার প্যাসেজ ঘুরতে হবে না, এবং যখন উত্তর করবেন, উত্তরের ভাষা হবে নিজস্ব এবং ভিন্নধর্মী, যা আপনাকে বেশি মার্ক পেতে সাহায্য করবে। কিন্তু প্যাসেজ পড়া তো সহজ কাজ, এটার মধ্যে কঠিনের কী আছে?
প্যাসেজ পড়া সহজ কাজ, কঠিন হলো সময়। Time's the bitch! প্যাসেজটি ধীরে সুস্থে ভালোভাবে বুঝে বুঝে পড়ার সময় কই? এক্সাম হলে প্যাসেজ সলভ করার জন্য আপনি বেশ অল্প সময় পাবেন, এবং এখানে যত কম সময় খরচ করবেন, অন্য প্রশ্নে ততো বেশি সময় পাবেন। আইবিএ এডমিশন টেস্টে অনেকে প্যাসেজ এভয়েড করেন সময় বাচানোর জন্য! অথচ, প্যাসেজ থেকে মার্ক তোলা বেশ সহজ!
মানে দাড়াচ্ছে, আপনাকে প্যাসেজ বুঝে বুঝে পড়তে হবে, এবং খুব কম সময়ের মধ্যে। এই দুই বিপরীতধর্মী ভ্যারিয়েবলের মধ্যে কিভাবে সম্পর্ক স্থাপন করা যায়??
এটাই সবচেয়ে পরিশ্রমসাধ্য কাজ এবং এটা করার জন্য কোনো শর্টকাট নেই। এর জন্য একমাত্র দরকারী জিনিস হলো দুর্দান্ত রিডিং স্কিল, রিডিং স্কিল এবং রিডিং স্কিল।
এটা কিভাবে অর্জন করা যেতে পারে? এ প্রশ্নের উত্তরও সহজ! প্রচুর পড়ার অভ্যাস করা। শুরুতে অনেক সময় লাগবে, কিন্ত কন্টিনিউ করতে থাকলে ধীরে ধীরে সময় কমে আসবে এবং গতি বাড়বে।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এগিয়ে থাকতে চাইলে পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন আজ থেকেই!
Follow: Mit Ghamr Bankers' Academy