24/11/2024
Goalmath RL High school
"শিক্ষার জন্য এসো, সেবার জন্য বেরিয়ে পড়ো"
24/11/2024
21/11/2024
শিক্ষা বৃত্তি ২০২৩ আবেদন।
09/11/2024
আজ প্রথম বার #চলোপাল্টাই নিজ উপজেলার বাইরে কাজ করলো।আমরা স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান "ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশ" বাগেরহাট জেলা শাখার সহযোগি সংগঠন হিসেবে "উদ্দিপন বদর শামসু বিদ্যানিকেতন, বৈটপুরে একটি "মঞ্চ নাটক" ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সফল আয়োজন শেষ করেছি।
নাটকের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল -"নাগরিক শিক্ষা ও সুশাসনে তরুণদের ভূমিকা"
অনুষ্ঠানে এস.এন.টি ট্রাস্টের প্রধান সমন্বয়কারী জনাব-সুব্রত কুমার মুখার্জি,অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব-দীপঙ্কর পাল সহ অন্যান্য শিক্ষক,শিক্ষিকা ও এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
গণমানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ আমাদেরকে মুগ্ধ করেছে,আমরা শিক্ষনীয় ও জনসচেতনতামূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সামনে এগিয়ে যেতে চাই।
#চলোপাল্টাই
29/09/2024
বিদেশে পড়তে যাওয়ার ১ বছর আগে থেকেই কি কি করণীয়:
১ :আপনার নাম এবং আপনার পিতামাতার নামের সাথে মিল রেখে সার্টিফিকেটে কোনো ভুল থাকলে তা সংশোধন করবেন, হতে পারে নামের বানানে ভুল বা অন্য কিছু, এ সময়ে একটা জিনিস খেয়াল রাখবেন আপনার পিতামাতার ভোটার আইডিতে যে নাম আছে ঔ নাম ই যেন সার্টিফিকেটে থাকে, মোট কথা আপনার জন্মসনদ, সার্টিফিকেট এবং বাবামার এনআইডিতে যেন সেম নাম থাকে
,
২ পাসপোর্ট তৈরি ঃ পাসপোর্ট তৈরির সময় পূর্বের সার্টিফিটের মতো নাম এবং স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানার দিকে খেয়াল রাখবেন, এমন যেন না হয় জন্মসনদে আছে বর্তমান ঠিকানা বরিশাল কিন্তু পাসপোর্টে কোনোভাবে এসে গেছে নোয়াখালী
,
( ১,২ নং পয়েন্টে কোনোভাবে ভুল হলে এগুলো সংসোধন বিদেশে পরতে যান বা না যান এমনিতেই জরুরি এবং সংসোদন একটু সময় সাপেক্ষ বিষয়)
,
,
৩ SSC, HSC এর নম্বরপএ এবং সার্টিফিকেট বোর্ড থেকে সংগ্রহ করা এবং মাস্টার্সে যেতে চাইলে অনার্সের সার্টিফিকেট বিশব্বিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অফিস থেকে সংগ্রহ করে রাখা
,
৪ সার্টিফিকেট সংগ্রহের পর এগুলো শিক্ষা, এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সত্যায়িত করা
,
৫ IELTS preparation :আইইএলটিএস পরীক্ষার প্রিপারেশন টা একটু আগে থেকেই নেওয়া ভালো, কারন অনেকের কাঙ্খিত স্কোর তুলতে অনেক বেশি সময় লেগে যায় এবং এই সময়ের কারণে, অনেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সেশন মিস করে ফেলে, যার জন্য এডুকেশন গ্যাপ বেড়ে যায় যার জন্য ভিসা পাওয়া কঠিন হয়ে যায়
,
৬ স্কলারশিপ নিয়ে পড়াশোনা করার ইচ্ছা থাকলে আন্ডার-গ্র্যাজুয়েটের স্টুডেন্টদের জন্য SAT/ ACT পরীক্ষা এবং স্নাতকোত্তর ছাত্রীদের জন্য GRE/ GMAT পরীক্ষার প্রস্তুতিতে আগে থেকে নেওয়া ভালো
,
৭ আপনার পরিচিত বা যে সকল শিক্ষকরা আপনাকে ভালো জানে, এই সকল শিক্ষকদের মধ্য থেকে দুইজন টিচারের রেকমেন্ডেশন লেটার সংগ্রহ করে রাখা
,
৮ SOP লেখার প্রিপারেশন ঃ বিদেশে স্টুডেন্ট ভিসা পাওয়ার জন্য SOP লেখা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি প্রিপারেশন অনেক আগে থেকেই নেওয়া ভালো, যে কিভাবে আপনি এটাকে লিখবেন, এর জন্য অভিজ্ঞ ভাইদের সহযোগিতা নেওয়া বা বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপ বা অন্য কোথা থেকে সহযোগিতা নেওয়া এবং নিজের মতো করে এটাকে প্রস্তুতি নেওয়া যাতে SOP ভাষাটা নিজের মতো করে হয়
,
৯ ব্যাকগ্রাউন্ড এর সাথে মিল রেখে আপনি যে দেশে পড়তে যেতে চাচ্ছেন ওই দেশের মিনিমাম পাঁচটা বিশ্ববিদ্যালয় খুঁজে বের করে রাখা এবং যে সাবজেক্টে পড়তে যেতে চাচ্ছেন ওই সাবজেক্টটা যেন আপনার পূর্বের পড়া সাবজেক্ট এর সাথে মিল খায়,ধরেন ধরেন আপনি সায়েন্স থেকে এইচএসসি পাশ করছেন সুতরাং আপনাকে এমন কোন সাবজেক্টই পরবর্তীতে চয়েজ করতে হবে যেটা সায়েন্স ব্যাকগ্রাউন্ড এর সাথে মিল খায় বা ব্যবসা শিক্ষা বিষয় থেকে আগে পড়াশোনা করে থাকলে এমন সাবজেক্ট পছন্দ করতে হবে যেটা যেন ব্যাবসা শিক্ষার সাথে মিল থাকে
,
১০ আপনার বাজেট, আপনার পছন্দের শহর সহ সব কিছু বিষয় মাথায় রেখে মিনিমাম পাঁচটা বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজ আগে থেকে পছন্দ করে রাখা
,
১১ আপনি যে সকল বিশ্ববিদ্যালয় পছন্দ করবেন সে সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের আবেদনের ডেডলাইনের দিকে খেয়াল রাখা এবং সে অনুযায়ী আগে থেকেই আবেদন করা
,
১২ ভলেন্টিয়ার সংগঠনে যুক্ত ঃআপনি যদি খুব সহজেই বিশ্ববিদ্যালয়ের আবেদন করে সিলেক্ট হতে চান বা স্কলারশীপ পেতে চান এবং সহজেই ভিসা পেতে চান তাহলে কিছু ভলেন্টিয়ার সংগঠনের সাথে যুক্ত থাকা এবং তার যথেষ্ট প্রমাণ সংগ্রহ করে রাখা
,
১৩ বিদেশে গেলে বেশিরভাগ সময় আপনাকে নিজেকে নিজের রান্না করে খেতে হবে সুতরাং আগে থেকেই দেশ থেকে রান্না শিখে যাওয়া টা ভালো
,
১৪ যদি সম্ভব হয় ড্রাইভিং শেখা তাহলে শিখে ফেলুন, ড্রাইভিং লাইসেন্স তৈরি করে রাখুন এবং যদি আরও সম্ভব হয় তাহলে ইন্টারন্যাশনাল ড্রাইভিং লাইসেন্স তৈরি করে রাখতে পারেন
,
১৫ যদি সম্ভব হয় তাহলে কম্পিউটারে নিজের স্কিল দেশ থেকে আপগ্রেড করে যান যেমন microsoft-office, মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্টের কাজ শেখা এবং সার্টিফিকেট সংগ্রহ করে রাখতে পারেন এটা বিদেশে আপনাকে অনেক সাপোর্ট দিবে
,
আমার কাছে এই ১৫ টা পয়েন্ট খুবই গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়ছিল, আশা করি অনেকের কাজে আসবে ।
08/09/2024
#চলোপাল্টাই এর উদ্যোগে গোয়ালমাঠ রসিকলাল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণীর সকল শিক্ষার্থী ও বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে লাগানোর জন্য গাছের চারা বিতরণ কার্যক্রম।
গাছ বাঁচলে মানুষ বাঁচবে 🌿
চলো পাল্টাই 🥰
14/12/2023
- ঠক, ঠক
- কে?
- স্যার একটু বাহিরে আসুন, কথা আছে!
শিক্ষাবিদঃ ৯৯১
সাংবাদিকঃ ১৩
চিকিৎসকঃ ৪৯
আইনজীবীঃ ৪২
অন্যান্যঃ ১৬
একটি জাতির শত বছর পিছিয়ে পড়ার ছোট একটি গল্প।
১৪ ই ডিসেম্বর, ১৯৭১
শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি জানাই আমাদের শ্রদ্ধা।।।
20/03/2023
পিরোজপুরের সড়ক দুর্ঘটনায় কচুয়া উপজেলার গোয়ালমাঠ রসিকলাল বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সহ অন্যান্য নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। আল্লাহ তাদের পরিবারকে শোক সহ্য করার ক্ষমতা দান করুন। আমিন।
17/01/2022
, #ছবি_প্রতিকৃতি_হয়ে_ওঠার_রসায়ন☺️
"অমর আত্মার আবেদন" কবিতা টি লেখা শেষে ছবিটা অংকন করার জন্য হাত বাড়াই। ছেলেবেলা থেকেই ছবি আঁকার সখ ছিল বলেই আবেদনের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করতেই সৃষ্টিকর্তার নাম নিয়ে শুরু করলাম। কিন্তু তাঁর মত বিরাট ব্যক্তিত্বের ছবি আঁকা আমার মত ক্ষুদে সখের শিল্পীর পক্ষে কত যে কঠিন তা বলার অপেক্ষা রাখেনা৷ সাধারণ মানুষের বা কোনো কাল্পনিক মানুষের ছবি আঁকা অতটা কঠিন নয়। যেহেতু মুখাকৃতি ,নাক ,চোখ ইত্যাদি অনুরুপ হলেই তার ছবি সঠিক হয়েছে বলে স্বীকৃত হয়। কিন্তু তাঁর মত বড়মাপের মানুষের ছবির বেলায় সামনে এসে যায় ব্যক্তিত্বের প্রশ্নটি। অবয়বের সবকিছু অনুরুপ হলেও ব্যক্তিত্বটা ছবিতে বাঁধা না পড়লে তা ছবি হতে পারে, শিল্পকর্ম হতে পারে কিন্তু তা প্রতিকৃতি হতে পারে না।
তাকে চোখে দেখিনি, শুধু স্বপ্নে দেখেছি, তাতো কাল্পনিক প্রতিকৃতি। বাস্তবে তারপরে ভর করে ছবি করা চলেনা । ধ্বংস প্রায় ছবিটার মুখের অধিকাংশ পোঁকায় খাওয়া, বাকী বাম পাশের অংশটা মোটামুটি বোঝা যায়। তার পরেও সাহসে বুক বেঁধে কাজ শুরু করলাম। দু'দিনের বিরতিহীন চেষ্টার ফলে ছবিটা শেষ হল। রং - তুলির আঁচড়ে মূর্তমান হয়ে উঠলো ছবি। শিল্পীর স্বভাবসুলভ মনোভাব নিয়ে কয়েক গজ দূরে গিয়ে ছবির দিকে ফিরে তাকাতেই আনন্দে চোখ দুটো অশ্রুসজল হয়ে উঠলো। চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছি, আমার স্বপ্নে পাওয়া মহাপুরুষ কে।সেই গাম্ভীর্য্য নিয়েই স্থির দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকিয়ে। ভালো যে কি লাগছিলো,তা বোঝাতে পারবো না। আনন্দে কয়েক ফোঁটা চোখের জল গড়িয়ে পরলো মেঝেতে। সাফল্যের আনন্দে কানায় কানায় ভরে উঠলো আমার হৃদয়। মূহুর্তের মধ্যে উবে গেল কঠিন শ্রমক্লান্তি।তবু মনের মাঝে কোথায় যেনো একটু ছায়া রয়েই গেল। এটা কি শুধু ছবি নাকি প্রতিকৃতিও হয়েছে !!! এ প্রশ্নের জবাব কে দেবে? দিতে পারে এমন ব্যক্তি খুঁজে পাওয়া কঠিন। আমার আব্বা স্যারের(বাবু রসিকলাল চক্রবর্তী) সরাসরি ছাত্র ছিলেন। কিন্তু তিনিও বেঁচে নেই, তাই আমার স্বপ্ন পূরণের আশা প্রায় ছেড়েই দিয়েছিলাম। এমন সময় আল্লাহ এর আশীর্বাদের মত একটা সুযোগ এসে গেল। একদিন বিকেল বেলা খেলার মাঠে যাওয়ার আগে চা- এর জন্য সুধীর দা'র রেস্টুরেন্টে ঢুকে দেখি একজন অশীতিপর বৃদ্ধ, মাথায় টুপি, সাদা চুলদাড়ি। আমার অচেনা-অনাত্মিয় হলেও শুধু মাত্র বয়সের কারণে আমি ছালাম করে পাশ কাটিয়ে যাচ্ছিলাম। উনি আমাকে কাছে ডেকে নাম, বাবার নাম জানতে চাইলেন। আব্বার নাম শুনেই উঠে সজোরে আমাকে জড়িয়ে ধরে আনন্দে প্রায় কেঁদে ফেললেন। বল্লেন, " তুমি আমার বন্ধু নওয়াবজান সরদারের ছেলে !! আমি আঃ আজিজ খান। তোমার বাবা আর আমি এই স্কুলে একসাথে পড়াশোনা করেছি। আর আজ তুমি সেই স্কুলেরই শিক্ষক।"
এটা শোনার সাথে সাথে আমি যেন আনন্দে আত্মহারা, আমার স্বপ্ন বুঝি এবার সফল হয়। আমি ওনাকে কিছু বলতে যাবো কিন্তু ওনার বলা তখনো একটুও থামেনি। উনি চোখ বন্ধ করে বলে চলেছেন,"তখন প্রধান শিক্ষক ছিলেন রায় সাহেব রসিক লাল চক্রবর্তী। আজও স্পষ্ট মনে আছে তাঁর চেহারা, তার সেই রাশভারি ব্যক্তিত্ব, সাক্ষাৎ দেবতা !!" বলে ঠিক সনাতন ধর্মাবলম্বিদের মত হাত জোড় করে কপালে ঠেকে স্যারের উদ্দেশ্যে প্রণাম করলেন। আমি চোখ মুছলাম, উনিও চোখের জল মুছে বললেন, আমার বাড়ি চিংড়িখালি হলেও এই স্কুলে পড়ার সুবাদে তোমার বাবার সাথে ছিল আমার দারুন ভাব ছিল। অনেকবার গিয়েছি-খেয়েছি তোমাদের বাড়িতে। তোমার দাদু আ্ঃ গফুর সরদার ছিলেন দারুণ প্রভাবশালী ব্যক্তি। স্থানীয় জমিদারও ওনাকে দারুন সমীহ করে চলতেন"৷ তার শেষের দিকের কথা গুলোর দিকে আমার এতটুকুও মনোযোগ ছিল না। ওনাকে একটু থামতে দেখেই বলে ফেললাম, " আপনি একটু কষ্ট করে যাবেন আপনার বিদ্যালয়ে? লাইব্রেরীর চাবি আমার কাছে আছে।" " অবশ্যই, অবশ্যই যাবো, চলো চলো ।" বলেই যেন আমার আগেই চলতে শুরু করলেন। আমি বললাম, " আপনি আস্তে আস্তে আসুন কাকা, আমি লাইব্রেরীটা খুলে আপনাকে সব দেখানোর ব্যবস্থা করি।" বলে দ্রুত পা বাড়ালাম। মনে মনে ভাবছি ছবিটা দেখে না জানি উনি কি মন্তব্য করেন। দুরু দুরু বক্ষে এগিয়ে তড়িঘড়ি করে লাইব্রেরীর ভেতরের সবকটা আলো জ্বেলে প্রবেশ পথের ঠিক মুখোমুখি আলমারির উপরে ছবিটা রেখে দেই যাতে করে ঢুকতেই চোখে পড়ে,পেছন ফিরতেই দেখি উনি বারান্দায় উঠে এসেছেন। "
" আসুন কাকা আসুন " বলেই হাত ধরে ভেতরে আনার চেষ্টা করতে উনি বিস্ময়কর একটা কান্ড করে ফেললেন।ছবিটার দিকে চোখ পড়তেই আমার হাত খানা জোর করে ছাড়িয়ে নিয়ে হঠাৎ করে নিষ্ঠাবান ব্রাহ্মণ এর মত হাত জোড় করে মেঝেতে যসরাসরি উপুড় হয়ে প্রণাম করলেন।এভাবে কিছুক্ষণ রইলেন। এবার আমার মনের অবস্থা কাউকে আর বোঝানোর প্রয়োজন হবে না বোধকরি।
বুঝলাম আমি স্বার্থক শিল্পী, বুঝলাম এই মহা পুরুষের মহান ব্যক্তিত্ব তুলির আঁচড়ে ফুটিয়ে তুলতে পেরেছি। মনে মনে শতবার বললাম " আলহামদুলিল্লাহ " "Thanks God"। যে সময়ে ঘটনা তখন আগের দিনের মানুষ হিন্দু - মুসলিম নির্বিশেষে একে অন্যের সাথে দেখা হলে "নমস্কার" বলে ভাব বিনিময় করতো।, প্রণাম ও করতো তাতে কেউ কিছু মনে নিতো না। উনি প্রণাম ছেড়ে উঠে দাড়িয়ে বললেন " বহুদিন পরে আমার প্রথম জীবনের শিক্ষা গুরুকে যেন জীবন্ত দেখলাম। সেই চাহুনি, সেই গাম্ভীর্য্য,সেই রাস ভারী ব্যক্তিত্ব যেন স-শরীরে আমার সামনে । একেবারে আমার জীবন্ত স্যারকে দেখলাম। " আমার আনন্দ আরও বেড়ে গেল। তার পায়ে হাত ঠুকে ছালাম করে বললাম" কাকা, এই ছবিটা কিন্তু আমার হাতে আঁকা"
"তাই !! "
"জী ।"
উনি আমাকে আরও একবার বুকে জড়িয়ে ধরলেন।
*** লেখাটি প্রিয় সুধা স্যার এর ফেসবুক ওয়াল থেকে সংগ্রহীত ***।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Telephone
Website
Address
Bagerhat
9311