Rajshahi Medical College

Rajshahi Medical College

Comments

I need a job plz help me
Ai vaia k kau chinle aktu bolben plz
Rajshahi medical a gynocologist k k achen? Ami treatment korte cacchilam, keu ki rajshahi medical er gynocologist der nam gulo bolte parben? Ogrim thanks
😎☀️Summer Offer☀️😎 at Cox Vacation Hotel, Cox's Bazar 🏖. Check out our summer deal at Cox Vacation Hotel. Call us today to make your reservation. Hurry, offer will end soon.

Call 01877 821 577 or 01877 721 583 to make your reservation.
Thanks amarsoto s ngsar
অত্যন্ত ভগ্ন হৃদয়ে শোকাহত আমরা তোমাকে হারিয়ে বন্ধু রাচিম-২২ এর ডা লতিফ , পরিচালক -অলটারনেটিভ মেডিসিন, স্বাস্হ্য অধিদপ্তর। ঘাতক ব্যধি করোনা তোমারে নিয়ে গেল আমাদের মাঝ হতে। আর কখনও তোমার হাসি মুখ পাবোনা দেখতে, কেউ আবদার করবেনা হাসাতে বলতে। তোমার চলে যাওয়া অনেকটা অভিমান করেও চলে গেলে। করোনা নিয়ন্ত্রনে অবাধ দুর্নীতি ও ব্যর্থতা ও শিষ্ঠাচার না মানার কারনে আরও বিধ্বংসী অবস্হা দেখার আগে তুমি চলে গেলে। আমরাও আসবো হয়ত নিকট ভবিষ্যতে তোমাদের সনে। (ইন্না লিল্লাহ ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজেউন)। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তোমাকে দান করুন জাননাতুল ফেরদৌস।
একটি পোস্ট শেয়ার করছি৷

আশির দশকের শেষ আর নব্বইয়ের দশকের শুরুর দিকের কথা। খুলনা শহরে এক ভদ্র মহিলার প্রসব বেদনা ওঠে মাঝরাতে। তার স্বামী ঐ রাতে আশপাশের সব ক্লিনিক ঘুরেও কোন চিকিৎসক, নার্স কিংবা আয়াকে বাসায় আনতে রাজি করাতে পারেননি। শেষে রোগা পটকা এক চিকিৎসক এসেছিলেন সাথে একজন নার্স আর একজন ওয়ার্ড বয়কে নিয়ে। এসে দেখেন ততক্ষণে সন্তান ভূমিষ্ট হয়ে গেছে। পরবর্তী কাজকর্ম সেরে এক পয়সাও না নিয়ে ভদ্রলোক চলে গেলেন।

সেই সন্তানটি আমি। আর ঐ রোগা পটকা চিকিৎসক হলেন সদ্য প্রয়াত ডা.আব্দুর রকিব খান স্যার। আমার বাবা গতদিন খুব কষ্ট নিয়ে কথা গুলো বলছিলেন। এমন একটা মানুষের এভাবে চলে যাওয়াটা বড়ই অন্যায়। স্যার, আপনি সার্থক মানব সেবক হিসেবে, আপনি সার্থক চিকিৎসক হিসেবে সর্বোপরি সার্থক মানুষ হিসেবে। আপনার একদিনের উপস্থিতি আমার বাবা, আমি আমার পরিবার আমৃত্যু স্মরণ করবে।

ডা. শুভ্র সাহা
ম -৪৬
ডা. বি কে দম স্যার রাজশাহী কোথায় বসে বড় ভাইয়ারা একটু বলেন না পিল্জ...
KY vi

This is the only official facebook fan page of Rajshahi Medical College.

14/11/2019

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এখন থেকে প্রাপ্যতা সাপেক্ষে ২৪ ঘন্টা জলাতঙ্ক রোগের ভ্যাক্সিন (ইমার্জেন্সি রোগীর ক্ষেত্রে) দেয়া হবে।
সারা বিশ্বে প্রতিবছর ৫৫ হাজার মানুষ জলাতঙ্ক রোগে মারা যায়। আর বাংলাদেশে প্রতিবছর মারা যায় দুই হাজারেরও বেশি মানুষ। সরকারি তথ্য মতে, প্রতি বছর দেশে তিন থেকে চার লাখ মানুষ কুকুরের কামড়ের শিকার হন।
২০২২ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে জলাতঙ্কমুক্ত করতে ২০১০ সাল থেকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংক্রামক ব্যাধি শাখার (সিডিসি) উদ্যোগে প্রাণী সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় জাতীয় জলাতঙ্ক নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি চলমান রয়েছে। যা ২০১৭ সালে জাতীয় জলাতঙ্ক নির্মূল কর্মসূচিতে উন্নীত করা হয়।
জাতীয় জলাতঙ্ক নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় ২০১১ সাল থেকে জাতীয় পর্যায়ে একটি এবং প্রতিটি জেলা পর্যায়ে একটিসহ ৬৭টি জলাতঙ্ক নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল কেন্দ্র চালু করা হয়। এসব কেন্দ্র থেকে কুকুরের কামড়ের আধুনিক ব্যবস্থাপনা এবং টিকা বিনামূল্যে সরবরাহ করা হচ্ছে। প্রশিক্ষিত চিকিৎসক ও নার্সসহ অন্যান্য জনবলের মাধ্যমে এ কার্যক্রম চলছে।

এরই ধারাবাহিকতায় আজ থেকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সপ্তাহে ৭ দিন ২৪ ঘন্টা জরুরী রোগীদের প্রাপ্যতা সাপেক্ষে জলাতঙ্কের ভ্যাক্সিন দেযা হবে। ইতিপূর্বে শুধু অফিস আওয়ারে অর্থাৎ দুপুর দুইটা পর্যন্ত ভ্যাক্সিন সরবারহের নিয়ম কার্যকর ছিল। জলাতঙ্ক রোগের ভয়াবহতা এবং দূর থেকে আসা রোগীদের অসুবিধার কথা বিবেচনা করে আজ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিচালক ডা. জামিল রহমান স্যারের উদ্যোগে এক মিটিংয়ে জনস্বার্থে এই নতুন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

Photos from Rajshahi Medical College's post 04/11/2019

স্বাধীনতার পর হতে বাংলাদেশ স্বাস্থ্য সেবার উপর প্রভূত কাজ করেছে। সরকার সকল জনগণ বিশেষ করে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর মৌলিক স্বাস্থ্য সুবিধাসমূহ নিশ্চিত করার লক্ষে স্বাস্থ্য নীতি প্রণয়নে কাজ করে যাচ্ছে।স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও প্রজনন স্বাস্থ্যসহ পরিবার পরিকল্পনার বর্তমান অবস্থা বিশেষ করে নারী, শিশু ও প্রবীণদের অর্থনৈতিক মুক্তি এবং শারীরিক, সামাজিক, মানসিক ও আত্মিক সুস্থতার ক্ষেত্রে টেকসই উৎকর্ষ সাধনের লক্ষ্যে স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও জনসংখ্যা খাত (এইচএনপি) সেক্টরের মূল লক্ষ্য। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয়ের অধীনে জাতীয় স্বাস্থ্য নীতি, জাতীয় খাদ্য ও পুষ্টি নীতি এবং জাতীয় জনসংখ্যা নীতি বাস্তবায়িত হচ্ছে।

এরই ধারাবাহিকতায় মাতৃস্বাস্থ্যে বিশেষ অবদানস্বরূপ বাংলাদেশের ৩ টি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে বিশেষ সম্মাননা দেয়া হয়েছে।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এই গৌরবময় পুরষ্কার অর্জন করায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সকল চিকিৎসক, সেবিকা, কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে জানাই শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

Photos from Rajshahi Medical College's post 29/10/2019

অত্যাধুনিক জীবন রক্ষাকারী সরঞ্জামসমৃদ্ধ নতুন কার্ডিয়াক এম্বুলেন্স পেল রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।

ডাইরেক্টর জেনারেল অফ হেলথ সার্ভিস আয়োজিত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মাননীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রীর কাছ থেকে হাসপাতালের পক্ষে এই এম্বুলেন্স গ্রহণ করেন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সুযোগ্য পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জামিলুর রহমান।

এরমাধ্যমে সমৃদ্ধ হবে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সেবা।

27/06/2019
জাসিয়ার জন্য 20/05/2019

জাসিয়ার জন্য

জাসিয়ার জন্য...

*************
সাহায্য পাঠানোর ঠিকানাঃ
একাউন্টের নামঃ মোঃ শাহ্ আলম ভূঁইয়া (জাসিয়ার বাবা)
একাউন্ট নাম্বারঃ ১৪১৭৫০১০০৬০৩৩
সোনালী ব্যাংক, নিউ মার্কেট ব্রাহ্মণবাড়িয়া ব্রাঞ্চ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
অথবা
একাউন্টের নামঃ মোঃ শাহ্‌ আলম ভূঁইয়া
একাউন্ট নাম্বারঃ ৬০৪৩৪০০০৬৩১
ব্যাংক এশিয়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
অথবা
বিকাশ করতে পারেন-০১৯১৪-৫৩১৮১৮(জাসিয়ার মা), ০১৭১৬-৮৭৪৩৮১ (জাসিয়ার বাবা)
রকেট একাউন্টঃ ০১৭১৬-৮৭৪৩৮১৪ (জাসিয়ার বাবা)

জাসিয়ার জন্য

18/05/2019

আমি কখনো ভাবিনি এ লেখাটা আমাকেই লিখতে হবে। এটা সত্যি যে আমার দুঃখের গল্প লিখতে ভালো লাগে। কিন্তু এ লেখাটা লিখতে মোটেও ভালো লাগছে না। একদমই না। আমি ব্যাকুল হয়ে বারবার চাইছি আমার প্রতিটা গল্পের মতো এ লেখাটিও অসত্য হয়। কিবোর্ডের উপর আমার কাঁপতে থাকা আঙুলগুলো মিথ্যা হোক। মিথ্যা হোক। মিথ্যা হোক। আমার গল্পের চরিত্রগুলোর মতো জাসিয়ার গল্পটাও হোক মিথ্যা। কাল্পনিক।
জাসিয়া আমার ছোটবোন। জাসিয়া তোমার বন্ধু। জাসিয়া আমাদের মেয়ে। প্রিয়জন। জাসিয়াকে আপনারা চিনবেন। তাকে তোমরা তুমি বলে ডাকো। তোরা বলিস তুই। আর আপনারা তাকে আপনি বলে সম্বোধন করেন। জাসিয়াকে না দেখলেও আপনারা চিনবেন। খুব ভালো করে চিনবেন। মুখচ্ছবি না হোক, আমি জানি তার ভেতরের শ্বাশত সুন্দর মানুষটাকে আপনারা চিনতে ভুল করবেন না কখনোই। জাসিয়া সন্ধানী, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ শাখার দপ্তর সম্পাদক। ২০১৬-১৭ সেশনে, ডাক্তার হওয়ার তীব্র বাসনা নিয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজের ৫৮তম এমিবিএস ব্যাচে ভর্তি হয়। মানুষের জন্য কাজ করার এ মহিমান্বিত রানওয়েতে অন্যদের চেয়ে সে আগেভাগেই পা ফেলে। যোগদান করে সন্ধানীতে। দিনে দিনে সন্ধানী হয়ে ওঠে তার দ্বিতীয় পরিবার। ক্লাসের ফাঁকে ফাঁকে টুকটুক করে মেয়েটা অফিসে কাজ করে। খাতাগুলো জড়ো করে রাখে। ফ্রিজে অগোছালো ব্লাড ব্যাগগুলো গুছিয়ে রাখে। খাতার নাম্বার মেলায়। ভ্যাক্সিনের হিসাব করে। বোর্ডে পিন দিয়ে আটকায় নতুন ছবি। ব্লাড ডোনেশনের ক্যাম্পেইনের প্রস্তুতি নেয়। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আলপনা আঁকে। কর্কশীট দিয়ে বানায় শত শত রক্তবিন্দু। পরম মমতায় নিভৃতে কাজ করে যায় জাসিয়া।
জাসিয়ার কাছে আপনারা একদিন এসেছিলেন, মনে আছে? সে কিন্তু আপনাদের ঠিকই মনে রেখেছে। মনে রেখেছে আপনাদের মুখ নয়, ভেতরের মানুষটাকে। সে খুব ভালোভাবে বুঝেছে মানুষের বেঁচে থাকার তীব্র বাসনা। তাকে আপনারা ব্লাডের জন্য ছুটতে দেখেছেন। অসহায় মানুষের জন্য তার মুখ দুশ্চিন্তায় চুপসে যেতে দেখেছেন। কিন্তু কেউ কি লক্ষ্য করেছেন, অমন হাসি খুশি কাজে-কর্মে মুখরিত মেয়েটার জীবনে আঁধার ঘনিয়ে আসতে চেয়েছে। নিতান্ত অগোচরে।
২০১৮ সালের নভেম্বরে অত্যন্ত অনাড়ম্ভরভাবে জাসিয়ার একটা ভয়ংকর রোগ ধরা পড়ে। রাজশাহী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডাঃ মোঃ নওশাদ আলী স্যার নিজে বায়োপসি নেন। কিছুদিন পর রিপোর্ট আসে। বুঝতে আর কিছু বাঁকি থাকেনা। যে রক্তের জন্য তার আপ্রাণ ছুটে চলা, যে রক্ত মানুষের হাতে হাতে বিলিয়েছে ফুলের মতো, সে রক্তের মধ্যেই সৃষ্টি হয়েছে দানব। দানবের নাম নন-হজকিন্স লিম্ফোমা। হাই গ্রেড। তাঁর এখন মেডিকেল কলেজে প্রফেশনাল পরিক্ষায় অংশ নেয়ার কথা, ওয়ার্ডের রোগীদের রক্ত ম্যানেজ করে দেয়ার কথা, ভ্যাকসিন এর হিসাব রাখার কথা কিন্তু সে পড়ে আছে ঢাকা। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। ডাঃ অখিল রঞ্জন স্যারের তত্ত্বাবধানে হেমাটোলজি বিভাগে তার কেমো চলছে। ইতোমধ্যে ৬টা কেমো হয়েছে। বর্তমান PET CT এর রিপোর্ট অনুযায়ী আরও ৩ টা কেমো দেয়ার পর অটোলোগাস বোন ম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্টেশন করতে হবে। ডাঃ অখিল রঞ্জন স্যারের পক্ষ থেকে এমনটাই জানানো হয়েছে। এই হয়তো শেষ প্রচেষ্টা। এই মুহুর্তে জাসিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে নিতে বিপুল অর্থের প্রয়োজন। বিপুল অর্থের পরিমাণ প্রায় ৩৫ লক্ষ টাকা। সব মিলিয়ে অবস্থা দিন দিন জটিল থেকে জটিলতর হচ্ছে।
অসম্ভব অমায়িক-বিনয়ী-লাজুক প্রকৃতির মেয়েটা প্রথমে কাউকে এ ব্যাপারগুলো জানাতে চায়নি। নিজের সব দুঃখগুলো বুকের মধ্যে পাথর চাপা দিয়ে রাখতে চেয়েছে। ৬টা কেমো পর্যন্ত যে অজস্র টাকা(প্রায় ১৫ লক্ষ) খরচ হয়েছে তার সবটাই করেছেন জাসিয়ার মধ্যবিত্ত বাবা। তিনি পেশায় একজন সরকারী চাকুরীজীবী। দিন দিন তিনি অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছেন। ভদ্রলোকের তিন মেয়ে। সুন্দর একটা ভবিষ্যৎ এর স্বপ্ন দেখেছিলেন তিনি। কিন্তু এ দানবীয় অসুখের জন্য সবকিছু পুড়ে ছারখার হয়ে যাচ্ছে। শেষ হয়ে যাচ্ছে।
সব শেষের আগে শেষ কথা বলে একটা ব্যাপার থাকে। থাকে কিন্তু। আমরা ইচ্ছে করলেই শেষের কবিতার আগেই একটা নতুন জীবনের কবিতা লিখতে পারি, জাসিয়া ও তার পরিবারের পাশে আমরাই দাঁড়াতে পারি। পারি কিন্তু।
আমাদের একটু স্বদিচ্ছা, একটু সাহায্যের হাত বাড়ালেই একটা পরিবার ধ্বংসের হাত থেকে বেঁচে যাবে, সবচাইতে বড় কথা একজন মানুষ ফিরে পাবে প্রাণ যে প্রাণের ভেতরে আজীবন খেলা করেছে উজ্জ্বল স্বপ্ন, আমাদের এক একটা সাহায্যের হাতই এখন রূপকথার সোনার কাঠি রূপোর কাঠি হয়ে ফোটাবে জীবনের আরাধ্য ফুল, ময়ুরের পালকে আবারো লিখবে জীবনের অসমাপ্ত মহাকাব্য। আমাদের এমন একফোঁটা ভালোবাসা পেলেই, হাসপাতালের বদ্ধ ঘর ছেড়ে আবার রাজশাহী মেডিকেল কলেজে ফিরে আসবে জাসিয়া। আমাদের জাসিয়া। আপনাদের জাসিয়া। তোমাদের জাসিয়া। তোদের জাসিয়া। মৃত্যু দুয়ার থেকে ফিরে আবারো সে ডি কে আগরওয়ালা সরণী ধরে হেঁটে যাবে লেকচার ক্লাসে-ওয়ার্ডে-সন্ধানীতে, ডাক্তার হয়ে মানুষের জন্য কাজ করার জন্য চুড়ান্ত প্রস্তুতি গ্রহণ করবে। আপনার আমার আমাদের প্রিয়জনের রক্তের জন্য একদিন এই জেসিয়াই এর ওর দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়াবে, বিশ্বাস করুন।
সাহায্য পাঠানোর ঠিকানাঃ
একাউন্টের নামঃ মোঃ শাহ্ আলম ভূঁইয়া (জাসিয়ার বাবা)
একাউন্ট নাম্বারঃ ১৪১৭৫০১০০৬০৩৩
সোনালী ব্যাংক, নিউ মার্কেট ব্রাহ্মণবাড়িয়া ব্রাঞ্চ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
অথবা
একাউন্টের নামঃ মোঃ শাহ্‌ আলম ভূঁইয়া
একাউন্ট নাম্বারঃ ৬০৪৩৪০০০৬৩১
ব্যাংক এশিয়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
অথবা
বিকাশ করতে পারেন-০১৯১৪-৫৩১৮১৮(জাসিয়ার মা), ০১৭১৬-৮৭৪৩৮১ (জাসিয়ার বাবা)
রকেট একাউন্টঃ ০১৭১৬-৮৭৪৩৮১৪ (জাসিয়ার বাবা)

লেখাঃ
ডাঃ নাহিদ হাসান
ইন্টার্ন চিকিৎসক, সেশনঃ২০১২-২০১৩
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ।

18/12/2018
21/11/2018

প্রসঙ্গ : স্পিড ব্রেকার

মেডিকেল হোস্টেল আর বিলসিমলার মাঝখানে ব্যস্ত মহাসড়ক। কেউ মেডিকেলের এইপাশ থেকে অন্যপাশে যেতে চাইলে অবধারিতভাবে সেই রোড ক্রস করতেই হবে, দূর দুরান্তে কোন ফুট ওভারব্রিজ নেই। এই রাস্তায় আশেপাশে কোন স্পিড ব্রেকার নেই, জেব্রা ক্রসিং নেই। রাতের বেলায় তেমন কোন আলো পর্যন্ত নেই। এই রাস্তায় রিকশা অটো থেকে দূরপাল্লার বাস ট্রাক সব ই প্রবল গতিতে চলাচল করে। ঠিক কতগুলো দুর্ঘটনা এইখানে হয়েছে, বলা বাহুল্য। এই রাস্তায় দুর্ঘটনা হওয়াই স্বাভাবিক। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এর শিকার নারী, রোগির আত্মিয় স্বজন, ফার্স্ট ইয়ারের জুনিওর আর পথশিশুরা। মাঝে অনেক দেন দরবার করে স্পিড ব্রেকার বসানো হলেও মাত্র তিন দিনের মাথায় তা সরিয়ে ফেলা হয়, কার স্বার্থে, তা অজানা। এই ভয়াবহ বিপদ নিয়ে মেডিকেলের অসংখ্য ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক, রোগির আত্মিয় স্বজন এই রাস্তা পার হচ্ছেন প্রতিদিন। মানুষ এখন সচেতন বলেই হয়ত দুর্ঘটনা কম, নয়ত প্রতি ঘন্টায় এখানে পাচটা দুর্ঘটনা হলে অবাক হওয়ার নেই।

এতদিন পর এই বিষয় নিয়ে লেখার কারন, এখন শীত আসছে। খুব দ্রুত কুয়াশায় ঢেকে যাবে শহর। শীতের রাতে প্রায় অন্ধকার স্পিড ব্রেকারহীন মহাসড়ক পার হওয়া কি মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ, তা নিয়ে বলার অবকাশ নেই। এরপর ফার্স্ট ইয়ারের জুনিওররা আসা শুরু করবে অল্পদিন পরেই, যাদের অনেকেই হয়ত ভিক্টিম হবে।

আমি আমার জুনিওর ভাইদের কাছে অনুরোধ করছি এই বিষয়ে কিছু করা যায় কিনা, একটু দেখতে। কাজটা সিটি কর্পোরেশন এর, আমাদের কাজ তাদের বারবার বলে অন্তত একটি স্পিড ব্রেকার আর লাইটের ব্যবস্থা করা। রাজশাহীর সাংবাদিক ভাইদের এই নিয়ে লিখতে অনুরোধ করছি। মেডিকেল স্টুডেন্টদের কথা বাদ দিলেও রোগির আত্মিয়স্বজন, বিলসিমলার মানুষজন আর এপাশে ওপাশে ছুটোছুটি করা বাচ্চাদের কথা চিন্তা করেও নিজ অবস্থান থেকে অন্তত সচেতন হোন আর কর্তৃপক্ষকে সচেতন করুন

© ডক্টর মহসিন অমি
রামেক

30/09/2018

অভিনন্দন সুসান গীতি ম্যাডাম। দেশের প্রথম নারী জেনারেল। উনি একজন RMC স্টুডেন্ট ছিলেন :)

Research Workshop and Introductory Course 05/09/2018

Research Workshop and Introductory Course

আজ ৫তারিখ, সকাল ১০ টাতে কলেজের কনফারেন্স রুমে রিসার্চ মেথডোলজি বিষয়ক একটি সেমিনার আয়োজন করা হয়েছে এতে মূল বক্তব্য দেবেন ডাঃ
Sheikh Mohammad Fazle Akbar স্যার। তিনি
জাপানে Ehime University দীর্ঘদিন
শিক্ষকতা করেছেন এবং বর্তমানে
তোশিবা জেনারেল হাসপাতালে
কর্মরত আছেন। তিনি ন্যাসভ্যাক নামে
হেপাটাইটিস বি ভ্যাক্সিনের
ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল
পরিচালনাকারী একজন সফল
বিজ্ঞানী।
তার বক্তব্যের বিষয়বস্তু নির্ধারিত
হয়েছেঃ How to be a clinical Researcher।
আরো বক্তব্য দেবেন আমাদের সবার
প্রিয় কমিউনিটি মেডিসিন
বিভাগের বিভাগীয় প্রধান
ডাঃজাওয়াদ স্যার। স্যার আমাদের
Research methodology for Biomedical study
নিয়ে বলবেন।
প্রোগ্রামটি অনুষ্ঠিত হবে
প্রিন্সিপাল স্যারের রুমের পাশের
কলেজ সেমিনার রুমে।
আপনারা সবাই আমন্ত্রিত। অবশ্যই http://
bit.ly/re-form01 এ রেজিস্ট্রেশন করবেন,
পরবর্তী যোগাযোগের জন্য এই
রেজিস্ট্রেশন দরকার হবে

Research Workshop and Introductory Course Clinical Research is fundamental to advancing our understanding of human disease to aid in the prevention and treatment of illness and for the promotion of good health. Our newly redesigned Research Workshop and Introductory Course will provide you with the essential skills required to design and ap...

30/06/2018
29/05/2018

একটা আধা শক্ত ময়দার তাল পেছনের দরজায় লাগিয়ে দিতে হয়,
প্রয়োজন বোধে তালের একটা অংশ দরজার ভিতরে ঢুকিয়ে দেয়াটাই উচিত চিকিৎসা,
রাস্তা বন্ধ তো পাতলা পায়খানাও বন্ধ,

তা না, স্যালাইন দিতে গেসে;
বজ্জাত ডাকু ওরফে ডাক্তার...

25/05/2018

আসুন সবাই ১০টা মিনিট রাফার জন্যে অনলাইনে কাজ করি। এই ছবিটা ফ্রেন্ডলিস্টের সবাইকে ইনবক্স করুন দয়া করে। খুব বিজি থাকলে এটলিস্ট ৫০ জনকে পাঠান। সিনিয়র স্যাররা ফ্রেন্ডলিস্টে থাকলে তাদের সবার আগে পাঠান। সম্ভব হলে সাথে কিছু লিখে দেন। সম্ভব না হলে শুধুই ছবি টা দেন। যারা ইনবক্স পাবেন তারা সেটা আরো কমপক্ষে ৫০ জনের কাছে ফরোয়ার্ড করুন।

মেডিকেল কমিউনিটি খুব বেশী বড় না।
সবাই কাজ করলে একজনই হয়তো কয়েকজনের কাছ থেকে অনুরোধ পাবে। নিশ্চই সে সাড়া দেবে। তবে শুধু মেডিকেল কমিউনিটি না, যে কারোর কাছেই ছবিটা পাঠাতে পারেন।

পাঠানোর পরে এই পোস্টে "ডান" লিখে জানাতে পারেন তাতে অন্যরাও উদ্বুদ্ধ হবে। আর এই কাজটুকু করার জন্যে আপনার পরিচিতদের এই পোস্টে মেনশন করুন।

কত শত ম্যাসেজে ভরে থাকে আমাদের ইনবক্স। আসুন না, বোনকে বাঁচানোর জন্যে সবার ইনবক্স ভাসিয়ে দেই। যেন মানুষ নিজে টাকা দেয়, আশপাশের মানুষ জন থেকে কালেক্ট করে দেয়।

সময় কিন্তু খুব বেশী নেই আমাদের হাতে। যা করার খুব দ্রুত করতে হবে। আসুন ইনবক্স পাঠানোর মত সবচেয়ে সহজ কাজটাতে সবাই হাত লাগাই।

বোনকে বাঁচানোর জন্যে ১০ টা মিনিট সময় দেবেন না?!!!

25/05/2018

আসুন সবাই ১০টা মিনিট রাফার জন্যে অনলাইনে কাজ করি। এই ছবিটা ফ্রেন্ডলিস্টের সবাইকে ইনবক্স করুন দয়া করে। খুব বিজি থাকলে এটলিস্ট ৫০ জনকে পাঠান। সিনিয়র স্যাররা ফ্রেন্ডলিস্টে থাকলে তাদের সবার আগে পাঠান। সম্ভব হলে সাথে কিছু লিখে দেন। সম্ভব না হলে শুধুই ছবি টা দেন। যারা ইনবক্স পাবেন তারা সেটা আরো কমপক্ষে ৫০ জনের কাছে ফরোয়ার্ড করুন।

মেডিকেল কমিউনিটি খুব বেশী বড় না।
সবাই কাজ করলে একজনই হয়তো কয়েকজনের কাছ থেকে অনুরোধ পাবে। নিশ্চই সে সাড়া দেবে। তবে শুধু মেডিকেল কমিউনিটি না, যে কারোর কাছেই ছবিটা পাঠাতে পারেন।

পাঠানোর পরে এই পোস্টে "ডান" লিখে জানাতে পারেন তাতে অন্যরাও উদ্বুদ্ধ হবে। আর এই কাজটুকু করার জন্যে আপনার পরিচিতদের এই পোস্টে মেনশন করুন।

কত শত ম্যাসেজে ভরে থাকে আমাদের ইনবক্স। আসুন না, বোনকে বাঁচানোর জন্যে সবার ইনবক্স ভাসিয়ে দেই। যেন মানুষ নিজে টাকা দেয়, আশপাশের মানুষ জন থেকে কালেক্ট করে দেয়।

সময় কিন্তু খুব বেশী নেই আমাদের হাতে। যা করার খুব দ্রুত করতে হবে। আসুন ইনবক্স পাঠানোর মত সবচেয়ে সহজ কাজটাতে সবাই হাত লাগাই।

বোনকে বাঁচানোর জন্যে ১০ টা মিনিট সময় দেবেন না?!!!

12/04/2018

নিপুণ

03/04/2018

কখনো কি দেখেছেন, এ ধরনের প্রতারকদেরকে সাধারন মানুষ লাঞ্ছিত করেছে? অথচ রোগী মারা গেলে তারা নিজেরা 'ভুল চিকিৎসা' ঘোষনা করে ডাক্তারের সাথে অসভ্য আচরন করে!
ইনি সেই ভুয়া ডাক্তার,যাকে গত কয়েকদিন আগে প্রশাসনের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে।

24/02/2018

বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন

24/02/2018

পুরানো সেই দিনের কথা
ভুলবি কি রে হায়
ও সেই চোখের দেখা,
প্রাণের কথা সে কি ভুলা যায়
আয় আর একটিবার আয় রে
সখা, প্রাণের মাঝে আয়

পুনর্মিলনী
১৯তম এম বি বি এস

16/02/2018

“নীচ লোকের প্রধান হাতিয়ার হল অশ্লীল বাক্য”
- হযরত আলী (রঃ)

(অপ্রাসঙ্গিক পোস্ট, নিতান্তই ধর্মপ্রচার;
কারো যদি চুলকায় তবে সেটা একেবারেই তাদের নিজস্ব সমস্যা)

16/02/2018

কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক তার ক্লাসে ছাত্র-ছাত্রীদের F**K বা BU****IT বলছে আপনি কি সেটা কল্পনা করতে পারেন??? এটাই নাকি
আবার সেই মেধাবী, জ্ঞানী শিক্ষকের সাধারণ অনুভূতির প্রকাশ। এটা স্বীকারও করলো তারই ক্লাসে উপস্থিত থাকা ছাত্রী। তাদের কাছে এটা নাকি খুবই
সাধারণ একটা ব্যপার। আর এখানে যুদ্ধে নেমেছে সেই শিক্ষকের ছাত্র-ছাত্রীগণ। যেখানে তারা জানেই যে তাদের সম্মানিত শিক্ষক এসব কথা হরহামেশাই
বলেন। তোমাদের ক্লাসে তোমাদের শিক্ষক তোমাদের যেমন খুশী তেমন বলতে বা শিখাতে পারেন। কিন্তু বাইরে তো সবাই উনার সেরকম ছাত্রী নয় যে ইচ্ছে
করে গায়ের উপরে এসে ধাক্কাও দিল সাথে F**K YOU F**KING GIRL বলল, সে নিশ্চয়ই সেই শিক্ষকের কথায় খুশীতে WHAT A
COMPLIMENT! THANK YOU SIR, বলে আনন্দে নাঁচতে থাকবে না।
সাথে সে মহামান্বিত শিক্ষক নাকি আমাদের স্বনামধন্য মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডাঃ মামুন স্যারের চিকিৎসাধীন। যখন তাকে তার শাস্তির জন্য
পুলিশে দেয়া হবে, তখন তার স্ত্রী অকপটে এ কথা স্বীকার করে। রাবির ল ডিপার্টমেন্টের দুজন শিক্ষকও এসে তার পাগল হবার স্বীকারোক্তি দেয়। দুজন
শিক্ষককেও নাকি একদিন বেধড়ক পিটিয়েছিল। তাই একজন সম্মানিত পাগল শিক্ষকের কথা চিন্তা করে তাকে আর পুলিশে দেয়া হয় নি। তার স্ত্রীর ও
শিক্ষকদের তার পক্ষে ক্ষমা চাওয়ায় তাকে মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়েছিল।
কিন্তু এখন রাবির ভাইবোনদের আন্দোলন চলছে পুরো ডাক্তার সমাজের বিরুদ্ধে। প্রতিদিন হাসপাতালে তিন থেকে চারহাজার রোগী চিকিৎসা নিতে আসে, সবাই কিন্তু চিকিৎসা নিয়েই বাড়ি ফিরে যায়, দুই একটা অহংকারী কালপ্রিট আসে যাদের সাথেই এ ঝামেলা হয়।
আপনাদের কাছে একটা প্রশ্ন আমরা যদি কখনো আপনাদের ক্যাম্পাসে আপনাদেরই কোন ছাত্রীকে গিয়ে আপনাদের শিক্ষকের কাজ ও কথাগুলো রিপিট করি আপনারা কি করবেন??? হয়তো আদর করে নিয়ে মিষ্টি খাওয়াবেন। কারণ এ কথাগুলো তো আপনারা ক্লাসে বসেই আনন্দ নিয়ে শিখেন।

15/02/2018

গত ১৪/০২/১৮ ইং রাত ১০:৩০ মিনিটে (আনুমানিক) রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অর্থোপেডিক্স ও ট্রমাটোলজি সার্জারি ইমার্জেন্সি অপারেশন শেষে আমাদের কর্তব্যরত ইন্টার্ন চিকৎসকগণ ৩১ নং ওয়ার্ডের অভিমুখে যাবার সময় ওটি ব্লকের সামনে একজন নারী ইন্টার্ন চিকিৎসকের সাথে একজন অজ্ঞাত লোকের মুখোমুখি ধাক্কা লাগে। এতে উক্ত নারী চিকিৎসক অজ্ঞাত লোককে একটু সংযত হতে বলায় তিনি চিকিৎসককে পাল্টা ‘nonsense' বলে গালি দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে উক্ত চিকিৎসক তাকে তার ভাষা সংযত রেখে কথা বলতে বলায় তিনি পুনরায় দূর্ব্যবহার এবং দাম্ভিকতাপূর্ণ আচরণ প্রকাশ করেন। কথাগুলো বলার সময় তিনি ঐ নারী চিকিৎসকের উদ্দেশ্যে ‘f**k you', ‘f**king girl' এবং এ ধরণের অরুচিকর, অসংলগ্ন এবং অশালীন শব্দচয়ন করতে থাকেন। এমতাবস্থায়, আশেপাশের সকল চিকিৎসকবৃন্দ তাকে উক্ত নারী চিকিৎসকের নিকট ক্ষমা চাইতে অনুরোধ করেন যা তিনি বারবার নিজের দাম্ভিকতা বজায় রেখে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করেন।

অতঃপর চিকিৎসকেরা হাসপাতাল প্রশাসনের শরণাপন্ন হলে হাসপাতালের পরিচালক মহোদয় আরো দুজন অধ্যাপকের উপস্থিতিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে তৎক্ষণাৎ চলে আসেন। পরবর্তীতে উক্ত অজ্ঞাত ব্যক্তি তার পরিচয় জানান যে তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষক জনাব এনামুল হক জহির। এমতাবস্থায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনধিসহ রা.মে.ক.হা.-এর প্রশাসনিক প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে উক্ত ব্যক্তিকে ক্ষমাপ্রার্থনা করতে অনুরোধ করা হয়। তিনি সেই মুহূর্তে ক্ষমাপ্রার্থনা করেন এবং নিজের কৃতকর্ম স্বীকার করেন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সম্মানার্থে এবং ভবিষ্যতে এ ধরণের অশালীন কর্মকান্ড পুনরায় করবেন না কথা দেয়ায় তাকে সসম্মানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের হাতে হস্তান্তর করা হয়।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদ এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে এবং একইসাথে এই ঘটনার যেকোন প্রকার অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে রা.মে.ক.হা. ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদ কোন প্রকার কঠোর কর্মসূচী গ্রহণ করেনি এবং প্রশাসনের উপর সম্পূর্ণ আস্থা রেখে চিকিৎসকবৃন্দ নিজ নিজ কর্মস্থলে কর্তব্যরত আছেন।

ধন্যবাদান্তে,
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদ।

15/02/2018

গতকাল রাতে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্তব্যরত একজন নারী চিকিৎসক রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের একজন শিক্ষক কর্তৃক ইভটিজিং-এর শিকার হন। এহেন অপরাধের পরও উক্ত শিক্ষকের সামাজিক অবস্থান ও সম্মানের কথা বিবেচনায় রেখে তাকে রামেকের সম্মানিত শিক্ষক ও রামেকহার ডিরেক্টর মহোদয়ের অনুরোধে ছেড়ে দেয়া হয়।

আজ সকালে জানা গেছে, তার এই অপরাধকে সম্পূর্ণ গোপন রেখে উক্ত কাজকে একটি সামান্য ঘটনা আখ্যা দিয়ে ওই বিভাগের শিক্ষক ও ছাত্ররা এ ন্যাক্কারজনক ঘটনার স্বপক্ষে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকদের শাস্তির দাবীতে আন্দোলন করছে এবং মিথ্যা মামলা করেছে।

এ মিথ্যাচার এবং উক্ত ঘটনার জন্য দায়ী ব্যক্তির বিচারের দাবীতে ইন্টার্ন চিকিৎসকবৃন্দ এই মুহূর্ত হতে প্রতিবাদ সভা ঘোষণা করছে। একইসাথে ৫৯তম এমবিবিএস ব্যাচ থেকে শুরু করে ৫৪ তম এমবিবিএস ব্যাচ পর্যন্ত সকল শিক্ষার্থীদেরকে ইন্টার্ন চিকিৎসকবৃন্দের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদসভায় যোগ দেবার অনুরোধ জানানো হচ্ছে।

ইভটিজারের শাস্তি চাই
শিক্ষক হলেও ক্ষমা নাই।।

27/01/2018

অধ্যাপক মামুন হুসাইন। রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মনোরোগ বিভাগ এর বিভাগীয় প্রধান। আমাদের অনেকের কাছে এটাই তার বড় পরিচয়। কেউ কেউ তার বড় মাপের সাহিত্যকর্মের খবর রাখেন। সবাই রাখেননা কেননা তার উচ্চমানের কাছে পৌঁছানোর যোগ্যতা আমাদের অনেকের নেই। এই মুহুর্তে তার আরেকটি বড় পরিচয়, তিনি বাংলা একাডেমী পুরষ্কার প্রাপ্ত। অল্প কিছুক্ষণ আগে ঘোষণা হয়েছে। এই আনন্দ সংবাদটি শোনামাত্র গেলাম তাকে অভিনন্দন জানাতে। কিন্তু চিকিতসকের কর্তব্য তাকে এই আনন্দ সংবাদে উদ্বেলিত হতে দিচ্ছেনা। যথারীতি চিকিতসা প্রদান করে যাচ্ছেন। কে বলবে বাংলাদেশের অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানটি উনি কিছুক্ষণ আগে পেয়েছেন। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ এবং সকল চিকিতসকদের পক্ষ থেকে তাকে আন্তরিক অভিনন্দন এবং শ্রদ্ধা। তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজের ২১ তম ব্যাচের ছাত্র।

Status Courtesy: Joydeep Bhaduri Sir

18/01/2018

Academic post

ধরা যাক,
এক ভদ্রলোকের চার বৌ...

যেহেতু চার মেয়ে মিলে একজন পুরুষের জন্য স্ত্রী হিসেবে কাজ করছে,
সেজন্য এই চার মেয়ে ঐ স্বামীর জন্য redundant...

যেমনঃ
- Redundant cytokines হলো একাধিক বিভিন্ন cytokines যারা এক‌ই কাজ করে (IL2, IL4, IL5 acts on B cell proliferation)
- Redundant codons হলো একাধিক বিভিন্ন কোডন যারা এক‌ই এমাইনো এসিড কোড (তৈরি) করে (GGA, GGT, GGG, GGC all codes for glycine)

আবার, এক‌ই পুরুষ যেহেতু চারজন ভিন্ন ভিন্ন নারীর জন্য স্বামী হিসেবে কাজ করছে,
সেজন্য এই পুরুষ হবে pleiotropic...

যেমনঃ
- Pleiotropic cytokine হলো একটা cytokine যে বিভিন্ন cell এর উপরে কাজ করে (IFN gamma does activation of macrophage, immunoglobulin isotype switching etc)
- Pleiotropic gene হলো একটাই gene যে বিভিন্ন রকম প্রোটিন তৈরী করে (same immunoglobulin gene বিভিন্ন আইসোটাইপের এন্টিবডি তৈরি করে)

14/01/2018

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদ আয়োজিত ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টের ফাইনালের পর বিজয়ী ও রানার্স আপের সাথে রামেকহার পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ জামিলুর রহমান

02/01/2018

Orientation of 59 batch, RMC

Date: 10/1/2018
Time: 10 AM
Place: Rajshahi medical college auditorium

25/12/2017

নিজ ফ্যামিলি বা আত্মীয়ের মধ্যে ব্লাড ট্রান্সফিউশন নয় !

অর্গান ট্রান্সপ্লান্টেশন এখন ইমার্জিং মেডিক্যাল প্র্যাকটিস;
আমাদের দেশেই কিডনি এবং বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্টেশন করা হচ্ছে।

এই অর্গান ট্রান্সপ্লান্টেশন এর সবচেয়ে বড় কমপ্লিকেশন হচ্ছে ট্রান্সপ্লান্ট রিজেকশন।

যেই অর্গান ট্রান্সপ্লান্ট করা হয় (যেমন কিডনী),
পেশেন্টের (যার শরীরে ট্রান্সপ্লান্ট করা হয়) ইমিউন সিস্টেম সেই অর্গানের সেলকে "ফরেন সেল" হিসেবে ডিটেক্ট করে,
পরে সেই অর্গানের সেলের এগেইন্সটে ইমিউন রেসপন্স তৈরী হয়ে একসময় অর্গান ড্যামেজ হয়ে যায়;
অতি সংক্ষেপে এই হচ্ছে ট্রান্সপ্লান্ট রিজেকশনের মূল ঘটনা।

এই রিজেকশন তিনধাপে হতে পারেঃ
১. হাইপার-একিউট রিজেকশন হয় অপারেশন টেবিলেই !
২. একিউট রিজেকশন হয় ট্রান্সপ্লান্ট করার কয়েকদিনের মধ্যে।
৩. ক্রোনিক রিজেকশন কয়েক মাস বা বছর পরেও হতে পারে।

এই রিজেকশন ঠেকানোর জন্যে গ্রাহক পেশেন্টের ইমিউন সিস্টেম ডাউন করে ফেলা হয়;
কিন্তু সমস্যা বাধে হাইপার-একিউট রিজেকশনে এই ইমিউন-সাপ্রেশন খুব একটা কাজে দেয় না !

কারণ হাইপার-একিউট রিজেকশন হবার জন্যে যেই ইমিউনিটি দায়ী সেটা অনেক আগে থেকেই পেশেন্টের শরীরে তৈরী হয়েই থাকে।

ট্রান্সপ্লান্ট দেবার আগে থেকেই কী করে ইমিউনিটি তৈরী হয়?

এর পিছনে বড় দুটা কারণ হচ্ছেঃ
- মাল্টিপ্যারাস মাদার যারা একাধিক বার সন্তান ধারণ করেছেন তাদের শরীরে প্রেগনেন্সির সময়ে বাচ্চার শরীর থেকে বাচ্চা এবং বাচ্চার বাবার এন্টিজেন মায়ের শরীরে তৈরী হয় যেটা বহু বছর পর্যন্ত মায়ের শরীরে থেকে যায়...
- ব্লাড ট্রান্সফিউশনের সময়েও ব্লাডের সাথে (মেইনলি লিউকোসাইট এবং প্লাটিলেট) রক্তদাতার শরীরের এন্টিজেন গ্রহীতার শরীরে গিয়ে ইমিউনিটি ডেভেলপ করায়...

আমাদের দেশে বেশিরভাগ সময়ে রক্তদাতার অভাবে এবং কিছুটা ইমোশনাল কারণে ফ্যামিলি মেম্বারের থেকেই ব্লাড নেয়া হয়;
যেই ঘটনা থেকে পেশেন্টের শরীরে ঐ রক্তদাতার শরীরের এন্টিজেনের এগেইন্সটে ইমিউনিটি ডেভেলপ করে যায়...

আর বহু বছর পর আবার কিডনী/বোন-ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট করার দরকার পড়লে যদি ঐ রক্তদাতা (বা স্বামী/সন্তানের থেকে মায়ের শরীরে) ট্রান্সপ্লান্ট করার হয় তখনই ঐ ট্রান্সপ্লান্ট রিজেক্ট হয়ে যায়...

এখন HLA matching করেই ট্রান্সপ্লান্ট করা হয় বলে হয়তো ওটি-টেবিলে ট্রান্সপ্লান্ট ফেইলিউরের ঘটনা তেমন ঘটেনা;
কিন্তু, ট্রান্সপ্লান্ট করার মতো অর্গানের খোঁজ করতে গেলে আর কারো সাথে HLA match করানো যায় না...

আর HLA match করার ক্ষেত্রে ফ্যামিলি মেম্বার বা ক্লোজলি রিলেটেড আত্মীয় ছাড়া যত দূরে যাওয়া যায়,
HLA match এর সম্ভাবনা তত কমতে থাকে...

তাই অর্গান ট্রান্সপ্লান্টেশন এর বিষয়টা মাথায় রাখতে গেলে ব্লাড ট্রান্সফিউশনে ফ্যামিলি/রিলেটিভ না জড়ানোই সাইফ...

#নিপুণ

17/12/2017

Scientific Seminar on plastic Surgery

17/12/2017

Scientific Seminar on plastic Surgery

17/12/2017

Scientific Seminar on plastic Surgery

17/12/2017

Scientific Seminar on Plastic Surgery

16/12/2017

All doctors & medical students are cordially invited to the on in Amiruddin gallery, RMC at 8.00am tomorrow morning.
for those who cant come, we will the whole event

14/12/2017

Hemophilia A !!!

Clotting factor VIII তৈরী করতে না পারার জন্মগত কষ্টের নাম হিমোফিলিয়া এ। ক্ষতস্থান থেকে রক্তপাত বন্ধ করার জন্য দরকারি এই প্রোটিন তৈরীর জিন টাই নাকি থাকে না !

সেই অভাবে কী অসম্ভব রক্তারক্তি কান্ড যে ঘটে, তার আর অন্ত নেই...

জ্ঞানীগুণী মহামানবেরা বহুদিন থেকেই চেষ্টা করে যাচ্ছে রক্তপাত বন্ধ করতে;
আর সেই চেষ্টার এক চমৎকার ফসল এসেছে বার্ট হাসপাতালের এক ব্যবহারিক পরীক্ষার ফলাফলে...

বিজ্ঞানীরা অতিক্ষুদ্র জীবাণু (ভাইরাস) কে দিয়ে বহন করিয়েছেন ফ্যাক্টর তৈরীর জরুরী জিন;
তারপর ঐ ভাইরাস ঢুকিয়ে দিয়েছেন ১৩ জন ভুক্তভোগীর শরীরে...

উদ্দেশ্য খুব পরিষ্কারঃ
- ভাইরাস তার স্বভাবসুলভ দুষ্টামি করে রুগীর শরীরের লিভার কোষে বাসা বাঁধবে,
- তারপর তার স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে নিজের ডিএন‌এ মিশিয়ে দিবে রুগীর ডিএন‌এর সাথে, কিন্তু তার ডিএন‌এ তে যে বুদ্ধিমান মানুষ অন্য একটা জিন ঢুকিয়ে রেখেছে তা সে জানবে কী করে?
- এভাবেই রুগীর শরীরে প্রথমবারের মতো ফ্যাক্টর তৈরীর জিন ঢুকে পড়ে
- ঐ ভাইরাস যত বংশবিস্তার করে, যত বেশি লিভার কোষে জিন ঢুকতে থাকে...

এভাবেই একটু একটু করে শরীরে ফ্যাক্টর তৈরি করা শুরু হয় !!

এক বছর অন্য কোন চিকিৎসা ছাড়া থাকার পর দেখা যাচ্ছে ১৩ জনের ভেতর ১১ জনের শরীরেই ফ্যাক্টর তৈরি হচ্ছে !!!

এটা এখনও পূর্ণ সফলতা না,
বরং সফলতার পথে বিরাট একটা লাফ,
আর স্বপ্ন সফল হবার এক দৃঢ় বিশ্বাস...

আপাতত স্বপ্ন পূরণের দাম হিসাবে বছরে প্রায় কোটিখানেক টাকা গুণতে হবে
😒...

***
সূত্রঃ বিবিসি

পোস্টঃ নিপুণ

10/12/2017

Histopathology is one of those investigation procedures that requires:
- history of complaints
- clinical findings
- other investigation results
- provisional diagnosis
- differential diagnoses
- indication of operation
- operative findings
- name of specimen
- name of surgeons
- what information the clinician wants to know from histopathology
- signature of surgeons

আর এতসব ইনফরমেশন এর জন্য কলেজ থেকে দেয়া সরকারি এই কাগজটি একেবারেই বেমানান রকম ছোট;
অথচ, এই কাগজে যতটুকু লেখা সম্ভব সেই ইনফরমেশন লেখার সময়টুকুও সবসময় হয়না !

এমনকি স্পেসিমেন এর নামটাও উল্লেখ থাকে না কাগজে !!
খুব স্মার্টলি লেখা থাকে "Histopathology of supplied specimen !!!"

বিগত দুই বছরে এই গত দুই দিনে দুইটা কাগজ পেলাম যেখানে কিছু না কিছু লেখা আছে;
অন্য কাগজটার ছবি দিতে পারলাম না...

যতটুকু ইনফরমেশন উল্লেখ তাতেই খুশি হয়ে very good লিখে দিয়েছি 😎
(অন্য রিকুইজিশনটায়)

আচ্ছা ইনফরমেশন না দিলে কী হয়?

হয়রানি হয়,
রুগীর লোককে ফোন করে হিস্ট্রি নেয়া হয়,
কখনো ফোন নাম্বার না পেলে রুগীর লোকের জন্য অপেক্ষা করতে হয়,
ইমার্জেন্সি ক্ষেত্রে প্যাথলজির লোকদেরকে হাসপাতালে গিয়ে হিস্ট্রি নিয়ে আসতে হয়...

তাই, কাকুতি মিনতি করে বলছি,
দয়া করে ইন্টার্ন যারা আছো বা কিছুদিন পর হবা,
একটু কষ্ট করে কাগজে চাওয়া ইনফো টুকু লিখে পাঠায়ো...
প্লিজ...

এই রিকুইজিশন পেপার এর লেখককে আন্তরিক ধন্যবাদ জানানোর জন্য ছবি দিলাম
(নামের অংশ ব্লার করে দিয়েছি কারণ তার পরিচয় প্রকাশ করার অনুমতি আমার কাছে নাই...)

পোস্টঃ নিপুণ

Want your school to be the top-listed School/college in Rajshahi?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Videos (show all)

বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন
Scientific Seminar on plastic Surgery
Scientific Seminar on plastic Surgery
Scientific Seminar on plastic Surgery
Scientific Seminar on Plastic Surgery
বিশ্ব এন্টিবায়োটিক সচেতনতা সপ্তাহ ২০১৭
চলছে গনসাক্ষর বিশ্ব এন্টিবায়োটিক সচেতনতা সপ্তাহ-২০১৭
রাজশাহী মেডিকেল কলেজের  নাটক হিমু ফিলিয়া, আবর্তময়ী, পুনর্জন্ম নিয়ে এটিএন নিউজ চ্যানেলে বিশেষ ফিচার প্রচার করা হয়েছে...যা...

Location

Category

Telephone

Address


Laxmipur
Rajshahi
6100
Other Medical Schools in Rajshahi (show all)
Delta Nursing Coaching- Rajshahi Delta Nursing Coaching- Rajshahi
C&b More
Rajshahi, 6000

Ultrasonography & Doppler Ultrasonography & Doppler
Rajshahi

Welcome To Bimud Here you'' ll find curren

Dental Unit, Rajshahi Medical College Dental Unit, Rajshahi Medical College
Museum Road
Rajshahi, 6000

you will Find all Information related to our Dental unit and many other Dental tips in this page..

Rajshahi Medical College Campus Rajshahi Medical College Campus
Medical Road, Goshpara More
Rajshahi, 6000

Islami Bank Medical College, Rajshahi Islami Bank Medical College, Rajshahi
Nawdapara, Airport Road, Sopura
Rajshahi, 6203

Official page

Shah Mokhdum Medical College & Hospital, Rajshahi Shah Mokhdum Medical College & Hospital, Rajshahi
Rajshahi, 6204

Shah Mokhdum Medical College, Approved by MoHFW & Affiliated by Rajshahi Medical University. Welc

Rajshahi Medical College Rajshahi Medical College
Laximpur, Rajpara
Rajshahi, 6000

Rajshahi Medical College, located in Rajshahi, Bangladesh, is a state-sponsored medical school affli

Barind Medical College and Hospital Rajshahi Barind Medical College and Hospital Rajshahi
Holding No# 179/1, Choto Bongram (Eastern Side Of Chandrima R/A), Boalia
Rajshahi, 6100

Established 2011. Located at Rajshahi, the educational city of Bangladesh 252 km north-west of Dhaka

Shorijpur Doronto Somobye Songstha- SDSS Shorijpur Doronto Somobye Songstha- SDSS
6500
Rajshahi

Medical Student

Rajshahi Medical Assistant Training School Rajshahi Medical Assistant Training School
House. 26, Ward-3, Bohorompur, Rajapara
Rajshahi

Udayan Medical Assistant Training School Udayan Medical Assistant Training School
Elegance House -107, Housing Road, Sopura Uposohar, Boalia
Rajshahi

Our institute is working towards providing quality education to ensure the fulfillment in the health field job sector in Bangladesh.