তালীমুল কুরআন হিফজ মাদ্রাসা

তালীমুল কুরআন হিফজ মাদ্রাসা

Comments

এটা কি পাইভেট মাদ্রাসা নাকি
শায়খ আল্লামা মুফতী দিলাওয়ার হুসাইন হাফি.

(পর্ব:১)

তালিবে ইলমদের তরবিয়ত অত্যন্ত জরুরী বিষয়, কিন্তু তাও হতে হবে নিয়মতান্ত্রিক ভাবে। নিম্নে তরবিয়তের কিছু নিয়ম-নীতি উল্লেখ করা হলো,

#ভুল_ধরার_পদ্ধতি : ছাত্ররা কোন ভুল করলে গাধা! ভুল কর! লজ্জা লাগে না, লেখা পড়াতো নেই, এখানে সময় নষ্ট করতে এসেছো, তোমার কপালে লেখা-পড়া নেই। এ ধরনের কথা কখনো বলতে নেই। এতে ছাত্রদের মন ভেঙ্গে যায়। লেখা-পড়ার আগ্রহ কমে যায়। তাই তাদেরকে উৎসাহ উদ্দীপনা দিয়ে সামনে অগ্রসর করতে হবে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিভাবে ভুল শোধরাতেন? বুযুর্গানে দ্বীন কিভাবে ভুল শোধরাতেন, আমাদেরকে তা অনুসরণ করে চলতে হবে। তবেই আমাদের তরবিয়ত পলপ্রসু হবে।

একবার হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. মসজিদে প্রবেশ করা মাত্রই দেখেন ইমাম রুকতে, তিনি সেখানেই নিয়ত বেঁধে রুকুতে চলে গেলেন। অতঃপর আস্তে আস্তে হেঁটে হেঁটে কাতারে শামিল হলেন। নামায শেষ করে হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম زادك الله حرصا “আল্লাহ তোমার আগ্রহকে আরো বৃদ্ধি করুন” বলে তাকে উৎসাহিত করলেন। অতঃপর বললেন, لا تعد অর্থাৎ আগামীতে আর এমন করবে না।

এখানে তিনি এভাবেও বলতে পারতেন যে, আবূ হুরায়রা! এখানে কি তুমি নামায পড়তে এসেছো, নাকি ব্যায়াম করতে এসেছো?। বেহাঙ্গাম! এখনও নামায শিখোনি। নামাযকে তামাশা বানিয়েছো। কিন্তু তিনি এগুলো না বলে কত সুন্দর পদ্ধতিতে তাঁকে শোধরে দিলেন। উক্ত হাদীস থেকে পরিস্কার ভাবে একথা বুঝা গেলো যে,
ক. কেউ ভুল করলে তা শোধরাতে হবে;
খ. মন ভাঙ্গা যাবে না, আগে উৎসাহ দিয়ে তারপর শোধরাতে হবে;
গ. যে ভুল করেছে তার জন্য দু'আও করতে হবে।

#ভুল_যে_পর্যায়ের_সংশোধনও_সে_পর্যায়ের :
সামান্য ভুলের জন্যে আমরা অনেক সময় বাড়াবাড়ি করে ফেলি। এটা আসলে নিয়ম নয়। ভুল যে পর্যায়ের সংশোধনও হতে হবে সে পর্যায়ের। আমার নিজের জানা, এক ছেলে কানি ফাড়া জামা গায়ে দিয়ে ক্লাসে এসেছে। শিক্ষক তার জামার দুই কানি ধরে টেনে বগল পর্যন্ত চিরে দিলেন এবং ছাত্রকে ক্লাস থেকে বের করে দিয়ে বললেন, গোল জামা ছাড়া ক্লাসে আসতে পারবে না। ছাত্রটি বেরিয়ে গেলো। আলিয়া মাদরাসায় ভর্তি হলো। দাঁড়ি কাটলো। এখন এক এন.জি.ও তে চাকরি করছে।

আরেক ছাত্রকে কানি ফাড়া জামা পরিধান করার অপরাধে কেচি এনে জামার কানি কেটে দেয়া হলো, এরপর ক্লাস থেকে বের করে দেয়া হলো। ছাত্র বের হয়ে স্কুলে ভর্তি হলো, পরবর্তীতে নামাযও ছেড়ে দিয়েছে। বলুন! ছাত্রগুলো যে বে-লাইনে চলে গেলো এদের দায়-দায়িত্ব কার উপর বর্তাবে? বিষয়গুলোতো এতো মারাত্মক কোন অন্যায় ছিলো না।
انا لله وانا اليه راجعون.

মুফতী আযম পাকিস্তান আল্লামা মুফতী মুহাম্মাদ শফী রহ. কিছু লোকেরা কেবলমাত্র আদব ও মুস্তাহাব বর্জন করার জন্য ভৎর্সনা আরম্ভ করে দেন, তাদের এ কর্মপদ্ধতি সঠিক নয়। আদব ও মুস্তাহাবের তালীম ও তাকীদতো অবশ্যই করবে। এর প্রতি উৎসাহ অবশ্যই যোগাবে। কেউ এগুলোর উপর আমল না করলে ভদ্রভাবে ও আদবের সাথে তাকে মনোযোগী করতে হবে। কিন্তু এ কারণে তাকে তিরস্কার করা মোটেও জায়েয নয়।

#তরবিয়তের_১ম_মারহালা (স্তর)
কোন ছাত্রকে সি.আই. ডি হিসেবে ব্যবহার না করা:
দারুল উলুম করাচীতে মাঝে মাঝে তাদরীবুল আসাতিজা বা শিক্ষক প্রশিক্ষণ নামে ১৫ দিন ব্যাপী সেমিনার হতো। কোন এক সেমিনারে বর্তমান মুফতী আযম পাকিস্তান হযরত মাওলানা মুফতী রফী উসমানী দামাত বারাকাতুহুম একটি কথা বলেছেন, কোন কোন শিক্ষককে দেখা যায় তালিবে ইলমকে সি.আই.ডি হিসেবে ব্যবহার করে যে, তুমি দেখবে, কে কী করে না করে, কে কোথায় যায় না যায়। অতঃপর আমাকে জানাবে। হযরত বললেন, এটা নিয়ম নয়। এতে করে যাকে সি.আই.ডি রাখলাম তার জীবন শেষ হয়ে যাবে। এ ছাত্র সাধারণত মানুষ হবে না। এর বিভিন্ন কারণ আছে। যেমন,

১. তাকে ছাত্ররা ভালো দৃষ্টিতে দেখেনা;
২. তাকে কেউ ভালবাসে না;
৩. তার উপর অনেকের মনে কষ্ট থাকে;
৪. তাকে অনেকে বদ দু'আ দেয়;
৫. পরবর্তীতে তার আলোচনা প্রশংসা সম্বলিত হয় না;
৬. তাকে সি.আই.ডিগিরি করতে গিয়ে নিজের লেখাপড়া নষ্ট করতে হয়;
৭. অনেক সময় সে সুযোগকে প্রতিশোধের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে;
৮. এটা নিয়ে অনেক সময় অন্যদের সাথে ঝগড়া-বিবাদ সৃষ্টি হয়;
৯. এ দায়িত্ব পেয়ে সে নিজেকে অনেক বড় মনে করে, যা অহংকারের নামান্তর ;
১০. ছাত্রদের চোখে ধোকা দেয়ার জন্য অনেক সময় সে মিথ্যার আশ্রয় গ্রহণ করে; ইত্যাদি।

#তরবিয়তের_২য়_মারহালা(স্তর) মারহালায়ে তাসামুহ :
তরবিয়তের ২য় মারহালা হবে তাসামুহের মারহালা। দেখেও দেখিনি, শুনেও শুনিনি, বুঝেও বুঝিনি। এভাবে চলতে হবে, এক সময় সে নিজেই ঠিক হয়ে যাবে।

তবে হ্যাঁ, যদি তার অন্যায় এত বৃদ্ধি পায় যে, না দেখার ভান করলে হবেনা অথবা সে বুঝে ফেলেছে যে, আমার এ অন্যায়ের সংবাদ হুযুর পেয়ে গেছেন। হুযুর বুঝে ফেলেছেন আমি অপরাধ করেছি। এখন আর তাসামুহ করলে হবেনা। তাহলে তার দুঃসাহসিকতা বেড়ে যাবে। এখন তার তরবিয়তের লক্ষ্যে প্রয়োজন বোধে শাস্তি দিতে হবে।

েশি_হোক_তবুও_সে_ছাত্র :
দ্বিতীয় কথা হলো ছাত্রতো ছাত্রই।বয়স যতই বেশি হোক সে ছাত্র। আমাদের কুমিল্লার প্রাচীনতম মাদরাসা বরুড়া মাদরাসা। ওখানে মাওলানা হিফজুর রহমান সাহেব (দা.বা.) এর কামরায় আমি বসে আছি। এক বুড়ো, চুল দাড়ি সব ধবধবে সাদা। একটি চিলুমচি এনেছেন আমাকে হাত ধোয়াতে। হাতে একটি পোটলা। আমি ভেবেছি হয়তো মাদরাসার কোন খাদেম হবেন।
তাই আমি জিজ্ঞেস করলাম, মুরুব্বী আপনি কে? কেন আমাকে হাত ধোয়াবেন? সে বলল! হুযুর আমি এই মাদরাসার একজন ছাত্র, তালিবে ইলম, শরহে বেকায়া (এইচ.এস.সি) পড়ি।

আমি জিজ্ঞেস করলাম, এতদিন কোথায় ছিলেন? উত্তরে বললেন, আমি হাইস্কুলের হেড মাষ্টার ছিলাম। তারপর রি-টায়ার্ড করে এখানে ইযাজদাহুমে (৪র্থ শ্রেণী) ভর্তি হলাম। মাত্র শরহে বেকায়া পর্যন্ত এসেছি। আমি বললাম, আমাকে হাত ধোয়াবেন কে? আপনার হাতে এগুলো কী? তিনি বললেন, হুযুর! আমি বহুদিন থেকে আপনার নাম শুনে আসছি। আপনাকে দেখতে খুব মন চেয়েছে। কখনো দেখার সু্যোগ হয়নি, আজ হঠাৎ সংবাদ পেলাম আপনি এখানে এসেছেন। তাই আমি দৌঁড়ে গিয়ে বাজার থেকে মিষ্টি এনেছি আপনাকে খাওয়াতে, এটা আমার মনের আবেগ।

বেচারার আবেগ, তাই হাত ধুয়ে নিলাম। মিষ্টি একটু খেলাম। আমি খোঁজ রাখতাম মাওলানা হিফজুর রহমান সাহেবের কাছে। পরে জানতে পারলাম ঐ ছাত্র দাওরা হাদিস পাশ করেছে এবং ঐ মাদরাসার উস্তাদও হয়েছে। আমি হিফজুর রহমান সাহেবকে জিজ্ঞেস করলাম- ভাই! তিনিতো হেড মাষ্টার, তালিবে ইলমের যে সকল স্বভাব থাকে সেগুলোকি তার মধ্যেও আছে? না শিক্ষকের স্বভাব? বললেন যে, না ভাই! একচুলও বেশ কম নেই। তালিবে ইলমের যে স্বভাব তার মধ্যে পুরোপুরিই আছে। যদিও তিনি রি-টায়ার্ড করে এখানে এসেছেন। তালিবে ইলম তালিবে ইলমই, বয়স যতই বেশি হোক না কেন। তার মধ্যে ছেলে মানুষী থাকবেই, শিশুত্ব থাকবেই। এটাই তার স্বভাব ও বৈশিষ্ট। এখন আপনি যদি তার প্রতিটি নকল ও হরকত, উঠা-বসা ধরতে যান, তাহলে আপনাকে সারাদিন এ কাজই কার লাগবে। লেখা-পড়া কিংবা অন্য কিছু করার সুযোগ পাবে না।

#তরবিয়তের_৩য়_স্তরঃ
রাগ ঠান্ডা হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করা :
তরবিয়তের নিয়ম ও বেতের শাস্তি বা শারীরিক শাস্তি সম্পর্কে হাকীমুল উম্মত মুজাদ্দিদুল মিল্লাত শাহ্ আশরাফ আলী থানভী রহ.-এর একটি বক্তব্য “আল ইকবা” এর মধ্যে উল্লেখ আছে। হযরত বলেন, তালিবে ইলমের বে-উনওয়ানী,গোস্তাখী, বে-আদবী দেখলে মানুষ হিসেবে উস্তাদের গোস্বা আসাই স্বাভাবিক, গোস্বা আসবেই। এমন সম আপনি যদি একটি বেত নিয়ে বেত্রাঘাত শুরু করেন তাহলে আপনিও সীমালঙ্ঘন করবেন। কারণ গোস্বা অবস্থায় মানুষ নিজেকে ঠিক রাখতে পারে না। সেও সীমালঙ্ঘন করেছে বে-আদবী করেছে, আর আপনিও তরবিয়ত করতে গিয়ে সীমালঙ্ঘন করলেন, তাহলে সে আর আপনার মধ্যে পার্থক্য কী রইল? তাই এখন তাকে বেত্রাঘাত করা যাবে না। এখন তাকে শাসন করা যাবে না। শাসন কখন করব? গোস্বা ঠান্ডা হলে। গোস্বা ঠান্ডা হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

#রাগ_সংবরণ_পদ্ধতি : রাগ কিভাবে দমন হবে?
১. তাকে সামনে থেকে সরিয়ে দিন, তাহলে গোস্বা ঠান্ডা হয়ে যাবে।
২. তাকে সামনে থেকে সরানো সম্ভব না হলে আপনি সরে যান।
৩. সরে গিয়েছেন তবুও ঠান্ডা হয়নি, তাহলে ঠান্ডা পানি পান করুন।
৪. ঠান্ডা পানি পান করলেন, এরপরও ঠান্ডা হয়নি, তাহলে দাঁড়ানো থাকলে বসে পড়ুন।
৫. এরপরও ঠান্ডা হয়নি, তাহলে শুয়ে পড়ুন।
৬. এরপরও ঠান্ডা হয়নি, তাহলে উযু করুন।
৭. এরপরও ঠান্ডা না হলে গোসল করুন
৮. এরপরও ঠান্ডা না হলে,
والكا ظمين الغىيظ والعافين عن الناس
বেশি বেশি পড়তে থাকুন।
৯. এরপরও ঠান্ডা না হলে, পড়তে থাকুন।
اعوذ بالله من الشيطان الرجيم
১০. এর পরও ঠান্ডা না হলে বেশি বেশি,
بسم الله الرحمن الرحيم
পড়তে থাকুন। ইনশাআল্লাহ রাগ ঠান্ডা হয়ে যাবে।
মোটকথা, রাগ ঠান্ডা হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। রাগ নিয়ন্ত্রণে রাখাই হলো আসল বীরত্ব।

নবী কারীম ﷺ ইরশাদ করেন,
عن أبي هريرة- رضي الله تعالي عنه– عن النبي– صلي الله عليه وسلم – ليس الشديد بالسرعة، ولكن الشديد الذين يملك نفسه عند الغضب.
অর্থ : ঐ ব্যক্তি প্রকৃত বী নয়, যে অন্যকে পরাজিত করে, বরং প্রকৃত বীর সেই, যে ক্রোধের মুহুর্তেও নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।
(মুসনাদুল ইমাম আহমাদ, হাদীস নং ৭২৮৯)
গোস্বা ঠান্ডা হয়েছে, তাহলে তাকে ডাকুন, তাকে ডেকেই কি একটি বেত হাতে নিয়ে বেত্রাঘাত শুরু করে দিবেন? না, এখনও সময় আসেনি, কি করতে হবে।

#৪র্থ_স্তরঃ_অন্যায়ের_পরিধি_পরিমাপ_করা:
এখন তার অন্যায়ের পরিধি পরিমাপ করতে হবে। অন্যায় কী পরিমাণ, সে হিসেবে তাকে কী শাস্তি দেয়া যেতে পারে, এটা মাপতে হবে। মেপেই কি বেত্রাঘাত শুরু করব? না এখনও সময় আসেনি। এখন দেখতে হবে শাস্তি না দিলে চলে কিনা।

্তরঃ_শাস্তি_না_দিলে_চলে_কিনা_তা_দেখা :
যদি দেখেন এতটুকুই যথেষ্ট, ছাত্র জানতে পেরেছে যে, হুযুর আমার অন্যায়ের কথা জেনে গেছেন। অনেকের তরবিয়ত এর দ্বারাই হয়ে যায়। তাহলে তাকে আর অন্য কিছু করা যাবে না।

#৬ষ্ট_স্তরঃ_ধমক_দেয়া :
যদি দেখেন যে, না, শুধু এতটুকুতে তার তরবিয়ত হবে না, আরো সামনে বাড়তে হবে, তাহলে সামনে বাড়া লাগবে। কিছু ধমকিও দিতে হবে, কেউ কেউ আছে একটু ধমক দিয়ে বিদায় দিলেই হয়ে যায়, তাহলে তাকে বেত্রাঘাত করা যাবে না। ধমক দিয়েই বিদায় করতে হবে। ধমক ও বদ-দু'আ সংমিশ্রণ হতে পারবে না। যথা সাধ্য দু'আর সংমিশ্রণ হওয়া বাঞ্ছনীয়।

নোয়াখালী ইসলামীয়ার প্রিন্সিপাল ছিলেন হযরত মাওলানা কাসেম সাহেব রহ.। তিনি কোন ছাত্রের উপর রাগ হলে জোর আওয়াজে নেক বখত বলে ধমক দিতেন। একদিন বলা হলো, হুযুর! এটি কোন ধমক হলো? হুযুর জবাব দিলেন যে, আমি এখানে মানুষ গড়তে এসেছি, কারো জীবন নষ্ট করতে আসিনি। আমি বদবখত বলে গালি দিলাম, আর তাই আল্লাহ্পাকের দরবারে লেগে গেলো, ছাত্রের জীবন বরবাদ হয়ে গেলো। পক্ষান্তরে আমার নেকবখত গালি লেগে গেলে তার জীবনের পরিবর্তন ঘটে যাবে। সুবহানাল্লাহ্!
কত গভীর ভাবনা!!
ওপারে ভালো থাকুন নিয়ে কিছু কথা!

কোন অমুসলিম কাফের সেলিব্রেটি মরতে দেরি হয়না। সাথে সাথেই আমাদের ভাইয়েরা শোক প্রকাশ করে লিখে ধুম ফেলে দেয় "ওপারে ভাল থাকুন"। আমাদের নামে মাত্র মুসলিম সমাজে এই সংস্কৃতি বহুবছর ধরেই চলে আসছে। আবার কেউ ভুলটা ধরে দিলে ভাইয়েরা তেড়েও আসছে। ভাইয়েরা বিষয়টা অত্যন্ত জটিল। এটা স্বাভাবিক কোন ব্যাপার নয়। যে ব্যক্তি নিশ্চিত কুফুরের উপর মারা গেছে তার জন্য পরকালে ভাল কামনা করা আল্লাহর উপর পোদ্দারি করার নামান্তর। আল্লাহ সুস্পষ্ট আয়াতের মাধ্যমে আপনার সেই অধিকার নাকোচ করেছেন। আর আপনি আল্লাহর সাথে বিদ্রোহ করে সেই অধিকার চর্চা করছেন। একটু শান্ত মাথায় আল্লাহর দাসত্ব মেনে নিয়ে ভেবে দেখুন।

মহান আল্লাহ তা'য়ালা বলছেন,
"আত্মীয়স্বজন হলেও মুশরিকদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা নবী ও মু'মিনদের জন্য বৈধ নয়" [১]
কাফেরের মৃত্যু কোন নতুন বিষয় নয়। রাসলের যুগ থেকে শুরু থেকে আজও পর্যন্ত মৃত্যুর এই ধারাবাহিকতা আছে। কেউ দেখাতে পারবে না রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, কিংবা কোন সাহাবী অথবা কোন সালাফ মরার পর কোন কাফেরের জন্য দোয়া করেছেন। তারা জীবিত কাফেরের জন্য হেদায়েতের দোয়া করেছেন। কিন্তু কেউ কুফুরের উপর মৃত্যু বরণ করার পর তাদের জন্য রহমত কিংবা মাগফেরাতের দোয়া করেননি।

ইমাম নববী রহঃ বলেন, কাফেরের জানাযা পড়া, তার জন্য ক্ষমার দোয়া করা কুরআন, সুন্নাহ এবং ইজমার মাধ্যমে প্রমাণিত সুস্পষ্ট হারাম।[২]
ইবনে তাইমিয়া রহঃ ও এই ব্যাপারে ইজমার দাবি করেছেন। [৩]

কিছু ভাই খুব কিউট যুক্তি দেন। উনারা বলেন, "আল্লাহ সর্বশক্তিমান। তিনি যা ইচ্ছা তাই করতে পারেন।" এই দাবি অবশ্যই ঠিক। আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করতে পারেন। পবিত্র কুরআনে এই মর্মে আয়াত রয়েছে। আবার পবিত্র কুরআনের অনেকগুলো আয়াতে এই কথাও বলা হয়েছে, মুশরিকদের জন্য ক্ষমা চাওয়ার অধিকার কারো নেই, যেই ব্যক্তি কুফুরের উপর মারা গেছে সে নিশ্চিত চিরস্থায়ী জাহান্নামে যাবে, আল্লাহর কুফর ও শিরক গোনাহ কখনোই মাফ করবেন না।[৪]

কুরআনের কিছু আয়াতের উপর আপনার অগাধ বিশ্বাস কিন্তু বাকি আয়াতগুলোর ক্ষেত্রে সেই বিশ্বাস কোথায় গেল? যেই আল্লাহকে আপনি সর্বশক্তিমান মানছেন সেই আল্লাহর সুস্পষ্ট ঘোষণাকে কীভাবে অমান্য করছেন? নাকি আপনি আল্লাহর কিছু আয়াতকে বিশ্বাস করেন আর কিছু আয়াতকে বিশ্বাস করেন না? যদি এমনই হয়ে থাকে, তাহলে মনে রাখবেন এর ফলাফল খুবই ভয়াবহ। মহান আল্লাহ তা'য়ালা বলেন,
তোমরা কি পবিত্র কুরআনের কিছু অংশ বিশ্বাস কর এবং কিছু অংশ অবিশ্বাস কর? সুতরাং তোমাদের মধ্যে যারা এরূপ করে তারা পার্থিব জীবনে দুর্গতি ছাড়া অন্য কিছু পাবে না। আর কিয়ামতের দিনে তারা কঠোর শাস্তির দিকে নিক্ষিপ্ত হবে। আর তোমরা যা কিছু করছ আল্লাহ সে সম্পর্কে উদাসীন নন।"[৫]

এই ক্ষেত্রে আরেকটা প্রধান আপত্তি হল, আমরা কি জানি লোকটা মৃত্যুর পূর্বে তাওবা করেছে কিনা? না জেনে মন্তব্য করা কি উচিৎ হবে?
প্রথমত সবার কাছে যখন প্রমাণিত ও সুস্পষ্ট লোকটা কাফের ছিল, তখন তার ঈমানের জন্য সুস্পষ্ট প্রমাণ লাগবে। প্রমাণ ছাড়া তার কুফুরের হুকুম রহিত হবে না। সুতরাং তার কুফুরিকে দূরকারী ঈমানের প্রমাণ আগে দিতে হবে। এখানে বরংচ প্রমাণ ছাড়া তার ঈমানের সম্ভাবনা দেখানোই শরীয়ার দৃষ্টিতে মারাত্মক অপরাধ বলে গণ্য হবে।
দ্বিতীয়ত পার্থিব জীবনে কারো উপর ঈমানের হুকুম প্রযোজ্য হওয়ার জন্য অন্তরের বিশ্বাস যথেষ্ট না। এজন্য আহলে সুন্নাত অথবা আল জামা'আতের কাছে ঈমানের অন্যতম রুকন হল মুখে স্বীকৃতি দেয়া। সুতরাং যখন কারো মৌখিক স্বীকৃতির কোন প্রমাণ নেই ইসলাম গ্রহণ করার, তখন আমরা তাকে কাফের বলেই গণ্য করব। এবং এই দৃষ্টিকোণ থেকেই তার সাথে মো'আমালা করব।

আরেকটা বিষয় হল আনন্দ কিংবা শোক প্রকাশ করা। এই বিষয়ে আমার একটা লেখা আছে আগের। কমেন্টে লিংক দিয়ে দিব ইনশাআল্লাহ। সংক্ষিপ্তভাবে বললে, কোন কাফের ও অশ্লিলতার প্রচারক, হারাম ক্যারিয়ারিস্ট মারা গেলে আফসোসও করা যাবে আবার আনন্দিতও হওয়া যাবে। তবে দেখতে হবে এর পিছনে আপনার দৃষ্টিভঙ্গি কী? একজন কাফের ঈমান ছাড়া দুনিয়া থেকে চলে গেছে, চিরকাল সে জাহান্নামে শাস্তি পাবে- এই কথা ভেবে আপনি আফসোস করতে পারেন। আর পৃথিবীবাসী তার অশ্লিলতার প্রভাব থেকে মুক্ত হয়েছে, তার উন্মাদনা থেকে তরুণ শ্রেণি রেহাই পেয়েছে- এই কথা ভেবে আপনি আনন্দিতও হতে পারেন।

কিন্তু আমরা শোক প্রকাশ করছি ঠিকই; শোকের পিছনে দৃষ্টিভঙ্গি ঠিক নেই। আমরা যেই শোক প্রকাশ করছি তার পিছনে ঈমানের কোন কামনা নেই। আছে তার অভিনয় ও অশ্লিল এক্টিভিটি হারানোর বেদনা। আছে তার পাপময় ক্যারিয়ারকে মিস করার তাড়না। আছে তার উন্মাদনাকে উপভোগ করার তামান্না। আমরা এজন্য শোক প্রকাশ করি না যে, লোকটা ঈমান ছাড়া মারা গেছে এবং চিরস্থায়ী আযাব ভোগ করবে। বরং আমরা তার হারাম, উন্মাদ কিংবা অশ্লিল এক্টিভিটিকে মিস করে দুঃখ প্রকাশ করি।

অধিকন্তু এমন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে ঈমানি কামনার পাশাপাশি আমাদের আনন্দের মাত্রা হওয়া দরকার ছিল বেশি। কারণ সমাজে তাদের অশ্লিল ও উন্মাদ জীবনের প্রভাব থাকে। এরকম প্রকাশ্য ও প্রভাবক বিদ'আতীর মৃত্যুর সময়ই আমাদের সালাফরা শোকর আদায় করতেন। সমাজ কারো অশ্লিলতা, উন্মাদনা কিংবা বিদ'আত থেকে মুক্তি পেয়েছে- এটা অবশ্যই আনন্দের বিষয়। মহান আল্লাহ তা'য়ালা বলেন,"নিশ্চয় যারা এটা পছন্দ করে যে, মুমিনদের মধ্যে অশ্লীলতা ছড়িয়ে পড়ুক, তাদের জন্য দুনিয়া ও আখেরাতে রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক আযাব। আর আল্লাহ জানেন এবং তোমরা জান না।"[৬]

১) সূরা তাওবা, আয়াত ১১৩
২) আল মাজমু- ৫/১১৯
৩) মাজমুঊল ফাতাওয়া- ১২/৪৮৯
৪) সূরা নিসা-১১৬, সূরা নিসা-১৩৭, সূরা মুহাম্মাদ-৩৪,
৫) সূরা বাকারা, আয়াত ৮৫
৬) সূরা নুর, আয়াত ১৯

সংগৃহীত

মজলিশপুর ঈদগাহ তাকিয়া বাজার সোনাগাজী ফেনী

Operating as usual

Photos from তালীমুল কুরআন হিফজ মাদ্রাসা's post 23/08/2022

আমাদের মাদ্রাসায় হিফজ পড়ুয়া এতিম
ছাত্র হাফেজ মাসউদ ফেনী রশীদিয়ার কিতাব শাখায় অধ্যায়নরত রয়েছেন।আলহামদুলিল্লাহ।

আল্লাহ তাআ'লা তাকে আলেমে রাব্বানী হিসাবে কবুল করুন এবং তালীমুল কুরআন হিফজ মাদ্রাসার সংশ্লিষ্ট সবাইকে নেক হায়াত দরাজ করুন। আমিন ইয়া রব।

২য় সাময়িক পরিক্ষা শেষে
জামিয়া রশীদিয়ায় শিক্ষক সফর।

16/08/2022

শিক্ষক মিটিং []১৬[]৮[]২২[]
আগামিকাল থেকে শুরু নুরানী ও হিফজ বিভাগের অর্ধ বার্ষিক পরীক্ষা:📚

সবাই দোয়া করবেন, মহান রব যেন সকল পরিক্ষার্থীকে কামিয়াবি দান করেন: আমিন।

15/08/2022

ছাত্ররা জানাযার নামাজের ট্রেনিং নিচ্ছেন,
শিক্ষক ক্বারী আবু রায়হান ট্রেনিং দিচ্ছেন।

হে আল্লাহ!মুআল্লিম ও মুতাআল্লিমদের কবুল করুন,এবং মাদ্রাসার সংশ্লিষ্ট সবাইকে কবুল করুন। আমিন।

আবাসিক শিক্ষার্থী. নুরানি বিভাগ. তালীমুল কুরআন হিফজ মাদ্রাসা মজলিশ পুর ঈদগাহ, তাকিয়া বাজার, সোনাগাজী, ফেনী।

Photos from তালীমুল কুরআন হিফজ মাদ্রাসা's post 12/08/2022

আবাসিক শিক্ষার্থী ও শিক্ষকগণ জুমাবারে
সারিবদ্ধভাবে জুমার সালাতে যাওয়ার দৃশ্য।

মাদ্রাসার আশপাশের ৫টি মসজিদে পালাক্রমে
জুমাবারে সালাত আদায়ের উদ্দেশ্য যাওয়া হয়।

🕌মাওলানা পাড়া জামে মসজিদ🕋মিয়াজি পাড়া জামে মসজি🕋পাটোয়ারী বাড়ি জামে মসজিদ🕋মধ্যম মজলিশপুর জামে মসজিদ🕋মুন্সি বাড়ি জামে মসজিদ🕌

আজ জুমার সালাত: ১২/৮/২২
মিয়াজি পাড়া জামে মসজিদ.মিয়াজি ঘাট ব্রিজ সংলগ্ন। 🛤️

মজলিশপুর সমাজ উন্নয়ন ফাউন্ডেশন কর্তৃক তত্বাবধানে পরিচালিত তালীমুল কুরআন হিফজ মাদ্রাসা।

আপনার সন্তানকে আন্তর্জাতিক মানের তিলাওয়াত ও হাফেজে কুরআন বানাতে আমাদের মাদ্রাসায় ভর্তি করুন,উভয় জাহানের কামিয়াবি হাসিল করুন। আমিন ইয়া রব।🤲

10/08/2022

Notice--10/8/2022📢
আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ!
তালীমুল কুরআন হিফজ মাদ্রাসার সকল অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের জানানো যাচ্ছে যে, আগামী ১৭/৮/২২ ইং রোজ বুধবার হতে নুরানি ও হিফজ শাখার অর্ধ বার্ষিক পরিক্ষা আরম্ভ হবে এবং ২৩/০৮/২২ ইং রোজ মঙ্গলবার পরীক্ষা শেষ হবে।

অতএব,
সকল শিক্ষার্থী আগামী ১৬/০৮/২২ ইং রোজ মঙ্গলবারের মধ্যে যাবতীয় বকেয়া ও পরিক্ষার ফি পরিশোধ করে প্রবেশ পত্র সংগ্রহ করার জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ করা হল।

🕘প্রতিদিন সকাল ৯:০০ টায় পরিক্ষা আরম্ভ হবে।

আদেশক্রমে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ
প্রধান শিক্ষক
তালীমুল কুরআন হিফজ মাদ্রাসা
মোবাইল নং☎️ ০১৮১৮৩৩৩৭৮৭

(নুরানি শাখার ফোন নং 📠০১৮৭৪৯৯৯৭২৯

(শিক্ষার্থীদের সাথে আলাপনে বাদে আসর কল করুন )📞

নোট:
সন্মানিত অভিভাবকবৃন্দ!
অনাবাসিক শিক্ষার্থীদেরকে পরিক্ষার রুটিন অনুযায়ী বিষয়ভিত্তিক দৈনিক পরিক্ষার প্রস্তুতি নেয়ার জন্য অনুরোধ করা হল।

মজলিশপুর সমাজ উন্নয়ন ফাউন্ডেশন কর্তৃক তত্বাবধানে পরিচালিত তালীমুল কুরআন হিফজ মাদ্রাসা।

📚নাজেরা ও 📓হিফজ শাখায় ভর্তি চলছে!
এতিম ছাত্রদের জন্য সম্পুর্ণ ফ্রী। মেধাবী ও হতদরিদ্র পরিবারের জন্য বিশেষ ছাড়।

06/08/2022

হিফজ ছাত্র নজরুলের হৃদয়গ্রাহী তিলাওয়াত শুনুন! আমাদের মাদ্রাসা থেকে নুরানি-নাজেরা শেষে বর্তমানে হিফজ ৮ পারা চলছে!

আপনার সন্তানকে আন্তর্জাতিক মানের তিলাওয়াত ও হাফেজে কুরআন বানাতে আমাদের তালীমুল কুরআন হিফজ মাদ্রাসায় আজই ভর্তি করুন!

যোগাযোগ ☎️০১৮১৮৩৩৩৭৮৭
📗সন্তান আপনাদের দায়িত্ব আমাদের📒
📚কুরআনের নুরে আলোকিত হোক
সমগ্র বিশ্বে💡

Photos from তালীমুল কুরআন হিফজ মাদ্রাসা's post 04/08/2022

প্রতি মাসের ন্যায় এবারও মাসিক সেমিনার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। [৪/৮/২২]

প্রোগ্রামটি শুরু হয় কোমলমতি শিশুদের তিলাওয়াতের মাধ্যমে।
এবং তালিবুল ইলমদের হামদ-নাত,কবিতা আবৃত্তি সহ হাদিস ও আসমাউল হুসনা পরিবেশনের মধ্য দিয়ে আজকের অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।

সেমিনারের সার্বিক তত্বাবধান ও
পরিচালানায় ছিলেন অত্র মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক মাওলানা শহীদুল ইসলাম।

মোটিভেশনাল বক্তব্য রাখেন
আজকের প্রোগ্রামের প্রধান মেহমান
জনাব মোহাম্মদ শাহ জাহান সাহেব
ইনচার্জ: সমাজ উন্নয়ন ফাউন্ডেশন।

প্রোগ্রাম পরিচালনা করেন
মাওলানা আনোয়ার হোসাইন
সহকারী শিক্ষক অত্র মাদ্রাসা

অনুষ্ঠানের নিয়ম শৃঙ্খলা ও ইন্তিজামে ছিলেন
সহকারী শিক্ষক হাফেজ আবু রায়হান ও জেনারেল শিক্ষক মোহাম্মদ জানে আলম।

উপস্থিত ছিলেন
শিক্ষকবৃন্দ ও সকল শিক্ষার্থী।

দোয়া পরিচালনা করেন
হাঃ মাওলানা সামিউল ইসলাম
সহকারী শিক্ষক অত্র মাদ্রাসা

আল্লাহ রাব্বুল আলামিন এই মাদ্রাসাকে কবুল করুন এবং মাদ্রাসার সংশ্লিষ্ট সবাইকে হায়াত দরাজ করুন।

মজলিশপুর সমাজ উন্নয়ন ফাউন্ডেশন কর্তৃক তত্বাবধানে পরিচালিত তালীমুল কুরআন হিফজ মাদ্রাসা।

📚হিফজ ও নাজেরা বিভাগে ভর্তি চলছে 📒

28/07/2022

কলেজে পড়ুয়া রাকিবের ১৮ পারা
হিফজ চলছে।সবাই তার কামিয়াবি এবং মাদ্রাসার মকবুলিয়্যাতের জন্য দোয়া করবেন।

📓কুরআনের নুরে আলোকিত হোক দিগদিগন্তে।

মজলিশপুর সমাজ উন্নয়ন ফাউন্ডেশন কর্তৃক তত্বাবধানে পরিচালিত তালীমুল কুরআন হিফজ মাদ্রাসা।

📚হিফজ ও নাজেরা শাখায় ভর্তি চলছে 📙
যোগাযোগ ০১৮১৮৩৩৩৭৮৭

Photos from তালীমুল কুরআন হিফজ মাদ্রাসা's post 20/07/2022

আলহামদুলিল্লাহ, ঈদ আনন্দ ও দীর্ঘ ছুটির পর আবারো তা'লীম-তা'আল্লুমে আমরা নবীজীর মেহমান তালিবুল ইলমদের সাথে সম্পৃক্ত হয়েছি।

Photos from তালীমুল কুরআন হিফজ মাদ্রাসা's post 16/07/2022

সাদাকায়ে জারিয়ায় শরিক হওয়ার আহ্বান:

সম্মানিত সুধী,
আপনি জেনে আনন্দিত হবেন যে ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলাধীন ঐতিহ্যবাহী স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন মজলিশপুর সমাজ উন্নয়ন ফাউন্ডেশন কর্তৃক পরিচালিত
তালীমুল কুরআন হিফজ মাদ্রাসা গত কয়েক বছরের ব্যবধানে অভাবনীয় মানোন্নয়নে সক্ষম হয়েছে। আল্লাহর কালাম পবিত্র কুরআন মাজিদ হিফজ করার লক্ষ্যে শতাধিক শিশু কিশোর এখানে অধ্যায়নরত রয়েছে। দক্ষ ও যোগ্য শিক্ষকমন্ডলি এর সমন্বয়ে হিফজ ও ইবতেদায়ি শিক্ষার পাশাপাশি জেনারেল শিক্ষা ও চলমান আছে।

মাদ্রাসাতে বর্তমানে ভাড়া বাড়িতে অবস্থানের কারণে শিক্ষা কার্যক্রম কিছুটা ব্যাহত হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানের মানোন্নয়ন এবং ছাত্র বৃদ্ধির কারণে প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ভবন নির্মাণ খুবেই অত্যাবশ্যক।
সার্বিক অবস্থা বিবেচনায় মাদ্রাসার অন্যতম উদ্যোক্তা ও পৃষ্ঠপোষক জনাব মঞ্জুরুল ইসলাম সুমন ও হাজী ওমর ফারুক মাদ্রাসা ভবন ও সংলগ্ন মসজিদ কমপ্লেক্স নির্মাণের লক্ষ্যে প্রায় ৩২ শতাংশ জমি দান করেছেন। আলহামদুলিল্লাহ
উক্ত জায়গায় মাদ্রাসার জন্য একটি পৃথক ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এই উদ্যোগে অংশগ্রহণের মাধ্যমে অসংখ্য হাফেজে কোরআন গড়ার কার্যক্রমে আপনিও শামিল হতে পারেন, এর মাধ্যমে সদকায়ে জারিয়ার কল্যাণ লাভ করতে পারেন।

মহান রব সকলের দান-সাদাকার মধ্যে খইর বরকত দান করুন।

দান সদকা প্রেরণের ঠিকানা :
majlishpur somaj unnayan Foundation
A/c #0113000107025
Exim Bank Feni branch

Photos from তালীমুল কুরআন হিফজ মাদ্রাসা's post 11/07/2022

আলহামদুলিল্লাহ ,
মজলিশপুর সমাজ উন্নয়ন ফাউন্ডেশন এর তত্বাবধানে
যাকাত ফাউন্ডেশন অব আমেরিকার
উদ্যোগে
সোনাগাজীর ১নং এবং ২নং ইউনিয়নের ৮টা গরুর গোস্ত ৩৫০ এর বেশী হত-দরিদ্র পরিবারের মাঝে বিতরণের কিছু স্থির চিত্র।

এবং আমাদের তালীমুল কুরআন হিফজ মাদ্রাসার এতিম ছাত্রদের জন্য কুরবানির গোশত দান করেন।

আল্লাহ রাব্বুল আলামীন এই দানকে কবুল করুন সংশ্লিষ্ট সবাইকে নেক হায়াত দরাজ করুন। আমিন

10/07/2022

عيد مبارك، تقبل الله منا ومنكم صالح الاعمال
তালীমুল কুরআন হিফজ মাদ্রাসার সকল শিক্ষার্থী-শিক্ষকবৃন্দ ও অভিভাবকদের প্রতি রইল ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা বিনিময় ও অভিনন্দন।

07/07/2022

কুরআনের পাখিদের আনন্দের মূহুর্ত,
ঈদুল আজহার ছুটির অনুষ্ঠানের চিত্র।

সকল অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের জনাই
ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

রবের রাহে ইব্রাহিমী আদর্শে পশু কুরবানিতে উজ্জীবিত হোক সকল মুমিনের হৃদয়ে।

তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম সালিহাল আ'মাল 🤲

29/06/2022

জিলহজ মাসের ১০ দিনের ফজিলত

বছরের ১২ মাসের মধ্যে সব মাস আল্লাহর কাছে সমান মর্যাদার অধিকারী হলেও চারটি মাসের বিশেষ মর্যাদা ও ফজিলত রয়েছে। মর্যাদাপূর্ণ চার মাসের অন্যতম হলো জিলহজ মাস। এটি হজের মাস। ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত হওয়ার মাস। প্রভুর সান্নিধ্য লাভের মাস। আল্লাহ তায়ালা কুরআনুল কারিমে বলেন, ‘নিশ্চয়ই আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টির দিন থেকে আল্লাহর বিধানে মাস গণনায় ১২টি। এর মধ্যে চারটি মাস বিশেষ মর্যাদায় বৈশিষ্ট্যপূর্ণ। অতএব তোমরা এ মাসগুলোতে দ্বীনের বিরুদ্ধাচরণ করে নিজেদের ক্ষতি সাধন করো না। আর মুশরিকদের বিরুদ্ধে সবাই একযোগে যুদ্ধ করো, যেমন তারা তোমাদের বিরদ্ধে সবাই একজোটে যুদ্ধ করে। আর জেনে রাখো যে, আল্লাহ মুত্তাকিদের সাথে রয়েছেন’ (সূরা তাওবা-৩৬)। এই চার মাস হলো জিলকদ, জিলহজ, মহররম ও রজব।

এসব মাসে যুদ্ধবিগ্রহ, কলহবিবাদকে সম্পূর্ণ হারাম ঘোষণা করা হয়েছে। অন্য দিকে জিলহজ মাস মানে হজের মাস। হজের তিনটি মাস শাওয়াল, জিলকদ ও জিলহজ। এর মধ্যে প্রধান মাস হলো জিলহজ। এই মাসের ৮ থেকে ১৩ তারিখ- এই ছয় দিনেই হজের মূল কার্যক্রম সম্পাদন করা হয়। তাই এ মাসের মর্যাদা ও ফজিলত অন্য মাসগুলো থেকে অনেক বেশি। এ দিকে ইঙ্গিত করে মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘শপথ ভোরবেলার! শপথ ১০ রাতের’ (সূরা ফজর : ১-২)! এখানে ১০ রাতের শপথ দ্বারা জিলহজ মাসের প্রথম ১০ দিনই উদ্দেশ্য (তাফসিরে ইবনে কাসির)।

এই মাসের ৮ থেকে ১৩ তারিখ এই ছয় দিনেই হজের মূল কার্যক্রম সম্পাদন করা হয়। কুরআনুল কারিমে আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘হজ সম্পাদন করো সুবিদিত মাসসমূহে। অতঃপর যে কেউ এই মাসগুলোতে হজ করা স্থির করে, তার জন্য হজের সময়ে স্ত্রীসম্ভোগ, অন্যায় আচরণ ও কলহবিবাদ বৈধ নয়। তোমরা উত্তম কাজ যা কিছু করো, আল্লাহ তা জানেন এবং তোমরা তোমাদের সাথে পাথেয় নিয়ে নাও। বস্তুত পক্ষে উৎকৃষ্ট পাথেয় হচ্ছে তাকওয়া বা আত্মসংযম। সুতরাং হে জ্ঞানবানগণ! তোমরা আমাকে ভয় করো’ (সূরা বাকারা-১৯৭)।

আবু হুরায়রা রা: থেকে বর্ণিত- রাসূল সা: বলেন, ‘জিলহজের ১০ দিনের ইবাদত আল্লাহর কাছে অন্য দিনের ইবাদতের তুলনায় বেশি প্রিয়। প্রতিটি দিনের রোজা এক বছরের রোজার মতো আর প্রতি রাতের ইবাদত লাইলাতুল কদরের ইবাদতের মতো’ (তিরমিজি, খণ্ড-১, পৃষ্ঠা-১৫৮)।

জিলহজ মাসের চাঁদ ওঠার পর থেকে ৯ তারিখ পর্যন্ত দিনে রোজা পালন করা, রাতে বেশি বেশি নফল সালাত, কুরআন তিলাওয়াত, তাসবিহ তাহলিল, দোয়া-দরূদ, তওবা, ইস্তিগফার ইত্যাদি ইবাদত করা আল্লাহর কাছে সর্বাধিক প্রিয় আমল জিলহজের প্রথম ১০ দিনের। ইবন ওমর রা: বর্ণনা করেন, রাসূল সা: বলেছেন, আল্লাহর কাছে কোনো দিনই প্রিয় নয়, আর না তাতে আমল করা, এ ১০ দিনের তুলনায়। সুতরাং তোমরা তাতে (জিলহজের প্রথম ১০ দিন) বেশি বেশি তাহলিল, তাকবির ও তাহমিদ পাঠ করো’ (তাবারানি)।

আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘তারা যেন নির্দিষ্ট দিনসমূহে আল্লাহর স্মরণ করে’ (সূরা হাজ-২৮)। আয়াতে নির্দিষ্ট দিনসমূহের আল্লাহর স্মরণের উদ্দেশ্য সম্পর্কে বিখ্যাত মুফাসসির ও সাহাবি আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা: বলেছেন, ‘(এ নির্দিষ্ট দিনসমূহ দ্বারা উদ্দেশ্য) জিলহজ মাসের প্রথম ১০ দিন।’

জিলহজ মাসের প্রথম ১০ দিনের আমলের ফজিলত জিহাদের চেয়েও মর্যাদাবান। ইবনে আব্বাস রা: বর্ণনা করেন, রাসূল সা: বলেছেন, এ দিনগুলোর (জিলহজের প্রথম ১০ দিনের) আমলের তুলনায় কোনো আমলই অন্য কোনো সময় উত্তম নয়। তারা বলল : জিহাদও না? তিনি বললেন : জিহাদও না, তবে যে ব্যক্তি নিজের জানের শঙ্কা ও সম্পদ নিয়ে বের হয়েছে, অতঃপর কিছু নিয়েই ফিরে আসেনি’ (সহিহ বুখারি)।

আরাফার দিন, অর্থাৎ ৯ জিলহজ নফল রোজা রাখা বিশেষ সুন্নাত আমল। তবে আরাফায় উপস্থিত হাজী সাহেবদের জন্য এই রোজা প্রযোজ্য নয়। আবু কাতাদা রা: থেকে বর্ণিত- রাসূল সা: বলেন, ‘আরাফার দিনের রোজার ব্যাপারে আমি আশাবাদী যে আল্লাহ তায়ালা তার (রোজাদারের) বিগত এক বছরের ও সামনের এক বছরের গুনাহ মাফ করে দেবেন’ (তিরমিজি শরিফ, খণ্ড-১, পৃষ্ঠা-১৫৭)। এ ছাড়া জিলহজ মাসের ৯ তারিখ ফজর থেকে ১৩ তারিখ আসর পর্যন্ত প্রতি ফরজ নামাজের পর একবার তাকবির বলা ওয়াজিব (ইলাউস সুনান, খণ্ড-৮, পৃষ্ঠা-১৪৮)। জিলহজের ১০, ১১ ও ১২ যেকোনো দিন, কোনো ব্যক্তির মালিকানায় নিত্যপ্রয়োজনের অতিরিক্ত সাড়ে সাত ভরি স্বর্ণ অথবা সাড়ে বায়ান্ন তোলা রুপা বা এর সমমূল্যের সম্পদ থাকলে তার ওপর কোরবানি করা ওয়াজিব। পুরুষ ও নারী সবার জন্য এ বিধান প্রযোজ্য (ইবনে মাজাহ-২২৬)।

জায়েদ ইবনে আরকাম রা: বর্ণনা করেন, রাসূল সা:- এর কাছে সাহাবাগণ বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল সা:! এ কোরবানি কী?’ উত্তরে তিনি বললেন, ‘তোমাদের পিতা ইবরাহিম আ:-এর সুন্নত।’ তারা পুনরায় বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল! তাতে আমাদের জন্য কী সওয়াব রয়েছে?’ উত্তরে তিনি বললেন, ‘কোরবানির পশুর প্রতিটি পশমের বিনিময়ে একটি সওয়াব রয়েছে।’ তারা আবারো প্রশ্ন করলেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল সা:! ভেড়ার লোমের কী হুকুম?’ (এটা তো গণনা করা সম্ভব নয়) তিনি বললেন, ‘ভেড়ার প্রতিটি পশমের বিনিময়েও একটি সওয়াব রয়েছে’ (ইবনে মাজাহ-২২৬)। আবু হুরায়রা রা: থেকে বর্ণিতÑ রাসূল সা: বলেন, ‘যে ব্যক্তি সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও কোরবানি করল না, সে যেন আমাদের ঈদগাহের কাছেও না আসে’ (ইবনে মাজাহ-২২৬)।

আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে আস রা: থেকে বর্ণিত- রাসূল সা: বলেন, ‘আমার প্রতি আজহার দিন (১০ জিলহজ) ঈদ পালন করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। যা আল্লাহ উম্মতে মুহাম্মদির জন্য নির্ধারণ করেছেন। তখন এক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল সা:! আপনি বলুন, (যদি আমার কোরবানির পশু কেনার সামর্থ্য না থাকে) কিন্তু আমার কাছে এমন উট বা বকরি থাকে। যার দুধ পান করা বা মাল বহন করার জন্য তা প্রতিপালন করি। আমি কি তা কোরবানি করতে পারি? তিনি বললেন, না। বরং তুমি তোমার মাথার চুল, নখ, গোঁফ কেটে ফেলো এবং নাভির নিচের চুল পরিষ্কার করো। তা আল্লাহর নিকট তোমার কোরবানি’ (আবু দাউদ, নাসায়ি, ত্বহাবি, খণ্ড-২, পৃষ্ঠা-৩০৫)। তাই তো সালফে সালেহিনগণ জিলহজ মাসের প্রথম ১০ দিনের ইবাদতে একনিষ্ঠভাবে নিজেদের নিয়োজিত করতেন। প্রিয় নবী রাসূল সা: জিলহজ মাসে বেশি বেশি ইবাদত-বন্দেগিতে লিপ্ত থাকতেন। ইবন আব্বাস রা: বর্ণনায় এসেছে, ‘যখন জিলহজ মাসের ১০ দিন প্রবেশ করত, তখন তিনি খুব মুজাহাদা করতেন, যেন তার ওপর তিনি শক্তি হারিয়ে ফেলবেন’ (দারেমি)।

অতএব জিলহজ মাসের ১০ দিনের ফজিলতের ক্ষেত্রে স্পষ্টভাবে প্রমাণিত যে এ মাসে সালাত, রোজা, সাদকা ও হজ-এর মতো মূল ইবাদতগুলোর সমন্বয় ঘটেছে। যা অন্যান্য সময় যথাযথভাবে আদায় করা হয় না। সুতরাং সব মুমিনের উচিত সালাফরা যেমন করে জিলহজ মাসের ফজিলতপূর্ণ ইবাদতসমূহ আমল করে নিজেদের মর্যাদাবান করেছেন সেভাবে আমাদের ইবাদতসমূহ আমল করা। যাতে করে আমরা আল্লাহর প্রিয় বান্দা হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে পারি।

আল্লাহ তায়ালা আমাদের বেশি বেশি নেককাজ করার তৌফিক দিন। আমীন।

23/06/2022

৫ জায়গায় ৫ দিনে ৯ কাজ করাকে হজ্জ বলে।

🔹৫ জায়গা হল;
১. মিনা ২. আরাফা ৩. মুজদালিফা ৪. জামারাত ও ৫. বাইতুল্লাহ।

🔹৫ দিন হল;
জুলহিজ্জাহ (জিলহজ্জ) মাসের ৮. ৯. ১০. ১১. ১২।

🔹৯ কাজ হল;
তার মধ্যে ৩টি ফরজ ৬টি ওয়াজিব
===
ফরজ তিনটি; ১. ইহরাম ২. আরাফা ৩. তওয়াফে জিয়ারত।
===
ওয়াজিব ৬টি হল;
১. মুজদালফা ২. কঙ্কর ৩. কুরবানী ৪. মাথা কামানী ৫. সাঈ ৬. বিদায়ী তওয়াফ

🔹খোলাসা কথা,
হজ্জের জন্য জায়গা হল ৫টি, হজ্জ পালনের জন্য দিন হল ৫টি আর কাজ হল মাত্র ৯টি। ব্যস! সিরিয়াল মত ঠিকঠাক থাকলে আপনার হজ্জ কমপ্লিট।

আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আমাদের সবাইকে হজ্ব করার তৌফিক দান করুন।

13/06/2022

আলহামদুলিল্লাহ স্কুল পড়ুয়া শিক্ষার্থী শহিদুল ইসলাম এর ৩নং পারা হিফজ চলছে।সবাই তারজন্য এবং মাদ্রাসার মকবুলিয়্যাতের জন্য দোয়া করবেন।

04/06/2022

খতমি ছাত্র মোঃ জাকারিয়া,হিফজ কম্পিলিট শেষে কুরআনে পাক শুনানি চলছে,সবাই তারজন্য ও মাদ্রাসার জন্য দোয়া করবেন।

28/05/2022

•ছাত্র সালমান ফারসির মনকাড়া তিলাওয়াত,
•কুরআনের নূরে আলোকিত হোক দিগদিগন্ত,
•মাদ্রাসার সংশ্লিষ্ট সবাইকে কবুল করুন-আমিন।

Photos from তালীমুল কুরআন হিফজ মাদ্রাসা's post 26/05/2022

ইলমে দ্বীন শিক্ষার গুরুত্ব:

জ্ঞান অর্জনই মানুষের মর্যাদার পার্থক্য নির্ণয় করে দেয়। এ জ্ঞানের মর্যাদা দিতে গিয়েই আল্লাহ তাআলা ফেরেশতাদের উপর হজরত আদম আলাইহিস সালামের শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন। তাকে সেজদা করতে বলেছেন। জ্ঞান অর্জনের প্রাধান্য দেয়ার এ বিষয়টি ছিল মহান আল্লাহর একটি কুদরত।

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি জাহান্নামের শাস্তি থেকে মুক্তি পাওয়া কোনো মানুষ দেখতে চায়, সে যেন আল্লাহ তাআলার দ্বীনের জ্ঞান অর্জনকারী ব্যক্তির দিকে তাকায়। তিনি শপথ করেন বলেন-‘কোনো আলেমের দরজায় যখন কোনো জ্ঞান অন্বেষণকারী দ্বীন শিখতে যায়, তখন তার প্রত্যেক পদক্ষেপের বিনিময় এময় বছরের ইবাদতের সাওয়াব লেখা হয়। জান্নাতে তার জন্য একটি শহর তৈরি করা হয়। সে যখন জমিনে বিচরণ করে, জমিন তার জন্য আল্লাহ তাআলার দরবারে ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকে। আর তার উপর এমন অবস্থায় সকাল-সন্ধ্যা হয় যে, আল্লাহ তাকে ক্ষমা করেন। আর ফেরেশতারা সাক্ষ্য প্রদান করেন যে, তারা দোজখ থেকে নাজাত পাওয়া দল।’

হাদিস ও তাফসিরে দ্বীনি জ্ঞান অর্জনের অসাধারণ মর্যাদা ও গুরুত্বের কথা ওঠে এসেছে। দ্বীনি জ্ঞান অর্জনকারী ব্যক্তিকে সুস্পষ্ট জান্নাতি হিসেবে ঘোষণা দিয়েছেন বিশ্বনবি। তাফসিরে দ্বীনি জ্ঞান অর্জনের অসাধারণ ৫ উপকারিতার কথাও ওঠে এসেছে।

দ্বীনি ইলম অর্জনের গুরুত্বদ্বীনি জ্ঞান না থাকলে আল্লাহকে ভয় করার গুণ থেকেও বঞ্চিত হয় মানুষ। আল্লাহর ভয়ই মানুষকে নেক কাজের দিকে ধাবিত করে। যার অন্তরে আল্লাহর ভয় আছে কুরআন তাদের জন্যই পথপ্রদর্শক। ইমাম রাজি রাহমাতুল্লাহি আলাইহি দ্বীনি ইলমে বৃষ্টির সঙ্গে তুলনা করেছেন। এর মাধ্যমে দ্বীনি জ্ঞান অর্জনের ৫টি অসাধারণ মর্যাদা তুলে ধরেছেন। তাহলো-- বৃষ্টি যেমন আসমান থেকে নাজিল হয় তেমনি দ্বীনি ইলমও আসমান থেকে নাজিল হয়।- দ্বীনি ইলম বৃষ্টির ন্যায়। বৃষ্টির কারণে জমিন যেভাবে ফসল উৎপাদনের জন্য প্রস্তুত হয়। তেমনি দ্বীনি ইলম অর্জনের কারণেই মানুষের সব নৈতিক ও মানবিক গুণগুলো অর্জিত হয়।- বৃষ্টি ব্যতিত যেমন জমিন থেকে ভালো ফসল উৎপন্ন হয় না, ঠিক দ্বীনি জ্ঞান ব্যতিত মানুষও আল্লাহ তাআলার ইবাদাত-বন্দেগি করতে সক্ষম হয় না।- বজ্র ধ্বনি বা বিদ্যুৎ চমকানোর ফলে যেমন বৃষ্টি হয়; তেমনি দ্বীনি জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমেই মানুষ জান্নাতের আশা ও জাহান্নামের শাস্তি থেকে মুক্তি পায়।- বৃষ্টি যেমন অনেক সময় উপকারী হয় আবার অপকারী হয়, ঠিক দ্বীনি জ্ঞান অনুযায়ী আমল করার মধ্যে যেমন উপকার হয় তেমনি আমল না করলে তা অপকারীও হয়।’ (তাফসিরে কবির)

সুতরাং মুমিন মুসলমানের উচিত, দ্বীনের জ্ঞান অর্জন করা। হাদিস ও তাফসিরের ঘোষণা অনুযায়ী দ্বীনি জ্ঞান শেখার প্রতি যথাযথ আগ্রহ ও প্রচেষ্টা করা।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহসহ সবাইকে ধর্মীয় জ্ঞান অর্জনের তাওফিক দান করুন। দুনিযা ও পরকালের কল্যাণ লাভে জ্ঞান অর্জনের প্রতি সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার তাওফিক দান করুন। আমিন।

ছবি:
তালীমুল কুরআন হিফজ মাদ্রাসার শিক্ষকবৃন্দ ও শিক্ষার্থীদের মনকাড়া মাদ্রাসার বারান্দায় দাঁড়ানোর দৃশ্য।

সকল বিভাগে ভর্তি চলছে.......

24/05/2022

তালীমুল কুরআন হিফজ মাদ্রাসার ছাত্র মোঃ সাব্বির,হিফজ কম্পিলিট ২পারা,সকলের নিকট দোয়া প্রার্থী রব,যেন সংশ্লিষ্ট সবাইকে কবুল করেন।

20/05/2022

হাফেজে কুরআনদের ফজিলত:

কোরআনে কারিমের তেলাওয়াত মুমিনের হৃদয় আলোকিত করে।কোরআন তেলাওয়াত করলে জান্নাত ও জাহান্নামের চিত্র চোখের সামনে ভেসে ওঠে, কোরআন তেলাওয়াতে অশান্ত হৃদয়ে প্রশান্তি মিলে।

কোরআনে কারিমই একমাত্র কিতাব, যা পাঠ করার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের মনে আল্লাহতায়ালার ভয় সৃষ্টি হয়। যারা সব কিছুতে আল্লাহর ওপর ভরসা করেন, তারা কোরআরে কারিম তেলাওয়াত করে আনন্দ পান।

এ প্রসঙ্গে কোরআনে কারিমে ইরশাদ হয়েছে, ‘মুমিন তো তারাই, আল্লাহর কথা স্মরণ হওয়া মাত্রই যাদের অন্তরসমূহ কেঁপে ওঠে। আর যখন তাদের সামনে কোরআন তেলাওয়াত করা হয়, তখন তাদের ঈমান বৃদ্ধি পায় এবং তারা তাদের রবের ওপরই ভরসা করে।’ -সূরা আনফাল: ২

মা-বাবা অমূল্য সম্পদ। যার মূল্য পরিশোধ করে শেষ করা যাবে না। জগৎ-সংসারে মা-বাবার চেয়ে বেশি হিতাকাঙ্ক্ষী ব্যক্তি দ্বিতীয় আর কেউ নেই। শৈশবে সন্তানের পড়ালেখা ও বেড়ে ওঠার ক্ষেত্রে মা-বাবার যেমন করণীয় রয়েছে, তেমনি মা-বাবার বৃদ্ধ বয়সে কিংবা অসুস্থ হলে তাদের জন্য সন্তানের অনেক করণীয় রয়েছে। তাদের ইন্তেকালের পরও সন্তানের অনেকগুলো করণীয় বিষয় থাকে। মৃত্যুর পর মানুষের নিজের আমলের দরজা বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু মৃত ব্যক্তির দুনিয়াতে রেখে যাওয়া সুসন্তানের দোয়া ও সদকায়ে জারিয়ার সওয়াবের দরজা বন্ধ হয় না।

মৃত ব্যক্তিদের মধ্যে যাদের সন্তান কোরআন তেলাওয়াত করবে। তাদের মা-বাবাকে হাশরের দিন নূরের টুপি পরানো হবে। হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, হজরত মুয়াজ জুহানি (রা.) থেকে বর্ণিত আছে, হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘যে ব্যক্তি কোরআন পাঠ করেছে এবং তাতে যা আছে সে অনুযায়ী আমল করেছে, তাহলে তার মা-বাবাকে কিয়ামত দিবসে একটি (নূরের) তাজ (টুপি) পরানো হবে। যদি সূর্য তোমাদের ঘরে প্রবেশ করত, তাহলে ওই সূর্যের আলো অপেক্ষাও ওই টুপির আলো উজ্জ্বলতর হবে। এখন তোমরা চিন্তা করো, যে ব্যক্তি কোরআনের নির্দেশ অনুসারে আমল করে, তার মর্যাদা ও অবস্থা কত উত্তম হবে?’ –সুনানে আবু দাউদ

যারা কোরআন তেলাওয়াতকারী তারা আল্লাহর পরিবারভুক্ত। কোরআন তেলাওয়াতকারী জগৎ-সংসারের বিশিষ্ট জ্ঞানী ব্যক্তি। তাদের সুপারিশ আল্লাহতায়ালা কবুল করবেন। কোরআন তেলাওয়াতকারীর মা-বাবাকে আল্লাহতায়ালা জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করবেন। ইবনে আবু তালেব (রা.) হতে বর্ণিত হয়েছে, হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘যে ব্যক্তি কোরআন পাঠ করে এবং তা মুখস্থ করেছে অতঃপর কোরআন যা হালাল করেছে সে নিজের জন্য তা হালাল করেছে এবং কোরআন যা হারাম করেছে সে নিজের জন্য তা হারাম করেছে, তাহলে আল্লাহতায়ালা তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন এবং নিজ পরিবারের এমন দশজনের জন্য তার সুপারিশ কবুল করা হবে। যাদের পরিণাম জাহান্নাম অবধারিত ছিল।’ -তিরমিজি: ৫/২৯০৫

হজরত আনাস ইবনে মালেক (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে, হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘মানুষের মধ্যে এমন কিছু লোক, যারা আল্লাহর পরিবারভুক্ত। সাহাবিরা আরজ করল যে, হে আল্লাহর রাসূল তারা কারা? তিনি বলেন, যারা কোরআন পাঠকারী এবং এর ওপর আমলকারী। তারা হলেন, আল্লাহর পরিবারভুক্ত ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।’ -মুসনাদে আবু দাউদ: ৩/২২৩৮

মা-বাবার মৃত্যুর পর হাত দিয়ে সেবাযত্ন করার সুযোগ থাকে না, কিন্তু দোয়া করা কিংবা মাগফিরাত কামনা করার সুযোগ থাকে। তাই মা-বাবার মৃত্যুর পরও তাদের কাছ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া যাবে না। মা-বাবার মৃত্যুর পরে সন্তানের দোয়া খেদমত হিসেবে কবর জগতে উপকারে আসে। তখন সন্তানের দোয়াই হলো মা-বাবার প্রতি উত্তম আচরণ।

এ প্রসঙ্গে কোরআনে কারিমে ইরশাদ হয়েছে, ‘তোমরা আল্লাহর ইবাদত করবে, তার সঙ্গে কোনো কিছুকে শরিক করবে না এবং পিতা-মাতার সঙ্গে সদ্ব্যবহার করবে।’ -সূরা নিসা: ৩৬

হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে, হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘তোমরা তোমাদের বাবার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়ো না। কেননা, যে ব্যক্তি আপন বাবার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলো সে কুফরি করল। -সহিহ বোখারি: ৬৩১১

তালীমুল কুরআন হিফজ মাদ্রাসায় সকল বিভাগে ভর্তি চলছে....

09/05/2022

📚সন্তান আপনাদের, দায়িত্ব আমাদের📚
ভর্তি চলছে📗ভর্তি চলছে📙ভর্তি চলছে📓

যে সমস্ত প্রতিষ্ঠান রমজানে নুরানির বাৎসরিক পরিক্ষা শেষ হয়েছে তাদের জন্য আমাদের মাদ্রাসায় ভর্তি হওয়ার সুবর্ণসুযোগ রয়েছে।

তালীমুল কুরআন হিফজ মাদ্রাসায়
আবাসিক, অনাবাসিক,ডে-কেয়ার,
নাজেরা শাখা ,হিফজ শাখা
শিশু শ্রেণি, প্রথম শ্রেণী, দ্বিতীয় শ্রেণী, তৃতীয় শ্রেণী সকল বিভাগে ভর্তি চলছে।

★অভিজ্ঞ ট্রেনিং প্রাপ্ত শিক্ষকমণ্ডলী দ্বারা মনোরম পরিবেশে আরবি সাবজেক্টের পাশাপাশি জেনারেল বিষয় বাংলা অংক ইংরেজিও পাঠদান দেয়া হয়।

★ হুফফাজ ট্রেনিং প্রাপ্ত শিক্ষকদ্বারা রুটিন অনুযায়ী ২৪ ঘণ্টা আন্তর্জাতিক মানের তিলাওয়াত ও মাশক্বের মাধ্যমে সযত্নে পাঠদান দেয়া হয়।

বিঃদ্রঃ
★এতিম ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য থাকা খাওয়া সম্পূর্ণ ফ্রী।
★হতদরিদ্র পরিবারের সন্তানদের জন্য শর্তসাপেক্ষে বিশেষ ছাড়।

★যাদের এখনো ভর্তি কার্যক্রম শেষ হয়নি,তারা দ্রুত যোগাযোগ করুন মাদ্রাসা অফিসে

যোগাযোগ☎️
প্রধান শিক্ষক ০১৮১৮৩৩৩৭৮৭
মাদ্রাসা অফিস ০১৮৭৪৯৯৯৭২৯

আপনার আদরের সন্তানকে আমাদের মাদরাসায় ভর্তি করুন।📚
উভয় জাহানের কামিয়াবি হাসিল করুন।🤲

29/04/2022

আজ তালিবুল ইলমদের ঈদের ছুটি হয়েছে।

ঈদুল ফিতরের পর ছয়দিন ছুটি, ১০ মে মঙ্গলবার মাদ্রাসা খোলা।

অভিভাবকগণ নির্দিষ্ট তারিখে শিক্ষার্থীদের মাদ্রাসায় পৌছে দিবেন।

সকল অভিভাবক ও শিক্ষার্থী সহ মুসলিম উম্মাহর ঈদের উৎসব আনন্দময় হোক এটাই কাম্য!

25/04/2022

তালীমুল কুরআন হিফজ মাদ্রাসার ছাত্র সালমান ফারসি তিলাওয়াত করছেন, মজলিশপুর ঈদগাহ, ইফতার মাহফিল,সততা সংঘ।

24/04/2022

সন্মানিত মুসলিম উম্মাহ,অভিভাবকৃন্দ ও সোনাগাজী মজলিশ পুর এলাকাবাসীর অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে,আপনাদের প্রিয় প্রতিষ্ঠান তালীমুল কুরআন হিফজ মাদ্রাসার হিফজ পড়ুয়া লিল্লাহ বোডিং ও এতিমখানার জন্য আমরা বরকতময় ৩১৩ জন বদরী সদস্য নিচ্ছি,প্রতিজন সদস্যকে মাহে রমজানে মাত্র এক হাজার টাকা দান করতে হবে।

★যার সাওয়াব আসে ৭০ লাখ,সুবহানাল্লাহ। আপনার নিয়্যাহ্ অনুযায়ী আল্লাহ চাইলে আরো বাড়িয়ে দিবেন।

★আগ্রহীগণ দ্রুত মাদ্রাসা এসে আজীবন দাতা সদস্যের ফরম পূরন করার জন্য সবিনয়ে অনুরোধ জানাচ্ছি ।

★ইতিমধ্যে যারা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন আলহামদুলিল্লাহ অনেকেই দিয়ে ফেলেছেন,
যারা দেননি মাহে রমজানের মধ্যে মাদ্রাসা পৌছিয়ে দিন। অথবা নিচের নম্বরে পার্সোনাল বিকাশ যোগে পাঠিয়ে দিন।

★প্রবাসী বা দূরের কেহ সদস্য হতে চাইলে মাদ্রাসা প্রধানের নম্বরে যোগাযোগ করে অনলাইন সদস্য ফরম পূরণ করুন। বিকাশ ☎️০১৮১৮-৩৩৩৭৮৭

★কুরআনের পাখিদের জন্য বদরি সদস্যদের সম্মানার্থে মাহে রমজানে মাত্র একহাজার টাকা আল্লাহর রাস্তায় দান করুন। আল্লাহ আপনার সকল মুসীবত দূর করবেন ইনশাআল্লাহ।

#বদরে অংশগ্রহণকারী সাহাবিদের অনন্য মর্যাদা

ইসলামের ইতিহাসে প্রথম যুদ্ধ বদর, যা নানাভাবে ইসলাম ও মুসলমানদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এই যুদ্ধের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা প্রথম সত্য-মিথ্যার বিভাজন স্পষ্ট করেছিলেন। ইসলামকে সম্মানিত ও কুফরি শক্তিকে অপদস্থ করেছিলেন। ইসলামের প্রধান শত্রুদেরও আল্লাহ বিনাশ করেছিলেন বদরের প্রান্তে। মানব ইতিহাসের নজিরবিহীন এই ঘটনাকে বলা হয় মুসলিম উম্মাহর সাফল্যের প্রবেশপথ, যা যুগ যুগ ধরে এই জাতিকে সত্যের পথে সংগ্রামের অনুপ্রেরণা জুগিয়ে আসছে।

কিন্তু বিজয় নিশ্চিত হওয়ার আগ পর্যন্ত বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণ মৃত্যু ও ধ্বংসের মুখে নিজেকে ঠেলে দেওয়া। কেননা এই যুদ্ধ ছিল দুটি অসম প্রতিপক্ষের লড়াই। একদিকে ছিল আধুনিক অস্ত্র ও বাহনে সমৃদ্ধ সহস্র সৈনিকের কুরাইশ বাহিনী, অন্যদিকে ছিল সামান্য অস্ত্র ও রিক্তহস্ত মুসলিম বাহিনী। পৃথিবীর সব পরিসংখ্যানে এই যুদ্ধে মুসলিম বাহিনীর পরাজয় ছিল অবধারিত। কিন্তু আল্লাহ মুসলিম বাহিনীকে বিজয়ী করেছিলেন এবং ইসলাম ও মুসলমানদের অস্তিত্ব রক্ষায় যারা নিজেদের নিশ্চিত পরাজয় ও মৃত্যুর মুখে সমর্পণ করেছিল আল্লাহ তাআলা তাদের দুনিয়া ও আখিরাতে সম্মানিত করেন।

পবিত্র কোরআনের একাধিক আয়াত দ্বারা বদর যুদ্ধের এবং অসংখ্য হাদিস দ্বারা বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণকারীদের মর্যাদা প্রমাণিত। হজরত রাফায়া ইবনে রাফে তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। জিবরাঈল (আ.) নবী (সা.)-এর কাছে এসে জিজ্ঞেস করেন, আপনারা বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণকারীদের কিভাবে মূল্যায়ন করেন? রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, সর্বোত্তম মুসলিম হিসেবে অথবা অনুরূপ কিছু। হজরত জিবরাঈল (আ.) বলেন, অনুরূপ ফেরেশতাদের মধ্যেও যারা বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিল। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৩৭৭১)

আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, অপর হাদিসে রাসুলে আকরাম (সা.) বদর যুদ্ধে শহীদ একজন সাহাবিকে জান্নাতের সুসংবাদ দান করেন।
আবু হুরায়রা (রা.) হাদিসে মহানবী (সা.) বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণকারীদের ক্ষমার সুসংবাদ দান করেছেন। ইরশাদ হয়েছে, ‘নিশ্চয় আল্লাহ তাআলা বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণকারীদের ব্যাপারে অবগত আছেন। তিনি বলেছেন, ‘তোমাদের যা ইচ্ছা করো। আমি তোমাদের ক্ষমা করে দিয়েছি। ’ হাফেজ ইবনে হাজার আসকালানি (রহ.) বলেন, ‘এমন মহান সুসংবাদ বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী ছাড়া আর কেউ পায়নি। ’ (ফাতহুল বারি, খণ্ড-৭, পৃষ্ঠা ৩০৫)

একইভাবে রাসুলুল্লাহ (সা.) বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণকারীদের জাহান্নাম থেকে মুক্তির সুসংবাদ দিয়েছেন। জাবের (রা.) বর্ণিত, হাতেব (রা.)-এর একজন দাস রাসুল (সা.)-এর কাছে এসে তার বিরুদ্ধে নালিশ করল এবং সে বলল, হে আল্লাহর রাসুল (সা.), নিশ্চয় হাতেব জাহান্নামে যাবে। রাসুল (সা.) বলেন, ‘তুমি মিথ্যা বলেছ। সে জাহান্নামে যাবে না। কেননা সে বদর ও হুদাইবিয়ায় অংশগ্রহণ করেছিল। ’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ২৪৯৫)

বদর যুদ্ধের অংশগ্রহণকারীদের এই অপরিমেয় সম্মান ও মর্যাদার কারণ ব্যাখ্যা করে আল্লামা ইবনে কাসির (রহ.) বলেন, এটা নিছক কোনো যুদ্ধ ছিল না। এটা ছিল ইসলাম ও মুসলমানদের অস্তিত্বের প্রশ্ন। এর প্রকৃত রূপ ছিল অকল্পনীয় রকম কঠিন এবং প্রভাব ছিল সুদূরপ্রসারী। এ জন্য শরিয়ত প্রণেতা [রাসুলুল্লাহ (সা.)] তাদের মর্যাদাপূর্ণ জান্নাত ফেরদাউসের উচ্চ স্তর লাভের ঘোষণা দিয়েছেন। (আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া, খণ্ড-৫, পৃষ্ঠা ২৫৮)

★এই দ্বীনি প্রতিষ্ঠানটি গরীবের আশ্রয়স্থল মজলিশপুর সমাজ উন্নয়ন ফাউন্ডেশন এর তত্বাবধানে পরিচালিত।

20/04/2022

Notice -২০/০৪/২০২২

আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ,

তালীমুল কুরআন হিফজ মাদ্রাসার সকল অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের জানানো যাচ্ছে যে আগামী ২৩/৪/২২ ইং রোজ শনিবার হতে নুরানি ও হিফজ শাখার প্রথম সাময়িক পরিক্ষা আরম্ভ হবে এবং ২৮/০৪/২২ ইং রোজ বৃহস্পতিবার পরীক্ষা শেষ হবে।

অতএব, সকল শিক্ষার্থী আগামী ২১/৪/২২ ইং রোজ বৃহস্পতিবারের মধ্যে যাবতীয় বকেয়া ও পরিক্ষার ফি পরিশোধ করে প্রবেশ পত্র সংগ্রহ করার জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ করা হল।

★ প্রতিদিন সকাল ১০:০০ টায় পরিক্ষা আরম্ভ হবে,

আদেশক্রমে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ
প্রধান শিক্ষক
তালীমুল কুরআন হিফজ মাদ্রাসা
মোবাইল নং ০১৮১৮৩৩৩৭৮৭

(নুরানি শাখার ফোন নং ০১৮৭৪৯৯৯৭২৯
শিক্ষার্থীদের সাথে আলাপনে বাদে আসর কল করুন )

নোট:
সন্মানিত অভিভাবকবৃন্দ!
অনাবাসিক শিক্ষার্থীদেরকে পরিক্ষার রুটিন অনুযায়ী বিষয়ভিত্তিক দৈনিক পরিক্ষার প্রস্তুতি নেয়ার জন্য অনুরোধ করা হল।

Photos from তালীমুল কুরআন হিফজ মাদ্রাসা's post 16/04/2022

আমাদের মজলিশপুর ঈদগাহ মাঠে
সততা সংঘ কর্তৃক আয়োজিত আজকের ইফতার মাহফিলের খন্ড চিত্র। [ ১৬/৪/২২ ]

তালীমুল কুরআন হিফজ মাদ্রাসার পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক মোবারকবাদ ও অভিনন্দন।

মহান রব! আমাদের সবাইকে দ্বীনের জন্য কবুল করুন। আমিন।

Photos from তালীমুল কুরআন হিফজ মাদ্রাসা's post 07/04/2022

হিফজ সবক অনুষ্ঠান,ইফতার ও দোয়া মাহফিল

আলহামদুলিল্লাহ,৪ই রমাদান,৬ই এপ্রিল বুধবার, নুযূলে কুরআনের মাসে ৩ জন ছাত্র ভাই নাযেরা থেকে হিফজ সবক নিয়েছেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যারা:-
★বিশিষ্ট শিল্পপতি ও সমাজ সেবক এবং তালীমুল কুরআন হিফজ মাদ্রাসার দাতা সদস্য ও কমিটি
জনাব হাজী ওমর ফারুক সাহেব ওনার ছোটভাই কাজী নজরুল ইসলাম।

★ মাদ্রাসার সকল সন্মানিত শিক্ষকবৃন্দ ও ইলম পিপাসু তালিবুল ইলম ভাইয়েরা।

সবক প্রদান করেন:-
★অত্র মাদ্রাসার প্রধান, মাওলানা শহিদুল ইসলাম।

দোয়া পরিচালনা করেন:-
★সহকারী শিক্ষক, মাওলানা আনওয়ার সাহেব।

ইফতারের ইন্তিজাম করেন,
★ জনাব ওমর ফারুক সাহেব, (ওনার পিতা মরহুম আলী আহমদ সাহেবের মাগফিরাতের জন্য)

আয়ে রব! ছাত্র ভাইদেরকে হাফেজে কুরআন ও আলেমে রাব্বানী হিসাবে কবূল কর এবং মাদ্রাসার সংশ্লিষ্ট সবাইকে মাপ করে দাও। আমিন।

04/04/2022

ফজরের আজান পর্যন্ত সাহরি খেলে রোজা হবে না।
তাই সাহরির শেষ সময় খাওয়া বন্ধ করতে হবে।
সাহরীর শেষ সময় নির্ধারিত।
আজান ফজরের নামাজের জন্য।

Photos from তালীমুল কুরআন হিফজ মাদ্রাসা's post 03/04/2022

আনন্দময় ইবাদত-ইফতার।

ইফতার অর্থ উপবাস ভঞ্জন। রোজাদার সূর্যাস্তের পর যে পানাহারের মাধ্যমে রোজা ভঙ্গ করেন, তাকে ইফতার বলে। রমজানের অন্যতম সুন্নত হলো ইফতার। ইফতারের সময় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইফতার করা উত্তম। ইফতারের কিছুক্ষণ আগে ইফতার সামনে নিয়ে অপেক্ষা করা এবং যথাসময়ে ইফতার করা সুন্নত। এ ছাড়া ইফতার সামনে নিয়ে যে দোয়া করা হয়, সেই দোয়া আল্লাহর মহান দরবারে গুরুত্বের সঙ্গে কবুল হয় বলে হাদিস শরিফে উল্লেখ রয়েছে।

ইফতারের সুন্নত
খেজুর বা খুরমা দিয়ে ইফতার করা সর্বাপেক্ষা উত্তম; যদি তা সম্ভব না হয় তাহলে যেকোনো মিষ্টিজাতীয় বস্তু দিয়ে ইফতার করা ভালো। আর যদি এটাও সম্ভব না হয় তাহলে যেকোনো হালাল খাদ্য দিয়ে, এমনকি শুধু পানি দিয়েও ইফতার করা যায়।

রাসুলে করিম (সা.) এরশাদ করেছেন, তোমরা যখন ইফতার করো, তখন খুরমা বা খেজুর দিয়ে ইফতার করো, কেননা খুরমা বা খেজুরের মধ্যে বরকত রয়েছে, আর যদি খুরমা বা খেজুর পাওয়া না যায়, তাহলে পানি দিয়ে ইফতার করা ভালো, কেননা পানি পবিত্রকারী। হাদিসে পানিমিশ্রিত দুধ দিয়ে ইফতার করার হুকুমও বর্ণিত রয়েছে। মাগরিবের নামাজ আদায়ের আগে ইফতার করা মুস্তাহাব বা উত্তম।

রোজাদারকে ইফতার করানোর ফজিলত
হজরত সালমান ফারসি (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোনো রোজাদারকে ইফতার করাবে, তার গুনাহ মাফ হয়ে যাবে, সে জাহান্নাম থেকে মুক্তি লাভ করবে, ওই রোজাদারের সওয়াবের সমপরিমাণ সওয়াব সে লাভ করবে। তবে ওই রোজাদারের সওয়াবে কোনো কম করা হবে না।

সাহাবায়ে কেরাম এ কথা শুনে বললেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ! আমাদের অনেকেরই রোজাদারকে ইফতার করানোর সামর্থ্য নেই। রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, পানিমিশ্রিত এক কাপ দুধ বা একটি শুকনো খেজুর অথবা এক ঢোক পানি দিয়েও যদি কেউ কোনো রোজাদারকে ইফতার করায়, তাতেও আল্লাহ তাকে সেই পরিমাণ সওয়াব দান করবেন। আর যে ব্যক্তি কোনো রোজাদারকে তৃপ্তিসহকারে আহার করাবে, আল্লাহ তাআলা তাকে আমার হাউসে কাউসার থেকে এমন পানীয় পান করাবেন, যার ফলে সে জান্নাতে প্রবেশ করার আগ পর্যন্ত তৃষ্ণার্ত হবে না।
সুবহানাল্লাহ 👌

29/03/2022

Notice
সকল শিক্ষক,শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি!
আপনাদের প্রিয় প্রতিষ্ঠান তালীমুল কুরআন হিফজ মাদ্রাসা
১ লা এপ্রিল জুমাবার আবাসিক খোলা হবে
২ এ এপ্রিল শনিবার অনাবাসিক খোলা হবে ইনশাআল্লাহ

বিঃদ্রঃ
মাহে রমজানে জেনারেল ক্লাস সকাল ৯ টা থেকে আরম্ভ হয়ে দুপুর ১২:৩০ পর্যন্ত চলবে।

সকল বিভাগে ভর্তি চলছে 📚

23/02/2022

আলহামদুলিল্লাহ,আজ তালীমুল কুরআন হিফজ মাদ্রাসার
এতিম ছাত্র, মোঃ আব্দুল্লাহ হিফজ সমাপন করেছেন। সবাই তার জন্য দোয়া করবেন।২৩/২/২২

21/02/2022

১৯৫২ এর ভাষা আন্দোলনে সকল শহীদদের প্রতি তালীমুল কুরআন হিফজ মাদ্রাসার পক্ষ থেকে গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি।

আমার ভায়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারী,
একুশে ফেব্রুয়ারী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।

সালাম সালাম হাজার সালাম সকল শহীদ স্মরণে, আমার হৃদয় রেখে যেতে চাই তাদের স্মৃতির চরণে।

মায়ের ভাষায় কথা বলাতে স্বাধীন আশায় পথ চলাতে হাসিমুখে যারা দিয়ে গেল প্রাণ সেই স্মৃতি নিয়ে গেয়ে যাই গান তাদের বিজয় মরণে, আমার হৃদয় রেখে যেতে চাই তাদের স্মৃতির চরণে।

ভাইয়ের বুকের রক্তে আজিকে রক্ত মশাল জ্বলে দিকে দিকে সংগ্রামী আজ মহাজনতা কন্ঠে তাদের নব বারতা শহীদ ভাইয়ের স্মরণে, আমার হৃদয় রেখে যেতে চাই তাদের স্মৃতির চরণে।

বাংলাদেশের লাখো বাঙালি জয়ের নেশায় আনে ফুলের ডালি আলোর দেয়ালি ঘরে ঘরে জ্বালি ঘুচিয়ে মনের আঁধার কালি। শহীদ স্মৃতি বরণে, আমার হৃদয় রেখে যেতে চাই তাদের স্মৃতির চরণে।

ভাষা আন্দোলনের সকল শহীদদের প্রতি আল্লাহ রহম করুন আমিন🤲

Photos from তালীমুল কুরআন হিফজ মাদ্রাসা's post 06/02/2022

৫/২/২২ ইং রোজ শনিবার দুপুর ১২ ঘটিকায়
পুরস্কার গ্রহণ করেন বিজয়ী ছাত্র-ছাত্রীরা🌹

শিক্ষাবর্ষ ২১ এর বার্ষিক পরিক্ষায় শিশু শ্রেণি থেকে ক্লাস ভিত্তিক
রোল ১,২,৩ এর শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করা হয় অনুষ্ঠানে।📚

মজলিশপুর সমাজ উন্নয়ন ফাউন্ডেশন কর্তৃক তত্বাবধানে পরিচালিত এই প্রতিষ্ঠান।

সবাইকে ধন্যবাদ, যারা অনুষ্ঠানে সহযোগিতা করেছেন। 🌹

বিঃদ্রঃ
তালীমুল কুরআন হিফজ মাদ্রাসায় সকল বিভাগে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি চলছে...

05/02/2022

৫/২/২২ মাসিক সেমিনার ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে
তালীমুল কুরআন হিফজ মাদ্রাসা নিয়ে একটি ইসলামী সংগীত পরিবেশন করেন, হিফজ ছাত্র মোহাম্মদ আরমান 🎤

04/02/2022

আগামীকাল ৫/২/২২ রোজ শনিবার দুপুর ১২ থেকে তালীমুল কুরআন হিফজ মাদ্রাসার
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। ইনশাআল্লাহ

পুরস্কার গ্রহন করবেন বার্ষিক পরিক্ষা ২১ ইং এর ক্লাস ভিত্তিক
রোল ১. ২ .৩ .এর শিক্ষার্থীরা।

উক্ত অনুষ্ঠানে সকল অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের উপস্থিত থাকার
জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা গেলো।

দোয়ার মুহতাজে
-প্রধান শিক্ষক-
তালীমুল কোরআন হিফজ মাদ্রাসা
মজলিশ পুর ঈদগাহ তাকিয়া বাজার সোনাগাজী ফেনী।

ভর্তি চলছে ভর্তি চলছে

Want your school to be the top-listed School/college in Sonagazi?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Videos (show all)

ছাত্ররা জানাযার নামাজের ট্রেনিং নিচ্ছেন,শিক্ষক ক্বারী আবু রায়হান ট্রেনিং দিচ্ছেন।.হে আল্লাহ!মুআল্লিম ও মুতাআল্লিমদের কবু...
হিফজ ছাত্র নজরুলের হৃদয়গ্রাহী তিলাওয়াত শুনুন! আমাদের মাদ্রাসা থেকে নুরানি-নাজেরা শেষে বর্তমানে হিফজ ৮ পারা চলছে! •আপনার...
কলেজে পড়ুয়া রাকিবের ১৮ পারা হিফজ চলছে।সবাই তার কামিয়াবি এবং মাদ্রাসার মকবুলিয়্যাতের জন্য দোয়া করবেন।📓কুরআনের নুরে আলোকিত...
আলহামদুলিল্লাহ স্কুল পড়ুয়া শিক্ষার্থী শহিদুল ইসলাম এর ৩নং পারা হিফজ চলছে।সবাই তারজন্য এবং মাদ্রাসার মকবুলিয়্যাতের জন্য ...
খতমি ছাত্র মোঃ জাকারিয়া,হিফজ কম্পিলিট শেষে কুরআনে পাক শুনানি চলছে,সবাই তারজন্য ও মাদ্রাসার জন্য দোয়া করবেন।
•ছাত্র সালমান ফারসির মনকাড়া তিলাওয়াত,•কুরআনের নূরে আলোকিত হোক দিগদিগন্ত,•মাদ্রাসার সংশ্লিষ্ট সবাইকে কবুল করুন-আমিন।
তালীমুল কুরআন হিফজ মাদ্রাসার ছাত্র মোঃ সাব্বির,হিফজ কম্পিলিট ২পারা,সকলের নিকট দোয়া প্রার্থী রব,যেন সংশ্লিষ্ট সবাইকে কবুল...
তালীমুল কুরআন হিফজ মাদ্রাসার ছাত্র সালমান ফারসি তিলাওয়াত করছেন, মজলিশপুর ঈদগাহ, ইফতার মাহফিল,সততা সংঘ।
আলহামদুলিল্লাহ,আজ তালীমুল কুরআন হিফজ মাদ্রাসারএতিম ছাত্র, মোঃ আব্দুল্লাহ হিফজ সমাপন করেছেন। সবাই তার জন্য দোয়া করবেন।২৩/...
৫/২/২২  মাসিক সেমিনার ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানেতালীমুল কুরআন হিফজ মাদ্রাসা নিয়ে একটি ইসলামী সংগীত পরিবেশন করেন, হিফজ ছ...
১৩/১/২২হিফজ সমাপন শেষে আজ বিদায় নিয়েছেন । অত্র প্রতিষ্ঠানের প্রবীন ছাত্র হাফেজ আবু রায়হান।২০১৯ সাল থেকে আমাদের মাদরাসায় ...
আলহামদুলিল্লাহ, তালীমুল কুরআন হিফজ মাদ্রাসার ছাত্র  হাফেজ আবু রায়হান। আল্লাহ দ্বীনের দাঈ বানাও, এবং প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ...

Location

Category

Telephone

Website

Address

Sonagazi
Other Education in Sonagazi (show all)
Gunak Olipur Dakhil Online Madrasah Gunak Olipur Dakhil Online Madrasah
Bogadana Union
Sonagazi, KUTHIRHAT,

দাখিল ১ম শ্রেনী থেকে দাখিল দশম শ্রেনী পর্যন্ত অনলাইন ভিত্তিক শ্রেনী কার্যক্রম পরিচালনা করা।

Safarpur Islamia Dakhil Madrasah Safarpur Islamia Dakhil Madrasah
Chattogram, Feni, Sonagazi 3930
Sonagazi

যেকোন স্থান থেকে ফেনী হয়ে সোনাগাজী ডাকবাংলার পূর্বদিকে সফরপুর, স্বরাজপুর, তুলাতুলি সংলগ্ন,

Hikmatul Quran Madrasha Hikmatul Quran Madrasha
Muntasir House
Sonagazi

Kuthirhat Dakhil Madrasah,Bishnupur,Sonagazi,Feni. Kuthirhat Dakhil Madrasah,Bishnupur,Sonagazi,Feni.
Sonagazi

To comunicate all of the members related the madrasah.