Adv.Muhammad Akram Hossain

Adv.Muhammad Akram Hossain

Share

Hi! I'm Muhammad Akram Hossain, and I'm passionate about connecting with others and creating meaningful experiences.

05/05/2026

বৃষ্টিতে উজানি মাছের দৃশ্য কতইনা চমৎকার।
゚viralシ ゚ .

03/05/2026

ঢাকা ট্যাক্সেস বারে বৃষ্টিতে কিছুক্ষণ।
゚viralシ ゚

30/04/2026

Too funny😁😁
゚ ゚viralシ

11/04/2026

বিএনপির সম্ভবত প্রথম ফেইল্ড মন্ত্রী হতে পারেন এসানুল হক মিলন। তার কথাবার্তা শুনলে মনে হচ্ছে, তিনি এখনও ২০০১ থেকে ২০০৬ সালে আটকে আছেন। সারাক্ষণ শুধু “নকল, নকল, নকল”—এই এক কথাই বলে যাচ্ছেন।

অথচ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থার মূল সমস্যা কিন্তু নকল না। বিষয়টি এখন অনেক বেশি জটিল।

দেখুন, ২০০১ সালে যখন তিনি দায়িত্ব নেন, তখন নকলই ছিল আমাদের প্রধান সমস্যা। প্রচুর পরিমাণে নকল হতো এবং সেটাকে সামলানোই ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। সেই সময় তিনি এটি বেশ ভালোভাবে মোকাবেলা করতে পেরেছিলেন।

কিন্তু বর্তমানে শিক্ষাব্যবস্থা ধাপে ধাপে সিস্টেমেটিকভাবে ভেঙে পড়েছে।

প্রথমত, কারিকুলাম নিয়ে অতিরিক্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে। শেষ পর্যন্ত বাংলা মিডিয়ামের কারিকুলামটি আপডেটেড নয় এবং যুগোপযোগীও নয়।

জিপিএ-৫ পাওয়া ছেলেমেয়ে ভার্সিটি উঠেও যখন এক পেজ ইংরেজি শুদ্ধভাবে লিখতে পারছে না, ক্লাস নাইন টেনের ব্যাসিক ম্যাথ পারছে না তখন বুঝতে হবে সমস্যাটা শুধু আর নকলে নাই, শিকড় অনেক গভীরে ঢুকে গেছে।

দ্বিতীয়ত, ভালো মানের শিক্ষকের ভয়াবহ অভাব দেখা যাচ্ছে। শিক্ষকদের বেতন যথাযথভাবে বাড়ানো হয়নি। শিক্ষকদের আগের মতো সম্মানও নেই। সো এখন এই পেশায় যারা আসছেন, তারা মূলত ভালো কোন অপশন না পেয়েই আসছেন। ফলে যারা পড়াচ্ছেন, তাদের যোগ্যতা নিয়েই প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে।

যারা পড়াবে তারাই যথেষ্ট যোগ্য না হয়, তাহলে তারা কীভাবে যোগ্য মানুষ তৈরি করবে?

তৃতীয়ত, সরকারি স্কুল-কলেজগুলোর অবস্থা খুবই খারাপ। ঠিকমতো ক্লাস হয় না। স্কুল প্রচুর পরিমানে বন্ধ থাকে। শিক্ষকরা নিয়মিত ক্লাসে আসছেন কিনা—তারও কার্যকর মনিটরিং নেই।

একসময় সরকারি স্কুলে ভর্তি হওয়ার জন্য তীব্র প্রতিযোগিতা ছিল। ভালো ছাত্রছাত্রীরা সেখানে পড়তে চাইত। কিন্তু এখন যার মিনিমাম সামর্থ্য আছে, সে আর সরকারি স্কুলে পড়ানোর কথা চিন্তাও করে না। বরং যেভাবেই হোক ইংলিশ মিডিয়ামে ভর্তি করানোর চেষ্টা করে।

কারণ বাংলা মিডিয়ামের কারিকুলাম মানসম্মত না। ইংলিশ মিডিয়ামের কারিকুলামের সাথে তুলনা করলে স্পষ্ট বোঝা যায় আমরা কতটা পিছিয়ে আছি।

কিন্তু এসব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় না তুলে মিলন সাহেব সারাক্ষণ শুধু নকল বন্ধ করার কথাই বলছেন—সিসিটিভি লাগাবেন, এটা করবেন, সেটা করবেন।

বাস্তবতা হলো, এখন নকলের ধরনই বদলে গেছে। এখন পরীক্ষার আগেই প্রশ্ন ফাঁস হয়ে যায়। প্রিন্টিং প্রেস থেকে লিক হয়, অথবা বিভিন্ন ডিভাইস ব্যবহার করে নকল করা হয়। অর্থাৎ, নকল এখন আর আগের মত ক্লাসরুমে কম হয়। ম্যাক্সিমাম ক্ষেত্রে মূল খেলা আগেই হয়ে যায়।

অর্থাৎ, এটি আর ২০০১–২০০৬ সালের সমস্যা নয়। আর বর্তমান সমস্যার ডালপালা অনেক দিকে ছড়ায়ে গেছে।

এই সমস্যাগুলো এড্রেস না করে যদি সেই ২৫ বছরের আগের গানই গাইতে থাকেন তাহলে শিক্ষাব্যবস্থার বিদ্যমান সংকট থেকে যাবে।

কারো যদি মিলন সাহেবের সাথে যোগাযোগে থাকে, তাহলে তাকে এই বিষয়গুলো বোঝানোর চেষ্টা করা উচিত। যেন তিনি পুরোনো চিন্তা থেকে বের হয়ে বর্তমান বাস্তবতা অনুযায়ী পরিকল্পনা করেন।

কারণ, বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সেক্টর এই মুহূর্তে শিক্ষা। এই সেক্টরকে সঠিকভাবে গড়ে তোলার উপরই নির্ভর করছে দেশের ভবিষ্যৎ সাফল্য বা ব্যর্থতা।

এখানে যদি কেউ এখনও ২০০১–২০০৬ সালের চিন্তায় আটকে থাকে, তাহলে তা দেশের জন্য কোনোভাবেই ভালো ফল বয়ে আনবে না।
কপি : শাহরিয়ার আহমেদ সাদিব ভাই।
゚viralシ ゚

08/04/2026
28/03/2026

With Rtv । আরটিভি – I just got recognised as one of their top fans! 🎉

16/01/2025

বারান্দায় কাপড় শুকোতে দেয়া আমাদের মা-বোনদের নিত্যদিনের অভ্যাস। বিশেষত শহুরে ফ্ল্যাটে বারান্দা ছাড়া উপায়ও নেই যেন। তবে এ ক্ষেত্রে অনেকেই মস্তবড় ভুলটি করে বসেন। শহরের ঘিঞ্জি এলাকায় তারা বারান্দায় কাপড় শুকোতে দিয়ে রাখেন, এমনকি পরিধেয় বিশেষ পোশাকটিও তারা বারান্দায় উন্মুক্তভাবে রোদে দেন। এতে কিছু সমস্যা হতে পারে।

যেমন আশেপাশের ফ্ল্যাট থেকে এসব কাপড়ের দিকে লোলুপ দৃষ্টি দেয়া হয়। এরপর এটা সীমা ছাড়িয়ে ইভটিজিংয়ে পরিণত হয়। ইভটিজিং না হলেও দুশ্চরিত্র ব্যক্তিরা এসব কাপড় দেখেই অনেক মাপজোখ করে ফেলে। এরপর থেকে অসৎ উদ্দেশ্যে বারবার উঁকিঝুঁকি মারতে থাকে।

এ জন্য উত্তম হলো, বারান্দায় বড় কাপড় দিয়ে পর্দা লাগিয়ে দেয়া। কমপক্ষে গাঢ় কালারের নেট-জাতীয় পর্দা হলেও লাগিয়ে নেয়া যেতে পারে। এরপর বারান্দায় কাপড় শুকানো। অথবা বারান্দায় দুই স্তর করে রশি লাগানো। সামনের দিকে পুরুষদের কাপড় দিয়ে ভেতরের দিকে মহিলাদের কাপড় শুকাতে দেয়া। এতে করে বাইরে থেকে শুধু পুরুষদের কাপড়গুলোই দেখা যাবে।

কাপড় শুকানোর পর রশিতে তা ফেলে না রাখা। অনেকেই একদিন গোসল করে কাপড় শুকাতে দেয়ার পর পরদিন গোসলের সময় রশি থেকে কাপড় আনতে যান। আবার কেউ কেউ ছাদেও সারারাত ধরে কাপড় ফেলে রাখেন। এতেও বদজিনের আছর পড়ার সমূহ আশঙ্কা থাকে।

এ ক্ষেত্রে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কাপড় পরার সময় সব সময় বিসমিল্লাহ বলে পরা। পোশাক-আশাক খোলা ও পরিধানের সময় দুআ পড়া। এবং নিরাপত্তার দুআসমূহের ওপর আমল করা

06/01/2025

অনেকেই মনে করতো তাহসান লেডিস,
এইবার অন্তত:তাদেরতো ভুলতো ভাঙ্গলো!

Want your school to be the top-listed School/college in Barisal?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address

79/1/ka Hoseni Dalan Road
Barisāl
1211

Opening Hours

09:00 - 17:00