Career's Link BD

Career's Link BD

Career's Link BD is one of the leading skills development online platform in Bangladesh.

22/11/2022

কীভাবে হতাশা কাটিয়ে উঠতে হয় ৩ টি টিপস....

20/11/2022

বিগেনার হিসাবে গ্রফিক্স ডিজাইনে অভিজ্ঞতা অর্জন করার ৩ টি টিপস

19/11/2022

কিভাবে আপনার ওয়েব সাইটের স্পীড বাড়াবেন ।

18/11/2022

যেভাবে আপনার ব্যবসায়ের কাস্টমার রিসার্চ করবেন

17/11/2022

সুস্থ এবং ফিট থাকার উপায় ৩ টি টিপস

15/11/2022

কমিউনিকেশন খাতে চাকরির জন্য যে ৩ টি যোগ্যতা থাকতেই হবে..

15/11/2022

তিনবারের চেষ্টায় গুগলে চাকরি পেলেন জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নশিন।
”সবার পক্ষেই যে কোন কিছু করা সম্ভব, শুধু দরকার লেগে থাকার মানষিকতা, নিজেকে তৈরি রাখা খুব জরুরী তাহলে বেশি দৌড় ঝাপের দরকার হয় না।”
==>>মীর নোশিন জাহান

15/11/2022

কীভাবে সুন্দর করে গুছিয়ে কথা বলতে হয়,৩ টি ব্যবহারিক টিপস।

14/11/2022

কিভাবে ক্যারিয়ার পরামর্শ চাইতে হয় ৩ টি গরম টিপস....

05/11/2022
03/11/2022

Good Morning ....

27/10/2022

Off topic .....

22/10/2022

এটি একটি লৌহ দন্ড যার মূল্য ১০০ টাকা।
আপনি যদি এটি দিয়ে একটি বটি দা তৈরি করে বিক্রি করেন তাহলে এটির মূল্য ২৫০ টাকা বেড়ে যাবে। যদি আপনি এটি দিয়ে সেলাইয়ের সুচ তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেন, তাহলে মূল্য প্রায় ৭০০ টাকা বেড়ে যাবে। আর আপনি যদি ঘড়ির স্প্রিং তৈরি করেন, তাহলে এর মূল্য প্রায় ৭০০০ টাকা বৃদ্ধি পাবে। যদিও সবগুলো জিনিস ঐ ঐ লৌহ দন্ড থেকে তৈরি হয়েছে।
আসল কথা হচ্ছেঃ আপনি কোথা থেকে এসেছেন সেটা গুরুত্বপূর্ণ নয় বরং আপনি কিভাবে প্রস্তুত হয়ে কি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবেন, সেটা দিয়েই আপনি মূল্যায়িত হবেন।

21/10/2022

নিজের গল্প দিয়েই শুরু করা যাক। বছরের শুরুতে খেয়াল করলাম, মোবাইল ডিভাইসে প্রচুর সময় নষ্ট হচ্ছে। তিন দিন ধরে নিজের কার্যকলাপ পর্যবেক্ষণ করে দেখা গেল, ৮০ শতাংশ সময়েই নোটিফিকেশন চেক করতে গিয়ে ফোন হাতে নেওয়া হচ্ছে। ফোনের সেটিংসে ঢুকে মেইল-ফেসবুকসহ যেসব অ্যাপ্লিকেশন থেকে নোটিফিকেশন আসে, সবই অফ করা হলো। ফলাফল? মোবাইলে সময় নষ্ট হচ্ছে এখন অনেক কম। সারা দিনের সময়ও যেন বেড়ে গেল কয়েক ঘণ্টা।

কীভাবে এল?

এতক্ষণ আসলে বলা হচ্ছিল ইতালিয়ান অর্থনীতিবিদ পারেতোর ১৯০৬ সালে দেওয়া এক তত্ত্বের কথা, যাঁর নামানুসারে একে ‘পারেতোর ৮০-২০ নীতি’ বলা হয়। গবেষণায় তিনি দেখলেন, ইংল্যান্ডের ২০ শতাংশ লোকের কাছেই ৮০ শতাংশ সম্পত্তি। পরে দেখলেন নিজের বাগানে ছিটানো ২০ শতাংশ মটরদানা থেকেই ৮০ শতাংশ চারা বেরিয়েছে। নীতিটা তাই এমন, ২০ শতাংশ চেষ্টা দিয়েই ৮০ শতাংশ ফল আসে। অবশ্য একদম অঙ্ক কষেই যে ৮০-২০ হবে, এমনটা নয়। ৮৫-১৫, ৯০-১০, ৯৫-৫—এ রকম অনেক কিছুই হতে পারে।

১৯৪০-এর দশকে ড. জুরান শিল্পকারখানায় ‘কোয়ালিটি কন্ট্রোল’ করতে প্রয়োগ করলেন এই নীতি। দেখলেন, পণ্যের ৮০ শতাংশ সমস্যাই হয় যন্ত্রের ২০ শতাংশ সমস্যার জন্য। কেবল ওই ২০ শতাংশ সমস্যা সমাধানেই পণ্যের সামগ্রিক মান বাড়ল কয়েক গুণ।

আরও উদাহরণ

আপনি ফ্রেঞ্চ কিংবা চায়নিজ ভাষায় দক্ষ হতে চাইলে ওই ভাষার কয়েক লাখ শব্দ আর ব্যাকরণ জানতে হবে না। মাত্র ২০ শতাংশ শব্দ দিয়েই আপনি ৮০ শতাংশ কথাবার্তা সারতে পারবেন। উইন্ডোজের ২০ শতাংশ বাগই ৮০ শতাংশ ক্রাশের কারণ। অন্য যেকোনো সফটওয়্যারের ক্ষেত্রেও এ কথা খাটে।

এবার আপনার প্রিয় গায়কের কথা ভাবুন। দেখবেন, তাঁর ২০ শতাংশ গানই ৮০ শতাংশ জনপ্রিয়তা এনে দিয়েছে। হলিউডের ২০ শতাংশ ছবিই বক্স অফিসের ৮০ শতাংশ লাভ এনে দেয়।

আমাদের ইউটিউব আর ফেসবুকের ভিডিও অ্যানালিটিকস থেকে দেখা যায়, ২০ শতাংশ ভিডিও থেকেই আমাদের ৮০ শতাংশ ভিউ। কিছু সুপারশপ কিংবা রেস্টুরেন্টের ম্যানেজারের সঙ্গেও কথা বলে দেখেছি, ২০ শতাংশ পণ্যই তাদের ৮০ শতাংশ বিক্রি এনে দেয়। আবার তাদের কেবল ২০ শতাংশ গ্রাহকই ৮০ শতাংশ অভিযোগগুলো করেন।

কীভাবে শুরু করবেন?

প্রথম কাজ হলো, এই সপ্তাহে কোন কাজগুলো করবেন না, তার একটি তালিকা অর্থাৎ একটা ‘নট-টু-ডু লিস্ট’ বানাবেন। মানুষের মনস্তত্ত্ব হলো, একটা বিশাল ‘টু-ডু লিস্ট’ বানিয়ে অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো আগে শেষ করা এবং ঘ্যাঁচাং করে একটার পর একটা কাজ কেটে তৃপ্তির ঢেকুর তোলা। দিন শেষে আপনি ব্যস্তই থেকে যান অথচ উন্নতির বেলায় লবডঙ্কা।

সারা দিনের কাজকে আতশি কাচের নিচে রেখে দেখুন, কোন কাজগুলো আপনার সময় সবচেয়ে বেশি নষ্ট করছে। ঘন ঘন মেইল চেক, সব ফোন রিসিভ, মোবাইলের নোটিফিকেশনে নজর—এসবই পাবেন তালিকায়। দুপুর ১২টা আর বিকেল ৪টাতেই কেবল মেইলের উত্তর দিন। যেসব ফোন পরে কলব্যাক করলেও হবে, তা পারতপক্ষে রিসিভ করবেন না। স্মার্টফোনের নোটিফিকেশন বন্ধ করুন। নিজের মেধা-শ্রম দেবেন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ আগে শেষ করতে।

দিনের গুরুত্বপূর্ণ পাঁচটি কাজের তালিকা তৈরি করে ঠিক করুন এর মধ্যে ঠিক কোন কাজটি করলে পরিবার কিংবা কর্মক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি লাভবান হবেন। বাকি চারটি কেটে দিন এবং কেবল ওই কাজেই সবচেয়ে বেশি সময় দিন।

যে ২০ শতাংশ পণ্য আপনাকে ৮০ শতাংশ আয় দিচ্ছে, এগুলোর মান বাড়াতেই মন দিন সবচেয়ে বেশি। বেশি গ্রাহক বা ক্লায়েন্ট মানেই সব সময় বেশি আয় নয়। যে ২০ শতাংশ গ্রাহক আপনাকে ৮০ শতাংশ লাভ দিচ্ছে, তাদের সঙ্গেই সম্পর্ক গাঢ় করে আরও কাজ বা অর্ডার নিন।

ছোট্ট একটি তালিকা করুন, কোন ২০ শতাংশ মানুষ আর কোন ২০ শতাংশ গ্রাহক কিংবা কাজ আপনার ৮০ শতাংশ মানসিক যন্ত্রণা-রাগ-সময় অপচয়ের কারণ। আর কোন ২০ শতাংশ এনে দিচ্ছে আর্থিক ও মানসিক তৃপ্তি।

শেষ প্রশ্ন

কোনো কাজে বেশি চেষ্টা বা সময় দেওয়া মানেই কাজটার গুরুত্ব বেড়ে যাওয়া নয়। অফিসে বেশিক্ষণ বসে থাকা মানেই নিশ্চিত প্রমোশন নয়। ব্যস্ত থাকা আর কার্যকরী হওয়ার মধ্যে রয়েছে বিস্তর ফারাক। কীভাবে কাজটা করা হচ্ছে বা কোন নির্দিষ্ট কাজে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে, সেটাই বরং কার্যকর ফল এনে দেয়। তাই কেবল একটাই প্রশ্ন করুন নিজেকে—

আমি কি কাঙ্ক্ষিত ফলপ্রাপ্তির জন্য কাজ করছি নাকি নিছক ব্যস্ততার ভান করে যাচ্ছি?

প্রিয়ম মজুমদার : সহপ্রতিষ্ঠাতা এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক, প্যাভিলিয়ন

15/09/2022

কনটেন্ট মার্কেটিং ও বিজ্ঞাপন এর পার্থক্য .....

Photos from Career's Link BD's post 09/09/2022
Photos from Career's Link BD's post 06/09/2022

পুড়ে পুড়েই সোনা খাটি হয়।
মানুষের অপমান, আল্লাহ প্রদত্ত বিপদ, সকল ধরনের হতাশার মাধ্যমেই আপনি বড় জায়গাতে যাওয়ার যোগ্য হয়ে উঠবেন। তাই অপমান, বিপদে হতাশা না হয়ে ধৈয্য হারা না হয়ে যোগ্যতা বাড়ানোর পাশাপাশি কাজ করে যান, সফলতা দেওয়ার মালিক আল্লাহ, উনি আপনার প্রস্তুতি সম্পন্ন হলে সময় হলে সফলতা দিবেন।

হতাশার মুহুর্তে কিছু কিছু প্রাকটিস করবেন:

27/05/2021

ফেইসবুকে বুস্ট নয় মার্কেটিং করুন.....
আপনারা হয়তো খেয়াল করেছেন ফেইস বুক ইদানিং আর আগের মত রিচ দেয় না আগে যেখানে ৫ ডলারে ২০০০০ রিচ হত সেখানে এখন ২০ ডলারেও ২০০০০ রিচ হয় না , রিচ হলেও সেল হয় না , এর কারন হচ্ছে আমরা সঠিক কাস্টমারের কাছে পৌছাতে পাচ্ছি না , সঠিক ভাবে টার্গেটিং করতে পাচ্ছি না , কিভাবে অডিয়েন্স টার্গের্টিং করলে সঠিক কাষ্টমারের কাছে পৌছানো যায়, সকল বিষয় নিয়ে শিঘ্রই ধারাবাহিকভাবে আলোচনা করা হবে, আপনার সেল বাড়াতে আমাদের সাথেই থাকুন ........

08/05/2021

Life is short, youth is finite, and opportunities endless.Have you found the intersection of your passion and potential for world - shaping positive impact? If you don’t have a gteat idea of your own, there are plenty of great teams need you- unknown startups and established teams in gaint companies alike- Justin Rosenstein.

06/05/2021

প্রতিকুল পরিবেশে নেজেকে শক্ত করতে হবে.......

একদিন মেয়ে তার বাবাকে নিজের জীবন নিয়ে হতাশার অভিযোগ করছিল। বলছিল সে আর পারছে না, সে জানে না কিভাবে কি করতে হবে ,লড়তে লড়তে সে আজ ক্লান্ত। এই যেন একটি সমস্যা শেষ হলে আরেকটি হাজির হওয়া।

মেয়েটির বাবা পেশায় একজন রন্ধনশিল্পী। মেয়ের হতাশার কথা শুনে তিনি মেয়েকে রান্না ঘরে ডেকে আনলেন। তারপর তিনটি পাত্রে পানি ভর্তি করে তা আগুনের উপর বসিয়ে দিলেন। যখন পাত্র তিনটিতে বলক আসল, তখন তিনি একটিতে আলু, একটিতে ডিম আর অন্য একটিতে কফি ঢেলে দিলেন। এভাবে আরো কিছুক্ষন সিদ্ধ হতে থাকল, মেয়ের সাথে কোন কথা বললেন না। অপর দিকে মেয়ে অধৈর্য্য হয়ে দেখে যাচ্ছিল বাবা কি করছিল।

বিশ মিনিট পর তিনি চুলা বন্ধ করে একে একে প্রথমে আলু উঠিয়ে নিয়ে একটি বাটিতে রাখলেন, ডিম রাখলেন আর কফি একটি কাপে ঢাললেন। তারপর মেয়েকে জিজ্ঞেস করলেন” তুমি এখন কি দেখছো”

মেয়ে উত্তর দিল ” আলু , ডিম আর কফি”

বাবা বললেন ভালো করে দেখো এবং ধরে দেখো।

মেয়ে বাবার কথা মত ধরে দেখলো আলু নরম হয়ে গেছে, ডিমের খোসা খুলে দেখা গেল সিদ্ধ হয়ে শক্ত হয়ে গেছে। অন্যদিকে কফির কাপ থেকে বের হয়ে আসা ঘ্রাণে তার মুখ হাসোউজ্জল হয়ে যায়।

‘এসবের অর্থ কি ”বাবা” মেয়ে জানতে চাইল ।

বাবা ব্যাখ্যা করলেন-

আলু, ডিম, কফি বিন যদিও একই তাপমাত্রার ফুটন্ত পানিতে অর্থাৎ একই দৈব পরিবেশের সম্মুখীন হয়েছিল। কিন্তু নিজের মত করে অর্থাৎ ভিন্ন ভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখায়।

শক্ত আলু নরম হয়ে যায় ।

পাতলা আবরণে সুরক্ষিত নরম ডিম শক্ত হয়ে যায় ।

আর কফি বিনগুলো ছিল সম্পূর্ণ অন্যরকম। ফুটন্ত পানিতে এরা নিজেদের মেলে ধরে পানিটাকেই পরিবর্তন করে ফেলে। নতুন এক জিনিস সৃষ্টি করে।

” তুমি কোনটা?” মেয়ের কাছে বাবা জানতে চাইলেন। প্রতিকুল পরিবেশ যখন তোমার দুয়ারে কড়া নাড়বে তখন তুমি কিসের মত প্রতিক্রিয়া দেখাবে?।

গল্পটি থেকে কি শিখলামঃ

১. প্রতিকুল পরিবেশে নিজেকে শক্ত করতে হবে ।

২. পরিবেশ বুঝে নিজেকে উপস্থান করতে হবে ।

05/05/2021

কাক হচ্ছে একমাত্র সেই পাখি যে
ঈগলের ঘাড়ের উপর বসে ঠোকর মেরে তাকে বিরক্ত করতে পারে ! এত সাহস অন্য কোনো পাখির নেই। মজার ব্যাপার হচ্ছে, ঈগল কিন্তু কাকের সাথে লড়াই করে বা তাকে মেরে ফেলতে যেয়ে নিজের সময় ও শক্তির অপচয় করে না। ঈগল যেটা করে সেটা হচ্ছে, সে দ্রুত গতিতে উপরে উঠতে থাকে। অতি উচ্চতায় অক্সিজেন স্বল্পতার কারণে এবং ঈগলের প্রচণ্ড গতির কারণে কাক দুর্বল হয়ে পড়ে এবং টিকতে না পেরে ঈগলের ঘাড় হতে দ্রুত খসে পড়ে যায়!
ঠিক তেমনিভাবে, আপনার জীবন চলার পথে কাছের মানুষ, আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব রূপী অনেক কাক আপনার পিছনে ঠোকর মেরে আপনার জীবনকে ব্যহত করবে। এদের সাথে লড়তে যেয়ে সময় এবং শ্রম অপচয় করার কোন দরকার নেই। আপনার চুড়ান্ত লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য কাজের গতি আর পরিশ্রম আরও বাড়িয়ে দিন। দেখবেন, আপনার গতির সাথে তাল মেলাতে না পেরে এইসব কাকেরা দুর্বল হয়ে এমনিতেই ঝড়ে পড়ে যাবে।

একজন কর্পোরেটের চাকরি ছেড়ে দোকানে দোকানে ঘুরে নিজের পণ্য চিনিয়েছেন।। Uddokta।। Apu Mahfuz 02/05/2021

জীবনের সবচেয়ে বড় ট্র‍্যাজেডি।
এরপরই ঘুরে দাঁড়াতে হলো আশাকে
উদ্যোক্তা হবার পথ বেছে নিলেন।
উদ্যোক্তা অনুষ্ঠানের পূর্ণ পর্বে দেখুন তার সফলতার গল্প।
https://www.youtube.com/watch?v=YcFRU3Penvk

একজন কর্পোরেটের চাকরি ছেড়ে দোকানে দোকানে ঘুরে নিজের পণ্য চিনিয়েছেন।। Uddokta।। Apu Mahfuz ​ Channel i ​​On air Date : 5th April, 2021Uddokta/ Entrepreneur- Asma Khatun AshaSector- Food স্বামীর উতসাহে বাসা থেকে এক...

30/04/2021

“কখনও না পড়ে যাওয়ার মাঝে বীরত্ব নেই, পড়ে গিয়ে আবার উঠে দাঁড়ানোর মাঝেই সত্যিকার বিরত্ব লুকিয়ে আছে”

29/04/2021

“বেশিরভাগ মানুষ তাদের লক্ষ্য পূরণ করতে পারে না, কারণ, তারা লক্ষ্য নিয়ে ঠিকমত পরিকল্পনা করে না, এবং নিজের ক্ষমতার ওপর পুরোপুরি বিশ্বাস করে না। বিজয়ীরা জানে তারা ঠিক কোথায় পৌঁছাতে চায়, এবং কিভাবে পৌঁছাতে চায়”

28/04/2021

নিজেকে একটি কথা দিয়ে, দিন শুরু করাে…....
“আমি আজকে গত দিনের
থেকে ভালাে করবাে।”

26/04/2021

আপনি কোন একটা বিষয় নিয়ে অধিক সময় নেতি বাচক ভাবলে হতাশ হবেন ...

একজন মনোবিজ্ঞানী স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট পড়ানোর সময় রুমে চারপাশে হাঁটতে হাঁটতে এক সময় শ্রোতাদের সামনে এক গ্লাস পানি উপর করে তুলে ধরলেন। তখন সবাই ভেবে ছিল হয়তো তিনি গ্লাস অর্ধেক খালি না অর্ধেক ভর্তি এই প্রশ্নটি করবেন। কিন্তু তিনি তা করলেন না। তিনি হাসিমুখে প্রশ্ন করলেন ” এই এক গ্লাস পানি কত ভারী ”। উত্তর আসল ২৫০ এমএল থেকে ৩০০ এমএল ভেতর ।
তখন মনোবিজ্ঞানী বললেন এর অরজিনাল ওজন এখানে কোন ব্যাপার না, ব্যাপারটা হলো আমরা গ্লাসটিকে কতক্ষন ধরে রাখছি, ওজনটাও সেটার উপর নির্ভর করছে।
যদি আমি এটাকে এক মিনিটের জন্য ধরে রাখি, তবে কোন সমস্যা হবে না। যদি এটাকে এক ঘন্টা ধরে রাখি তবে আমার হাতে ব্যাথা অনুভূত হবে। আর যদি একদিনের জন্য এভাবে ধরে থাকি তবে আমি পক্ষঘাতগ্রস্থ বোধ করব। প্রতিটা ক্ষেত্রে এর আসল ওজনে কোন পরিবর্তন হয় না। কিন্তু ধরে রাখার সময় বাড়ার সাথে সাথে এটি ভারী থেকে ভারী লাগতে শুরু করে।
তিনি আরো বিশদে গিয়ে বলেন আমাদের জীবনের চাপ এবং উদ্বেগগুলো এই গ্লাসের পানির মত। যা নিয়ে কিছুক্ষন ভাবলে তেমন কোন কিছু হবে না। কিন্তু এই চাপ আর উদ্বেগ যদি আমরা সারাদিনের জন্য ধরে রাখি, মনে রাখি ।তবে তা আমাদের কোন কিছু করার সামর্থ্যটা কেড়ে নিতে পারে। তাই চাপ কখনো অধিক সময় পর্যন্ত টানতে যাবেন না। এটাকে খুব অল্প সময়ে ছেড়ে দিতে হবে। অর্থাৎ গ্লাস নামিয়ে রাখতে হবে মনে করে।
গল্পটি থেকে কি শিখলামঃ
১. আপনি কোন একটা বিষয় নিয়ে অধিক সময় নেতি বাচক ভাবলে হতাশ হবেন ।
২. জীবনের চাপ এবং উদ্বেগগুলো বেশি সময় ধরে রাখা ঠিক হবে না ।

25/04/2021

সঠিক সময়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া শিখতে হবে...
একদিন এক ভদ্রলোক একটি পাত্রে পানি নিয়ে তাতে একটি ব্যাঙ রেখে পানি গরম করা শুরু করল । পানির তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে ব্যাঙটিও তার শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে সহনীয় পর্যায়ে নিতে শুরু করল যদিও সে চাইলেই লাফ দিয়ে বেরিয়ে যেতে পারত কিন্তু সে লাফ না দিয়ে সহ্য করতে থাকে ।
আস্তে আস্তে পাত্রের তাপমাত্রা যখন আরও বাড়িয়ে ফুটন্ত গরম করা হয় তখন ব্যাঙটি আর সহ্য করতে না পেরে সে সিদ্ধান্ত নেয় লাফ দেওয়ার কিন্তু ততক্ষনে তার আর লাফ দেওয়ার মত শক্তি নেই । পানি আরও গরম হতে থাকে যার ফলে সে অতিরিক্ত গরম পানিতে থাকতে থাকতে একটা সময় মারা যায় ।
এখন যদি প্রশ্ন করা হয় ব্যাঙটি কিভাবে মারা যাওয়ার কারন কি ??
আমরা অধিকাংশরাই বলব যে গরম পানির কারনে মারা গেছে ।
কিন্তু না সে আসলেই গরম পানির কারনে মারা যায়নি, সে মারা গেছে সঠিক সময়ে লাফ দেওয়ার সিদ্ধান্ত না নেওয়ার কারনে ।
ঠিক তেমনি প্রতিটি মানুষের স্থান কাল পাত্র ভেদে একেকটা বিষয়ে সহ্য করার ক্ষমতা থাকে । আমাদের প্রত্যেকের মনে রাখতে হবে ক্ষমতা থাকা অবস্থা সঠিক সিদ্ধান্তটি সঠিক সময়ে নিতে হবে । আবেগ ভালবাসা দেখিয়ে দেরিতে সিদ্ধান্ত না নিয়ে সঠিক সময়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত ।

23/04/2021

উদ্যোক্তা হওয়ার বাসনা মনের গভীরে অনেকেই লালন করেন। তবে লালিত স্বপ্নকে পেছনে ঠেলতে নানা অজুহাত নিজের মনেই তৈরি করে মানুষ। টাকা নেই, আমাকে দ্বারা ব্যবসা হবে না, বিশ্বস্ত মানুষ পাব কই, পরিবারে ব্যবসা করেনি কেউ, আমি কি পারব? আমার জিনিস কিনবে কে—এসব সাত পাঁচ ভেবে অনেকেই এক ধাপ এগিয়ে তিন ধাপ পিছিয়ে যান। আসলে উদ্যোক্তা হওয়ার মতো সাহস দেখাতে পারে খুব কম মানুষ। ঝুঁকি থাকবেই, তবে মনকে সেভাবেই গড়তে হবে। নিজেকে উদ্যোক্তা হিসেবে দেখতে হলে প্রথমেই প্রয়োজন মনের মাঝে সৃজনশীলতা, নেতৃত্বের ক্ষমতা এবং আকাঙ্ক্ষা গড়ে তোলা। কিছু কিছু বিষয় আছে যা উদ্যোক্তা মনটাকে শক্তিশালী করে। আজ যেনে নেওয়া যাক তেমন কয়েকটি বিষয়।

১. অভিজ্ঞ পরামর্শদাতাদের কথা শুনুন—কিছু শুরু করার আগে আসলে প্রথমেই অভিজ্ঞদের কথা শুনুন। কীভাবে ঝুঁকি নিয়েছেন তারা কীভাবে মোকাবিলা করেছেন সে সব গল্পগুলো মনের মাঝে গেঁথে ফেলুন। মার্ক জাকারবার্গের মতো বিশ্বের সফল ব্যক্তিরাও বলেন, নিজেদের সাফল্যের জন্য পরামর্শদাতাদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া অভিজ্ঞতাগুলোকে কৃতিত্ব দেন তারা। পরামর্শদাতারা আপনার ধারণাগুলোই হয়তো বলবে তবে সেই সঙ্গে তাঁরা কোন বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকতে হবে, ক্ষতিকারক বিষয়গুলো চিহ্নিত করে দেবে। যাদের ভাগ করে নেওয়ার মতো অভিজ্ঞতা আছে তাদের সঙ্গে চাইলে লিঙ্কড ইন বা স্কোরের মতো প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে যোগাযোগ করা যেতে পারে।

২. যত পারেন পড়ুন—পরামর্শদাতাদের পাশাপাশি, আপনি প্রকাশিত বই এবং নিবন্ধগুলি থেকে জ্ঞান অর্জন করতে পারেন। যে সমস্ত লোকেরা তাদের অভিজ্ঞতা লিখে রাখে এবং তাদের সঙ্গে বিশ্বের সঙ্গে ভাগ করে নেয় তাঁরা চান যে আপনি তাদের ভুল এবং সাফল্যগুলো থেকে শিখুন এবং তারা বাস্তব-গল্পই তুলে ধরে যা আপনি নিজের উদ্যোগে প্রয়োগ করতে পারেন।

৩. উদ্যোক্তা হওয়ার ইভেন্টগুলোতে যোগ দিন—যে অবস্থায় আছেন তার থেকে আরও ভালো হতে চাইলে, উদ্যোক্তা হওয়ার নানা ধরনের কর্মশালায় যোগ দেওয়া উচিত। ট্রেড শো, সম্মেলন, ওয়েবিনারয়ের মতো ইভেন্টগুলোতে নিজের উদ্যোক্তা মনকে স্থির করে। এই জাতীয় ইভেন্টগুলো নেটওয়ার্কিংয়ের জন্য দুর্দান্ত সুযোগ, এবং শিল্প জুড়ে সংযোগ থাকায় সাফল্যের জন্য আপনাকে প্রস্তুত করবে।

৪.নতুন চ্যালেঞ্জ অনুসন্ধান করুন—একজন উদ্যোক্তার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দক্ষতা হলো সমস্যা সমাধান করার ক্ষমতা। আপনাকে দ্রুত চিন্তা করতে হবে, বিভিন্ন কোণ থেকে পরিস্থিতি বিবেচনা করতে হবে এবং সৃজনশীল সমাধান করতে হবে যা এর আগে অন্য কেউ করেনি। এই ধরনের দক্ষতা বিকাশের জন্য, চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতির সন্ধান করতে হবে। সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনার জন্য মস্তিষ্ককে খাটাতে হবে। আপনাকে প্রতিক্রিয়া এবং সমালোচনা গ্রহণ করতে শিখতে হবে, অন্যের চিন্তাভাবনা এবং ধারণাটি আন্তরিকভাবে শুনতে হবে। কোন ফলাফল বা সমাধানে ফোকাস করবেন তা আপনাকেই বেছে নিতে হবে।

৫. প্রতিদিন আপনার লক্ষ্য নিয়ে ভাবুন— উদ্যোক্তা হলে ভালো হতো, একবার এমন ভেবেই বসে থাকলাম—তাহলে পথ কখনই সহজ হবে না। প্রতিদিন নিজের লক্ষ্যটি নিয়ে ভাবতে হবে। কাজের ফাঁকে হোক, গল্পের ছলে হোক সব সময় লক্ষ্যটি নিয়ে ভাবতে হবে। আলোচনা করতে হবে। আপনি উদ্যোক্তা হতে চান কারণ আপনার একটি লক্ষ্য রয়েছে। প্রতিদিন এই লক্ষ্য নিয়ে ইতিবাচক চিন্তা করুন। নিজেই নিজেকে প্রেরণা দিন।

৬. ব্যবসায়ের প্রতিটি অংশ বোঝার চেষ্টা করে দেখুন—সফল উদ্যোক্তারা একটা কথা খুব বলেন তা হলো যে জিনিসটি নিয়ে ব্যবসায় নামছেন পুরোপুরি সেটি সম্পর্কে জানতে হবে। এটি কীভাবে তৈরি হয়, কী কী কাজে লাগে। অন্যকে দিয়ে তৈরি করে বা অন্যের জ্ঞান নিয়ে সফলতা আসার সম্ভাবনা খুব কম। একক উদ্যোক্তার জন্য অনেক কাজ আছে, তার মানে এই নয় যখন আপনার ব্যবসা বৃদ্ধি পায়, কর্মচারী থাকে, তখন এই দায়িত্ব কতটা কঠিন ছিল তা আপনি ভুলে যাবেন। প্রত্যেকের কাজের জন্য আপনার উপলব্ধি থাকতে হবে। অহংকার এড়িয়ে চলতে হবে। আপনার ব্যবসায়ের প্রতিটি ক্ষেত্রে আপনার হাত থাকতে হবে। আপনার কর্মীদের কাজের ধরন কী তা দেখার জন্য বিভিন্ন ভূমিকাতে তাদের পাশাপাশি কাজ করতে হবে। যা আপনাকে বিষয়গুলো সম্পর্কে ধারণা রাখতে সহায়তা করবে এবং একটি দল হিসাবে সহযোগিতা এবং বন্ধনের সুযোগ তৈরি করবে।তরুণেরা কেন উদ্যোক্তা হবেন।

৭. নিজেকে সুশৃঙ্খল করুন—নিজেকে উদ্যোক্তা হিসেবে দেখতে চাইলে জীবন যাপনের ক্ষেত্রে সুশৃঙ্খল হওয়া খুবই জরুরি। তাহলেই আপনার কাজে সুশৃঙ্খলা থাকবে। পেশাগত এবং ব্যক্তিগত উভয় জায়গায় সময় নষ্টের বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। সোশ্যাল মিডিয়ায় আপনার ব্যয় করা সময় সীমাবদ্ধ করুন, প্রচুর পরিমাণে ঘুমান, ভারসাম্যপূর্ণ খাবার খেতে হবে। কাজের অনুশীলন এবং পড়ার সময় নির্ধারণ করতে হবে। উল্লেখযোগ্য হলো মন থেকে বিভ্রান্তি দূর করতে হবে।

৮. কথা বলার চেয়ে শুনুন বেশি—আসলে এই বিষয়টি জীবনের প্রতি ক্ষেত্রেই লালন করা উচিত। নিজে কথা বেশি বলার চেয়ে শ্রোতা হওয়া জরুরি। মনোযোগ দিয়ে সবার কথা শোনা এরপর নিজের বিচার বুদ্ধি দিয়ে তা বিবেচনা বুদ্ধিমানেরাই করেন। ব্যবসার ক্ষেত্রে বিশেষত যখন কঠিন বা অস্বস্তিকর কোনো আলোচনা হয়, তখন উপস্থিত থাকার বিষয়ে এবং অন্য ব্যক্তি কী বলছেন কী বলা হচ্ছে তা তাতে মনোযোগ দেওয়া ভালো।

৯ অন্যকে সাহায্য করুন—আমরা যেমন অন্যের কাজ থেকে শিখি তেমনি অন্যকে সাহায্য করার মনোভাবও একজন উদ্যোক্তার রাখতে হবে। অন্যকে সাহায্য করার মাধ্যমে একজন উদ্যোক্তার শিক্ষা আরও বাড়ে। এটি মনে রাখা প্রয়োজন।

22/04/2021

ই-কমার্স ব্যবসায় নামার আগে কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখতে হবেঃ
প্রথমত, ই-কমার্স ব্যবসা নামার আগে ঠিক করে নিতে হবে কোন পণ্যটি বেচতে হবে৷ পণ্য নির্বাচন সময় দেখে নিতে হবে অনলাইন যারা কেনাকাটা করেন তাদের কাছে সেটির আদৌ চাহিদা রয়েছে কিনা৷
দ্বিতীয়ত, পণ্যটির দাম নির্ধারণ৷ এখন বাজার ধরতে কতটা ছাড় দেওয়া সম্ভব সেই হিসাবটা আগে কষে নিতে ৷ অনেক সময় প্রতিযোগীদের কাছ থেকে বাজার ছিনিয়ে নিতে বড় রকমের ডিসকাউন্ট দিয়ে চায় ৷
তৃতীয়ত, নজর দিতে হবে অর্ডার অনুসারে পণ্য যেন ঠিক মতো ক্রেতার কাছে তা পৌছে দেওয়া যায় অর্থাৎ ডেলিভারি সিস্টেম ভাল রাখা জরুরি৷ তা না হলে গ্রাহকদের মধ্যে এই সংস্থার প্রতি ক্ষোভ জমবে৷
চতুর্থত, পণ্যের গুণগত মান যেন ঠিক থাকে ৷ অর্থাৎ সেই পণ্যের গুণগত মানের দিকে সবচেয়ে নজর দিতে হবে।

Want your school to be the top-listed School/college?

Telephone