Nashukhali Social Welfare High School, Mollahat, Bagerhat.

Nashukhali Social Welfare High School, Mollahat, Bagerhat. Nashukhali Social Welfare High School aims to be an institution of excellence, dedicated to producing leaders of the future. EIIN:114962

Nashukhali Social Welfare has a well recognization for its schooling and cultural activity.

মেরুদণ্ডের ইতিকথা ব্রিটিশ শাসনের সময় এই সাব কন্টিনেন্টে, এক ব্রিটিশ অফিসার, কোনো এক বাদানুবাদের মুহূর্তে এক ভারতীয় যুব...
17/11/2025

মেরুদণ্ডের ইতিকথা

ব্রিটিশ শাসনের সময় এই সাব কন্টিনেন্টে, এক ব্রিটিশ অফিসার, কোনো এক বাদানুবাদের মুহূর্তে এক ভারতীয় যুবকের মুখে চড় মারে। সাথে সাথে যুবকটিও তাঁর সমস্ত শক্তিতে বৃটিশ অফিসারকে এতো জোরে চড় মারে, যে ঐ অফিসার মাটিতে লুটিয়ে পড়ে।

এই অপমানে হতবাক হয়ে যাওয়া অফিসার ভাবলেন সামান্য এক ভারতীয় যুবক কীভাবে এমন এক সাম্রাজ্যের সেনা অফিসারকে চড় মারল যে সাম্রাজ্যের সূর্য কখনো অস্ত যায় না।

তিনি দ্রুত তার পোস্টে গিয়ে ওই ভারতীয়কে কঠোর শাস্তি দেওয়ার জন্য দাবী করলেন।
কিন্তু উচ্চপদস্থ কমান্ডার তাকে শান্ত করে বললেন ভারতীয় লোকটিকে শাস্তি না দিয়ে বরং তাকে পুরষ্কৃত করতে। আর পুরষ্কার হিসাবে তাকে দশ হাজার রুপি উপহার দিতে।

অফিসার ঘৃণায় চিৎকার করে বললেন এটা শুধু আমার, আপনার অপমান না। বরং এটা বৃটিশ মহারাণীরও অপমান। আর আপনি বলছেন তাকে শাস্তি না দিয়ে আরো পুরষ্কৃত করতে।

কমাণ্ডার এবার বললেন- এটা একটি সামরিক আদেশ আর তুমি দেরি না করে এ আদেশ পালন করবে।
জুনিয়র অফিসার তার কমান্ডারের আদেশ মেনে দশ হাজার রুপি সাথে নিয়ে ওই ভারতীয়ের কাছে গিয়ে বললেন- অনুগ্রহ করে আমাকে ক্ষমা করে দিন। আর এই দশ হাজার রুপি উপহার হিসাবে গ্রহণ করুন।
ভারতীয় যুবক উপহার গ্রহণ করলেন এবং ভুলে গেলেন যে তাকে তার দেশের মাটিতে এক ঔপনিবেশ সেনা অফিসার দ্বারা থাপ্পড় মারা হয়েছে।

সেই সময়ে দশ হাজার রুপি অনেক বড় অর্থ। ঐ অর্থ যথাযথভাবে কাজে লাগিয়ে কয়েক বছরের মধ্যে জীবনের মান উন্নত করে বিত্তশালী হয়ে ওঠেন। আগে ছিলেন একজন সাধারণ যুবক। এখন সমাজে বেশ প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তি।
অনেক বছর পর সেই ইংরেজ কমান্ডার তার জুনিয়র অফিসারকে ডেকে নিয়ে গিয়ে বললেন- তুমি কি সেই ভারতীয়কে মনে রেখেছো- যে তোমাকে চড় মেরেছিলো?

অফিসার বলল: সেই অপমান আমি ভুলি কেমন করে?

কমান্ডার বললেন: এখন সময় এসেছে। তুমি তাকে খুঁজে বের করো এবং জনসম্মুখে তাকে সজোরে চড় মেরে এসো।
অফিসার বলল: সেটা কিভাবে সম্ভব। যে গরীব থাকা অবস্থায় আঘাতের পাল্টা জবাব দিয়েছিলো। আর এখন তো সে বিত্তবান, সেতো আমাকে মেরেই ফেলবে।

কমান্ডার বললেন: আমি যা বলছি তাই করো। এটা তোমার প্রতি আদেশ! জুনিয়র অফিসারকে আদেশ মানতে হয়, তিনি সেই ভারতীর কাছে গেলেন এবং খুর জোরে তাকে থাপ্পড় মারলেন।
কিন্তু এবার ঘটলো সম্পূর্ণ উল্টো ঘটনা।

ভারতীয় যুবকের কোনো প্রতিক্রিয়া দেখা গেল না। এমনকি সাহস করে অফিসারের দিকে তাকাতে পর্যন্ত পারলো না। অফিসার অবাক হয়ে ফিরে এসে তার কমান্ডারের কাছে গেলো। কমান্ডার বললেন: আমি তোমার মুখে বিস্ময়ের ছাপ দেখছি, তুমি এতো বিস্মিত কেন?

অফিসার বলল, যখন সে দরিদ্র ছিলো তখন সে পাল্টা আঘাত করেছিলো। কিন্তু আজ যখন সে বিত্তশালী হয়েছে তখন সে চোখ তুলে তাকাতে পর্যন্ত পারলো না। এটা কেমন করে সম্ভব!

ইংরেজ কমান্ডার ধীরভাবে বললেন: প্রথমবার তার কাছে তার সম্মান ছাড়া আর কিছু ছিল না। সে সেটাকেই সবচেয়ে মূল্যবান মনে করেছিল এবং তা রক্ষার করার জন্য সে মৃত্যু ঝুকি নিয়েও লড়েছিলো। আর এখন সে আর সেটা রক্ষার চেষ্টা করে নি। কারণ তার কাছে এখন তার সম্মানের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়েছে বিত্ত। যেদিন সে দশ হাজার রুপি উপহার হিসাবে গ্রহণ করেছে সেদিনই সে তার মর্যাদা, আত্ম সম্মানবোধ রুপির কাছে বিক্রি করে দিয়েছে।

আর বিত্তের কাছে মানুষের আত্ম সম্মানবোধ যখন বিক্রি হয়ে যায় তখন যে কোন মানুষের মেরুদণ্ডও বাঁকা হয়ে যায়।

আসুন আত্মসম্মানবোধ বজায় রাখি।
দেশের বাইরে গিয়ে নিরাপদে আছি ভেবে, পদ-অর্থ, উপহার/সুবিধা কিংবা কোনো কিছুর লোভে নিজেকে অন্য দেশ - অন্যায় প্রক্রিয়া - অন্যায্য দাবির কাছে
বিক্রি না করে নিজের মেরুদণ্ড সোজাসুজি শক্তভাবে দৃঢ় রাখি!
(সংগৃহীত)

Football Match at Nashukhali School Football Ground
05/10/2025

Football Match at Nashukhali School Football Ground

04/10/2025
রাজা তার আবহাওয়া বিভাগের প্রধানকে ডেকে জিজ্ঞাস করলেন-: আমি মৎস শিকারে যেতে চাই , আজকের আবহাওয়া কেমন থাকবে বলে জানা গেছ...
23/06/2024

রাজা তার আবহাওয়া বিভাগের প্রধানকে ডেকে জিজ্ঞাস করলেন-
: আমি মৎস শিকারে যেতে চাই , আজকের আবহাওয়া কেমন থাকবে বলে জানা গেছে ?
সে বলল -
: আজকে অতীব সুন্দর, রৌদ্রোজ্জ্বল এবং চমৎকার আবহাওয়া থাকবে জাহাপনা ! আপনি নিঃশংক চিত্তে যেতে পারেন ।
রাজা বের হলেন । রাজা যখন সাগর পাড়ে গেলেন , সাগর পাড়ে এক জেলে ছাগল চড়াচ্ছিলো , সে বললো-
: মহারাজ আজকে কেন আপনি সাগরে যাচ্ছেন ? একটু পরেই তাে ঝুম বৃষ্টি হবে !
রাজা রেগে বললেন -
: বেটা জেলের বাচ্চা ! তুই কি জানিস আবহাওয়ার খবর ? আর আমাকে কি মূর্খ পেয়েছিস! আমি খবর জেনে তবেই এসেছি ।
রাজা সাগরে গেলেন , কিছুক্ষণ পর শুরু হলাে ঝুম বৃষ্টি ! রাজা প্রাসাদে ফিরে এসে আবহাওয়া বিভাগের প্রধানকে বরখাস্ত করলেন, তারপর ঐ জেলেকে ধরে এনে আবহাওয়া বিভাগের প্রধান বানিয়ে দিলেন ! জেলে তো পড়লাে মহা বিপদে! সে তাে আবহাওয়ার কিছুই জানে না! রাজ দরবারে গিয়ে জেলে কেঁদে বলল-
: মহারাজ আমাকে যেতে দিন! আমি আসলে আবহাওয়ার কিছুই জানি না।
রাজা বলল -
: তাহলে ঐ দিন আমার আবহাওয়া বিভাগের চেয়েও সঠিক খবর তুই কি করে দিলি !
জেলে উত্তর দিল ,
: মহারাজ সেখানে আমার কোন কৃতিত্ব ছিল না ! সব কৃতিত্ব আমার ছাগলের ! বৃষ্টি আসার আধাঘন্টা আগে থেকে ছাগলটা ঘনঘন মুতে ! এর থেকে আমি বুঝতে পারি একটু পর বৃষ্টি হবে !
তারপর রাজা জেলেকে ছেড়ে দিয়ে তার ছাগলটাকে ধরে এনে আবহাওয়া বিভাগের প্রধান বানিয়ে দিলেন !
"সেই থেকেই বড় বড় পদগুলােতে ছাগল নিয়ােগ দেওয়ার রীতি চালু হয়।

একদিন সক্রেটিস আগোরার রাস্তার পাশে তাঁর ছাত্রদের দর্শন নিয়ে আলাপ করছিলেন। কঠিন সব জ্ঞানের আলাপ হচ্ছে। হঠাৎ রাস্তায় ভুস ক...
23/06/2024

একদিন সক্রেটিস আগোরার রাস্তার পাশে তাঁর ছাত্রদের দর্শন নিয়ে আলাপ করছিলেন।
কঠিন সব জ্ঞানের আলাপ হচ্ছে। হঠাৎ রাস্তায় ভুস করে বের হলো ঝাকানাকা সুন্দরী একটি মেয়ে।
ঐ সময়ে এথেন্সের রাস্তায় কোন মেয়ে আসতে পারত না। মেয়েদের ঘরের বাইরে বেরোনো ছিল কড়া নিষেধ। কিন্তু এই মেয়েটি ছিল নিষিদ্ধ পল্লীর। সেজন্য সে বাইরে আসতে পেরেছে। মেয়েটিকে দেখে সক্রেটিসের ছাত্রদের তো মাথা নষ্ট। ঘাড় ঘুরিয়ে চোখ বাঁকিয়ে হাঁ করে রইলো সবাই। পড়ে না চোখের পলক অবস্থা। তখন সকলের জ্ঞান হারানো অবস্থা। এই ছেলেরা সারা মাসে একটাও মেয়ে দেখতে পায় না। হঠাৎ অপ্সরা টাইপের কাউকে দেখে - সবগুলা একসাথে ক্রাশ।
ছেলেদের অবস্থা দেখে মেয়েটির তো বাক বাকুম অবস্থা। মেয়েটি সক্রেটিসকে চিনে।
সক্রেটিসকে ছোট্ট একটু পিন দিয়ে মেয়েটি বললো, " দেখো, সক্রেটিস, তুমি তো বিরাট জ্ঞানী। কিন্তু তোমার থেকে আমার শক্তি অনেক বেশী। আমি চাইলে এক্ষুণি তোমার সব ছাত্রকে আঙ্গুলের ইশারায় যেখানে খুশি নিয়ে যেতে পারি। কিন্তু তুমি চাইলেও আমার কোন অনুরাগীকে নিয়ে আসতে পারবে না। "
সক্রেটিস বললেন, " কথা সত্য। এটার কারণ হচ্ছে - তুমি ওদেরকে নিয়ে যাবে নিচের দিকে, আর আমি নিয়ে যাচ্ছি উপরের দিকে। নিচে নামা খুবই সোজা, কিন্তু উপরে ওঠার পথ সব সময়ই কঠিন। ভীষণ কঠিন।"

-সংগৃহীত

একজন প্রবীণ মহিলা বাসে উঠে বসল। পরের স্টপে একজন শক্ত সমর্থ যুবতী উঠে এসে বৃদ্ধা মহিলার পাশে বেশকিছু ব্যাগ নিয়ে ঠেলে ঠুল...
23/06/2024

একজন প্রবীণ মহিলা বাসে উঠে বসল। পরের স্টপে একজন শক্ত সমর্থ যুবতী উঠে এসে বৃদ্ধা মহিলার পাশে বেশকিছু ব্যাগ নিয়ে ঠেলে ঠুলে বসে পড়ল।
যুবতীটি যখন দেখল যে বয়স্কা মহিলা চুপ করে রয়েছেন, তখন সে বৃদ্ধা মহিলাকে জিজ্ঞাসা করল যে সে যখন ব্যাগ নিয়ে চেপে চুপে বসলো, তখন তিনি কেন অভিযোগ করলেন না!
প্রবীণ মহিলা হাসি দিয়ে জবাব দিলেন: '' এত তুচ্ছ কিছু নিয়ে আলোচনা করার দরকার নেই, কারণ তোমাকে পাশে নিয়ে আমার ভ্রমণটি খুব ছোট কারণ আমি পরের স্টপে নেমে যাচ্ছি। "
এই উত্তরটি সোনার অক্ষরে লেখার দাবিদার: "এত তুচ্ছ কিছু নিয়ে আলোচনা করার দরকার নেই, কারণ আমাদের একসাথে যাত্রা খুবই ছোট"।
আমাদের প্রত্যেককে বুঝতে হবে যে, এই পৃথিবীতে আমাদের সময়টি এতটাই স্বল্প যে রেশারেশি, অনর্থক যুক্তি, তর্ক, হিংসা, অন্যকে ক্ষমা না করা, অসন্তুষ্টি এবং অন্যকে প্রতিদ্বন্দ্বী ভাবা মনোভাবটা দ্রুত শেষ হয়ে যাওয়া 'সময় এবং শক্তির' একটি হাস্যকর অপচয়।
কেউ কি আপনার হৃদয় ভেঙেছে?
শান্ত থাকুন,
ট্রিপটি খুব ছোট।
কেউ আপনার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে, ভয় দেখিয়েছে, ঠকিয়েছে বা অপমান করেছে?
"আরাম করুন। ক্ষমা করে দিন। কারণ ট্রিপটি খুব ছোট"।
কেউ আপনাকে বিনা কারণে অপমান করেছে?
"শান্ত থাকুন, এড়িয়ে যান কারণ ট্রিপটি খুব ছোট"।
কোন সাক্ষাতে আপনার বন্ধু আপনি যা পছন্দ করেন না এমন কোন মন্তব্য করেছিলেন?
"শান্ত থাকুন, তাকে উপেক্ষা করুন, ক্ষমা করে দিন, কারণ ট্রিপটি খুব ছোট"।
কেউ আপনার জন্য যে সমস্যাই নিয়ে আসুক না কেন, মনে রাখবেন যে একসাথে আমাদের যাত্রা খুব ছোট।
এই ভ্রমণের দৈর্ঘ্য কেউ জানে না। এটি কখন থামবে তা কেউ জানে না। আমাদের একসাথে ভ্রমণ খুব ছোট।
আসুন কাউকে প্রতিদ্বন্দ্বী না ভেবে সহযাত্রী ভেবে একে অন্যকে সহযোগিতা করি, কারণ ট্রিপ টি খুবই ছোট্ট কিন্তু কাজ অনেক।
এই অল্প সময়ে অনর্থক সময় নষ্ট না করে সততার সাথে নিজেকে সফল করতে চেষ্টা করি।
সবার জন্য অবিরাম ভালোবাসা।
#সংগৃহীত

প্রাচীন যুগে চীনারা যখন শান্তিতে বসবাস করার সিদ্ধান্ত নিল তখন তারা গ্রেট ওয়াল নির্মাণ করলো। চীনারা ভেবেছিল এটার উচ্চতার...
06/09/2022

প্রাচীন যুগে চীনারা যখন শান্তিতে বসবাস করার সিদ্ধান্ত নিল তখন তারা গ্রেট ওয়াল নির্মাণ করলো। চীনারা ভেবেছিল এটার উচ্চতার জন্য কেউ টপকে তাদের আক্রমণ করতে পারবে না।
গ্রেট ওয়াল নির্মাণের প্রথম একশো বছরের মধ্যেই চীনারা তিন বার আক্রান্ত হয়। আশ্চর্যের বিষয় কোনোবারই আক্রমণকারীদের দেওয়াল টপকানোর বা ভাঙার প্রয়োজন হয় নাই। কারণ প্রত্যেকবারই আক্রমণকারীরা দেওয়াল পাহারারত রক্ষীদের উৎকোচ দিয়ে সামনের গেট দিয়ে ঢুকে গেছে। চীনারা অনেক পরিশ্রম করে মজবুত দেওয়াল তৈরি করেছিল। কিন্তু তারা দেওয়াল পাহারা দেওয়া রক্ষীদের চরিত্র মজবুত করার জন্য কোন পরিশ্রমই করেনি।
তাহলে দেখা যাচ্ছে দেওয়াল মজবুত করার থেকে চরিত্র মজবুত করার প্রশ্নটিই আগে আসে। শুধু দেওয়াল মজবুত করার ফলাফল শূন্য।
তাই অনেক আগেই একজন প্রাচ‍্যদেশীয় দার্শনিক বলে গেছেন তুমি যদি কোন সভ্যতা ধ্বংস করতে চাও তাহলে তিনটি কাজ কর-
(ক) যে জাতিকে পদানত করতে চাও তার পারিবারিক গঠন আগে ধ্বংস করো। পারিবারিক গঠন ধ্বংস করতে হলে সংসারে মায়ের ভূমিকাকে খাটো করে দেখাও যাতে সে গৃহবধূ পরিচয় দিতে লজ্জাবোধ করে।
(খ) শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করে দাও। এটা করতে হলে শিক্ষককে প্রাধান্য দিও না। সমাজে তার অবস্থান নিচু করে দেখাও যাতে তার ছাত্ররাই তাকে উপহাস করে।
(গ) তরুণ সমাজ যেন অনুসরণ করার মত কোন রোল মডেল না পায়। তাই তাদের জ্ঞানীদের নানাভাবে অপমান কর। রোল মডেলদের নামে অসংখ্য মিথ্যা কুৎসা রটাও যাতে তরুণ সমাজ তাদের অনুসরণ করতে দ্বিধাবোধ করে।
(Collected)

Address

Vill: Nashukhali P. O: Gaola Bazar P. S: Mollahat Dist: Bagerhat
Bagerhat
9380

Opening Hours

Monday 10:00 - 16:00
Tuesday 10:00 - 16:00
Wednesday 10:00 - 16:00
Thursday 10:00 - 16:00
Saturday 10:00 - 16:00
Sunday 10:00 - 16:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nashukhali Social Welfare High School, Mollahat, Bagerhat. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category