এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ। সারাদেশে পাশের হার ৬৮.৪৫ শতাংশ। আমি আগেই বলছিলাম বিশাল ধ্বস নামবে। যাই হোক যারা পাশ করেছেন আপনারা সত্যিকার ভালো ছাত্র।
এবার ফোর পয়েন্টের উপরে পাওয়া অন্যবারের জিপিএ-৫ পাওয়ার সমান। কেউ মন খারাপ করবেন না। সবাইকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। অভিভাবক ও সিনিয়রদের বলব জিপিএ-৫ নিয়ে ট্যাবুটা ভেঙে দেন।
©️
এসএসসি পরীক্ষায় বোর্ড ভিত্তিক পাশের হার (২০২৫)
[শীর্ষক্রম হিসেবে ]
▪️রাজশাহী - ৭৬.৬৩%
▪️যশোর - ৭৩.৬৯%
▪️কারিগরি - ৭৩.৬৩%
▪️চট্টগ্রাম - ৭২.০৭%
▪️সিলেট - ৬৮.৫৭%
▪️মাদ্রাসা - ৬৮.০৯%
▪️ঢাকা - ৬৭.৫১%
▪️দিনাজপুর - ৬৭.০৩%
▪️কুমিল্লা - ৬৩.৬০%
▪️ময়মনসিংহ - ৫৮.২২%
▪️বরিশাল - ৫৬.৩৮%
FayLearn
FayLearn is an educational platform founded by Fay Faysal, a student of Sher-E-Bangla Medical College.
FayLearn is an educational platform inspiring students to learn differently
ফেলার্ন একটি শিক্ষাভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম, যা শিক্ষার্থীদের ভিন্নভাবে শেখার অনুপ্রেরণা দেয় With a passion for teaching and innovation, FayLearn was created to introduce a unique and impactful way of learning. At FayLearn, we believe education is not just about textbooks — it’s about understanding, connection, and motivation
10/07/2025
Best of luck, SSC 25
সবার রেজাল্ট আশানুরূপ আসুক। আল্লাহ ভরসা।
09/07/2025
Effective Learning | Part 2
🍅 Pomodoro Technique:
“Discipline is easier when you have structure. Pomodoro gives your mind a rhythm.”
ইতালিয়ান শব্দ Pomodoro মানে টমেটো। এই টেকনিকের উদ্ভাবক Francesco Cirillo'র টাইমারটা ছিলো টমেটো শেইপের। ঐখান থেকে এই নাম আসছে।
🧩 পদ্ধতি
একটা টমেটোকে ৪ টা স্লাইসে কেটে ভাগ করলাম। এবার, আরো একটা টমেটো কেটে পাশে রাখলাম। Pomodoro Technique টা মূলত কাটাকাটিরই, টমেটো নয়, আমরা কাটবো সময়কে।
মানে, একটা কাজ করা শুরুর আগে, ২৫ মিনিটের একটা টাইমার সেট করবো। ২৫ মিনিট মনোযোগের সাথে কাজটা করতে থাকবো। এরপর ৫ মিনিটের একটা গ্যাপ নিব। এই গ্যাপে হালকা হাঁটাচলা, পানি খাওয়া, ওয়াশরুম যাওয়া - সাথে Active Recalling. অর্থাৎ যে কাজটা করছি / যে টপিকটা পড়ছি, তা Recall করার চেষ্টা করবো। এরপর আবার ২৫ মিনিটের একটা টাইমার সেট করে কাজ করতে থাকবো৷ এভাবে ৪ টা Pomodoro শেষ করে ২০-৩০ মিনিটের একটা গ্যাপ নিব।
🎯 কেন এটা এত effective?
ব্রেইনকে ফোকাস রাখে ছোট সময়ের জন্য।
Motivation বাড়ে কারণ task ছোট লাগে। আবার একটা task কমপ্লিট হলে, নিজেকে Reward দেয়ার মতো ফিল আসে।
Multitasking কমে, মনোযোগ বাড়ে।
Time awareness তৈরি হয়।
Break দিলে mind refresh হয়। productivity আবার বেড়ে যায়।
গ্যাপ নেওয়ার ফলে ব্রেইন সহজে Burn Out হয় না।
🧩 তো, একটু তো চেষ্টা করে দেখাই যায়। একটা শেইপের মধ্যে সময়কে নিয়ে আসতে পারলে ক্ষতি কী?
06/07/2025
Effective Learning | Part 1
🧠 Feynman Technique:
Richard Feynman ছিলেন নোবেল বিজেতা থিওরিটিক্যাল ফিজিসিস্ট। Feynman Technique এর তত্ত্বটা খুব সিম্পল। থিওরির ভাষায়- If you can’t explain it simply, you don’t understand it well enough. অর্থাৎ, যদি তুমি কোনো জিনিস সহজভাবে ব্যাখ্যা করতে না পারো, তাহলে তুমি নিজেও সেটা ভালোভাবে বোঝো না।
🔍 Feynman Technique এর ৩টি ধাপ:
1️⃣ Choose a Concept
প্রথমে যে বিষয়টা পড়বা বা শিখবা, তার বেসিকটা ক্লিয়ার করো। এরপর ইন ডিটেইলস পড়ো।
2️⃣ Teach it to someone
এইবার তোমার কোনো বন্ধুকে কিংবা বাবা-মা, ভাইবোনদেরকে ঐ টপিকটা বুঝাও। দেখো বুঝাতে গিয়ে তোমার কাছে কেমন লাগে। পুরাপুরি বুঝাতে পারো কিনা৷ কোথাও নিজের কাছেই অস্পষ্ট লাগে কিনা। কোনো এক্সাক্ট পয়েন্টে এসে বেঁধে যাচ্ছো কিনা। যাকে বুঝাচ্ছো তার থেকে ফিডব্যাক নাও, সে বুঝছে কিনা।
ইন্ট্রোভার্ট হলে, চ্যাটজিপিটিরেও ইউজ করতে পারো। ওরে বলবা, Act like you are my student. এরপর বুঝাবা টপিকটা।
সবথেকে ভালো হয়, নিজের বন্ধুদের সাথে করলে।
3️⃣ Identify Gaps
যেখানে তুমি আটকে যাচ্ছো বা explain করতে পারছো না, সেখানে তোমার understanding এ ঘাটতি আছে। সেই টপিকগুলো আবার রিভাইজ করো। বেসিক ক্লিয়ার করো।
🎯 Feynman Technique কেন কার্যকর?
🔄 ডিপ লার্নিং হয়। শুধু মুখস্থ নির্ভর থাকে না তখন। দীর্ঘদিন মনেও রাখতে পারবা একটা টপিক।
✍️ তুমি শেখার পর সেটা শেখাতে পারো। টিচিং স্কিল, কমিউনিটি বিল্ড, কমিউনিকেশন স্কিল ও বাড়ে।
🧠 Active Recalling প্রাকটিস হয়। অর্থাৎ, মুখস্থ একটা টপিককে ব্রেইনের মাঝেই অটোমেটিক প্রসেসিং করানো হয়।
তো, নিজের নলেজ শেয়ার করা শুরু করে দাও। একটা একটিভ ফ্রেন্ড সার্কেল বানাও। সবাই সবার জন্য ইফেক্টিভ হও।
To share is to win.
04/06/2025
HSC 27 Booklist
শুরু থেকেই এডমিশন ওরিয়েন্টেড বইগুলা থেকে পড়াশুনা করলে, একটু তে প্যারা কমই খাওয়া লাগে।
14/05/2025
১. বৃহস্পতিবার বিকালের মাঝে মোটামুটি সবাই যে শহরে সিট পড়েছে, সেই শহরে থাকবা। বাড়ি থেকে কেন্দ্রে আসতে ২ ঘণ্টার বেশি লাগে এমন হলে, চেষ্টা করবা কেন্দ্রের কাছাকাছি কারো বাসা/হোটেলে এসে থাকার।
পরীক্ষার আগে ২-৩ ঘণ্টার জার্নি ভালো কোনো বিষয় না।
২. রাতেই প্রয়োজনীয় কাগজপাতি গুছায়ে রাখবা। ফাইল বেশিরভাগ হলেই নিতে দেয় না। যদি নিতেই চাও, সাদা (ট্রান্সপ্যারেন্ট) ফাইল ও সাদা স্কেল নিবা। এই দুইটা কাজের কোনো জিনিস না। এডমিট কার্ডের রঙিন কপি (আবারও মনে করায়ে দিচ্ছি, রঙিন কপি), এইচএসসির রেজিস্ট্রেশন কার্ড/এডমিট কার্ডের মেইন কপি (মেইন কপি না থাকলে অন্তত রঙিন ফটোকপি) আর তিনটা কলম (মোটামুটি ইউজড) রেডি করে রেখে দিবা। ঘড়ি নিতে দেয় না। বাহুল্য কোনো জিনিস ক্যারি করে নিয়ে প্যানিকড হওয়ার দরকার নাই।
৩. এক্সাম হবে ভেন্যুতে, কেন্দ্রে নয়। কোনোভাবেই ভুল করে কেন্দ্রে চলে যাবা না। ধরো, তোমার এডমিট কার্ডে লেখা আছে,
Centre: Barishal Nursing College
Venue: B.M. College এর কোনো হল
তাহলে বিএম কলেজে যাবা।
৪. প্রশ্ন হাতে পেয়ে নিজের রোল, সিরিয়াল সঠিকভাবে লিখবা (এটা ভুল হলে সবই শেষ)। নিজের স্বাক্ষর করবা। এক্সট্রা কিছু প্রশ্নে বলে দিলে, তাও করবা।
৫. সিরিয়ালি ১-১০০ পর্যন্ত সবগুলা প্রশ্নের মধ্যে যেগুলা শিউরলি পারবা উত্তর করতে থাকবা। যেগুলা পারবা না স্কিপ করে যাবা। যেগুলা ভেবে উত্তর করতে হবে বা ক্যালকুলেশন আছে, তাও রেখে যাবা। এভাবে ১০০ পর্যন্ত উত্তর করা হলে, যেগুলা রেখে আসছিলা, ভেবে উত্তর করতে হবে যেগুলা, তার উত্তর করবা। সবশেষে, যেগুলা একেবারেই পারো না, আন্দাজ করে করে উত্তর করে আসবা। লিল্লাহি ভরসা 😉। কোনোক্রমেই, ১০০ টা উত্তর না করে আসবা না। নেগেটিভ মার্ক তো তোমাদের নেই।
৬. উপরের স্টেপগুলা পড়ে, ভয় পাওয়ার কিছু নেই। প্রায় সব দায়িত্বশীল টিচাররাই অনেক ফ্রেন্ডলি হয়। কোনো কিছু ভুল হলে, স্যারকে বলবা। স্যার একটা সমাধান দিবেন। নিজে আগ বাড়িয়ে কিছু করতে যাবা না।
৭. বৃহস্পতিবার রাতে, ঘুম না আসা পর্যন্ত পড়বা। জোর করে আগে আগে ঘুমাতে যাওয়ার দরকার নেই। এগুলা বেহুদা কথা। আমার মেডিকেল এডমিশনের আগের রাতে আমি ৩ টায় ঘুমাইছি। আবার ৬ টায় উঠে গেছি। ঘুম আসতেছিলো না।
যারা এত্তগুলা দিন পরিশ্রম করেছো, ঘুম আসবে না এটাই স্বাভাবিক। যখন মনে হবে, ঘুম পাচ্ছে তখন ঘুমাবা। ব্যাস।
৮. এক্সাম হলের প্রেসার একটা বড় ইফেক্ট ফেলে। এইটা হ্যান্ডল করতে পারতে হবে। চাইলে, এখনই একটু ভিজুয়ালাইজ করতে পারো। ভাববা, তুমি এক্সাম হলে আছো। তোমার মতোই অনেক স্টুডেন্ট আশেপাশে। তুমি কিছু প্রশ্ন পারছো না। কিছু পারছো। একটা পারা প্রশ্ন ভুল দাগালা। এমন নানা দৃশ্য ভেবে ব্রেইনরে ট্রেইন করাইতে পারো। এটা একটা সুন্দর উপায় এক্সাম হল প্রেসার মিনিমাইজ করার জন্য। আবার এটা করতে গিয়ে রিভিশনটা নষ্ট কইরো না।
হলে গিয়ে শুরুতেই ঘাবড়ে গেলে, ব্রিদিং এক্সারসাইজ করতে পারো। নিজেকে শান্ত করা যায়। জোরে নাক দিয়ে শ্বাস নিবা, পেটের মুভমেন্ট হয় এমন জোরে। ৪ সেকেন্ড ধরে শ্বাস নিবা, ২ সেকেন্ড ধরে রাখবা, আবার ৪ সেকেন্ড ধরে শ্বাস ছাড়বা। কেবল শ্বাসপ্রশ্বাসের দিকেই ফোকাস দিবা। দেখবা, টেনশন কম হচ্ছে।
৯. এসব কোনোটাই কাজে লাগবে না, যদি তকদির তোমার পক্ষে না থাকে। তাই সর্বোচ্চ চেষ্টা করবা। এরপর সৃষ্টিকর্তার নিকট সবটা ছেড়ে দিবা।
ইনশাআল্লাহ ভালো কিছু হবে। আল্লাহ ভরসা।
11/05/2025
Check comment box.
IMPORTANT info
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Band Road, Opposite To Sher-E-Bangla Medical College
Barishal