01/03/2022
কুসুম্বা মসজিদে এক ওয়াক্ত
Welcome to my page.
01/03/2022
কুসুম্বা মসজিদে এক ওয়াক্ত
08/02/2022
পাহাড়পুরে আমরা দুইজন কিছুক্ষণ
#গণিতের_সূত্রের_নাড়ি_নক্ষত্র
•••বীজগাণিতিক রাশি
1. (a+b)²= a²+2ab+b²
2. (a+b)²= (a-b)²+4ab
3. (a-b)²= a²-2ab+b²
4. (a-b)²= (a+b)²-4ab
5. a² + b²= (a+b)²-2ab.
6. a² + b²= (a-b)²+2ab.
7. a²-b²= (a +b)(a -b)
8. 2(a²+b²)= (a+b)²+(a-b)²
9. 4ab = (a+b)²-(a-b)²
10. ab = {(a+b)/2}²-{(a-b)/2}²
11. (a+b+c)² = a²+b²+c²+2(ab+bc+ca)
12. (a+b)³ = a³+3a²b+3ab²+b³
13. (a+b)³ = a³+b³+3ab(a+b)
14. (a-b)³= a³-3a²b+3ab²-b³
15. (a-b)³= a³-b³-3ab(a-b)
16. a³+b³= (a+b) (a²-ab+b²)
17. a³+b³= (a+b)³-3ab(a+b)
18. a³-b³ = (a-b) (a²+ab+b²)
19. a³-b³ = (a-b)³+3ab(a-b)
20. (a² + b² + c²) = (a + b + c)² – 2(ab + bc + ca)
21. 2 (ab + bc + ca) = (a + b + c)² – (a² + b² + c²)
22. (a + b + c)³ = a³ + b³ + c³ + 3 (a + b) (b + c) (c + a)
23. a³ + b³ + c³ – 3abc =(a+b+c)(a² + b²+ c²–ab–bc– ca)
24. a3 + b3 + c3 – 3abc =½ (a+b+c) { (a–b)²+(b–c)²+(c–a)²}
25. (x + a) (x + b) = x² + (a + b) x + ab
26. (x + a) (x – b) = x² + (a – b) x – ab
27. (x – a) (x + b) = x² + (b – a) x – ab
28. (x – a) (x – b) = x² – (a + b) x + ab
29. (x+p) (x+q) (x+r) = x³ + (p+q+r) x² + (pq+qr+rp) x +pqr
30. bc (b-c) + ca (c- a) + ab (a - b) = - (b - c) (c- a) (a - b)
31. a² (b- c) + b² (c- a) + c² (a - b) = -(b-c) (c-a) (a - b)
32. a (b² - c²) + b (c² - a²) + c (a² - b²) = (b - c) (c- a) (a - b)
33.a³ (b - c) + b³ (c-a) +c³ (a -b) =- (b-c) (c-a) (a - b)(a + b + c)
34. b²-c² (b²-c²) + c²a²(c²-a²)+a²b²(a²-b²)=-(b-c) (c-a) (a-b) (b+c) (c+a) (a+b)
35. (ab + bc+ca) (a+b+c) - abc = (a + b)(b + c) (c+a)
36. (b + c)(c + a)(a + b) + abc = (a + b +c) (ab + bc + ca)
•••আয়তক্ষেত্র
1. আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = (দৈর্ঘ্য × প্রস্থ) বর্গ একক
2. আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা = 2 (দৈর্ঘ্য+প্রস্থ)একক
3.আয়তক্ষেত্রের কর্ণ = √(দৈর্ঘ্য²+প্রস্থ²)একক
4.আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য= ক্ষেত্রফল÷প্রস্ত একক
5.আয়তক্ষেত্রের প্রস্ত= ক্ষেত্রফল÷দৈর্ঘ্য একক
•••বর্গক্ষেত্র
1.বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = (যে কোন একটি বাহুর দৈর্ঘ্য)² বর্গ একক
2.বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা = 4 × এক বাহুর দৈর্ঘ্য একক
3.বর্গক্ষেত্রের কর্ণ=√2 × এক বাহুর দৈর্ঘ্য একক
4.বর্গক্ষেত্রের বাহু=√ক্ষেত্রফল বা পরিসীমা÷4 একক
•••ত্রিভূজ
1.সমবাহু ত্রিভূজের ক্ষেত্রফল = √¾×(বাহু)²
2.সমবাহু ত্রিভূজের উচ্চতা = √3/2×(বাহু)
3.বিষমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = √s(s-a) (s-b) (s-c)
এখানে a, b, c ত্রিভুজের তিনটি বাহুর দৈর্ঘ্য, s=অর্ধপরিসীমা
পরিসীমা 2s=(a+b+c)
4.সাধারণ ত্রিভূজের ক্ষেত্রফল = ½(ভূমি×উচ্চতা) বর্গ একক
5.সমকোণী ত্রিভূজের ক্ষেত্রফল = ½(a×b)
এখানে ত্রিভুজের সমকোণ সংলগ্ন বাহুদ্বয় a এবং b.
6.সমদ্বিবাহু ত্রিভূজের ক্ষেত্রফল = 2√4b²-a²/4 এখানে, a= ভূমি; b= অপর বাহু।
7.ত্রিভুজের উচ্চতা = 2(ক্ষেত্রফল/ভূমি)
8.সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজ =√ লম্ব²+ভূমি²
9.লম্ব =√অতিভূজ²-ভূমি²
10.ভূমি = √অতিভূজ²-লম্ব²
11.সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের উচ্চতা = √b² - a²/4
এখানে a= ভূমি; b= সমান দুই বাহুর দৈর্ঘ্য।
12.ত্রিভুজের পরিসীমা=তিন বাহুর সমষ্টি
•••রম্বস
1.রম্বসের ক্ষেত্রফল = ½× (কর্ণদুইটির গুণফল)
2.রম্বসের পরিসীমা = 4× এক বাহুর দৈর্ঘ্য
•••সামান্তরিক
1.সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল = ভূমি × উচ্চতা =
2.সামান্তরিকের পরিসীমা = 2×(সন্নিহিত বাহুদ্বয়ের সমষ্টি)
•••ট্রাপিজিয়াম
1. ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফল =½×(সমান্তরাল বাহু দুইটির যােগফল)×উচ্চতা
•••ঘনক
1.ঘনকের ঘনফল = (যেকোন বাহু)³ ঘন একক
2.ঘনকের সমগ্রতলের ক্ষেত্রফল = 6× বাহু² বর্গ একক
3.ঘনকের কর্ণ = √3×বাহু একক
•••আয়তঘনক
1.আয়তঘনকের ঘনফল = (দৈৰ্ঘা×প্রস্ত×উচ্চতা) ঘন একক
2.আয়তঘনকের সমগ্রতলের ক্ষেত্রফল = 2(ab + bc + ca) বর্গ একক
যেখানে a = দৈর্ঘ্য b = প্রস্ত c = উচ্চতা
3.আয়তঘনকের কর্ণ = √a²+b²+c² একক
4. চারি দেওয়ালের ক্ষেত্রফল = 2(দৈর্ঘ্য + প্রস্থ)×উচ্চতা
•••বৃত্ত
1.বৃত্তের ক্ষেত্রফল = πr²=22/7r²
এখানে π=ধ্রুবক 22/7, বৃত্তের ব্যাসার্ধ= r
2. বৃত্তের পরিধি = 2πr
3. গোলকের পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফল = 4πr² বর্গ একক
4. গোলকের আয়তন = 4πr³÷3 ঘন একক
5. h উচ্চতায় তলচ্চেদে উৎপন্ন বৃত্তের ব্যাসার্ধ = √r²-h² একক
6.বৃত্তচাপের দৈর্ঘ্য s=πrθ/180° ,
এখানে θ =কোণ
•••সমবৃত্তভূমিক সিলিন্ডার / বেলন
সমবৃত্তভূমিক সিলিন্ডারের ভূমির ব্যাসার্ধ r এবং উচ্চতা h আর হেলানো তলের উচ্চতা l হলে,
1.সিলিন্ডারের আয়তন = πr²h
2.সিলিন্ডারের বক্রতলের ক্ষেত্রফল (সিএসএ) = 2πrh।
3.সিলিন্ডারের পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফল (টিএসএ) = 2πr (h + r)
•••সমবৃত্তভূমিক কোণক
সমবৃত্তভূমিক ভূমির ব্যাসার্ধ r এবং উচ্চতা h আর হেলানো তলের উচ্চতা l হলে,
1.কোণকের বক্রতলের ক্ষেত্রফল= πrl বর্গ একক
2.কোণকের সমতলের ক্ষেত্রফল= πr(r+l) বর্গ একক
3.কোণকের আয়তন= ⅓πr²h ঘন একক
•••বহুভুজ
1.বহুভুজের কর্ণের সংখ্যা= n(n-3)/2
2.বহুভুজের কোণগুলির সমষ্টি=(2n-4)সমকোণ
এখানে n=বাহুর সংখ্যা
চতুর্ভুজের পরিসীমা=চার বাহুর সমষ্টি
•••ত্রিকোণমিতির সূত্রাবলি
1. sinθ=लম্ব/অতিভূজ
2. cosθ=ভূমি/অতিভূজ
3. taneθ=लম্ব/ভূমি
4. cotθ=ভূমি/লম্ব
5. secθ=অতিভূজ/ভূমি
6. cosecθ=অতিভূজ/লম্ব
7. sinθ=1/cosecθ, cosecθ=1/sinθ
8. cosθ=1/secθ, secθ=1/cosθ
9. tanθ=1/cotθ, cotθ=1/tanθ
10. sin²θ + cos²θ= 1
11. sin²θ = 1 - cos²θ
12. cos²θ = 1- sin²θ
13. sec²θ - tan²θ = 1
14. sec²θ = 1+ tan²θ
15. tan²θ = sec²θ - 1
16. cosec²θ - cot²θ = 1
17. cosec²θ = cot²θ + 1
18. cot²θ = cosec²θ - 1
19. tanθ = sinθ/cosθ
20. cotθ = cosθ/sinθ
•••বিয়ােগের সূত্রাবলি
1.বিয়ােজন-বিয়োজ্য =বিয়োগফল।
2.বিয়ােজন=বিয়ােগফ + বিয়ােজ্য
3.বিয়ােজ্য=বিয়ােজন-বিয়ােগফল
•••গুণের সূত্রাবলি
1.গুণফল =গুণ্য × গুণক
2.গুণক = গুণফল ÷ গুণ্য
3.গুণ্য= গুণফল ÷ গুণক
•••ভাগের সূত্রাবলি
নিঃশেষে বিভাজ্য না হলে।
1.ভাজ্য= ভাজক × ভাগফল + ভাগশেষ।
2.ভাজ্য= (ভাজ্য— ভাগশেষ) ÷ ভাগফল।
3.ভাগফল = (ভাজ্য — ভাগশেষ)÷ ভাজক।
নিঃশেষে বিভাজ্য হলে।
4.ভাজক= ভাজ্য÷ ভাগফল।
5.ভাগফল = ভাজ্য ÷ ভাজক।
6.ভাজ্য = ভাজক × ভাগফল।
•••ভগ্নাংশের ল.সা.গু ও গ.সা.গু সূত্রাবলি
1.ভগ্নাংশের গ.সা.গু = লবগুলাের গ.সা.গু / হরগুলাের ল.সা.গু
2.ভগ্নাংশের ল.সা.গু =লবগুলাের ল.সা.গু /হরগুলার গ.সা.গু
3.ভগ্নাংশদ্বয়ের গুণফল = ভগ্নাংশদ্বয়ের ল.সা.গু × ভগ্নাংশদ্বয়ের গ.সা.গু.
•••গড় নির্ণয়
1.গড় = রাশি সমষ্টি /রাশি সংখ্যা
2.রাশির সমষ্টি = গড় ×রাশির সংখ্যা
3.রাশির সংখ্যা = রাশির সমষ্টি ÷ গড়
4.আয়ের গড় = মােট আয়ের পরিমাণ / মােট লােকের সংখ্যা
5.সংখ্যার গড় = সংখ্যাগুলাের যােগফল /সংখ্যার পরিমান বা সংখ্যা
6.ক্রমিক ধারার গড় =শেষ পদ +১ম পদ /2
•••সুদকষার পরিমান নির্নয়ের সূত্রাবলি
1. সুদ = (সুদের হার×আসল×সময়) ÷১০০
2. সময় = (100× সুদ)÷ (আসল×সুদের হার)
3. সুদের হার = (100×সুদ)÷(আসল×সময়)
4. আসল = (100×সুদ)÷(সময়×সুদের হার)
5. আসল = {100×(সুদ-মূল)}÷(100+সুদের হার×সময় )
6. সুদাসল = আসল + সুদ
7. সুদাসল = আসল ×(1+ সুদের হার)× সময় [চক্রবৃদ্ধি সুদের ক্ষেত্রে]।
•••লাভ-ক্ষতির এবং ক্রয়-বিক্রয়ের সূত্রাবলি
1.লাভ = বিক্রয়মূল্য-ক্রয়মূল্য
2.ক্ষতি = ক্রয়মূল্য-বিক্রয়মূল্য
3.ক্রয়মূল্য = বিক্রয়মূল্য-লাভ
অথবা, ক্রয়মূল্য = বিক্রয়মূল্য + ক্ষতি
4.বিক্রয়মূল্য = ক্রয়মূল্য + লাভ
অথবা, বিক্রয়মূল্য = ক্রয়মূল্য-ক্ষতি
•••সরল সুদ
যদি আসল=P, সময়=T, সুদের হার=R, সুদ-আসল=A হয়, তাহলে,
1.সুদের পরিমাণ= PRT/100
2.আসল= 100×সুদ-আসল(A)/100+TR
•••ধারা
1.সমান্তর ধারার ক্রমিক সংখ্যার যোগফল-
(যখন সংখ্যাটি 1 থেকে শুরু)1+2+3+4+......+n হলে এরূপ ধারার সমষ্টি= [n(n+1)/2]
n=শেষ সংখ্যা বা পদ সংখ্যা s=যোগফল
° প্রশ্নঃ 1+2+3+....+100 =?
° সমাধানঃ[n(n+1)/2]
= [100(100+1)/2]
= 5050
2.সমান্তর ধারার বর্গ যোগ পদ্ধতির ক্ষেত্রে,
প্রথম n পদের বর্গের সমষ্টি
S= [n(n+1)2n+1)/6]
(যখন 1² + 2²+ 3² + 4²........ +n²)
° প্রশ্নঃ(1² + 3²+ 5² + ....... +31²) সমান কত?
° সমাধানঃ S=[n(n+1)2n+1)/6]
= [31(31+1)2×31+1)/6]
=31
3.সমান্তর ধারার ঘনযোগ পদ্ধতির ক্ষেত্রে-
প্রথম n পদের ঘনের সমষ্টি S= [n(n+1)/2]2
(যখন 1³+2³+3³+.............+n³)
° প্রশ্নঃ1³+2³+3³+4³+…………+10³=?
° সমাধানঃ [n(n+1)/2]2
= [10(10+1)/2]2
= 3025
4.পদ সংখ্যা ও পদ সংখ্যার সমষ্টি নির্নয়ের ক্ষেত্রেঃ
পদ সংখ্যা N= [(শেষ পদ – প্রথম পদ)/প্রতি পদে বৃদ্ধি] +1
° প্রশ্নঃ5+10+15+…………+50=?
° সমাধানঃ পদসংখ্যা = [(শেষ পদ – প্রথমপদ)/প্রতি পদে বৃদ্ধি]+1
= [(50 – 5)/5] + 1
=10
সুতরাং পদ সংখ্যার সমষ্টি
= [(5 + 50)/2] ×10
= 275
5.n তম পদ=a + (n-1)d
এখানে, n =পদসংখ্যা, a = 1ম পদ, d= সাধারণ অন্তর
° প্রশ্নঃ 5+8+11+14+.......ধারাটির কোন পদ 302?
° সমাধানঃ ধরি, n তম পদ =302
বা, a + (n-1)d=302
বা, 5+(n-1)3 =302
বা, 3n=300
বা, n=100
6.সমান্তর ধারার ক্রমিক বিজোড় সংখ্যার যোগফল, S=M² এখানে,M=মধ্যমা=(1ম সংখ্যা+শেষ সংখ্যা)/2
° প্রশ্নঃ1+3+5+.......+19=কত?
° সমাধানঃ S=M²
={(1+19)/2}²
=(20/2)²
=100
•••স্রোতের গতিবেগ
1.কোন কিছুর
গতিবেগ= অতিক্রান্ত দূরত্ব/সময়
2.অতিক্রান্ত দূরত্ব = গতিবেগ×সময়
3.সময়= মোট দূরত্ব/বেগ
4.স্রোতের অনুকূলে নৌকার কার্যকরী গতিবেগ = নৌকার প্রকৃত গতিবেগ + স্রোতের গতিবেগ।
5.স্রোতের প্রতিকূলে নৌকার কার্যকরী গতিবেগ = নৌকার প্রকৃত গতিবেগ - স্রোতের গতিবেগ
• নৌকার গতি স্রোতের অনুকূলে ঘন্টায় 10 কি.মি. এবং স্রোতের প্রতিকূলে 2 কি.মি.। স্রোতের বেগ কত?
° টেকনিক-
স্রোতের বেগ = (স্রোতের অনুকূলে নৌকার বেগ - স্রোতের প্রতিকূলে নৌকার বেগ) /2
= (10 - 2)/2=
= 4 কি.মি.
• একটি নৌকা স্রোতের অনুকূলে ঘন্টায় 8 কি.মি.এবং স্রোতের প্রতিকূলে ঘন্টায় 4 কি.মি. যায়। নৌকার বেগ কত?
° টেকনিক-নৌকার বেগ = (স্রোতের অনুকূলে নৌকার বেগ+স্রোতের প্রতিকূলে নৌকার বেগ)/2
= (8 + 4)/2
=6 কি.মি.
• নৌকা ও স্রোতের বেগ ঘন্টায় যথাক্রমে 10 কি.মি. ও 5 কি.মি.। নদীপথে 45 কি.মি. পথ একবার গিয়ে ফিরে আসতে কত সময় লাগবে?
° টেকনিক-মােট সময় = [(মােট দূরত্ব/ অনুকূলে বেগ) + (মােট দূরত্ব/প্রতিকূলে বেগ)]
উত্তর:স্রোতের অনুকূলে নৌকারবেগ = (10+5) = 15 কি.মি.
স্রোতের প্রতিকূলে নৌকার বেগ = (10-5) = 5কি.মি.
[(45/15) +(45/5)]
= 3+9
=12 ঘন্টা
•••বিবিধ
1. জোড় সংখ্যা + জোড় সংখ্যা = জোড়
সংখ্যা।
যেমনঃ 2 + 6 = 8.
2. জোড় সংখ্যা + বিজোড় সংখ্যা =
বিজোড় সংখ্যা।
যেমনঃ 6 + 7 = 13.
3. বিজোড় সংখ্যা + বিজোড় সংখ্যা =
জোড় সংখ্যা।
যেমনঃ 3 + 5 = 8.
4. জোড় সংখ্যা × জোড় সংখ্যা = জোড়
সংখ্যা।
যেমনঃ 6 × 8 = 48.
5.জোড় সংখ্যা × বিজোড় সংখ্যা = জোড়
সংখ্যা।
যেমনঃ 6 × 7 = 42
6.বিজোড় সংখ্যা × বিজোড় সংখ্যা =
বিজোড় সংখ্যা।
যেমনঃ 3 × 9 = 27
•••1-100 পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যামনে রাখার সহজ উপায়:
শর্টকাট :- 44 -22 -322-321
° 1থেকে100পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা=25টি
° 1থেকে10পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা=4টি 2,3,5,7
° 11থেকে20পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা=4টি 11,13,17,19
° 21থেকে30পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা=2টি 23,29
° 31থেকে40পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা=2টি 31,37
° 41থেকে50পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা=3টি 41,43,47
° 51থেকে 60পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা=2টি 53,59
° 61থেকে70পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা=2টি 61,67
° 71থেকে80 পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা=3টি 71,73,79
° 81থেকে 90পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা=2টি 83,89
° 91থেকে100পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা=1টি 97
• 1-100 পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা 25 টিঃ
2,3,5,7,11,13,17,19,23,29,31,37,41,43,47,53,59,61,67,71,73,79,83,89,97
• 1-100পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যার যোগফল
1060।
সম্পাদনায়:
আব্দুর রাকিব
বিবিএ (হি:বি:); এমবিএ(হি:বি)
29/01/2022
পোশাক ধর্ষন
আব্দুর রাকিব
পোশাকের কারনে হচ্ছে না ধর্ষন!
কথা সঠিক!
অর্ধ উলঙ্গ হয়েই থাকো,
তোমাদের হবে না তো মরন!
ধর্ম নিরপেক্ষ বাংলাদেশ,
যে যার ধর্ম পালন করবে।
তুমি কেন মুসলিম নারী হয়ে,
বিধর্মীদের পোশাক পরিধান করবে!
কিসের এত তর্ক,
কি বুঝাতে চাও
বেগানা পুরুষকে শরীর দেখিয়ে
কিসের এত সুখ পাও!
কোথায় পোশাক কোথায় ধর্ষন
নগ্ন পোশাক পক্ষে কিসের এত ভাষণ!
পোশাক আর ধর্ষন এক নয়!
বেপর্দা নারী কোথাকার!
লজ্জা লাগে না দিতে,
নিজেকে মুসলিম পরিচয়।
ধর্ষন যেমন অপরাধ,
ফরজ হলো পর্দা।
পর্দার বিপক্ষে কথা বলে,
কোন মুসলিমের এত বড় স্পর্ধা?
কিছু মুসলিম ছেলে
যারা বিপক্ষে পর্দার,
মেয়েদের শরীর দেখার জন্যই কি!
এ হারাম কুৎসিত আবদার!
ওহে নারী!
নিজ ধর্ম করো পালন,
নিজ ধর্মের শোন বারন,
নিজে থাকবে শান্তিতে
পুরুষ্কার পাবে আখিরাতে।
ধর্ষন একটি জঘন্য অপরাধ
পর্দা না মানাও অপরাধ,
কেন করছো বেপর্দা দালালী,
মুসলিম আমি তাই দিলাম না গালি!
আসসালামু আলাইকুম, সকল মুসলিম ভাইবোনদের নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ার জন্য বিনীতভাবে অনুরোধ করছি।
ইসলামের সহজ পরিচয়
সাধারণ মুসলিম জনগণ ইসলামকে শুধু একটা ধর্ম হিসেবেই জানে। যারা নিয়মিত নামাজ-রোযা করে তাদের মধ্যেও অনেকে বাস্তব জীবনে ইসলামের কোনো প্রভাব থাকতে পারে, এমন ধারণা রাখে না।
মানুষের জীবনের বহু দিক রয়েছে- ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ইত্যাদি। কিন্তু সাধারণভাবে এসব দিক থেকে ধর্মীয় দিককে আলাদা মনে করা হয়। অন্যান্য ধর্মে অবশ্য ঐ সব দিক থেকে ধর্ম আলাদাই, কিন্তু ইসলামে ধর্মীয় দিকটি অন্যান্য দিক থেকে আলাদা নয়; বরং সকল দিকের উপর ধর্মীয় দিকের ব্যাপক প্রভাব রয়েছে যে, মনে হয় সকল দিকই ধর্মীয় দিকের অধীন রয়েছে। ইসলামের দৃষ্টিতে এই সকল ধর্মীয় দিকটিই গোটা মানবজীবনের চালিকাশক্তি। আল্লাহ তাআলার দাসত্ব, রাসুল (স) -এর আনুগত্য ও আখিরাতের জবাবদিহিতা -এ তিনটি ধর্মীয় নীতি হলেও মুসলমানের গোটা জীবনের সাথেই এগুলোর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। মুমিনের জীবনে দীনদারী ও দুনিয়াদারীতে কোনো তফাৎ নেই। ঐ তিনটি ধর্মীয় নীতি অনুযায়ী কাজ করলে দুনিয়াদারী বলে গণ্য সকল কাজও দীনদারীতে পরিণত হয়।
দুনিয়ায় নবী পাঠানোর উদ্দেশ্য
মানুষকে দুনিয়ায় বেঁচে থাকার জন্য যা কিছু করতে হয়, সে সম্পর্কে তাদেরকে অবহিত করার জন্য আল্লাহ তাআলা নবী-রাসূলগণের মাধ্যমে যাবতীয় আইন-কানূন পাঠিয়েছেন; কিন্তু এসব বিধি-বিধান মেনে চলতে তিনি কাউকে বাধ্য করেননি। আল্লাহ তায়ালা জানিয়ে দিয়েছেন যে, যারা তার দেওয়া আইন-বিধান মেনে চলবে তারা দুনিয়ায়ও শান্তি ভোগ করবে এবং আখিরাতেও পুরস্কার পাবে। আর যারা তা মানবে না এবং মানুষের মনগড়া নিয়ম মেনে চলবে তারা দুনিয়ায়ও অশান্তি ভোগ করবে, আখিরাতেও শাস্তি পাবে।
মুসলিম পরিবারে জন্মিলেই কি মুসলিম হয়ে যায়?
এই যে ইসলামের এ চমৎকার পরিচয় তা আমাদের সমাজের খুব কম লোকেরই জানা আছে। যারা নিজেদেরকে মুসলমান মনে করে তাদের সবারই ইসলামের এ সুন্দর পরিচয় জানা খুবই জরুরি। ইসলামকে এভাবে না জানলে কেমন করে খাঁটি মুসলমান হওয়া যাবে? আর খাঁটি মুসলমান হতে না পারলে দুনিয়ায় শান্তি ও আখিরাতে দোযখ থেকে নাজাত পাওয়ার কোনো উপায়ই থাকবে না।লোকেরা মনে করে যে, মুসলিম পরিবারে জন্মিলেই মুসলিম হয়ে যায় -এ ধারণা একবারেই ভুল। মুসলমানের সন্তানও কাফির হয়ে যেতে পারে। আবার কাফিরের সন্তানও খাঁটি মুসলমান হতে পারে।
মুসলিম পরিবারে পয়দা হওয়াও আল্লাহর মেহেরবানী
আল্লাহ যদি আমাকে মুসলমানের ঘরে পয়দা না করতেন তাহলে আমার নিজের চেষ্টায় ইসলাম গ্রহন করার কোনো সুযোগ পেতাম কি না জানি না। তাই আল্লাহ তাআলার বিরাট মেহেরবানী যে, তিনি আমাকে মুসলামান পিতা-মাতার ঘরে পয়দা করেছেন।
ইসলাম শব্দের অর্থ
ইসলাম আরবি শব্দ। এর অর্থ আত্মসমর্পণ। আত্ম মানে নিজ, সমর্পণ মানে স্বত্ব ত্যাগ করে দিয়ে দেওয়া। আত্মসমর্পণ অর্থ -নিজেকে অন্য কারো অধীন করে দেওয়া। কুরআন হাদীসের ইসলাম শব্দ দ্বারা আল্লাহ তাআলার নিকট আত্মসমর্পণ বোঝানো হয়েছে। ইসলাম শব্দের আরেকটি অর্থ হলো শান্তি।
মুসলিম
যে আল্লাহ তাআলার নিকট নিজেকে সমর্পণ করে তাকে আত্মসমর্পণকারী বা মুসলিম বলা হয়। এর সহজ অর্থ হলো নিজের মর্জি ও ইচ্ছামতো না চলে আল্লাহ তাআলার হুকুমমতো চলা। যে এভাবে চলে সেই মুসলিম বা আত্মসমর্পণকারী।
ইসলাম কবুল করা নিয়ম
কোনো লোক যদি ইসলাম কবুল করতে চায় তাহলে তাকে কয়েকটি নিয়ম পালন করতে হয়। সে মুসলিম পরিবারে পয়দা হলেও তাকে এসব নিয়ম মানবে হবে; তা না হলে আল্লাহর দরবারে মুসলিম হিসেবে গণ্য হবে না। সঠিকভাবে ইসলাম কবুল করতে হলে-
প্রথমেই মনে মনে ফায়সালা করতে হবে যে, আমি আমার মর্জিমতো চলনা না; যা করলে আল্লাহ খুশি হত তাই করব।
এরপর বুঝে-শুনে কালেমায়ে শাহাদাত উচ্চারণ করতে হবে- “আশহাদু আল লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসুলুহ।“ এর তরজমা হলো- “আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া আর কোনো মাবুদ নেই এবং আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ (স) আল্লাহর বান্দা ও রাসূল।“ ইলাহ ও মাবুদ মানে হুকুমকর্তা, প্রভু ও মুনিব।
“লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মদুর রাসুলুল্লাহ“ কথাটি কালেমায়ে তাইয়েবা নামে পরিচিত। কালেমা মানে কথা। তাইয়েবা মানে পবিত্র কথা। এ কালেমার অর্থ ভালোভাবে বুঝতে হবে। না বুঝে শুধু কালেমা উচ্চারণ করলেই চলবে না। কারণ, কোনো শব্দের অর্থটাই আসল; শব্দটা আসল নয়। যেমন- ‘আগুন‘ একটা শব্দ। এ শব্দের মধ্যে আগুন নেই। আগুন একটা জিনিস। ‘আগুন‘ শব্দ বলে আমরা ঐ জিনিসকেই বুঝি। কালেমা তাইয়েবার মধ্যে যে কটি শব্দ আছে, এগুলোর অর্থই আসল। তাই ঐ শব্দগুলো উচ্চারণ করার সময় যে অর্থ বুঝতে হবে তাই হলো আসর কালেমা।
কালেমা তাইয়েবার অর্থ
‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু‘ কথাটি উচ্চারণ করে ঘোষণা করা হয় যে, “আমি শুধু আল্লাহর হুকুম মেনে চলব; তাঁর হুকুমের বিরোধী কারো হুকুম মানব না।“
‘মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ‘ কথাটির উচ্চারণ করে ঘোষণা করা হয় যে, “মুহাম্মদ (স) যে নিয়মে আল্লাহর হুকুম পালন করেছেন, আমি ঠিক সে নিয়মেই পালন করব; অন্য কারো নিকট থেকে কোনো নিয়ম কবুর করব না।“
আসল কথা হলো, কালেমা তাইয়েবা এমন কোনো মন্ত্র নয় যে, না বুঝে শুধু উচ্চারণ করলেই বেহেশতে যাওযা যাবে। এ কালেমা হলো জীবনে চলার ২ দফা নীতি বা পসিলি। ঐ দুটো কথঅ উচ্চারণ করে ২ দফা নীতি ঘোষণা করা হয়, যা আসলে সরাসরি আল্লাহর সাথে ২ দফা ওয়াদা। যে এ ক‘টি নিয়ম পালন করে সেই ইসলাম কবুল করে মুসলিম হয়ে যায়।
আজ এ পর্যন্তই। আল্লাহ আমাদের কালেমা বুঝে ইসলামে পুরোপুরি প্রবেশ করা তৌফিক দান করুন, আমিন।
আপনাদের সাড়া পেলে নিয়মিত লেখব, ইনশাল্লাহ।
সম্পাদনায়: আব্দুর রাকিব, বিবিএ; এমবিএ (হি:বি:) জা.বি
লেখার সূত্র: ইসলামের সহজ পরিচয়, আসান ফিকহ
07/10/2021
"যে অন্যের জাগতিক স্বার্থ হাছিলের জন্য নিজের পরকাল নষ্ট করবে, সে হবে কিয়ামতের দিন সবচেয়ে নিকৃষ্ট।"
ধরি, আমীন মারা গেল। তখন আমরা বলে থাকি, আমীনের লাশ পড়ে আছে কেউ কি বলি আমীন পড়ে আছে! আজরাইল যখন রূহ কবছ করেছে তখনই আমীন লাশএ পরিনত হয়েছে। এখানে আমীন হলো রূহ আর লাশ হলো তার দেহ। রূহের ধ্বংস নেই, দেহের আছে।
কিন্তু আমরা দেহ নিয়েই ব্যস্ত, রূহের জন্য কি করি। দেহের জন্য যেমন খাবার জরুরী তেমনি রূহ বা আত্নাকে পরিশূদ্ধ করার জন্য ভাল কাজ অর্থাৎ আল্লাহর হুকুম মানা অধিক জরুরী।
এখান বুঝাতে পারলাম যে, দেহ হলো অন্য আর রূহই হলো নিজ। নিজের কথা কি চিন্তা করি! পাপ করতে করতে এমন অবস্হা, পাপকে আর পাপই মনে হয় না। কতদিন ধরে একটি পাপ করলে পাপকেই ভাল মনে হয়, একটি বার ভাবছি আর তওবা করছি।
-চিরসত্য বাণী
27/09/2021
এইচএসসি ২০২১ পরীক্ষার রুটিন
27/09/2021
এসএসসি ২০২১ পরীক্ষার রুটিন
07/09/2021
দিঘলী বিল, নওগাঁ
অবাস্তব বড় পরিকল্পনার চেয়ে সংক্ষিপ্ত বাস্তবসম্মত ও বাস্তবায়নযোগ্য পরিকল্পনাই ফলপ্রসূ।
12/08/2021