Mufti Asmaul Haque Jamali Bokhari Fllowers

جس نے بد مذہبوں کے قلعے ڈھا دیے
ہمت اعلی حضرت پہ لاکھوں سلام۔

Operating as usual

17/11/2023
28/09/2023

Islamic quize nath and verius compition for the jashne Eid Miladunnabi

16/08/2023

Qazi-ul Quzzat Fil Hind, Huzur Qaid-e Millat, M***i Asjad Raza Khan Qadiri Hafidahullah Tour Schedule August 2023

Join on WhatsApp: www.muftiasjadraza.com/join

14/08/2023

🥀🌹🥀স্বাধীনতা সংগ্রামী আল্লামা ফাযলে হক খায়রাবাদি (রহঃ)।🌹🥀🌹

আল্লামা ফাযলে হক খায়রাবাদি (১৭৯৭– ১৮৬১) ছিলেন ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিদ্রোহের একজন প্রধান ব্যক্তি। তিনি একজন দার্শনিক, লেখক, কবি, ধর্মীয় পণ্ডিত ছিলেন। ১৮৫৭ সালে ইংরেজদের বিরুদ্ধে জিহাদের ফাতাওয়া দেয়ার কারণে তাঁকে স্মরণ করা হয়।
জীবন:
আল্লামা ফাযলে হক খয়রাবাদি লক্ষ্ণৌর প্রধান বিচারক ছিলেন। ১৮৫৭ সালে সিপাহি বিদ্রোহ ব্যর্থ হওয়ার পর তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিদ্রোহে উৎসাহ প্রদান ও নেতৃত্বের জন্য তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। তিনি নিজেই তাঁর পক্ষে কথা লড়াই করেন। মিথ্যা বলতে পারবেন না উল্লেখ করে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে তিনি তাঁর ফাতাওয়া দেয়ার কথা স্বীকার করেন। তাঁকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়ে কালাপানি পাঠানো হয় এবং অযোধ্যা আদালতের বিচারক কমিশনার কর্তৃক তাঁর সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা হয়। ১৮৫৯ সালে ৮ অক্টোবর তিনি আন্দামান পৌছান।
তাঁর পুত্র আবদুল হক রাণী ভিক্টোরিয়ার কাছে আবেদন ও তারপর ক্ষমা ঘোষণার মাধ্যমে পিতার মুক্তির আদেশ জারি করাতে সক্ষম হন। লিখিত মুক্তিনামাসহ তিনি ১৮৬১ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি পোর্ট ব্লেয়ার পৌছান। কিন্তু এসময় অনেক দেরি হয়ে যায়। তিনি পৌছার পর একটি জানাজা দেখতে পান এবং জানতে পারেন যে তাঁর পিতা মৃত্যুবরণ করেছেন।

ব্যক্তিত্ব:
ইসলামি ধর্মতত্ত্বের পণ্ডিত হলেও আল্লামা ফাযলে হক খায়রাবাদি একজন সাহিত্যিক ব্যক্তি ছিলেন, বিশেষত উর্দু, আরবি ও ফারসি ভাষায়। মির্জা গালিবের অনুরোধে তিনি তাঁর প্রথম দিওয়ান সম্পাদনা করেন। পান্ডিত্যের জন্য তাঁকে আল্লামা বলা হত এবং একজন মহান সুফি হিসেবে তাঁকে সম্মান করা হয়। তাঁকে ইমাম হিকমত ও কালাম (যুক্তি, দর্শন ও সাহিত্যের ইমাম) হিসেবেও সম্বোধন করা হয়। ফাতাওয়া প্রদানের চূড়ান্ত কর্তৃপক্ষ হিসেবে তাঁকে বিবেচনা করা হত।
আল্লামা ফাযলে হক খায়রাবাদি বুদ্ধিদীপ্তিক ব্যক্তি ছিলেন। মির্জা গালিব ও সমসাময়িক অন্যান্য খ্যাতনামা কবি, লেখক ও বুদ্ধিজীবিদের সাথে তাঁর শাণিত কথোপকথনের বেশ কিছু গল্প রয়েছে।

আজাদী আন্দোলনে ফাযলে হক খায়রাবাদি:

ইমামে আহলে সুন্নাত আল্লামা ফাযলে হক খায়রাবাদী ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিপ্লবের প্রাক্কালে ইংরেজ বিরােধী ফাতাওয়া দেওয়ার অভিযােগে আন্দামান দ্বীপে নির্বাসিত হয়েছিলেন। সে দ্বীপে তাঁকে যেভাবে নির্যাতন করা হয়েছিল তাঁর এক হৃদয় বিদারক বর্ণনা এবং উপ মহাদেশে ইংরেজদের ইসলাম বিরােধী কার্যকলাপের এক বাস্তব চিত্র তুলে ধরে সাথে থাকা কাপনের কাপড়ে কয়লা দিয়ে তিনি এক কিতাব লিখেছিলেন। অবশেষে সারা দুনিয়া ব্যাপী বিশ্বখ্যাত এ জ্ঞান সাধকের কারা নির্যাতনের প্রতিবাদ ও আল্লামা খায়রাবাদী (রহঃ) এঁর জ্ঞান প্রতিভার প্রতি আকৃষ্ট ঊর্ধ্বতন এক ইংরেজ কর্মকর্তার জোর তদবিরে কয়েক বছর পর তাঁকে বৃটেনের প্রিভি কাউন্সিল মুক্তির নির্দেশ দিতে বাধ্য হয়। এ মুক্তির নির্দেশ নামা নিয়ে খায়রাবাদী এঁর ছেলে যখন আন্দামানে গিয়ে উপস্থিত হলেন, দেখলেন আন্দামানবাসীরা একটি জানাজার নামাজে মিলিত হচ্ছেন। উক্ত জানাজায় শরীক হয়ে জানতে পারলেন এটা তাঁর পিতা বিশ্বখ্যাত জ্ঞান সাধক আল্লামা খায়রাবাদী 'র জানাজা। অবশেষে এক হৃদয় বিদারক ঘটনা অবতারণার পর পিতার কাফনে লিখিত কিতাব খানি নিয়ে দেশে ফিরতে হয়েছিল তাঁকে। আল্লামা ফজলে হক খায়রাবাদী’র শত শত কিতাবের মধ্যে এটিও একটি আলােড়ন সৃষ্টিকারী কিতাব যাতে ব্রিটিশ শাসনের বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে।

তথ্যসূত্র:
HUSAIN, IQBAL (১৯৮৭)। "Fazle Haq of Khairabad—A Scholarly Rebel of 1857"। Proceedings of the Indian History Congress। 48: 355–365। আইএসএসএন 2249-1937। জেস্টোর 44141709।
Allama Fazl E Haq Khair Abadi (২০১৫-০১-১৮)। Tahqeeq Ul Fatwa Fe Abtal It Taghwa।
Iyer, Vivek (২০১২)। Ghalib, Gandhi and the Gita (ইংরেজি ভাষায়)। Polyglot Publications London। পৃষ্ঠা ৪৩। আইএসবিএন 978-0-9550628-3-4।
আহমদ, মুবারক (২০১২)। এ স্টাডি অন এরাবিক প্রোস রাইটার্স ইন ইন্ডিয়া উইথ স্পেশ্যাল রেফারেন্স টু মাওলানা মুহাম্মদ রাবে হাসানী নদভী। পিএইচডি অভিসন্দর্ভ। ভারত: গুয়াহাটি বিশ্ববিদ্যালয়। পৃষ্ঠা ৮৭–৮৯।

✍️ মহম্মদ আসমাউল হক কাদরী জামালী আল-বুখারী।
তাং 15 August 2023

14/07/2023

কলম,

কলম তুমি কী?
আমি আগে কঞ্চির হতাম,কাঠের হতাম,এখন সেই যুগ নেই, এদিকেও আমার গঠনে উন্নতি হয়েছে, আমাকে এখন সুন্দর ভাবে বানানো হয়। আমি আকারে বড় নই,খুব ছোট্ট, হাতে সহজে ধরা যাবে ততটা।
আমি কলম,লিখার মাধ্যম,আমার মাধ্যমে জ্ঞান কাগজের পাতায় সংরক্ষিত রাখা হয়।
আমার মাধ্যমে মনের ভাব প্রকাশ করা হয়।
আমারই মাধ্যমে অতিতের জ্ঞান- বিজ্ঞান, ইতিহাস ও স্মরণীয় বানীগুলো তোমাদের নিকট পৌছেছে।
আমি নিরপেক্ষ, আমার মধ্যে পক্ষপাতিত্ব নেই।
আমাকে পক্ষপাতি বানানো হয়।
আমি যার হাতে থাকি, তার মতে চলি।
আমার তো আর নিজস্ব শক্তি নাই।
আমার মাধ্যমে সই করে কত ব্যক্তিকে ফাঁসির মঞ্চে চড়ানো হয়েছে, বহুজনকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
আমাকে বহুমানুষ ভালোর জন্য ব্যবহার করে স্মরণীয় হয়ে আছে।
আমাকে মন্দ কাজে ব্যবহার করে অনেকেই কলঙ্কিত হয়ে রয়েছে।

তোমরা দেখছো বোখারী শরীফ দুই খন্ডে বিভক্ত কিতাবুল্লাহর পর সর্বাপেক্ষা বিশুদ্ধ গ্রন্থ এটা রচনার সময় আমি ছিলাম হাফিযুল হাদীস মুহাম্মাদ বিন ইসমাঈল বোখারীর হাতে।
তেমনই বড় বড় মুহাদ্দিসের হাতে গিয়েছি তাঁরা আমাকে ব্যবহার করে বহু হাদীসের কিতাব জগতবাসীকে উপহার দিয়েছেন।

আজ দেখছো হানাফী মাযহাব এটা সংকলনের সময় ছিলাম ইমামে আযম ও তাঁর সুযোগ্য ছাত্রদের হাতে।
তাঁরা কোরআন ও সুন্নাহ হতে হাজার হাজার মসয়ালা বের করেছিলেন। যার দ্বারা যুগে যুগে মানুষ উপকৃত হয়েছে, আগামিতেও হতে থাকবে।
তৎসহ আমি আরো বড় বড় মুজতাহিদের হাতে জায়গা পেয়েছি,তাঁরা আমাকে ব্যবহার করে অগনিত মসয়ালা দ্বারা মুসলিম জাহানকে ধন্য করেছেন।
আমি উনবিংশ শতাব্দীর শেষ ও বিংশ শতাব্দীর শুরুতে ছিলাম এমন এক ব্যক্তির হাতে যাঁকে আলা হাযরাত বলা হয়,তিনি কলম সম্রাট আমাকে যথাযথ ব্যবহার করেছিলেন তিনি আমাকে এত দক্ষতার সাথে ব্যবহার করেছেন যে,তাঁর নজীর কয়েক শতাব্দীতে পাওয়া কঠিন।
তাঁর কলমের সামনে বাতিল চুরমার হয়ে গেছে, সুন্নীয়াতের বাগানে এসেছে সজীবতা।
বাতিলের অঙ্গনে নেমেছে শোকের ছায়া।
তিনি যখন আমাকে নবী ও ওলীদের শানে না'ত ও মানকাবাত লিখনে ব্যবহার করেন তৈরী হয় বিশাল না'ত ও মানকাবাতের বাগান "হাদায়েক্বে বাখশিশ"।
তিনি যখন আমাকে ফতওয়ার ময়দানে চালনা করেন তখন হাজার হাজার পৃষ্ঠার কেতাব তৈরী হয়ে যায় যার নমুনা একটি ফাতাওয়ায়ে রাযাবিয়া ১২খন্ডে বিভক্ত।
আমি তাঁর হাতে বাতিলের মোকাবালায় তরবারীর কাজ করেছি,আমার আঘাতে কত জন ঘায়েল হয়ে গেছে।
যে পথ দিয়ে বাতিলপন্থিরা ইসলাম ও সুন্নিয়াতের উপর হামলা করতে এসেছে সে পথেই আমাকে তিনি ব্যবহার করে পথে কেতাবের আকারে প্রাচীর খাড়া করে দিয়েছেন।
তাই তো তিনি কলম সম্রাট।
মোট কথা আমার দ্বারা বহু কাজ নেওয়া হয়েছে, হচ্ছে, আগামিতেও হবে।
আমাকে ব্যবহার করার জন্য পড়তে হয়,শিখতে হয়,অধ্যয়ন করতে হয়।
মূর্খরা ব্যবহার করতে পারেনা বলে, আঙ্গুল ব্যবহার করে টিপ দিয়ে কাজ চালায়।

আমার আবেদন,
আমাকে ব্যবহার করতে শিখো,
তার জন্য স্কুল, কলেজ,মাদ্রাসায় পড়ো,শিক্ষিত হও,দক্ষ হও,
আমাকে সুন্দর ভাবে ব্যবহার করো দ্বীনের কাজ করো,সমাজের কাজ করো।

কলমের হয়ে আমি লিখলাম

ইতি
মোহাম্মাদ আলী হোসাইন ক্বাদেরী

28/06/2023

Tomorrow 29/06/2023, Thursday, on the occasion of the holy Eid-ul-Azha, I wish all the Muslim brothers and sisters of the country and the province a sincere Mubarak and many best wishes and congratulations.
Stay well everyone and stay healthy.
end-
your friend,
Muhammad Asmaul Haque Qadri Jamali Al-Bokhari.
Assistant teacher; Madrasa Khwaja Garib Nawaz Nishintpur Rampurhat Birbhum.

28/06/2023

কুরবানীর হোক কিংবা এমনি হোক সর্বাবস্থায় উঝরি বা সিকমা/নাড়ীভুড়ী খাওয়া মাকরূহ তাহরিমী।
ওটা মাটিতে পুঁতে ফেলা উত্তম।

27/06/2023

আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু অল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার ওয়া লিল্লাহিল হামদু।

27/06/2023

'কুরবানীর গোশত তিন ভাগ করা কি জরুরী?
এবং বাখরা বা ফকির মিসকিন কি কুরবানীর গোশতের কোনো অংশের মালিক?
____________________________________________
কুরবানীর গোশত তিন ভাগ করতে হবে এটা কোন জরুরী বিষয় নয়, এটা মুস্তাহাব আমল।
আপনি চাইলে সবটা গোশত ফকির মিসকিন দের মধ্যে বিতরণ করে দিতে পারেন অথবা প্রয়জন হলে সবই নিজের জন্য রাখতে পারেন, কারণ কুরবানীর গোশতের মালিক সে নিজেই যিনি কুরবানী করছেন। তিন ভাগ করা এটা তার ব্যাক্তিগত ব্যাপার।
এটা বলার উদ্দেশ্য হলো যে, আজ কাল বিভিন্ন জায়গায় এটা নিয়ে নানা রকম মতামত শোনা যাচ্ছে। কিছু জায়গায় এমনও হয় যে গোশতের একটা অংশ কে নেওয়া বা খাওয়া কে নাজায়েজ বলে মনে করা হচ্ছে, সেটা নাকি বাখরা বা ফকির মিসকিন দের গোশত তাই ওটা খাওয়া যাবেনা। এমন ধারণা করা সম্পূর্ণ ভুল।
ওরে পাগল! সারা বছর ইয়াতিম,গরিব, ফকির মিসকিন এদের হকের টাকা ছিল, জাকাত, ওশুর ফেতরা সাদকার টাকা বা মাল । অথচ তাঁদের হক তাঁদের কে না দিয়ে সেই টাকা/মালের বদৌলতে আজ অট্টালিকা বানালে, তাঁদের হক মেরে নিজের ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স বাড়ালে, এদের অধিকার নষ্ট করে দিয়ে তাঁদেরকে বঞ্চিত করে রেখে হজ্ব করলে, এমনকি সেই টাকা থেকেই তুমি সাহেবে নিসাব হয়েছো আর আজ তুমি একটু গোশত দিয়ে দিলে তোমার সব দায় দায়িত্ব থেকে রেহাই পেয়ে যাবে? তোমার ফরজ আদায় হয়ে যাবে? না। আজকে তোমার খেয়াল আসল যে বাখরা/মিসকিন দের গোশত, তবে এতদিন তোমার ঘুম ভাঙ্গেনি? এতদিন কিসের নেশায় বিভোর ছিলে? আজ তোমার ঘুম ভাঙ্গল, আজকে তোমার নেশা কাটল যে আজ বলছো ফকির মিসকিন গরিবের ভাগ খাওয়া যাবেনা? আশ্চর্য! অথচ এটা কুরবানী দাতার উপর নির্ভর করে যে, সে তিন ভাগ করবে না দুই ভাগ করবে না কি করবে।
আমি বলছি না যে তিনভাগ করতে হবে না, বা গরীব মিসকিনদের দিতে হবে না। আমি বলতে চাই কোরবানির মাংস আপনি খাবেন আপনার পরিবার খাবে আপনার বন্ধুবান্ধব আত্মীয়-স্বজনদের দিয়েও তাঁরা খাবে এবং তাঁর সাথে সাথে সমাজে আশেপাশে যত গরিব ফকির ইয়াতিম মিসকিন নিঃস্ব দুস্থ অভাবী মুসলমান আছে তাঁদের দেবে তারাও খাবে। কিন্তু তাই বলে ভাগাভাগি টা নিয়ে বেশি বাড়াবাড়ি মারামারি কুমন্তব্য ঝামেলা এগুলো অনুচিত এগুলো গ্রহণযোগ্য নয়। আমাদের খেয়াল রাখতে হবে যেগুলো আসলেই নিঃস্ব দুস্থ অভাবীদের হক অধিকার আগে সেগুলোতে বেশি জোর দেওয়া দরকার। সেগুলো সময়েই তাঁদের নিকটে পৌঁছে দেওয়া মুসলমানদের কর্তব্য। এমনকি কোরবানির গোশত আপনার আশেপাশে দুস্থ অভাবী গরিব মিসকিনদের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়াটাও আপনার কর্তব্য এটা কাম্য নয় যে তাঁরা আপনার বাড়ি আসবে তারপর দেবেন। বরং আপনার উপরে তাঁদের এটা হক এটা অধিকার যে আপনি তাঁদের বাড়িতে তাদের প্রয়োজনমতো মাংস পৌঁছে দেবেন এটাই সঠিক।
:; গুজবে কান দেবেন না গুজব ছড়াবেন না।
✍️✍️ মহম্মদ আসমাউল হক কাদরী রেজবী জামালী আল-বুখারী।
সহ শিক্ষক; মাদ্রাসা খাজা গরীব নাওয়ায।
নিশ্চিন্তপুর রামপুরহাট বীরভূম।
তাং; 27/06/2023
কপি নিষিদ্ধ, শুধু শেয়ার করুন।

11/04/2023

আমরা ইমামের পেছনে কেরাত করিনা।

ইমাম মুসলিম বিন হাজ্জাজ কুশায়রী নিশাপুরী রহমাতুল্লাহি আলাইহির ছাত্র বলেন যে, আবু বাকর বিন উখতে আবী নাযর ইমাম মুসলিমকে আবু হুরায়রাহ রাদ্বিয়াল্লাহু তাআলা আনহু হতে বর্নিত হাদীস " যখন ইমাম কেরাত করবে তখন চুপ থাকো "
সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হল। তখন ইমাম মুসলিম বললেন -ھو عندی صحیحসেটা আমার নিকট সহীহ।
মুসলিম শরীফ ১৭৪ পৃষ্ঠা লাইন নম্বর ১৬ ও ১৭

আলহামদুলিল্লাহ সহীহ হাদীস অনুযায়ী আমল করে থাকি।

30/03/2023

‏یہ واقعہ آج سے ساڑھے تین ہزار سال پہلے پیش آیا تھا، فرعون کے ڈوب کر مرنے کے بعد سمندر نے اس کی لاش کو اللہ کے حکم سے باہر پھینک دیا جبکہ باقی لشکر کا کوئی نام و نشان نہ ملا۔

مصریوں میں سے کسی شخص نے ساحل پر پڑی اس کی لاش پہچان کر اہل دربار کو بتایا۔ فرعون کی لاش کو ‏محل پہنچایا گیا، درباریوں نے مسالے لگا کر اسے پوری شان اور احترام سے تابوت میں رکھ کر محفوظ کر دیا۔

حنوط کرنے کے عمل کے دوران ان سے ایک غلطی ہو گئی تھی، فرعون کیوں کہ سمندر میں ڈوب کر مرا تھا اور مرنے کے بعد کچھ عرصہ تک پانی میں رہنے کی وجہ سے اس کے ‏جسم پر سمندری نمکیات کی ایک تہہ جمی رہ گئی تھی، مصریوں نے اس کی لاش پر نمکیات کی وہ تہہ اسی طرح رہنے دی اور اسے اسی طرح حنوط کر دیا۔

وقت گزرتا رہا، زمین و آسمان نے بہت سے انقلاب دیکھے جن کی گرد کے نیچے سب کچھ چھپ گیا،
حتیٰ کہ فرعونوں ‏کی حنوط شدہ لاشیں بھی زمین کی تہوں میں چھپ گئیں، ان کے نام صرف کتابوں، ان کی تعمیرات اور لوگوں کے ذہنوں میں رہ گئے۔

اس واقعے کے دو ہزار سال بعد اس دنیا میں اللہ کے آخری نبی حضرت محمدؐ تشریف لائے، ان پر نازل ہونے والی آخری کتاب میں فرعونوں کے قصے بڑی تفصیل ‏کے ساتھ بیان کیے گئے تھے اور اسی سلسلے میں اس فرعون کا جسم محفوظ کرنے کی بابت آیت بھی نازل ہوئی تھی جس کی سچائی پر سب اہل ایمان کا پختہ یقین تو تھا
لیکن وہ سمجھنے سے قاصر تھے کہ اس خدائی کا دعوے کرنے والے کی لاش کہاں محفوظ کی گئی اور ‏کیسے اسے عبرت کا نشان بنایا جائے گا۔

1871ء میں مصر کے ایک شہر الغورنیہ سے تعلق رکھنے والے غریب اور معمولی چور احمد عبدالرسول کو فرعونوں کی حنوط شدہ لاشوں کی طرف جانے والے خفیہ راستے تک رسائی مل گئی۔ احمد عبدالرسول نوادرات چوری کرکے بیچا کرتا تھا۔ ایک ‏دن وہ دریائے نیل کے کنارے کے قریب تبیسہ کے مقام پر اسی سلسلے میں پھر رہا تھا

جب اسے ایک خفیہ راستے کا پتہ چلا۔ وہاں وہ نوادرات کی چوری کے لئے جگہ کھود رہا تھا کہ اسی دوران اسے کچھ لوگوں نے پکڑ لیا اور پولیس کے حوالے کر دیا۔

وہ جس جگہ کو کھود رہا تھا وہاں سے ‏ملنے والے راستے کی جب مسلسل کھدائی کی گئی۔1891ء کو دوسری ممیوں کے ساتھ اسی غرق ہونے والے فرعون کی لاش بھی مل گئی۔ اس کے کفن پر سینے کے مقام پر اس کا نام لکھا ہوا تھا۔ ان ممیوں کو ماہرین قاہرہ لے گئے۔ جب ان ممیوں کا تفصیل سے جائزہ لیا گیا تو فرعون والی ممی پر ‏جمی نمکیات کی تہہ سے تصدیق ہوگئی کہ یہ وہی فرعون ہے جسے اللہ نے پانی میں غرق کرکے بدترین انجام سے ہمکنار کیا تھا۔

یہ بہت بڑا واقعہ تھا اس کی تصدیق کے لیے دنیا بھر کے ماہرین آثار قدیمہ اور سائنسدان مصر کی طرف امڈ پڑے۔ مختلف سائنسی ٹیسٹ کرنے کے بعد دنیا بھر کے ‏سائنسدانوں نے تصدیق کر دی کہ دوسری سب لاشوں کی نسبت صرف فرعون کی لاش پر ہی سمندری نمکیات کی تہہ جمی ہوئی تھی۔ اس تصدیق کے بعد اسے فرعون کی لاش قرار دے کر عجائب گھر میں محفوظ کر دیا گیا۔

1982ء میں فرعون کی ممی خراب ہونے لگی تو اس وقت ‏کی مصری حکومت نے فرانس کی حکومت کو درخواست کی کہ فرعون کی ممی کو خراب ہونے سے بچایا جائے نیز جدید سائنسی ذرائع سے اس کی موت کی وجہ بھی معلوم کی جائے چنانچہ مصری اور فرانسیسی حکومت نے مل کر ممی کو فرانس لے جانے کا انتظام کیا،

جب فرعون ‏کی لاش کو فرانس پہنچایا گیا تو ائیر پورٹ پر اس دور کے فرانسیسی صدر بذات خود حکومت کے اعلیٰ عہدیداروں، تمام وزراء اور فوج کے افسران کے ساتھ استقبال کے لیے موجود تھے۔
فرعون کی لاش کا استقبال کسی عظیم زندہ بادشاہ کی طرح کیا گیا، فوجی دستوں نے ‏سلامی دی۔ فرعون کی ممی کو ماہر ڈاکٹروں کی ٹیم کے حوالے کیا گیا۔ اس ٹیم کی سربراہی ڈاکٹر مورس بوکائے نے کی تھی۔ مائیکرو سکوپک ٹیسٹوں کے ذریعے ممی کے تمام اعضاء کا باریک بینی سے جائزہ لیا گیا تو معلوم ہوا کہ اس کی لاش اور جسم میں سمندری ذرات ابھی تک موجود ‏ہیں اور موت کی وجہ بھی پانی میں ڈوبنے کی وجہ سے ہوئی تھی۔

ایک بادشاہ کی موت پانی میں ڈوبنے کی وجہ سے ہو!
یہ ڈاکٹر مورس کے لیے حیرت کی بات تھی۔ اس نے اس ممی کے بارے مزید جاننے کی کوشش کی تو اسے معلوم ہوا کہ اس بادشاہ کی ‏موت کے حالات مسلمانوں کے نبی حضرت محمدؐ پر اتری کتاب قرآن پاک میں تفصیل سے درج ہیں۔ اسے علم تھا کہ جہاں سے یہ لاش ملی ہے وہ ایک اسلامی ملک ہے چنانچہ تجسس کے ہاتھوں مجبور ہو کر وہ مصر پہنچا۔ وہ ایک سائنسدان تھا اس نے اس معاملے میں مصر کے ہی ایک سائنسدان ‏سے ملاقات کی۔ اس سائنسدان نے قرآن پاک کھول کر اسے سورۃ یونس کی آیات 90 تا 92 کا ترجمہ لفظ بہ لفظ سنایا۔ فرعون کا خدائی کا دعویٰ، اس کا پانی میں ڈوب کر مرنا اور پھر پانی سے نکال کر اس کی لاش کا حنوط ہو جانا اور پھر دوبارہ لاش کا ملنا اور پھر اس کی لاش کو ‏جدید سائنسی دور میں دوبارہ محفوظ کیا جانا۔ سب کا اشارہ ایک جانب تھا اور بہت واضح تھا۔
’’تجھے بعد میں آنے والوں کے لیے عبرت کا نشان بنا دوں گا‘‘۔

فرعون کی لاش ایسے محفوظ کرکے دنیا کے سامنے لا کر رکھ دی گئی ہے کہ انٹرنیٹ ‏کی ایک کلک پر، رسائل و جرائد پر، ٹی وی چینلز پر اور عجائب گھر میں اربوں انسانوں کی آنکھوں کے سامنے کریہہ اور پچکی قابل ترس حالت میں موجود ہے۔ عبرت کے لیے، سوچنے کے لیے کہ عبادت کے لائق اور ہمیشہ رہنے والا وہی ہے جو سب کا خالق اور رازق ہے۔ ڈاکٹر مورس نے آیات ‏کا ترجمہ سنا تو اسی وقت پکار اٹھا قرآن سچا ھے کلمہ پڑھا اور مسلمان ہو گیا۔۔۔۔۔
کاپیڈ۔۔۔
کروڑوں درود وسلام ہو حضرت محمد صلی اللہ علیہ وآلہ وسلم پہ ۔۔۔اہل بیت۔امھات المؤمنین اور تمام صحابہ کرام رضہ پہ۔۔۔۔۔

24/03/2023

Rozar fazilat

02/10/2021

🌿 ক্ববরে মাটি দেওয়ার বিবৃতিতে।🌿

অনুবাদ:
✍️হযরত আবূ হুরায়রা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তির জানাযার সালাত পড়লেন, অতঃপর মৃতের কবরের নিকট এসে তার মাথার দিক থেকে তিনবার (তিন মুঠ) মাটি দিলেন।

📚গ্ৰাজুয়েশন: সুনান ইবনে মাজাহ শরীফ, হাদীস নং (1565), সুনান আত-তাবরানী শরীফ, হাদীস নং (4673), মুসনাদ শাফেয়ী, হাদীস নং (601)

📢ব্যাখ্যা:- জানাযার নামাযে উপস্থিত ব্যক্তির জন্য মুস্তাহাব হলো মৃত্যু ব্যক্তির মাথার দিক দিয়ে উভয় হাত দ্বারা তিন মুঠ মাটি দিবে। প্রথম বার বলবে: মিনহা খালাক্বনাকুম (অর্থাৎ আল্লাহ তা'আলা বলেন, আমি তোমাকে মাটি থেকে সৃষ্টি করেছি।), দ্বিতীয় বার: ওয়া ফীহা নুয়ীদুকুম (এবং আবার তোমাকে তাতেই নিয়ে যাব।) বলবে, এবং তৃতীয় বার: ওয়া মিনহা নুখরিজিকুম তারাতান উখরা (এবং তা থেকেই আবার তোমাকে পূনরায় উঠাবো) বলবে।(📚জাওহিরা নায়্যারাহ, পৃষ্ঠা নং: ১৪১) আরো একটি হাদীস শরীফে বর্ণিত রয়েছে যে, হুযূর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজের মেয়ে হযরত উম্মে কুলসুমের জানাযা ক্ববরেতে রাখা হলে তিনি বললেন: মিনহা খালাক্বনাকুম, ওয়া ফীহা নুয়ীদুকুম, ওয়া মিনহা নুখরিজুকুম তারাতান উখরা। (📚 সুনান বায়হাক্বী শরীফ, হাদীস নং: ৬৯৭৩, ও আল-মুসতাদরাক আলাস সাহীহাঈন, খন্ড নং: ৩, হাদীস নং: ৩৪৩৩) ★যতটা মাটি ক্ববর থেকে বের করা হয়েছে, তার থেকে বেশী নিক্ষেপ করা মাকরূহ। (📚 ফাতওয়া আলমগীরী, খন্ড নং: ১, খন্ড নং: ‌১৬৬) ★মাটি দেওয়ার পর হাতে যে মাটি লাগলো, তা ঝেড়ে নিবে কিংবা ধুয়ে নেবে। (📚বাহারে শরীয়ত, খন্ড নং: ৪, পৃষ্ঠা নং: ৮৪৫)
🎍🎍🎍🎍🎍🎍🎍🎍🎍

07/09/2021

দেখেনিন মোদির নোট পরিবর্তন রহস্য-

17/08/2021

*ঐতিহাসিক বদর যুদ্ধে 313 জন সাহাবীর রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহুর নাম।*
👉১. হযরত আবু বকর (রাঃ)
২. হযরত উমর ফারুক (রাঃ)
৩. হযরত উসমান (রাঃ)
৪. হযরত আলী মোর্তাজা (রাঃ)
৫. হযরত হামজা (রাঃ)
৬. হযরত যায়েদ বিন হারেছা (রাঃ)
৭. হযরত আবু কাবশাহ সুলাইম (রাঃ)
৮. হযরত আবু মারছাদ গানাভী (রাঃ)
৯. হযরত মারছাদ বিন আবু মারছাদ(রাঃ)
১০. হযরত উবাইদা বিন হারেছ(রাঃ)
১১. হযরত তোফায়েল বিন হারেছ(রাঃ)
১২. হযরত হুসাইন বিন হারেছ (রাঃ)
১৩. হযরত আউফ বিন উসাসা (রাঃ)
১৪. হযরত আবু হুযায়ফা (রাঃ)
১৫. হযরত ছালেম (রাঃ)
১৬. হযরত সুহইব বিন সিনান (রাঃ)
১৭. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন জাহাশ(রাঃ)
১৮. হযরত উক্বাশা বিন মিহসান(রাঃ)
১৯. হযরত শুজা’ বিন ওহাব (রাঃ)
২০. হযরত ওতবা বিন রবীআহ (রাঃ)
২১. হযরত ইয়াযীদ বিন রুকাইশ (রাঃ)
২২. হযরত আবু সিনান (রাঃ)
২৩. হযরত সিনান বিন আবু সিনান(রাঃ)
২৪. হযরত মুহরিয বিন নাজলা (রাঃ)
২৫. হযরত রবীআ’ বিন আক্সাম (রাঃ)
২৬. হযরত হাতেব বিন আমর (রাঃ)
২৭. হযরত মালেক বিন আমর (রাঃ)
২৮. হযরত মিদ্লাজ বিন আমর (রাঃ)
২৯. হযরত সুওয়ায়েদ ইবনে মাখশী(রাঃ)
৩০. হযরত উৎবা বিন গাযওয়ান (রাঃ)
৩১. হযরত জুবাইর বিন আউওয়াম(রাঃ)
৩২. হযরত হাতেব বিন আবিবালতাআহ(রাঃ)
৩৩. হযরত সা’দ বিন খাওলা (রাঃ)
৩৪. হযরত মুসআব বিন উমায়ের (রাঃ)
৩৫. হযরত মাসউদ বিন সা’দ (রাঃ)
৩৬. হযরত আঃ রহমান বিন আউফ(রাঃ)
৩৭. হযরত সা’দ বিন আবু উবায়দা(রাঃ)
৩৮. হযরত উমায়ের বিনআবিওয়াক্কাস(রাঃ)
৩৯. হযরত মিক্বদাদ বিন আমর (রাঃ)
৪০. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন মাসউদ(রাঃ)
৪১. হযরত মাসউদ বিন রাবীআ (রাঃ)
৪২. হযরত যুশ্ শিমালাইন (রাঃ)
৪৩. হযরত খাব্বাব বিন আরাত (রাঃ)
৪৪. হযরত বিলাল বিন রবাহ্ (রাঃ)
৪৫. হযরত আমের বিন ফুহায়রা (রাঃ)
৪৬. হযরত ছুহাইব বিন সিনান (রাঃ)
৪৭. হযরত তালহা বিন উবাইদুল্লাহ্(রাঃ)
৪৮. হযরত আবু সালমা বিন আব্দুলআসাদ(রাঃ)
৪৯. হযরত শাম্মাস বিন উসমান (রাঃ)
৫০. হযরত আকরাম বিন আবুল আকরাম(রাঃ)
৫১. হযরত আম্মার বিন ইয়াছির (রাঃ)
৫২. হযরত মুআত্তিব বিন আউফ (রাঃ)
৫৩. হযরত যায়েদ ইবনে খাত্তাব(রাঃ)
৫৪. হযরত আমর বিন সুরাকা (রাঃ)
৫৫. হযরত ওয়াকেদ বিন আব্দুল্লাহ্(রাঃ)
৫৬. হযরত খাওলা বিন আবু খাওলা(রাঃ)
৫৭. হযরত আমের বিন রবীআহ (রাঃ)
৫৮. হযরত আমের বিন হারিছ (রাঃ)
৫৯. হযরত আমের বিন আব্দুল্লাহ্(রাঃ)
৬০. হযরত খালেদ বিন বুকাইর (রাঃ)
৬১. হযরত ইয়ায বিন গানাম (রাঃ)
৬২. হযরত সাঈদ বিন যায়েদ (রাঃ)
৬৩. হযরত উসমান বিন মাজউন (রাঃ)
৬৪. হযরত সাইব বিন উসমান (রাঃ)
৬৫. হযরত কুদামা বিন মাজউন (রাঃ)
৬৬. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন মাজউন(রাঃ)
৬৭. হযরত মা’মার বিন হারেছ (রাঃ)
৬৮. হযরত আবু উবায়দা ইবনুলজাররাহ(রাঃ)
৬৯. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন মাখ্রামা(রাঃ)
৭০. হযরত খাব্বাব মাওলা উৎবাবিনগযওয়ান(রা)
৭১. হযরত আবুস্ সাইব উসমান বিনমাজউন(রাঃ)
৭২. হযরত আমর বিন আবু সারাহ (রাঃ)
৭৩. হযরত সাকাফ বিন আমর (রাঃ)
৭৪. হযরত মুজায্যার বিন যিয়াদ(রাঃ)
৭৫. হযরত খাব্বাব ইবনুল মুনযির (রাঃ)
৭৬. হযরত উমায়ের বিন আবীওয়াক্কাছ(রাঃ)
৭৭. হযরত মিকদাদ বিন আমর (রাঃ)
৭৮. হযরত নোমান বিন আসার বিনহারেস(রাঃ)
৭৯. হযরত মিহ্জা’ মাওলা উমরফারুক(রাঃ)
৮০. হযরত ওহাব বিন আবী সারাহ(রাঃ)
আনসার সাহাবীঃ
৮১. হযরত সা’দ বিন মুআজ (রাঃ)
৮২. হযরত আমর বিন মুআজ (রাঃ)
৮৩. হযরত হারেস বিন আউস (রাঃ)
৮৪. হযরত হারেস বিন আনাস (রাঃ)
৮৫. হযরত আব্বাদ বিন বিশর (রাঃ)
৮৬. হযরত সালামা বিনসাবেত(রাঃ)
৮৭. হযরত হারেস বিন খাযামা(রাঃ)
৮৮. হযরত মুহাম্মদ বিন মাসলামা(রাঃ)
৮৯. হযরত সালামা বিন আসলাম(রাঃ)
৯০. হযরত উবায়েদ বিন তাইয়িহান(রাঃ)
৯১. হযরত কাতাদা বিন নোমান(রাঃ)
৯২. হযরত উবায়েদ বিন আউস (রাঃ)
৯৩. হযরত নসর বিন হারেস (রাঃ)
৯৪. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন তারেক(রাঃ)
৯৫. হযরত আবু আব্স বিন জব্র (রাঃ)
৯৬. হযরত আবু বুরদাহ্ হানী বিননিয়্যার(রাঃ)
৯৭. হযরত আসেম বিন সাবেত (রাঃ)
৯৮. হযরত মুআত্তিব বিন কুশাইর (রাঃ)
৯৯. হযরত আমর বিন মা’বাদ (রাঃ)
১০০. হযরত সাহল বিন হুনাইফ (রাঃ)
১০১. হযরত মুবাশ্শির বিন আব্দুলমুনযির(রাঃ)
১০২. হযরত রিফাআ বিন আঃ মুনযির(রাঃ)
১০৩. হযরত খুনাইস বিন হুযাফা (রাঃ)
১০৪. হযরত আবু সাবরা কুরাইশী(রাঃ)
১০৫. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন সালামা(রাঃ)
১০৬. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন সুহাইল(রাঃ)
১০৭. হযরত সা’দ বিন মুআয (রাঃ)
১০৮. হযরত উমায়ের বিন আউফ (রাঃ)
১০৯. হযরত আমের বিন সালামা(রাঃ)
১১০. হযরত ছফওয়ান বিন ওহাব (রাঃ)
১১১. হযরত ইয়ায বিন বুকাইর (রাঃ)
১১২. হযরত সা’দ বিন উবায়েদ (রাঃ)
১১৩. হযরত উওয়াইম বিন সায়েদাহ(রাঃ)
১১৪. হযরত রাফে বিন আনজাদা(রাঃ)
১১৫. হযরত উবায়েদ বিন আবুউবয়েদ (রাঃ)
১১৬. হযরত সা’লাবা বিন হাতেব(রাঃ)
১১৭. হযরত আবু লুবাবাহ আব্দুলমুনযির(রাঃ)
১১৮. হযরত হারেস বিন হাতেব(রাঃ)
১১৯. হযরত আসেম বিন আদী (রাঃ)
১২০.হযরত আনাছ বিন কাতাদা(রাঃ)
১২১. হযরত মাআন বিন আদী (রাঃ)
১২২. হযরত সাবেত বিন আকরাম(রাঃ)
১২৩. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন ছাহল(রাঃ)
১২৪. হযরত যায়েদ বিন আসলাম(রাঃ)
১২৫. হযরত রিব্য়ী বিনরাফে’ (রাঃ)
১২৬. হযরত সা’দ বিন যায়েদ (রাঃ)
১২৭. হযরত সালমা বিন সালামা (রাঃ)
১২৮. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন যায়েদ(রাঃ)
১২৯. হযরত আসেম বিন কায়েস (রাঃ)
১৩০. হযরত আবুস্ সয়্যাহ বিননোমান(রাঃ)
১৩১. হযরত আবু হাব্বাহ বিন আমর (রাঃ)
১৩২. হযরত হারেস বিন নোমান (রাঃ)
১৩৩. হযরত খাওয়াত বিন যুবাইর (রাঃ)
১৩৪. হযরত মুনযির বিন মুহাম্মদ (রাঃ)
১৩৫. হযরত আবু আকীল আব্দুর রহমান (রাঃ)
১৩৬. হযরত আবু দুজানা (রাঃ)
১৩৭. হযরত সা’দ বিন খায়সামা (রাঃ)
১৩৮. হযরত মুনযির বিন কুদামা (রাঃ)
১৩৯. হযরত মালেক বিন কুদামা(রাঃ)
১৪০. হযরত হারেস বিন আরফাজা(রাঃ)
১৪১. হযরত জাবের বিন আব্দুল্লাহ(রাঃ)
১৪২. হযরত মালেক বিন নুমায়লা(রাঃ)
১৪৩. হযরত খারেজা বিন যায়েদ(রাঃ)
১৪৪. হযরত সা’দ বিন রবী’ (রাঃ)
১৪৫. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিনরাওয়াহা(রাঃ)
১৪৬. হযরত বশির বিন সা’দ (রাঃ)
১৪৭. হযরত সিমাক বিন সা’দ (রাঃ)
১৪৮. হযরত সুবাঈ বিন কায়েস (রাঃ)
১৪৯. হযরত আব্বাদ বিন কায়েস(রাঃ)
১৫০. হযরত ইয়াযিদ বিন হারেস(রাঃ)
১৫১. হযরত খোবায়ের বিন য়াসাফ(রাঃ)
১৫২. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন কায়েস(রাঃ)
১৫৩. হযরত হারিস বিন যিয়াদ (রাঃ)
১৫৪. হযরত তামীম বিন য়াআর (রাঃ)
১৫৫. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন উমায়ের(রাঃ)
১৫৬. হযরত যায়েদ বিন মুযাইন (রাঃ)
১৫৭. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন উরফুতাহ্(রাঃ)
১৫৮. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিনরবী’ (রাঃ)
১৫৯. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিনআব্দুল্লাহ্(রাঃ)
১৬০. হযরত আউস বিন খাওলা (রাঃ)
১৬১. হযরত যায়েদ বিন উবায়েদ(রাঃ)
১৬২. হযরত উকবাহ বিন ওহাব (রাঃ)
১৬৩. হযরত রিফাআহ বিন আমর (রাঃ)
১৬৪. হযরত উসায়ের বিন আসর (রাঃ)
১৬৫. হযরত মা’বাদ বিন আব্বাদ(রাঃ)
১৬৬. হযরত আমের বিন বুকাইর (রাঃ)
১৬৭. হযরত নওফল বিন আব্দুল্লাহ্(রাঃ)
১৬৮. হযরত উবাদা বিন সামেত(রাঃ)
১৬৯. হযরত নোমান বিন মালেক(রাঃ)
১৭০. হযরত সাবেত বিন হায্যাল(রাঃ)
১৭১. হযরত মালেক বিন দুখশুম (রাঃ)
১৭২. হযরত রবী’ বিন ইয়াছ (রাঃ)
১৭৩. হযরত ওয়ারাকা বিন ইয়াছ(রাঃ)
১৭৪. হযরত আমর বিন ইয়াছ (রাঃ)
১৭৫. হযরত আমর বিন কয়েস (রাঃ)
১৭৬. হযরত ফাকেহ বিন বিশ্র (রাঃ)
১৭৭. হযরত নওফল বিন সা’লাবা(রাঃ)
১৭৮. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন সা’লাবা(রাঃ)
১৭৯. হযরত মুনযির বিন আমর (রাঃ)
১৮০. হযরত আবু উসায়েদ মালেক(রাঃ)
১৮১. হযরত মালেক বিন মাসউদ(রাঃ)
১৮২. হযরত আবদে রাব্বিহি (রাঃ)
১৮৩. হযরত কা’ব বিন জাম্মায (রাঃ)
১৮৪. হযরত জমরাহ বিন আমর (রাঃ)
১৮৫. হযরত যিয়াদ বিন আমর (রাঃ)
১৮৬. হযরত হুবাব বিন মুনযির (রাঃ)
১৮৭. হযরত উমায়ের বিন হারাম(রাঃ)
১৮৮. হযরত উমায়ের বিন হুমাম (রাঃ)
১৮৯. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন আমর (রাঃ)
১৯০. হযরত মুআজ বিন আমর (রাঃ)
১৯১. হযরত মুআউওয়াজ বিন আমর (রাঃ)
১৯২. হযরত খাল্লাদ বিন আমর (রাঃ)
১৯৩. হযরত উকবাহ্ বিন আমের (রাঃ)
১৯৪. হযরত সাবেত বিন খালেদ(রাঃ)
১৯৫. হযরত বিশ্র বিন বারা (রাঃ)
১৯৬. হযরত তোফায়েল বিন মালেক(রাঃ)
১৯৭. হযরত তোফায়েল বিন নোমান(রাঃ)
১৯৮. হযরত সিনান বিন সাঈফী(রাঃ)
১৯৯. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন জাদ (রাঃ)
২০০. হযরত উৎবা বিন আব্দুল্লাহ্(রাঃ)
২০১. হযরত জাব্বার বিন সাখর (রাঃ)
২০২. হযরত খারেজা বিন হিময়ার(রাঃ)
২০৩. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিনহুমায়্যির(রাঃ)
২০৪. হযরত ইয়াযিদ বিন মুনযির (রাঃ)
২০৫. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন নোমান(রাঃ)
২০৬. হযরত জহহাক বিন হারেসা(রাঃ)
২০৭. হযরত আসওয়াদ বিন যুরাইক(রাঃ)
২০৮. হযরত মা’বাদ বিন কায়েস(রাঃ)
২০৯. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন কায়েসখালেদ(রাঃ)
২১০. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন আব্দেমানাফ্(রাঃ)
২১১. হযরত খালিদ বিন কায়েস(রাঃ)
২১২. হযরত সুলাইম বিন আমর (রাঃ)
২১৩. হযরত কুতবা বিন আমের (রাঃ)
২১৪. হযরত আন্তারা মাওলা বনীসুলাইম(রাঃ)
২১৫. হযরত আব্স বিন আমের (রাঃ)
২১৬. হযরত সা’লাবা বিন আনামা(রাঃ)
২১৭. হযরত আবুল য়াসার বিন আমর(রাঃ)
২১৮. হযরত উবাদা বিন কয়েস (রাঃ)
২১৯. হযরত আমর বিন তাল্ক (রাঃ)
২২০. হযরত মুআজ বিন জাবাল (রাঃ)
২২১. হযরত কয়েস বিন মুহ্সান (রাঃ)
২২২. হযরত হারেস বিন কয়েস (রাঃ)
২২৩. হযরত সা’দ বিন উসমান (রাঃ)
২২৪. হযরত উকবা বিন উসমান (রাঃ)
২২৫. হযরত জাকওয়ান বিন আবদেকয়েস(রাঃ)
২২৬. হযরত মুআজ বিন মায়েস (রাঃ)
২২৭. হযরত আয়েজ বিন মায়েজ(রাঃ)
২২৮. হযরত মাসউদ বিন সা’দ (রাঃ)
২২৯. হযরত রিফাআ বিনরাফে’ (রাঃ)
২৩০. হযরত খাল্লাদ বিনরাফে’ (রাঃ)
২৩১. হযরত উবায়েদ বিন যায়েদ(রাঃ)
২৩২. হযরত যিয়াদ বিন লাবীদ(রাঃ)
২৩৩. হযরত ফারওয়াহ বিন আমর(রাঃ)
২৩৪. হযরত আতিয়্যা বিন নুওয়াইরা(রাঃ)
২৩৫. হযরত খলিফা বিন আদী (রাঃ)
২৩৬. হযরত উমারা বিন হায্ম(রাঃ)
২৩৭. হযরত সুরাকা বিন কা’ব (রাঃ)
২৩৮. হযরত হারেসা বিন নোমান(রাঃ)
২৩৯. হযরত সুলাইম বিন কয়েস (রাঃ)
২৪০. হযরত সুহাইল বিন কয়েস (রাঃ)
২৪১. হযরত আদী বিন আবুয্ যাগ্বা(রাঃ)
২৪২. হযরত মাসউদ বিন আউস (রাঃ)
২৪৩. হযরত আবু খুজাইমাহ্ বিন আউস(রাঃ)
২৪৪. হযরত রাফে’ বিন হারেস(রাঃ)
২৪৫. হযরত মুআওয়াজ বিন হারেস(রাঃ)
২৪৬. হযরত নোমান বিন আমর (রাঃ)
২৪৭. হযরত আমের বিন মুখাল্লাদ(রাঃ)
২৪৮. হযরত উসাইমা আশযায়ী (রাঃ)
২৪৯. হযরত ওদীআহ বিন আমর (রাঃ)
২৫০. হযরত আবুল হামরা মাওলাহারেস(রাঃ)
২৫১. হযরত সা’লাবা বিন আমর (রাঃ)
২৫২. হযরত সুহাইল বিন আতীক (রাঃ)
২৫৩. হযরত হারেস বিন আতীক (রাঃ)
২৫৪. হযরত হারেস বিন ছিম্মাহ(রাঃ)
২৫৫. হযরত উবাই বিন কা’ব (রাঃ)
২৫৬. হযরত আনাস বিন মুআজ (রাঃ)
২৫৭. হযরত আউস বিন সামেত (রাঃ)
২৫৮. হযরত আবু তাল্হা যায়েদ বিনছাহল(রাঃ)
২৫৯. হযরত হারেসা বিন সুরাকা(রাঃ)
২৬০. হযরত আমর বিন সা’লাবা (রাঃ)
২৬১. হযরত সাবেত বিন খানছা(রাঃ)
২৬২. হযরত আমের বিন উমাইয়াহ্(রাঃ)
২৬৩. হযরত মুহ্রিয বিন আমের (রাঃ)
২৬৪. হযরত সাওয়াদ বিনগাযিয়্যাহ(রাঃ)
২৬৫. হযরত আবু যায়েদ কয়েস বিনসাকান(রাঃ)
২৬৬. হযরত আবুল আওয়ার বিনহারেস(রাঃ)
২৬৭. হযরত হারাম বিন মিল্হান(রাঃ)
২৬৮. হযরত কয়েস বিন আবী সা’সা(রাঃ)
২৬৯. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন কা’ব(রাঃ)
২৭০. হযরত উসাইমা আসাদী (রাঃ)
২৭১. হযরত আবু দাউদ উমাইর (রাঃ)
২৭২. হযরত সুরাকা বিন আমর (রাঃ)
২৭৩. হযরত কয়েস বিন মাখলাদ (রাঃ)
২৭৪. হযরত নোমান বিন আব্দে আমর(রাঃ)
২৭৫. হযরত জহ্হাক বিন আব্দে আমর(রাঃ)
২৭৬. হযরত সুলাইম বিন হারেস (রাঃ)
২৭৭. হযরত জাবের বিন খালেদ(রাঃ)
২৭৮. হযরত সা’দ বিন সুহাইল (রাঃ)
২৭৯. হযরত কা’ব বিন যায়েদ (রাঃ)
২৮০. হযরত বুজাইর বিন আবিবুজাইর(রাঃ)
২৮১. হযরত ইৎবান বিন মালেক (রাঃ)
২৮২. হযরত মুলাইল বিন ওবারাহ(রাঃ)
২৮৩. হযরত হেলাল বিন মুআল্লাহ(রাঃ)
২৮৪. হযরত আনাছাহ আল হাবাশী(রাঃ)
২৮৫. হযরত বাহ্হাস বিন সালাবা(রাঃ)
২৮৬. হযরত জাব্র বিন আতীক (রাঃ)
২৮৭. হযরত আবু আয়্যুব আনছারী (রাঃ)
২৮৮. হযরত খিরাশ ইবনুস সিম্মাহ(রাঃ)
২৮৯. হযরত খুরাইম বিন ফাতেক(রাঃ)
২৯০. হযরত খুবাইব বিন ইছাফ (রাঃ)
২৯১. হযরত খুবাইব বিন আদী (রাঃ)
২৯২. হযরত খিদাশ বিন কাতাদা(রাঃ)
২৯৩. হযরত খালেদ বিন সুওয়াইদ(রাঃ)
২৯৪. হযরত রাফে’ বিন আল মুআল্লা(রাঃ)
২৯৫. হযরত রুখায়লা বিন সা’লাবা(রাঃ)
২৯৬. হযরত সাব্রা বিন ফাতেক(রাঃ)
২৯৭. হযরত সুহাইল বিনরাফে’ (রাঃ)
২৯৮. হযরত সুওয়াইবিত বিনহারমালা(রাঃ)
২৯৯. হযরত তুলাইব বিন উমাইর (রাঃ)
৩০০. হযরত উবাদা বিন খাশখাশকুজায়ী(রাঃ)
৩০১. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন জুবাইরবিননোমান (রাঃ)
৩০২. হযরত আবু সালামা বিন আব্দুলআসাদ (রাঃ)
৩০৩. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন আব্স (রাঃ)
৩০৪. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন উনায়েছ(রাঃ)
৩০৫. হযরত উবাইদ বিন সা’লাবা(রাঃ)
৩০৬. হযরত উমায়ের বিন নিয়ার(রাঃ)
৩০৭. হযরত মালেক বিন আবীখাওলা(রাঃ)
৩০৮. হযরত মালেক বিন কুদামা(রাঃ)
৩০৯. হযরত মুরারা বিনরবী’ (রাঃ)
৩১০. হযরত মাসউদ বিন খাল্দাহ(রাঃ)
৩১১. হযরত মুআজ বিন হারেস (রাঃ)
৩১২. হযরত মা’কিল বিন আলমুনযির(রাঃ)
৩১৩. হযরত নোমান বিন আছার বিনহারেছ (রাঃ)

*_★নিজে জানুন শেয়ার করে অপরকে জানার সুযোগ করে দিন★
মহম্মদ আসমাউল হক রেজবী বুখারী।

Want your school to be the top-listed School/college in KOLKATA?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Videos (show all)

Location

Website

Address


Murshidaad
Kolkata
742226
Other Education Websites in Kolkata (show all)
Be Rankers Be Rankers
2 TN Banerjee Road
Kolkata, 700115

BE Rankers Academy is one of the best institute.

CWSC CWSC
Kolkata, 700074

Computer World Solution Centre(CWSC) is a educational institute for learning programming with online

Orion SofTech & ContentGrill Pvt. Ltd. Orion SofTech & ContentGrill Pvt. Ltd.
Kolkata

Starting from content development solutions, we are equipped with website and software development a

My College Search My College Search
2C Dimple Court 26 Shakespeare Sarani
Kolkata, 700017

Mycollegesearch.in is the reliable and trustworthy source to help you get admission.in MBBS | BDS | BAMS | BHMS at the top medical colleges across the globe.

Department of Education, Vivekananda College for Women Department of Education, Vivekananda College for Women
Diamond Harbour Road, Behala Chowrasta
Kolkata, 700008

Department of Education, Vivekananda College for Women, Barisha, Kolkata-700008

Biswa.Net Biswa.Net
Belghoria
Kolkata, 700056

West Bengal Govt. Employee's salary statement, Form 16, 192 tax calculation pay slip pension gratui

Sandiip kar institute of placement management Sandiip kar institute of placement management
Kolkata, 700084

Sandiip kar institute of placement management, Information of Education and placement.

SDIFT - Skill Development Institute of Film and Technology SDIFT - Skill Development Institute of Film and Technology
A/117A Baghajatin Colony, Landmark/Layalka Water Tank, Near Hanuman Temple, Kolkata/
Kolkata, 700092

SDIFT is one of the best Film Institute in Kolkata, India. We provide many Professional Career Courses of Film Making with Best faculties, Latest Equipment & Lowest Course Fee by maintaining world class syllabus along with 100% placement assistance.

GK_Quiz 2M GK_Quiz 2M
Kolkata
Kolkata, 700001

.

kolom.org kolom.org
Tarakeswar
Kolkata

এটি একটি এডুকেশনাল পেজ, পড়াশোনা সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য প্রদান করাই হলো আমাদের মূল লক্ষ্য।

Utilize ISLAM Utilize ISLAM
N. H/34
Kolkata

আসসালামু আলাইকুম, আপনাদের সকলকে আমাদের ফেসবুক পেজে স্বাগত

Kidsar Abacus Kidsar Abacus
18 D D MONDAL GHAT Road, P. O-DAKSHINESWAR, KOLKATTA
Kolkata, 700076

KIDSAR ABACUS