An Nahzah—আন নাহযাহ্

An Nahzah—আন নাহযাহ্ হে নবী! আপনি বলুন—এটাই আমার পথ। আল্লাহর দিকে ডাকি আমি এবং আমার অনুসারীরা, নিশ্চিতজ্ঞানে জেনে বুঝেই। [সূরা ইউসুফ, ১২:১০৮]

আল্লাহ শরিয়াহ দিয়েছেন মানুষের দুর্বলতা জেনেই; যাতে তাকে সেক্যুলার আইন, বিচার-ফায়সালা এবং মানুষের খেয়াল-খুশির কষ্ট ও বোঝ...
09/08/2026

আল্লাহ শরিয়াহ দিয়েছেন মানুষের দুর্বলতা জেনেই; যাতে তাকে সেক্যুলার আইন, বিচার-ফায়সালা এবং মানুষের খেয়াল-খুশির কষ্ট ও বোঝা থেকে রক্ষা করা যায়।

ড. ইয়াদ কুনাইবি হাফিজাহুল্লাহ্
অধ্যাপক। দাঈ। ফার্মাকোলজিস্ট।

ইসলাম শুরু থেকেই আখলাকভিত্তিক একটি সিভিল সোসাইটি গঠন করতে চায় এবং সেটাকে গতিধারা দান করতে চায়। এই কারণে ইসলামী দৃষ্টিকোণ...
08/08/2026

ইসলাম শুরু থেকেই আখলাকভিত্তিক একটি সিভিল সোসাইটি গঠন করতে চায় এবং সেটাকে গতিধারা দান করতে চায়। এই কারণে ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে দ্বীনের গঠনমূলক অবদান থেকে বঞ্চিত কোন রাজনীতি হতে পারে না। রাজনীতি থেকে যদি দ্বীন সড়ে যায় তাহলে চেঙ্গিসিপনা ছাড়া আর অন্য কিছু অবশিষ্ট থাকে না।

কবি আল্লামা ইকবাল এর—
কালজয়ী কাব্যগ্রন্থ “বাল-ই-জিবরিল” থেকে।

আমাদের উপর সবচেয়ে বড় বুদ্ধিবৃত্তিক জুলুমটি হয়েছে এখানেই। আমরা পশ্চিম থেকে একটি ভিনদেশি শিক্ষা ব্যবস্থা হুবহু আমদানি করেছ...
08/08/2026

আমাদের উপর সবচেয়ে বড় বুদ্ধিবৃত্তিক জুলুমটি হয়েছে এখানেই। আমরা পশ্চিম থেকে একটি ভিনদেশি শিক্ষা ব্যবস্থা হুবহু আমদানি করেছি। আমরা আমাদের সন্তানদের ‘গণতন্ত্রের মাহাত্ম্য’ শেখাতে শুরু করেছি, ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’ বা সেকুলারিজমকে একটি পরম সত্য হিসেবে উপস্থাপন করেছি, ‘সমাজতন্ত্র’কে মুক্তিদাতা হিসেবে চিত্রায়িত করেছি এবং ‘পুঁজিবাদ’কে অর্থনৈতিক সমস্যার একমাত্র সমাধান হিসেবে বিবেচনা করেছি। এর ফলে যখন এসব বিষয়ে সাধারণ মানুষের বিশ্বাস প্রোথিত হয়ে যায়, তখন তারা গভীর সংকটে নিমজ্জিত হয়। তারা চিন্তা করতে শুরু করে, কীভাবে এই আমদানিকৃত মতবাদগুলোর সঙ্গে ইসলামের সমন্বয় সাধন করা যায়? ফলে যাদের মধ্যে সামান্যতম ইসলামি চেতনা অবশিষ্ট ছিল, তারাও ইসলামকে এই নব্য মতবাদগুলোর ছাঁচে ফেলার চেষ্টা করতে থাকে।

তাহাফুতুল মালাহিদা
ড. মুফতি ইয়াসির নাদিম আল-ওয়াজিদি হাফি:
বই: ইসলাম ও পাশ্চাত্যবাদ
তরজমা : মাহদি হাসান

কিন্তু এতকিছুর মধ্যেই—বাংলাদেশের স্ট্রিট মুসলিমদের ভিতর (যারা সত্যিকারের ইসলাম মানে, অন্যায়ের সাথে কোনো আপোষে বিশ্বাসী ...
08/08/2026

কিন্তু এতকিছুর মধ্যেই—
বাংলাদেশের স্ট্রিট মুসলিমদের ভিতর (যারা সত্যিকারের ইসলাম মানে, অন্যায়ের সাথে কোনো আপোষে বিশ্বাসী না), তাদের মধ্য থেকেই একটা জেনারেশন silently তৈরি হইতেছে। ইংশা আল্লাহ্।

ইসলামী জীবনব্যবস্থার প্রথম ধাপ হলো তাওহীদ। জাতিকে যতোবেশি তাওহীদ, তাগুত, শিরক এগুলোর পার্থক্য সম্পর্কে বুঝাতে পারবেন, শর...
08/08/2026

ইসলামী জীবনব্যবস্থার প্রথম ধাপ হলো তাওহীদ। জাতিকে যতোবেশি তাওহীদ, তাগুত, শিরক এগুলোর পার্থক্য সম্পর্কে বুঝাতে পারবেন, শরীয়াহ্ভিত্তিক সমাজব্যবস্থা ততোই সহজ হবে। তখন ইমারাহ/খিলাফাহ নিয়ে কোন বিতর্কও থাকবে না। তাওহীদের দাওয়াহ্কে ব্যাপক করুন। এর দাবিগুলো জাতির সামনে স্পষ্ট করুন। তাওহীদের প্রতিপক্ষগুলো নিয়ে আলোচনা করুন।

—উসতাদ শাইখুল ইসলাম হাফিজাহুল্লাহ

ইমাম সুফইয়ান ইবনু উয়াইনা (রহিমাহুল্লাহ) বলেন:আপনি হক্বের পথ অবলম্বন করুন এবং তাতে নিঃসঙ্গতাবোধ করবেন না, যদিও এর অনুসা...
06/08/2026

ইমাম সুফইয়ান ইবনু উয়াইনা (রহিমাহুল্লাহ) বলেন:

আপনি হক্বের পথ অবলম্বন করুন এবং তাতে নিঃসঙ্গতাবোধ করবেন না, যদিও এর অনুসারী অল্পসংখ্যক হোক না কেন।

[আয-যুহদুল কাবীর (ইমাম আল-বাইহাকী), পৃ. ২১৩]

শত্রুকে চেনা—এটা কোনো অপশন নয়, এটা প্রি কন্ডিশন! এখন যদি নিজের শত্রু চিহ্নিত করা না যায়, সবচেয়ে সম্ভাব্য ব্যাখ্যা এটা...
04/08/2026

শত্রুকে চেনা—এটা কোনো অপশন নয়, এটা প্রি কন্ডিশন! এখন যদি নিজের শত্রু চিহ্নিত করা না যায়, সবচেয়ে সম্ভাব্য ব্যাখ্যা এটা নয় যে শত্রু নেই, বরং ব্যাখ্যা এটাই যে, শত্রু ইতিমধ্যে আপনাকে বোকা বানিয়ে ফেলেছে, এতটাই দক্ষভাবে যে তাকে চেনার ক্ষমতাই হারিয়ে গেছে!

লিখে নিন, শত্রু চেনার নাম ‘ফিতনা’ নয় বরং শত্রু না চেনাটাই সবচেয়ে বিপজ্জনক ফিতনা! আর এই মুহূর্তে, সেই ফিতনা’র মধ্যেই আমরা সবাই বাস করছি। জেগে ওঠার সময় এখনই। কারণ যুদ্ধ ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে অথচ আমরা এখনো জানিই না যুদ্ধটা আসলে কার বিরুদ্ধে!

আন-নাহযাহ-এর ইশতেহার: জাগরণ ও আত্মপরিচয় নির্মাণের রূপরেখা।​ভূমিকা:যুগসন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আমাদের সমাজ আজ এক চরম বুদ্ধিবৃত্...
04/08/2026

আন-নাহযাহ-এর ইশতেহার: জাগরণ ও আত্মপরিচয় নির্মাণের রূপরেখা।

​ভূমিকা:
যুগসন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আমাদের সমাজ আজ এক চরম বুদ্ধিবৃত্তিক ও নৈতিক সংকটের মুখে।

মিথ্যা বাতিল আদর্শের আগ্রাসন এবং নৈতিক স্খলনের এই যুগে একটি সুস্থ, পরিশুদ্ধ ও ঈমানদীপ্ত সমাজ বিনির্মাণ সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি।

আমাদের দাওয়াতি মিশন কোনো গতানুগতিক কার্যক্রম নয়; বরং এটি উম্মাহর ঘুমন্ত বিবেককে জাগ্রত করার এক বুদ্ধিবৃত্তিক ও আধ্যাত্মিক আন্দোলন।

এই পবিত্র যাত্রায় আমাদের ইশতেহারের মূল ভিত্তি হলো নিম্নোক্ত ৪টি বিষয়:

​১.আত্ম এবং সামষ্টিক চরিত্র গঠন ও নৈতিক স্খলন রোধ।

​আমাদের লক্ষ্য: পর্নোগ্রাফি ও হস্তমৈথুনের মতো নীরব মহামারির ভয়াল থাবা থেকে তরুন এবং যুব সমাজকে সচেতন করা। উত্তরণের পথ দেখানো।

​যৌক্তিকতা:
একটি জাতির মূল চালিকাশক্তি হলো তার যুবসমাজ। কিন্তু পর্নোগ্রাফির আসক্তি আজ তরুণদের শারীরিক, মানসিক ও আধ্যাত্মিক শক্তিকে (রুহানিয়াত) নিঃশেষ করে দিচ্ছে।

এটি কেবল একটি পাপই নয়; এটি মস্তিষ্কের গঠনকে বিকৃত করে, বিবাহিত জীবনকে বিষাদময় করে, পরিবারে ভাঙন ধরায় এবং যুবকদের কর্মস্পৃহা কেড়ে নেয়।

দৃষ্টির হেফাজত ও আত্মশুদ্ধির মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মকে এই আসক্তি থেকে বের করে আনা আমাদের প্রধান দায়িত্ব। কারণ, চারিত্রিক দৃঢ়তা ছাড়া কোনো প্রজন্ম কখনো বড় কোনো বিপ্লব বা পরিবর্তন আনতে পারে না।

​২.ফিতরাত সংরক্ষণ ও আদর্শিক বিভ্রান্তি নিরসন।

​আমাদের লক্ষ্য:
বিকৃত ও মতাদর্শিক ফিতনা (যেমন: পশ্চিমা নারীবাদ, লিঙ্গ-বিকৃতি,ট্রান্সজেন্ডারিজম ইত্যাদি) সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরি করা এবং এর বিপরীতে ইসলামি জীবনব্যবস্থার শাশ্বত সৌন্দর্য তুলে ধরা।

​যৌক্তিকতা:
বর্তমানে পশ্চিমা সভ্যতা প্রগতি, ব্যক্তি-স্বাধীনতা ইত্যাদির মোড়কে মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি বা 'ফিতরাত'-কে ধ্বংস করে ফেলছে।

পশ্চিমা এসব ফাঁপা মতাদর্শের অসারতা যৌক্তিকভাবে খণ্ডন করে ইসলামি আদর্শভিত্তিক একটি পরিবার-কাঠামো ও সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা আমাদের লক্ষ্য।

​৩.ঈমান ও কুফরের সীমারেখা স্পষ্টকরণ।

​আমাদের লক্ষ্য:
বিদ্যমান বৈশ্বিক ও সামাজিক বাস্তবতায় ঈমান ও কুফরের মধ্যকার দ্বন্দ্বকে সাধারণ মানুষের কাছে সুস্পষ্ট করে তুলে ধরা।

​যৌক্তিকতা:
বর্তমান যুগ হলো 'ফিতনার যুগ', যেখানে আধুনিকতা, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা, জাতীয়তাবাদ ইত্যাদি মতাদর্শের নামে অসংখ্য শিরক ও কুফরি মতবাদ সমাজে প্রবেশ করেছে।

সত্য ও মিথ্যার পার্থক্য অনেক সময় ধূম্রজালে ঢাকা পড়ে যাচ্ছে। একজন মুসলিমের সবচেয়ে দামি সম্পদ হলো তার 'ঈমান'। ঈমান ভঙ্গের কারণগুলো (নাওয়াকিদ্বুল ঈমান) না জানার কারণে অনেকেই অজান্তে ঈমান হারাচ্ছে।

তাই আপসহীনভাবে তাওহীদের বার্তা প্রচার করে এবং বাতিল ব্যবস্থার স্বরূপ উন্মোচন করে ঈমানি চেতনা জাগ্রত করা আমাদের এই ইশতেহারের প্রধানতম ভিত্তি।

​৪.আত্মপরিচয়ের সংকট মোকাবেলা।

​আমাদের লক্ষ্য:
মুসলিম উম্মাহর, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের 'আত্মপরিচয়ের সংকট' (Identity Crisis) দূর করে তাদেরকে তাদের শেকড়ের সাথে যুক্ত করা।

​যৌক্তিকতা:
দীর্ঘদিনের সাংস্কৃতিক আগ্রাসন ও হীনম্মন্যতার কারণে আমাদের যুবসমাজ আজ নিজেদের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস ভুলে গেছে।

তারা ভিনদেশি ও বিজাতীয় সংস্কৃতিকে আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করছে। "আমি কে, আমার স্রষ্টা কে, পৃথিবীতে আমার আসার মূল উদ্দেশ্য কী"?

এই মৌলিক প্রশ্নগুলোর উত্তর দিয়ে তরুণদের মনে হৃত ইসলামি আত্মমর্যাদাবোধ (ইজ্জাহ) ফিরিয়ে আনতে হবে। যে জাতি নিজের শেকড় চেনে না, তারা কখনোই মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে না।

​উপসংহার:
আমাদের এই দাওয়াত হলো আঁধার থেকে আলোর পথে ফেরার দাওয়াত। আমরা চাই এমন একটি প্রজন্ম গড়ে তুলতে, যারা হবে চরিত্রে নিষ্কলুষ,জ্ঞানে বিদগ্ধ, চিন্তায় তীক্ষ্ণ, ঈমানে সুদৃঢ় এবং আত্মপরিচয়ে বলীয়ান।

আসুন, বাতিল মতাদর্শের মায়ামোহ ছিন্ন করে আমরা ফিরে যাই আমাদের রবের দিকে।

“​তোমরাই শ্রেষ্ঠ উম্মত, মানবজাতির কল্যাণের জন্যই তোমাদের উদ্ভব ঘটানো হয়েছে। তোমরা সৎকাজের আদেশ করবে, অসৎ কাজে নিষেধ করবে এবং আল্লাহর প্রতি ঈমান আনবে।”
[সূরা আল-ইমরান: ১১০]

An Nahzah—আন নাহযাহ্

Address

Muladi
Barisal

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when An Nahzah—আন নাহযাহ্ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category