Mahadul Quran-মা'হাদুল কুরাআন

  • Home
  • Mahadul Quran-মা'হাদুল কুরাআন

Mahadul Quran-মা'হাদুল কুরাআন its a non profitable center,which aims to spread the Quran and Sunnah amongst the public and get reward from Allah subhanutala.

11/08/2023
25/12/2017

"মেরি ক্রিস্টমাস ডে" শুভেচ্ছা জানানো মানে আপনি সাক্ষ্য দিচ্ছেন যে আল্লাহ যিশু খ্রিষ্টকে জন্ম দিয়েছেন..
নাউজুবিল্লাহ, আল্লাহর প্রতি কত বড় গালি তার বিরুদ্বে কত বড় মিথ্যা অপবাদ।
-
আল্লাহ বলেন,
তারা বলেঃ দয়াময় আল্লাহ সন্তান গ্রহণ করেছেন।
নিশ্চয় তোমরা তো এক অদ্ভুত কান্ড করেছ।
হয় তো এর কারণেই এখনই নভোমন্ডল ফেটে পড়বে, পৃথিবী খন্ড-বিখন্ড হবে এবং পর্বতমালা চূর্ণ-বিচুর্ণ হবে।
এ কারণে যে, তারা দয়াময় আল্লাহর জন্যে সন্তান আহবান করে।
অথচ সন্তান গ্রহণ করা দয়াময়ের জন্য শোভনীয় নয়।
(সুরা মরিয়মঃ ৮৮-৯২)

23/12/2017

If U Loose Money, U Lost Nothing;
If U Loose Health, U Lost Something;
If U Loose Iman, U Lost Everything!!

18/12/2017

দাড়ির ব্যাপারে বিখ্যাত ‘আলেমদের অভিমত:
• এদের মধ্যে- শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবন তাইমিয়্যা রহ., ‘আল্লামা ইবন আবদুল বার্র, ‘ মুহাদ্দিস শাইখ নাছের উদ্দিন আল-আলবানী রহ., সৌদি আরবের প্রধান মুফতি আব্দুল আযীয ইবন বায রহ., ও শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল উসায়মীন উল্লেখযোগ্য।
১- হাফেয ‘আল্লামা আবু মুহাম্মদ আলী ইবন হাযম (মৃত: ৪৫৬ হি.) বলেন,
" ﺍﺗﻔﻖ ﺍﻟﻌﻠﻤﺎﺀ ﻋﻠﻰ ﺃﻥ ﻗﺺ ﺍﻟﺸﺎﺭﺏ ﻭﺇﻋﻔﺎﺀ ﺍﻟﻠﺤﻴﺔ ﻓﺮﺽ ".
“সমস্ত ‘আলেম একমত যে, মোচ কাটা এবং দাড়ি রাখা ফরয (ওয়াজিব)।”
২- ইমাম ইবন আবদিল বার্র রহ. (মৃত: ৪৬৩ হি.) তার তামহীদ কিতাবে বলেন,
ﻳﺤﺮﻡ ﺣﻠﻖ ﺍﻟﻠﺤﻴﺔ ﻭﻻ ﻳﻔﻌﻠﻪ ﺇﻻ ﺍﻟﻤﺨﻨﺜﻮﻥ ﻣﻦ ﺍﻟﺮﺟﺎﻝ ﻳﻌﻨﻲ ﺑﺬﻟﻚ ﺍﻟﻤﺘﺸﺒﻬﻴﻦ ﺑﺎﻟﻨﺴﺎﺀ
“দাড়ি শেভ করা হারাম। আর এ কাজটি মুখান্নাচ বা নারীর বেশ ধারণকারীই করে, কোনো পুরুষের কাজ নয় এটি।”
৩- ইমাম কুরতুবী (রহ.) (মৃত: ৬৭১ হি.) বলেন, দাড়ি শেভ করা বা উঠিয়ে ফেলা বা কাট-চাট করে ষ্টাইল করে রাখা নাজায়েয। দাড়ি রাখা, বাড়িয়ে ও ঘন করে রাখা ফরয। দাড়ি শেভকারী তার এ গোনাহকে সবার সামনে প্রকাশ করে, যা অতি কঠিন হারাম কাজ। সহীহ বুখারীর হাদীসে রয়েছে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
« ﻛُﻞُّ ﺃُﻣَّﺘِﻲ ﻣُﻌَﺎﻓًﻰ ﺇِﻟَّﺎ ﺍﻟﻤُﺠَﺎﻫِﺮِﻳﻦَ، ».
“আমার উম্মতের সবাইকে আল্লাহর রহমতে মাফ করা হবে, তবে তারা ব্যতীত যারা গোনাহ ও নাফরমানীকে সকলের কাছে প্রকাশ করে বেড়ায়......”।
৪- শাইখুল ইসলাম ইবন তাইমিয়্যা রহ. (মৃত: ৭২৮ হি.) বলেন, দাড়ি শেভ করা হারাম।
৫- আবুল হাসান ইবনুল কাত্তান আল মালেকী রহ. বলেন, আলেমরা একমত যে, দাড়ি শেভ করা অঙ্গবিকৃতি করার মতো হারাম কাজ।”
৬- সৌদী আরবের সামাহাতুশ শাইখ আল্লামা শায়খ ইবন বায (রহ.) (মৃত: ১৪২০ হি.) বলেন, দাড়িকে সংরক্ষণ করা, পরিপূর্ণ, ঘণ রাখা ও ছেড়ে দেওয়া ফরয। এই ফরযের প্রতি অবহেলা করা জায়েয নয়। আর দাড়ি মুণ্ডানো (শেভ করা) ও ছোট করা হারাম।
৭- শাইখ ইবন উসাইমীন রহ. (মৃত: ১৪২১ হি.) বলেন, দাড়ি রাখা ওয়াজিব, তা শেভ করা হারাম (কবীরা গুনাহ)।
৮- শাইখ আলবানী রহ. তার “আদাবুয যিফাফ” গ্রন্থে দাড়ি মুণ্ডানো (শেভ করা) হারাম হওয়ার উপর ৪টি দলীল উল্লেখ করে বলেন এ ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই যে, দাড়ি বৃদ্ধি করা ওয়াজিব এবং দাড়ি মুণ্ডানো (শেভ করা) করা হারাম।

17/12/2017

আবু আল-আশহাব বলেন:

একদিন উমার (রাদিয়াল্লাহু আনহু) একটি ময়লা-আবর্জনার স্তূপ অতিক্রম করার সময় থমকে দাঁড়ালেন, দেখে মনে হচ্ছিলো তার সঙ্গীগণ এতে (দুর্গন্ধে) কষ্ট পাচ্ছিলেন। তিনি বললেন, “এটা তোমাদের সেই পৃথিবী যার জন্য তোমাদের এত আগ্রহ এবং যার জন্য তোমরা কান্নাকাটি করো।”

[উমার ইবনুল-খাত্তাব, হিজ লাইফ এন্ড টাইমস, আলী মুহামাদ আস-সাল্লাবি, ভলিউম-১, পৃ-২৮৮]

“আমরা তো মর্যাদাহীন লোক ছিলাম, আল্লাহ আমাদেরকে সম্মানিত করেছেন ইসলামের মাধ্যমে। সুতরাং, আমরা যদি আল্লাহ আমাদেরকে যা দ্বারা সম্মানিত করেছেন তা থেকে দূরে সরে গিয়ে অন্য কোথাও সম্মান খুঁজি তাহলে আল্লাহ আমাদেরকে পুনরায় অপমানিত করবেন।”

— উমার ইবনুল খাত্তাব (রাদিয়াল্লাহু আনহু)

[মুসতাদরাক আল হাকিম – ২০৭, আয-যাহাবি এটিকে সহীহ বলেছেন তালখিস গ্রন্থে এবং আলবানি সহীহ বলেছেন সিলসিলাহ সাহিহা গ্রন্থে, ৫১]

08/12/2017

হজরত উমার (রা) ও তাঁর পুত্র আবু শাহমা কে নিয়ে বহুল প্রচলিত একটি ভুল ও বানোয়াট ঘটনাঃ
► প্রচলিত ঘটনা-
হযরত উমার (রা) তাঁর নিজ পুত্র আবু শাহমাকে মদ্যপান ও ব্যাভিচার করার অপরাধে নিজ হাতে ১০০ টি দোররা বা বেত্রাঘাত করেন এবং সেখানেই সাথে সাথে তাঁর পুত্র মারা যায়। এই ব্যাভিচার এর বিস্তারিত ঘটনা, স্বীকারোক্তি, শাস্তি, পিতা-পুত্রের কথাবার্তা নিয়ে লম্বা কাহিনী এমনবভাবে প্রচলিত যে তা শুনলে চোখে পানি চলে আসে।
এর সাথে প্রশ্ন জাগে-
১. হজরত উমার (রা) এর ছেলে মদ্যপান ও ব্যাভিচার এর মত এমন খারাপ কাজ করেন কিভাবে?
২. তাহলে কি হজরত উমার (রা) তার পরিবারকে ইসলামের শিক্ষা দেননি?
কিন্তু সকল মুহাদ্দিসগন একমত যে এটা একটা ভিত্তিহীন, মিথ্যা বানানো গল্প। ইবনুল জাওযী বলেন, “সাধারন শ্রোতাদেরকে কাঁদানোর জন্য জাহিল ওয়ায়েযগন এগুলো বানিয়েছে”।
► প্রকৃত ঘটনা-
এবার আসি আসল ঘটনা কি ছিল।
হযরত উমার (রা) এর পুত্র আবু শাহমার পূর্ণনাম হল আব্দুল রাহমান আবু শাহমা। তিনি মুসলিম সেনাবাহিনীর হয়ে মিশরে যুদ্ধ করে জয়লাভ করার পর সেখানেই অবস্থান করেন।
একদিন তিনি তাঁর বন্ধুকে নিয়ে নাবীয (খেজুর ভিজিয়ে তৈরি করা শরবত) পান করেন। কোন কারনে এই খেজুরের শরবতে মাদকতা এসে গিয়েছিল, ফলে তাদের মাঝেও অনিচ্ছাকৃতভাবে হলেও মাতলামি চলে আসে।
পরদিন তিনি তাঁর বন্ধুকে নিয়ে মিশরের প্রশাসক হজরত আমর বিন আল আস (রা) কে বিস্তারিত সব ঘটনা খুলে বলেন এবং নিজ মদ্যপানের অপরাধে ইসলামী শরীয়ত অনুযায়ী এর শাস্তি চান।
তখন আমর (রা) তাকে ও উক্কবা (রা) কে তাঁর নিজ ঘরের মধ্যেই বেত্রাঘাত করেন।
পরে উমার (রা) এই ঘটনা জানতে পেরে পত্র মারফত আমর (রা) কে তিরস্কার করেন এবং বলেন সাধারন মুসলিম জনগণকে যেভাবে জনসম্মুখে শাস্তি দেওয়া হয়, তেমনি আমার পুত্রকেও সেভাবে শাস্তি প্রদান করা উচিত ছিল। তিনি আবু শাহমাকে একটি উটে করে মদিনায় ফেরত পাঠাতে বলেন।
কোন কোন মতে আছে, তিনি মদিনায় আসার পথেই অসুস্থ হয়ে পরেন।
মদিনায় পোঁছানর পর হজরত উমার (রা) নিজে পুনরায় জনসম্মুখে তাকে বেত্রাঘাতের শাস্তি প্রদান করেন। এর কিছুদিন বা কিছু সপ্তাহ পর আবু শাহামা ইন্তেকাল করেন। এরপর তাঁকে জান্নাতুল বাকীতে কবর দেওয়া হয়।
এখান থেকে দেখা যায়-
১. আবু শাহমা হযরত উমার (রা) এর বেত্রাঘাতে তাৎক্ষনিক মারা যাননি।
২. আবু শাহমা ইচ্ছা করে মদ্যপান করেননি। এটা মদ ছিল না, কিন্তু মাদকতা তৈরি করেছিল।
৩. যদি মদপানের জন্যই তাকে দ্বিতীয়বার শাস্তি দেওয়া হত, তাহলে উমার (রা) শুধু তাঁর পুত্র আবু শাহমাকেই নয়, উক্কবা (রা) কেও শাস্তি দিতেন, যেহেতু দুজনই এই ঘটনার সাথে জড়িত ছিলেন। আসলে, শুধু আবু শাহমাকে শাস্তি দেওয়াটা ছিল মদপানের শাস্তি নয়, এটা ছিল পিতা হিসেবে পুত্রকে শাসন।
- Dr. Taraki Hasan Mehedi
রেফারেন্সঃ হাদিসের নামে জালিয়াতি, ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর, ৪র্থ সংস্করণ, পৃ ১৪৮

03/12/2017

How The Steel Was Tempered – নিকোলাই অস্ত্রোভস্কির বিখ্যাত বই। বাংলায় অনুবাদ করা হয়েছে “ইস্পাত” নামে। একটি আদর্শ সাম্যবাদী সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য এক যুগলের আত্মত্যাগের গল্প। নিজেদের বিশ্বাস, নিজেদের আদর্শের জন্য গল্পের নায়ক পাভেল আর তার প্রেমিকা তনিয়া বিসর্জন দেয় আরাম-আয়েশ, নিরাপত্তা, চাকরি পরিবার, পরিবার গড়ার স্বপ্ন, আনন্দ, এমনকি এক অর্থে পরস্পরের জন্য ভালোবাসাকেও। নির্ঝঞ্ঝাট, ছকে বাধাঁ জীবনকে ছেড়ে বেছে নেয় অনিশ্চয়তা, উৎকণ্ঠা, দারিদ্র, আর কঠোর পরিশ্রমের বিপদসংকুল এক জীবনকে।
বইটা পড়ার সময় আদর্শের জন্য যে কোন ত্যাগ স্বীকারে পাভেল আর তনিয়ার নিঃসঙ্কোচ সদা প্রস্তুত মনোভাব, ডেডিকেশান মুগ্ধ করেছিল। আর অবাক করেছিল সমাজতন্ত্রের মতো নির্জীব, মানুষের বানানো একটা প্রতিক্রিয়াশীল আদর্শের জন্য দুজনের এতোটা ত্যাগ।
আদর্শের জন্য ত্যাগ স্বীকারের দৃষ্টান্ত পাভেল আর তনিয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ না, আর সীমাবদ্ধ না সমাজতন্ত্রের মধ্যেও। এরকম অনেক উদাহরণই ইতিহাসের আছে। শুধু রাজনৈতিক আদর্শই না ইটালিয়ান মাফিয়া, জাপানিয ইয়াকুযা, কোসানৌস্ট্রা সহ বিভিন্ন অপরাধীদের মধ্যেও নিজ অবস্থানের জন্য প্রবল প্রতিকূলতা, প্রচণ্ড নির্যাতন ও শাস্তি সহ্য করার এবং সবশেষে নিজ আদর্শের উপর অটল থাকার অনেক উদাহরণ আছে।
দুঃখজনক বিষয় হল আমরা এমন এক সময়ে বাস করছি যখন ইসলামের জন্য আত্মত্যাগের মানসিকতা অধিকাংশ মুসলিমের মধ্যেই অনুপস্থিত। মানুষের বানানো নানা অসামঞ্জস্যপূর্ণ খাপছাড়া আদর্শ আর দর্শনের জন্য আত্মত্যাগের কিংবা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হবার মানুষের অভাব না থাকলেও শাশ্বত সত্যের জন্য, অপরিবর্তনীয় ও অমোঘ জীবন বিধানের জন্য ত্যাগ স্বীকার করার মানুষের আজ অভাব।
যে দ্বীনকে অবশ্য পালনীয় ও অপরিবর্তনীয় হিসেবে নাযিল করা হয়েছে, আজ আমরা ব্যস্ত আমাদের সুবিধা মতো সেই দ্বীনের বিভিন্ন বিধি-বিধান পাল্টে নেওয়াতে। ছোট-বড় প্রতিটি বিষয়ে আমাদের অধিকাংশের লক্ষ্য হল আমাদের পছন্দমতো আমাদের, ইচ্ছেমতো আল্লাহর দ্বীনকে কাটছাঁট করে নেওয়াতে। ইজতিহাদ কিংবা ফিকহের দোহাই ইচ্ছেমতো হারামকে হালাল বানাতে, কুফরকে জায়েজ এমনকি প্রশংসিত করতে। অথচ ব্যাপারটা হওয়ার কথা ছিল উল্টো।
আমাদের দায়িত্ব ছিল দ্বীন ইসলামের বক্তব্য অনুসারে আমাদের জীবনকে বদলে নেওয়া। আমাদের চিন্তা ও জীবনধারাকে শারীয়াহর দিকনির্দেশনার সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়া। কিন্তু আজ আমরা ব্যস্ত শারীয়াহকে, দ্বীনকে এমন ভাবে ব্যাখ্যা করতে যাতে করে তা আমাদের জীবনধারা, আমাদের খেয়ালখুশির সাথে খাপ খায়। যেখানে বাতিলের অনুসারীরা তাদের বাতিলের ব্যাপারে আপোষহীন, সেখানে হক্বের অনুসারী দাবি করেও আমরা হক্বের ব্যাপারে আপোষকামী। ছাড় দিতে, ব্যাখ্যা দিতে, বদলে দিতে উদগ্রীব।
কথাগুলো কেন বলা? কারণ প্রতিকূলতা বর্তমানে একটা বাস্তবতা। আপনি দাড়ি রাখতে চান? আপনি সঠিকভাবে হিজাব করতে চান? আপনি ব্যাঙ্কের চাকরি ছেড়ে দিতে চান? আপনি নারীপুরুষের ফ্রি মিক্সিংয়ের ব্যাপারে ইসলামের বিধান মেনে চলতে চান? আপনাকে প্রতিকূলতার সম্মুখীন হতে হবে।
আপনি উম্মাহকে নিয়ে সেভাবে চিন্তা করতে চান, যেভাবে রাসূলুল্লাহ ﷺ আমাদের চিন্তিত হতে বলেছেন? আপনি দ্বীন ইসলাম আংশিক পালনের বদলে, সামাজিক গ্রহণযোগ্যতার মাপকাঠির বদলে আল্লাহর নির্ধারিত মাপকাঠি অনুযায়ী সামগ্রিক ভাবে ইসলাম পালন করতে চান? আপনাকে প্রতিকূলতার সম্মুখীন হতে হবে। আপনি কুফর ও শিরককে, কুফর ও শিরক বলে অভিহিত করতে চান? আপনি সকল মিথ্যা ইলাহকে বর্জন করে একমাত্র সত্য ইলাহ হিসেবে আল্লাহকে গ্রহণ করতে চান? আপনাকে প্রতিকূলতার সম্মুখীন হতে হবে।
আপনাকে ব্যাকডেইটেড, আনকালচারড, আনসফিস্টিকেইটেড, বর্বর, সাম্প্রদায়িক, উগ্র-চরমপন্থী বলে ডাকা হবে। এটাই বাস্তবতা। আর সত্য হল স্রোতের বিপরীতে দাঁড়ানোর কাজটা কখনোই সহজ না। পদে পদে, প্রতিনিয়ত নিজ বিশ্বাসের জন্য, আদর্শের জন্য প্রশ্নবিদ্ধ ও আক্রান্ত হবার পর নিজ অবস্থানের উপর অবিচল থাকা কঠিন।
কিন্তু সুখবর হল, প্রত্যেক নবীকেই এ পথেই চলতে হয়েছে, প্রত্যেককেই পরীক্ষিত হতে হয়েছে, প্রত্যেকেই আক্রান্ত হয়েছেন – আলাইহিমুস সালাতু ওয়াস সালাম। তাদের নিয়ে উপহাস করা হয়েছে, তাদের বিরোধিতা করা হয়েছে, তাদের হত্যা করার চেষ্টা হয়েছে, তাদের বিতাড়িত করা হয়েছে, অপমান করা হয়েছে। এ পথে চলার কারণেই পূর্ববর্তীদের দেহ দ্বিখণ্ডিত করা হয়েছে, লোহার চিরুনি দিয়ে তাদের হাড় থেকে মাংস আলাদা করা হয়েছে।
এই হল সেই একই পথ যে পথকে যুগে যুগে অধিকাংশরা অস্বীকার করেছে, উপেক্ষা করেছে। এই হল সেই পথে যে পথের পথিকরা যুগে যুগে পরীক্ষিত হয়েছেন, নির্যাতিত হয়েছেন। এই হল নবীগণ, সত্যবাদীগণ, শহীদগণ ও সৎকর্মশীল ব্যক্তিদের পথ। অগ্রবর্তী ও ধৈর্যশীলদের পথ।
আর তাই সবকিছুর পরও যদি আপনি এপথে চলার, স্রোতের বিপরীতে দাঁড়াবার সিদ্ধান্ত নেন, যদি আপনি সমাজ, মিডিয়া, রাষ্ট্র, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উপর আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে ﷺ স্থান দেন, যদি আপনি অধিকাংশের অনুসরণের বদলে সত্যের অনুসরণ করেন – তাহলে সুসংবাদ গ্রহণ করুন। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা বলেছেন -
আল্লাহ লিখে দিয়েছেনঃ আমি এবং আমার রসূলগণ অবশ্যই বিজয়ী হব। নিশ্চয় আল্লাহ শক্তিধর, পরাক্রমশালী।
যারা আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাস করে, তাদেরকে আপনি আল্লাহ ও তাঁর রসূলের বিরুদ্ধাচরণকারীদের সাথে বন্ধুত্ব করতে দেখবেন না, যদিও তারা তাদের পিতা, পুত্র, ভ্রাতা অথবা জ্ঞাতি-গোষ্ঠী হয়। তাদের অন্তরে আল্লাহ ঈমান লিখে দিয়েছেন এবং তাদেরকে শক্তিশালী করেছেন তাঁর অদৃশ্য শক্তি দ্বারা। তিনি তাদেরকে জান্নাতে দাখিল করবেন, যার তলদেশে নদী প্রবাহিত। তারা তথায় চিরকাল থাকবে। আল্লাহ তাদের প্রতি সন্তুষ্ট এবং তারা আল্লাহর প্রতি সন্তুষ্ট। তারাই আল্লাহর দল। জেনে রাখ, আল্লাহর দলই সফলকাম হবে। [আল মুজাদিলাহ, আয়াত ২১ ও ২২]
আল্লাহর প্রতিশ্রুতি কি সত্য নয়? পুরস্কার হিসেবে এ পুরস্কার কি যথেষ্ট নয়?
~ Asif adnan

30/11/2017

আহমদ ইবনু হারব রাহি. বলেন,
❝ আমি ৫০ বছর আল্লাহর ইবাদত করেছি; কিন্ত ততোক্ষণ পর্যন্ত ইবাদতের স্বাদ পাই নি যতোক্ষণ না তিনটি জিনিস পরিত্যাগ করেছি:
১. আমি মানুষের নিকট গ্রহণযোগ্যতার চিন্তা পরিত্যাগ করেছি, ফলে আমি সত্য কথা নির্দ্বিধায় বলতে সক্ষম হয়েছি।
২. আমি গুণাহগারদের সঙ্গ পরিত্যাগ করেছি, ফলে নেককারদের সঙ্গ লাভ করতে সক্ষম হয়েছি।
৩. আমি এই দুনিয়ার স্বাদ পরিত্যাগ করেছি, ফলে আমি আখেরাতের স্বাদ লাভে সক্ষম হয়েছি! ❞
সিয়ারু আ'লামিন নুবালা

জাকির নায়েককে একজন অমুসলিম জিজ্ঞেস করল —ধরুন, মেনে নিলাম আমার ধর্মগ্রন্থে ভুল আছে, আমার বিশ্বাস ভুল ৷ কিন্ত আপনি কেন সব...
22/07/2017

জাকির নায়েককে একজন অমুসলিম জিজ্ঞেস করল —
ধরুন, মেনে নিলাম আমার ধর্মগ্রন্থে ভুল আছে, আমার বিশ্বাস ভুল ৷ কিন্ত আপনি কেন সবার সামনে এগুলো বলে আমাদের অপমান করছেন???
উত্তর দিতে গিয়ে কথোপকথন গুলো ছিল এরকমঃ
✔ জাকির নায়েক— ভাই, আমি যদি বলি ২+২=৫ সেটা কি ঠিক নাকি ভুল???
★ অমুসলিম— [ভুল!! ]
✔ জাকির নায়েক — তাহলে ভাই ঠিক কোনটা???
★ অমুসলিম— [৪ !!]
✔ জাকির নায়েক— তাহলে ভাই, এখন আপনি আমাকে ইনসাল্ট করছেন ৷ আপনি বলতে চাচ্ছেন আমি ভুল ??
★ অমুসলিম— আমি আপনাকে ইনসাল্ট করছি না ৷ আমি আপনাকে সংশোধন করে দিচ্ছি ৷
✔ জাকির নায়েক— ঠিক একইভাবে আমিও আপনাদের সংশোধন করে দিচ্ছি ৷ আমি কখন আপনাদের ইনসাল্ট করলাম??
ভিডিও লিঙ্ক ইংরেজিতেঃ https://m.youtube.com/watch?v=FOmiAapy9JI

A christian argues with Dr. Zakir Naik,on the the authenticity of the Bible Visit us at: http://www.almultaqa.ae Follow us on: FACEBOOK: https://www.facebook...

Address

সেবক-৪৪,মুক্তার খাঁ কিরমানি রায়নগর,সিলেট

3100

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mahadul Quran-মা'হাদুল কুরাআন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

  • Want your school to be the top-listed School/college?

Share