হানুয়া পেয়ারপুর সালেহিয়া দাখিল মাদ্রাসা

  • Home
  • Bangladesh
  • Barisal
  • হানুয়া পেয়ারপুর সালেহিয়া দাখিল মাদ্রাসা

হানুয়া পেয়ারপুর সালেহিয়া দাখিল মাদ্রাসা It is a Educational page.

SSC Batch 2026দোয়া ও ভালোবাসা তোমাদের জন্য।
16/04/2026

SSC Batch 2026
দোয়া ও ভালোবাসা তোমাদের জন্য।

06/11/2025
২য় দি‌নের কর্ম বির‌তি চল‌ছে,
14/10/2025

২য় দি‌নের কর্ম বির‌তি চল‌ছে,

30/08/2025

🟥শিক্ষার্থীদের জন্য ১০টি জরুরি অ্যাপ :

১️⃣
গণিতে কোথাও আটকে গেলে শিক্ষক বা বন্ধু সবসময় পাশে থাকে না। এ সময় এই অ্যাপটি ক্যামেরায় প্রশ্ন স্ক্যান করলেই ধাপে ধাপে সমাধান দেখিয়ে দেবে।

২️⃣
ইংরেজি শিখতে হলে অনুশীলন জরুরি। কিন্তু কথা বলার সঙ্গী পাওয়া সহজ নয়। এই অ্যাপের মাধ্যমে অনলাইনে ইংরেজি স্পিকিং পার্টনার পাওয়া যায়, ফলে অনুশীলনের সুযোগ মেলে যেকোনো সময়।

৩️⃣ +Reader
ফোনেই গড়ে তুলুন নিজের ছোট্ট লাইব্রেরি। পিডিএফ, ইপাবসহ বিভিন্ন ফরম্যাটের বই পড়ার জন্য এই অ্যাপটি খুবই হালকা এবং ব্যবহারবান্ধব।

৪️⃣
কোনো খাতা, নোট বা ডকুমেন্ট সহজেই স্ক্যান করে পিডিএফ বানানো যায় এই অ্যাপে। ফলে নোট ধার নেওয়ার ঝামেলা কমে যায় এবং সবকিছু গুছিয়ে রাখা যায়।

৫️⃣ Keep
নোট নেওয়া, টু-ডু লিস্ট তৈরি করা কিংবা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংরক্ষণের জন্য একদম পারফেক্ট। সব ডিভাইসে সিঙ্ক হয়, তাই হারিয়ে যাওয়ার ভয় নেই।

৬️⃣ Keyboard
ইংরেজি লিখতে গিয়ে ভুল হয়ে যাওয়া স্বাভাবিক। এই অ্যাপ ব্যবহার করলে লেখার সময়ই ব্যাকরণগত ভুল ধরিয়ে দেয় এবং সঠিক সাজেশন দেয়।

৭️⃣
মনে রাখার পড়া বা ভোকাবুলারি চর্চার জন্য ফ্ল্যাশকার্ড বানিয়ে অনুশীলনের দারুণ সুযোগ দেয়। একা একাও পড়া যায় আবার বন্ধুদের সঙ্গেও শেয়ার করা যায়।

৮️⃣ Lens
যেকোনো স্লাইড, হোয়াইটবোর্ড বা ডকুমেন্টের ছবি তুলে একদম পরিস্কারভাবে সংরক্ষণ করার জন্য এটি চমৎকার। পড়াশোনার সময় কাজে আসে অনেক।

৯️⃣ Academy
বিনামূল্যের বিশাল লার্নিং প্ল্যাটফর্ম। গণিত, বিজ্ঞান, ইতিহাস থেকে শুরু করে নানা বিষয়ের লেকচার ভিডিও এবং প্র্যাকটিস এক্সারসাইজ এখানে পাওয়া যায়।

🔟
মনোযোগ ধরে রাখার জন্য দারুণ একটি অ্যাপ। নির্দিষ্ট সময় ফোনে অন্য কিছু ব্যবহার না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দিলে অ্যাপে একটি গাছ বড় হতে থাকে। পড়ার পাশাপাশি মোটিভেশনও বাড়ায়।...

23/07/2025

📌অর্থবিত্ত থাকা সত্ত্বেও আমি আমার একমাত্র ছেলেকে কখনো দশ টাকার বেশি টিফিন খরচ দিইনি। সে তার বন্ধুদের দেখিয়ে বলত, "বাবা দেখো, সুমন আজ ব্রাণ্ডেড ঘড়ি পরে এসেছে। বাবা দেখো, রাজুর স্কুল ব্যাগটা ইম্পোর্টেড। সুন্দর না বাবা!"

আমি চুপ করে থাকতাম। আমার ছেলের সাহস হয়নি কখনোই আমার কাছে ওই জিনিসগুলো চাওয়ার। একদিন ও খেলতে খেলতে পায়ে ব্যথা পেল। পরদিন স্কুলে যাওয়ার সময় আমাকে বলল, "বাবা, আমাকে তোমার সাথে অফিসের গাড়িতে করে স্কুলে নামিয়ে দেবে?"

আমি ওর অবস্থা দেখে বললাম, "ঠিক আছে।"

এরপর সপ্তাহখানেক ও আমার সাথেই গেল — আমার অফিসের গাড়িতে। আমি ওকে স্কুলের গেটে নামিয়ে দিতাম। এরপর থেকে ছেলের আর স্কুলে হেঁটে যেতে ইচ্ছে করে না! বাধ্য হয়ে আমি বলেই দিলাম, "অফিসিয়াল জিনিস ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য নয়। বাড়ি থেকে স্কুল দশ মিনিটের পথ। স্কুল টাইমের খানিকক্ষণ আগে বের হবে, তাহলে সময়মতো পৌঁছে যাবে।"

ছেলে আমার প্রচন্ড মন খারাপ করে বসে রইল। ছেলের মায়েরও মুখ গোমড়া। আমি এমন করি কেন? সবাই তো অফিসের গাড়ি ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করে। তাহলে আমার সমস্যা কোথায়?

সেদিন সন্ধ্যায় ছেলে বাড়িতে এসে বলল, "জানো, আমার বন্ধু শহরের সবচেয়ে সেরা স্কুলে ভর্তি হয়েছে। আমিও.....।"

এর বেশি কিছু বলার আগেই তাকে থামিয়ে দিয়ে আমি বললাম, "বাবা, প্রতিষ্ঠান সেরা হয় নাকি ছাত্র? ধরো আমি তোমাকে সেই স্কুলে দিলাম, কিন্তু তুমি ফেল করলে। তাহলে আমি কি বলব, তুমি ফেল নাকি তোমার স্কুল?"

ছেলে বলল, "বুঝেছি বাবা!"

আমি ওর মাথায় হাত রেখে বললাম, "এই পর্যন্ত তোমার ক্লাসের কোনো ছেলেই তোমাকে টপকে যেতে পারেনি। বরাবর তুমিই ফার্স্ট হয়েছ। সুতরাং, তুমি যেখানে পড়বে, সেই স্কুলই শহরের সেরা স্কুল।"

এরপর সে আর কিছু বলেনি।

এক বিকেলে ছেলে বলল, "বাবা, আমার এক্সট্রা টিউটর দরকার। ম্যাথ আর ইংলিশে একটু সমস্যা হচ্ছে।"

জবাবে আমি বললাম, "রাতে যখন আমি বাড়িতে ফিরব, আমার কাছেই তুমি ম্যাথ আর ইংলিশ শিখবে।"

ছেলে বলল, "বাবা, তুমি অনেক পরিশ্রম করে বাড়িতে আসো, তাইনা?"

আমি হেসে বললাম, "বাবা, আমার এত সামর্থ্য নেই তোমাকে এক্সট্রা টিউটর দেওয়ার। আমি বরং একটু কষ্ট করি, কি বলো?"

ছেলে আমাকে জড়িয়ে ধরে বলল, "ঠিক আছে বাবা।"

আমার স্ত্রী রাতে ঘুমাতে গিয়ে আমাকে জিজ্ঞাসা করল, "তুমি এরকম দশটা টিউটর রাখতে পারো, তাহলে ছেলেকে ওই কথাগুলো বললে কেন?

আমি বললাম, "আমি চাই আমার সন্তান বুঝুক আরাম করে কিছু পাওয়া যায় না। মানুষের জীবনে অভাব আসলে তা কিভাবে মোকাবিলা করতে হয় সেটা শিখুক।"

আমার স্ত্রী চুপ হয়ে গেল।

মাঝে মাঝে আমার ছেলেকে নিয়ে আমি ফুটপাতে হাঁটি। পথশিশু থেকে শুরু করে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের সম্পর্কে ধারণা দিই। সে জানুক, পৃথিবী শুধু চিন্তায় সুন্দর, বাস্তবে খুব কঠিন! চাওয়া মাত্রই কিছু তাকে আমি কখনও দেই না। একদিন সে বলেছিল, "বাবা, তুমি এরকম কেন?" আমি জবাব দিয়েছিলাম, "সময় হলে বুঝবে!"

একবার সে বায়না ধরল ইলিশ মাছ খাবে। আমি বললাম, "টাকা তো কম! তোমার কাছে কিছু আছে? থাকলে ইলিশ আনা যাবে।"

ছেলে আমার হাতে পঞ্চাশটা দশ টাকার নোট বের করে দিল। আমি অবাক হয়ে বললাম, "তুমি খরচ করনি!" সে মুচকি হেসে বলল, "না বাবা! জমিয়েছি। আমার এক বন্ধু মাঝে মাঝে স্কুলে না খেয়ে আসে। আসলে ও খুব অসহায়। আমি ওকে ক্ষুধার্ত দেখলেই বুঝতে পারি। তখন ওকে সাথে নিয়ে খাই। অন্যান্য দিন সব টাকা খরচ করি না, জমিয়ে রাখি, কারণ বাড়ি থেকে তোমরা যা দাও তা প্রয়োজনের চেয়ে অনেক বেশি। কিছু মানুষ তো সামান্যটুকুও পায় না!"

আমি ছেলের দিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে ছিলাম। সেই জমানো টাকা দিয়ে সেদিন বাজার থেকে ইলিশ এনে ছেলেকে খাওয়ালাম। এভাবে ইচ্ছে করেই মাঝে মাঝে ছেলেকে অভাব অনুভব করাতাম, যাতে সে বোঝে জীবনটা কঠিন, অনেক কঠিন।

একবার মার্কেটে গিয়ে তাকে বললাম সাধ্যের মধ্যে কিনতে। সে একটা প্যান্ট নিল শুধু। আর কিছু লাগবে কিনা জিজ্ঞাসা করলে বলল, "তোমার জন্য পাঞ্জাবি আর মায়ের জন্য শাড়ি নাও।"

আমি হাসলাম।

সে বুঝতে শিখেছে টাকা কিভাবে খরচ করতে হয়। একদিন সন্ধ্যায় আমি চা খাচ্ছিলাম। ও বলল, "বাবা, সায়নটা আর মানুষ হলো না! অথচ আংকেল ওর জন্য নিজেকে উজাড় করে দিয়েছেন। যখন যা চেয়েছে, তাই পেয়েছে।" আমি ছেলেকে বললাম, "আমি তো তোমাকে কিছুই দিতে পারিনি!" ছেলে আমার কোলে মাথা রেখে বলল, "প্রতিটা চাহিদা পূরণ না করে তুমি শিখিয়েছ অভাবে যেন স্বভাব নষ্ট না হয়। তুমি জীবনে যে শিক্ষা দিয়েছ, তা সবকিছুর উর্ধ্বে। তুমি শিখিয়েছ, অভাবকে কিভাবে ভালবাসতে হয়। আমি এখন জানি, আমার বাবার আমি ছাড়া আর কিছু নেই। বাকিটা আমাকে গড়ে নিতে হবে। আমি সাধারণ জামাকাপড়েও হীনমন্যতায় ভুগি না। কারণ আমি জানি আমি কে! তোমার দেওয়া শিক্ষা আমি সারাজীবন ধরে রাখব বাবা। চাওয়া মাত্রই পেয়ে গেলে আমি কখনো জানতামই না পঞ্চাশ দিন না খেয়ে টিফিনের টাকা জমালে পাঁচশো টাকা হয়। তুমি ছিলে বলেই সবকিছু সম্ভব হয়েছে। আমি মানুষকে মানুষের চোখে দেখি। আমি বুঝি জীবন কত কঠিন!"

আমার স্ত্রী এখন নিজে থেকেই অনেক খুশি। সে বুঝতে পেরেছে আমার উদ্দেশ্যটা। ছেলে নিজের রোজগারে প্রাইভেট কার কিনে আমাকে হাসতে হাসতে বলল, "দুই বছর ধরে টাকা জমিয়ে কিনেছি এটা!" তখন বুঝেছিলাম ছেলে আমার সঞ্চয়ী হয়েছে। আমার শিক্ষা বৃথা যায়নি।

সেদিন যাবতীয় সম্পত্তি ওকে বুঝিয়ে দিয়ে বললাম, "সামলে রেখো।" ছেলে দলিলগুলো আমার হাতে ফিরিয়ে দিয়ে বলল, "তোমরা সাথে থেকো, আর কিছু লাগবে না।"

ছেলেকে বুকে জড়িয়ে ধরে ছেলের মাকে বললাম, "দেখেছ, আমি ভুল করিনি। আমি আমার সন্তানকে মানুষ করতে গিয়ে জীবনের শ্রেষ্ঠ শিক্ষাটাই দিয়েছি — যেমনটা আমার বাবা আমাকে দিয়েছিলেন। আমি ওকে অভাবে লজ্জিত হওয়া নয়, বরং দৃঢ় থাকতে শিখিয়েছি। ওকে আমি নিজের পায়ে দাঁড়াতে শিখিয়েছি, কারো উপর নির্ভর না করে চলতে শিখিয়েছি। ছেলে আমার মানুষের মতো মানুষ হয়েছে। এর চেয়ে বড় সম্পদ আর কি হতে পারে!"
(সত্য ঘটনা অবলম্বনে)
, গল্প কালেক্টেড

18/07/2025

* হতাশ হবেন না...

বারাক ওবামা যখন প্রেসিডেন্ট পদ থেকে অবসর নেন তখন তার বয়স ৫৫ বছর।
অন্যদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন তখন তার বয়স ৬৯ বছর।

ঢাকায় যখন সকাল ৫ টা বাজে, লন্ডনে তখন রাত ১১ টা।
সময়ের হিসেবে লন্ডন, ঢাকার থেকে ছয় ঘণ্টা পিছিয়ে..
এতে কিন্তু প্রমাণ হয় না যে, লন্ডন ঢাকার থেকে স্লো (slow)!

পৃথিবীর সবকিছু আপন গতিতে এবং নিজ সময় অনুযায়ী চলে।
কেউ গ্রাজুয়েশন শেষ করে ২২ বছর বয়সে..
কিন্তু চাকরি পেতে আরো ৫ বছর লেগে যায়।
আবার কেউ ২৭ বছরে গ্রাজুয়েশন শেষ করে পরের দিনই চাকরি পেয়ে যান!

অনেকে ২৫ বছর বয়সে কোম্পানির CEO হয়ে, মারা যান ৫০ বছর বয়সে।
আবার অনেকে ৫০ বছর বয়সে CEO হয়ে, মারা যান ৯০ বছরে।
কেউ ৩৩ বয়সে এখনও সিঙ্গেল,
আবার কেউ ২২ বছর বয়সে বিয়ে করে সন্তান জন্ম দিয়েছেন!

মনে হতেই পারে, পরিচিতদের মধ্যে আপনার থেকে কেউ অনেক এগিয়ে আছেন,
আবার কেউ আছেন অনেক পিছিয়ে।
কিন্তু আপনার ধারনা ভুল..
প্রত্যেকেই তার নিজ নিজ সময়, অবস্থান এবং গতিতে আছেন।
আগে থাকাদের প্রতি অভিযোগ না করে, পিছিয়ে থাকাদের অবহেলা না করে,
সব সময় শান্ত থাকুন।

আপনি এগিয়েও নেই, পিছিয়েও নেই!
আপনার পথ আপনার, অন্যের পথ অন্যের।
শুধু সময়কে গুরুত্ব দিয়ে পরিশ্রম করে যান..
তাই কেউ হতাশ হবেন না
সৃষ্টিকর্তা সবার জন্য বেস্ট উপহার টা সময় মত নির্দিষ্ট করে রেখেছেন।।।

17/05/2025

সন্তান মানুষ করার সিক্রেট।

অনেকদিন পর ভদ্রলোকের সাথে দেখা। তাঁকে আমি খুব পছন্দ করতাম। কারণ এত স্বজ্জন লোক খুব কম হয়। আরেকটি কারণ হলো, তাঁর দুছেলেই ছিল সেরা ছাত্র। আমি খুব আগ্রহ নিয়ে তাঁর বাচ্চাদের কথা শুনতাম।
সময় পেরিয়ে গেছে প্রায় এক যুগ। তিনি অনেক আগেই সত্তর পেরিয়েছেন। কিন্তু শরীরের টানটান ভাব অটুট, বরং চেহারায় এক ধরনের নতুন আভা দেখা যাচ্ছে, যা আগে দেখিনি। এটাসেটা আলাপ করার পর জিজ্ঞেস করলাম, আচ্ছা,আপনার ছেলেরা কী করছে?
তিনি বললেন, 'উপরওয়ালার কৃপায় বড়োটি বুয়েট থেকে বের হয়ে এমআইটি থেকে পিএইচডি করেছে। ছোটোটিও বছর খানেক আগে বুয়েট থেকে রেকর্ড মার্ক নিয়ে ফার্স্ট হয়ে সেখানেই জয়েন করেছে। তবে এখন শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি করছে। পড়া শেষে ফিরে আসবে।'
শুনে আমার খুব ভালো লাগল। জিজ্ঞেস করলাম, 'আপনি কেমন আছেন?'
'খুব ভালো, বছরের একটি সময় ওদের সাথে কাটাই, বাকি সময় দেশে আগের কোম্পানিতেই চাকুরি করি। মালিক আমাকে ছাড়েননি।'
কিছুটা লজ্জা ভেঙে বললাম,আচ্ছা, 'এই যে আপনার বাচ্চারা এত ভালো করছে এর সিক্রেট কী?'
তিনি বললেন, 'কোনো সিক্রেট নেই তবে কিছু উপদেশ আছে। আগ্রহী হলে বলতে পারি।'
'অবশ্যই বলুন।'
আচ্ছা, শুনুন তাহলে....,
১. খান বা না খান বাচ্চাদের সেরা শিক্ষকের কাছে পড়াবেন। মনে রাখবেন, টাকা দিয়ে সেরা শিক্ষক পাওয়া যায় না, সেরা শিক্ষক জ্ঞান ও মন যার ভালো তিনি।

২. তাদের শরীর ঠিক রাখার সব ব্যবস্থা নেবেন। সামান্য অসুস্থ হলেও ভালো ডাক্তারের কাছে নেবেন।

৩. সব সময় উপরওয়ালার কাছে সন্তানের শান্তির জন্য প্রার্থনা করবেন। আসলে শান্তির চেয়ে বড় সাফল্য আর নেই।

৪। বাচ্চাদের সামনে ঝগড়া করবেন না। বাবা-মার ঝগড়া হচ্ছে টর্নেডো। তা বাচ্চার ভবিষ্যত উড়িয়ে নিয়ে যায়।

৫। প্রয়োজনে কঠোর হবেন। বাবা-মা দরকারে শক্ত না হলে সন্তানের ভবিষ্যত 'নরম' হয়ে যায়।

৬। তাদের গতিবিধি খেয়াল রাখবেন। আমার ছেলেরা টেম্পু চরে স্কুল/ কলেজে যাওয়ার সময় তারা জানতো না যে, পেছনের টেম্পুতে আমি তাদের ফলো করছি। সব কাজ ফেলে আমি এটা করতাম, কারণ, একটা বয়স পর্যন্ত এভাবে নজর রাখার দরকার আছে।

৬। বাচ্চাদের জন্য একটি উপদেশই যথেষ্ট, তাহলো, 'তুমি মানুষ, পশু নও, তাই তোমাকে মানুষের আচরণ করতে হবে, পশুর নয়।'

৭। স্ত্রীকে ধন্যবাদ দেবেন। কারণ আসলে বাচ্চারা মানুষ হয় মায়ের হাতে, বাবারা তেমন সময় দিতে পারেন না।

একটানা কথা বলে তিনি দম নিলেন। তারপর বললেন, 'বাচ্চা মানুষ করার জন্য এগুলোই যথেষ্ট,আর কিছু লাগবে না।'
ভদ্রলোক হাসছেন, তাতে এক ধরনের আলো, আমি সে আলোয় ডুবে যাচ্ছি।

(আমি সবসময় সফল বাবা-মাদের কাছে তাঁদের সিক্রেট কী তা জিজ্ঞেস করি। লেখাটি শেয়ার করা যাবে)

Safe the children training
20/04/2025

Safe the children training

Address

Hanua
Barisal
8283

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when হানুয়া পেয়ারপুর সালেহিয়া দাখিল মাদ্রাসা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share