Al-Ameen Mission

A socio-academic institution with a difference

Al-Ameen Mission is a residential institute for Muslim students located near Howrah, West Bengal, India. Established in 1986 with eleven students, it now has 2000 students, more than 800 alumni and 200 teaching and non-teaching staff. It is notable for helping the Muslim community students in West Bengal. External Links http://www.alumnialameen.org/ http://www.alameenmission.in/ http://en.wikipedia.org/wiki/Al-Ameen_Mission http://alameenmissionnews.blogspot.in/

Mission: to spread the light to the whole muslim community of Bengal

NEET-এ 1800 সিটের মধ্যে 376 জনই আল আমিন মিশন থেকে ।

[06/05/19]   Eid Mubarak to you and your family

কনিষ্ঠতম IPS সাফিন হাসানের সাক্ষাত্কার

আল আমীন মিশন, খলতপুর ক্যাম্পাস। টিনের ছাউনি দেওয়া ঘরে মাত্র ৭ জন ছাত্রকে নিয়ে যাত্রা শুরু হয়েছিল। আজ শুধু বাংলা নয়, ভারতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষা আন্দোলনের নাম- আল আমীন মিশন।

Secretary Sir আল আমিন Academy হরিহরপাড়ার শুভ সূচনা করলেন ।

[06/02/19]   Lets see what more we have ?
Doctors or Engineers
Choose your side.

[06/01/19]   Should we need a logo ?

আল আমীন মিশনের প্রাক্তনী দের আয়োজিত ইফতার মাহফিল হলো আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে । ছিলেন শ্রদ্ধেয় সেক্রেটারি এম নুরুল ইসলাম স্যার ।

উচ্চমাধ্যমিকে ৮ম স্থানাধিকারী আল-আমীন মিশনের কাজী ফাইয়াজ আহমদকে শুভেচ্ছা মিশনের সাধারণ সম্পাদক ও খলতপুর হাই মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক এম.নুরুল ইসলামের।

অভিনন্দন সাফিদা খাতুন
এবার উচ্চমাধ্যমিকে সপ্তম স্থান অধিকার করেছে উলুবেড়িয়া শাখা থেকে। অনেক শুভকামনা রইলো
তোমার আগামী ভবিষ্যতের জন্য

Madhyamik 2019

Times of India

Teacher

আল-আমীন মিশন। খলতপুর, হাওড়া ।
========================

আল-আমীন মিশনের ১৫০৭ জন ছাত্র-ছাত্রীর মধ্যে মাধ্যমিক পরীক্ষায় সর্বোচ্চ স্থান অধিকার করেছে বেলপুকুর শাখার ছাত্রী সুমাইয়া খাতুন। সে বাংলায় ৯৪, ইংরেজিতে ৯১, গণিতে ১০০, ভৌত বিজ্ঞানে ৯৭, জীবন বিজ্ঞানে ৯৮, ইতিহাসে ৯৯ এবং ভূগোলে ৯৮ অর্থাৎ মোট ৬৭৭ ( ৯৬.৭%) নম্বর পেয়েছে। রাজ্যে তার সম্ভাব্য স্থান ১৪-তম। অভিনন্দন।

মাধ্যমিক ২০১৯ঃ আল-আমীন মিশন এর কৃতীদের অভিনন্দন জানাচ্ছেন সাধারন সম্পাদক জনাব এম নুরুল ইসলাম সাহেব।

A beautiful scene from 'Kota Factory' for all the students.

## Congratulations ##

সুমাইতা, ৯৯.৫০% পেয়ে রাজ্যে প্রথম দেশে তৃতীয়

সিবিএসই পরীক্ষায় দেশে তৃতীয় হয়ে মালদার শিক্ষাকে গোটা দেশে সামনের সারিতে তুলে আনল ঊষা মার্টিন স্কুলের ছাত্রী সুমাইতা লাইসা৷আজ পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর সুমাইতার এই ফলে উচ্ছ্বসিত তার পরিবার থেকে শুরু করে গোটা জেলার মানুষ৷এই সাফল্য সুমাইতার নিজেরই বলে জানিয়েছেন স্কুলের অধ্যক্ষ৷

মালদা শহরের মীরচকের বাসিন্দা সুমাইতা৷বাবা তোহিদুল ইসলাম হোমিও চিকিৎসক৷মালদা শহরের কৃষ্ণজীবন সান্যাল রোডে তাঁর চেম্বার৷তাঁর স্ত্রী কোহিনুর খাতুন সাধারণ গৃহবধূ৷তাঁদের তিন ছেলেমেয়ের মধ্যে সুমাইতাই সবার বড়ো৷তোহিদুল সাহেবরা গাজোলের বাসিন্দা৷ছেলেমেয়েদের পড়াশোনার জন্যই সেখানকার পাট চুকিয়ে তাঁরা মীরচকে বাড়ি বানিয়ে বসবাস শুরু করেন৷ঊষা মার্টিন স্কুলে দ্বিতীয় শ্রেণিতে ভর্তি করেন সুমাইতাকে৷ সেখান থেকেই এবার সে সিবিএসই পরীক্ষায় বসেছিল৷

৯৯.৫০ শতাংশ মার্কস পেয়েছে সুমাইতা৷তার কোনও স্থায়ী গৃহশিক্ষক ছিলেন না


সুমাইতা জানায়, প্রথম থেকেই স্কুলে প্রথম হয় সে৷তবে এই রেজাল্ট তার প্রত্যাশা ছিল না৷সে ৯৯.৫০ শতাংশ মার্কস পেয়েছে৷তার কোনও স্থায়ী গৃহশিক্ষক ছিলেন না৷মাস কয়েকের জন্য সে গৃহশিক্ষকের কাছে পড়েছে৷সে নিজের পড়াশোনা নিজেই করত৷বাবা-মায়ের সঙ্গে স্কুলের শিক্ষকরা তাকে সাহায্য করতেন৷তবে পড়ার জন্য তার নির্দিষ্ট কোনও সময়সীমা ছিল না৷যখন ইচ্ছে করত, পড়ত৷অবসর সময়ে সে গল্পের বই পড়ত৷টেলিভিশনও দেখত৷তবে অল্প সময়ের জন্য৷সোশ্যাল মিডিয়ার মধ্যে শুধুমাত্র হোয়াটস্‌ অ্যাপে যোগাযোগ রয়েছে তার৷সে অংকে ১০০, সোশ্যাল স্টাডিজে ১০০, ইংরেজিতে ৯৯, বাংলায় ৯৯, সায়েন্সে ৯৯ ও কম্পিউটারে ১০০ পেয়েছে৷ভবিষ্যতে বাবার মতোই চিকিৎসক হতে চায় সুমাইতা৷ ভর্তির জন্য পরীক্ষা দিয়েছে আলিগড় মুসলিম ইউনিভার্সিটিতে৷



কোহিনুর খাতুন বলেন, মেয়ের সাফল্যে তাঁরা ভীষণ খুশি৷মেয়ে যে এত ভালো রেজাল্ট করতে পারবে, তা আশাই করেননি তাঁরা৷দেশে তৃতীয় ও রাজ্যে প্রথম হয়ে তাঁর মেয়ে তাঁদেরও মাথা অনেক উঁচু করে দিয়েছে৷একজন গৃহবধূ হিসাবে যতটা পেরেছেন, মেয়ের পড়াশোনায় সাহায্য করেছেন তিনি৷ঊষা মার্টিন স্কুলের অধ্যক্ষ সাক্ষর চক্রবর্তী জানান, স্কুলের পক্ষ থেকে তাঁরা এই ফলের জন্য সুমাইতাকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন৷এই সাফল্যের কৃতিত্ব সম্পূর্ণ সুমাইতার৷ তাঁরা শুধু পাশে থেকে তাকে সাহায্য করেছেন৷তার প্রতিভা বহুমুখী৷শুধুমাত্র মার্কশিটে তা প্রকাশ করা যাবে না৷তিনি ছাত্রীর উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন৷

youtube.com

Amir Sarkar

আমাদের মিশনের প্রাক্তন ছাত্রের 3500 Subscribers সহ এই YouTube Ac টা subscribe করার জন্য অনুরোধ করছি ।

www.youtube.com/amirsarkar

youtube.com Hi, I am Amir Sarkar, I am a bong. I have MTech in Civil Engineering. But I'm not here to talk about Enginneering. I love photography and Videography. I love...

অনুপ্রেরণার জন্য

Alameen Mission at night, drone view
pc : Elias Gazi

এক নাগারে চেষ্টায় ওয়েস্ট বেঙ্গলে IAS প্রথম সারা ভারতে ১৯ তম স্থান পাওয়া ভদ্রেশ্বরের মেয়ে IAS শ্বেতা আগরওয়াল।

# খান আব্দুল গাফফার খান
© শিবানন্দ পাল

নামটা বর্তমানে খুব একটা পরিচিত নাম নয়।
৩১ শে আগস্ট, ১৯৩৪ বোলপুর স্টেশনে দাঁড়িয়ে ছিলেন রবীন্দ্রনাথ। সাত সকালে যাত্রীদের কৌতূহল ছিল গুরুদেব কি শান্তিনিকেতন ছেড়ে চলে যাচ্ছেন? কিন্তু তখন কলকাতা যাবার কোনও ট্রেন ছিল না। ট্রেন তো চলে গেলো। তাহলে? জানা গেল, তিনি একজন অতিথিকে রিসিভ করতে এসেছেন।

কে সেই মান্যগণ্য অতিথি! যার জন্যে স্বয়ং গুরুদেব নিজে উপস্থিত স্টেশনে?

বর্ধমানের দিক থেকে একটি ট্রেন এসে বোলপুরে থামল। দেখা গেল রেলগাড়ির একটি তৃতীয় শ্রেনির কামরা থেকে নামছেন এক দীর্ঘদেহী বলিষ্ঠ পাঠান যুবক। তাঁকে দেখা মাত্র রবীন্দ্রনাথ এগিয়ে গেলেন, ৪৪ বছর বয়স্ক যুবক নত হবার চেষ্টা করতেই ৭৩ বছরের কবিগুরু তাঁকে বুকে জড়িয়ে ধরলেন।

খান যুবক না হলেও এমন কিছু মধ্যবয়স্ক নন তিনি। কবিপুত্র রথীন্দ্রনাথের চেয়েও দু বছরের ছোট। সেদিনের ওই মানুষটিই হলেন খান আব্দুল গাফফার খান।

সর্বত্যাগী ফকির, খুব সাধারণ একজন মানুষ হিসেবে রয়ে গিয়েছেন ইতিহাসের পাতায়।

স্বাধীনতা আন্দোলনের সেই দিনগুলিতে ভারতের মানুষ তাঁকে চিনতেন ‘সীমান্ত গান্ধী’ হিসেবে। এই মানুষটি শান্তিনিকেতনের কথা শুনেছিলেন গান্ধিজির কাছে। শুনেছিলেন কবিগুরু বোলপুরের কাছে একটি গ্রামে গরীব মানুষের উন্নয়নের জন্যে একটি সংগঠন ও একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন। পেশোয়ার থেকে তাই বড়ো পুত্র আব্দুল গনিকে পাঠিয়েছিলেন শান্তিনিকেতনে লেখাপড়া শিখতে। পুত্রের মাধ্যমে তাঁর সাথে রবীন্দ্রনাথের যোগসূত্র। ১৯৩৪ সালে হাজারিবাগ জেল থেকে মুক্তি পেতেই তিনি বাংলায় আসতে চেয়েছেন। তাঁর আন্তরিক ইচ্ছে কবিগুরুর সাথে একটিবার দেখা করার।

প্রথমে পাটনা গিয়েছিলেন বাবু রাজেন্দ্রপ্রসাদের কাছে। তখন তিনি স্বাধীনতা সংগ্রামী একজন কংগ্রেস কর্মী। পরবর্তীকালে রাষ্ট্রপতি হয়েছেন। পাটনা থেকে শান্তিনিকেতনে খবর পাঠালেন- খান আবদুল গাফফার খান দেখা করতে চান রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে। তাঁর আগ্রহ শ্রীনিকেতন সম্পর্কেও।

স্টেশন থেকে কবিগুরু তাঁকে প্রথমে নিয়ে এলেন বিশ্বভারতীর লাইব্রেরী প্রাঙ্গণে। সেখানে সমবেত আশ্রমিক, ছাত্রছাত্রী ও অন্যান্যদের সামনে ‘অতিথি’র পরিচয় করিয়ে বললেন, খান সাহেবের শান্তিনিকেতন সফর আশ্রমবাসীদের জীবনে স্মরণীয় ঘটনা। তিনি যখন কারান্তারালে গিয়েছেন, পুত্রকে পাঠিয়েছেন এখানে লেখাপড়া শেখার জন্য। এতেই প্রমাণ মেলে বিশ্বভারতীর প্রতি তাঁর কতখানি আস্থা ও মমত্ববোধ আছে। তাঁর অনুভুতি আমাদের স্পর্শ করেছে।

গাফফার খান একদিনের বেশি শান্তিনিকেতনে থাকতে পারেন নি। একদিনেই তিনি শান্তিনিকেতন-শ্রীনিকেতনের প্রতিটি বিভাগ ঘুরেছেন দেখেছেন, নিজের চোখে। পরের দিন শান্তিনিকেতন ত্যাগের আগে সকালে উদয়ন প্রাঙ্গণে কবি তাঁর সংবর্ধনার আয়োজন করেন। সেখানে বাংলা হরফে লেখা তাঁর ভাষণ কবি উর্দুতে পাঠ করেছিলেন। “থোরেসে অরসেকে লিয়ে অপ হামারে ইঁহা তসরিফ লায়ে হৈ ...।”

নিজের হাতে খসড়া করা সেই ভাষণে কবি বলেছিলেন, “অল্পক্ষণের জন্যে আপনি আমাদের মধ্যে এসেছেন। কিন্তু সেই সৌভাগ্যকে আমি অল্প বলে মনে করিনে। আমার নিবেদন এই যে, আমার এ কথাকে আপনি অত্যুক্তি বলে মনে করবেন না যে আপনার দর্শন আমাদের হৃদয়ের মধ্যে নতুন শাক্তি সঞ্চার করেছে। প্রেমের উপদেশ মুখে বলে ফল হয় না, যারা প্রেমিক তাদের সঙ্গই প্রেমের স্পর্শমান। তার স্পর্শে আমাদের অন্তরে যেটুকু ভালবাসা আছে তাঁর মুল্য বেড়ে যায়।
অল্পক্ষণের জন্যে আপনাকে পেয়েছি কিন্তু এই ঘটনাকে ক্ষণের মাপ দিয়ে পরিমাপ কড়া যায় না। যে মহাপুরুষের হৃদয় সকল মানুষের জন্য, সকল দেশেই যাঁদের দেশ তাঁরা যে কালকে উপস্থিত মতো অধিকার করেন, তাঁকে অতিক্রম করেন, তাঁরা সকল কালের। এখানে আপনার ক্ষণিক উপস্থিতি আশ্রমের হৃদয়ে স্থায়ী হয়ে রইলো”।

সংবর্ধনার উত্তরে গাফফার খান সেদিন বলেছিলেন, “গুরুদেব” তাঁকে যে আন্তরিক সংবর্ধনা জানিয়েছেন, তাতে তিনি অভিভুত। এখানে আশার আগে যা শুনেছিলেন, নিজের চোখে দেখে মনে হচ্ছে তাঁর চেয়েও মহৎ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। কবি এখনে যে আদর্শ অনুসরন করেছেন, তাঁর ভিত্তিতে ভারত উন্নতির পথ খুঁজে পাবে। ধর্মের অপবাখ্যার মধ্য দিয়েই সাম্প্রদায়িক মনোভাবের বিষবাষ্প ছড়িয়ে পড়ে, এর জন্যই ভারতের জনগণের আশা আকাঙ্ক্ষার পূর্ণতায় বাধা আসছে।

গাফফার খান শান্তিনিকেতন থেকে চলে যাবার পর রবীন্দ্রনাথ একটি পত্রে তাঁর সম্পর্কে গান্ধিজিকে লিখেছিলেন- ‘এক অকপট সরলতার’ মানুষ। রবীন্দ্র প্রয়াণের খবর পেয়ে এই মানুষটি পেশোয়ার থেকে কবিপুত্র রথীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে জানিয়েছিলেন,

Peshaar 12th Aug. 1941
Dear Mr. Tagore,
I am deeply grieved to hear of the sad demise of Gurudev. In him India has truly lost the greatest philosopher, poet and a nationalist. I heartily condole with you in your sad bereavement. May God bless his soul and give strength in your preasent trial.
Yours sincerely,
Abdul Ghaffar Khan

পঁইত্রিশ বছর পর গাফফার খান আবার শান্তিনিকেতন এসেছিলেন। তখন তাঁর বয়স ৭৯। ক্লান্তিময় বার্ধক্য জাঁকিয়ে বসেছে শরীরে। পাকিস্থান সৃষ্টির ১৭ বছরের মধ্যে ১৫ বছর কেটেছে তাঁর কারাগারে। তিনি ‘হিন্দু ও বিশ্বাসঘাতক’ এই ছিল তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ। অধিকাংশ সময় নির্জন কারাগার, নয়ত নজরবন্দি। ১৯৬৪ সালে স্বেছা নির্বাসন বেছে নিয়েছিলেন আফগানিস্থানের একটি ছোট গ্রাম জালালাবাদে।স্থির করেছিলেন সেখানেই বাকি জীবন কাটাবেন রবীন্দ্রনাথ ও গান্ধিজির জীবনদর্শন সম্বল করে।

১৯৬৯ সালে গান্ধি জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন কমিটির সভাপতি জয়প্রকাশ নারায়ণ তাঁকে ভারতে আসার আমন্ত্রণ জানান।তিনি সে অনুরোধ অগ্রাহ্য করতে পারেন না। স্বাধীনতা প্রাপ্তির বাইশ বছর পর বিপর্যস্ত স্বপ্ন ও আদর্শ আর ভাঙা মন নিয়ে তিনি ভারতের মাটিতে পা রেখেছিলেন। দিল্লিতে নেহেরু কন্যা প্রিয় ইন্দুকে বলেছিলেন তাঁকে যেন শান্তিনিকেতন যাওয়ার সুযোগ করে দেওয়া হয়।

শান্তিনিকেতন কেন?

মৃদু হেসে উত্তর দিয়েছিলেন, কেন জানো? ১৯৩৪ সালে প্রথম যখন যাই, গুরুদেবের কাছ থেকে স্নেহ ভালবাসা পাবার সৌভাগ্য হয়েছিল আমার।

১৪ ডিসেম্বর, ১৯৬৯। আগের মতোই রেলের একটি তৃতীয় শ্রেনির কোচ মধ্যরাত্রে বোলপুর স্টেশনে এসেছিল তাঁকে নিয়ে। বাকি রাত সেটি সাইডিং-এ রেখে দেওয়া হয়। গাফফার খান সেখানেই ছিলেন। পরদিন ১৫ ডিসেম্বর সকাল আটটায় তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী অজয় মুখার্জি তাঁকে সেখান থেকে নিয়ে যান শান্তিনিকেতনে। তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় উদয়নের সেই ঘরে, যে ঘরে ৩৫ বছর আগে রবীন্দ্রসান্নিধ্যে কেটে ছিল তাঁর একটি দিন।
তারপর তাঁকে বিশ্বভারতীর আম্রকুঞ্জে চিরাচরিত ধারায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

উত্তরে সেদিনও বলেছিলেন, ৩৫ বছর আগে আমি যখন প্রথম এখানে এসেছিলাম গুরুদেবের যে স্নেহ, ভালবাসা পেয়েছি তা আমার অন্তরে আজও বিরাজমান।

তিনি আশ্রমিকদের হোস্টেল, কলাভবন, বিচিত্রা দেখেন। বিচিত্রায় একটি কাঠ খোদাই মানবমূর্তির সামনে দাঁড়ালে তাঁর চোখ থেকে জল গড়িয়ে নামে। বারবার চোখ কচলে মূর্তিটি পরখ করেন। এ মূর্তি যে গড়েছেন তাঁর পুত্র নন্দলাল শিষ্য আবদুল গনি।

তিনি ঘুরলেন শ্রীনিকেতন। বহু মানুষ উপস্থিত হয়েছিলেন তাঁকে দেখতে। ছোট একটি বক্তৃতাও দেন। ফেরার পথে উপাচার্য কালিদাস ভট্টাচার্যর কাছে সাঁওতাল পল্লী দেখাবার অনুরোধ করলেন।
তাঁকে নিয়ে যাওয়া হোল ভুবনডাঙ্গায়।

সাঁওতালদের সাথে গাফফার খান মিলিত হলেন। জানতে চাইলেন, স্বাধীনতার আগে যেমন আপনাদের দিন কাটত, তাঁর কি কোনও পরিবর্তন হয়েছে? স্বাধীনতা কি আপনাদের জীবনের স্বাদ বদলে দিতে পেরেছে?

দোভাষীর মাধ্যমে তিনি যে জবাব পেয়েছিলেন তাতে তাঁর মুখের হাসি মিলিয়ে গিয়েছিলো। হায় গুরুদেব! হায় স্বাধীনতা!

বুক ভরা আক্ষেপে শুধু এক টুকরো শান্তি ছিল তাঁর শান্তিনিকেতন সফর। ১৯৮৮-র ২০ জানুয়ারি তিনি প্রয়াত হন।

Want your school to be the top-listed School/college in Howrah?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Videos (show all)

Banga Bhushan Award

Location

Category

Telephone

Address


Khalatpur , Udaynarayanpur , West Bengal , India
Howrah
712408
Other Education in Howrah (show all)
Infonet-Howrah Infonet-Howrah
50, P. M. Busti 3rd Bye Lane, Shibpur
Howrah, 711102

Its about Computer Education

Wonder Abacus Kadamtala Wonder Abacus Kadamtala
11/1 Kanta Pukur 3rd Bye Lane, Kadamtala
Howrah, 711101

Do 200 sums in 10 mins

The Quanta-Quest The Quanta-Quest
Ramakrishna Mission Vidyamandira, Belur Math, Howrah
Howrah, 711202

REGISTER AT:goo.gl/a7D1Tv The Quanta-Quest is a Physics Quiz to be organized by The Department Of Physics,Ramakrishna Mission Vidyamandira.

ReadyTechtutorials ReadyTechtutorials
Howrah, 711113

Welcome To ReadyTech Tutorial To Join us!!! Simply Follow And Like us in Twitter and Facebook. Subscribe To our Youtube channel To Stay Upto date with us

"auto CAD Designer" "auto CAD Designer"
Howrah

I Create This Page Just For Sharing Some 'CAD' Design Tips For My all "CAD" Designer Friends !

Brilliant Commerce Centre Brilliant Commerce Centre
98/1, Brindaban Mallick Lane
Howrah, 711101

A professional COMMERCE coaching centre for classes X|,X|| commerce, B.Com(Pass and Hons.) Also I.C.S.E,,C.B.S.E and I.S.C

Chanakya Chanakya
103 Girish Ghosh Road
Howrah, 711202

Our aim-Give us your child and we shall return you a perfect citizen

Success Campus Success Campus
Howrah Santragachi
Howrah, 711112

A Real Way To Bright Future

Codes Classes Codes Classes
14, Watkins Lane, Gokul Apts, Block B, 1st Floor( Near Howrah A.C. Market)
Howrah, 711101

Codes Classes is an institute offering modern day Computer courses for high school( class IX to XII ) to graduate Engineering (B.Tech) students.

Guideline. Guideline.
49, Charu Chandra Singha Lane.. Near Ramkrishnapur Cooperative Bank.
Howrah, 711101

Studies For Competitive Examination...

GSA Edutech GSA Edutech
148A, Salkia School Road, Maan Sarovar Apartment, Gr.Flr,
Howrah, 711101

GSA Edutech is an educational institution based out in Howrah, West Bengal. It provides classes for professional courses like CPT, CS Foundation, CMA Foundation, CA IPCC, CA Final. It also offers tuition to Class IX to B.com students.

School Ki Woh Galliyan School Ki Woh Galliyan
Calcutta,West Bengal
Howrah, 711403

Need some fun,so like this page quick.Please join us to entertain more :)