Programming Beginner To Advanced

PBA INSTITUTE [AN ISO 9001- 2015 CERTIFIED & MSME REGISTERED COMPUTER TRAINING INSTITUTE ] is a priv If anyone wants to learn any programming language easily then it’s better to do it practically, because only practical knowledge can lead to a deeper understanding.

Operating as usual

[09/14/21]   Telecaller required for PBA COMPUTER INSTITUTE CALL/ WHATSAPP- 9239412412

10/09/2021
10/09/2021
10/09/2021
10/09/2021
10/09/2021
10/09/2021
10/09/2021
10/09/2021
Photos from Programming Beginner To Advanced's post 20/08/2021

PBA INSTITUTE 2018- 2020

07/08/2021

2021

2021

29/06/2021

এই রাজবাড়িরই গায়ে লেখা শতাধিক বছরের দীর্ঘ ইতিহাস!

https://fb.watch/6qy6XTXJmF/

Photos from Programming Beginner To Advanced's post 07/06/2021

New reviews

Photos from Programming Beginner To Advanced's post 04/06/2021

Reviews

Photos from Programming Beginner To Advanced's post 04/06/2021

Reviews

[05/24/21]   আগামী 26শে মে, বুধবার ঘূর্ণিঝড়ের প্রবল সম্ভাবনা আছে. আপনারা নিজেদের পাকা বাড়িতে সুরক্ষিত থাকবেন. যাদের কাঁচা বাড়ি, তারা প্রশাসন কর্তৃক নির্দিষ্ট ত্রান শিবিরে আশ্রয় নেবেন. প্রশাসন থেকে বার্তা না পেলে কেউ বাইরে বেরোবেন না. আবহাওয়া দপ্তরের বিজ্ঞপ্তি ও সতর্কবার্তার দিকে নজর রাখবেন

19/05/2021
Photos from Programming Beginner To Advanced's post 26/03/2021

Photos from Programming Beginner To Advanced's post

26/01/2021

Happy Republic Day 2021

Photos from Programming Beginner To Advanced's post 19/01/2021

PBA INSTITUTE

18/01/2021

THE GOLDEN FRUIT - A Thought Provoking Story By Sandeep Maheshwari

31/12/2020

Happy new year 2021 all of you

11/12/2020

PBA INSTITUTE

27/11/2020

Student of PBA INSTITUTE

#মৃত_পুরুষের_সন্ধানে
#দ্বিতীয়_পর্ব

ছায়া দি চলে গেলে মধু উঠে বসলো। অসহনীয় জীবনে কোনো পুরুষকেই ও আর সহ্য করতে পারে না। এখনও রাতে ভয়ে কঁকিয়ে ওঠে পুরানো স্মৃতির আছাড় খেয়ে। মিষ্টি মার কাছে যখন ও এসেছিলো তখন ও পাগলপ্রায়। সন্তানসম্ভবা, অসুস্থ, কথা বলে না, শুধু কাঁদে। ব্যবচ্ছিন্ন জীবনে এলকোহলের দাপটে জরাজীর্ণ শরীর। অতীত ভুলতে চাওয়ার ব্যর্থ প্রয়াস। মিষ্টি মা হসপিটাল থেকে সোজা বাড়ি নিয়ে এসেছিল। তারপর আর কোনোদিনও কোলছাড়া করেনি। যকের ধন একবার কোল ছেড়ে গিয়ে আবার কোলে ফিরে এসেছে। নয়নের মনি মধুছন্দা, ভালোবাসা-আদরে মিষ্টি মা কিছুর কম রাখেনি। ড: ঋদ্ধিমান বসু তখন হসপিটালে নতুন এসেছেন। একেবারে নাছোড়বান্দা হয়ে ড: বসুর সাথে মিষ্টি মা মধুর সুস্থতার জন্য উঠে পড়ে লেগেছিল।
মিষ্টি মা কেন এত তাড়াতাড়ি একলা করে দিয়ে চলে গেল? বালিশটা সোফা থেকে টেনে কোলে জাপটে ধরে দেয়ালে ফ্রেমবন্দি রাধারানী মজুমদারের হাসি মুখের দিকে ভেজা চোখে তাকিয়ে রইলো। অনেক অভিমান মা-মেয়ের। মিষ্টি মা চলে গিয়ে মধুছন্দাকে আরও রুক্ষ বানিয়ে দিয়েছে। সবার সামনের একটা গাম্ভীর্য রেখে চলে, কান্না গুলো লুকিয়ে ফেলে অন্ধকারে, উড়িয়ে দেয় নিকোটিনের পোড়া গন্ধের ঝাঁঝালো তীব্রতার সাথে।
এমন সময় টুংটাং শব্দ করে মুঠোফোনের স্ক্রীনে ড: ঋদ্ধি বসু নামটা জ্বলে উঠলো। রোজ নিয়ম করে তুতুর খোঁজ নেয় ড: বসু, সঙ্গে মধুছন্দারও।
-তুতুর এডমিশন ঠিকঠাক ভাবে হলো?
-হ্যাঁ। পরের মাস থেকে ক্লাস শুরু হবে।
-টেনশন করছো?
-একটু।
-তুতু কিন্তু অনেকটা ইম্প্রুভ করেছে, আরও একটু নজরে রেখো, খেয়াল রেখো। কাল ওর থেরাপি আছে তো? আমি মি: দত্তর সাথে কথা বলে রেখেছি। তুমি ওকে বিকেলে হসপিটালে নিয়ে চলে এসো।
-আচ্ছা। আপনারও আজ চেক আপ ছিল, হলো না। নেক্সট এপয়েন্টমেন্ট কবে?
-তুমি এভাবে কেন বলো?
-কি এমন বললাম আমি?
-তুতু আমার মেয়ে। আমার পেশেন্ট নয়। ওর চেক আপের জন্য এপয়েন্টমেন্টের অপেক্ষা কেন করো? বাড়িতে নিয়ে এলেই তো হয়। আমি ওর সাথে একটু সময় কাটাতে পারি। ওর কাছের মানুষের মধ্যে আমিও পড়ি। তুতু আমাকে ভরসা করে, আমার কথা শোনে। তুমি নিজের কথা ভেবে তুতুকে আমার থেকে দূরে রাখতে চাইছো। আমার কথাটা একবার বোঝার...
-তাহলে কাল থেরাপি শেষে আপনার বাড়িতে ওকে নিয়ে যাবেন। ছায়া দি সঙ্গে থাকবে।
-তুমি থাকবে না?
-তুতু আমার থেকে আপনার কাছে বেশী ভালো থাকে। কাল কাজ আছে আমার।
-তুমি মা হয়ে যদি এতটা দূরত্ব রাখো ওর পক্ষে একটা তুলনামূলক সুস্থ জীবন কাটানো সম্ভব কি করে হবে বলো? নিজেকে এতটা ব্যস্ত করে রেখোনা। দেখো একটা সময় তোমার চিকিৎসা করেছি। এমনকি এখনও তুমি আমার গাইডলাইন মেনে চলো। মিষ্টি-মার দেওয়া প্রস্তাব, তোমাকে আলাদা করে চেনা, এসব যদি সরিয়েও রাখি, তবে আমি কিন্তু তোমার ওই মনের খোঁজ টুকু পেয়েছি। নিজের সঙ্গে একটা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছো তুমি, মন যা বলে তুমি তার উল্টো করো, মনের উপর জবরদস্তি করো, মনের উপর তোমার যত রাগ। আমাকে বন্ধু ভাবতে তো পারো, ভরসা করলে ঠকবেনা, সেটা তুমিও জানো। মিষ্টিমার কথাটা ফেলতে পারতে কি, আজ যদি তিনি বেঁচে থাকতেন?
ফোনের অন্য পারে অপার নিস্তব্ধতা। শুধু মধুছন্দার শ্বাস-প্রশ্বাসের ছন্দ ঋদ্ধিমানের কানে এসে বাজছে।
-মধু! তুমি ওষুধগুলো সময় মতো খাচ্ছো তো?
-হমম।
-ছায়া দি আমাকে আজকে ফোন করেছিল। কথা হয়েছে। আবার তুমি এসব কি শুরু করেছো? তুমি যদি এরকম করো, আমি তাহলে আর কোনো কথাই শুনবো না। তুতুকে বরাবরের মতো আমার কাছে এনে রাখবো।
-তুতু আজকাল আমার সাথেও ভালো থাকে ঋদ্ধিবাবু। আজ আমার সাথে আধঘন্টা গল্প করেছে, গাড়িতে করে স্কুলে যাবার সময়। জানেন আজ প্রথম ও বায়না করেছে বাড়ি ফেরার পথে, পুতুল কেনার। আর স্কুলে প্রিন্সিপালের কথার উত্তর দিয়েছে সব, স্কুল ঘুরে দেখেছে কেয়ার টেকারের সঙ্গে। আমার মেয়েটা ভালো হয়ে উঠবে হয়তো। আমার দোষের এত বড় শাস্তি ও দেবে না। আমার কাছেও ও ভালো থাকবে।

ডুকরে কেঁদে উঠলো মধুছন্দা।

-এত বড়ো কথাটা তুমি এতক্ষন বলোনি! এই কেঁদো না, থামো। আমি আছি, সব ঠিক হয়ে যাবে। আমি তো চেষ্টার কোনো ত্রুটি রাখিনি। অটিজম রোগটাই যে বড়ো নির্মম, তোমার তুতুকে তোমার কোলে যতটা পারি স্বাভাবিকভাবে ফিরিয়ে দেব, আর পাঁচটা বাচ্ছার মতো ও বড়ো হবে। তোমার মতো অনেক শক্তিশালী হবে, ছুটবে হাঁটবে, ভেঙে পড়বে না।
-আমি শক্তিশালী! হাসালেন! এখনও আপনার একজন পেশেন্ট আমি।
-তুমি নিজেকে শুধু আমার পেশেন্টই ভাবো তাই। আমি তো তা ভাবি না। তোমার ভিতর আমি এক বৃষস্কন্ধ পুরুষের সন্ধান পেয়েছি, তাকে একটু ভালোবেসে দেখো। সেও তোমাকে অনেকটা ভালোবাসা ফিরিয়ে দেবে। উজাড় করে ভালোবেসে কেউ খালি হাতে ফেরে না। তুমি আমার বন্ধু, অনেক কাছের মানুষ। তোমার কাছে নিজের সবটুকু বলা যায়। আমার সারাদিনে আমি অজস্র মানুষের মন খারাপের ওষুধ দিই, তাদের মন খারাপের গল্প শুনি, মনের কত ব্যায়রাম, যত রকম মানুষ তাদের তত রকম সমস্যা। কিন্তু আমার মন খারাপের গল্প তো তোমার কাছেই বলা যায়, আমার ওষুধ তুমি। তোমার কাছে দিনের শেষে ফিরে আসতে পারলে মনে হয় এই বেশ আছি। তুমি যতই মুখে কঠোর হও আমি জানি মন থেকে ঠেলে বের করে দিতে পারো না। নয়তো মিষ্টি মা তো আর নেই, তুমি পারতে তার কথার খেলাপ করে আমাকে সরিয়ে দিতে। কিন্তু তুমি তা পারোনি। কারণ জিজ্ঞেস করলে উত্তরটা এড়িয়ে যাবে তুমি । কিন্তু কারণটা তুমি এই মনের ডাক্তারের কাছে লুকাতে পারোনি মধু!
-আমি আপনার পেশেন্ট। ব্যাস। সারাজীবনে অবহেলা ছাড়া আর কিছু পাবেন না।
-অবহেলা! সে তো ভালো জিনিস। যত তুমি আমাকে অবহেলা করবে তত আমি তোমার মনের গভীরের সন্ধানে নামবো। জানো তো প্রেম ভালোবাসা বড্ড বিড়ম্বনার, একটু বেশী হয়ে গেলেই তার নানা উৎপাত শুরু হয়, চাওয়া পাওয়া নিয়ে প্রতিযোগিতা হয়ে যায়। এই বেশ ভালো আছি, ছাড়া হাত পা, তুমি বাঁধোনি আমাকে, তাই ইচ্ছে মতো উড়তে পারি। খুব গোপনে তোমায় অনেকখানি ভালোবাসতে পারি।
-বটে! তা এরম মানসিকতা নিয়ে ডাক্তারি করেন কিভাবে? পেশেন্ট বাঁচে?
-তা তুমি নিজেই ভাবো না হয়! বাঁচলে না মরলে! তবে আমি কিন্তু তোমাতেই মরেছি। আমিও তো একটা মানুষ মধু! সুখ দুঃখ তোমার, তোমাদের যেমন আছে, আমারও তো আছে। আমি নিজের ডাক্তারি টা নিজে কি করে করি বলো তো? দিনান্তে আমারও তো মনে হয় আমি একটা নিরাপদ আশ্রয় চাই। বাবা মা সবাই ইহলোকের মায়া ত্যাগ করেছেন। তোমাকে আর তুতুকে নিয়ে আমার জীবন। আমি তোমার কাছে এসব বলবো না তো কার কাছে বলবো? তুমি আমাকে বারবার ফিরিয়ে দাও, তাও সেসব কথা মাথায় না রেখে আমি তোমার কাছেই ফিরে যাই। কারণ কি মনে হয়! আমি নির্লজ্জ? আত্মসম্মানহীন? না মধু! তুমি তাহলে আমাকে চিনতে পারোনি পুরোটা।
-মেয়েদের মতো ন্যাকামি করবেন না। ওটা পুরুষদের মানায় না।
-তো কি সিংহের মতো হুংকার করবো? বলবো যে, তোমাকে ভালোবাসি। তুলে নিয়ে এসে বিয়ে করবো। তারপর দেখবো তুমি কিরকম সুখী না হয়ে থাকো!! তবে.. তুমি যে রকম পুরুষচিত্ত মহিলা, যা তোমার দাপট, তাতে আমাকে নারী বলে অপবাদ দিলে আমি ধন্য হবো। ধন্য আমি ধন্য গো, নারী তোমার জন্য গো!
-ছি! ফোনটা রাখুন।
-তোমাকে আঘাত দিতে কথাটা বলিনি। তোমার অতীত তোমাকে এখনো তাড়া করে আমি জানি। কিন্তু দেখো, শরীর আর মন দুটোর মধ্যে অনেকখানি ফারাক। একটার সঙ্গে অন্যটাকে আমরা গুলিয়ে ফেলি। কারোর মানসিক গঠন শরীরের সাথে মিলতে নাই পারে। তাতে তার অস্তিত্বটা ভুল প্রমাণিত হয় না। তোমার সাথে যেটা হয়েছিল সেটা হয়তো অন্যায়, কিন্তু সেই মানুষটার দিক থেকে যদি একবার ভাবা যেতো, তার ভুল গুলোকে ক্ষমা করে দিয়ে হয়তো দেখতে সেও তোমারই মতো। অনুভূতি কার মধ্যে কেমন ভাবে আসবে, তার ধরণ কেমন হবে, পুরুষসুলভ না নারীসুলভ, সেটার নির্ণয় শুধু শরীর দিয়ে হতে পারে না। মন শরীর সব টুকু নিয়ে মানুষ, তাহলে শুধু শরীরটুকুকে দিয়ে একটা মানুষকে বিচার নাই বা করলে, কারুর পরিচিতি গঠনের জন্য, তার অস্তিত্ব আর আবেগ অনুভূতিকে স্বীকৃতি দেবার জন্য তার মনটাকেই নাহয় প্যারামিটার হিসেবে ধরলে, তাহলে দেখবে শরীরটা বড়ো হয়ে আর আসছে না। সেই মানুষটাও তোমারই মতো একজন। চেহারাটা বড়ো হয়ে দেখা দিচ্ছে না। আমাদের সমস্যা কি জানো!? আমরা যেমনটা দেখতে অভ্যস্ত তার বাইরে কিছু দেখলেই সেটাকে ভুল বলে ভাবি। কিন্তু দৃষ্টিভঙ্গি একটু বদলালে গল্পগুলো অনেক সাবলীল কাহিনী হয়ে ওঠে। শরীরের বাহ্যিক প্রকাশ আর শরীরের গভীরে প্রোথিত স্বভাব, চাহিদা এগুলোর মধ্যে আমরা অসামঞ্জস্যতা দেখতে পেলেই যে বলে দিই তারা অস্বাভাবিক, এটা আমাদের সমস্যা, স্টিরিওটাইপ মন আমাদের। আমরা উন্মুক্ত মনের হতে পারিনি। আমাদের কাছে আমাদের পছন্দটাই স্বাভাবিক, বাকি যা কিছু একটু নিয়মভাঙ্গা সেগুলোকে আমরা অকপটে ভুলের তকমা লাগিয়ে হাত গুটিয়ে নিই। কিন্তু তাতে কি তাদের অনুভূতি, তাদের স্বভাব, চাহিদা, ভালোলাগা, ভালোবাসা সব মিথ্যে হয়ে যায়? ভুল হয়ে যায়!? মধু! তোমার অতীতের সম্পর্কটা নিয়ে এগিয়ে যাওয়া তোমাদের দুজনের পক্ষেই সম্ভবপর ছিল না, তারমানেই সব ভুল তার একথা কে বললো? এই সম্পর্কে তার কতটুকু অবদান ছিলো ভেবে দেখো। আদৌ কোনো অবদান ছিল কি?
-মেরুদন্ডহীন পুরুষ ছিলো। নিজের স্বত্ত্বাকে স্বীকার করার ক্ষমতা ছিলো না। প্রতারণা করেছে আমার সাথে। নামেই পুরুষ!
-এই তো এতক্ষনে ঠিক বললে। নামেই পুরুষ! মানসিকভাবে বা স্বভাবে তো তা নয়! তাহলে নিজের প্রতি আজও তোমার এই আক্ষেপ কেন? অনেকেরই তো প্রথম প্রেমটা ভুল হয়ে যায়। তাই বলে কি আক্ষেপে জীবন কাটিয়ে দেয়? তুমিও তাই ভাবো। আসলে কি জানো তো আমার মানুষটার শরীর দেখে নয়, মন দেখে প্রেমে পড়ি, ভালোবাসি। পরিস্থিতির কারণে হয়তো সেই মানুষটার সঙ্গে এগিয়ে চলা সম্ভব হয় না। কিন্তু তার পরেও আমরা নতুন মানুষ খুঁজি। শুধু শরীরটাই নতুনত্বে মোড়া থাকে। কিন্তু তার মনের মধ্যে আগের মানুষটার মনের মিল পেলে ভালোবাসার ভুল আবার হয়ে যায়। আবার সেই পাগলামি, সেই উত্তেজনা, সেই আবেগ। শরীরে কে কবে ডুবেছে? মনের চোরাবালিতে ডুবেছে যে সেই ভালোবেসেছে, মরেছে। আর বেরোনোর রাস্তা নেই। ইর্রিভাসিবল্ প্রসেস। ভালোবাসা হলো ভুল। বুঝলে প্রিয়তমা! সবচেয়ে বড়ো দুর্বলতার নাম ভালোবাসা, যেটা কঠিনতম বাধাকে পেরিয়ে যাবার ক্ষমতা রাখে। একবার ঠিক করে এই ভুলখানা করে ফেলো শুধু।
-কি করে পারো তুমি এত মহান হতে?
-ঠিক যেমন করে তুমি নিজের মন আর মাথার সঙ্গে লড়াই করার পর ক্লান্ত হয়ে আমাকে "তুমি" ডেকে ফেল, ঠিক সেই ভাবে।

নিজের মনের অল্প পরিসরে লুকিয়ে রাখা অনুভূতি কথার জালে "তুমি" হয়ে বেরিয়ে আসার লজ্জায় আরো কুঁকড়ে গেল মধুছন্দা। পেটের মধ্যে চেপে ধরে থাকা বালিশে মুখ গুঁজে দিলো। নিজেকে দূরে সরিয়ে রাখার ব্যর্থ আপ্রাণ চেষ্টা যখন প্রতিপক্ষের কাছে নগ্ন হয়ে যায়, তার থেকে বেশী অস্থিরতার মুহুর্ত আর নেই। চোখের জলে ভিজে অক্ষিপল্লবের লোমগুলো মোহময়ী হয়ে উঠেছে, চাপা অনুভূতির বাষ্প নাকের উপর বিন্দু বিন্দু হয়ে জমেছে। লজ্জায় আরক্ত মধুছন্দা। এই মানুষটার থেকে নিজেকে আড়াল করার উপায় হাতড়ে আজও কোনো সমাধান পায়নি। নৈঃশব্দের জালে জড়িয়ে থেকে একটু একটু করে বাঁধা পড়েছে আবার। তবু স্বীকারোক্তি নেই মুখে। না চাইতেই আজ ভালোবাসা এসে ভরিয়ে দেয় মধুছন্দাকে। ভয় করে, তাকে আঁকড়ে ধরতে গেলেই যদি শ্বাসরুদ্ধ হয়ে ভালোবাসা মরে যায়। এর থেকে এই বেশ ভালো আছে সে। তাকে বাঁধেনি। ইচ্ছে মতো উড়তে দিয়েছে।

- মধু! তুমি খাওনি। যাও। নিজে খাও। মেয়ের কাছে বসো। আমার মেয়েটা পুতুল নিয়ে একাই খেলতে খেলতে ঘুমিয়ে পড়েছে। তোমার কাজ করার জন্য ঢের সময় আছে।
- এত সব জানলে কি করে!?
- সুন্দরী প্রেমিকা আমার। তাই একটা স্পাই রেখেছি। বলা যায়! কখন কে...
- ও ছায়াদি আজকাল এই সব করছে।
- আমার প্রেয়সীর যত্ন নিতে বলেছি একটু।
- আমি আপনার প্রেমিকা নই। রাগ সপ্তমে তুলে নিজের কপালে দুঃখ ডাকবেন না।
- উফফ! আবার আপনি! বেশ তো তুমি তুমি হচ্ছিলো। আচ্ছা। আর রাগাবো না। ড: ঋদ্ধিমান বসু বলছি। মিস মধুছন্দা দে, খেয়ে ওষুধগুলো খেয়ে নিন। মেয়ের সাথে সময় কাটান। গুড নাইট। আর হ্যাঁ রাত জাগবেন না। জলদি ঘুমিয়ে পড়বেন। স্বপ্নে আমি আসছি। সি ইউ সুন। টাটা।

এই একটা মানুষই আছে যার কাছে মধু এখনও মধুছন্দা দে। মিষ্টি মার কাছে আর ওর কাছে ছাড়া এখনও সমাজের কাছে ও মিসেস সেন। তার কাছ থেকে দূরে চলে এলেও এতদিনে পদবীর ভার নামানো হয়নি। কেমন আছে সে?

©দেবকলি

ছবি: সংগৃহীত

ধারাবাহিকটি ভালো লাগলে নাম ও ছবি সহ পেজ থেকে শেয়ার করতে পারেন। 😊😊

প্রথম পর্বের লিঙ্ক:
https://www.facebook.com/103816064735219/posts/178063387310486/

16/11/2020
03/11/2020

Web Design Project Developed By Mayukh Bhaumik (Student of PBA INSTITUTE)

31/10/2020

[10/19/20]   Python for loop to while loop convert:
Question:
for i in range(4):
for j in range(5):
if(i+1==j or j+1==4):
print("+",end=" ")
else:
print("o",end=" ")
print()
Ans.
i=0
while(i

15/10/2020

Why A P J Abdul Kalam is Inspiration By Sandeep Maheshwari

#motivation

05/10/2020

Dot Net Developer
Congratulation Sapta Singha
Company Website : https://www.yourflow.com.au/

Dot Net Developer
Congratulation Sapta Singha
Company Website : https://www.yourflow.com.au/

Photos from Programming Beginner To Advanced's post 04/10/2020

Admissions going on

22/09/2020

अकेले पड़ जाओ तो इसे सुनो BEST MOTIVATIONAL VIDEO By Sandeep Maheshwari

13/09/2020

Web design course within 2 months { Html ,CSS , JavaScript }
Call 9239412412

04/09/2020

C,C++,JAVA,PYTHON,.NET,JAVASCRIPT ................

CALL : 9239412412

Videos (show all)

अकेले पड़ जाओ तो इसे सुनो BEST MOTIVATIONAL VIDEO By Sandeep Maheshwari
C,C++,JAVA,PYTHON,.NET,JAVASCRIPT ................
BEST MOTIVATION VIDEO HINDI
Excel POWER,SQRT,QUOTIENT, MOD FUNCTIONS
Excel Average & Product in Bengali
Excel Tutorial in Bengali

Location

Telephone