Banani Bidyaniketan School And College
Learning Center of Nursary to Twelve class
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ঐতিহ্যবাহী এবং অন্যতম সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বনানী বিদ্যানিকেতন স্কুল এন্ড কলেজে ভর্তি চলছে। ১২ থেকে ৩০ নভেম্বর সরকারি বিধি মোতাবেক আবেদন করতে পারবে আগ্রহী শিক্ষার্থীরা। প্রভাতি শাখায় বাংলা মাধ্যমে (ছাত্রী) প্রাক্–প্রাথমিক/শিশু থেকে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত ছাত্র ও ছাত্রী ভর্তি নেওয়া হবে। চতুর্থ থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত শুধু ছাত্রী ভর্তি নেবে। প্রভাতি শাখায় ইংলিশ ভার্সনেও (ছাত্র-ছাত্রী) ভর্তি নেওয়া হবে। নার্সারি থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা ভর্তি হতে আবেদনের সুযোগ পাবে। দিবা শাখার বাংলা মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি চলছে। চতুর্থ থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত শুধু ছাত্র দিবা শাখায় ভর্তি হতে আবেদনের সুযোগ পাবে। লটারির ফলাফল আগামী ২১ ডিসেম্বর বেলা ১১টায় প্রকাশিত হবে। সব শ্রেণিতে আসন শূন্য থাকা সাপেক্ষে ভর্তি প্রক্রিয়া চলবে। ভর্তির বিস্তারিত তথ্য নিচের লিঙ্কে পাওয়া https://www.bbnsc.edu.bd/
পরিসংখ্যান মতে
প্রাথমিকে ঝরে পড়ে-১৪%
মাধ্যমিকে ঝরে পড়ে- ৩৫%
উচ্চমাধ্যমিকে ঝরে পড়ে- ২২%
মোট-৭১%
অথচ এটাকেই আমরা বলছি মূলধারার শিক্ষা।
এরা প্রধানত তিন ধরনের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে।
১) কম দক্ষতা নিয়ে রেমিটেন্স যোদ্ধা হয়ে দেশের অর্থনীতিকে টিকিয়ে রাখে।
২) গার্মেন্টসে কাজ করে অর্থনীতিকে টিকিয়ে রাখে
৩) বাপ- দাদার কাজ কৃষি কাজ করে অর্থনীতিকে টিকিয়ে রাখে
এই ৭১% লোকদের কষ্টার্জিত অর্থ দিয়ে দেশর সকল কিছু সচল থাকে।
আমরা এই ৭১% মানুষের কোন চাহিদাই মেটাতে পারিনি। বরং এদেরকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে, সাসাজিকভাবে ও পারিবারিকভাবে অথর্ব/অপদার্থ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। অনেকে আবার নিজেকে সামলাতে না পেরে আত্নহননের পথ বেছে নেয়। এর জন্য কী শিক্ষা কারিকুলাম বা অসুস্থ প্রতিযোগীতা কোনোভাবেই দায়িনা। অথচ এদেরকে আমরা যদি আরো ভালোভাবে দক্ষ করে তুলতে পারতাম তাহলে তারা কায়িক পরিশ্রম কম করে আরো ১০ গুন অর্থ উপার্জন করতে পারতো।
বাকি ২৯% উচ্চ শিক্ষার সুযোগ পায় এরপরও ২৮লাখ বেকার হয়ে আছে যার মধ্যে ৮.৫ লক্ষ শুধু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চ শিক্ষা অর্জন করেছে।এরা চাকরির জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরছে। একটা ছোট চাকরির জন্য শত শত উচ্চ শিক্ষিত মানুষ এপ্লিকেশন করছে। কারন সে বিশেষ কোনো যোগ্যতা অর্জন করেনি যে নিজের পায়ে দাড়াবে। ব্যতিক্রম আছে, তারা ঠিকিই নিজের পায়ে দাড়ায় যার জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভুমিকা নেই। ব্যক্তিগতভাবে বিভিন্ন উপায়ে দক্ষতা অর্জন করে। এর কোনোটিই তথাকথিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে পায়না যার কারনে আজ এই অবস্থা। সব শেষে দেখা যাচ্ছে চাকরি পরীক্ষায় সকল প্রার্থী অকৃতকার্য হওয়ায় নিয়োগ স্থগিত করা হচ্ছে। একদিকে যেমন বেকারত্ব বৃদ্ধি পাচ্ছে অন্যদিকে দক্ষ জনশক্তির অভাব দেখা যাচ্ছে।পরিস্থিতি ভয়াবহ। এ ধরনের আশংকা থেকেই নতুন কারিকুলামের উৎপত্তি। এখন দেখা যাচ্ছে অনেক দেরি হয়ে গেছে। তথ্যসূত্র- ইন্টারনেট
প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থায় শুধুমাত্র এক ধরনের শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করে যারা মুখুস্ত করে পরীক্ষায় লিখতে পারে মূলত এ ধরনের ছাত্র স্মার্ট নয় বরং চতুর। সে না বুঝে পড়ে এবং পরীক্ষায় ভাল নম্বর পায় এতে সে বুঝলো বা না বুঝলো তা কোনো ব্যপার না। যদিও চলচিত্রে এটা বুঝানো হয় যে এ ধরনের চতুর লোক জীবনে ব্যর্থ হয় কিন্তু বাস্তবে এরা সকল ক্ষেত্রে সুযোগ সুবিধা বেশি পেয়ে থাকে । এরা উচ্চ শিক্ষায় ভাল ভাল বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পায় কারন সেখানে যে যত বেশি নম্বর নিয়ে আসে সে তত সুবিধা পায়।
শিক্ষকগন একটি ক্লাশে ১০% সেরা শিক্ষার্থীর দিকে মনযোগ দেন আর ৯০% শিক্ষার্থীদেরকে তাদের সাথে তুলনা করে থাকেন। কিছু শিক্ষক ভুলে যান যে প্রতিটি শিশু অনন্য এবং তাদের প্রত্যেকের আলাদা আলাদা দক্ষতা রয়েছে এবং তাদের আঁকড়ে ধরার ক্ষমতাও আলাদা। শিক্ষকগন সাধারনত তাদের কথা শোনেন না। বাবা মাকে তারা কিছু বললে বকা ঝকা করে, তাহলে একজন ছাত্র কার সাথে কথা বলবে ?
শিক্ষার্থীদের ধরন চারটি, একেক ধরনের শিক্ষার্থী একেকভাবে শিখে থাকে। যেমন
Auditory Learners(শ্রবণশক্তির শিক্ষার্থী)
শ্রবণশক্তির শিক্ষার্থীরা শোনা বা কথা বলার সময় সবচেয়ে ভালো শেখে। শব্দ দ্বারা বিষয়বস্তুকে শক্তিশালী করা হলে শ্রবণশক্তির শিক্ষার্থীরা আরও ভালোভাবে শিখতে পারে। এই ছাত্ররা লিখিত নোট পড়ার চেয়ে একটি বকতৃতা শুনতে পছন্দ করে এবং তারা প্রায়ই নতুন ধারণা এবং ধারণাগুলিকে শক্তিশালী করতে তাদের নিজস্ব কণ্ঠ ব্যবহার করে। এই ধরনের শিক্ষার্থীরা নিজেরাই উচ্চস্বরে পড়তে পছন্দ করে। তারা ক্লাসে কথা বলতে ভয় পায় না এবং মৌখিকভাবে জিনিসগুলি ব্যাখ্যা করতে দুর্দান্ত।
Reading/Writing Learners(পড়া/লেখা পছন্দের শিক্ষার্থী)
এই ধরনের শিক্ষার্থীরা তথ্য উপস্থাপন করতে পছন্দ করে। তারা গল্প বা বইয়ের প্রতিবেদনের মতো লিখিত অ্যাসাইনমেন্ট পড়তে এবং ভালভাবে সম্পাদন করতে পছন্দ করে। এই ছাত্রদের শিখতে সাহায্য করার একটি দুর্দান্ত উপায় হল তাদের লিখিত বিবৃতি ব্যবহার করে ডায়াগ্রাম বা চার্ট বর্ণনা করা। তারপরে, তথ্যগুলি আরও ভালভাবে ধরে রাখতে তারা পরে তাদের নোটগুলি অধ্যয়ন করতে পারে।
Visual Learner(চাক্ষুস শিক্ষার্থী):
ভিজ্যুয়াল শিক্ষার্থীরা চার্ট, মানচিত্র, গ্রাফ, ডায়াগ্রাম এবং আরও অনেক কিছু ব্যবহার করে তথ্য নিতে পছন্দ করে। ধারণা এবং ধারণা ব্যাখ্যা করার জন্য ছবি ব্যবহার করা একটি ভিজ্যুয়াল লার্নারের কাছে পৌঁছানোর সর্বোত্তম উপায়। যাইহোক, এই ধরনের শেখার পদ্ধতি ফটোগ্রাফ বা ভিডিও অন্তর্ভুক্ত করে না। পরিবর্তে, লিখিত বা কথ্য শব্দের জায়গায় প্যাটার্ন, আকৃতি এবং অন্যান্য ভিজ্যুয়াল উপকরণ ব্যবহার করে তথ্য উপস্থাপন করা হলে ভিজ্যুয়াল লার্নাররা সবচেয়ে ভালো শিখে।
Kinesthetic Learners(কাইনেস্থেটিক শিক্ষার্থী)
যাদেরকে কখনও কখনও স্পর্শকাতর শিক্ষার্থীও বলা হয়, তারা কিছু অভিজ্ঞতা বা কাজ করার মাধ্যমে শেখে। তারা ইভেন্টগুলি অভিনয় করে বা ধারণাগুলি বোঝার জন্য স্পর্শ এবং পরিচালনা করার জন্য তাদের হাত ব্যবহার করে জড়িত হতে পছন্দ করে। এই ধরণের শিক্ষার্থীরা স্থির হয়ে বসে থাকতে এবং প্রায়শই খেলাধুলায় দক্ষতা অর্জন করতে বা নাচতে পছন্দ করতে পারে। অধ্যয়নের সময় তাদের আরও ঘন ঘন বিরতি নিতে হতে পারে।
প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থায় উপরের ১ বা ২ ধরনের শিক্ষার্থীদের নিয়ে চিন্তা করলেও নতুন কারিকুলাম সকল ধরনের শিক্ষার্থীদের নিয়ে চিন্তা করে তৈরি। এই পদ্ধতিতে প্রতিটি শিক্ষার্থীরই কিছু না কিছু যোগ্যতা অর্জন করবেই। চলবে.......
06/12/2023
স্বল্প ভাড়ায় স্মার্ট বাস সার্ভিস নিতে নিচের ফরমটি পূরণ করে সাবমিট করুন। ফরমটি বাসায় অবস্থান করেই করতে হবে এবং লোকেশন অন করে নিতে হবে।
Account Login - ArcGIS Survey123 Sign in to your ArcGIS Survey123 account. ArcGIS Survey123 is a complete, form-centric solution for creating smart surveys & forms, collecting data via web or mobile devices and analyzing results.
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Banani Model Town
1213
Opening Hours
| Monday | 07:00 - 17:00 |
| Tuesday | 07:00 - 17:00 |
| Wednesday | 07:00 - 17:00 |
| Thursday | 07:00 - 17:00 |
| Sunday | 07:00 - 17:00 |