BCS Days

BCS Days .A person from a simple background, starting preparation for BCS and other jobs.

21/06/2026

আমি যেভাবে বিসিএস পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছি:

প্রথমত: দৈনিক পড়াশোনা-
আমি দৈনিক ৮-১০ ঘণ্টা পড়ালেখা করি। তবে, এক্ষেত্রে আমি রাত ১০টা থেকে শুরু টানা ৩ঘণ্টা পড়াশোনা করতাম। পরের কিছুক্ষণ আরাম করতাম। তারপর রাত ২টা থেকে পড়া শুরু করতাম ফজরের আজান না হওয়া পর্যন্ত। নামাজ পড়ে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে সকাল ৮/৯টা পর্যন্ত পড়তাম। তারপর ঘুমের রাজ্যে চলে যেতাম।

এতকিছু বলার কারণ হলো, কেউ রাতে পড়াশোনা করতে আরামদায়ক মনে করে। আবার কেউ দিনে পড়াশোনা করতে আরামদায়ক বোধ করে। যে সময় পড়েন না কেন, দৈনিক কতঘণ্টা পড়াশোনা করতেছেন এটা বড় কথা।

দ্বিতীয়ত: বিষয়ভিত্তিক পড়াশোনা -
আমি প্রতিটি বিষয়কে সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ মনে করে পড়াশোনা করেছি।
[পরামর্শ: কোন সাবজেক্ট সহজ বলে মনে করে স্কিপ করবেন না।]

বাংলা: (৩৫ নম্বর)
১. নবম-দশম শ্রেণির ব্যাকরণ
২. অভিযাত্রী (বাংলা ব্যাকরণ ও সাহিত্যের জন্য)
৩. ATM একটানা মুখস্থ

[পরামর্শ: মনে রাখবেন, বাংলায় ব্যাকরণ, সাহিত্য এবং বিরচন প্রতিটি অধ্যায় গুরুত্বপূর্ণ।]

ইংরেজি: (৩৫ নম্বর)
১. Master English
২. The Comparative Exam
৩. Smart Vocabulary
৪. A Gateway to English Literature
(এছাড়া আর কোন বই প্রয়োজন নেই! অযথা বই কিনে টাকা নষ্ট করবেন না।)

সাধারণ জ্ঞান: (৫০ নম্বর)
১. জর্জ MP3 (বাংলাদেশ + আন্তর্জাতিক)
২. প্রিসেপটর্স সাম্প্রতিক হাইলাইটস
৩. কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স
আমি নিয়মিত কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স পড়তাম। এই বইগুলো পড়লেই যথেষ্ট।
[পরামর্শ: কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স নিয়মিত পড়ার দরকার নাই। তবে নিয়মিত পড়লে আপনার দক্ষতা বাড়বে]

ভূগোল: ১০
ভূগোলের জন্য কোন গাইড পড়ি নাই। বোর্ড বই পড়েছি।
[পরামর্শ: সহায়ক হিসেবে বেসিক ভিউ বইটি পড়তে পারেন।]

নৈতিকতা ও সুশাসন (ভূগোল এর অনুরূপ): ১০
নবম-দশম বা একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির পৌরনীতি ও সুশাসন বইটা পড়েছি।

কম্পিউটার: ১৫ নম্বর
১. আলাল’স কম্পিউটার
[পরামর্শ: এই বইটা ভালোভাবে পড়লেই হবে। তবে ভুলেও শর্টকাট পড়বেন না।]

গণিত: ১৫ নম্বর
১. নবম-দশম শ্রেণির গণিত বই
২. খাইরুল’স ম্যাথ বই
আমি অবসর সময়ে সবসময় অংক করি। আমি নবম দশম শ্রেণির গণিত বইটি চিবিয়ে চিবিয়ে খেয়ে পেলেছি। কারণ, আমি জানতাম নবম-দশম শ্রেণির গণিত বই থেকে হুবহু কমন আসে।

মানসিক দক্ষতা: ১৫ নম্বর
১. জর্জ মানসিক দক্ষতা

বিজ্ঞান: ১৫ নম্বর
১. ৮ম, ৯ম-১০ম শ্রেণির বিজ্ঞান বই
২. MP3 দৈনন্দিন বিজ্ঞান
আমি বিজ্ঞা

09/06/2026
আবেদনের শেষ তারিখ -✅ পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় - ৮ জুন ✅ অর্থ মন্ত্রনালয়- ১১ জুন ✅ আনসার ভিডিপি ব্যাংক- ১৩ জুন ✅ সংস্কৃতি বি...
09/06/2026

আবেদনের শেষ তারিখ -
✅ পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় - ৮ জুন
✅ অর্থ মন্ত্রনালয়- ১১ জুন
✅ আনসার ভিডিপি ব্যাংক- ১৩ জুন
✅ সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়: ২০ জুন
✅ যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর- ২৩ জুন
✅ সমাজ সেবা অধিদপ্তর- ২৩ জুন
✅ খাদ্য মন্ত্রণালয়- ২৮ জুন
✅ মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর - ৩০ জুন
✅ ব্যাংকের অফিসার জেনারেল- ২ জুলাই
✅ রাজউক- ৭ জুলাই
✅ জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর: শুরু ১০ জুন, শেষ ৮ জুলাই

তোমার মাথা ধরছে, কাজ করতে গেলে মন বসে না, তাড়াতাড়ি কিছুই মাথায় ঢোকে না, শেখার আগ্রহ হারিয়ে ফেলছো এই সব হঠাৎ হয় নাই ভাই। ...
03/06/2026

তোমার মাথা ধরছে, কাজ করতে গেলে মন বসে না, তাড়াতাড়ি কিছুই মাথায় ঢোকে না, শেখার আগ্রহ হারিয়ে ফেলছো এই সব হঠাৎ হয় নাই ভাই।
ব্রেইন খ্যাপা হওয়ার পেছনে তুমি নিজেই দায়ী। মানুষের প্রতিদিনকার ছোট ছোট অভ্যাসই তার ব্রেইনকে সবচেয়ে বেশি নষ্ট করে।

অবচেতনভাবে এমন কিছু ছোট ছোট অভ্যাস তোমার ব্রেইনের প্রফেশনাল পারফর্মারকে বানিয়ে ফেলতে পারে একজন ডিজিটাল জোম্বি!
এইবার সেইসব অভ্যাস এক এক করে ধরিয়ে দিচ্ছি, যাতে তুমি বুঝে ফেলো, কী কী করে তুমি নিজেই নিজের ব্রেইন পঁচিয়ে ফেলছো!

১. ঘুম কমায়ে মনে করতেসো তুমি এলোন মাস্ক

রাত ৩টা পর্যন্ত মেসে আড্ডা → সকাল ৮টার কুইজে ঝাপসা ব্রেইন নিয়ে ঝাঁপ দাও!
পুরো সেমিস্টার ঘুম কমিয়ে ভার্সিটির ক্যান্টিনের রেকর্ড করা চা মস্তিষ্কে ঢালা মানেই, তোমার Brainless Burnout প্রস্তুত!
ঘুমকে ইগনোর করো না। ন্যাশনাল স্লিপ ফাউন্ডেশন বলে প্রতিদিন ৭–৯ ঘণ্টা না ঘুমালে ব্রেইনের নিউরাল কানেকশনগুলো দুর্বল হয়ে যায়। মানে, তুমি দিনে যত শিখছো রাতে কম ঘুমের কারণে অর্ধেকই মুছে যাচ্ছে। এভাবে ব্রেইন র‍্যাম হয়ে যায় পুরাই লো-স্পেস।

২. Social Media নোটিফিকেশন কে জীবন যৌবন এর একমাত্র অবলম্বন মনে করছো

যেই মাত্র টুং বাজে, সেখানেই ব্রেইন দৌড় মারে। কোড লিখতেছো, HCF-π² বের করতেছো – কোনো লাভ নাই! ফোনের সুন্দরী নোটিফিকেশন বললেই ব্রেইনের সমস্ত neuron অকেজো হয়ে যায়।

৩. দিনে ১০টা ট্যাব, ২০টা কাজ শুরু করো; কিন্তু শেষ করো ১টাও না!

তুমি ব্রেইনকে বলো "এই জাভাস্ক্রিপ্ট শিখি, সাথে ইউআই বানাই, সাথে ইন্সটাগ্রামের স্ট্র‍্যাটেজি দেখি"
তুমি মানুষ না, মাল্টিপ্লেয়ারে বাজানো ব্রেইন-পিয়ানো! এগুলা ঠিক করো ভাই।
তোমার ব্রেইন বারবার কনটেক্সট সুইচ করতে গিয়ে ধীরে ধীরে ফ্রিজ হতে থাকে।

৪. একটানা স্ক্রল করো।

Scrolling মানে “Mentally Zoning-out”! ব্রেইনের রিসোর্স শেষ, কিন্তু তোমার আঙুল বলছে: স্ক্রল না মারলে ঘুমও আসবে না!

৫. চিন্তা করো ২৪/৭, কাজ করো ০.৭৪

Brainstorming দিয়েই অফিস খুলছো কিন্তু অ্যাকশন? বলে "কাল থেকে করবো!"
তোমার Brain একটা Whiteboard।
কিন্তু লেখার মার্কারই তো শূন্য!

🇧🇩 বাংলাদেশের নদী পরিচিতি: এক নজরে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য 🌊আমাদের নদীমাতৃক বাংলাদেশের নদীগুলোর উৎপত্তি, প্রবাহ এবং শাখা-...
24/05/2026

🇧🇩 বাংলাদেশের নদী পরিচিতি: এক নজরে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য 🌊
আমাদের নদীমাতৃক বাংলাদেশের নদীগুলোর উৎপত্তি, প্রবাহ এবং শাখা-উপনদী নিয়ে চমৎকার কিছু সাধারণ জ্ঞান, যা যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা ও জানার জন্য ভীষণ দরকারী! 📚👇
📌 সাধারণ তথ্য:
🌊 মোট নদীর সংখ্যা: ১,৪১৫ টি (বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী)।
👑 দীর্ঘতম নদী: পদ্মা।
🏔️ নদীসমূহের উৎপত্তিস্থল:
গঙ্গা নদী: হিমালয়ের গঙ্গেত্রী হিমবাহ।
ব্রহ্মপুত্র নদ: হিমালয় পর্বতের কৈলাস শৃঙ্গের নিকটে মানস সরোবর।
কর্ণফুলী নদী: আসামের লুসাই পাহাড়।
মেঘনা নদী: আসামের বরাক নদী (নাগা-মনিপুর অঞ্চল)।
🗺️ প্রবেশপথ ও মিলনস্থল:
📍 পদ্মা নদী বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা দিয়ে।
🤝 পদ্মা ও যমুনা নদী মিলিত হয়েছে দৌলতদিয়ার নিকটে।
🏞️ বাংলাদেশে গঙ্গা-পদ্মা বিধৌত অঞ্চলের আয়তন ৩৪,১৮৮ কি.মি.।
📍 ব্রহ্মপুত্র নদ বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে কুড়িগ্রাম জেলা দিয়ে।
🌿 শাখা নদী ও উপনদীসমূহ:
🔹 পদ্মার শাখা নদী: কুমার, মাথাভাঙ্গা, ভৈরব, গড়াই, মধুমতী, আড়িয়ানখাঁ।
🔹 পদ্মার উপনদী: পুনর্ভবা, নাগর, পাগলা, কুলিক, ট্যাংগন ও মহানন্দা।
🔹 ব্রহ্মপুত্রের উপনদী: ধরলা ও তিস্তা।
🔹 ব্রহ্মপুত্রের শাখা নদী: বংশী ও শীতলক্ষ্যা।
🔹 যমুনার প্রধান উপনদী: করতোয়া ও আত্রাই।
🔹 ধলেশ্বরীর শাখা নদী: বুড়িগঙ্গা।
#বাংলাদেশ #নদঅধ্যয়ন #সাধারণজ্ঞান

preparation Day 1/6
24/05/2026

preparation Day 1/6

🇧🇩 বাংলাদেশের অভ্যুদ্বয়ের ইতিহাস (১৯৪৭-১৯৭১) 🇧🇩আমাদের স্বাধীনতার ইতিহাস একদিনে তৈরি হয়নি। ১৯৪৭ সালের দেশভাগ থেকে শুরু কর...
20/05/2026

🇧🇩 বাংলাদেশের অভ্যুদ্বয়ের ইতিহাস (১৯৪৭-১৯৭১) 🇧🇩
আমাদের স্বাধীনতার ইতিহাস একদিনে তৈরি হয়নি। ১৯৪৭ সালের দেশভাগ থেকে শুরু করে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন—প্রতিটি পদক্ষেপ ছিল রক্তক্ষয়ী ও সংগ্রামের। সরকারি চাকরি, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা কিংবা সাধারণ জ্ঞানের প্রস্তুতির জন্য এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো জেনে রাখা অত্যন্ত জরুরি।
চলুন এক নজরে দেখে নেওয়া যাক ইতিহাসের কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর:
📌 ভাষা আন্দোলন শুরু হয়: ১৯৪৭ সালে।
📌 তমদ্দুন মজলিশ গঠিত হয়: ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৭।
📌 তমদ্দুন মজলিশ এর প্রতিষ্ঠাতা: আবুল কাশেম।
📌 ১৯৪৭ এর দেশভাগ নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র: ‘চিত্রা নদীর পাড়ে’।
📌 সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়: ৩১ই জানুয়ারি ১৯৫২।
📌 ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারির সময় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন: খাজা নাজিমুদ্দীন।
📌 পাকিস্তানের গণপরিষদ অধিবেশনে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার প্রথম দাবি উত্থাপন করেন: ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত।
প্রস্তুতিকে আরও সহজ করতে তথ্যগুলো নিজের টাইমলাইনে শেয়ার (Share) করে রাখুন এবং বন্ধুদের ট্যাগ করুন!
#ইতিহাস

পাল রাজবংশের গৌরবময় ইতিহাস! 🏛️✨বাঙালি ইতিহাসের অন্যতম সমৃদ্ধ অধ্যায় হলো পাল রাজবংশ। আমাদের সমৃদ্ধ ঐতিহ্যের কিছু গুরুত্বপ...
18/05/2026

পাল রাজবংশের গৌরবময় ইতিহাস! 🏛️✨
বাঙালি ইতিহাসের অন্যতম সমৃদ্ধ অধ্যায় হলো পাল রাজবংশ। আমাদের সমৃদ্ধ ঐতিহ্যের কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিচে দেওয়া হলো:
👑 পাল বংশের শ্রেষ্ঠ রাজা: ধর্মপাল।
🏛️ সোমপুর বিহারের প্রতিষ্ঠাতা: ধর্মপাল।
📜 ইউনেস্কোর স্বীকৃতি: সোমপুর বৌদ্ধবিহার ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি পায়।
আমাদের এই অনন্য স্থাপত্যশৈলী এবং সমৃদ্ধ ইতিহাস সম্পর্কে আরও জানতে আমাদের সাথেই থাকুন।

'ডিপ স্টেট' বা 'গুপ্তরাষ্ট্র' শব্দটির আদি কথা জানেন কি? 🤔রাজনৈতিক আলোচনা বা আন্তর্জাতিক সংবাদে আমরা প্রায়ই "Deep State" ...
16/05/2026

'ডিপ স্টেট' বা 'গুপ্তরাষ্ট্র' শব্দটির আদি কথা জানেন কি? 🤔
রাজনৈতিক আলোচনা বা আন্তর্জাতিক সংবাদে আমরা প্রায়ই "Deep State" শব্দটি শুনে থাকি। কিন্তু রাষ্ট্রবিজ্ঞানের এই রহস্যময় ধারণাটি আসলে কোন দেশ থেকে এসেছে?
চলুন এক নজরে জেনে নেওয়া যাক আজব এই তথ্যটি! 👇
🌐 আজকের কুইজ ও উত্তর:
প্রশ্ন: 'ডিপ স্টেট (গুপ্তরাষ্ট্র বা আন্তঃরাষ্ট্র)' ধারণাটি সর্বপ্রথম কোন দেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থায় উদ্ভূত হয়?
উত্তর: তুরস্ক (তুর্কি ভাষায় একে বলা হয় Derin Devlet)।

একটু বিস্তারিত: ১৯৯০-এর দশকে তুরস্কে এই শব্দটির বহুল ব্যবহার শুরু হয়। সাধারণত নির্বাচিত সরকারের আড়ালে থেকে যে সামরিক, গোয়েন্দা বা আমলাতান্ত্রিক গোষ্ঠী অলিখিতভাবে দেশ পরিচালনা বা নিয়ন্ত্রণ করে, তাদের বোঝাতেই এই 'ডিপ স্টেট' টার্মটি ব্যবহার করা হয়েছিল।
পোস্টটি ভালো লাগলে শেয়ার করে আপনার বন্ধুদেরও জানার সুযোগ করে দিন! 🔔

Address

Barishal
Barisal
..

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when BCS Days posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category