Bhattanagar Kulakamini Vidyamandir ভটট্নগর কূলকামি

"Where there is great love , there are always miracles" --Willa Cather Happiness is to love and to be loved.

Operating as usual

04/07/2021

দেখলে কিন্তু মনটা ভালো হয়ে যায়...

05/06/2021

আবার কবে শিখবো আমরা নিজের ভালো মন্দ,
আবার কবে দাঁড়াবো উঠে, ছেড়ে দিয়ে দ্বিধা দ্বন্দ্ব।
-ভিডিয়োটি সংগৃহীত

[05/27/21]   কলকাতার সাপ্তাহিক 'নাগরিক' পত্রিকার ২য় বর্ষ, ১ম (বার্ষিক) সংখ্যার জন্য লেখা চেয়ে রবীন্দ্রনাথকে এই চিঠিটি লেখেন নজরুল ইসলাম, পত্রিকার লেটারহেডে।

*NAGARIK*
Illustrated Bengali Weekly
1/C Manmatha Bhattacharya St.

Calcutta.
28-08-1935

শ্রীচরণারবিন্দেষু,

গুরুদেব! বহুদিন শ্রীচরণ দর্শন করিনি। আমার ওপর হয়তো প্রসন্ন কাব্যলক্ষ্মী হিজ মাস্টার্স ভয়েসের কুকুরের ভয়ে আমায় ত্যাগ করেছেন বহুদিন। কাজেই সাহিত্যের আসর থেকে আমি প্রায় স্বেচ্ছানির্বাসন নিয়েছি। আপনার তপস্যায় আমি কখনো উৎপাত করেছি বলে মনে পড়ে না। তাই অবকাশ সত্ত্বেও আমি আপনার দূরে দূরেই থেকেছি। তবু জানি, আমার শ্রদ্ধার শতদল আপনার চরণস্পর্শ থেকে বঞ্চিত হয়নি।

আমার কয়েকজন অন্তরঙ্গ সাহিত্যিক ও কবি বন্ধু ‘নাগরিক’ পরিচালনা করছেন। গতবার পূজায় আপনার কিরণস্পর্শে ‘নাগরিক’ আলোকিত হয়ে উঠেছিল, এবারও আমরা সেই সাহসে আপনার দ্বারস্থ হচ্ছি। আপনার যে কোনো লেখা পেলেই ধন্য হব। ভাদ্রের শেষেই পূজা সংখ্যা নাগরিক প্রকাশিত হবে। তার আগেই আপনার লেখনী-প্রসাদ আমরা পাব, আশা রাখি।

আপনার স্বাস্থ্যের কথা আর জিজ্ঞাসা করলাম না। ইতি -

প্রণত
নজরুল ইসলাম।

- - - - -

১লা সেপ্টেম্বর, ১৯৩৫ রবীন্দ্রনাথ এর উত্তরে নজরুলকে লেখেন,

কল্যাণীয়েষু,

অনেকদিন পর তোমার সাড়া পেয়ে মন খুব খুশি হোল। কিছু দাবী করেছো - তোমার দাবী অস্বীকার করা আমার পক্ষে কঠিন। আমার মুস্কিল এই, পচাঁত্তরে পড়তে তোমার এখনো অনেক দেরি আছে এইজন্য আমার শীর্ণ শক্তি আর জীর্ণ দেহের পরে তোমার দরদ নেই। কোনো মন্ত্রবলে বয়স বদল করতে পারলে তোমার শিক্ষা হতো। কিন্তু মহাভারতের যুগ অনেক দূরে চলে গেছে, এখন দেহে মনে মানবসমাজকে চলতে হয় সায়েন্সের সীমানা বাঁচিয়ে।

অনেকদিন থেকে আমার আয়ুর ক্ষেত্রে ক্লান্তির ছায়া ঘনিয়ে আসছিল, কিছুদিন থেকে তার উপরেও দেহযন্ত্রের বিকলন দেখা দিয়েছে। এখন মূলধন ভেঙে দেহযাত্রা নির্বাহ করতে হচ্ছে - যা ব্যয় হচ্ছে তার আর পূরণ হবার উপায় নেই। তোমার বয়সে লেখা সম্বন্ধে প্রায় দাতাকর্ণ ছিলুম, ছোটোবড়ো সকলকেই অন্তত মুষ্টি ভিক্ষাও দিয়েছি। কলম এখন কৃপণ, স্বভাবদোষে নয়, অভাববশত। ছোটবড় নানা আয়তনের কাগজের পত্রপুট নিয়ে নানা প্রার্থী আমার অঙ্গনে এসে ভিড় করে - তাদের সকলকেই ফেরাতে হলো। অনাবৃষ্টির কুয়োর শেষতলায় অল্প যেটুকু জল জমে ছিল সেটুকু নিঃশেষ হয়ে গেছে। আমি প্রতিজ্ঞা করছি কৃপণের অখ্যাতি শেষ বয়সে স্বীকার করে নিয়ে রিক্ত দানপাত্র হাতে বিদায় নেব। যারা ফিরে যাবে তারা দুয়ো দিয়ে যাবে কিন্তু বৈতরণীর মাঝদরিয়ায় সে ধ্বনি কানে উঠবে না।

আজকাল দেখতে পাই ছোটো ছোটো বিস্তর কাগজের অকস্মাৎ উদ্‌গম হচ্ছে - ফুল ফসলের চেয়ে তাদের কাঁটার প্রাধান্যই বেশি। আমি সেকেলে লোক, বয়সও হয়েছে। সাহিত্যে পরস্পর খোঁচাখুঁচির প্রাদুর্ভাব কেবল দুঃখজনক নয়, আমার কাছে লজ্জাজনক বোধ হয়। এইজন্যে এখনকার ক্ষণসাহিত্যের কাঁচা রাস্তায় যেখানে সেখানে পা বাড়াতে আমার ভয় লাগে। সাবধানে বাছাই করে চলবার সময় নেই, নজর ক্ষীণ হয়েছে; এইজন্যে এইসকল গলিপথ একেবারে এড়িয়ে চলাই আমার পক্ষে নিরাপদ। তুমি তরুণ কবি, এই প্রাচীন কবি তোমার কাছ থেকে আর কিছু না হোক করুণা দাবী করতে পারে। নিষ্কিঞ্চনের কাছে প্রার্থনা করে তাকে লজ্জা দিও না। এই নতুন যুগে যে সব যাত্রী সাহিত্যতীর্থে যাত্রা করবে পাথেয় তাদের নিজের ভিতর থেকেই সংগ্রহ করতে হবে।

শুনেছি বর্ধমান অঞ্চলে তোমার জন্ম। আমরা থাকি তার পাশের জিলায় - কখনো যদি ঐ সীমানা পেরিয়ে আমাদের এদিকে আসতে পারো খুশি হবো। স্বচক্ষে আমার অবস্থাও দেখে যেতে পারবে।

ইতি ১৫ ভাদ্র, ১৩৪২
স্নেহরত
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

রবীন্দ্রনাথের এই চিঠি পেয়ে 'নাগরিক'-এর ওই বার্ষিক সংখ্যাতেই (২য় বর্ষ, ১ম সংখ্যা, ১৩৪২ সন) 'তীর্থপথিক' নামে একটা দীর্ঘ কবিতা লেখেন নজরুল ইসলাম। সেই কবিতার শেষের লাইনগুলো পুরোটা উদ্ধৃত করলাম -

_বিজ্ঞান বলে, বলুক, রবির কমিয়া আসিছে আয়ু;_
_রবি রবে যতদিন এই ক্ষিতি-অপ-তেজ-বায়ু।_
_মহাশূন্যের বক্ষ জুড়িয়া বিরাজে যে ভাস্কর,_
_তার আছে ক্ষয়, এত প্রত্যয় করিবে কোন্ সে নর?_
_চন্দ্র-ও আছে, আছে অসংখ্য তারকা রাতের তরে_
_তবু দিবসের রবি বিনা মহাশূন্য নাহি সে ভরে।_
_তুমি রবি, তুমি বহু ঊর্ধ্বের, তোমার সে কাছাকাছি_
_যাবে কোন্ জন? তোমার কিরণ-প্রসাদ পাইয়া বাঁচি।_
_তুমি স্রষ্টার শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি বিশ্বের বিস্ময়,_
_তব গুণ-গানে ভাষা-সুর যেন সব হয়ে যায় লয়।_
_তুমি স্মরিয়াছ ভক্তেরে তব, এই গৌরবখানি_
_রাখিব কোথায় ভেবে নাহি পাই, আনন্দে মূক বাণী।_

_কাব্যলোকের বাণী-বিতানের আমি কেহ নহি আর,_
_বিদায়ের পথে তুমি দিলে তবু কেন এ আশিস-হার?_
_প্রার্থনা মোর, যদি আরবার জন্মি এ ধরণীতে,_
_আসি যেন শুধু গাহন করিতে তোমার কাব্য-গীতে!!_

১৯৩৫ সালে লেখা এই কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থে প্রকাশিত হয় নি। এর মাত্র সাতবছর পরে, ১৯৪২ সালের ১০ই জুলাই নজরুল ইসলাম অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং দ্রুত বাকশক্তি হারিয়ে ফেলেন। নজরুল ইসলামের বয়স তখন মাত্র ৪৩ বছর। এরপর জীবনের শেষ ৩৪ বছর এই যৌবনদীপ্ত মুখর কবি নির্বাক হয়ে, দুরারোগ্য স্নায়বিক রোগের শিকার হয়েই অতিবাহিত করেন।

🙏🙏

সূত্রঃ নজরুল জীবনী / অরুণকুমার বসু (পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি, কলকাতা ২০০০)

(২৫ শে বৈশাখ উপলক্ষ্যে )

15/04/2021
23/01/2021
21/01/2021
12/01/2021
01/01/2021

🙏𝓦𝓲𝓼𝓱 𝓨𝓸𝓾 𝓐𝓵𝓵 𝓪𝓷𝓭 𝓨𝓸𝓾𝓻 𝓕𝓪𝓶𝓲𝓵𝔂 𝓐 𝓥𝓮𝓻𝔂 𝓗𝓪𝓹𝓹𝔂, 𝓢𝓪𝓯𝓮 , 𝓗𝓮𝓪𝓵𝓽𝓱𝔂 𝓪𝓷𝓭 𝓟𝓻𝓸𝓼𝓹𝓮𝓻𝓸𝓾𝓼 𝓝𝓮𝔀 𝓨𝓮𝓪𝓻 2021!💐🌹𝓦𝓲𝓼𝓱 𝔀𝓮 𝓪𝓵𝓵 𝓰𝓮𝓽 𝓽𝓱𝓮 𝓿𝓪𝓬𝓬𝓲𝓷𝓮𝓼 𝓼𝓸𝓸𝓷 𝓪𝓷𝓭 𝓰𝓸 𝓫𝓪𝓬𝓴 𝓽𝓸 𝓸𝓾𝓻 𝓸𝓵𝓭 𝓫𝓮𝓪𝓾𝓽𝓲𝓯𝓾𝓵 𝓵𝓲𝓯𝓮'𝓼..🙏

🙏𝓦𝓲𝓼𝓱 𝓨𝓸𝓾 𝓐𝓵𝓵 𝓪𝓷𝓭 𝓨𝓸𝓾𝓻 𝓕𝓪𝓶𝓲𝓵𝔂 𝓐 𝓥𝓮𝓻𝔂 𝓗𝓪𝓹𝓹𝔂, 𝓢𝓪𝓯𝓮 , 𝓗𝓮𝓪𝓵𝓽𝓱𝔂 𝓪𝓷𝓭 𝓟𝓻𝓸𝓼𝓹𝓮𝓻𝓸𝓾𝓼 𝓝𝓮𝔀 𝓨𝓮𝓪𝓻 2021!💐🌹𝓦𝓲𝓼𝓱 𝔀𝓮 𝓪𝓵𝓵 𝓰𝓮𝓽 𝓽𝓱𝓮 𝓿𝓪𝓬𝓬𝓲𝓷𝓮𝓼 𝓼𝓸𝓸𝓷 𝓪𝓷𝓭 𝓰𝓸 𝓫𝓪𝓬𝓴 𝓽𝓸 𝓸𝓾𝓻 𝓸𝓵𝓭 𝓫𝓮𝓪𝓾𝓽𝓲𝓯𝓾𝓵 𝓵𝓲𝓯𝓮'𝓼..🙏

28/11/2020

হারিয়ে যাওয়া বন্ধু......

30/10/2020

কবি সুকুমার রায়ের জন্মদিনে তাঁর এক ভক্তের শ্রদ্ধা-

মেঘ মুলুকে ঝাপ্‌সা রাতে,
রামধনুকের আব্‌ছায়াতে,
তাল বেতালে খেয়াল সুরে,
তান ধরেছি কণ্ঠ পুরে ।
হেথায় নিষেধ নাই রে দাদা,
নাই রে বাঁধন নাইরে বাধা ।
হেথায় রঙিন্‌ আকাশ তলে
স্বপন দোলা হাওয়ায় দোলে,
সুরের নেশায় ঝরনা ছোটে,
আকাশ কুসুম আপনি ফোটে,
রঙিয়ে আকাশ, রঙিয়ে মন
চমক জাগে ক্ষণে ক্ষণ !
আজকে দাদা যাবার আগে
বল্‌ব যা মোর চিত্তে লাগে-
নাই বা তাহার অর্থ হোক্‌
নাইবা বুঝুক বেবাক্‌ লোক ।
আপনাকে আজ আপন হতে
ভাসিয়ে দিলাম খেয়ালস্রোতে।
ছুট্‌লে কথা থামায় কে ?
আজকে ঠেকায় আমায় কে ?
আজকে আমার মনের মাঝে
ধাঁই ধপাধপ্‌ তব্‌লা বাজে-
রাম-খটাখট্‌ ঘ্যাচাং ঘ্যাঁচ্‌
কথায় কাটে কথার প্যাঁচ্‌ ।
আলোয় ঢাকা অন্ধকার,
ঘণ্টা বাজে গন্ধে তার ।
গোপন প্রাণে স্বপন দূত,
মঞ্চে নাচেন পঞ্চ ভূত !
হ্যাংলা হাতি চ্যাং-দোলা,
শূন্যে তাদের ঠ্যাং তোলা ।
মক্ষি রাণী পক্ষীরাজ-
দস্যি ছেলে লক্ষী আজ ।
আদিম কালের চাঁদিম হিম
তোড়ায় বাঁধা ঘোড়ার ডিম ।
ঘনিয়ে এল ঘুমের ঘোর,
গানের পালা সাঙ্গ মোর ।

30/10/2020
30/10/2020
22/10/2020

এবার না হয়।

এবার না হয়, পুজোর গন্ধ
মাখলে নিজের মতো,
এবার না হয়, পুজোর দিনে
না হলে স্মরণাগত।
এবার না হয়, আলোর ছটা
বাদেই হলো পুজো,
এবার না হয়, আনন্দ টা
ঘরের মধ্যে খুঁজো।
এবার না হয়, রাত বিরিতে
মঞ্চে করলে ভীড়,
এবার না হয়, ঠাকুর দেখতে
না হলেগো নতশির।
এবার না হয়, নাই বা হলে
রূপে রূপে মাতোয়ারা,
এবার না হয়, নাই বা জমালে
জলসায় সারা পাড়া।
এবার না হয়, নাই-বা পড়লে,
অপরিচিতের প্রেমে,
এবার না হয়, নাই-বা জুড়লে,
একসাথে একফ্রেমে।
এবার না হয়, অঞ্জলি তুমি
মনে মনে সেরে ফেলো,
এবার না হয়, পঙতি ভোজন
পারলেই দুরে ঠেলো।
এবার না হয়, নাই-বা হলে
রাত চরা মহীয়সী,
এবার না হয়, হলে সাধারণ
পায়েতে পরালে রশি।
এবার না হয়, একটু থামো
উৎসাহে দাও যতি,
এবার না হয়, নাই-বা বাড়ালে
মৃতের উর্ধগতি।
এবার না হয়, নিজে ঠিক থেকো,
ঠিক রেখ পড়শীকে,
এবার না হয়, শেষ পুজো নয়,
জীবন না হয় ফিকে।

21/10/2020
29/07/2020
28/07/2020
14/07/2020

নাস্তিক প্রফেসর ক্লাসে ঢুকেই তার ছাত্রদের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলেন,
"পৃথিবীতে যা কিছু আছে সব কি সৃষ্টিকর্তা তৈরি করেছেন?"
একজন ছাত্র বেশ আত্মবিশ্বাসের সাথেই উত্তর দিলো, হ্যাঁ স্যার। সবকিছুই সৃষ্টিকর্তা তৈরি করেছেন।
"তাই নাকি! ছাত্র টির উত্তর শুনে মুচকি হাসেন প্রফেসর। সৃষ্টিকর্তা সত্যিই সবকিছু তৈরি করেছেন? তুমি ভেবে বলছো?"
ছাত্র টি আগের মত আত্মবিশ্বাসের সাথে হ্যাঁ বোধক উত্তর দিতেই প্রফেসর আবারও প্রশ্ন করেন, "সৃষ্টিকর্তাই যদি সবকিছু তৈরি করে থাকেন তাহলে উনি তো খারাপ কেও সৃষ্টি করেছেন। তোমার উত্তর অনুযায়ী যেহেতু খারাপের অস্তিত্ব আছে এবং আমরা কি সেটা আমাদের কাজের উপর নির্ভর করেই নির্ধারণ হয়, সেই যুক্তি অনুযায়ী তাহলে সৃষ্টিকর্তা নিজেই খারাপ। কারন আমাদের ভাল-মন্দ সব গুণ উনি তৈরি করেছেন।"
প্রফেসরের এমন কথা শুনে সব ছাত্র চুপ হয়ে গেলো। কেউ কিছু বলছেনা।
ছাত্রদের চুপ হয়ে যাওয়া দেখে প্রফেসর নিজের উপর বেশ সন্তুষ্ট হলেন।
কিছুক্ষণ পর আরেকজন ছাত্র উঠে দাড়ালো। প্রফেসর আমুদে ভঙ্গীতে জিজ্ঞাসা করেন, কিছু বলতে চাও? ছাত্র টি হাসি মুখে প্রফেসরের কাছে জানতে চায়, "আপনাকে একটা প্রশ্ন করতে পারি স্যার?"
অবশ্যই করতে পারো। প্রফেসর অনুমতি দিতেই ছাত্র টি জিজ্ঞাসা করে- "স্যার, ঠান্ডা বলে কোনো কিছুর অস্তিত্ব আছে কি?"???

প্রশ্ন শুনে প্রফেসরের চেহারায় বিরক্তি ফুটে ওঠে। "কি গাধার মত প্রশ্ন করো! ঠান্ডার অস্তিত্ব থাকবেনা কেন? অবশ্যই ঠান্ডার অস্তিত্ব আছে। তোমার কি কখনো ঠান্ডা লাগেনি?"
এবার ছাত্র টি মুচকি হেসে উত্তর দেয়, সত্যি বলতে কি স্যার, ঠান্ডার কোনো অস্তিত্ব নেই। আমরা যেটাকে ঠান্ডা বলি, পদার্থ বিজ্ঞানের ভাষায় সেটা আসলে তাপের অনুপস্থিতি। আমরা এই "ঠান্ডা' শব্দ টিকে জাস্ট কম তাপ কিংবা তাপের অনুপস্থিতি কে ব্যাখ্যা করার জন্য ব্যবহার করি।
কিছুক্ষণ পর ছাত্র টি আবারো প্রশ্ন করে, "স্যার অন্ধকার বলে কিছু কি পৃথিবীতে আছে?"
প্রফেসর উত্তর দেন, কেন থাকবেনা! অবশ্যই অন্ধকারের অস্তিত্ব আছে।
ছাত্র টি সহাস্যে উত্তর দেয়, আপনার ধারণা ভুল স্যার। অন্ধকার বলে কোনো কিছুর অস্তিত্ব নেই। আমরা আলো কে নিয়ে রিসার্চ করতে পারি, আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ মাপতে পারি, আলোর গতি বের করতে পারি। কিন্তু অন্ধকারের অস্তিত্ব নেই বলেই আমরা অন্ধকার নিয়ে কোনো কিছুই করতে পারিনা। সামান্য একটা আলোক রশ্নি অন্ধকার দূর করতে যথেষ্ঠ, কিন্তু অন্ধকার কখনো আলো কে গ্রাস করতে পারেনা। কারন অন্ধকার বলে কোনো কিছুর অস্তিত্ব নেই, অন্ধকার হচ্ছে আলোর অনুপস্থিতি।
ছাত্র টি আবারও প্রশ্ন করে বসে। "স্যার, এবার বলেন খারাপের কি অস্তিত্ব আছে?"
প্রফেসর বেশ ক্রুদ্ধস্বরে উত্তর দেন, অবশ্যই আছে। প্রতিদিন কত মানুষ খুন হচ্ছে, অন্যায় হচ্ছে, এগুলো খারাপ না?"
ছাত্র টি বেশ জোরের সাথে উত্তর দেয়, "না স্যার। খারাপের কোনো অস্তিত্ব নেই, এটা হচ্ছে ভালোর অনুপস্থিতি। এটা সেই ঠান্ডা এবং অন্ধকারের মতই, মানুষের অন্তরে সৃষ্টিকর্তার প্রতি ভালবাসার অনুপস্থিতিই এই খারাপ বা মন্দের অবস্থা তৈরি করে।Collected .........!!!
এই ছাত্রটি ছিলেন নরেন্দ্রনাথ দত্ত, যিনি আজ সারা বিশ্বে স্বামী বিবেকানন্দ হিসাবে পরিচিত!!

[07/07/20]   #স্কুলটিফিনের_সেই_মুহূর্তগুলো 🙂❤

কাকু, ও কাকু! এদিকে শোনো না! আমাকে দু'টাকার পেপসি দাও না। তাড়াতাড়ি করো, এক্ষুণি টিফিন শেষ হওয়ার ঘণ্টা বেজে যাবে। এই নাও পয়সাটা রাখলাম এখানে...

এই তিন-চারটে লাইনই ছোটোবেলার অনেক কথা মনে করিয়ে দেয় আমাদের। স্কুলে টিফিন পিরিয়ডের ঘণ্টা বাজলেই ছুট্টে চলে আসতাম আমরা সেই কাকুদের কাছে। পকেটে কত টাকা থাকত আমাদের? বড়জোড় পাঁচ টাকা হবে হয়ত! কিন্তু সেই পাঁচ টাকাই যেন ছিল আমাদের কাছে প্রতিদিনের গুপ্তধন। সেই গুপ্তধন দিয়ে হয়ত দুনিয়ার সমস্ত ক্ষমতা হাতের মুঠোয় আনার সাধ্যি ছিল না আমাদের, কিন্তু টিফিন পিরিয়ডের পরের ক্লাস শুরু হওয়ার আগে একফালি হাসি এবং মনের শান্তির কারণ ছিল সেই গুপ্তধন 😌

টিফিন পিরিয়ডের ঐ 30-40 মিনিট ছিল ঠেলার কাকুদের জীবনের সবচেয়ে ব্যস্ততম মুহূর্ত। একদল ছাত্রছাত্রী ছিল, যারা টিফিন শুরু হওয়ার বেল পড়ার সাথে সাথেই ছুটে চলে যেত ওই কাকুদের কাছে। আর একদল ছিল, যারা সারা টিফিন পিরিয়ড খেলাধুলা করে কাটিয়ে একদম শেষ মুহূর্তে ঘেমে-নেয়ে আসত ঐ কাকুদের কাছে। কাকুগুলোর যেন একরকম মুখস্থও হয়ে গেছিল যে কে কোন জিনিসটা খাবে! টিফিন পিরিয়ড শেষ হওয়ার সাথে সাথে ঝুলি প্রায় খালি করে সেদিনের মত বিদায় নিত তারাও 😊

কি কি থাকত কাকুদের ঝুলিতে, যেটা আমাদের এত আকৃষ্ট করত? না না, কোনো চাইনিশ-মেক্সিকান খাবার থাকত না সেখানে! কিন্তু যেগুলো থাকত, সেগুলো আমাদের জিভে জল আনার জন্য যথেষ্ট ছিল। কুলের আচার, ঘুঘনি, আমসি, আলুকাবলি, ঝালমুড়ি, চানাচুর, আলুর চিপস, আমলকি, ভুজিয়া, চটপটি ইত্যাদি নানারকম খাবারের পসরা সাজানো থাকত। একটা কাকু আবার মাথায় থার্মোকলের 'ফ্রিজ' নিয়ে আসত, যাতে থাকত দু টাকার ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা পেপসি। কেউ আবার বরফগোলা নিয়ে বসত এক কোণায়। তবে এতকিছুর মধ্যে আমাদের সবচেয়ে প্রিয় ছিল ওই জলজিরা, আমপাচক, Satmola, হজমি গুলো। কখনো জলজিরাটা জলে না গুলেই চেটে চেটে খেয়ে নিতাম, কখনো বা একটা গোটা আমপাচকের প্যাকেট ঢেলে দিতাম একটুখানি জল আছে, এমন বোতলের মধ্যে। আহা, সেই টক টক স্বাদ কখনো ভোলার নয় 😋

ধীরে ধীরে সেদিনের মত টিফিন পিরিয়ড শেষ হয়ে যেত। নতুন ক্লাস শুরু হওয়ার সময় হয়ে যেত, ক্লাসে স্যার/ম্যাডাম চলেও আসত, কিন্তু আমাদের টিফিন যে তখন শুরু হয়েছে সবে! অতএব, স্যার-ম্যাডামের থেকে লুকিয়ে সেই টিফিন সাবাড় করে ফেলতাম আমরা। এভাবেই কেটে যেত প্রতিটা দিন, প্রতিটা টিফিন পিরিয়ড, প্রতিটা আনন্দময় মুহূর্ত 🖤

তারপর একদিন হঠাৎ করে বড় হয়ে গেলাম। স্কুলের গণ্ডি পেরিয়ে কলেজে উঠলাম। বিরিয়ানি, মোমো, চাউমিনরা এসে দখল করে নিল ওই জলজিরা, ঘুঘনি, পেপসির জায়গাটা! টিফিনের ঘণ্টা বাজলে ছুট্টে ক্লাস থেকে বেরিয়ে যাওয়ার বদলে পকেট থেকে ফোন বার করে ফেসবুকে ঢুকে যেতে শুরু করলাম। সবকিছু যেন হঠাৎই বদলে গেল 😅

মাঝে মাঝে ভাবি, আমাদের সময়কার সেই ঠেলা কাকুগুলো আসে এখনো? দু'টাকায় কটা হজমি দেয় এখন ওরা? পেপসিতে পেপসি বলে কিছু থাকে এখন, নাকি আগের মতই বরফ চুষতে হয় শুধু? বেঞ্চের নীচে উঁকি দিলে এখনো কি পাওয়া যায় জলজিরার খালি প্যাকেটটা? নাকি...

"কাকু, দু'টাকার পেপসি দাও না! এক্ষুণি ঘণ্টা বেজে যাবে..." 😊❤
( সংগ্রহীত)

21/06/2020

Forwarded...

16/06/2020

This is so so good ... I had never known these profound distinctions between *Intelligence* and *Wisdom*

Worth reading on ...

1. Intelligence leads to arguments.
Wisdom leads to settlements.

2. Intelligence is power of will.
Wisdom is power OVER will.

3. Intelligence is heat, it burns.
Wisdom is warmth, it comforts.

4. Intelligence is pursuit of knowledge, it tires the seeker.
Wisdom is pursuit of truth, it inspires the seeker.

5. Intelligence is holding on.
Wisdom is letting go.

6. Intelligence leads you.
Wisdom guides you.

7. An intelligent man thinks he knows everything.

A wise man knows that there is still something to learn.

8. An intelligent man always tries to prove his point.
A wise man knows there really is no point.

9. An intelligent man freely gives unsolicited advice.
A wise man keeps his counsel until all options are considered.

10. An intelligent man understands what is being said.
A wise man understands what is left unsaid.

11. An intelligent man speaks when he has to say something.
A wise man speaks when he has something to say.

12. An intelligent man sees everything as relative.
A wise man sees everything as related.

13. An intelligent man tries to control the mass flow.
A wise man navigates the mass flow.

14. An intelligent man preaches.
A wise man reaches.

Intelligence is good
but wisdom achieves better results.

14/06/2020
09/06/2020

সাতে পাঁচে থাকিনা, সংগ্রহীত।

28/05/2020

আমরা আবার কবে সচেতন হব....

[05/27/20]   🙏Listen to the song sung by Sonu Nigam and see the heart wrenching exodus. I’m sure some of us will have tears 😥 in the eyes & instead of complaining about life, we will thank 🙏 the supreme power "N" numbers of times...Take Care Stay Safe.

25/05/2020
25/05/2020
13/05/2020

রবিঠাকুর আর শনিঠাকুর, সুন্দর উন্মোচন...

08/05/2020
08/05/2020

১৫৯ তম জন্মদিনের অনেক অনেক শুভেচ্ছা কবি। 🙏

29/04/2020

Excerpts from the last letter
- Irrfan Khan
--------
It’s been quite some time now since I have been diagnosed with a high-grade neuroendocrine cancer. This new name in my vocabulary, I got to know, was rare, and due to fewer study cases, and less information comparatively, the unpredictability of the treatment was more. I was part of a trial-and-error game.

I had been in a different game, I was travelling on a speedy train ride, had dreams, plans, aspirations, goals, was fully engaged in them. And suddenly someone taps on my shoulder and I turn to see. It’s the TC: “Your destination is about to come. Please get down.” I am confused: “No, no. My destination hasn’t come.” “No, this is it. This is how it is sometimes.”

“The only thing I expect from ME is not to face this crisis in this present state. I desperately need my feet. Fear and panic should not overrule me and make me miserable.”

As I was entering the hospital, drained, exhausted, listless, I hardly realised my hospital was on the opposite side of Lord’s, the stadium. The Mecca of my childhood dream. Amidst the pain, I saw a poster of a smiling Vivian Richards. Nothing happened, as if that world didn’t ever belong to me.

The only thing certain was the uncertainty. All I could do was to realise my strength and play my game better.

For the first time, I felt what 'freedom' truly means. It felt like an accomplishment. As if I was tasting life for the first time, the magical side of it. My confidence in the intelligence of the cosmos became absolute. I feel as if it has entered every cell of mine.

A realisation that the cork doesn’t need to control the current. That you are being gently rocked in the cradle of nature.

Adieu, Irrfan!

[04/28/20]   পৃথিবী জুড়ে বদলে যাওয়া ছবি....

23/04/2020

Worth saying

22/04/2020
19/04/2020
14/04/2020

🙏💐 শুভ *নববর্ষ*.....শুভ দিনের সবাই কে অনেক অনেক আন্তরিক শুভেচ্ছা ও আগামী দিনের অনেক শুভ কামনা💐

Videos (show all)

Forwarded...
সাতে পাঁচে থাকিনা,  সংগ্রহীত।
আমরা আবার কবে সচেতন হব....
রবিঠাকুর আর শনিঠাকুর,  সুন্দর উন্মোচন...
Worth saying

Location

Category

Telephone

Address

Gadadhar Bhatta Road
Howrah
711204
Other High Schools in Howrah (show all)
V.N.memorial School V.N.memorial School
44,CHINTAMONEY DEY ROAD
Howrah, 711 101

MONTESSORI TO CLASS V

Baluhati High School Baluhati High School
Domjur
Howrah, 711405

Estd.-1856 (Higher Secondary) Govt. Aided

New Andul Higher Class School New Andul Higher Class School
Andul Choudhury Para
Howrah, 711302

A Higher Secondary school,having around 1000+ student capacity with a highly qualified pool of teacher and equipped with Lab,Library,Play Ground.

Sibpur Srimat Swami Projnanananda Saraswati Vidyalaya Sibpur Srimat Swami Projnanananda Saraswati Vidyalaya
78/8 College Road
Howrah, 711103

The Official page of Sibpur S S P S Vidyalaya, Howrah - 711103

Howrah Vivekananda Institution Howrah Vivekananda Institution
75 & 77 Swami Vivekananda Road Santragachi, Howrah 711104 India
Howrah, 711104

This is The Official Page of Howrah Vivekananda Institution . You can ask your question about our school or Share your Views & memories here.

Santragachi Kedarnath Institution Santragachi Kedarnath Institution
Sastri Narendronath Gangully Road,ramrajatala,howrah
Howrah, 711104

Howrah Muslim High School H.S Howrah Muslim High School H.S
45, Belilious Road Howrah 1
Howrah, 711101

The Howrah Muslim High school is the URDU MEDIUM ,Govt. Aided & Recognized by West Bengal Board of secondary Education Index No. F1-055 H.S Code No. 06205

Mohiary Kundu Chaudhuri Institution Mohiary Kundu Chaudhuri Institution
Acharya Sirish Sarani,Andul-Mouri
Howrah, 711302

★ Welcome To The Official page of Mohiary Kundu Chaudhury Institution ★

Sri Ramkrishna Sikshalaya, Howrah Sri Ramkrishna Sikshalaya, Howrah
106, N.S. Dutta Road, Kadamtala,
Howrah, 711101

School is affiliated to WBBSE (West Bengal Board of Secondary Education) & WBCHSE (West Bengal Council of Higher Secondary Education),students appear for..

Ankur Public School Ankur Public School
Howrah, 711312

Ankur Public School, a Day Scholar co-educational English Medium School, a unit of Ankur Educational and Welfare Trust, under curriculum of Indian Certific