জানা অজানা Known & unknown

জানা অজানা Known & unknown

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from জানা অজানা Known & unknown, Education, .

28/04/2023

যেমন ছাত্রী!! তেমন শিক্ষক!!! (বরিশালের ভাষায় কথোপকথন)

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে যেসব খাবার 30/03/2020

শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি হলে সহজে কোনো রোগে আক্রান্ত করতে পারে না। জৈবিকভাবে আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা একবার দুর্বল হয়ে গেলে কোনো ওষুধেরই তা নিশ্চিতভাবে জোরদার করার ক্ষমতা নেই। তাই সুস্থ থাকতে করোনাভাইরাসের এই সময়টাতে শরীর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো জরুরি।

আপনি জানেন কী, কিছু খাবার রয়েছে, যা শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়তে পারে?

যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাকাডেমি অব নিউট্রিশন অ্যান্ড ডায়াটিকসের স্বীকৃতিপ্রাপ্ত পুষ্টিবিদ ও মুখপাত্র মেলিসা মজুমদার বলেন, কোনো ‘সাপ্লিমেন্ট’ই নিশ্চিতভাবে করোনোভাইরাসের বিরুদ্ধে সুরক্ষা দিতে পারবে না। যারাই এমনটি হয় বলে দাবি করছেন, তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে এফটিসি (ফেডারেল ট্রেড কমিশন) এবং এফডিএ (ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন)।

খাবার খেয়ে কীভাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার শক্তি বজায় রাখা যায় সে ব্যাপারে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে সিএনএন।

আসুন জেনে নেই খাবার খেয়ে কীভাবে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো যায়।

প্রোটিন

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সৃষ্টিকারী কোষ ও ‘অ্যান্টিবডি’ গঠনের মূল উপাদানই প্রোটিন। উদ্ভিজ্জ ও প্রাণিজ উভয় থেকেই প্রোটিন পাওয়া যায়। খেতে পারেন মাছ, মুরগির মাংস, গরুর মাংস, দুধ, টকদই, ডিম, পনির, বাদাম, ডাল ও শিম।

ভিটামিন সি

ভিটামিন সি শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। অ্যান্টিবডির রক্তে মাত্রা বাড়ায় ভিটামিন সি ও শ্বেতকণিকাকে পৃথক হতে সাহায্য করে। ফলে শরীর বুঝতে পারে কোনো ধরনের প্রতিরক্ষাব্যবস্থা প্রয়োজন। ভিটামিন সি সর্দিজ্বর থেকে সুরক্ষা দেয়।

কমলা, আঙুর, কিউই, স্ট্রবেরি, লাল ও সবুজ মরিচ, ব্রকলি, ফুলকপি, বাঁধাকপি ইত্যাদি থেকে সহজেই প্রতিদিন ২০০ গ্রাম ভিটামিন সি পাবেন।

বেটা ক্যারোটিন

মিষ্টি আলু, আম, পালংশাক, ব্রকলি, বাঙ্গি, গাজরে রয়েছে প্রচুর পুষ্টি উপাদান। এসব খাবারে রয়েছে বেটা ক্যারোটিন, যা শরীরে গিয়ে ভিটামিন ‘এ’তে রূপান্তরিত হয়। ভিটামিন 'এ' শক্তিশালী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার জন্য বিশেষ প্রয়োজনীয়। শরীরে আসা বিষাক্ত উপাদানের বিরুদ্ধে ‘অ্যান্টিবডি’কে সক্রিয় করে তোলে এ ভিটামিন 'এ'।

ভিটামিন 'ডি'

বস্টন ইউনিভার্সিটির ভিটামিন ‘ডি’ গবেষণা বিশেষজ্ঞ জানান, সংক্রামক জীবাণু, ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া চিহ্নিত করে ধ্বংস করে এমন এক প্রোটিনের নিয়ন্ত্রণ থাকে ভিটামিন ডির দখলে। সূর্যের আলোর সংস্পর্শে আসার অভাবে ভিটামিন ডির অভাব দেখা দিতে পারে। ফলে সবাই সংক্রামক রোগের আশঙ্কা বাড়বে। চর্বিযুক্ত মাছ, ডিম, পাস্তুরিত দুধ, পনির, মাশরুম ইত্যাদি ভিটামিন ‘ডি’র আদর্শ উৎস।

দস্তা

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সৃষ্টিকারী কোষের বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ দস্তা। এর ‘সাপ্লিমেন্ট’ সাধারণ সর্দিজ্বরের সমস্যায় কার্যকর হতে পারে। খেতে পারেন শিম, মটরশুঁটি, মসুর ডাল, বাদাম, বীজজাতীয় খাবার, যব, কাঁকড়া, চিংড়ি, গরুর মাংস, টকদই ইত্যাদি।

পর্যাপ্ত পানি পান করা

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়তে পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে। সুস্থ থাকতে প্রতিদিন পুরুষদের ক্ষেত্রে ৩.৭ লিটার ও নারীদের ক্ষেত্রে ২.৭ লিটার তরল গ্রহণ করতে হবে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে যেসব খাবার শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি হলে সহজে কোনো রোগে আক্রান্ত করতে পারে না। জৈবিকভাবে আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্...

ইউরোপের কয়েকটি দেশে ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পরিবর্তন 30/03/2020

ইউরোপের দেশ স্লোভেনিয়াতে ২৯ মার্চ রোববার স্থানীয় সময় রাত দুইটা থেকে ঘড়ির এক ঘণ্টা কাঁটা এগিয়ে আনা হয়েছে। অর্থাৎ রাত দুইটার সময় ঘড়ির কাঁটার পরিবর্তন করে এক ঘণ্টা এগিয়ে তিনটা করা হয়েছে। ফলে গতকাল থেকে বাংলাদেশের সঙ্গে স্লোভেনিয়ার সময়ের ব্যবধান চার ঘণ্টা এবং সারা পৃথিবীতে সময় নির্ণয়ের জন্য প্যারামিটার হিসেবে পরিচিত গ্রিনউইচ মিন টাইম বা জিএমটির সঙ্গে স্লোভেনিয়ার সময়ের ব্যবধান দুই ঘণ্টায় এসে পৌঁছালো।

শুধু স্লোভেনিয়া নয় সেন্ট্রাল ইউরোপীয় টাইম জোনে থাকা প্রায় সকল দেশ যেমন: স্পেন, ইতালি, বেলজিয়াম, হাঙ্গেরি, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস, জার্মানি, অস্ট্রিয়াও একইভাবে তাদের ঘড়ির কাঁটাকে এভাবে এক ঘণ্টা এগিয়ে এনেছে। তাই এ টাইম জোনের অধীনে থাকা সকল দেশের সঙ্গেও আজকের থেকে সময়ের পার্থক্য চার ঘণ্টা এবং গ্রীনউইচ মিন টাইম বা জিএমটির সঙ্গে এখন থেকে এ সকল দেশের সময়ের পার্থক্য হবে দুই ঘণ্টা।

অন্যদিকে রোমানিয়া, বুলগেরিয়া, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, বেলারুশ, ইউক্রেন, গ্রীস অর্থাৎ পূর্ব ইউরোপিয়ান টাইম জোনে থাকা দেশগুলোর সঙ্গে আজকের থেকে বাংলাদেশের সময়ের পার্থক্য তিন ঘণ্টা এবং গ্রীনউইচ মিন টাইম বা জিএমটির সঙ্গে এখন থেকে পূর্ব ইউরোপিয়ান টাইম জোনে থাকা দেশগুলোর সময়ের পার্থক্য হবে তিন ঘণ্টা।

উল্লেখ্য যে প্রত্যেক বছরের মার্চ মাসের শেষ রোববার এবং অক্টোবর মাসের শেষ রোববার এ দুইবার ইউরোপের দেশগুলো তাদের সময়ের পরিবর্তন ঘটায়। ২০০১ সালে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের এক অধিবেশনে সদস্য দেশগুলো সম্মিলিতভাবে ঘড়ির কাঁটার পরিবর্তনের ব্যাপারে ঐকমত্য পোষণ করে।

এজন্য প্রত্যেক বছরের মার্চ মাসের শেষ রোববার ঘড়ির কাঁটাকে এক ঘণ্টা এগিয়ে নিয়ে আসে যা "সামার টাইম" হিসেবে পরিচিত। আবার অক্টোবর মাসের শেষ রোববারে ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পিছিয়ে আবার মূল সময় ধারায় ফিরিয়ে আনা হয় যা "উইন্টার টাইম" হিসেবে পরিচিত।

২০১৮ সালের ১২ সেপ্টেম্বর ইউরোপিয়ান কমিশনের এক বিবৃতিতে মৌসুমভিত্তিকভাবে ঘড়ির কাঁটার এ পরিবর্তনের বিপক্ষে এক প্রস্তাবনা তুলে ধরা হয় যেখানে বলা হয় ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের অধীনে থাকা বিভিন্ন দেশের শতকরা ৮৪ ভাগ মানুষ এ পরিবর্তনের বিপক্ষে এবং তারা মনে করেন আদৌতে বছরে দুইবার এ ধরণের সময় পরিবর্তন তাদের প্রাত্যহিক জীবনে খুব বেশি একটা পরিবর্তন নিয়ে আসে না।

গত বছরের ২৬ মার্চ কমিশনের পক্ষ থেকে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের পার্লামেন্টে অফিসিয়ালি এ বিষয়ে প্রস্তাবনা দেওয়া হয় এবং আশা করা যাচ্ছে যে যদি ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন তাদের এ প্রস্তাবনা গ্রহণ করে আগামী বছর থেকে হয় তো এরকমভাবে আর সময়ের পরিবর্তন আনা হবে না। অর্থাৎ "সামার টাইম" এবং "উইন্টার টাইম" এ দুটি ধারণা আর থাকবে না আগামী ২০২১ সাল থেকে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডাতে সামার টাইমকে "ডেলাইট সেভিং টাইম" নামেও উল্লেখ করা হয়। যদিও এ দুইটি দেশের সব জায়গায় যে সামার টাইম ব্যবহৃত হয় এমনটি নয়। আমেরিকানদের মতে তাদের অন্যতম ফাউন্ডিং ফাদার হিসেবে পরিচিত বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিংক এ প্রস্তাবনার উদ্যোক্তা যদিও আধুনিক পৃথিবীতে নিউজিল্যান্ডে জন্ম নেওয়া বিখ্যাত এন্টোমলজিস্ট জর্জ হাডসনকে ডেলাইট সেভিং টাইমের প্রস্তাবনার মূল কৃতিত্ব দেওয়া হয়।

১৯১৬ সালের ১০ এপ্রিল জার্মান ও অস্ট্রো-হাঙ্গেরিয়ান সাম্রাজ্যে সর্বপ্রথম প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ডেলাইট সেভিং টাইমের প্রবর্তন করা শুরু হয়। আর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়াতে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর এ ডেলাইট সেভিং টাইমের ব্যবহার শুরু করা হয়। যদিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়াতে সর্বতোভাবে এখনও ডেলাইট সেভিং টাইমের ব্যবহার গৃহীত হয়নি।

গত শতাব্দীর সত্তরের দশকে বিশ্বব্যাপী যখন শক্তির ঘাটতি দেখা যায় তখন পৃথিবীর অনেক জায়গায় এ কনসেপ্টটি জনপ্রিয়তা লাভ করে এবং আজকের দিনে যে সকল দেশ এ ডেলাইট সেভিং টাইম ব্যবহার করে তাদের যুক্তি হচ্ছে গ্রীষ্মকালে যখন দিনের দৈর্ঘ্য বেশি থাকে তখন ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা এগিয়ে আনলে অধিক পরিমাণে সূর্যালোকে কাজে লাগানো যায়, যার ফলে শক্তির অপচয় অনেকটা কমে আসে।

এশিয়া এবং আফ্ৰিকার দেশগুলোতে এখনও ঘড়ির কাঁটার পরিবর্তনের এ ধারণাটি জনপ্রিয়তা লাভ করেনি। প্রকৃতি ও জীববিজ্ঞানীদের অনেকে এ ঘড়ির কাঁটার পরিবর্তনের এ ধারণাকে সমর্থন করেন না। কেননা তাদের মতে প্রকৃতির সকল জীবই একটি নির্দিষ্ট প্রাকৃতিক ধারা বজায় রেখে চলে, তাই মানুষের জীবনে এ ধরণের পরিবর্তন তেমন উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন নিয়ে আসতে পারেন না বলে তাদের অনেকে দাবি করে থাকেন।

ইউরোপের কয়েকটি দেশে ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পরিবর্তন ইউরোপের দেশ স্লোভেনিয়াতে ২৯ মার্চ রোববার স্থানীয় সময় রাত দুইটা থেকে ঘড়ির এক ঘণ্টা কাঁটা এগিয়ে আনা হয়েছে। অর্থাৎ .....

Photos from জানা অজানা Known & unknown's post 08/02/2019

পরীক্ষার পাশ নম্বর ৩৩ কিন্তু কেন?
========================
স্বাধীনতার ৪৭ বছর চলে গেলেও বাংলাদেশে ব্রিটিশ আমলের লর্ড ক্যানিংয়ের শিক্ষানীতি এখনো চলমান। বাংলাদেশে প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক এমনকি কখনো কখনো স্নাতক কিংবা স্নাতকোত্তর পরীক্ষাতেও কৃতকার্য হওয়ার বা পাসের সর্বনিম্ন নম্বর ধরা হয় ৩৩।

কিন্তু কেন? কেন ৩০ বা ৪০ বা ৫০ নয় কিংবা অন্য কোনো সংখ্যা নয়? এর পেছনে কি কোন কারণ বা ইতিহাস আছে?

হ্যাঁ, এর পেছনে মজার একটি গল্প বা ইতিহাস আছে।

১৭৫৭ সালে নবাব সিরাজুদ্দৌলাকে পরাজিত করে বিট্রিশরা উপমহাদেশের শাসন ক্ষমতা দখল করে। এর ১০০ বছর পর বিট্রিশ থেকে স্বাধীনতা ফিরে পেতে প্রথম বারের মতো সফল আন্দোলন করে ১৮৫৭ সালে, যা সিপাহী বিদ্রোহ নামে পরিচিত। ইংরেজরা ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির মাধ্যমে ১০০ বছর সফল শাসন চালালো। কিন্তু সিপাহী বিদ্রোহের ফলে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি শাসনের অবসান ঘটে। ফলে শাসন ক্ষমতা চলে যায় বৃটেনের রানীর হাতে। রাজত্ব ও শাসন ব্যবস্থা টিকিয়ে রাখতে বিট্রিশ সরকার উপমহাদেশের সমাজ ব্যবস্থার নানা সংস্কারের পরিকল্পনা করে।

এরই ধারাবহিকতায় ইংরেজ সরকার চালু করে শিক্ষা ব্যবস্থা। ১৮৫৮ সালে উপমহাদেশে প্রথমবারের মতো matriculation (মেট্রিকুলেইশন) পরীক্ষা চালু হয়। কিন্তু পাস নম্বর কত হবে তা নির্ধারণ নিয়ে বোর্ড কর্তৃপক্ষ পড়ে যায় দ্বিধাদ্বন্দ্বে। ফলে বিষয়টির পরামর্শ প্রদানের জন্য চিঠি পাঠানো হয় ব্রিটেনে। তখনকার সময়ে ব্রিটেনের স্থানীয় ছাত্রদের পাস নম্বর ছিল ৬৫।

উপমহাদেশের জনগনের প্রতি ইংরেজদের একটি ধারনা ছিল-
It was of general knowledge during that time that “the people of sub-continent were half as intellectual and efficient as compared to the British.” অর্থাৎ সে সময় ইংরেজ সমাজে একটা প্রচলিত ধারণা ছিল যে, “বুদ্ধি ও দক্ষতায় উপমহাদেশের মানুষকে ইংরেজদের তুলনায় অর্ধেক মনে করা হতো।

এ কারণে ইংরেজরা উপমহাদেশের সকল শিক্ষার্থীর জন্য ৬৫ নম্বর এর অর্ধেক ৩২.৫% নম্বরকে পাস নম্বর হিসেবে ধার্য্য করে দেয়। এই নিয়ম ১৮৫৮ সাল থেকে ১৮৬১ সাল পর্যন্ত চালু থাকে।

১৮৬২ সালে তা গণনার সুবিধার্থে হাফ নম্বর বৃদ্ধি করে পাস নম্বর করা হয় ৩৩। সেই থেকে এই ৩৩ নম্বর-ই চলছে।

এই নিয়মটি চালু ছিল ভারত, পাকিস্থান এবং বর্তমানে বাংলাদেশেও। বর্তমান বাংলাদেশে দেশে শত শত শিক্ষার্থী প্রায় শতভাগ নম্বর পাচ্ছে, হাজার হাজার শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ গ্রেড তুলে নিচ্ছে সেখানে ৩৩ নম্বর পাসের শর্ত হলে ব্যাপারটি কেমন লাগে? বুয়েট, মেডিক্যালের মেধাবী শিক্ষার্থীদের কথা হয় না-ই বললাম।

খুবই লক্ষ্যণীয় এবং আজব ব্যাপার হচ্ছে প্রায় দুই শতাব্দী পরেও আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় ৩৩ নম্বরে উত্তীর্ণ হওয়ার ধারাবাহিক ইতিহাস আজো বদলায়নি। এজন্য শিক্ষার মান স্বভাবতই নিম্নগামী।

22/01/2019

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কারিকুলাম ভুক্ত ১৩টি গানের অডিও/ mp3

“সংগীত বিষয়”-এর উদ্দেশ্য:
১. ভবিষ্যত প্রজন্মের শিশুরা যেন সৃজনশীল হয়ে উঠতে পারে। এ লক্ষ্যে সংগীতের সহজ-সরল সুর ও ছন্দের মধ্য দিয়ে শিশুদের সুকুমার বৃত্তিগুলোকে জাগিয়ে তোলা।
২. সংগীতের মধ্য দিয়ে ঐতিহ্য, দেশপ্রেম, সমাজ ও পরিবেশ এবং প্রকৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়া।
৩. মাতৃভাষা, দেশপ্রেম, মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার সংগ্রাম সম্পর্কে গৌরববোধ করা ও উদ্দীপ্ত হওয়া।
৪. সুনাগরিক হওয়ার সাথে সাথে বিশ্ব-নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা।
৫. একবিংশ শতাব্দীর তথা যুগোপযোগী শিক্ষায় প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীরা যাতে তৈরি হতে পারে, সংগীতের শিক্ষাক্রম সেইভাবে প্রস্তুত করা।
৬. সংস্কৃতি মনস্ক হওয়া।
“সংগীত বিষয়”-এর নির্ধারিত প্রান্তিক যোগ্যতা:
১) ছড়া গান গাইতে পারা,
২) জাতীয় সংগীত গাইতে পারা,
৩) “আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো—” শহিদ দিবসের এই গান গাইতে পারা,
৪) উদ্দীপনামূলক গান গাইতে পারা,
৫) প্রার্থনা সংগীত গাইতে পারা,
৬) মুক্তিযুদ্ধের গান গাইতে পারা,
৭) বাংলাদেশের লোক সংগীত গাইতে পারা,
৮) বিশ্ব-সংগীত গাইতে পারা,
৯) দেশাত্ববোধক গান গাইতে পারা।

গানের লিরিক্স ও অডিও ডাউনলোড করতে নিচে লিংক দুটিতে ক্লিক করুন।

https://drive.google.com/drive/mobile/folders/0B9YshqB5LYkQYUN6NS1vTXhQaXc?usp=sharing

https://drive.google.com/file/d/0B9YshqB5LYkQdk5JSS1aTXlteXM/view

primary 13 mp3 song - Google Drive

30/12/2018

শীতে নিয়মিত গোসল ডেকে আনতে পারে বিপদ!
=================================
অনেকেই শীতকালে নিয়মিত গোসল করেন না বা করলেও গরম পানি ব্যবহার করে থাকেন। তবে নিয়মিত গোসল না করার ব্যাপারটা আমরা কেউই সহজভাবে নিতে পারি না। তবে এই ধারণা ভুল প্রমাণিত করে নিয়মিত গোসল না করাকেই স্বাস্থ্যের জন্য ভালো বললেন গবেষকরা।

অবাক লাগছে? তাই না। কিন্তু এটাই সত্যি। চর্মরোগ গবেষকরা বলছেন, নিয়মিত গোসল নয় বরং নিয়মিত গোসল না করাই ভালো। সারা পৃথিবী জুড়েই এ ব্যাপারে একমত চিকিৎসকরা। প্রতিদিন গোসল করলে ত্বকের বেশ ক্ষতি হতে পারে। আর তাই প্রতিদিন গোসলের বিরুদ্ধেই মত তাদের। শীতকালের সকালও তার ব্যতিক্রম নয়।

মূলত শরীর ময়লা যেন না হয় সেজন্যই আমরা গোসল করে থাকি। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শরীরের ময়লার সঙ্গে গোসলের কোনো সম্পর্ক নেই।বোস্টনের এক চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ বলেন, প্রতিদিন গোসল করাটা অনেকটাই সামাজিক নিয়ম। এর সঙ্গে ময়লার কোনো সম্পর্ক নেই। কেননা শরীরের নিজস্ব ক্রিয়াই ত্বককে ময়লা হওয়ার হাত থেকে বাঁচায়। সেটা গোসল করলেও হয়, না করলেও হয়। সুতরাং ময়লা তাড়াতে গোসলের দাওয়াই ততটা কার্যকরী নয়। অবশ্যই একেবারে গোসল না করার পক্ষে যুক্তি দেখাননি তিনি।

প্রতিদিন গোসল না করার পক্ষে আরও একটি যুক্তি দেখাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। সেটি হল ব্যাকটেরিয়ার ধ্বংস হওয়া। শরীর তার নিজের দরকারে কিছু ভাল ব্যাকটেরিয়ার জন্ম দেয়। যা টক্সিনের হাত থেকে ত্বককে বাঁচায়। কিন্তু প্রতিদিন গোসলের ফলে সেগুলোর মৃত্যু হয়। তাতে ক্ষতি হয় শরীরেরই।
এছাড়া নখেরও ক্ষতি হয়। কেননা গোসল করার সময় নখ পানি শোষণ করে। যা ধীরে ধীরে নখকে নষ্টের দিকে ঠেলে দেয়।

তাহলে শীতে গোসল নিয়ে যারা ভীত ছিলেন তারা এবার বেরিয়ে আসুন। আর নিয়মিত গোসল করা নিয়ে ভয় পাওয়ার কিছু নেই।

Photos from জানা অজানা Known & unknown's post 16/12/2018
14/10/2018

রহস্যময় মহাবিশ্ব
---------///----------
মহাবিশ্ব সম্পর্কে জানার কোন শেষ নেই। প্রতিনিয়ত আবিষ্কৃত হচ্ছে মহাবিশ্বের নানা আজব ঘটনা। আজ আমরা এই আজব মহাবিশ্ব সম্পর্কে কিছু অজানা তথ্য জানবো।

১। মহাশূন্যের গন্ধটা কেমন?
কখনো কি ভেবেছেন, এই যে মহাশূন্যের ঘ্রাণ কেমন? তবে কিছু কৌতুহলী মানুষের মনে ঠিকই এই প্রশ্ন জেগেছে। আর তারা বিভিন্ন মহাকাশচারীদের অভিজ্ঞতা শোনার পর এর উত্তর বের করেছেন। ওয়েল্ডিঙের কাজের সময় এর আশেপাশে থাকলে যে ঘ্রাণ পাওয়া যায়, মহাশূন্য বা স্পেসের গন্ধটা ঠিক একই রকম।

২। মৃত নক্ষত্রের কী আলো আছে?
যে সমস্ত নক্ষত্র আর আলো বিকিরণ করে না তাদেরকে মৃত নক্ষত্র বলে। রাতের পরিষ্কার আকাশে আমরা যে অসংখ্য নক্ষত্র দেখি, তাদের অনেকেই হয়তো মৃত। আলো বিকিরণ করতে করতে, ধীরে ধীরে তারা নিঃশেষ হয়ে গেছে। তাহলে একটি প্রশ্ন জাগে যদি তারা মৃতই হয়, রাতের আকাশে তাদেরকে আমরা কীভাবে দেখি?

কারণ এসব নক্ষত্রের বেশিরভাগই আমাদের থেকে শতকোটি আলোকবর্ষ দূরে । সেখান থেকে আলো এসে পৌঁছাতে তো সময় লাগবেই। বিলিয়ন বিলিয়ন বছর পূর্বে ওই সকল নক্ষত্রগুলো জীবিত থাকা অবস্থায় তাদের নিঃসৃত আলো আমরা এখন রাতের আকাশে এই এতদিন পরে দেখছি।

৩। মহাকাশে পানি ফোটানো
সচরাচর পানি ফুটানোর সময় আমরা কী দেখি? বুদবুদ আকারে অনেকগুলো পানির ফোঁটা বুদবুদ আকারে পাত্রের উপরের দিকে উঠে আসছে। কিন্তু কেউ যদি মহাকাশে যেয়ে কোনোভাবে পানি ফোটানোর চেষ্টা করে, তাহলে কিন্তু এ ঘটনা ঘটবে না। অনেকগুলোর পরিবর্তে একটামাত্র দানবাকৃতির বুদবুদ উঠে আসবে।
৪।উত্তপ্ত বরফ
পৃথিবী থেকে প্রায় ৩৩ আলোকবর্ষ দূরে একটা গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা যার পুরো পৃষ্ঠটাই নাকি “Burning Ice” এ আবৃত। আসল ঘটনাটা হচ্ছে, এই গ্রহের পৃষ্ঠে প্রচণ্ড চাপের কারণে পানি কঠিন অবস্থায় বা বরফে রূপান্তরিত হয়েছে, আর গ্রহ পৃষ্ঠে তাপমাত্রা অনেক বেশি বলে এই জমাট বরফ থেকে বাষ্প নির্গত হয়। তাই বিজ্ঞানীরা একে বলছেন “Burning Ice” বা উত্তপ্ত বরফ।

10/10/2018

যে ১৫ টি অদ্ভুত কিন্তু সত্যি তথ্য আজও আপনার অজানা
-------------------------------------------------------------------
মানুষ বরাবরই সৃষ্টির সবচাইতে আকর্ষণীয় প্রাণী। কারণ মানুষের দেহ এবং মন দুটোর কোনোটিরই পরিপূর্ণ ব্যাখ্যা বিজ্ঞান আজও দিতে পারে নি। বরং প্রতিনিয়তই মানুষের দেহ ও মন সম্পর্কে নতুন নতুন তথ্য হাজির হতে থাকে। এমন অনেক বিষয় রয়েছে যা আপনার সাথে সম্পর্কিত কিন্তু আপনি নিজেই তা জানেন না। আজকে এমনই কিছু অদ্ভুত, চমকপ্রদ, অজানা তথ্য নিয়ে এই ফিচার। চলুন তাহলে নিজের সম্পর্কে কিছু অজানা বিষয় জেনে নিন।
১) আপনার মতো চেহারার প্রায় ৬ জন মানুষ রয়েছে পৃথিবীতে এবং আপনার পুরো জীবনে প্রায় ৯% সম্ভাবনা রয়েছে আপনার চেহারার কারো সাথে দেখা হওয়ার।
২) আপনি যদি দিনের প্রায় ১১ ঘণ্টা বসে কাটান তাহলে আপনার আগামী
৩ বছরের মধ্যে মৃত্যু হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় ৫০%।
৩) বালিশ ছাড়া ঘুমানোর অভ্যাস আপনার ঘাড় ও গলার ব্যথা থেকে মুক্তি দিতে পারে। এবং এর পাশাপাশি মেরুদণ্ড সুস্থ রাখে।
৪) একজন মানুষের উচ্চতা নির্ধারিত হয় তার বাবা ও তার ওজন নির্ধারিত হয় মায়ের মাধ্যমে।
৫) মানুষের মস্তিষ্ক ৩ টি জিনিসের দিক থেকে নজর ফেরাতে পারে না তা চোখের নজর হোক বা মনের নজর হোক। আর সে ৩ টি জিনিস হচ্ছে খাবার, আকর্ষণীয় মানুষ ও বিপদ। ৬) ডানহাতি মানুষেরা খাবার চিবোনোর সময় ডান চোয়াল ব্যবহার করেন।
৭) অ্যালবার্ট আইনস্টাইনের মতে, ‘যদি পৃথিবীতে মৌমাছি না থাকে তাহলে পৃথিবীর সব মানুষ ৪ বছরের মধ্যে মারা যাবে’।
৮) পৃথিবীতে এতো বেশি প্রজাতির আপেল রয়েছে যে, আপনি যদি প্রতিদিন ভিন্ন প্রজাতির ১ টি করে আপেল খান তারপরও সবপ্রজাতির আপেল খেতে আপনার ২০ বছর সময় লাগবে।
৯) আপনি খাবার ছাড়া প্রায় ৪ সপ্তাহ অর্থাৎ ২৮ দিন বেঁচে থাকতে পারলেও ১১ দিন না ঘুমালে আপনার মৃত্যু অনিবার্য।
১০) যারা অনেক বেশি হাসেন তারা অন্যান্য মানুষের তুলনায় অনেক বেশি সুস্থ এবং ভালো স্বাস্থ্যের অধিকারী। বলা হয় হাসি বিষণ্ণতা রোগের সবচাইতে বড় ঔষধ।
১১) ধূমপানের কারণে যতো মানুষ মারা যায় ঠিক ততো মানুষই অলসতা এবং পরিশ্রমবিহীন জীবনের জন্যও মারা যান।
১২) মানুষের মস্তিষ্ক উইকিপিডিয়াতে যতো তথ্য রয়েছে তার ৫ গুণ তথ্য ধারণ ধারণ ক্ষমতা রাখে।
১৩) আমাদের দেহ ৩০ মিনিটে যতোটা তাপমাত্রা নির্গত করে তা দিয়ে দেড় লিটার পানি ফুটানো সম্ভব।
১৪) আমাদের পাকস্থলীতে যে অ্যাসিড রয়েছে তা রেজর ব্লেড গলিয়ে ফেলতে সক্ষম।
১৫) মানুষ আনমনে আপনার জুতোর দিকে নজর দেবেন এটি মানুষের প্রাকৃতিক একটি ব্যাপার। তাই সুন্দর জুতো পড়ুন। কারণ মানুষ অনেক সময় জুতো দেখেই ব্যক্তিত্ব নির্ধারণ করে ফেলেন।

Photos from জানা অজানা Known & unknown's post 08/10/2018

সবুজ ঘাসের দেশ
------------------------
বিচিত্র পৃথিবীর কোথাও বিশাল মরুভূমি, আবার কোথাও মাইলের পর মাইল জুড়ে বরফ আর বরফ। আবার কোথাও বালু, আর কোন কোন জায়গায় বরফের স্থানে সবুজ ঘাসের খেলা। এই ঘাসের আচ্ছাদিত বিস্তীর্ণ অঞ্চলকে তৃণভূমি বলা হয়। বিস্তীর্ণ সবুজ তৃণভূমিগুলোর কিছু নমুনা দেখে নেয়া যাক।

স্টেপ তৃণভূমিঃ স্টেপ তৃণভূমি বলতে মূলত নদী বা যেকোনো জলাধারের নিকটে অবস্থিত তৃণভূমিগুলোকে বোঝায়। পৃথিবীর সব মহাদেশেই কম বেশি স্টেপ তৃণভূমির দেখা মেলে।

মধ্যএশিয়া এবং পূর্ব ইউরোপের সম্মিলিত তৃণভূমিঃ সবচেয়ে বৃহৎ তৃণভূমি নামে পরিচিত। এশিয়ার মঙ্গোলিয়াতে রয়েছে এই তৃণভূমির খুবই বড় একটি অংশ। এটি আধা মরুভূমি হিসেবেও পরিচিত। তাপমাত্রার উঠানামা এখানে চোখে পড়ার মতো। ৪০ ডিগ্রী থেকে নামতে নামতে -৪০ এ গিয়ে ঠেকে কখনো কখনো। স্টেপ তৃণভূমি মূলত দুই ধরণের। ১. পাথুরে পর্বতমালা সমৃদ্ধ ২. সামান্য স্যাঁতস্যাঁতে ।

সাভানা তৃণভূমিঃ সাহারা মরুভূমি থেকে আলাদা হয়ে আসা আফ্রিকার বিস্তীর্ণ তৃণভূমি সাভানা তৃণভূমি নামে পরিচিত। এখানে বিভিন্ন ধরনের পশু, বিশেষ করে জেব্রা, জিরাফ এবং ফ্ল্যামিংগো বেশি দেখা যায়। এই তৃণভূমির চারপাশ ঘিরে রয়েছে কালাহারি মরুভুমি। আর এর মাঝেই অবস্থিত সাভানা তৃণভূমি। পুরো অঞ্চল ঘাসে ঢাকা থাকলেও এই তৃণভূমিতে অল্পবিস্তর ছোটো বড় গাছেরও দেখা মেলে। বছরে প্রায় ৫৯ ইঞ্চি বৃষ্টিপাত হয় এই অঞ্চলে। অন্যান্য তৃণভূমির চেয়ে তুলনামুলক বেশি উত্তপ্ত থাকে এই তৃণভূমিটি। অনেকসময়ই দাবানল দেখা যায় এই তৃণভূমিতে।

প্রেইরি তৃণভূমিঃ উত্তর আমেরিকার বিখ্যাত তৃণভূমি এই প্রেইরি তৃণভূমি। এই তৃণভূমি একসময় প্রায় ১৪২ মিলিয়ন একর এলাকা জুড়ে বিস্তীর্ন ছিলো। পুরো আমেরিকার প্রায় ৪০% ভূমি এই প্রেইরির অধীনে ছিলো। কিন্তু কালের বিবর্তনে এটি অনেক ছোটো হয়ে গিয়েছে। প্রায় ৮,০০০ বছর আগে গঠিত এই তৃণভূমি বর্তমানে দক্ষিন আমেরিকা থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে। প্রেইরি তৃণভূমির সবচেয়ে আলোচিত ব্যাপার হচ্ছে এর দাবানল। প্রায় ৭০০ ডিগ্রী ফারেনহাইট তাপমাত্রার এই অঞ্চলের দাবানলের গতি মিনিটে ৫০০/৬০০ ফুট। তবে মজার ব্যাপার হচ্ছে, এই দাবানলে প্রেইরির ঘাসগুলোর তেমন ক্ষতি হয় না। কারণ, এই দাবানলে সৃষ্ট জলীয় বাষ্প প্রেইরির ঘাসের মূল উপাদান।

পাতাগোনিয়া তৃণভূমিঃ আর্জেন্টিনা এবং চিলির মধ্যবর্তী পাতাগোনিয়া তৃণভূমি প্রায় ১০,৪৩,০৭৬ বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিচ্ছিন্নভাবে রয়েছে। এই তৃণভূমি এতই বড় যে এর সীমানার ভেতরে ৬টি পার্ক রয়েছে।

চিলি ডাউনস তৃণভূমিঃ অস্ট্রেলিয়াতে অবস্থিত তৃণভূমির নাম ডাউনস তৃণভূমি। এই তৃণভূমিতে ৪৬০ প্রজাতির পাখি ও ১১০ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণীর উপস্থিতি দেখা যায়। এই তৃণভূমিতে ক্যাঙ্গারু, ওয়ালাবি, ইমু, ডিঙ্গো ইত্যাদি প্রাণীর বিচরণ দেখা যায়।

08/10/2018

জুতার দাম ১৪১ কোটি টাকা!
----------------------------------------
এক জোড়া জুতার দাম ১ কোটি ৭০ লাখ ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার দাম দাঁড়ায় ১৪১ কোটি ২৫ লাখ ২০ হাজার টাকা। বিশ্বের সর্বাপেক্ষা ব্যয়বহুল হিসেবে স্বীকৃত এ জুতা জোড়ার মোড়ক উন্মোচন হয়েছে বুধবার, সংযুক্ত আরব আমিরাতের এক হোটেলে।

এতক্ষণে নিশ্চয়ই আপনাদের কৌতুহল হচ্ছে, জানতে ইচ্ছে করছে এর কারণ। এ সম্পর্কে মধ্যপ্রাচ্যের সংবাদ মাধ্যম খালিজ টাইমস জানাচ্ছে, অভিজাত এই জুতা তৈরি করা হয়েছে হীরা ও খাঁটি সোনা দিয়ে। আর এর নকশা ও নির্মাণে সময় লেগেছে পাক্কা নয় মাস। জুতা জোড়ায় আলাদা করে দুটি ১৫ ক্যারেটের হীরা বসানো হয়েছে। আর এ কারণেই এত দাম এই জুতার। খবর : খালিজ টাইমস।

এক্সক্লুসিভ সোনা ও হীরার গহনার জন্য বিখ্যাত ব্র্যান্ড প্যাশন জুয়েলার্সের সহযোগিতায় এই পাদুকা জোড়া তৈরি করেছে আমিরাতভিত্তিক ব্র্যান্ড জাদা দুবাই। বুধবার এর মোড়ক উন্মোচিত হয়েছে হোটেল বুর্জ আল আরবে।

এর ডিজাইনার ও জাদা দুবাইয়ের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও সৃজনশীল পরিচালক মারিয়া মাজারি বলেন, হীরা দিয়ে জুতা জোড়ার নকশা করেছে জাদা দুবাই। এতে দুর্লভ হীরা ব্যবহার করা হয়েছে।

তবে মারিয়া মাজারি বলছেন, কোনো ক্রেতা ইচ্ছে করলেই কিনতে পারছেন না এই জুতা। কেননা মোড়ক উন্মচন অনুষ্ঠানে ওই এক জোড়া জুতাই প্রদর্শিত হয়েছে। তবে কেউ কিনতে চাইলে তাদের কাছে আলাদা করে অর্ডার করতে হবে। তখন তারা ক্রেতাদের পছন্দ অনুযায়ী জুতা বানিয়ে দেবেন। আর এক জোড়া জুতার জন্য তাদের ১৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় করতে হবে।

Want your school to be the top-listed School/college?

Website