Bangabandhu Law College, Cumilla

Bangabandhu Law College, Cumilla

Bangabandhu Law College session 2019 -20

Operating as usual

15/02/2022

আমাদের বঙ্গবন্ধু ল কলেজের ছাত্র আজিজ... আজ ঢাকায় বাইক দূর্ঘটনায় ইন্তেকাল করিয়াছে... (ইন্না-লিল্লাহ রাজিওন)...আজিজ অত্যন্ত ভাল সহপাঠী ছিল...মহান আল্লাহ পাক আজিজকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুক 🤲🤲

28/12/2021

১৫তারিখে কলেজ Tour এ যাব কে কে যাবে🤔🤔

বঙ্গবন্ধু ল’ কলেজের নবীন বরণ অনুষ্ঠিত 07/11/2021

https://dailycumillakantha.com/2021/11/07/%e0%a6%ac%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a7%81-%e0%a6%b2-%e0%a6%95%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%ac%e0%a7%80%e0%a6%a8/

বঙ্গবন্ধু ল’ কলেজের নবীন বরণ অনুষ্ঠিত নিজস্ব প্রতিবেদক।। বঙ্গবন্ধু ল’ কলেজের এলএলবি ১ম বর্ষ ২০২০-২০২১ এবং ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষের নবীন বরণ গতকাল অনুষ্....

26/10/2021

১ম বর্ষ পরীক্ষার্থীদের সপ্তাহে দুই দিন রবিবার ও সোমবার ক্লাস হবে। নতুন ভর্তিকৃতদের ৬ নভেম্বর থেকে ক্লাস হবে।

10/10/2021

🔴জমি ক্রয়ের আগে ক্রেতার করণীয়?

১। নাবালকের সম্পত্তি কিনা অবশ্যই যাচাই করে নিন। নাবালকের সম্পত্তি মা হলে আদালতের অনুমতি পত্র ছাড়া ক্রয় করলে ভবিষ্যতে নাবালক যদি মামলা করে তাহলে আপনি জমি হারাবেন।

২। সম্পত্তিতে বিক্রেতার দখল আছে কি না নির্ণয় করার জন্য আশেপাশের জমি ওয়ালাদের কাছে খবর নিন যে, এই জমির প্রকৃত দখলদার কে ?

৩। হাল রেকর্ড অনুযায়ী খতিয়ান ও দাগ নম্বর সঠিক আছে কি না ভালো করে দেখে নিন।

৪। হাল রেকর্ড ও সাবেক রেকর্ড এর মধ্যে মিল রয়েছে কি না ভালো করে যাচাই করুন।

৫। হিস্যা মোতাবেক বিক্রেতার প্রাপ্য অংশ সঠিক আছে কি না যাচাই করে নিন তা না হলে ভবিষ্যতে মামলা-মোকদ্দমার সম্মুখীন হতে পারেন।

৬। রেন্ট সার্টিফিকেট মামলায় জড়িত সম্পত্তি কি না যাচাই করে নিন।

৭। হাল সন পর্যন্ত ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) পরিশোধ আছে কি না যাচাই করে নিন।

৮। বিক্রেতার নামে নামজারি করা আছে কি না যাচাই করে নিন।

৯। অর্পিত/পরিত্যক্ত/অধিগ্রহণকৃত সম্পত্তি কি না যাচাই করে নিন।

১০। সরকারি কোন প্রতিষ্ঠানের সম্পত্তি কি না যাচাই করে নিন।

১১। নৃ-তাত্ত্বিক জাতি গোষ্ঠীর সম্পত্তি বিক্রয়ের ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের “বিক্রয় অনুমতিপত্র” আছে কি না যাচাই করে নিন।

১২। খাস জমি কি না যাচাই করে নিন।

১৩। বিক্রিত জমিতে সরকারি কোন স্বার্থ জড়িত আছে কি না যাচাই করে নিন।

১৪। সর্বসাধারণের ব্যবহার্য বা পাবলিক ইজমেন্ট সম্পত্তি কি না যাচাই করে নিন।

১৫। বিক্রেতার মালিকানা সঠিক আছে কি না
নির্ণয় করতে হবে। দলিল নাম্বার নিয়ে ভূমি অফিস অথবা তহসিল অফিসে খবর নিলে প্রকৃত মালিক জানতে পারবেন। জমির আশেপাশে যাদের জমি আছে তাদেরকে জিজ্ঞাসা করলে জমির মালিকানা বিষয়ে অনেক প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবে।

১৬। নাবালকের সম্পত্তি বিক্রয়ের ক্ষেত্রে আইনগত অভিভাবক বা আদালত কর্তৃক নিযুক্ত অভিভাবক নির্ধারণ করা আছে কি না যাচাই করে নিন।

১৭। বিক্রেতা সম্পত্তি উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্য হইলে নিবন্ধিত বণ্টননামা দলিল আছে কি না যাচাই করে নিন।

১৮। হিন্দু কন্যা সন্তান/বিধবা স্ত্রী এর “জীবন স্বত্ব” শর্তে প্রাপ্য সম্পত্তি কি না?

১৯। সম্পত্তি বিক্রয়/হস্তান্তর এর ক্ষেত্রে আদালতের নিষেধাজ্ঞা আছে কি না?

২০। সমর্পিত বা বিক্রেতার ৬০/১০০ বিঘা সিলিং বহির্ভূত সম্পত্তি কি না?

২১। নকশা মোতাবেক জমির অবস্থান ও পরিমাণ সঠিক আছে কি না যাচাই করে নিন।

২২। দলিলে বর্ণিত তফসিল অনুযায়ী রেকর্ড সঠিক আছে কি না?

২৩। সম্পত্তি বন্ধক দেয়া আছে কি না?

২৪। বিক্রেতা বায়না বা বিক্রয় চুক্তি সম্পাদন করেছেন কি না?

২৫। বিক্রেতার প্রদর্শিত খতিয়ান ও দলিল সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসে রক্ষিত রেকর্ডপত্রের সাথে মিল আছে কি না?

২৬। বিক্রেতা তফসিল বর্নিত সম্পত্তি ইতি পূর্বে অন্য কারো নিকট বিক্রয় বা হস্তান্তর করেছে কি না?

২৭। জমির মূল্য বাজার মূল্য থেকে যদি কম হয়ে থাকে তার কারন নির্ধারণ করে তারপর ক্রয় করুন।

26/08/2021

আমাদের ছোট বেলায়
3G/4G ছিলো না।
ছিলো- গুরু G ও পিতা G।
তখন এক থাপ্পরেই NETWORK চলে আসতো। এখন আসে না!

07/08/2021

B F কাকে বলে?

একবার এক ছেলে তার কলেজের এক সুন্দরী মেয়েকে জিজ্ঞাসা করলো, আমাকে কি তোমার BF বানাবে?
মেয়েটি হেসে মজার ছলে বললো, BF এর মানে কি সেটা আগে আমাকে বলো!
তখন ছেলেটি হেসে বললো, কেনো! Best Friend!
এমন সুন্দর উত্তর শুনে মেয়েটি রাজি হয়ে গেলো!

ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে গভীর বন্ধুত্বের সৃষ্টি হলে কিছুদিন পর ছেলেটি আবার মেয়েটিকে বললো,
আমি কি তোমার BF হতে পারি?
মেয়েটি তখন জবাব দিলো, আমরা তো এখনো BF হয়েই আছি! আবার কিসের BF হবো বলো?
ছেলেটি বললো এটা ওই BF নয়!
এবারের BF মানে Boy Friend!
মেয়েটির ইতোমধ্যে ভালোলেগে গিয়েছিলো ছেলেটিকে! অতপর তাদের মধ্যে প্রেম হয়, প্রেম থেকে পরিনয়!

বিয়ের কয়েক মাস পর মেয়েটি ছেলেটিকে বললো, শুনছো! তুমি বাবা হতে চলেছো! ছেলেটি অবাক হয়ে বললো তাই নাকি? তাহলে অবশেষে আমি তোমার BF হতে যাচ্ছি! মেয়েটি হেসে জিজ্ঞেস করলো, এই BF এর মানে কি আবার?
ছেলেটিও মৃদু হেসে জবাব দিলো Baby’s Father!
স্বামী স্ত্রী আর একটি ফুটফুটে বাচ্চা, সুন্দর সাজানো গোছানো একটি সংসার! অন্য সব সংসারের মতো এখানেও চলতো ছোটখাটো নানারকম ঝগড়াঝাটি, নানা খুনসুটি, মান অভিমান!

একদিন স্বামী বললো শোনো, সুখ দু:খ আমাদের জীবনেরই অংশ। ভালো সময় যেমন আছে, তেমনি খারাপ সময়ও সংসারে আসবে! আমাদের মধ্যে ভালো বোঝাপড়া তৈরী হলে তবেই হবে BF! স্ত্রী কিছুটা উৎসুক হয়ে জানতে চাইলো, এটা আবার কোন BF? স্বামী দুই হাতে স্ত্রী আর সন্তানের হাত ধরে বললো Beautiful Family!

সংসারের বয়স তখন বছর দশেক হয়েছে, এরই মধ্যে একদিন স্বামী বললো, তোমার সব চাওয়া পাওয়া সব সময় হয়তো পূরণ করতে পারবো না! কিন্তু আমি তোমাকে ভীষণ ভালোবাসি! তুমিও আমাকে ভালোবেসে BF হয়েই থেকো! স্ত্রী যথারীতি বিষ্মিত হয়ে জিজ্ঞেস করে এই BF এর মানে কি?
স্বামী হেসে উত্তর দেয়, Be Forever!
স্ত্রী স্বামীর এমন পাগলামি দেখে হো হো করে হেসে দিলো!
সময় গড়িয়ে যায়, সন্তানও বড় হতে থাকে, ধীরে ধীরে বুড়ো হয় স্বামী-স্ত্রী, কবে যে চোখের সামনে শৈশব কৈশর যৌবন পার হয়ে গেলো কেউ টেরই পেলোনা!

একদিন বৃদ্ধ স্বামীর শয্যার পাশে বসে আছে স্ত্রী, স্ত্রীর হাত ধরে স্বামী বললো, মেঘে মেঘে বেলা তো অনেক দুর গড়িয়েছে। এবার বোধহয় সূর্যাস্তের পালা। আমি জানি না স্বামী হিসাবে তোমার প্রতি আর বাবা হিসাবে সন্তানের প্রতি ঠিক কতোটুকু দায়িত্ব পালন করতে পেরেছি! হয়তো এই শয্যা থেকে আর ওঠাই হবে না! যদি সত্যি সত্যি না উঠতে পারি আমাকে তুমি ক্ষমা করে দিও! আর তখন স্ত্রীর হাতটা বুকে নিয়ে স্মিত হেসে স্বামী বললো, BF! স্ত্রীও বরাবরের মতোই জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে তাকায় স্বামীর দিকে! স্বামী তখন বললো এই BF এর মানে Bye Forever!

স্ত্রীর চোখে অশ্রু এসে যায়, হঠাৎ প্রথমবার BF বলার মূহুর্তটি মনে পড়ে যায় তার! বৃদ্ধার চোখে পুরানো স্মৃতিগুলি ভেসে উঠে। সে মনে মনে বলে কতো কঠিন জীবনের এই হিসাব নিকাশ! অথচ B আর F এই দুটি ইংরেজি বর্নে কতো সহজভাবেই না জীবনের সব কঠিনত্বকে উড়িয়ে দিয়েছে এই মানুষটি!
জীবিকার টানে ছেলেও বহুদূরে আজ! কেনো যেনো বৃদ্ধার শেকড় গেড়ে গেছে এখানে! সে চাইলেই সবকিছু ছেড়ে কোথাও যেতে পারে না এই সংসার ছেড়ে। দক্ষিণ পূর্ব দিকের জানালাটা খুললেই নানা গাছগাছালির ফাকে বৃদ্ধের কবরটা দেখা যায়। একদিন সেদিকে তাকিয়ে বৃদ্ধা ফিসফিস করে বলে, শুনছো! তোমার পাশের কবরটা তৈরি হয়ে গেছে। আমি শীঘ্রই আসছি!
তোমার BF হয়েই থাকবো চিরদিন! ও হ্যা এই BF টার মানে বলে দেই, Beside Forever!

( Collected)

18/07/2021

২য় বিয়ে করলে এক বউ আরেক বউকে সতীন কেন বলে?
তাঁরা তো আসলে কলিগ!একই জামাইয়ের আন্ডারে কাজ করে।

13/05/2021

মেঘলা আকাশ মেঘলা দিন,
ঈদের বাকি এক দিন,
আসবে সবার খুশীর দিন,
কাপর চোপড় কিনে নিন,
গরিব দুঃখীর খবর নিন,
দাওয়াত রইলো ঈদের দিন ।
** ঈদ মোবারাক **

25/04/2021
11/04/2021

আদালতে বহুল ব্যবহার হয় এমন কিছু সংক্ষিপ্ত রুপ

1. DF = Date of Filling
2. ND= Next Date
3. S/R= Service Return
4. A/D = Acknowledgement Due
5. W/S = Written Statement
6. P/H= Peremptory Hearing
7. F/H Further Hearing
8. T.S = Title Suit
9. S.D = Settling Date
10. GP = Government Pleaders
11. LW = Levy Warrant
12. ADR = Alternative Dispute Regulation
13. W/O = Written Objection
14. IO = Investigation Officer
15. ADM = Additional District Magistrate
16. CMM = Chief Metropolitan Magistrate
17. CJM = Chief Judicial Magistrate
18. STC = Special Tribunal Court
19. PP = Public Prosecutor
20. GRO = General Registration Officer
21. CR = Complaint Registration
22. GR = General Registration
23. CRO = Civil Rules and Order
24. CD = Case Diary
25. CS =Charge Sheet
26. PW = Precaution witness
27. MO = Medical Officer
28. P/W = Paper Writing
29. WW= Witness Warrant
30. NBW = Non Bailable Warrant
31. NBWW = Non Bailable Witness Warrant
32. D.O = Date of Occurrence
33. T.O = Time of Occurrence
34. CPC = The Code of Civil Procedure
35. CRPC = The Code of Criminal Procedure
36. PC = Penal Code
37. PMO = Post Mortem Report
38. UD Case = Unnatural Deth Case
39. CW = Custory Warrant
40. W/A = Warrant of Arrest
41. LCR = Lower Court Record
42. FRT = Final Report True
43. MO = Medical Officer
44. CSI = Court Sub Inspector
45. P&A = Proclamation and Attachment
46. ND = Next Date
47. TP = Time Petition
48.Adr- alternative dispute resolution

মোঃ শরিফুল ইসলাম
লেকচারার, গাজীপুর সেন্ট্রাল ল কলেজ

02/02/2021

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এলএল.বি. পাশ সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
.........

প্রথম বর্ষ
১. প্রথম বর্ষে মোট ৭০০ নম্বরের পরীক্ষা। গড়ে ৩৬% নম্বর (২৫২) পেলে থার্ড ক্লাস, ৪৫% নম্বর (৩১৫) পেলে সেকেন্ড ক্লাস, ৬০% নম্বর পেলে ফাস্ট ক্লাস।

২. প্রত্যেক বিষয়ের পরীক্ষায় উপস্থিত থাকা বাধ্যতামূলক।

৩. একাধিক বিষয়ে ফেল করলে এমনকি শূণ্য (০) নম্বর পেলেও সমস্যা নেই। গড়ে ২৫২ পেলেই থার্ড ক্লাস, আর গড়ে ৩১৫ পেলেই সেকেন্ড ক্লাস।

৪. প্রথম বর্ষের নাম্বার দ্বিতীয় বর্ষের নাম্বারের সঙ্গে যোগ হয় না। প্রথম বর্ষের রেজাল্ট শুধুমাত্র শেষ বর্ষে ভর্তি হবার জন্য প্রয়োজন হয়।

৫. দ্বিতীয় বর্ষের রেজাল্ট সে অনুযায়ী সার্টিফিকেট হবে। এক্ষেত্রে প্রথম বর্ষের রেজাল্ট কোনো কাজেই আসবে না। অর্থাৎ প্রথম বর্ষে যদি কেউ ফার্স্ট ক্লাসও পায়, তারপর ফাইনাল ইয়ারে থার্ড ক্লাস পায়, তবে তার রেজাল্ট থার্ড ক্লাসই হবে।

..........
শেষ বর্ষ

১. শেষ বর্ষে মোট ৮০০ নম্বরের পরীক্ষা। লিখিত পরীক্ষা ৭৫০ নম্বরের এবং মৌখিক পরীক্ষা ৫০ নম্বরের।

২. দ্বিতীয় বর্ষে গড়ে ৩৬% নম্বর (২৮৮) পেলে থার্ড ক্লাস ও ৪৫% নম্বর (৩৬০) পেলে সেকেন্ড ক্লাস।

৩. দ্বিতীয় বর্ষে পাশ করার জন্য আলাদা আলাদাভাবে লিখিত পরীক্ষায় গড়ে ৩৬% নাম্বার (২৭০) এবং মৌখিক পরীক্ষায় ৩৬% নম্বর (১৮) পেতে হবে। উভয় পরীক্ষায় পাশ করে গড়ে ৩৬% নম্বর (২৮৮) পেলে থার্ড ক্লাস।

৪. লিখিত পরীক্ষায় মোট ২৬৯ পেয়ে মৌখিক পরীক্ষায় সর্বোচ্চ ৫০ নম্বর পেলেও রেজাল্ট ফেল হবে। অর্থাৎ লিখিত পরীক্ষায় ২৭০ থেকে ১ নম্বরও কম পেয়ে (২৬৯ + ৫০ =) মোট ৩১৯ পেলেও ফেল।

৫. সেকেন্ড ক্লাস পাবার জন্য লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় আলাদা আলাদাভাবে সেকেন্ড ক্লাস পাওয়ার প্রয়োজন নেই। গড়ে ৪৫% নম্বর (৩৬০) পেলেই সেকেন্ড ক্লাস। তবে লিখিত পরীক্ষায় সব মিলিয়ে ফার্স্ট ক্লাস নম্বর ৪৮০ পেলেও ফেল হবে যদি মৌখিক পরীক্ষায় ১৮ নম্বরের কম পায়। আবার লিখিত পরীক্ষায় মোট ৩১২ পেয়ে এবং মৌখিক পরীক্ষা ৪৮ নাম্বার পেয়ে সর্বমোট ৩৬০ পেলেও সেকেন্ড ক্লাস।

৬. লিখিত পরীক্ষায় একাধিক বিষয়ে ফেল করলে এমনকি শূণ্য (০) নম্বর পেলেও সমস্যা নেই। লিখিত পরীক্ষায় পাশ করার জন্য গড়ে ২৭০ নম্বর পেতে হবে।

৭. প্রত্যেক বিষয়ের পরীক্ষায় উপস্থিত থাকা বাধ্যতামূলক।

৮. সেকেন্ড ইয়ারের রেজাল্ট অনুযায়ী সার্টিফিকেট হবে।

সংগৃহীত

20/11/2020

#স্হাবর_সম্পত্তির দখল স্বত্ব আইন বাতিল ও বেদখল বেআইনি ঘোষণা করা প্রয়োজন। #কাগজ_যার_জমি_তার।এর ব্যতিক্রম হলেই তা ফৌজদারি ধারায় মামলা করার বিধান রেখে আইন পাস করা জরুরি।

10/08/2020

সুস্থ হতে গিয়ে বোনাস পেলাম ভয়াবহ অভিজ্ঞতা!
রবিউল হোসেন।।
ডেঙ্গু, টাইফয়েড ও করোনার উপসর্গ নিয়ে অসুস্থ হওয়ার পর সুস্থ হতে গিয়ে ডাক্তার দেখানো ও ডায়াগনিস্টক সেন্টারের প্রযোজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে গিয়ে নানা বিড়ম্বনার পর বোনাস পেলাম ভয়াবহ অভিজ্ঞতা! গত ৮আগষ্ট পুনরায় ডেঙ্গু, টাইফয়েড পরীক্ষা করে আল্লাহর রহমতে দুটোতেই নেগেটিভ আসে। ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি মাহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ ও কুমিল্লা সদরের চেয়ারম্যান এড.আমিনুল ইসলাম টুটুল ভাইসহ আমার পরিবার ও শুভাকাক্সক্ষীদের।

অমার প্্রাথমিক অবস্থায় কোভিড ১৯(করোনার) উপসর্গ ছিল যেমন-জ¦র, সর্দি, কাঁশি, গলা ব্যথা, বুক বারী মনে হওয়া, শরীরের পিঠে, কাঁদে গোলাপী ও হালকা লাল রংয়ের রেশ উঠা, বমি, খাবারের স্বাদ ও গন্ধ না পাওয়া, ডাইরিয়া, রক্তপাতসহ ডাইরিয়া। ৪র্থ দিন থেকে শরীরের প্রতিটি জয়েন্ট ও হাত-পায়ের পেশীগুলো, চোঁখ ও কপালে প্রচন্ড ব্যথা শুরু হয়। হাত-পায়ের পেশীগুলো কাজ না করা, হাত-পা, আঙ্গুল মাঝে মাঝে অবশ হয়ে আসা। বমির সাথে রক্ত যাওয়া।

আমাকে সরাসরি (প্রথম) দেখানো মেডিসিন ডাক্তার, আমার লক্ষনগুলো দেখে যথেষ্ট দূরত্ব বজায় রেখেও তরিগরি করে (স্বল্প সময়ে) করোনায় আক্রান্ত হওয়ার ভয়ে দ্রুত চেম্বার ছেড়ে পালায়ন করেন। যাওয়ার আগে আমার পরিবারকে বলেন- আমার(রবিউল) থেকে দূরে থাকতে এবং দ্রæত করোনা টেস্ট করতে। আমি করোনা সাসপেক্টেড! আমার সব রির্পোট একটু নেড়ে-চেড়ে আরো বলছেন উনার বুকের এ-´রেতে কোন সমস্যা পাওয়া যায় নাই। যে মানুষ বমি, ডাইরিয়া ও ১০৫ ডিগ্রি জ্বর নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে পারে, তাকে করোনা ভাইরাস মারতে পারবেনা! সুতরাং দূরত্ব বজায় রেখে আপনারা বাঁচুন।

এতক্ষন শুনলেন সার সংক্ষেপ। আসুন প্রথম থেকেই একটু শুরু করি। প্রথম দিন (২ই জুলাই) বিকাল ৫টার দিকে হঠাৎ ঠান্ডায় শরীর কাঁপতে থাকে। প্রথমে একটি টি-শাট ও একটি শোয়েটার পরিধান করিলাম। এরপরও দেখি কাঁপুনি বাড়তেছে। তখন একটি কম্বল দিয়ে ভাল করে মুড়িয়ে শুয়ে পরলাম। কিছুক্ষনের মধ্যেই জ¦রের আবির্ভাব ঘটলো। আমি সাধারণ জ¦র ঁেভবে নাপা খেয়ে নিলাম। ২য় দিন জ¦রের সাথে সর্দি-কাশি ও গলা ব্যথা শুরু হলো। পরিবার থেকে স্বেচায় আমি একটি আলাদা কক্ষে অবস্থান শুরু করি। ঐ দিন বিকালে জরুরি ¯¦াস্থ্যসেবার হেল্পলাইনে ফোন করার পর আমাকে জ¦রের জন্য নাপা একস্টেন্ড ট্যাবলেট ও গলা ব্যাথার জন্য বায়োডিন মাউথ ওয়াস দিয়ে কুলি করতে বলেন ও ফেক্সু ফাস্ট নামাক একটি ওষুধ দিয়ে ৩দিন পর জানাতে বলেন। নাপা এক্সটেন্ড খাওয়ার পরও জ¦র কমতে ছিলো না। জ¦র প্রায়ই ১০৪ডিগ্রি থেকে ১০৫ডিগ্রিতে অবস্থান করছিলো। ১০২ ডিগ্রির উপরের গেলে নাপা সাপোজিটর ব্যবহার শুরু করি কিন্তু সাপোজিটর দিলে মাত্র ৪ ঘন্টা পর্যন্ত ১০১-১০২ ডিগ্রিতে নেমে আসতো। ৪-৫ ঘন্টা পর আবার জ¦র ১০৫ ডিগ্রিতে উঠে যেত। কিছুই খেতে পারতাম না, প্রথম ৪দিন পর্যন্ত পানি,ও সামন্য কেক খাই।

৪র্থ দিন থেকে জ¦র, সর্দি, কাঁশি, গলা ব্যথার সাথে যুক্ত হয় বুক বারী মনে হওয়া, বমি, খাবারের স্বাদ ও গন্ধ না পাওয়া, ডাইরিয়া, একটু হাঁটা-চলা করলেই রক্তপাতসহ ডাইরিয়া। ৫ম দিন থেকে উপরের লক্ষনসহ নতুন করে যুক্ত হয় শরীরের প্রতিটি জয়েন্ট ও হাত-পায়ের পেশীতে, চোঁখ ও কপালে প্রচন্ড ব্যথা। হাত-পায়ের পেশীগুলো কাজ না করা, হাত-পা, আঙ্গুল মাঝে মাঝে অবশ হয়ে আসা। বমির সাথে রক্ত যাওয়া। শরীরের পিঠে, কাঁদে গোলাপী ও হালকা লাল রংয়ের রেশ উঠা।

৬ষ্ট দিন পর্যন্ত জ¦র না কমার কারনে আবারও জরুরি ¯¦াস্থ্যসেবার হেল্পলাইনে ফোন করি এবং নতুন লক্ষণগুলো জানানোর পর আমাকে করোনা টেস্ট এবং উপজেলার স¦াস্থ্য কমপ্লেক্সের একজন মেডিসিন বিশেষজ্ঞর সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ করে চিকিৎসা নেওয়ার কথা বলেন।
এরপর আমি বুড়িচং উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার মীর হোসাইন মিঠুকে ফোন করি। তিনি আমার ফোন পেয়ে খুব আন্তরিকতার সাথে কথা বলে জানান -উনার এক রিলেটিভ অসুস্থতার কারনে তিনি বর্তমানে ঢাকাতে অবস্থান করছেন। তিনি আরো বলেন -আমি ২দিন পরে হাসপাতালে আসবো, ইমার্জেন্সী হলে অন্য ডাক্তার দেখান, ইমার্জেন্সী না হলে কষ্ট করে অপেক্ষা করুন, আমি এসে আপনার চিকিৎসা করবো। উনার ব্যবহারে আমি মুগ্ধ হলাম।
পরে শারিরক অবস্থার কথা চিন্তা করে বুড়িচং উপজেলা স¦াস্থ্যকমপ্লেক্সে গেলাম সকাল ১১.৪৫ মিনিটে। বুড়িচং উপজেলা স¦াস্থ্যকমপ্লেক্সে একজন মেডিকেল অফিসারকে উপসর্গগুলো জানালে, তিনি বলেন- ইউআর সাসপেক্টেড করোনা। নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে, তিনি পেসক্রিপশন করলেন। আমার আগে যারা পেসক্রিপশন করেছে তাদের থেকে ৪০০টাকা করে নিলেন। আমার পরিবারকেও বলেন ৪০০টাকা দিতে। যেহেতু সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসছে, এই কথা চিন্তা করে আমার পরিবার উনাকে ৩০০টাকা ভিজিট দিলেন। ১০০টাকা কম দেওয়াতে ডাক্তার বলেন- কম হবে না পুরো ৪০০ টাকাই দিতে হবে বলে টাকাটা ফিরিয়ে দিলেন। তখন আমার পরিবার পুরা ৪০০টাকা দিয়েই পেসক্রিপশনটা নিলেন। ডাক্তার মহোদয় আমাকে চিনতে পারে নাই। আমি আমার সাংবাদিকতার পরিচয়ও দেই নাই। পরিচয় দিলে তিনি হয়তোবা আমার থেকে ভিজিট নিতেন না!
একটি সরকারি হাসপাতালে বসে, হাসপাতাল আওয়ারে কোন ডাক্তার রোগীদের থেকে ভিজিট/পেসক্রিপশন ফি নিতে পারেন কিনা? এবিষয়ে কুমিল্লা জেলার সিভিল সার্জন ডা. নিয়াতুজ্জামান’র নিকট জানতে চাইলে- তিনি বলেন ঐ ডাক্তার হাসপাতালে থেকে রোগী দেখলে কোন ভিজিট নিতে পারেন না! বিনামূল্যে রোগী দেখার জন্যই সরকার উনাকে বেতন দেয়। আপনি উপজেলার স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে বিষয়টি একটু অবহিত করুন। পরে প্রয়োজনীয় প্রদক্ষেপ গ্রহন করবো।

আমি অবাক হয়ে গেলাম! যেখানে শেরপুরের ঝিজানইগাতীর ভিক্ষুক নাজিমুদ্দিন তার ভিক্ষা করে জমানো ১০ হাজার টাকা করোনোয় ঘরবন্দী কর্মহীন মানুষের খাদ্য সহায়তার জন্য ইউএনওর তহবিলে দান করে। আমাদের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের গরীব ও কর্মহীন হয়েপড়া মানুষের কথা ভেঁবে ও মানুষগুলো যেন অনাহারে না থাকে, তার জন্য কয়েকবার অনুদান ও উপহার গরীব ও অসহায় মানুষের নিকট পৌঁছে দিয়েছেন। অপরদিকে এই করোনার ক্লান্তিলগ্নে একজন সরকারি বেতনভুক্ত ডাক্তার হাসপাতালে বসে, হাসপাতাল আওয়ারে পেসক্রিপশন করে- প্রতিরোগী থেকে ৪০০টাকা করে ভিজিট আদাঁয় করছেন! উপজেলা হাসপাতালগুলোতে সাধারণত চিকিৎসার জন্য গরীব ও অসহায় মানুষগুলোই বেশী আসে।
ডাক্তার সাহেব আপনার কাছে চারশত টাকা এই করোনা মুহূর্তেও সামান্য মনে হতে পারে কিন্তু কর্মহীন হয়ে পরা মানুষের কাছে এই চারশত টাকা অনেককিছু! এই চারশত টাকা দিয়ে একটি পরিবারের ২দিনের খাবারের যোগান দিতে পারেন। করোনার ক্রান্তিলগ্নে গরীব ও অসহায় মানুষের কষ্টার্জিত টাকা, আপনি দুর্নীতি ও অনিয়মের মাধ্যমে হাতিয়ে নিচ্ছেন। আপনি শিক্ষিত হয়েছেন, কিন্তু সুশিক্ষিত হননি। ডাক্তার সাহেব আপনি কি মানুষ? এ প্রশ্ন আপনাকে নয়, আপনার বিবেক নামক মহাবিচারকের নিকট পেশ করিলাম। কিন্তু সন্দেহ হচ্ছে দুর্নীতি ও অনিয়মের টাকার কাছে থাকতে থাকতে আপনার বিবেক ঠিক আছে কিনা?

করোনা টেস্টের জন্য দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার পর জানতে পারলাম- যারা ভোটার আইডি সঙ্গে করে নিয়ে আসেনি, তাদের করোনা টেস্ট করা হবে না। করোনার টেস্ট করতে হলে ভোটার আইডি সঙ্গে নিতে হয়, তা আমার জানা ছিল না। পরে শারিরিক অবস্থা আরো অবনতি হলো এবং খোঁজ নিয়ে জানতে পারলাম টেস্টের ৫দিন পর ফলাফল আসে। আমি চিন্তা করলাম পরের দিন যদি ভোটার আইডি নিয়ে গিয়ে করোনার টেস্ট করি, তাহলে ৭তম দিনে টেস্ট হবে। টেস্টের ফলাফল আসতে ৫দিন লাগলে,তাহলে আমি ১২তম দিনে ফলাফল পাবো। করোনায় আক্রান্তের ১২তম দিনে করোনা টেস্টের ফলাফল পেলে, এ ফলাফল আমার কোন কাজে আসবে না! এই কথা ভেবে করোনা টেস্টের চিন্তা মাথা থেকে বাদ দিয়ে ৩৬বিসিএস অংশগ্রহন করে স্বাস্থ্য ক্যাডারপ্রাপ্ত আমার বন্ধু ডা. আজরিন আক্তারকে ফোন দিয়ে ঐদিন আমার উপসর্গগুলোর কথা জানালে, সে আমাকে বলেন..তোমার লক্ষনগুলো ডেঙ্গু ও টাইফয়েডের উপসর্গ মনে হচ্ছে। আমরা ডাক্তাররা এখন শুধু করোনার পেছনেই ছুটছি, তুমি এক কাজ কর। তুমি ডেঙ্গু, টাইফয়েড, সিভিসি টেস্ট ও বুকের এ-ক্সরে করে আমাকে জানা। আমি বললাম ডেঙ্গু টেস্ট কি হাসপাতালগুরোতে সহজে করা যায়? তারপর ডা.আজরিন আমার হয়ে কষ্ট করে কুমিল্লার কয়েকটি হাসপাতলে ডেঙ্গু টেস্টের খবর নেয়। ফোন দেওয়া হাসপাতালগুলোতে বর্তমানে ডেঙ্গু টেস্ট হয় না , সে আমাকে অবহিত করে।

পরে ডেঙ্গু, টাইফয়েড এবং বুকের এ-ক্সরে করার জন্য বিভিন্ন হাসপাতাল ও ডায়াগনিস্টক সেন্টারে ঘুরতে থাকি, যেখানেই যাই আমার জ¦র ও অন্যান্য উপসর্গের কথা শুনে ‘করোনা রোগী’ মনে করে কোন হাসপাতাল ও ডায়াগনিস্টক সেন্টারই পরীক্ষা করতে রাজি হচ্ছিল না।
হাসপাতাল ও ডায়াগনিস্টক সেন্টার ঘুরতে ঘুরতে আমার পরিবার খুব হতাশ হয়ে গেল। ভাবতেছে কোথাও মনে হয় টেস্টগুলো করতে পারবে না। দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিকতা করি, তাই সহজে পরিস্থিতি আঁচ করার সক্ষমতা আছে, তখন আমি আমার পরিবারকে বলেছিলাম -এভাবে আগামী ২ দিন ঘুরলেও কোন পরীক্ষাই করতে পারবে না। যদি পরীক্ষাগুলো করতে চাও, তাহলে অলি-গলির ছোট-খাট কোন ডায়াগনিস্টক সেন্টারে যাও- যাদের টাকার খুব প্রয়োজন ও সামান্য মানবতাবোধ আছে। আমার কথায় গুরত্ব দিয়ে গলির ভেতরে একটা ছোট ডায়াগনিস্টক সেন্টারে গেল। ঐ ডায়াগনিস্টক সেন্টার আমার পরীক্ষাগুলো করতে রাজী হলো। কিন্তু টাকা ৩গুন বেশি। যাইহোক নাই মামার চাইতে কানা মামা অনেক ভাল! পরীক্ষায় ডেঙ্গু ও টাইফয়েড এর রিপোর্ট পজেটিভ আসলো।

পরে বন্ধু ডা. আজরিনকে জানালাম, সে বললো তুমি রিপোর্টগুলো নিয়ে কোন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখাও। শরীরে জ¦র থাকার কারনে ও করোনার ভয়ে কয়েকজন ডাক্তার আমাকে দেখতে রাজী হলো না। বুড়িচং হাসপাতালের ডাক্তার দিয়ে করানো পেসক্রিপশনটাতে করোনাকে প্রায়োরিটি দিয়ে ঔষুধ লিখেছিল। তাই ঐ ডাক্তারের প্রেসক্রিপশনের ঔষুধগুলো কিনতে আমি নিষেধ করলাম। পরীক্ষার রিপোর্টগুলো নিয়ে কোন ঔষুধ ছাড়াই বাড়ী ফিরলাম।

পরে আমার এক রিলেটিভ ঢাকার একটি স্বণামধন্য হাসপাতালে মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. নুরজাহান সুলতানা ইমার শরণাপন্ন হই। তাকে আমার পরীক্ষার সকল রিপোর্টগুলো ও আমার শরীরের কাঁদে ও পিঠে গোলাপী ও হালকা লাল রংয়ের উঠা রেশগুলোর ছবি পাঠালে, তিনি আমাকে ডেঙ্গু, টাইফয়েড ও করোনা পজেটিভ ধরেই ঔষুধ দেন। উনার নির্দেশনা অনুসারেই অন্যান্য ঔষুদের সাথেই করোনার জন্য ২টি আইবেরা একসাথে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য প্রতিদিন জিংক, বিকোজিন, সিভিট ও প্রচুর পরিমানে পানি খাওয়া শুরু করি।
৭ম দিনে এসে অন্যের সাহায্য বা লাঠি ছাড়া হাঁটতে পারতাম না। জ¦র কমে নাই। পরে আমার বড় আপু একজন ডাক্তারের সাথে -আমার বিষয়ে আলোচনা করে । তিনি অন্যান্য ঔষুধ সব ঠিক আছে বলেন। অন্যান্য ঔষুধের সাথে জ¦র ১০২ডিগ্রির উপরে উঠলে ভোল্টালিন ৫০এমজি সাপোজিটর ব্যবহার করতে বলেন। পরে আমার চিকিৎসক ডা. ইমার সাথে ভোল্টালিন সাপোজিটর ব্যবহারের বিষয়ে কথা বললে, তিনি বলেন এটা খুব পাওয়ারফুল সাপোজিটর। আপনি যেহেতু ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ,তা ক্ষতিকর হতে পারে।

৭তম দিনেও শরীরের কোন উন্নতি এবং জ¦র না কমায় খুব হতাশায় পড়ে যাই। কারণ ৭ দিন হলো তবুও আমার প্রায়ই সময় জ¦র থাকে ১০৫ ডিগ্রি। জ¦র ও বমির প্রভাবে পানি ছাড়া অন্য কোন খাবারও খেতে পারতাম না। আক্রান্তের ৭দিন মিলে মোট এক প্লেট ভাতও খেতে পারি নাই! আমার মনে হলো-শরীরের ফ্যাট (জমাকৃত চর্বি) পুরাইয়া আর বেশিদিন বাঁচবো না। তখন আমার পরিবারকে ডেকে সাবলীল ভাষায় বলে দেই- আমি মারা যাওয়ার পর কেউ দাফন-কাফনে করোনার উপসর্গ নিয়ে আপুত্তি তুললে ‘বিবেক’ সংঘঠনের মাধ্যমে দাফন-কাফন সম্পন্ন করার জন্য। বিবেকের নাম্বারও অনলাইন থেকে সংগ্রহ করে পরিবারের ফোনে সেভ করে দেই। আমার অনুউপস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ্য অসম্পন্ন কাজ গুলো সম্পন্ন করার দিকনির্দেশনা ও উপায় বলে দিয়েছিলাম। সাবার নিকট বিদায়ও নিয়ে নিছিলাম। পরিবারের লোকজনের চোঁখে পানি ও কান্না আসছিল কিন্তুু আমি তখনও কোন কান্না করি নাই-সাবলীল ভাষায় সব বলে দিয়াছি। কারণ মৃত্যু নিয়ে আমার কোন ভয় ছিল না! মৃত্যুর জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত ছিলাম।

৭তম দিনের বিকাল বেলায় ভোল্টালিন সাপোজিটর ব্যবহারের বিষয়ে বন্ধু ডা. আজরিনকে ফোন দিয়ে তার পরামর্শ নিলাম। সে জানালো ভোল্টালিন সাপোজিটর ব্যবহার করতে পারিস কিন্তু ২৪ ঘন্টায় একটির বেশি ব্যবহার কোন ক্রমেই করা যাবে না। একটানা সাত দিন জ¦র ছাড়েনি, তাই একটু ঝুঁকি নিয়ে ভোল্টালিন সাপোজিটর ব্যবহার করিলাম। এই সাপোজিটরটি দেওয়ার আঁধা ঘন্টার মধ্যেই জ¦র ১০৫ ডিগ্রি থেকে কমে ১০০ ডিগ্রিতে আসলো। প্রায় ঘন্টা খানেকের মধ্যেই অনুভব করতে ছিলাম আমার হাত-পায়ের পেশী ও জয়েন্টের ব্যথা কমে যাচ্ছে। হাত-পা নাড়াতে কোন সমস্যা হচ্ছিল না। ঘন্টা দুয়েকের মধ্যেই ভোল্টালিন সাপোজিটরটি ম্যাজিকের মতো কাজ করতেছিল। অন্যের সাহায্য কিংবা লাঠি ব্যতিত আমি দাঁড়াতে পারতাম না কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যে আমার মনে হলো আমি দাড়াতে পারবো,পরে আমি নিজে নিজে দাঁড়াতে পারলাম। একটু পর দেখতেছি আমি নিজে নিজে হাঁটতে পারতেছি। পরিবারের লোকজনও সাপোজিটরটি ম্যাজিকে অবাক হয়ে যাচ্ছে। ঘন্টা তিনেকের মধ্যেই আমি আগের মতই স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে পেয়েছি মনে হলো এবং পেটে ক্ষুদা অনুভব করে পরিবারকে বললাম খাবার দিতে। টানা ৭ টি দিন ধরে আমাকে পরিবারের লোকজন নানান কিছু খাওয়ানোর অনেক চেষ্টা করেছিল, কিছুই খাইতে পারছিলাম না। আর এখন নিজেই বলছি খাবারের জন্য.. পরিবারের সবাই তো অবাক! সাথে নাপা এক্সটেন্ড ৩বেলা ও অন্যান্য ঔষুধ চলতে থাকলো। সাপোজিটরটি আমাকে ১৮ ঘন্টা ব্যাকআপ দিলো। বাকি ৬ঘন্টা আবার পূর্বের ন্যায় জ¦র। ৮ম দিনও সাপোজিটর ব্যবহার করলাম কিন্তু নাপা একটেন্ড বন্ধ করার পর আবার ৭-৮ ঘন্টা পরই পূর্বের ন্যায় জ¦র আসে।

এরই মধ্যে কুমিল্লা সদর উপজেলার চেয়ারম্যান এড.আমিনুল ইসলাম টুটুল জানতে পারেন -আমি (রবিউল) অসুস্থ। তিনি আমার অসুস্থতার খবর জানার পর থেকে অনলাইনে আমার শারিরিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রায়ই খোঁজ খবর নেওয়া শুরু করেন। মনোবল দৃঢ় রাখার জন্য অনুপ্রেরনা দিলেন। আমার মনোবল চাঙ্গা রাখার জন্য চেয়ারম্যান টুটুল ভাই ইউটিউব থেকে অসংখ্য রোমানটিক গান ডাউনলোড করে আমার ম্যাসেঞ্জারে পাঠিয়েছিলেন। আমি যেন সেগুলো দেখে মন ফ্রেস রাখতে পারি। তিনি বলেও দিয়েছেন এই সময়ে রোমান্টিক গান ছাড়া অন্য গান যেন না শুনি।
আমি মনে মনে উপলব্দি করলাম -একজন উপজেলা চেয়ারম্যান কত বড় মন-মানসিকতার মানুষ হলে, আমার মতো একজন সংবাদকর্মীর সুস্থতার জন্য নিজে সময় ব্যয় করে, ইউটিউব থেকে গান ডাউনলোড করে আমাকে ম্যাসেঞ্জারে পাঠায়! এগুলো ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে বড় পাওয়া! স্যালুট নেতা। আল্লাহ যেন আপনাকে মানুষের কল্যানে কাজ করার জন্য সুস্থ রাখে এবং দীর্ঘায়ু দান করেন।
পরে গত ১৫ জুলাই চেয়ারম্যান টুটুল ভাই আমাকে দেখতে ও চিকিৎসার খোঁজ খবর নিতে বুড়িচং উপজেলায় আমাদের পুরাতন বাড়িতে আসেন। আমার চিকিৎসার ব্যয়ভার প্রদান করেন। এসময় সঙ্গে ছিলেন দৈনিক রুপসী বাংলা পত্রিকার সিনিয়র সাংবাদিক এম.এইচ মনির। তাদেরকে পেয়ে আমি অবাক হয়ে গেলাম! বুঝতে পারলাম যে- টুটুল ভাই আমাকে খুব ¯েœহ করেন ও ভাইয়ে অনেক বড় মনের মানুষ! তা-নাহলে একজন জনপ্রিয় সম্মানী চেয়ারম্যান শত ব্যস্ততার মাঝে, অসংখ্য কাজ ফেলে রেখে একজন সংবাদকর্মীকে দেখতে এক উপজেলা থেকে সময় ব্যয় করে অন্য উপজেলায় যায়?
ফেসবুকে পরিচিত একজন ডা. আপুও ২-৩ ঘন্টা পর পর আমার শারিরিক অবস্থা মনিটরিং করেছেন। কখন কি করা প্রয়োজন ও কি খাওয়া উচিত তা বলে দিতেন। নিদিষ্ট সময়ে প্রয়োজনীয় ঔষুধ খেয়েছি কিনা তা প্রতিনিয়ত খোঁজ-খবর নিয়েছেন। আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।

৯ম-১০ম দিনেও অন্যান্য ঔষুধের পাশাপাশি ভোল্টালিন সাপোজিটর ব্যবহার করেছি। এগারতম দিনে আর জ¦র আসেনি তাই নাপা ও ভোল্টালিন সাপোজিটর ব্যবহার বন্ধ করে দেই। ১২তম দিনে পড়ি অন্য আরেক সমস্যায়। আমার শরীরের তাপমাত্রা থার্মোমিটার দিয়ে মেপে দেখি ৯৩ ডিগ্রি থেকে ৯৪ ডিগ্রিতে অবস্থান করছে। পায়খানার সাথে রক্ত যাচ্ছে। পরে আমার চিকিৎসক ঢাকার ডা. ইমাকে ফোন করে জানাই। তিনিও আমার তাপমাত্রা কমে যাওয়াতে টেনশনে পড়ে যান । আমাকে কয়েক বার ফোন করেন এবং অন্য থার্মোমিটার দিয়ে মেপে আবারো তাকে জানাতে বলেন। অন্য থার্মোমিটার দিয়ে মেপেও শরীরের তাপমাত্রা ৯৩ডিগ্রি পাই। পরে তিনি আমাকে বলেন জ¦র চলে যাওয়ার পর আপনি সম্পুর্ণ্য সুস্থ মনে করে হাঁটা -চলাফেরা ও বেশি নড়া-চড়া করেছেন। এর ফলে আপনার শরীরে ডেঙ্গু জ¦রের প্রভাবে রক্তে প্লাটিনাম কমে গেছে -ফলে আপনার শরীরের তাপমাত্রাও কমে গেছে। আমাকে সাবধান করেও দেন যে জ¦র চলে যাওয়ার পর কিছুদিন পর্যন্ত ডেঙ্গু রোগীরা মারাত্মক ঝুঁকিতে থাকে। যে কোন সময় প্লাটিনাম কমে মারা যেতে পারেন। তাই আগামী ১৪দিন আপনি বেড রেস্টে থেকে পুনরায় ডেঙ্গু ও টাইফয়েড টেস্ট করাতে বলেন। গত ৮ আগস্ট পুনরায় টেস্টগুলো করি। টেস্টে ডেঙ্গু ও টাইফয়েড নেগেটিভ আসে।
আমি অসুস্থ হওয়ার খবর জেনে- অনেকেই আমার জন্য দোয়া করেছেন, খোঁজ খবর নিয়েছেন, আমার অসুস্থতার খবরটি অনেক পত্রিকার সম্পাদক গুরত্বসহকারে প্রকাশ করেছে। তার জন্য কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাচ্ছি। পরিশেষে চেয়ারম্যান টুটুল ভাই এবং আমার পরিবারের সদস্য ও শুভাকাক্সক্ষীদের আমার পাশে থাকার জন্য আবারো কৃতজ্ঞতা ও মন থেকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। সবাই ভালো থাকবেন।- লেখক-সাংবাদিক।।

04/08/2020

#আইনে__পড়ছো_উকিল_হবে?
আইনের ছাত্রছাত্রীদের প্রথম দেখায় এই কথাটাই অনেকে বলে থাকেন।

#হ্যাঁ_আমি_আইন_পড়ছি_আমি_উকিল_হবো। #আপনার_ভাষায়_বটতলার_উকিল !
তবে আপনি হয়তো জানেন না, আমরাই আবার হবো #সুপ্রীম_কোর্টের_বিচারপতি,
,
,
#বিভিন্ন_কোর্টের_বিচারক,
কেউবা হবো-
, ।
কপাল খুব ভালো থাকলে-
#এমপি,
#মন্ত্রী কিংবা
#রাষ্ট্রপতিও হতে পারি।

মানুষ যখন তার অধিকার হারাবে তখন কেবল আমি বলবো "
".
#কথাটা_বুঝতে_পারলেন_না?
ওহ,
#বটতলার_উকিলের_অল্প_বিদ্যার_কথা
#স্বঘোষিত_উঁচু_শ্রেনীর_লোকেরা_বুঝবেনা
#এটাই_স্বাভাবিক

যখন আপনার প্রতিবেশী কিংবা ক্ষমতাধর কোন ব্যক্তি আপনার জমি দখল করে নিবে তখন আপনি কোথায় যাবেন? দুঃখিত sir, এহেন পরিস্থিতিতে আপনাকে
ায়_যেতে_হবে। হয়তো আপনি মার্সিডিজ বেঞ্চ কিংবা অডি থেকে নেমে আসবেন, কিন্তু আমাকে #প্রচন্ড_গরমের_দিনেও
#কালো_কোট_গায়ে_চাপিয়ে_আপনাকে_বিপদ
#থেকে_উদ্ধারে_তৈরী_থাকতে_হয়। শুধু কি টাকার জন্য?
#সত্যকে_প্রতিষ্ঠিত_করতে
টাকা আপনি তাকে টাকা দিবেন, কিন্তু আপনার যে অধিকার ক্ষুন্ন হয়েছে সেটা প্রতিষ্ঠা করতে হবে ঐ উকিল সাহেবকেই করতে হবে।আর যারা হতদরিদ্র, তাদের শেষ আশ্রয়স্থল কে জানেন?
#আপনার_অপ্রিয়_পেশার_ঐ_উকিল_সাহেবই!
" "
#যেখানে_অধিকার_সেখানেই_প্রতিকার
কথাটা কিতাবে আছে, প্রমাণ করে দেখাতে হবে
িল_সাহেবকেই।

আপনার সন্তানকে যদি কেউ মেরে ফেলে আর পুলিশ যদি কউকে গ্রেফতার না করে তখন আপনাকে বটতলাতেই আসতে হবে।আইনের ব্যাখ্যা দিয়ে সম্ভব হলেই প্রতিকার/আপনার সন্তানকে বাঁচানো যাবে অন্যথায় নয়। আরও বড় কথা মিথ্যা দিয়ে কখনোই আইন- আদালত চলে না, ঐটা কেবল movie তেই চলে। তাই মিথ্যা দিয়ে উকিলরা টাকা ইনকাম করে আপনার/আপনাদর এই ধারনাটা পুরোপুরি ভুল।
পৃথিবীর শুরু থেকেই আইন আছে সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করতেই। ে_বলা_হয়_The_rule_of_conduct. যখন প্রতিষ্ঠানিক বিচারালয় ছিল না, তখনও আইন ছিল।

#বঙ্গবন্ধু_শেখ_মুজিব,
#শেরে_বাংলা_এ_কে_ফজলুল_হক,
#মাহাত্ম_গান্ধি,
#নেলসন_ম্যান্ডেলা,
#হালের_বারাক_ওবামা,
#হিলারী
নাম গুলো আপনি বিশেষ ভাবে স্মরণ করেন। জাতি গড়ার এই কারিগরদের পেশা কি ছিল জানেন? জাতি গঠনের এই মানুষগুলো #সবাই_আইনের_ছাত্র!
#কেন_শুধু_উকিলদের_এই_জাতি_গড়ার_দায় ?
আইনজীবীরা আপনাদের জীবন বদলায় । যদি আমরা ঐ বটতলায় বসা বাদ দিতাম তাহলে আপনাদের বা সমাজের কি অবস্থা হইত ভেবে দেখছেন?
হ্যাঁ। আমি, আমরা আইনে পড়ি।
#আমরা_উকিল_হবো । আমরাই মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করি ,কোর্টে সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করি এই আমরাই । আমরাই সমাজ তৈরীর প্রকৌশলী। ভুল ধারনা থেকে সরে আসুন,ভবিষ্যত স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে ছাত্র-ছাত্রীদের আইন পড়তে উৎসাহিত করি, ্ষ_আইনজীবীদের_inspire_করি

04/08/2020

‘ আত্মবিশ্বাসই করোনা থেকে মুক্তির মহাঔষুধ ’
নিজস্ব প্রতিবেদক।।
‘করোনা ভাইরাস নয় ,আমিই জিতবো এই আত্মবিশ্বাসই করোনা থেকে মুক্তির মহাঔষুধ ’। গোপালগঞ্জ শেখ সায়েরা খাতুন মেডিকেল কলেজের মনীষা আফরোজ সাম্প্রতিক এক ফোনালাপে প্রতিবেদকে এ কথা বলেন।
তিনি আরো জানান-করোনা পজেটিভ হওয়ার পর অনেকে ভয় পেয়ে ভাবেন আমার মৃত্যু অবধারিত। এই চিন্তা থেকে বেড়িয়ে আসতে হবে। আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে যদি জটিল কোন রোগ-ব্যাধী না থাকে, যদি সে নিজেকে সবল কিংবা শক্তিশালী মনে করে এবং মানসিক ভাবে সুস্থ থাকতে পারে । তবে ঐ ব্যক্তির উপর করোনা ভাইরাস সাধারণত সর্দি-কাশির মতোই প্রভাব ফেলবে।
প্রায় দেখা যায়, কেউ যদি করোনায় আক্রান্ত হয় । সে মানসিক ভাবে খুব ভেঙ্গে পড়ে। করোনায় পজেটিভ ইনফরমেশন পাওয়ার পর থেকে ২৪ ঘন্টায় তার মাথায় তাৎক্ষনিকভাবে কতগুলো প্রশ্ন ঘুরতে থাকে যেমন- কাকে ফোন দিবে? কোন ডাক্তারের সাথে কথা বলবে? কোন হাসপালে ভর্তি হতে হবে? সিট পাবে কিনা? এসব নিয়ে চিন্তা করতে করতে খুব বেশি উত্তেজিত হয়ে পড়ে। যেহেতু করোনার কোন টীকা বা ঔষধ আবিষ্কার হয়নি তাই এসব নিয়ে তাৎক্ষনিক এত চিন্তা করা সম্পূর্ণ্য অযুক্তিক মনে করি।
পরে মনীষা আফরোজ করোনার বিষয়ে সামগ্রিক বিষয়গুলো নিয়ে তার তৈরি করা একটি ‘গাইড লাইন’ প্রতিবেদকের নিকট প্রেরণ করেন তা পাঠকদের জন্য হুবাহু তুলে ধরা হলো:
উপসর্গ দেখা দিলে যা করবেন:
কোভিড-১৯ পজিটিভ হলে বা উপসর্গ থাকলে আতঙ্কিত হবেন না। হসপিটালে বেড পাবেন, সেই চিন্তা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলুন। সর্দি,কাঁশি,গলা ব্যাথা ও জ্বর দেখা দিলে সাথে সাথে আইসোলেশনে চলে যান। আইসোলেশনে যাবার ব্যবস্থা না থাকলে বাসায় মাস্ক ব্যবহার করুন। কিছু সময় পর পর হাত সাবান দিয়ে ধুয়ে নিন। বাচ্চা ও বয়স্কদের থেকে দূরে থাকুন। আপনার কাপড় আলাদা রাখুন। মুখে হাত দেয়া থেকে বিরত থাকুন। যে সকল মায়েরা বাচ্চাদের দুধ খাওয়ান তাদের ক্ষেত্রে এই রোগের উপসর্গ দেখা দিলে বাচ্চা ধরার আগে বা দুধ খাওয়ানোর পূর্বে হাত ধুয়ে নিন ও মুখে মাস্ক পরে নিন। বাচ্চাদের খাওয়ার পাত্রগুলো ধরার আগে হাত সাবান দিয়ে ধুয়ে নিন। আমার সারাবছর ঠান্ডা লেগে থাকে, আমার যখন তখন শরীর ব্যথা হয়, বৃষ্টি হয়েছে বলে ঠান্ডা লেগেছে, ধুলার কারণে সর্দি হয়েছে, আমার কিছু হবেনা, আল্লাহ ভরসা, দয়া করে এসব মাতব্বরি করবেন না।
আইসোলেশনে যাওয়ার সময়ে আপনার সঙ্গে যা নেওয়া আবশ্যক:
মোবাইল, চার্জার , ল্যাপটপ, মাল্টিপ্লাগ, স্যান্ডেল, এরোসল, প্যারাসিটামল, এন্টিহিস্টামিন, ইনহেলার, পিপিআই, Zinc tablet, mask, gloves, hand sanitizer, Pulseoxymeter কাপ, গ্লাস, প্লেইট,টি ব্যাগ ,যে কোন মিনারেল ওয়াটার,১/২লিটার ও ৫ লিটার সাইজ, শুকনো খাবার– মুড়ি, চিড়া, কলা, খেজুর, খাবার স্যালাইন ১০ প্যাকেট। কেটলি/ ইলেক্ট্রিক কেটলি,মধু,কালিজিরা ,আধা, চিনি ,লবন্গ, লেবু,লবণ,মাল্টা, কমলা, আপেল এবং অন্য সিজোনাল ফল,প্লাস্টিক / পলি ব্যাগ,টিস্য,প্রয়োজনীয় বই,এক্সট্রা কাপড়, টাওয়েল,সাবান –লাক্স, চাকা, ডিটারজেন্ট, সিভিট ফোরট ট্যাব্লেট,ভিটামিন ডি — যদি খেয়ে না থাকে।, ভিনেগার– গারগল করার জন্য,আয়না, মগ, বালতি।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য যা খাবেন:
Ceevit 1+0+1 15 days,Tab. Xinc 1+0+1 15 days
আইসোলেশনে যা করলে উপকার হবে:
হালকা গরম পানিতে লবন দিয়ে গড়্গড়া করা। হালকা গরম ভিনেগার দিয়েও গড়্গড়া করা যায় দিনে ৩-৪ বার, আদা, রং চা চিনি ছাড়া প্রয়োজন মত, গরম পানির ভাপ নেয়া দিনে ২-৩ বার। মধু, লেবুর হালকা গরম পানি পান করা, অতিরিক্ত গরম পানি অনেক সময় গলার ক্ষতি করতে পারে। সেক্ষেত্রে হালকা কাশিতে রক্ত আসতে পারে।ব্যায়াম করা। অধিকক্ষণ শুয়ে না থাকা। সাহস রাখা,আশাহত না হওয়া, বেশি বেশি স্ব -স্ব ধর্মীয় এবাদত করা।

কোভিড ১৯ টেস্ট পজিটিভ আসলে কি করবেন:
কোভিড আক্রান্ত হলে প্রথমেই যে বিষয়টি আমাদের মাথায় রাখতে হবে- সাহস হারানো যাবে না। করোনায় পজেটিভ ইনফরমেশন পাওয়ার পর থেকে ২৪ ঘন্টায় ঐ ব্যক্তির মাথায় তাৎক্ষনিকভাবে কতগুলো প্রশ্ন ঘুরতে থাকে যেমন- কাকে ফোন দিবে? কোন ডাক্তারের সাথে কথা বলবে? কোন হাসপালে ভর্তি হতে হবে? সিট পাবে কিনা? এসব নিয়ে চিন্তা করা যাবে না । মাথায় রাখতে হবে আক্রান্তের ৫-৭% হাসপাতালে যাওয়া লাগে। আর তাদের মধ্যে ১-২% আইসিইউ এর দরকার হতে পারে।

স্বল্প ও মধ্যম উপসর্গের জন্য বাসায় চিকিৎসা পদ্ধতিঃ
স্বল্প উপসর্গ সম্পন্ন অবস্থায় সাধারণত কোন চিকিৎসা দরকার হয়না যদি কোন অতিরিক্ত ঝুকির লক্ষন না থাকে।
জ্বরের জন্য প্যারাসিটামল Tab. Napa extend1+1+1
• ঠান্ডা বা হালকা কাশির জন্য Tab. Fenofex 120mg/Tab. Fenadin 0+0+1
• Tab.Scabo 6mg / Tab Ivera 6mg এর দুটি ট্যাবলেট একসাথে একবারের জন্য।
• পরিবারের মানুষ হতে দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। স্ত্রী, ছেলে-মেয়ে যতই ভালোবাসার হউক না কেন ,,তাদের থেকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।
• পরিবারের লোকজন করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তিকে অবেহেলা না করে
• সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে- সাহস, মনোবল, খাদ্য ও ঔষুধের যোগান দিতে হবে কিন্তু যতই ভালোবসার মানুষ হউক না কেন ,ঐ ব্যক্তি থেকে নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রাখতে হবে ।
• প্রচুর পরিমান পানি বা তরল খাবার খেতে হবে।
• শর্করা জাতীয় খাবার কম খেয়ে টক জাতিয় ফল বেশী খাওয়া যেতে পারে।
• হালকা গরম পানিতে লবন দিয়ে গড়্গড়া করা। হালকা গরম ভিনেগার দিয়েও গড়্গড়া করা যায় দিনে ৩-৪ বার • আদা, রং চা চিনি ছাড়া প্রয়োজন মত।
• গরম পানির ভাব নেয়া দিনে ২-৩ বার।
• মধু, লেবুর হালকা গরম পানি পান করা।
• ঘরে অধিকক্ষণ শুয়ে না থেকে হালকা ব্যায়াম করুন।
• ব্রিথিং এক্সারসাইজ করুন।
• আক্রান্ত রোগীর ফলোআপ করার জন্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র:
প্রেসার মাপার যন্ত্র,পালস অক্সিমিটার, থার্মোমিটার, ইনহেলার নেয়ার জন্য একটি ভালো মানের স্পেসার ,স্মার্ট ফোন। বাসায় একটি অক্সিজেন সিলিন্ডার কোভিড চিকিৎসার জন্য খুবই সহায়ক । আবার অক্সিজেন সিলিন্ডার সতর্কতার সাথে ব্যবহার না করলে মারাত্নক খারাপ অবস্থা হতে পারে। যে ঘরে সিলিন্ডার থাকবে সেখানে কোন অবস্থায় ধূমপান করা যাবেনা, কোন ধরনের মশার কয়েল জ্বালানো যাবেনা, যে কোন ধরনের দাহ্য পদার্থ থেকে দূরে রাখতে হবে।
কখন হাসপাতালে যাবেন?
শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে বা পালস অক্সিমিটারের রিডিং অক্সিজেনসহ ৯০ এর নিচে চলে গেলে
,বুকে মারাত্নক চাপ বা ব্যথা অনুভব করলে,মারাত্মক দুর্বল হয়ে গেলে, জ্বর বেড়ে যাচ্ছে বা নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে গেলে,মারাত্নক ডায়রিয়া হলে ,মুখ বা জিহবা নীল হয়ে গেলে।

বাসায় পালস অক্সিমিটার না থাকলে কি করবেন:
একবার শ্বাস নিয়ে আপনি য৯ এর বেশি গুনতে না পারেন অথবা ৫ সেকেন্ডের বেশি সময় গুনতে না পারেন তাহলে খারাপ । আপনাকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হবে।

Want your school to be the top-listed School/college?

Telephone

Website