VISAFAIR

VISAFAIR

Comments

বাংলাদেশে চালু হয়েছে ই-পাসপোর্ট। জেনে নিন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।

***ই-পাসপোর্ট কী?***

বর্তমানে এমআরপি বা যন্ত্রে পাঠযোগ্য পাসপোর্টের মতো ই-পাসপোর্টের বইও একই রকমের থাকবে।তবে যন্ত্রে পাসপোর্টের বইয়ে প্রথমে যে তথ্য সংবলিত দুইটি পাতা থাকে, ই-পাসপোর্টে তা থাকবে না। সেখানে বরং পালিমানের তৈরি একটি কার্ড ও অ্যান্টেনা থাকবে। সেই কার্ডের ভেতরে চিপ থাকবে, যেখানে পাসপোর্ট বাহকের সব তথ্য সংরক্ষিত থাকবে।

ডাটাবেজে থাকবে পাসপোর্টধারীর তিন ধরণের ছবি, ১০ আঙ্গুলের ছাপ ও চোখের আইরিশ। ফলে যেকোনো দেশের কর্তৃপক্ষ সহজেই ভ্রমণকারীর সম্পর্কে সব তথ্য জানতে পারবেন।

***এমআরপি আর ই-পাসপোর্টের পার্থক্য***

মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি) আর ইলেকট্রনিক পাসপোর্ট (ই-পাসপোর্ট) এর মধ্যে পার্থক্যকে তুলনা করা যেতে পারে অনেকটা চেকবই আর এটিএম কার্ডের মতো।চেকবই যেভাবে স্বাক্ষর যাচাইবাছাই করে ব্যাংক কর্মকর্তারা অনুমোদন করে টাকা প্রদান করেন। কিন্তু এটিএম কার্ড দিয়ে যে কেউ নিজে থেকেই টাকা তুলতে পারেন।
তেমনি এমআরপি পাসপোর্টে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা তথ্য যাচাই বাছাই করে পাসপোর্টে সিল দিয়ে থাকেন।কিন্তু ই-পাসপোর্টধারী যন্ত্রের মাধ্যমে নিজে থেকেই ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করতে পারেন। তবে পরবর্তী ধাপে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারাই পাসপোর্টে আগমণ অথবা বর্হিগমন সিল দেবেন।

***ই-পাসপোর্টের সুবিধা***

এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো যে, খুব দ্রুত ও সহজে ভ্রমণকারীরা যাতায়াত করতে পারবেন। ই-গেট ব্যবহার করে তারা যাতায়াত করবেন। ফলে বিভিন্ন বিমানবন্দরে তাদের ভিসা চেকিংয়ের জন্য লাইনে দাঁড়াতে হবে না। এর মাধ্যমে দ্রুত তাদের ইমিগ্রেশন হয়ে যাবে। তবে যখন একজন ভ্রমণকারী ই-পাসপোর্ট ব্যবহার করে যাতায়াত করবেন, সঙ্গে সঙ্গে সেটি কেন্দ্রীয় তথ্যাগারের (পাবলিক কি ডাইরেক্টরি-পিকেডি) সঙ্গে যোগাযোগ করে তার সম্পর্কে তথ্য জানতে পারবে।

ই-গেটের নির্দিষ্ট স্থানে পাসপোর্ট রেখে দাঁড়ালে ক্যামেরা ছবি তুলে নেবে। থাকবে ফিঙ্গারপ্রিন্ট যাচাইয়ের ব্যবস্থাও। সব সব ঠিক থাকলে তিনি ইমিগ্রেশন পেরিয়ে যেতে পারবেন। তবে কোন গরমিল থাকলে লালবাতি জ্বলে উঠবে। তখন সেখানে দায়িত্বরত কর্মকর্তারা হস্তক্ষেপ করবেন।

কারো বিরুদ্ধে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা থাকলে, সেটিও সঙ্গে সঙ্গে জানা যাবে।ইন্টারন্যাশনাল সিভিল অ্যাভিয়েশন অর্গানাইজেশন (আইসিএও) এই পিকেডি পরিচালনা করে। ফলে ইন্টারপোলসহ বিমান ও স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ এসব তথ্য যাচাই করতে পারে। এখানে ৩৮টি নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য থাকায় এ ধরণের পাসপোর্ট জাল করা সহজ নয়।

***ই-পাসপোর্টের মেয়াদ***

আপাতত পাঁচ ও দশ বছর মেয়াদি পাসপোর্ট দেয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে সরকার। বয়স ভেদে পাসপোর্টের এই মেয়াদ নির্ধারণ করা হবে।

***ই-পাসপোর্টের ফি***

৫ বছর মেয়াদী ৪৮ পাতার পাসপোর্ট স্বাভাবিক সময়ে অর্থাৎ ২১ কার্যদিবসে পেতে হলে জমা দিতে হবে ৪,০২৫ টাকা। একই পাসপোর্ট এক্সপ্রেস ডেলিভারি অর্থাৎ ১০ কর্মদিবসে পেতে লাগবে ৬,৩২৫ টাকা এবং দুই কর্ম দিবসে পেতে হলে ৮,৬২৫ টাকা জমা দিতে হবে।

১০ বছর মেয়াদী ৪৮ পাতার পাসপোর্ট ২১ কর্ম দিবসে পেতে হলে ৫,৭৫০ টাকা, ১০ কর্মদিবসে পেতে ৮,০৫০ টাকা এবং দুই কর্মদিবসে পেতে ১০,৩৫০ টাকা জমা দিতে হবে।

অন্যদিকে ৫ বছর মেয়াদী ৬৪ পাতার পাসপোর্ট ২১ দিনে পেতে ৬৩২৫ টাকা, ১০ কর্মদিবসে পেতে ৮৬২৫ টাকা এবং দুই কর্মদিবসে পেতে ১২,০৭৫ টাকা ফি জমা দিতে হবে। একই সংখ্যক পাতার ১০ বছর মেয়াদী পাসপোর্ট ২১ কর্ম দিবসে পেতে ৮,০৫০ টাকা, ১০ কর্মদিবসে পেতে ১০,৩৫০টাকা এবং সুপার এক্সপ্রেস ডেলিভারির মাধ্যমে মাত্র দুই কর্মদিবসে পেতে হলে ফি দিতে হবে ১৩ হাজার ৮০০ টাকা।

***ফি কোথায় জমা দিবেন?***

ই-পাসপোর্টের আবেদন অনলাইনে করার সময় এর ফি পরিশোধ করা যাবে। পাসপোর্ট ফি স্বয়ংক্রিয়ভাবে হিসাব করা হবে। বাংলাদেশে থাকা পাসপোর্ট অফিসের আবেদন জমা দেয়ার ক্ষেত্রে অনলাইনে পেমেন্ট করা যাবে।এছাড়াও নির্ধারিত কিছু ব্যাংকের মাধ্যমেও পাসপোর্ট ফি জমা দেয়া যাবে।

***ই-পাসপোর্টে ভিসা***

প্রচলিত ব্যবস্থার মতো ই-পাসপোর্টের ক্ষেত্রে ভিসার বিষয়টি একই থাকবে। অর্থাৎ বিভিন্ন দেশের নিয়ম অনুযায়ী সরাসরি বা অনলাইনে ভিসার শর্ত পূরণ করেই ভিসা নিতে হবে।

ভিসা কর্তৃপক্ষ বা দূতাবাসগুলো এই পিকেডি ব্যবহার করে আবেদনকারীর তথ্য যাচাই করে নিতে পারবে। এরপরে তারা বইয়ের পাতায় ভিসাস্টিকার, সিল দিতে পারবে বা বাতিল করে দিতে পারবে

***এমআরপি বাতিল হবে কিনা ***

কর্মকর্তারা বলছেন, আপাতত ই-পাসপোর্টের পাশাপাশি প্রচলিত এমআরপি পাসপোর্ট ব্যবস্থাটিও বহাল থাকবে। তবে নতুন করে আর কাউকে এমআরপি পাসপোর্ট ইস্যু করা হবে না। বর্তমানে এমআরপি পাসপোর্টধারীরা যখন নবায়ন করতে যাবেন, তখন তাদেরকেও ই-পাসপোর্ট দেয়া হবে। এভাবে পর্যায়ক্রমে সব এমআরপি পাসপোর্ট তুলে নেয়া হবে।

পোস্টটি শেয়ার করুন এবং সারা বিশ্বের ভিসা ও ইমিগ্রেশন সংক্রান্ত আপডেট নিয়মিত পেতে ভিসাফেয়ার পেজটি ফলো করুন।

সৌজন্যে: VISAFAIR
Fewer international students are coming to United States. That's hurting American universities & economy. Continued decline in international student enrollment since fall of 2016 has cost US economy $11.8 billion & more than 65,000 jobs, according to estimates from NAFSA: Association of International Educators, an international association of professional educators.

Source: CNN
Aid agencies are warning of a humanitarian disaster in Bosnia, with people facing a winter without proper accommodation.

Bosnia is now a major route into the EU – 45,000 migrants have arrived in the country since the start of 2018.
Best 10 Countries for Education in 2019

1.🇬🇧 UK
2.🇺🇸 US
3.🇨🇦 Canada
4.🇩🇪 Germany
5.🇫🇷 France
6.🇦🇺 Australia
7.🇨🇭Switzerland
8.🇸🇪 Sweden
9.🇯🇵 Japan
10.🇳🇱 Netherlands

(Source: U.S. News & World Report)

VISAFAIR
We are here to help
Study │ Work │ Visit │ Business We distinguish ourselves in being able to assist you in meeting your requirements.

Our mission is the promotion of universities to “National & International”students who are interested in seeking to undergo Higher Education studies in the UK, United States, Canada, Greece, Turkey, Middle East, Spain, Malaysia & other countries in Europe. Our Vision is to provide both universities and students with all assistance needed to reach their objectives. VISAFAIR is the right partner to

Operating as usual

23/01/2020

বাংলাদেশে চালু হয়েছে ই-পাসপোর্ট। জেনে নিন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।

***ই-পাসপোর্ট কী?***

বর্তমানে এমআরপি বা যন্ত্রে পাঠযোগ্য পাসপোর্টের মতো ই-পাসপোর্টের বইও একই রকমের থাকবে।তবে যন্ত্রে পাসপোর্টের বইয়ে প্রথমে যে তথ্য সংবলিত দুইটি পাতা থাকে, ই-পাসপোর্টে তা থাকবে না। সেখানে বরং পালিমানের তৈরি একটি কার্ড ও অ্যান্টেনা থাকবে। সেই কার্ডের ভেতরে চিপ থাকবে, যেখানে পাসপোর্ট বাহকের সব তথ্য সংরক্ষিত থাকবে।

ডাটাবেজে থাকবে পাসপোর্টধারীর তিন ধরণের ছবি, ১০ আঙ্গুলের ছাপ ও চোখের আইরিশ। ফলে যেকোনো দেশের কর্তৃপক্ষ সহজেই ভ্রমণকারীর সম্পর্কে সব তথ্য জানতে পারবেন।

***এমআরপি আর ই-পাসপোর্টের পার্থক্য***

মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি) আর ইলেকট্রনিক পাসপোর্ট (ই-পাসপোর্ট) এর মধ্যে পার্থক্যকে তুলনা করা যেতে পারে অনেকটা চেকবই আর এটিএম কার্ডের মতো।চেকবই যেভাবে স্বাক্ষর যাচাইবাছাই করে ব্যাংক কর্মকর্তারা অনুমোদন করে টাকা প্রদান করেন। কিন্তু এটিএম কার্ড দিয়ে যে কেউ নিজে থেকেই টাকা তুলতে পারেন।
তেমনি এমআরপি পাসপোর্টে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা তথ্য যাচাই বাছাই করে পাসপোর্টে সিল দিয়ে থাকেন।কিন্তু ই-পাসপোর্টধারী যন্ত্রের মাধ্যমে নিজে থেকেই ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করতে পারেন। তবে পরবর্তী ধাপে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারাই পাসপোর্টে আগমণ অথবা বর্হিগমন সিল দেবেন।

***ই-পাসপোর্টের সুবিধা***

এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো যে, খুব দ্রুত ও সহজে ভ্রমণকারীরা যাতায়াত করতে পারবেন। ই-গেট ব্যবহার করে তারা যাতায়াত করবেন। ফলে বিভিন্ন বিমানবন্দরে তাদের ভিসা চেকিংয়ের জন্য লাইনে দাঁড়াতে হবে না। এর মাধ্যমে দ্রুত তাদের ইমিগ্রেশন হয়ে যাবে। তবে যখন একজন ভ্রমণকারী ই-পাসপোর্ট ব্যবহার করে যাতায়াত করবেন, সঙ্গে সঙ্গে সেটি কেন্দ্রীয় তথ্যাগারের (পাবলিক কি ডাইরেক্টরি-পিকেডি) সঙ্গে যোগাযোগ করে তার সম্পর্কে তথ্য জানতে পারবে।

ই-গেটের নির্দিষ্ট স্থানে পাসপোর্ট রেখে দাঁড়ালে ক্যামেরা ছবি তুলে নেবে। থাকবে ফিঙ্গারপ্রিন্ট যাচাইয়ের ব্যবস্থাও। সব সব ঠিক থাকলে তিনি ইমিগ্রেশন পেরিয়ে যেতে পারবেন। তবে কোন গরমিল থাকলে লালবাতি জ্বলে উঠবে। তখন সেখানে দায়িত্বরত কর্মকর্তারা হস্তক্ষেপ করবেন।

কারো বিরুদ্ধে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা থাকলে, সেটিও সঙ্গে সঙ্গে জানা যাবে।ইন্টারন্যাশনাল সিভিল অ্যাভিয়েশন অর্গানাইজেশন (আইসিএও) এই পিকেডি পরিচালনা করে। ফলে ইন্টারপোলসহ বিমান ও স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ এসব তথ্য যাচাই করতে পারে। এখানে ৩৮টি নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য থাকায় এ ধরণের পাসপোর্ট জাল করা সহজ নয়।

***ই-পাসপোর্টের মেয়াদ***

আপাতত পাঁচ ও দশ বছর মেয়াদি পাসপোর্ট দেয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে সরকার। বয়স ভেদে পাসপোর্টের এই মেয়াদ নির্ধারণ করা হবে।

***ই-পাসপোর্টের ফি***

৫ বছর মেয়াদী ৪৮ পাতার পাসপোর্ট স্বাভাবিক সময়ে অর্থাৎ ২১ কার্যদিবসে পেতে হলে জমা দিতে হবে ৪,০২৫ টাকা। একই পাসপোর্ট এক্সপ্রেস ডেলিভারি অর্থাৎ ১০ কর্মদিবসে পেতে লাগবে ৬,৩২৫ টাকা এবং দুই কর্ম দিবসে পেতে হলে ৮,৬২৫ টাকা জমা দিতে হবে।

১০ বছর মেয়াদী ৪৮ পাতার পাসপোর্ট ২১ কর্ম দিবসে পেতে হলে ৫,৭৫০ টাকা, ১০ কর্মদিবসে পেতে ৮,০৫০ টাকা এবং দুই কর্মদিবসে পেতে ১০,৩৫০ টাকা জমা দিতে হবে।

অন্যদিকে ৫ বছর মেয়াদী ৬৪ পাতার পাসপোর্ট ২১ দিনে পেতে ৬৩২৫ টাকা, ১০ কর্মদিবসে পেতে ৮৬২৫ টাকা এবং দুই কর্মদিবসে পেতে ১২,০৭৫ টাকা ফি জমা দিতে হবে। একই সংখ্যক পাতার ১০ বছর মেয়াদী পাসপোর্ট ২১ কর্ম দিবসে পেতে ৮,০৫০ টাকা, ১০ কর্মদিবসে পেতে ১০,৩৫০টাকা এবং সুপার এক্সপ্রেস ডেলিভারির মাধ্যমে মাত্র দুই কর্মদিবসে পেতে হলে ফি দিতে হবে ১৩ হাজার ৮০০ টাকা।

***ফি কোথায় জমা দিবেন?***

ই-পাসপোর্টের আবেদন অনলাইনে করার সময় এর ফি পরিশোধ করা যাবে। পাসপোর্ট ফি স্বয়ংক্রিয়ভাবে হিসাব করা হবে। বাংলাদেশে থাকা পাসপোর্ট অফিসের আবেদন জমা দেয়ার ক্ষেত্রে অনলাইনে পেমেন্ট করা যাবে।এছাড়াও নির্ধারিত কিছু ব্যাংকের মাধ্যমেও পাসপোর্ট ফি জমা দেয়া যাবে।

***ই-পাসপোর্টে ভিসা***

প্রচলিত ব্যবস্থার মতো ই-পাসপোর্টের ক্ষেত্রে ভিসার বিষয়টি একই থাকবে। অর্থাৎ বিভিন্ন দেশের নিয়ম অনুযায়ী সরাসরি বা অনলাইনে ভিসার শর্ত পূরণ করেই ভিসা নিতে হবে।

ভিসা কর্তৃপক্ষ বা দূতাবাসগুলো এই পিকেডি ব্যবহার করে আবেদনকারীর তথ্য যাচাই করে নিতে পারবে। এরপরে তারা বইয়ের পাতায় ভিসাস্টিকার, সিল দিতে পারবে বা বাতিল করে দিতে পারবে

***এমআরপি বাতিল হবে কিনা ***

কর্মকর্তারা বলছেন, আপাতত ই-পাসপোর্টের পাশাপাশি প্রচলিত এমআরপি পাসপোর্ট ব্যবস্থাটিও বহাল থাকবে। তবে নতুন করে আর কাউকে এমআরপি পাসপোর্ট ইস্যু করা হবে না। বর্তমানে এমআরপি পাসপোর্টধারীরা যখন নবায়ন করতে যাবেন, তখন তাদেরকেও ই-পাসপোর্ট দেয়া হবে। এভাবে পর্যায়ক্রমে সব এমআরপি পাসপোর্ট তুলে নেয়া হবে।

পোস্টটি শেয়ার করুন এবং সারা বিশ্বের ভিসা ও ইমিগ্রেশন সংক্রান্ত আপডেট নিয়মিত পেতে ভিসাফেয়ার পেজটি ফলো করুন।

সৌজন্যে: VISAFAIR

20/11/2019

Fewer international students are coming to United States. That's hurting American universities & economy. Continued decline in international student enrollment since fall of 2016 has cost US economy $11.8 billion & more than 65,000 jobs, according to estimates from NAFSA: Association of International Educators, an international association of professional educators.

Source: CNN

Inside Bosnia’s 'nightmare' migrant camp 30/10/2019

Inside Bosnia’s 'nightmare' migrant camp

Aid agencies are warning of a humanitarian disaster in Bosnia, with people facing a winter without proper accommodation.

Bosnia is now a major route into the EU – 45,000 migrants have arrived in the country since the start of 2018.

Inside Bosnia’s 'nightmare' migrant camp Aid agencies are warning of a humanitarian disaster in Bosnia, with people facing a winter without proper accommodation.

14/10/2019

Best 10 Countries for Education in 2019

1.🇬🇧 UK
2.🇺🇸 US
3.🇨🇦 Canada
4.🇩🇪 Germany
5.🇫🇷 France
6.🇦🇺 Australia
7.🇨🇭Switzerland
8.🇸🇪 Sweden
9.🇯🇵 Japan
10.🇳🇱 Netherlands

(Source: U.S. News & World Report)

14/06/2019

বৃটিশ ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া জন্য হোম অফিস একটি গোপন কম্পিউটার অ্যালগরিদম ব্যবহার করে আসছে, যার সম্পর্কে অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা বলেছেন - গোপন কম্পিউটার অ্যালগরিদম ব্যবহারের কারনে জাতীয়তা ও বয়সের ভিত্তিতে কিছু আবেদনকারী বৈষম্যের শিকার হতে পারেন।

The Home Office has been using a secret computer algorithm for the purpose of the BUETISH visa application process, which the immigration experts say - due to the use of secret computer algorithms, some applicants may be subject to discrimination on the basis of nationality and age.

(Source: Financial Times:

17/05/2019

BREXIT
Talks between Labour and the government aimed at breaking the Brexit impasse have ended without an agreement.

What happens now?

27/05/2018

আমেরিকায় কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা নিতে আসা আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ডিগ্রি অর্জনের পরদিনই এ দেশ থেকে চলে যেতে হবে। ইউএস সিটিজেন অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসের নতুন নীতিমালায় শিক্ষাগ্রহণ সম্পন্ন বা ডিগ্রি নেওয়ার পর অতিরিক্ত সময় অবস্থান করলে ২ থেকে ১০ বছরের জন্য আমেরিকায় নিষিদ্ধ হতে পারেন অভিবাসী মেধাবী শিক্ষার্থীরা। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অভিবাসনবিরোধী খসড়া এই নীতিমালা আইনে পরিণত হলে প্রায় ১৫ লাখ উচ্চশিক্ষিত মেধাবী অভিবাসী বিপদে পড়তে পারেন।
১১ মে প্রকাশিত খসড়া নীতিমালায় অভিবাসী শিক্ষার্থীদের নিয়ে এমনই প্রস্তাব আনা হয়েছে। ইউএসসিআইএসের পরিচালক এল ফ্রান্সিস কিসনা খসড়া নীতি প্রকাশ করে এক বিবৃতিতে বলেন, ‘অভিবাসন ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার বিষয়ে আমরা নিবেদিত। নন-ইমিগ্রান্টরা একটি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে আমেরিকার কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছেন। যখন এই উদ্দেশ্য শেষ হয়ে যায়, আমরা প্রত্যাশা করি, তারা চলে যাবে বা অন্য কোন বৈধতা নিয়ে থাকবে। কিসনা বলেন, বার্তাটি পরিষ্কার, আমেরিকার নাগরিক বা বৈধ অভিবাসী নন—এমন ব্যক্তিদের শিক্ষা শেষ হওয়ার পর এখানে থাকার আর সুযোগ নাই।

ওবামা প্রশাসনের হোয়াইট হাউসে সহকারী পরিচালক ছিলেন ডাগ র‍্যান্ড। তিনি বলেন, আমেরিকার অভিবাসনে এক নাটকীয় পরিবর্তন আসছে। এমন পরিবর্তন আর কড়াকড়িতে ১৫ লাখ উচ্চশিক্ষিত অভিবাসী শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

বর্তমানে সারা বিশ্বের শিক্ষার্থীদের জন্য আমেরিকা শীর্ষস্থানীয় গন্তব্যস্থলে পরিণত হয়েছে, যাঁদের অনেকেই আমেরিকার অর্থনীতিতে তাঁদের প্রতিভা দিয়ে অবদান রাখছেন। আমেরিকায় জন্ম না নিয়েও এ দেশকে তাদের মেধা দিয়ে সমৃদ্ধ করছেন।
অভিবাসী পরিবারকে অভিবাসন প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে বাউন্ডলেস নামক একটি প্রযুক্তি কোম্পানির সহ প্রতিষ্ঠাতা রেন্ড বলেন, ‘আমাদের সেরা ও প্রতিভাবানদের স্বাগত জানানো উচিত। যদি আমাদের দেশ এই পথটি বন্ধ করে দেয়, অসাধারণ প্রতিযোগিতামূলক সময়ে আমরা আমেরিকানরাই বঞ্চিত হব। অগ্রসর মেধা দিয়ে বিশ্বে নেতৃত্ব দেওয়ার সুবিধা আমাদের হারাতে হবে।’ তিনি যোগ করেন, প্রস্তাবিত নীতি শিক্ষার্থীদের জীবনে ‘ভয়াবহ অনিশ্চয়তার’ সৃষ্টি করবে।

রেন্ড আরও বলেন, ‘আমি মনে করি না, ভিসা আবেদনের ওপর সরকারের নজর রাখা উচিত। তুলনামূলকভাবে কম শিক্ষার্থীই ইচ্ছাকৃতভাবে তাদের ভিসা উত্তীর্ণ হতে দেয়। অন্যরা নিয়ম মেনে চলে। সংখ্যাগরিষ্ঠের জন্য অনিশ্চয়তার সৃষ্টি না করে যারা নিয়মানুবর্তিতা করে বিশ্বাস রক্ষা করে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন—তাদের একটি সহনীয় নীতিমালায় নিয়ে আসা যেতে পারে।
বর্তমান ব্যবস্থায় এফ জে বা এম ভিসাধারীদের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ ‘বেআইনি অবস্থানকারী’ হিসেবে চিহ্নিত না করা পর্যন্ত আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষার্থী আমেরিকায় নিরাপদ ছিল। তাদের কেউ তেমন ঘাটাতো না।

চলতি বছরের ৯ আগস্ট থেকে এ অবস্থার পরিবর্তন ঘটছে। শিক্ষা কোর্স শেষ, অন্য কোনো অভিবাসন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি—এমন এফ জে বা এম ভিসাধারীদের কোর্স শেষ হওয়ার পরদিন থেকেই অবৈধ বলে ধরে নেওয়া হবে। আই-৯৪-এর মেয়াদ শেষ হওয়ার পর অন্য কোন গ্রেস পিরিয়ডের অনুমতি না থাকলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থী অবৈধ হয়ে পড়বেন। কোন অভিবাসন আদালত বিতাড়নের আদেশ দিলে, আপিল করা হোক বা না হোক, সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থী আর বৈধতা থাকবে না।

এমন বহু শিক্ষার্থী আছেন যাঁরা অভিবাসনের মেয়াদ শেষ হয়ে পড়লে আবার বিরতি দিয়ে ভর্তি হন বা বৈধতার অন্য পথ খোঁজেন। এর মধ্যে এমন মেয়াদ উত্তীর্ণ হাজার হাজার শিক্ষার্থী অবৈধ হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

নতুন নিয়মে, যাঁরা এক সঙ্গে থাকার সময় ১৮০ দিনের বেশি বেআইনি উপস্থিত থাকবেন—তাঁরা আবার আমেরিকায় প্রবেশ করার জন্য তিন বছরের বা ১০ বছরের জন্য নিষিদ্ধ হতে পারেন। বেআইনি উপস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রথমে আগামী ৯ জুন পর্যন্ত গ্রেস পিরিয়ড দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে বৈধতার সনদ না দিতে পারলে শিক্ষার্থীদের অভিবাসন নিয়ে চরম বিপর্যয়ে পড়তে হতে পারেন।
নীতিমালায় বলা হয়েছে, যারা কর্ম ভিসায় পরিবর্তনের জন্য আবেদন করবেন—তাদের আবেদন ঝুলে থাকা পর্যন্ত বিতাড়ন করা হবে না। যদি পরিবর্তনের আবেদন মঞ্জুর না হয়, তাহলে পেছনের তারিখ থেকে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা শেষ করা ব্যক্তিকে অবৈধ বলে বিবেচনা করা হবে।

ভারত, চীন, বাংলাদেশসহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশ থেকে উচ্চশিক্ষার্থে প্রচুর মেধাবী শিক্ষার্থী আমেরিকায় আসেন। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মেধা প্রতিযোগিতায় শীর্ষে থাকা এসব ব্যক্তি অভিবাসনের ঝামেলায় আমেরিকা বিমুখ হলে ক্ষতি হবে আমেরিকারই—এমন মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

(প্রথম আলো :২৬ মে ২০১৮)

17/05/2018

British citizenship applications are increasingly being refused on the basis of bad character
(Economist)

Photos from VISAFAIR's post 05/05/2018

10 charts explaining the UK's immigration system.
BBC Report: Published on May 2, 2018

25/04/2018

The tier 2 visa scheme salary requirements are now so high that this puts it out of reach of many small businesses with a tier 2 sponsorship licence who are suffering from skills shortages, and who are unable to pay salaries of £50,000 or more to obtain restricted certificates of sponsorship. This sort of salary is required in cases where you are employing people from outside the EU, who are in occupations that are not on the shortage occupation list and are not PhD level occupations. The minimum salary requirement in April 2018 of £50,000 is lower than in March 2018 when in most cases the salary requirement was £60,000 or more.

Tier 2 visa employers may be considering the tier 2 intra-company transfer route more and more to avoid having to apply for restricted CoSs. However, this does not usually lead to indefinite leave to remain and usually, the employee needs to have worked for the employer outside the UK for one year. It may even be worth some employers setting up a company in Ireland to come under the easier and cheaper Irish General Employment Permit scheme. Also, employers may be looking to recruit non-EU nationals on tier 4 visas who have completed degrees in the UK, and those already on tier 2 visas to avoid having to apply for restricted CoSs.

23/04/2018

UK Tier 2 visa route hit as immigration health surcharge set to double
**************************
Non-EU workers applying for Tier 2 visas to work in Britain were dealt a blow recently as the UK’s immigration health surcharge looks set to double from £200 to £400 per year sometime later in 2018. The National Health Service (NHS) is set to net £220 million as a result of the fee increases.

Tier 2 visa migrants are already in effect contributing to the National Health Service twice. They are paying income tax and national insurance. On top of this, they are paying the immigration health surcharge.

04/01/2018

UK Visas and Immigration - News update

অপেক্ষাকৃত লাভজনক ইমিগ্রেশ আবেদনগুলোকে গুরুত্ব দিতে ব্রিটেনের অভিবাসন কর্তৃপক্ষের গোপন নির্দেশনা ফাঁস। স্টুডেন্ট ভিসায় ৬ মাসের বাড়তি ভিসার পাইলট প্রজেক্ট শুরু।

25/08/2017

Nearly 30,000 EU nationals applied to become British citizens in the 12 months after last summer's Brexit vote - almost double the number of the previous year.

Photos from VISAFAIR's post 25/08/2017

Marketing campaign for VISAFAIR

23/07/2017

ব্রিটেনে স্পাউস ভিসার ইমিগ্রেশন আইনে পরিবর্তন
-----------------------
স্পাউস ভিসার ক্ষেত্রে আয়ের যে সীমা ১৮,৬০০ পাউন্ড বর্তমানে প্রচলিত আছে এই নিয়মের একটি যুগান্তকারী পরিবর্তন এসেছে। আগামী ১০ আগষ্ট থেকে ভিসা আবেদনকারীরা তাদের আয়সীমার প্রমান হিসেবে থার্ড পার্টি স্পনসর ব্যবহার করতে পারবেন। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারী মাসে সুপ্রিম কোর্টের একটি রায়ের ফলে ইমিগ্রেশন আইনে নতুন এই পরিবর্তন নিয়ে এসেছে হোম অফিস। গত ২০ জুলাই হোম অফিস তাদের ওয়েবসাইটে ইমিগ্রেশন আইনের নতুন তথ্য আপডেট করেছে। আর এর ফলে হাজার হাজার স্পাউস ভিসা আবেদনকারীদের মাঝে আশার সঞ্চার হলো।

(সারাবিশ্বের ইমিগ্রেশনের নিয়মিত আপডেট পেতে ভিসাফেয়ার এর সাথে থাকুন।)

08/01/2017

Travelling within the Schengen Area

EU citizens, non-EU residents and visitors to the EU need to be able to freely and safely travel within the Union. The Schengen Area has made this a concrete reality.

Timeline photos 08/01/2017

The Schengen Area
---------------------------
The Schengen Area encompasses most EU States, except for Bulgaria, Croatia, Cyprus, Ireland, Romania and the United Kingdom. However, Bulgaria and Romania are currently in the process of joining the Schengen Area. Of non-EU States, Iceland, Norway, Switzerland and Liechtenstein have joined the Schengen Area.

Timeline photos 19/10/2016

CANADA VISAS FOR HIGHLY-SKILLED FOREIGN WORKERS IN CONSTRUCTION

________________________________________

Canada’s Building Trades Union (CBTU), which represents more than half a million Canadian construction workers, has presented proposals to a federal parliamentary committee that’s reviewing the Temporary Foreign Worker Program (TFWP). Under the proposals there would be more foreign nationals working in highly-skilled construction jobs.

The TFWP allows Canadian employers to recruit foreign nationals for the purpose of filling temporary labour and skills shortages when citizens or permanent residents of Canada are unavailable. Bob Blakely, the Canadian operating officer with CBTU, said: “There are some very legitimate uses for temporary foreign workers (TFWs), simply because of the demographic issue we have with 36 million people in the country.”

“We don't have enough people in high-skilled trade streams, during things called shutdowns and outages as well as some peaks of construction activity,” Blakely added.

Blakely says that an outage occurs ‘when an industrial facility is shut down for a duration of 42 days.’ According to Blakely, a shutdown is a ‘planned period of downtime for facility maintenance, which involves stripping a facility apart and putting it back together again to get the facility fully operational.’

Rolling the dice for highly-skilled workers
Commenting on a shortage of highly-skilled construction workers, Blakely said: “It's like rolling a dice in terms of whether or not we will get the high-skilled workforce from the domestic labour pool that is needed over a 42-day period to cover an outage.”

“We end up getting people from countries like the United States and Ireland. We get people whose skills have been previously assessed and can function in a high-skilled, high-stress and relatively dangerous job. They will be doing an equivalent job to a Canadian,” he added.

According to an article published by Canada’s Daily Commercial News, on May 18, 2016, the CBTU gave testimony at a House of Commons Standing Committee on Human Resources, Skills and Social Development and the Status of Persons with Disabilities (HUMA). The HUMA committee is understood to be involved in the TFWP review process.

During its testimony, the CBTU said that the Temporary Foreign Worker Program plays an integral part in Canada’s economy by helping to temporarily meet demand for highly-skilled personnel when there is a notable shortage of domestic workers who are qualified for specific construction jobs.

Concerns about TFWP
According to the Daily Commercial News article, one of the biggest problems with the TFWP occurred as a ‘result of a rapid expansion in the number of low-skilled workers under the previous Conservative government.’

As a consequence, other problems have surfaced including wide-spread abuse of the program by contractors, such as labour code, employment standards and human rights violations. Plus, low wages, illegal brokers, employer fraud and the loss of jobs among Canadian workers, have also become an issue.

Suggestion that TFWP use to increase training opportunities for Canadians
In order to tackle the problems of the TFWP, the CBTU has recommended that the program be used to ‘increase training opportunities for Canadian workers.’ The CBTU says that this could be achieved by ‘requiring employers to open up an apprenticeship spot for a Canadian when a TFW, with a journeyperson’s qualification in the skilled trades is permitted, to enter the country.’

During the May 18 hearing, Chris Smillie - senior advisor, government relations and public affairs with the CBTU - said: “We think companies, as part of the commitment to the Canadian economy, should hire an apprentice as part of this transaction.”

Smillie added: “If the company cannot — due to scale, size, or logistical challenge — a fee of perhaps $10,000 could be paid by the company to the receiver general. These funds could then be used for an appropriate labour market information system or placed in the Canada job grant system or a similar training infrastructure fund.”

In Smillie’s opinion, any employer who fails to commit to these options and shows an unwillingness to participate in the Canadian training system, should be denied a TFW permit.

Blakely said: “If you are not contributing to the pool of workers in Canada and you have to go and seek a workforce from somewhere else, what have you done to help? If you haven't trained anybody aren't you part of the problem?”

Blakely alleges that any employer who isn’t committed to training is relying on a bailout or subsidy from the Federal Government via the TFWP. Employers who do this are gaining a competitive advantage over their rivals by being allowed to hire overseas workers who are forced to work for lower pay than their Canadian counterparts, according to Blakely.

The CBTU’s says that the TFWP should not replace a permanent immigration system. Additionally, the ‘increasing dependence of the Canadian economy on the TFWP should be reduced via an increase in mobility of the Canadian workforce and training Canadians in the skilled trades,’ the CBTU said.

The HUMA committee’s review of the TFWP was expected to be issued at the end of June. However, the final report is still pending.

Want your school to be the top-listed School/college in London?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Story of VISAFAIR

ABOUT US

We are the commercial wings of Bangladeshis Student Association UK was established in 2010 to deliver education consultancy and legal advices under the legitimate frame work of the UK. Our highly trained up consultant and always up to date with new rules and regulations which enable them to give impartial and informative advice on a variety of subjects relevant to studying in the UK. We are top class professional education consultancy firm to provide quick response to all enquiries and display a wide range of innovative set of services provided by various universities & Education bodies in UK. Our objective is to create a comfortable platform for all international students, while studying at various colleges, universities, schools and institutions in the UK.

WHY CHOSE US

Videos (show all)

UK Visas and Immigration - News update
Travelling within the Schengen Area
The University of Strathclyde

Location

Telephone

Address


London
E11BY

Opening Hours

Monday 9am - 7pm
Tuesday 9am - 7pm
Wednesday 9am - 7pm
Thursday 9am - 7pm
Friday 9am - 7pm
Other Educational Consultants in London (show all)
Future Foundations Future Foundations
Devas Club, 2a Stormont Road
London, SW115EN

Further Study Milkround Further Study Milkround
236 Gray's Inn Road
London, WC1X8HB

Study Options Study Options
London

Study Options is the official Application Support Service for UK-based students wanting to apply to

Protocol Education Protocol Education
10 Bloomsbury Way
London, WC1A2SL

We specialise in finding jobs for teachers and support staff as well as recruiting newly qualified t

Sanza Teaching Agency Sanza Teaching Agency
LABS House, 15/19 Bloomsbury Way
London, WC1A2TH

Thinking of Teaching in London? SANZA specialise in finding jobs for teachers & support staff in Lon

Leadership Foundation for Higher Education Leadership Foundation for Higher Education
Advance HE
London, WC1X8LZ

Advancing leadership, management, governance for higher education. Please follow us at @AdvanceHE

Next Step Nail & Beauty Training Company Next Step Nail & Beauty Training Company
London

Call us on 0203 829 8856 - Next Step Nail and Beauty College is a privately owned training company

Oak Education Oak Education
London, E15NP

Oak Education is a Supplementary School helping Primary and Secondary pupils with their education, t

Canon Collins Trust Canon Collins Trust
Office 8 334 Kennington Lane
London, SE115HY

Building a community of researchers and activists across southern Africa who create and use research

EduQualify EduQualify
SUITE 1529 KEMP HOUSE, 152 CITY Road
London, EC1V2NX

EduQualify is a specialist service provider offering expert study abroad advice and consultation.

SERVICES FOR STUDENTS LONDON SERVICES FOR STUDENTS LONDON
26 Bloomsbury Street
London, WC1B3QJ

Over 20 years of experience providing education solutions, with services such as: courses, visas, wo

Open Skies Management Ltd Open Skies Management Ltd
207 Regent Street, Fl 3rd
London, W1S2

Open Skies Management Ltd is an approved centre for the Chartered Management Institute (CMI), offeri