Dr.Didar (Mujahid Uddin Ahmad)

Dr.Didar (Mujahid Uddin Ahmad)

Share

Asstt Prof
Deptt of Anatomy
Sher-E-Bangla Medical College.

He is a Public Figure.He was former "person of interest in education" in a renouned educational institute, was Chief Guest in several programs, still member of exicutive committe of some educational institutes.As Dr he had many interview in media SSC:Zilla School:1972 (Jessor Board Stand)
HSC:BM College:1974
MBBS: Sher-E-Bangla Medical College: (1974 to present)

20/07/2019



Photos from Dr.Didar (Mujahid Uddin Ahmad)'s post 07/10/2018

.... with beloved students




07.10.2018

#শেবাচিম
৫০ বছর পূর্তি

Photos from Dr.Didar (Mujahid Uddin Ahmad)'s post 06/10/2018




... শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ, বরিশাল এর ৫০বছর পূর্তি :)

এই উপলক্ষে ঢাকা থেকে বরিশাল যাত্রা পথে,
ডা. দিদার স্যারের সাথে শিক্ষার্থীদের একাংশ

শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ, বরিশাল

#শেবাচিম

কৃতজ্ঞতায়: Students and page Admin

04/08/2017

- Collected Post:



ক্যান্সার তৈরী করে যেসব খাবার
মরণব্যাধি ক্যানসার। প্রতিরোধের উত্তম চিকিৎসা। শরীরের অতি দ্রুত অনিয়ন্ত্রিত কোষ বিভাজনের মাধ্যমে ক্যানসার তৈরি হয়। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, অনেক খাবার ক্যানসারের ঝুঁকি কমায় এবং অনেক খাবার আবার ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়। যেসব খাবার ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায় তা নিজে জানুন এবং অন্যকে জানিয়ে সচেতন করে দিন।

১. আলুর চিপস : চিপসের স্বাদ মচমচে করার জন্য কৃত্রিম রং, ফ্লেভার, ট্রান্স ফ্যাট ও প্রচুর লবণ মিশানো হয়। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, এটি ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়।

২. ফ্রেঞ্চ ফ্রাই : আমেরিকান ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের মতে, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই তৈরির সময় উচ্চ তাপ ও তেলের সংস্পর্শে অ্যাক্রাইলেমাইড সৃষ্টি হয়ে ক্যানসার হয়।

৩. প্রক্রিয়াজাত মাংসের খাবার : বেকন, হটডগ, মিডলোফ, সসেজ, বার্গার ইত্যাদি খাবারে সোডিয়াম নাইট্রেট থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে, সোডিয়াম নাইট্রেটযুক্ত প্রক্রিয়াজাত মাংস মানবদেহে এন নাইট্রোসোতে পরিণত হয়ে ক্যানসার সৃষ্টি করে।

৪. সফট ড্রিংকস : বাজারের কোমল পানীয়তে থাকে ক্ষতিকর রং, অতিরিক্ত সোডা ও কৃত্রিম চিনি। এটি রক্তে গ্লুকোজ বাড়িয়ে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্ট বাড়িয়ে মেটাবলিক সিনড্রোম ও ক্যানসার তৈরি করে। গবেষণায় দেখা গেছে, কোমল পানীয়তে ‘৪-মিথাইলমিডাজল’ নামের যে রং থাকে, এটি ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়।

৫. কৃত্রিম চিনি : কৃত্রিম চিনি অ্যাসপার্টের চিনির চেয়ে ১০ গুণ বেশি মিষ্টি এবং ক্যালোরি শূন্য। এটি ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে। তাই খুব জনপ্রিয়। গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিতভাবে কৃত্রিম চিনি খেলে ব্রেইন ক্যানসার হতে পারে।

৬. অ্যালকোহল : অতিরিক্ত অ্যালকোহল মানব দেহে রাসায়নিক পরিবর্তনের মাধ্যমে অ্যাসিটেলডিহাইডে পরিণত হয়ে ডিএনএ ভেঙ্গে ক্যানসার তৈরি করে।

৭. গ্রিল, বারবিকিউ : গ্রিল, বারবিকিউ এ ধরনের মাংসে উচ্চ তাপে হেটারোসাইক্লিক অ্যামাইন তৈরি হয়। এ থেকে ক্যানসার হতে পারে।

৮. বিষাক্ত কীটনাশক ও ক্যামিক্যাল যুক্ত ফলমূল : আমেরিকান ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের মতে, ৩০ ভাগ কীটনাশক হচ্ছে কারসিনোজেন। এটি মানব দেহে কোনো না কোনো ক্যানসার তৈরি করে।

৯. খোলা বাজারের শরবত : বাজারের শরবতে থাকে দূষিত পানি, বরফ ও ক্ষতিকর রং। এগুলো জন্ডিস, হেপাটাইটিস ও লিভার ক্যানসার সৃষ্টি করে।

১০. পুরোনো তেল : পুরোনো তেল দিয়ে বারবার খাবার রান্না করলে ফ্রি রেডিক্যাল তৈরি হয়ে ডিএনএ কে ভেঙে ক্যানসার হতে পারে।
Source: Interner

( : Page Admin & Followers)

04/08/2017

: collected post --

- মেডিসিনের এক প্রফেসরের চেম্বারে বসে আছি। এক লোক তার wife কে নিয়ে স্যারের চেম্বারে এসেছেন। স্যার দেখে প্রেসক্রিপশ লেখে দিলেন।

- স্যারের ভিজিট ৮০০ টাকা। লোকটি স্যারকে ৫০০ টাকা দিলো।

- স্যার বললেন ...... আমার ভিজিট ৮০০ টাকা।

- স্যার, ৫০০ টাকা রাখেন।

- ৫০০ টাকা কেনো রাখবো? আপনি জানেন না আমার ভিজিট ৮০০ টাকা? আরও ৩০০ টাকা দেন।

- লোকটি আরও ৩০০ টাকা দিয়ে চলে গেলো।
.
.
- এরপর আমার এক রুগী ঢুকলো। রুগীটা #এতিম। আমিই রুগীটাকে স্যারের কাছে নিয়ে গেছি। স্যার রুগী দেখে এক প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি হতে বললো।

- আমি স্যারকে বললাম ...... রুগীটা গরীব। প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার সামর্থ্য নেই।

- তুমি হাসপাতালের রিসিপশনে যেয়ে বলবা, আমার সাথে কথা বলতে।

- আমি স্যারকে ভিজিট দিতে গেলাম।

- স্যার বললেন ...... আমি এতিম রুগীর কাছ থেকে ভিজিট নেই না।
.
.
- রুগীটা সাত দিন হাসপাতালে ভর্তি ছিলো। স্যার বেড ফ্রি করে দিয়েছেন। তার নিজের কোনো ভিজিট রাখেননি। এমনকি ইনভেস্টিগেশনের কোনো টাকাও রাখতে দেননি হাসপাতাল #কর্তৃপক্ষকে।
.
.
- স্যারকে আমি সেদিনের সেই রুগীর কাজ থেকে ৩০০ টাকা কম না নেয়ার কারণ জিজ্ঞেস করেছিলাম।

- স্যার হেসে দিয়ে বললেন ...... ঐ লোক চরম ঘুষ #খোর। আর এখন আসছে ভিজিট কম দিতে।

- যাদের সামর্থ্য আছে তাদের কাছ থেকে আমি এক পয়সাও কম নেই না। আর যাদের সামর্থ্য নেই তাদের কাছ থেকে আমি এক #পয়সাও রাখি না। এটাই আমার নীতি।
.
.
- চিন্তা করলাম ...... সেদিনের সেই লোক হাজার জনকে বলে বেড়াবে ...... ঐ ডাক্তার একটা কসাই। দেখা যাবে ফেসবুকেও স্ট্যাটাস দিয়ে মানুষের #সিমপ্যাথি পাবে।

- কিন্তু মানুষের প্রতি একজন ডাক্তারের সত্যিকারের ভালোবাসার গল্প কখনোই কারও নিউজফিডে স্থান পাবে না। এসব ভালোবাসার গল্প মানুষের অজানাই থেকে যাবে।।

Courtesy _ শামীম রেজা

(Page admin & followers)

Photos 14/09/2016

Photo gift from School friend. ..

Photos 05/06/2016

With Successful Doctors of SBMC. ..

Photos 19/02/2016

Class mates . ..

18/02/2014

.....

SBMC Ex Student's Association

Picnic on March 14, 2014

.... everyone invited......

15/10/2013

Eid Mubarak ..

Photos 05/06/2013

সাবধান! হোটেলের খাবারে কলিফর্ম জীবাণু!

হোটেল-রেস্তোরাঁর খাবার থেকে সাবধান! খাবার হোটেলে মরণঘাতী কলিফর্ম জীবাণু পাওয়া গেছে। পরিবেশ অধিদফতর নগরীর হোটেল-রেস্তোরাঁয় এই জীবাণুর অস্তিত্ব খুঁজে পেয়েছে। তাই হোটেল- রেস্তোরাঁয় খাওয়ার ব্যাপারে সাবধান হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে পরিবেশ অধিদফতর।

নগরীর বিভিন্ন এলাকার খাবার হোটেলে বিশুদ্ধ খাবার ও পানি ক্রেতাদের দেওয়া হয় কি না- এ নিয়ে সম্প্রতি জরিপ চালায় পরিবেশ অধিদপ্তর। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা হোটেল- রেস্তোরাঁ থেকে খাবার ও পানির নমুনা সংগ্রহ করেন। তার পর সংগৃহীত পানি গবেষণাগারে পরীক্ষা করে বেশ কিছু হোটেলে মরণঘাতী কলিফর্ম জীবাণুর সন্ধান পান তারা।

কলিফর্ম জীবাণুর অস্তিত্ব পাওয়ায় পরিবেশ অধিদফতরের পরিচালক(মনিটরিং অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট) মো. আলমগীর গত ৩০ মে মোহাম্মদপুরের টাঙ্গাইল হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টকে ১০ হাজার টাকা, সিটি পার্ক চাইনিজ অ্যান্ড থাই রেস্টুরেন্টকে ২০ হাজার টাকা এবং আক্তার হোটেলকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

কলিফর্ম জীবাণুর ভয়াবহতা সম্পর্কে রোগতত্ত্ব, রোগ নির্ণয় ও গবেষণা ইন্সটিটিউটের পরিচালক মাহমুদুর রহমান বাংলানিউজকে জানান, খাবার এবং পানির মাধ্যমে এ জীবাণু পেটে প্রবেশ করলে ডায়রিয়া, কলেরা, আমাশয়, টাইফয়েড, প্যারাটাইফয়েড, জন্ডিস ও ইউরিন ইনফেকশন হতে পারে। পানিতে কলিফর্ম জীবাণুর বিস্তার বেশি হলে সে পানি দিয়ে কুলি করলে মুখে ইনফেকশন হতে পারে।

তিনি জানান, পানির মূল উৎস থেকে সাধারণত এ জীবাণুর বিস্তার ঘটে না। পানির পাইপ এবং হোটেলের রিজার্ভার থেকে এটি ছড়ায়।

পরিবেশ অধিদফতরের পরিচালক মো. আলমগীর জানান, হোটেলগুলোতে যে উৎস থকে পানি সরবরাহ করা হয়, সেখানকার পানি পরীক্ষা করে কলিফর্ম জীবাণু পাওয়া যায়নি। পানির ট্যাংকি থেকে এটি ছড়াতে পারে। তিনি আরও জানান, পানির ট্যাংকি মাসে একবার পরিস্কার করার নিয়ম থাকলেও হোটেলগুলোর পানির ট্যাংকি বছরেও একবার পরিস্কার করা হয় না।

পরিবেশ অধিদফতরের কর্মকর্তারা জানান, নগরীর রেস্তোরাঁগুলোয় নিম্নমানের খাবার পরিবেশন করা হয় বলে অভিযোগ আসে তাদের কাছে। এ সূত্র ধরেই নির্ধারিত কিছু হোটেলের খাবার ও পানি সংগ্রহ করে নিজস্ব গবেষণাগারে পরীক্ষা হয় বলে জানান তারা। পরীক্ষায় অনেকগুলো খাবার হোটেলে কলিমর্ফ জীবাণু পাওয়া যায়। এরপর পরিবেশ অধিদফতর ওই হোটেলগুলোয় অভিযান চালায়।

অভিযানকালে হোটেলগুলোর মালিকরা পরিবেশ অধিদফতরের কর্মকর্তাদের জানান, তারা ওয়াসার সরবরাহ করা পানি রিজার্ভারে জমিয়ে রাখেন। সে পানিই তারা রান্নাবান্না এবং খাবার পানি হিসেবে ক্রেতাদের পরিবেশন করেন। তাই ওয়াসার পানিতে জীবাণু থাকলে তাদের দোষ কি!

ওই এলাকায় ওয়াসার লালমাটিয়া জোন থেকে পানি সরবরাহ করা হয়। তাই পরে লালমাটিয়ার পানির পাম্প থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষাও করেন পরিবেশ অধিদফতরের কর্মকর্তারা। কিন্তু, ওয়াসার পানিতে কোনো কলিফর্ম জীবাণুর অস্তিত্ব পাননি তারা।

পরিবেশ অধিদফতর জানায়, বৃষ্টির মৌসুম এবং বন্যার সময় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হলে এই ব্যাকটেরিয়া বিস্তার লাভ করে। ওয়াসার পাইপে লিকেজ থাকলে স্যুয়ারেজের লাইন থেকে পায়খানা এবং মলমূত্র প্রবেশ করে পানির পাইপে। পানির পাইপ পনিশূন্য হলে স্যুয়ারেজের লাইন থেকে প্রবেশ করে ময়লা পানি।

বেশির ভাগ হোটেলের কর্মচারীরা খাবার পরিবেশনের সময় গ্লাবস ব্যবহার করে না। হাত দিয়ে খাবার ও গ্লাস ধরায় হাতের সঙ্গে ছড়িয়ে পড়ে কলিফর্ম জীবাণু।

রেস্তোরাঁ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন জানায়, নগরীতে ৪ হাজারের বেশি হোটেল-রেস্তোরাঁ রয়েছে। তবে সংগঠনটির সদস্য মাত্র পাচশ’। তাই বেশিরভাগ হোটেলের ওপরই কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই বলে জানান সংগঠনটির নেতারা।

রেস্তোরাঁ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি খন্দকার রুহল আমিন বাংলানিজকে জানান, বাংলাদেশে খাবার হোটেলের কোনো নীতিমালা নেই। এ সেক্টরকে শিল্প হিসেবেও স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি। এটি দেওয়া হলে এ সমস্যাগুলো থাকতো না বলে মনে করেন তিনি।

খন্দকার রুহল আমিন আরও জানান, আগে হোটেলগুলোতে কোনো ওয়াসরুম ছিলো না। কিচেন রুমগুলো ছিলো খুবই নোংরা। এখন যে হোটেলগুলো চালু হচ্ছে, তাতে ওয়াস রুম তৈরি করা হচ্ছে। কিচেন রুমে টাইলস বসানো হচ্ছে। স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ তৈরি হতে আরও সময় লাগবে বলেও মন্তব্য করেনন তিনি।

http://www.banglanews24.com/detailsnews.php?nssl=458fca7980709972e85e402fb014f8f5&nttl=05062013201431

Want your school to be the top-listed School/college in Barisal?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address

Barisal