H.M Salah Uddin

H.M Salah Uddin

Head Teacher of SABN

22/11/2023

اللهم إنّي أسألك علما نافعا، ورزقا طيبا، وعملا متقبلا

হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকটে উপকারী বিদ্যা, পবিত্র রিযিক এবং গ্রহণযোগ্য আমল কামনা করি।

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নী আসয়ালুকা ইলমান নাফিয়ান ওয়া রিযকান ত্বইয়্যিবান ওয়া আমালান মুতাকাব্বালান। (ইবনে মাজাহ)

Photos from H.M Salah Uddin 's post 24/10/2023

হযরত ইবরাহীম আ. এ-ভূমিতে বসবাস করেছেন। নবী ইসহাক ও ইয়াকুব আ.-ও ফিলিস্তিনের মাটিতে ঘুরেছেন, থেকেছেন। ইউসুফ আ.-এর জন্ম তো এখানেই। তারপর না মিশরে গেলেন ভিন্ন পরিস্থিতির শিকার হয়ে। হযরত লূত আ. ফিলিস্তিনের একটা অংশের মানুষ। নবী দাউদ আ.-এর জীবন অতিবাহিত হয়েছে এ-ভূমিতে। তাঁর ছেলে সুলাইমান আ.-এক রোমাঞ্চকর জীবন অতিবাহিত করলেন বায়তুল আকসাকে ঘিরে। হযরত সালিহ আ.-কতো ঘুরেছেন এই দেশের অলিগলি! হযরত যাকারিয়া আ. কোথায় থাকতেন? বায়তুল আকসার মূল কেন্দ্রে। তাঁর কাছেই বড় হয়েছেন হযরত মারইয়াম আ.। হযরত ঈসা আ.-এর জন্ম তো সেখানেই। আমাদের নবী ﷺ-এর ঐতিহাসিক ভ্রমণ ছিল সেখানে। মসজিদুল আকসায় ইমামুল আম্বিয়ার দায়িত্ব পালন করেছিলেন তিনি। সেখান থেকে সোজা চলে যান আরশুল আযীমের দিকে—রবের সাথে একান্ত সান্নিধ্যের উদ্দেশ্যে।

আল-আকসার প্রতি ভালবাসা স্থাপন আমাদের ইমানের অংশ, আমাদের ইবাদাতের অংশ ।আল-আকসা দখলদারদের হাতে ছেড়ে দেয়া আল্লাহ, রাসুল সা. ও পবিত্র ধর্ম ইসলামের সঙ্গে প্রতারণা।

দোয়ায় বলতে থাকুন, হে আল্লাহ!
ফিলিস্তিনে আপনার দুর্বল বান্দাদের বিজয় দান করুন। আমিন।

16/10/2023
12/10/2023

ই/হু/দিদের স্বভাব-চরিত্র (২০টি)
▬▬▬ ◈◉◈▬▬▬
কুরআন ও হাদিসে ই/হু/দিদের অনেক স্বভাব-চরিত্র এবং বৈশিষ্ট্য উল্লেখিত হয়েছে। সেগুলো থেকে নিম্নে অতি সংক্ষেপে ২০টি পয়েন্ট তুলে ধরা হল (কুরআন ও হাদিসের রেফারেন্স সহ): و بالله التوفيق

◒ ১. মুমিন-মুসলিমদের প্রতি সবচেয়ে বেশি শত্রুতা ও বিদ্বেষ পোষণ করা। (সূরা মায়িদা: ৮২)
◒ ২. ধর্মীয় জ্ঞান থাকার পরেও আমল না করা। তারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম কে নিজের সন্তানের মতো করে ভালোভাবে চিনতো কিন্তু তারপরও কেবল বিদ্বেষ ও অহংকার বশত তারা তাঁকে রসুল হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি। (সূরা বাকারা: ১৪৬ ও সূরা আনআম: ২০)
◒ ৩. চরম একগুঁয়ে, হঠকারী এবং অবাধ্য জাতি। এরা নানা ধরণের আজেবাজে ও পেঁচানো প্রশ্ন করে আল্লাহর হুকুমকে অবজ্ঞা এবং সত্যকে প্রত্যাখ্যান করার চেষ্টা করত। (যেমন: গাভী প্রসঙ্গে নানা অবান্তর প্রশ্ন- সূরা বাকারা: ৭১-৭৬, মাটি থেকে ঝর্ণা বের করে দেখানোর দাবী-সূরা ইসরা: ৯০ এবং আসমানি খবার মান্না-সালওয়া বাদ দিয়ে সবজি, ডাল, পিয়াজ, রসূন ইত্যাদি দাবী করা- সূরা বাকারা: ৬১)
◒ ৪. তাদের কাছে অবতীর্ণ আসমানি কিতাব তাওরাতের বিকৃতি সাধন। (সূরা বাকারা: ৭৬, সূরা: ৪৬ ইত্যাদি)
◒ ৫. দুনিয়ার জীবনকে চরমভাবে ভালোবাসা। (সূরা হাশর: ১৪, সূরা বাকারা: ৯৬ ও সূরা মায়েদা: ২২-২৪)
◒ ৬. সুদ, ঘুষ এবং নানা উপায়ে অন্যায়ভাবে মানুষের সম্পদ ভক্ষণ করা। (মায়েদা: ৪২,মায়েদা: ৬২-৬৩, নিসা: ১৬১ ও সূরা তওবা: ৩৪)
◒ ৭. বিশ্বাসঘাতকতা। (সূরা আনফাল: ৭১)
◒ ৮. পাথরের মত বা পাথরের চেয়েও কঠিন অন্তর। (সূরা বাকারা: ৭৬)
◒ ৯. প্রচণ্ড অহংকারী। (সূরা মায়েদা: ১৮, সূরা বাকরা: ১১১)
◒ ১০. আল্লাহর সম্মানিত রসুল ঈসা আলাইহি সালাত ওয়াস সালাম এর মা মারিয়াম আ. এর প্রতি মিথ্যা অপবাদ। (সূরা মারয়াম: ২৭-২৮ এবং নিসা: ১৫৬-১৫৭)
◒ ১১. অনেক নবী-রসূল এবং যারা সৎকর্মের আদেশ এবং অসৎ কর্মে নিষেধ করতেন তাদেরকে হত্যা করা।
(সূরা আলে ইমরান: ২১, সূরা আলে ইমরান: ১১২)
◒ ১২. অঙ্গীকার এবং চুক্তি ভঙ্গ করা। (সূরা আনফাল: ৫৬)
◒ ১৩. বিভিন্ন দল উপদলে বিভক্ত হওয়া। (সূরা শূরা: ১৪)
◒ ১৪. আল্লাহ এবং তাঁর নবীদের সাথে চরম বেয়াদবি এবং সমাজে নানা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা। (আলে ইমরান: ১৮২ ও সূরা মায়েদা: ৬৪)
◒ ১৫. সৎ কাজের আদেশ এবং অসৎ কাজের নিষেধ থেকে দূরে থাকা। (সূরা শূরা: ১৪)
◒ ১৬. লজ্জাহীনতা। (তারা একসাথে উলঙ্গ হয়ে গোসল করত এবং একে অপরের লজ্জাস্থান দেখতো- সহিহ বুখারি ও মুসলিম)
◒ ১৭. মুমিন-মুসলিমদের প্রতি চরম হিংসা পরায়ণ জাতি। (ই/হু/দিরা মুসলিমদের দুটি জিনিসের প্রতি সবচেয়ে বেশি হিংসা করে। যথা: আমীন বলা ও সালাম দেয়া।” সহিহ ইবনে মাজাহ: ৬৭৯, সহিহ তারগিব: ৫১৫)
◒ ১৮. ভীরুতা ও কাপুরুষতা (সূরা হাশর: ১৪)
◒ ১৯. ইলম (জ্ঞান) গোপন রাখা। (সূরা আলে ইমরান: ১৮৭ )
◒ ২০. কৃপণতা। (সূরা মায়েদা: ৬৪)

আল্লাহ তাআলা ই/হু/দিদের এ সকল ঘৃণ্য চরিত্র ও নিকৃষ্ট বৈশিষ্ট্য থেকে মুসলিম উম্মাহকে রক্ষা করুন। আমীন।
▬▬▬ ◈◉◈▬▬▬
লেখক:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার, KSA

09/10/2023

পৃথিবীর 200 কোটি মুসলমানের (আল-আকসা)
আল আকসা আমাদের, আমাদের কাছেই ফিরে আসবে ইনশাআল্লাহ

আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষ জানেই না,
কেনো মুসলমানদের নিকট মসজিদুল আকসা
এত্তোটা গুরুত্বপূর্ণ??

যেখানে ইহুদিরা সমগ্র ফিলিস্তিনই দখল করে নিছে, সেখানে মাত্র ১৪ একর জায়গার জন্য কেনো এত্তো অত্যাচার নির্যাতনের পরেও ফিলিস্তিনের মুসলমানরা বারবার মসজিদের দিকে ধাবিত হচ্ছে!!

১. এখানেই রয়েছে হযরত ইব্রাহিম এবং মূসা (আ) সহ অসংখ্য নবী রাসুলের কবর।

২. এখানেই আল্লাহর মহানবী রাসুল (সা) সকল নবী রাসুলদের এবং ফেরেস্তাদেরকে নিয়ে নামাজ পড়ছিলেন।সেই জামাতের ইমাম ছিলেন মহানবী হজরত মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। এবং এই জামাতে মতান্তরে প্রায় ২৪ হাজার নবী রাসুল ছিলেন।

৩. এখান থেকেই মহানবী হজরত মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বোরাকে করে আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করার উদ্দেশ্যে যাত্রা করছিলেন।

৪. এই মসজিদের নির্মাণের সাথে জড়িয়ে আছে হজরত আদম এবং সুলাইমান আলাইহিসসালাম এর নাম।

৫. এর সাথে জড়িয়ে আছে খলিফা হজরত উমর (রা)এর সেই বিখ্যাত উটের বিরল ঘটনা।

৬. এখানের সাথেই জড়িয়ে আছে দ্যা গ্রেট সুলতান সালাউদ্দিন আইয়ুবীর অসংখ্য স্মৃতি।

৭. এই মসজিদের পাথরের গায়ে লেখা রয়েছে সম্পূর্ণ সূরা ইয়াসিন।

৮. এই মসজিদের জন্য জ্বীনদের দ্বারা পাথর উত্তোলন করা হয়েছে গহীন সাগরের তলদেশ থেকে।যা কিনা কোন মানুষের পক্ষে অসম্ভব!!!

৯. এই মসজিদে ২ রাকাআত নামাজ আদায় করার জন্য একজনের আমল নামায় ২৫ হাজার রাকাআত নামাজের সমপরিমাণ সওয়াব লিখা হবে।

১০. পবিত্র কোর আনের সবচেয়ে মধ্যখানেই মহান আল্লাহ এই মসজিদ নিয়ে আলোচনা করছেন।

"তোমাদের কেউ যদি কোনো খারাপ কাজ বা বিষয় দেখে তাহলে সে যেন হাত দিয়ে তা পরিবর্তন করে দেয়, যদি তা করতে অপারগ হয় তাহলে যেন মুখ দিয়ে তার প্রতিবাদ করে, যদি তাও করতে সক্ষম না হয় তাহলে যেন অন্তর দিয়ে তা ঘৃণা করে, আর এটাই হচ্ছে ঈমানের মধ্যে সবচেয়ে দুর্বলতম স্তর।"
(বুখারি, হাদিস নং: ১৯৪)

03/10/2023

রাসূল (সঃ) বলেছেন"জান্নাতি লোকেরা দুনিয়াতে দুর্বল ও মজলুম,আর জাহান্নামিরা অবাধ্য,ঝগড়াটে ও অহংকারী"
বুখারী হাদীস:৬২০২(ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
হাদিসের মান:সহীহ হাদীস।

Want your school to be the top-listed School/college?

Website