কুতিকুড়া করুয়াপাড়া উচ্চ বিদ্

করুয়াপাড়া মৌজাস্ত এ বিদ্যালয়টি ১৯২৪ ?

Operating as usual

02/08/2022

. ( ভবিষ্যৎ গড়ি ) .
... Farabi ...
আমাদের বিদ্যালয়ের নাম
কুতিকুড়া করুয়াপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়
এইখানেতে পড়ি,,,
ভবিষ্যতের জীবনটা তাই এইখানেতেই গড়ি,
ছাত্ররা সব ভাই এর মতো
পিতৃতুল্য স্যার,
প্রানে দরদ,মুখে শাসন, পরান চমৎকার।
ম্যাডামরা সব মায়ের মতো,
শাসন বারন করেন
নিত্য নতুন জিবনে সুখ বয়ে তারা আনেন
অধ্যক্ষ স্যার দয়ার সাগর দিলো দরিয়া মন।
শিক্ষা দীক্ষায় আদব কায়দাই
আমরা সজাগ সারাক্ষণ।..

লেখাঃ ফারাবী।

Photos from কুতিকুড়া করুয়াপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়'s post 27/04/2022

এসএসসি ২০২২ ইং সালের পরীক্ষার সময়সূচি

14/03/2022

আসুন জেনে নিই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসমুহ।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন এবং আইনগত দিক দিয়ে শাস্তি???
=================

চলমান পরিস্থিতিতে ডিজিটালাইজেশন এর যুগে অপরাধেরও ধরন পাল্টেছে,পাল্টেছে অপরাধীদের দৌরাত্ব। যুগের সাথে তাল মিলিয়ে মানুষ এখন সোশ্যাল মিডিয়াকে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছে, এবং এর ফলে সাইবার ক্রাইম গুলো দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে। এজন্যই দেশের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে পাশ করা হয়েছে #ডিজিটাল #নিরাপত্তা #আইন।
চলুন দেখে আসি এক নজরে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কোন ধারায় কী শাস্তি।মানুষের মৌলিক চাহিদা কয়টি ও কী কী?
আইনে পুলিশকে পরোয়ানা ও কারও অনুমোদন ছাড়াই তল্লাশি ও গ্রেপ্তারের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। আইনের ১৪টি ধারার অপরাধ হবে জামিনঅযোগ্য। নতুন আইনের ১৭ থেকে ৩৮ ধারায় বিভিন্ন অপরাধ ও শাস্তির বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে। অত্র আইনের ১৭, ১৯, ২১, ২২, ২৩, ২৪, ২৬, ২৭, ২৮, ৩০, ৩১, ৩২, ৩৩ ও ৩৪ ধারাকে জামিন অযোগ্য অপরাধ হিসেবে দেখানো হয়েছে। নতুন আইনের বেশিরভাগ ধারাই জামিন অযোগ্য হলেও এর মধ্যে মানহানির ২৯ ধারাসহ ২০, ২৫ ও ৪৮ ধারার অপরাধে জামিনের বিধান আছে।
#ধারা১৭: কেউ যদি ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে জনগণকে ভয়ভীতি দেখায় অথবা রাষ্ট্রের ক্ষতি করে, তাহলে তা হবে অজামিনযোগ্য অপরাধ। এই অপরাধের শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে- এই অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড অথবা এক কোটি টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
#ধারা১৮: ইলেকট্রনিক ডিভাইস, কম্পিউটার সিস্টেমে বেআইনি প্রবেশ বা সহায়তা করলে সর্ব্বোচ তিন বছরের কারাদণ্ড। জরিমানা ১০ লাখ টাকা।
#ধারা১৯: বেআইনিভাবে যদি কোনো ব্যাক্তি কোনো কম্পিউটার বা কম্পিউটার সিস্টেম হতে কোনো উপাত্ত, উপাত্ত ভাণ্ডার, তথ্য বা উদ্বৃতাংশ সংগ্রহ করেন বা কোনো উপাত্তের অনুলিপি সংগ্রহ করেন, তাহলে সর্ব্বোচ সাত বছরের কারাদণ্ড; জরিমানা ১০ লাখ টাকা।
#ধারা২০: কম্পিউটার সোর্স কোড পরিবর্তন, ধ্বংস করলে সর্ব্বোচ তিন বছরের সাজা। জরিমানা তিন লাখ টাকা।
#ধারা২১: যদি কোনো ব্যক্তি ডিজিটাল মাধ্যমে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জাতির পিতা, জাতীয় সংগীত বা জাতীয় পতাকার বিরুদ্ধে কোনো প্রকার প্রপাগান্ডা ও প্রচার চালানো বা উহাতে মদদ প্রদান করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অনুরূপ কার্য ইইবে একটি অপরাধ। এই অপরাধের শাস্তি অনধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড বা অনধিক ৩ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয়দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। দ্বিতীয়বার অপরাধের জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও এক কোটি টাকা জরিমানা বা উভয়দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

#ধারা২৩: কোন ব্যক্তি ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে প্রতারণা করলে, ৫ বছরের কারাদণ্ড বা ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। কোন ব্যক্তি দ্বিতীয়বার একই অপরাধ করলে তাকে ৭ বছরের কারাদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
#ধারা২৪: কম্পিউচার সিস্টেম ব্যবহার করে প্রতারণা, কাউকে ঠকানোর জন্য অপর কোন ব্যক্তির পরিচয় ধারণ করা জীবিত বা মৃত অপরের তথ্য নিজের বলে প্রচার করা ডিজিটাল অপরাধের শামিল। প্রথম দফায় এ অপরাধের শাস্তি ৫ বছরের কারাদণ্ড বা ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড। কোন ব্যক্তি দ্বিতীয়বার একই অপরাধ করলে তাকে ৭ বছরের কারাদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
#ধারা২৫: কেউ যদি ওয়েবসাইট বা ডিজিটাল মাধ্যমে আক্রমনাত্বক ভয়-ভীতি দেখায় তাহলে তাকে তিন বছরের জেল বা তিন লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
#ধারা২৬: আইনগত কর্তৃত্ব ছাড়া অন্য কারও পরিচিতি তথ্য সংগ্রহ, বিক্রি, সরবরাহ ও ব্যবহার করা হবে অপরাধ। প্রথম দফায় এ অপরাধের শাস্তি ৫ বছরের কারাদণ্ড বা ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড। কোন ব্যক্তি দ্বিতীয়বার একই অপরাধ করলে তাকে ৭ বছরের কারাদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
#ধারা২৭: নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে কেউ রাষ্ট্রীয় অখণ্ডতা, নিরাপত্তা, স্বার্বভৌমত্ব বিপন্ন করা বা জনগণের মধ্যে ভীতির সৃষ্টি করলে বা করার চেষ্টা করলে অথবা ইলেকট্রনিক নেটওযার্ক ব্যবহার করে জনগণের নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের সরবরাহ ও সেবা ক্ষতিগ্রস্থ করলে তা হবে ডিজিটাল অপরাধ। এ ধারার অধীনে কোন অপরাধীর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে- এ অপরাধে দোষী প্রমাণিত হলে তাকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড বা এক কোটি টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
#ধারা২৮: যদি কোন ব্যক্তি বা গোষ্ঠী ইচ্ছাকৃতভাবে ধর্মীয় অনুভূতি বা মূল্যবোধে আঘাত করার জন্য ইলেকট্রনিক বিন্যাসে এমন কিছু প্রকাশ করে, তাহলে তাকে অনধিক ৭ বছরের কারাদণ্ড বা ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। একই অপরাধ দ্বিতীয়বার করলে তাকে অনধিক ১০ বছেরের কারাদণ্ড বা ২০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
#ধারা২৯: যদি কোনো ব্যক্তি ওয়েবসাইট বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক বিন্যাসে পেনাল কোডের ৪৯৯ ভঙ্গ করে কোনো অপরাধ করেন তাহলে সর্ব্বোচ তিন বছরের কারাদণ্ড ভোগ করবেন। জরিমানা পাঁচ লাখ টাকা।
#ধারা৩০: না জানিয়ে কেউ যদি কোন ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করে ব্যাংক বীমায় ই-ট্রানজেকশন করে তাহলে ৫ বছরের কারাদণ্ড বা ৫ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
#ধারা৩১: যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে এমন কিছু প্রকাশ বা সম্প্রচার করেন, যা বিভিন্ন শ্রেণী বা সম্প্রদায়ের মধ্যে শত্রুতা, ঘৃণা বা বিদ্বেষ সৃষ্টি করে বা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করে আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটায়, তাহলে তা ডিজিটাল অপরাধ। এই অপরাধের জন্য ৭ বছরের কারাদণ্ড বা ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
#ধারা৩২: যদি কোন ব্যক্তি বেআইনি প্রবেশের মাধ্যমে সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বা সংবিধিবদ্ধ কোন সংস্থার গোপনীয় বা অতি গোপনীয় তথ্য-উপাত্ত ইলেকট্রনিক মাধ্যমে ধারণ করলে তা হবে ডিজিটাল গুপ্তচরবৃত্তির শামিল। আর এটি হবে অজামিন যোগ্য অপরাধ। এমন অপরাধের জন্য শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে- কোন ব্যক্তি প্রথমবার এই অপরাধে দোষী সাব্যস্থ হলে অনুর্ধ ১৪ বছরের কারাদণ্ড বা ২৫ লাখ টাকা জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। আর একই ব্যক্তি দ্বিতীয়বার বা বারবার ওই অপরাধে দোষী প্রমাণীত হলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা এক কোটি টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
#ধারা৩৪: হ্যাকিংয়ের শাস্তি ১৪ বছরের কারাদণ্ড বা এক কোটি টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড রাখা হয়েছে। দ্বিতীয় দফায় এ অপরাধের শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ৫ কোটি টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।বিশ্বের যেকোনো জায়গায় বসে বাংলাদেশের কোনো নাগরিক এই আইন লঙ্ঘন হয়, এমন অপরাধ করলে তাঁর বিরুদ্ধে এই আইনে বিচার করা যাবে। এই আইনের অধীনে সংগঠিত অপরাধ বিচার হবে ট্রাইব্যুনালে। অভিযোগ গঠনের ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি করতে হবে। এ সময়ে সম্ভব না হলে সর্বোচ্চ ৯০ কার্যদিবস সময় বাড়ানো যাবে।

সংগৃহীত

23/02/2022

মনে পড়ে ফেলে আসা দিনগুলো?

06/02/2022

জেনে নিন অটিজমের প্রাথমিক লক্ষণসমুহ

25/06/2021

কোভিড-১৯ জনিত কারণে দেশ ও দেশের বাইরে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই শ্রেণীকক্ষের পাঠদান কার্য্যক্রম বন্ধ রয়েছে।
তবে উন্নত বিশ্বে তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি সহজলভ্য হওয়ায় পাঠদান কার্য্যক্রম ভার্চুয়ালি(অনলাইন) চলমান রয়েছে এবং তাতে অধিক গুরুত্ব প্রদানও করা হচ্ছে।যার ফলে উন্নত বিশ্বে পাঠদান ও শিক্ষা গ্রহণে শিক্ষার্থীরা কিছুটা হলেও কম ক্ষতির স্বীকার হচ্ছে।
কিন্তু তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তিতে অর্ধ উন্নত ও স্বল্প উন্নত দেশে বিশেষ করে আমাদের বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা এ সময়ে অনেকটা পিছিয়ে যাচ্ছে।

কিন্তু আমরা চাই,আমাদের হাতে যতটুকু প্রযুক্তি পৌছেছে তার সঠিক এবং উপযুক্ত ব্যবহারে তোমাদের এগিয়ে নিতে এবং বিষয়ভিত্তিকভাবে বিষয়ভিত্তিক দক্ষ,মেধাবী এবং প্রশিক্ষিত শিক্ষকদ্বারা ভার্চুয়াল ক্লাসে যোগ দিতে।

যেসকল বিষয়ের উপর ক্লাস থাকবে...
১) সাধারণ গণিত(৫ম থেকে ১০ম শ্রেণী পর্যন্ত)
২) বিজ্ঞান(৫ম-১০ম)
৩)উচ্চতর গণিত(৯ম-১০ম)
৪)পদার্থ,রসায়ন,জীব(৯ম-১০ম)
৫)ইংরেজী(৫ম-১০ম)

কার্য্যক্রমটি শুরু হবে 'প্রত্যাশা একাডেমি,ধান মহল,হালুয়াঘাট' ও 'Radix ICT Point,Dharabazar(for class 11 & 12) এর সৌজন্যে।

★ভার্চুয়াল ক্লাস কার্যক্রমের সময়সূচী ও আরম্ভের তারিখ পরবর্তী পোস্টে জানিয়ে দেওয়া হবে।

04/06/2021

দীর্ঘদিন বিদ্যালয় সরকারী প্রজ্ঞাপন অনুসারে বন্ধ থাকায় দুষ্ট মানুষ কর্তৃক বিদ্যালয়ের সৌন্দর্য্য নষ্ট হচ্ছে।বুঝে না বুঝে কেউ বিদ্যালয়ের দেওয়ালে আকায়াকি করে,জানালার গ্লাস ভাঙে।দরজা,জানালা ক্ষতিগ্রস্থ করে।
এসব ব্যাপারে প্রত্যেককে সচেতন থাকার আহ্বান ও অনুরুধ করা যাচ্ছে।
বিদ্যালয় একটি সামাজিক সম্পদ।তাই এর সৌন্দর্য্য ও গৌরব বজায় রাখা আপনার,আমার দায়িত্ব।নির্বিশেষে সকলের দায়িত্ব।
আসুন নিজের কোমলমতি সন্তানকে নৈতিক শিক্ষায় গড়ে তুলি।

23/04/2021

সবুজে সুশোভিত বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ

09/09/2020

services.nidw.gov

তথ্যটি জেনে রাখুন।নিজে যেমন উপকৃত হবেন তেমনি অন্যকেও তথ্য দিয়ে সহায়তা দিতে পারবেন।

🌼NID নিয়ে যত সমস্যা ও সমাধান🌻
অামরা সাধারণতঃ এন অাই ডি নিয়ে নিম্নর বিষয় গুলোর জন্য দালালের খপ্পরে ধরা খাই। যেমনঃ ১. হারানো NID কার্ড; ২. NID সংশোধন; ৩. স্মার্ট কার্ড; ৪. নতুন ভোটার হওয়া; ৫. অনলাইন থেকে NID কার্ড ডাউনলোড; ৬. ফি জমাদান পদ্ধতি; ৭. আপনার জিজ্ঞাসা।
চলুন পর্যায়ক্রমে বিষয় গুলো নিয়ে অালোচনা করিঃ

১. হারানো NID কার্ডঃ
আপনার মূল NID কার্ড যদি হারিয়ে যায়, প্রথমেই নিকটস্থ থানায় সাধারণ ডায়েরী (জিডি) করবেন। জিডি করতে কিন্তু টাকা লাগে না। আপনি যদি নতুন করে NID কার্ড উঠাতে চান, তাহলে জিডি কপি দিয়ে অনলাইনে (services.nidw.gov.bd) তে আবেদন করুন। প্রথমবার আবেদন ২৩০/= ( দুইশত ত্রিশ টাকা), ২য় বার আবেদন ৩৪৫/= (তিনশত পঁয়তাল্লিশ টাকা), ৩য়বার আবেদন ৪৬০/= (চারশত ষাট টাকা) লাগে। ফি রকেট মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে পরিশোধ করা যায়। যেভাবে রকেটে ফি জমা দিবেন- ৬ নং ব্যাখ্যা অনুসরণ করুন।
২. NID সংশোধনঃ
আপনার আই.ডি কার্ডের যেকোন তথ্য সংযোজন বিয়োজন করতে চাইলে অর্থাৎ নিজ নামের অথবা স্বামী-স্ত্রী অথবা বাবা-মায়ের নাম সম্পূর্ণ কিংবা আংশিক পরিবর্তন, জন্ম তারিখ, ব্লাড গ্রুপ, মোবাইল নম্বর, বৈবাহিক অবস্থা, ভোটার এলাকা নম্বর, শিক্ষাগত যোগ্যতা সহ অন্যান্য বিষয় পরিবর্তন করতে চাইলে, মোবাইলে/ কম্পিউটারে (services.nidw.gov.bd) আবেদন করতে পারবেন। আপনি কি সংশোধন করবেন, তার জন্য কোন্ কোন্ পেপার সাবমিট করবেন, তা জানতে হবে। আপনি সংশোধন করবেন যা, তার জন্য অপ্রয়োজনীয় কাগজ দিয়ে রেখেছেন, তাহলে কিন্তু সংশোধন হবে না বরং হয়রানিতে পড়বেন। সঠিক তথ্য জেনে, সঠিক কাগজ সাবমিট করুন। সংশোধনী ফি ১ম বার ২৩০ (দুইশত ত্রিশ) টাকা, ২য়বার ৩৪৫/=, ৩য় বার ৪৬০/=। একবার একটা বিষয় সংশোধন করলে, ঐ বিষয়টাই ২য় বার আর সংশোধন করার সুযোগ নেই। এই বিষয়ে, বিস্তারিত তথ্য পাবেন, services.nidw.gov.bd এর "সাধারণ জিজ্ঞাসা" মেনুতে। সংশোধনী ফি কিভাবে জমা দিবেন, ৬ নং ব্যাখ্যা অনুসরণ করুন।
৩. স্মার্ট NID কার্ডঃ
পৃথিবী ব্যাপি যে করেনা ভাইরাস আক্রমন করেছে, তার জন্য সাময়িকভাবে স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র দেওয়া বন্ধ আছে। তারপরও যদি সংশিষ্ট উপজেলায় স্মার্ট কার্ড এসে থাকে, যথাযথভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে নিজ "উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসে" তথ্য নিতে পারেন। স্মাট কার্ড নিতে আপনাকে দেওয়া প্লাস্টিক NID কার্ড টি সংগে নিয়ে আসতে হবে, আর প্লাস্টিক কার্ড না পেয়ে থাকলে ভোটার হওয়ার সময় দেওয়া স্লিপটি সাথে করে নিয়ে যাবেন। স্মার্ট কার্ড সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেওয়া হয়। কেউ টাকা চাইলে সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসারকে অবহিত করুন।
৪. নতুন ভোটার হওয়াঃ
আপনি ভোটার/জাতীয় পরিচয় পত্রের অধিকারী হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করে থাকলে, services.nidw.gov.bd তে লগইন করে, "নতুন নিবন্ধন" অপশনে গিয়ে যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নতুন ভোটার হন। তাছাড়া আপনি কিভাবে আমাদের কাছ থেকে সহযোগীতা পেতে পারেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে নিজ উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হলো। ভোটার হতে কোনো টাকা লাগে না।
৫. অনলাইন থেকে NID কার্ড ডাউনলোডঃ
যারা ২০১৯ সালে ভোটার হয়েছেন, তারা সহজেই অনলাইন থেকে বিনামূল্যে NID কার্ড ডাউনলোড করে লেমিনেটিং করে নিতে পারবেন। যেভাবে ডাউনলোড করবেন---আপনি যদি আপনার NID নম্বর জানা না থাকে, তাহলে services.nidw.gov.bd তে গিয়ে "অন্যান্য তথ্য" তে গিয়ে এন.আই.ডি নম্বরে ক্লিক করুন। ফর্ম নম্বর, জন্ম তারিখ এবং ক্যাপচা পূরণ করে এন.আই.ডি নম্বর জানুন। তারপর হোম পেজ এ চলে যান, সেখানে গিয়ে রেজিষ্টার মেনুতে ক্লিক করুন। তারপর বামপাশে "রেজিষ্টার করুন" অপশনে গিয়ে ক্লিক করুন। তারপর ডাউনলোড করুন, বিনা মূল্যে আপনার NID কার্ড।
৬. ফি জমাদান পদ্ধতিঃ
প্রথমে আপনার মোবাইলের ডায়ালপ্যাডে গিয়ে *৩২২# তে ডায়াল করুন। তারপর Bill pay অপশনে যাবেন। তারপর Self অপশনে যাবেন। তারপর Biller ID 1000 লিখে সেন্ড করুন। তারপর আপনার ১০/ ১৭ ডিজিটের NID নম্বর লিখুন, সেন্ড করুন, এবার অনেক গুলো অপশন দেখতে পাবেন, আপনি যেই সমস্যার জন্য আবেদন করছেন, ঐ অপশনে ডায়াল করুন, কত টাকা কেটে নিবে, ওখানে অটোমেটিক দেখতে পাবেন। এখন আপনার রকেট মোবাইল ব্যাংকিং নম্বর দিয়ে, পিন নম্বর দিয়ে টাকা জমা দিন। তাছাড়া আপনি services.nidw.gov.bd এর হোম পেজ এ "হোম" এর নিচে ফিস/চার্জ এ হিসাব করতে পারেন, কত টাকা লাগবে।
৭. আপনার প্রশ্নঃ
যাবতীয় তথ্যের জন্য services.nidw.gov.bd তে লগইন করে, "সাধারণ জিজ্ঞাসা" অপশনে ক্লিক করুন। সব কিছু জানতে পারবেন।
বিঃদ্রঃ কেউ যদি আপনাকে NID করে দেয়ার কথা বলে ফেসবুকের ইনবক্সে/ মেসেঞ্জারে/ হোয়াটস অ্যাপে/ ইমোতে যেতে বলে, আপনি যাবেন না এবং কারো খপ্পরে পড়বেন না। প্রয়োজনে ভিজিট করুন...
https://services.nidw.gov.bd/

services.nidw.gov

24/08/2020

- কাজী নজরুল ইসলাম---সাম্যবাদী

গাহি সাম্যের গান-
মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহিয়ান্‌ ।
নাই দেশ-কাল-পাত্রের ভেদ, অভেদ ধর্মজাতি,
সব দেশে সব কালে ঘরে-ঘরে তিনি মানুষের জ্ঞাতি।-
‘পূজারী দুয়ার খোলো,
ক্ষুধার ঠাকুর দাঁড়ায়ে দুয়ারে পূজার সময় হ’ল!’
স্বপন দেখিয়া আকুল পূজারী খুলিল ভজনালয়,
দেবতার বরে আজ রাজা-টাজা হ’য়ে যাবে নিশ্চয়!
জীর্ণ-বস্ত্র শীর্ণ-গাত্র, ক্ষুধায় কন্ঠ ক্ষীণ
ডাকিল পান’, ‘দ্বার খোল বাবা, খাইনি ক’ সাত দিন!’
সহসা বন্ধ হ’ল মন্দির, ভুখারী ফিরিয়া চলে,
তিমির রাত্রি, পথ জুড়ে তার ক্ষুধার মানিক জ্বলে!
ভুখারী ফুকারি’ কয়,
‘ঐ মন্দির পূজারীর, হায় দেবতা, তোমার নয়!’
মসজিদে কাল শির্‌নী আছিল,-অঢেল গোস–র”টি
বাঁচিয়া গিয়াছে, মোল্লা সাহেব হেসে তাই কুটি কুটি,
এমন সময় এলো মুসাফির গায়ে আজারির চিন্‌
বলে, ‘ বাবা, আমি ভূখা-ফাকা আমি আজ নিয়ে সাত দিন!’
তেরিয়া হইয়া হাঁকিল মোল্লা-‘ভ্যালা হ’ল দেখি লেঠা,
ভূখা আছ মর গো-ভাগাড়ে গিয়ে! নামাজ পড়িস বেটা?’
ভূখারী কহিল, ‘না বাবা!’ মোল্লা হাঁকিল-‘তা হলে শালা
সোজা পথ দেখ!’ গোস–র”টি নিয়া মসজিদে দিল তালা!
ভুখারী ফিরিয়া চলে,
চলিতে চলিতে বলে-
‘আশিটা বছর কেটে গেল, আমি ডাকিনি তোমায় কভু,
আমার ক্ষুধার অন্ন তা ব’লে বন্ধ করনি প্রভু।
তব মস্‌জিদ মন্দিরে প্রভু নাই মানুষের দাবী।
মোল্লা-পুর”ত লাগায়েছে তার সকল দুয়ারে চাবী!’
কোথা চেঙ্গিস্‌, গজনী-মামুদ, কোথায় কালাপাহাড়?
ভেঙে ফেল ঐ ভজনালয়ের যত তালা-দেওয়া-দ্বার!
খোদার ঘরে কে কপাট লাগায়, কে দেয় সেখানে তালা?
সব দ্বার এর খোলা রবে, চালা হাতুড়ি শাবল চালা!
হায় রে ভজনালয়,
তোমার মিনারে চড়িয়া ভন্ড গাহে স্বার্থের জয়!
মানুষেরে ঘৃণা করি’
ও’ কারা কোরান, বেদ, বাইবেল চুম্বিছে মরি’ মরি’
ও’ মুখ হইতে কেতাব গ্রন্থ ’ নাও জোর ক’রে কেড়ে,
যাহারা আনিল গ্রন্থ’-কেতাব সেই মানুষেরে মেরে,
পূজিছে গ্রন্থ’ ভন্ডের দল! মূর্খরা সব শোনো,
মানুষ এনেছে গ্রন্থ’;-গ্রন্থ’ আনেনি মানুষ কোনো।
আদম দাউদ ঈসা মুসা ইব্রাহিম মোহাম্মাদ
কৃষ্ণ বুদ্ধ নানক কবীর,-বিশ্বের সম্পদ,
আমাদেরি এঁরা পিতা-পিতামহ, এই আমাদের মাঝে
তাঁদেরি রক্ত কম-বেশী ক’রে প্রতি ধমনীতে রাজে!
আমরা তাঁদেরি সন্তান, জ্ঞাতি, তাঁদেরি মতন দেহ,
কে জানে কখন মোরাও অমনি হয়ে যেতে পারি কেহ।
হেসো না বন্ধু! আমার আমি সে কত অতল অসীম,
আমিই কি জানি-কে জানে কে আছে
আমাতে মহামহিম।
হয়ত আমাতে আসিছে কল্কি, তোমাতে মেহেদী ঈসা,
কে জানে কাহার অন্ত- ও আদি, কে পায় কাহার দিশা?
কাহারে করিছ ঘৃণা তুমি ভাই, কাহারে মারিছ লাথি?
হয়ত উহারই বুকে ভগবান্‌ জাগিছেন দিবা-রাতি!
অথবা হয়ত কিছুই নহে সে, মহান্‌ উচ্চ নহে,
আছে ক্লেদাক্ত ক্ষত-বিক্ষত পড়িয়া দুঃখ-দহে,
তবু জগতের যত পবিত্র গ্রন্থ’ ভজনালয়
ঐ একখানি ক্ষুদ্র দেহের সম পবিত্র নয়!
হয়ত ইহারি ঔরসে ভাই ইহারই কুটীর-বাসে
জন্মিছে কেহ- জোড়া নাই যার জগতের ইতিহাসে!
যে বাণী আজিও শোনেনি জগৎ, যে মহাশক্তিধরে
আজিও বিশ্ব দেখনি,-হয়ত আসিছে সে এরই ঘরে!
ও কে? চন্ডাল? চম্‌কাও কেন? নহে ও ঘৃণ্য জীব!
ওই হ’তে পারে হরিশচন্দ্র, ওই শ্মশানের শিব।
আজ চন্ডাল, কাল হ’তে পারে মহাযোগী-সম্রাট,
তুমি কাল তারে অর্ঘ্য দানিবে, করিবে নান্দী-পাঠ।
রাখাল বলিয়া কারে করো হেলা, ও-হেলা কাহারে বাজে!
হয়ত গোপনে ব্রজের গোপাল এসেছে রাখাল সাজে!
চাষা ব’লে কর ঘৃণা!
দে’খো চাষা-রূপে লুকায়ে জনক বলরাম এলো কি না!
যত নবী ছিল মেষের রাখাল, তারাও ধরিল হাল,
তারাই আনিল অমর বাণী-যা আছে র’বে চিরকাল।
দ্বারে গালি খেয়ে ফিরে যায় নিতি ভিখারী ও ভিখারিনী,
তারি মাঝে কবে এলো ভোলা-নাথ গিরিজায়া, তা কি চিনি!
তোমার ভোগের হ্রাস হয় পাছে ভিক্ষা-মুষ্টি দিলে,
দ্বারী দিয়ে তাই মার দিয়ে তুমি দেবতারে খেদাইলে।
সে মার রহিল জমা-
কে জানে তোমায় লাঞ্ছিতা দেবী করিয়াছে কিনা ক্ষমা!
বন্ধু, তোমার বুক-ভরা লোভ, দু’চোখে স্বার্থ-ঠুলি,
নতুবা দেখিতে, তোমারে সেবিতে দেবতা হ’য়েছে কুলি।
মানুষের বুকে যেটুকু দেবতা, বেদনা-মথিত সুধা,
তাই লুটে তুমি খাবে পশু? তুমি তা দিয়ে মিটাবে ক্ষুধা?
তোমার ক্ষুধার আহার তোমার মন্দোদরীই জানে
তোমার মৃত্যু-বাণ আছে তব প্রাসাদের কোন্‌খানে!
তোমারি কামনা-রাণী
যুগে যুগে পশু, ফেলেছে তোমায় মৃত্যু-বিবরে টানি’।

11/07/2020

নব প্রজন্ম,
তোমাদের ভুলে গেলে চলবেনা বিদ্যালয়ের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসের কথা।তোমাদের ভুলে গেলে চলবেনা বিদ্যালয়ের শিক্ষক মহোদয়দের অক্লান্ত ও আন্তরিক প্রচেষ্টার কথা।
তোমরা কিছুতেই ভুলে যেওনা প্রাক্তন কৃতি শিক্ষার্থীদের কথা।তোমরা ভুলে যেওনা জীবন থেকে,চাকুরী থেকে অবসর নেওয়া গুনী শিক্ষকদের কথা।তোমরা জেনে রেখো এই বিদ্যাপীঠে একজন আ.হা.মু হায়দার রাজ্জাক স্যার ছিলেন(বাংলা ব্যাকরণে যার বিশাল দখল ছিল।),বাছির উদ্দিন স্যার ছিলেন(ইংরিজীতে বিশাল দখল ছিল।),ছিলেন সালেহ মাহমুদ স্যার(হিসাববিজ্ঞান,বাংলা,ইংরেজী সহ অনেক বিষয়ে বিজ্ঞ ছিলেন।এককথায় আলুর মতো।),খলিলুর রহমান স্যার ছিলেন(শরীরচর্চায় দক্ষতা ছিল।),আজিজুর রহমান স্যার ছিলেন(ইংরেজীতে অগাধ দখল ছিল।),কছিমউদ্দিন স্যার ছিলেন(ইসলাম শিক্ষার জন্য দক্ষ ছিলেন।) সহ অনেকেই।যাদের অক্লান্ত প্ররিশ্রম ও প্রচেষ্টায় আজকের এই বিদ্যাপীঠের খ্যাতি।
শুধু উনারাই নন।প্রতিষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট সকল শিক্ষক মহোদয়ের মেধা ও শ্রমে আমাদের বিদ্যালয়।

শ্রদ্ধা সকল জাতি গঠনের কারিগরদের প্রতি।

27/02/2020

"আমার ঘরের সামনের-পেছনের দুই দরজাই তোর জন্য ২৪ ঘন্টাই খোলা।
আমার শরীরে রক্ত থাকতে তোর গায়ে কেউ একটা আচড় কেটে দেখুক না।"-০৭ জুন ২০০৮

"তুই ভাবিস না তুই আমার ভাতিজা বলে তোরে মারতাম না।তোরে মাইর দেওয়া আমার ফরজ অইয়্যা গেছে।তোরে না মারলে ওর ভাববে চাচা-ভাতিজা সম্পর্কের জন্য তোরে আমি মারছিনা।"

স্যার তখন অসুস্থ।হাতে বেত-ই নিক আর কলম-ই ধরুক।থরথর করে হাত কাপতো।কিন্তু অবাক করার বিষয় এটাই ছিল যে,
"থরথর করে হাত কাঁপলেও হাতের লেখা ছিল খুবই নিপুন।অতিশয় নিপুন।ছাপা বর্ণের চেয়ে কিছুতেই কম নয়।"-১৯৯৮ ও ১৯৯৯ ইং

চলে গেলেন শিক্ষাগুরু জনাব আজিজুজ্জামান খান(পিপড়াল স্যার)।আজ রাত ০৩:০০ টায় তিনি চলে গেলেন না ফেরার দেশে।
মরহুমের জানাজা আজ বেলা ২:৩০ মিনিটে " কুতিকুড়া করুয়াপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়" প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে।
স্যারের রূহের মাগফিরাত কামনা করছি।

২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২০ ইং,বৃহস্পতিবার/১১;২২ এএম

24/02/2020

ব্যাংকে টাকা জমা রাখার আগে জেনে রাখা দরকার...

অর্থনীতি
কোন ব্যাংক বন্ধ হয়ে গেলে, কোটি টাকা জমা থাকলেও গ্রাহক পাবে মাত্র ১ লাখ!
প্রবাসী বাংলা সংবাদ প্রকাশ ফেব্রু ২৩, ২০২০ ১,৬১০


কোন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেলে বা অবসায়িত হলে সেই ব্যাংকের বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের আমানতকারীরা তাদের জমানো সব টাকা ফেরত পাবেন না।

শুধু তাই নয়, গ্রাহকের নামে কোটি টাকা জমা থাকলেও তাকে মাত্র এক লাখ টাকা ফেরত দেয়ার বিধান রেখে ‘আমানত সুরক্ষা আইন’ এর প্রস্তাবনা তৈরি করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটে এটি তুলে ধরা হয়েছে।

প্রস্তাবনায় ‘তহবিল এর দায়’ বিষয়ক ধারা-৭ এর (১) উপধারায় বলা হয়েছে, কোন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান এর অবসায়নের আদেশ হলে, বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ওই অবসায়িত ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রত্যেক আমানতকারীকে তার বীমাকৃত আমানতের সম পরিমাণ (যা সর্বাধিক এক লাখ টাকা অথবা সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক সময়ে সময়ে নির্ধারিত টাকার বেশি হবে না), তহবিল হতে প্রদান করবে।


প্রস্তাবনার ৭ এর (২) এর ধারায় বলা হয়েছে, অবসায়িত ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে কোন আমানতকারীর একাধিক হিসাব থাকলে ওই হিসাবে যদি একত্রে এক লাখ টাকার বেশি স্থিতি থাকে তবুও তাকে সর্বাধিক এক লাখ টাকা কিংবা সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক সময়ে সময়ে নির্ধারিত টাকার বেশি পরিশোধ করা হবে না।

এ প্রসঙ্গে গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘আমানতকারীরা তখনই সুরক্ষিত থাকবে, যখন ব্যাংক থেকে লুটপাট বন্ধ হবে।’ তিনি বলেন, ‘কোন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ হলে এক লাখ টাকার বেশি পাবে না। এটা ঠিক আছে, অন্যান্য দেশেও আমানত সুরক্ষা আইনে এমনটি থাকে। তবে অন্যান্য দেশে ব্যাংক থেকে এভাবে টাকা লুটপাট হয় না।’

তিনি বলেন, ‘বর্তমান প্রেক্ষাপটে আমানত সুরক্ষা পেতে হলে গ্রাহকদের নিজেদের সচেতন থাকতে হবে। নিজের টাকা ঝুঁকিপূর্ণ ব্যাংকে না রেখে ভাল ব্যাংকে রাখতে হবে। বিশেষ করে যেসব ব্যাংক ভাল, দেখেশুনে সেই সব ব্যাংকে টাকা রাখতে হবে।

আর যেসব ব্যাংক দুর্বল, সুশাসন নেই, দুর্নীতির আখড়া, লুটপাট করে টাকা বের করে নেয়া হয়, সেসব ব্যাংক থেকে দূরে থাকতে হবে। মনে রাখতে হবে, সব ব্যাংক সমান নয়।’ এ ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংকের কেউ মন্তব্য করতে রাজি হননি।

অবশ্য বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নাম প্রকাশ না করে বলেছেন, ‘আগের আইনেও এক লাখ টাকার কথাই আছে। এখন আমানত সুরক্ষায় আইনটি সংশোধন করা হচ্ছে। তারা বলছেন, আগেও অবসায়িত ব্যাংকে আমানতকারীর সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা ফেরত দেয়া হতো। কোন আমানতকারীর এক লাখ টাকা জমা থাকলে তিনি পুরো অর্থই ফেরত পেতেন।

তবে বেশি থাকলেও সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা দেয়া হতো।’ জানা গেছে, বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর গ্রাহকের আমানতের সুরক্ষা দিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের তত্ত্বাবধানে ‘ব্যাংক আমানত বীমা’ নামে একটি তহবিল আছে। এই তহবিলে প্রতি ছয় মাস পর ব্যাংকগুলোকে মোট আমানতের ওপর নির্দিষ্ট হারে প্রিমিয়াম জমা দিতে হয়।

কোন ব্যাংক নির্ধারিত সময়ে প্রিমিয়াম পরিশোধে ব্যর্থ হলে বাংলাদেশ ব্যাংকে তার রক্ষিত হিসাব থেকে প্রিমিয়ামের সমপরিমাণ অর্থ কেটে নেয়া হয়। ব্যাংকের আর্থিক অবস্থা ভাল হলে কম প্রিমিয়াম এবং খারাপ হলে বেশি হারে প্রিমিয়াম দিতে হয়। স্বাভাবিক ব্যাংকগুলোকে প্রতি ১০০ টাকা আমানতের বিপরীতে ৮ পয়সা হারে প্রিমিয়াম জমা দিতে হচ্ছে।

এছাড়া সতর্কতামূলক অবস্থায় (আরলি ওয়ার্নিংয়ে) থাকা ব্যাংকের ক্ষেত্রে ৯ পয়সা হারে এবং সমস্যাগ্রস্ত (প্রবলেম) ব্যাংকের ক্ষেত্রে ১০ পয়সা হারে প্রিমিয়াম জমার বিধান করা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, আমানত সুরক্ষায় আইন দিয়ে এই তহবিল পরিচালিত হয়। আগের আইনের মতো সংশোধিত আইনেও সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা পর্যন্ত আমানত বীমার প্রিমিয়াম দ্বারা সুরক্ষিত করা হবে। কোন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ হলে এ আইনের ক্ষমতাবলে গ্রাহককে সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা পর্যন্ত ফেরত দেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

এ প্রসঙ্গে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক অর্থ উপদেষ্টা ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে কোন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ হলে আমানতকারীদের সুরক্ষা দেয়ার কোন বিধান নেই, আর্থিক খাতের এটাই হলো বড় দুর্বলতা। তিনি বলেন, আইনে এক লাখ টাকা ক্ষতিপূরণের বিধান হলে গ্রাহকদের মধ্যে অনাস্থা তৈরি হতে পারে।
এ কারণে বুঝেশুনে আইনটি করা উচিত। অর্থনীতিবিদদের মতো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারাও মনে করেন আমানত সুরক্ষার এই আইন বাস্তবায়ন হলে বন্ধ হওয়া ব্যাংকের ৯৫ শতাংশ আমানত বেহাত হবে। প্রসঙ্গত, ব্যাংকের আমানতের সুরক্ষা দিতে ১৯৮৪ সালে সর্বপ্রথম একটি অধ্যাদেশ জারি করা হয়।

অধ্যাদেশকে ২০০০ সালে ব্যাংক আমানত বীমা আইন ২০০০-এ পরিণত করা হয়। এতে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের আমানত এ আইনের বাইরে ছিল। ২০১৭ সালে আইনটি সংশোধনের উদ্যোগ নেয়া হয়।

সম্প্রতি আর্থিক প্রতিষ্ঠান পিপলস লিজিং অবসায়নের উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। কিন্তু আমানতকারীদের অর্থ ফেরতের কোন নিশ্চয়তা নেই। এর আগে ওরিয়েন্টাল ব্যাংক এবং দ্য ফারমার্স ব্যাংকের ক্ষেত্রেও একই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছিল।

জানা গেছে, ভারত বিভক্তির পর দেউলিয়া হওয়া পাইওনিয়ার ব্যাংক এবং ক্যালকাটা মর্ডান ব্যাংকের লিকুইডেশনের সমস্যা এখনও সমাধান হয়নি। তবে সর্বশেষ ২০০৬ সালে দেউলিয়া হয় ওরিয়েন্টাল ব্যাংক। মালিকপক্ষের লুটপাটের কারণে অতিরুগ্ণ হয়ে পড়লে ওই বছরের ১৯ জুন ব্যাংকটির দায়িত্ব নেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

পরে মালিকপক্ষের ৮৬ শতাংশ শেয়ারের বড় অংশ কিনে নেয় আইসিবি গ্রুপ। তারপর ব্যাংকটির নাম পরিবর্তন করে করা হয় আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক। কিন্তু গ্রাহকরা এখনও টাকা ফেরত পাননি।

১৯৯২ সালে ব্যাংক অব ক্রেডিট এ্যান্ড কমার্স ইন্টারন্যাশনাল (বিসিসিআই) বিলুপ্ত হয়ে ইস্টার্ন ব্যাংক গড়ে উঠেছিল। যদিও বিসিসিআইর বিভিন্ন দেশের গ্রাহকরা এখনও টাকা ফেরত পাননি।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, এক লাখ টাকা পর্যন্ত জমা আছে এমন এ্যাকাউন্টে আমানতের পরিমাণ ৬১ হাজার ৩৬ কোটি টাকা। অর্থাৎ এ পরিমাণ টাকা বর্তমানে বীমা আইন দ্বারা সুরক্ষিত। বাকি টাকা অরক্ষিত।

এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, গত বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৫৯টি ব্যাংকে জমাকৃত আমানতের পরিমাণ ১১ লাখ ৫৯ হাজার ২৮৯ কোটি টাকা। প্রায় ১০ কোটি ২৯ লাখ এ্যাকাউন্টে এ অর্থ জমা আছে। এর মধ্যে ৭৯ হাজার ৮৭৭ জনের এ্যাকাউন্টে রয়েছে এক কোটি টাকার বেশি আমানত।

শুধু ৫০ কোটি টাকার বেশি আমানত রাখা ব্যক্তি রয়েছেন ১ হাজার ২২১ জন। ৪০ কোটি টাকার বেশি আমানত রাখা ব্যক্তি রয়েছেন ৩৭১ জন। ৩৫ কোটি টাকার বেশি আমানত রেখেছেন ২৪২ জন। ৩০ কোটি টাকারও বেশি আমানত রেখেছেন ৩৪৪ জন।

২৫ কোটি টাকার বেশি আমানত রেখেছেন ৫১৯ জন। ২০ কোটি টাকার বেশি আমানত রেখেছেন ৯৫৩ জন। ১৫ কোটি টাকার বেশি আমানত রেখেছেন ১ হাজার ৩২৬ জন। ১০ কোটি টাকার বেশি আমানত রেখেছেন ২ হাজার ৯৮৬ জন।

পাঁচ কোটি টাকার বেশি আমানত রেখেছেন ৮ হাজার ৯৫২ জন। প্রতিবেদনে দেখা যায়, ব্যাংকগুলোয় মোট আমানতের মধ্যে বেসরকারী খাতের ব্যক্তি ও ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের মোট আমানতের পরিমাণ ৯ লাখ ৪৩ হাজার ৬০৫ কোটি টাকা।

মোট ১০ কোটি ২৫ লাখ এ্যাকাউন্টে ওই অর্থ জমা আছে। আমানত সুরক্ষা আইনের খসড়ায় বলা হয়েছে, কোন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান পরপর দুবার বীমার প্রিমিয়ামের অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে গ্রাহকের কাছ থেকে আমানত সংগ্রহ করতে পারবে না।

টানা দুইয়ের অধিক প্রিমিয়াম দিতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে অবসায়ন করা হবে। গ্রাহকদের ক্ষতিপূরণ দিতে, তহবিল পরিচালনা ও প্রশাসনের জন্য আমানত সুরক্ষা আইনের আওতায় বাংলাদেশ ব্যাংকে আমানত সুরক্ষা ট্রাস্ট তহবিল নামে একটি তহবিল গঠন করা হবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালকরা এ তহবিলের ট্রাস্টি বোর্ড হবেন। খসড়ায় আরও বলা হয়, কোন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান অবসায়নের পর তার আমানতকারীদের যে অর্থ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ট্রাস্ট তহবিল পরিশোধ করবে, সেটি সংশ্লিষ্ট দেউলিয়া হওয়া ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিট সম্পদের বিপরীতে যে তারল্য থাকবে তা থেকে সমন্বয় করা হবে।

24/02/2020

জেনে রাখুন কোন ভাষায় কতটি বর্ণ নিয়ে ভাব বিনিময় হয়...

বাংলা ৫২
বাংলায় সব মিলিয়ে ৩২টি অক্ষর৷ তবে যুক্তাক্ষর ধরলে ৫২টি অক্ষর৷ দেবনাগরী লিপি না হলেও তার সঙ্গে বাংলা বর্ণের প্রচুর মিল৷ মূলত এই লিপির জন্ম ব্রাহ্মী থেকে৷

তামিল ২৪৭
তামিল ভাষায় মূল অক্ষর ৩১টি৷ তবে যুক্তাক্ষর ধরলে সেখানে আরো ২১৬টি অক্ষর যুক্ত হয়৷ অর্থাৎ, সব মিলিয়ে ২৪৭টি অক্ষর৷ বিশ্বের যে কোনো ভাষার চেয়ে বেশি অক্ষর তাই তামিলে৷

আরবি ২৯
আরবি লিপি ডান থেকে বাম দিকে লেখা হয়। ২৯টি বর্ণ বা হরফের এই লিপিতে কেবল ব্যঞ্জন ও দীর্ঘ স্বরধ্বনি নির্দেশ করা হয়। আরবিতে বড় হাতের ও ছোট হাতের অক্ষর বলে কিছু নেই। আরবি লিপি এক অক্ষরের সাথে আরেক অক্ষর পেঁচিয়ে লেখা হয়। প্রতিটি বর্ণের একাধিক রূপ আছে, যে রূপগুলি বর্ণটি শব্দের শুরুতে, মাঝে, শেষে নাকি আলাদাভাবে অবস্থিত, তার উপর নির্ভর করে। কতগুলি বর্ণ একই মূল রূপের উপর ভিত্তি করে লেখা হয় এবং বিন্দুর সংখ্যা দিয়ে একে অপরের থেকে পৃথক করা হয়।

খামের ৭৪
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার পুরনো দেশগুলির অন্যতম কম্বোডিয়া৷ খামের সংস্কৃতি বহু শতাব্দীর৷ খামের ভাষাও খুব সমৃদ্ধ৷ খামের ভাষায় ৭৪টি অক্ষর আছে, যার মধ্যে ৩৫টি ব্যাঞ্জনবর্ণ এবং ১৪টি স্বরবর্ণ৷ বাকি অক্ষরগুলি যুক্তবর্ণ৷ তবে ব্যাঞ্জনবর্ণের মধ্যে ৩৩টি এখন ব্যবহৃত হয়, ২টির কোনো ব্যবহার নেই৷

থাই ৭০
থাইল্যান্ডের ভাষা থাই৷ থাই ভাষায় সব মিলিয়ে ৭০টি অক্ষর, যার মধ্যে ৪৪টি ব্যাঞ্জনবর্ণ এবং ১৫টি স্বরবর্ণ৷ এই দুই অক্ষর মিলিয়ে বেশ কিছু যুক্তাক্ষরও তৈরি হয়৷

মালয়ালম ৫৮
দক্ষিণ ভারতের কেরলে মালয়ালম ভাষার প্রচলন আছে৷ এই ভাষায় মোট ৫৮টি অক্ষর, যার মধ্যে ১৩টি স্বরবর্ণ এবং ৩৬টি ব্যাঞ্জনবর্ণ৷ আর কিছু অন্তচিহ্ন আছে৷ ওই অঞ্চলের ছোট ছোট বেশ কয়েকটি ভাষাও মালয়ালম অক্ষরেই লেখা হয়৷

তেলেগু ৫৬
ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশে তেলেগু মুখ্যভাষা৷ তেলেঙ্গানা প্রদেশেও৷ কন্নড় ভাষার সঙ্গে তেলেগু লিপির বহু মিল আছে৷ কারণ, দু’টি ভাষারই সৃষ্টি একই জায়গা থেকে৷ সব মিলিয়ে ৫৬টি অক্ষর আছে এই ভাষায়৷

সিংহলী ৫৪
শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রভাষা ভাষা সিংহলী৷ অসামান্য সুন্দর এই ভাষার অক্ষর বিন্যাস৷ সব মিলিয়ে অক্ষরের সংখ্যা ৫৪৷ এই ভাষাতেও সংযুক্ত অক্ষরের প্রচলন আছে৷

কন্নড় ৪৯
দক্ষিণ ভারতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ৪টি ভাষার একটি কন্নড়৷ কর্ণাটকে মূলত এই ভাষা ব্যবহৃত হয়৷ কন্নড় ভাষায় ১৩টি স্বরবর্ণ আছে৷ তবে তার মধ্যে অনুস্বর এবং বিসর্গ নেই৷ কন্নড়ে ব্যাঞ্জনবর্ণের সংখ্যা ৩৬৷

হিন্দি ৪৪
হিন্দিও স্বরবর্ণ এবং ব্যাঞ্জনবর্ণে বিভক্ত, যার মধ্যে ১১টি স্বরবর্ণ এবং ৩৩টি ব্যাঞ্জনবর্ণ৷ হিন্দি ভাষার উৎপত্তি দেবনাগরী থেকে৷ সংস্কৃতের প্রচুর প্রভাব আছে এই ভাষায়৷

হাঙ্গেরিয়ান ৪৪
লাতিন বর্ণমালা থেকেই হাঙ্গেরিয়ান বর্ণমালার উৎপত্তি৷ রোমান বর্ণমালার এ থেকে জেড ছাড়াও এই বর্ণমালায় আরো বেশ কিছু অক্ষর দেখতে পাওয়া যায়৷

রুশ ৩৩
আধুনিক রুশ বর্ণমালায় ৩৩টি অক্ষর৷ রুশ ভাষায় সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত অক্ষর ঔ, এ, আ এবং ন৷ রুশ ভাষার সাহিত্য সারা পৃথিবীতেই এক সময় অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিল৷

আজারবাইজানি ৩২
আজারবাইজানে বলা হয় আজারবাইজানি ভাষা৷ এই ভাষার অক্ষরবিন্যাসও তৈরি হয়েছে লাতিন বর্ণমালার উপর ভিত্তি করে৷ তবে লাতিনের চেয়ে কিছু আলাদা অক্ষরও তাদের বর্ণমালায় ব্যবহার করা হয়৷

ইংরেজি ২৬
ইংরেজিতে মোট ২৬টি অক্ষর আছে, যার মধ্যে ৫টি ভাওয়েল এবং ২১টি কনসোনেন্ট৷ সারা পৃথিবীতেই ইংরেজি ভাষার ব্যাপক ব্যবহার৷ মূলত রোমান স্ক্রিপ্ট থেকেই তৈরি হয়েছে ইংরেজির বর্ণমালা৷

গ্রিক ২৪
গ্রিক বর্ণমালায় মোট ২৪টি অক্ষর, যার প্রথম অক্ষর আলফা৷ আর শেষ হয় ওমেগা দিয়ে৷ বিজ্ঞান এবং গণিতের বহু ক্ষেত্রে এখনো গ্রিক অক্ষর ব্যবহার করা হয় সারা পৃথিবীতেই৷

হিব্রু ২২
আরবি, ফারসি কিংবা উর্দুর মতো হিব্রু ভাষাও বাঁ দিক থেকে ডানদিকে লেখা হয়৷ এই ভাষার বর্ণমালায় মোট ২২টি অক্ষর আছে৷ইজরায়েলের রাষ্ট্রভাষা হিব্রু৷ এই ভাষার ইতিহাসও কয়েক হাজার বছর প্রাচীন৷

20/02/2020

বাংলা অর্থ সহকারে ১৪০টি
গুরুত্বপূর্ণ ইংরেজি প্রবাদ
বাক্য (PROVERBS), একবার
পড়লে মুখস্থ হবে না, শেয়ার
দিয়ে রাখুন, পরে সহজে খুঁজে
পাবেন।
1) A bad workman quarrels with his tools.
➫নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা।
2) A bird in hand is worth two in the bush.
➫গাছের দশটা থেকে পাতের একটাই
ভাল ।
3) A burnt child always fears fire.
➫ ন্যাড়া একবারই বেলতলায় যায়।/
ঘরপোড়া গরু
সিঁদুরে মেঘ দেখলে ভয় পায় ।
4) A cat has nine lives.
➫ কই মাছের প্রাণ শক্ত বড়।
5) A cat loves fish but is loath to wet her
feet.
➫ ধরি মাছ না ছুঁই পানি।
6) A drowning man catches at a straw.
➫ ডুবন্ত মানুষ খড়কুটো পেলেও আঁকড়ে
ধরে ।
7) A little learning is a dangerous thing.
➫ অল্পবিদ্যা ভয়ঙ্করী ।
8) A stitch in time saves nine.
➫ সময়ের এক ফোঁড়,অসময়ের দশ ফোঁড়।
9) A tree is known by its fruit.
➫ ফলেই পরিচয়।
10) Adversity often leads to prosperity.
➫দুর্ভাগ্যই অনেক স্থানে সৌভাগ্যের
মূল।
11) After cloud comes fair weather.
➫ দুঃখের পর সুখ আসে।
12) After death comes the doctor.
➫ চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে।
13) After meat comes mustard.
➫ নুন আনতে পান্তা ফুরায় ।
14) After sweetmeat comes sauce.
➫ যত হাসি,তত কান্না।
15) All covet,all lost.
➫ অতি লোভে তাঁতি নষ্ট ।
16) All feet tread not in one shoe.
➫ নানা মুনির নানা মত ।
17) All his geese are swans.
➫ নিজের জিনিস সকলেই ভাল দেখে।
18) All that glitters is not gold.
➫ চক্ চক্ করলেই সোনা হয় না ।
19) All’s well that ends well.
➫ শেষ ভাল যার,সব ভাল তার।
20) As is the evil,so is the remedy.
➫ যেমনি বুনো ওল,তেমনি বাঘা তেঁতুল।/
যেমন
কুকুর,তেমন মুগুর ।
21) As you sow, so shall you reap.
➫ যেমন কর্ম,তেমন ফল ।
22) Bachelor’s wife and maid’s children are
always well taught.
➫ মাথা নেই,তার মাথা ব্যথা!
23) Barking dogs seldom bite.
➫ যত গর্জে,তত বর্ষে না ।
24) Before you marry,be sure of a house
where in to tarry.
➫ বিয়ে করতে কড়ি আর ঘর বাঁধতে ছড়ি।
25) Beggar may sing before a pick-pocket.
➫ ন্যাংটার নেই বাটপারের ভয়।
26) Beggars must not be choosers.
➫ ভিক্ষার চাল কাঁড়া আর আঁকাড়া।
27) Better alone than in bad company.
➫ কুসঙ্গে থাকার চেয়ে একা থাকা
ভাল।
28) Better an empty house than an ill tenant.
➫ দুষ্ট গরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল ভাল।
29) Birds of a same feather flock together.
➫ চোরে চোরে মাসতুতো ভাই।
30) Black will take no other hue.
➫ কয়লা ধুলেও ময়লা যায় না ।
31) To Build castle in the air.
➫ আকাশ কুসুম রচনা করা।
32) Call a spade a spade.
➫ স্পষ্টাস্পষ্টি কথা বলা।
33) Carry coal to Newcastle.
➫ তেলে মাথায় তেল দেওয়া।
34) Cast pearls before swine.
➫ উলু বনে মুক্তা ছড়ানো।
35) Charity begins at home.
➫ আগে ঘর,তবে তো পর ।
36) Cheap goods are dear in the long run ➫
সস্তার তিন অবস্থা।
37) Child is father to the man.
➫ উঠন্তি মুলো পত্তনেই চেনা যায়।
38) Cut off one’s nose to spite one’s face. ➫
নিজের নাক কেটে পরের যাত্রা ভঙ্গ
করা।
39) Cut your coat according to your cloth. ➫
আয় বুঝে ব্যয় কর।
40) Devil would not listen to the scripture./
You can’t reform a rogue.
➫ চোরে না শুনে ধর্মের কাহিনী।
41) Diligence is the mother of good luck.
➫ পরিশ্রমই সৌভাগ্যের মূল ।
42) Diligence is the mother of good luck./
Industry is the mother of success. ➫
পরিশ্রমই সৌভাগ্যের প্রসূতি।
43) Do or die./Risk all to win.
➫ মন্ত্রের সাধন কিংবা শরীর পাতন।
44) Empty vessels sound much.
➫ শূন্য কলসী বাজে বেশি।
45) Empty vessels sound much./Too much
talk ends nothing.
➫ অসারের তর্জন গর্জনই সার।/শূন্য
কলসী বাজে বেশি।
46) Every man is for himself.
➫ চাচা আপন প্রাণ বাঁচা।
47) Everybody’s business is nobody’s
business.
➫ ভাগের মা গঙ্গায় পায় না।
48) Example is better than precept.
➫ উপদেশের চেয়ে দৃষ্টান্ত ভাল ।
49) Familiarity breeds contempt.
➫ বেশি মাখামাখি করলে মান থাকে
না।
50) Faults are thick where love is thin.
➫ যাকে দেখতে নারি , তার চলন বাঁকা।
51) Fine words butter no parsnips.
➫ মিষ্টি কথায় চিড়ে ভিজে না।
52) Fools rush in where angels fear to tread.
➫ হাতি ঘোড়া গেল তল,পিঁপড়া বলে কত
জল।/বিজ্ঞ যেথা ভয় পায়,অজ্ঞ সেথা
আগে ধায়
53) Give him an inch and he’ll take an ell. ➫
লাই দিলে কুকুর মাথায় ওঠে।/বসতে
পেলে শুতে চায়।
54) Give me roast meat and beat with the
spit.
➫ পেটে খেলে পিঠে সয়।
55) God helps those who help themselves. ➫
ঈশ্বর তাদেরই সাহায্য করেন যারা
নিজেদেরকে সাহায্য করে ।
56) God helps those who help themselves. /
God favours those who spare no pairs.
➫স্বাবলম্বী লোকদের ঈশ্বর সাহায্য
করেন।
57) Good wine needs no bush.
➫ চেনা বামুনের পৈতা লাগে না।
58) Grapes are sour.
➫ আঙ্গুর ফল টক।/পেলো না,তাই খেলো
না।
59) Grasp all,lose all.
➫ অতি লোভে তাঁতী নষ্ট।/লোভে
পাপ,পাপে মৃত্যু।
60) Great boast,small roast.
➫ ফ্যান দিয়ে ভাত খায়,গল্পে মারে দই।
61) Handsome is as handsome does.
➫ সুন্দর তাই,যা সুন্দররা করে।
62) Harm hatch,harm catch.
➫ পরের মন্দ করতে গেলে নিজের মন্দ
আগে ফলে।/পরের জন্য খাল কাটতে
গেলে সেই খালে নিজেকেই আগে পড়তে
হয়।
63) Harm watch, harm catch.
➫ ভয় করলে ভয় আপনি এসে পড়ে।
64) He who has nothing to spare must not
keep a dog.
➫ আপনি শুতে ঠাঁই পায় না,শঙ্করাকে
ডাকে।
65) He who spits against the wind spits
against his own face.
➫ আকাশের দিকে থুথু ফেললে আপনার
গায়েই লাগে।
66) Honesty is the best policy.
➫ সততাই সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা।
67) Hunger gives taste to foods.
➫ ক্ষুধা পেলে বাঘে ধান খায়।
68) Hunger is the best sauce.
➫ খিদে থাকলে আলুনিও রোচে ।
69) Ill got,ill spent.
➫ পাপের ধন প্রায়শ্চিত্তে যায় ।
70) Indolence is the mother of poverty.
➫ কুঁড়ের অন্ন হয় না।
71) It takes time to get used to things.
➫ অনভ্যাসের ফোঁটা কপালে চড়চড় করে।
72) It takes two to make a quarrel.
➫ এক হাতে তালি বাজে না।
73) Keep the shop, and the shop will keep
thee.
➫ যাকে রাখ,সেই রাখে।
74) Leopard cannot change its spats.
➫ ইল্লোত যায় না ধুলে,স্বভাব যায় না
মলে।
75) Let bygones be bygones.
➫ গতস্য শোচনা নাস্তি ।
76) Like father,like son.
➫ যেমনি বাপ,তেমনি বেটা।/বাপকা
বেটা, সিপাইকা ঘোড়া।
77) Look before you leap.
➫ ভাবিয়া করিও কাজ ।/দেখেশুনে পা
বাড়াও।
78) Make a mountain of a mole hill.
➫ তিলকে তাল করা।
79) Make the best of an opportunity./Make
hay while the sun shines./Strike when the
iron is hot.
➫ ঝোপ বুঝে কোপ মার।
80) Man proposes,God disposes.
➫ মানুষ ভাবে এক,হয় আরেক।
81) Many a little make a mickle.
➫ রাই কুড়াতে কুড়াতে বেল হয়।
82) Many drops make a shower.
➫ বিন্দু বিন্দু জলে সিন্ধু হয়।
83) Many men,many minds.
➫ যত মানুষ,তত মত ।
84) Might is right.
➫ জোর যার,মুলুক তার।
85) Misfortune never comes alone.
➫ বিপদ কখনো একা আসে না।
86) Necessity is the mother of invention.
➫ প্রয়োজনই আবিস্কারের প্রসূতি।
87) Necessity knows no law.
➫ আতুরে নিয়ম নাস্তি।/প্রবাসে নিয়মে
নাস্তি।/
প্রয়োজন কোন আইন মানে না।
88) Nero fiddles while Rome burns.
➫ কারো পৌষমাস,কারো সর্বনাশ।
89) No pains,no gains.
➫ কষ্ট না করলে কেষ্ট মেলে না ।
90) No smoke without fire.
➫ কিছু রটে তো কিছু বটে।
91) None can control a woman’s tongue.
➫ অবলার মুখই বল।
92) Nothing succeeds like success.
➫ সফল হলে লোকে সফল বলে ।
93) the times, O the manners
➫ সে রামও নেই,সে রাজত্বও নেই ।
94) Oil your own machine.
➫ আপন চরকায় তেল দাও ।
95) One beats the bush,another catches the
bird./One sows another reaps.
➫ যার ধন তার ধন নয়,অন্যে খায় দই।/ডিম
পাড়ে হাঁসে,খায় বাঘডাশে।
96) One doth the scath, another hath the
scorn.
➫ উদোর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে।
97) One swallow does not make a summer.
➫ এক মাঘে শীত যায় না।
98) One swallow does not make a summit.
➫নামমাত্র প্রমাণে সত্য নির্ণয়
নির্বোধের কাজ ।
99) One thorn drives away another.
➫ কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলা।
100) Pair of devoted friends.
➫ অন্তরঙ্গ বন্ধুদ্বয়।

101) Penny wise,pound foolish.
➫ বজ্র আঁটুনি ফস্কা গেরো।
102) Practice makes perfect.
➫ ঘষতে ঘষতেই ধার ওঠে।/গাইতে গাইতে
গায়েন।
103) Pride goeth before a fall.
➫ অতি দর্পে হত লঙ্কা।/অহংকার পতনের
মূল।
104) Rome was not built in a day.
➫ রোম সাম্রাজ্য একদিনে তৈরি হয়
নি।/বড় কাজ এক নিমেষে হয় না ।
105) Self help is the best help
➫ বল্ বল্ বাহু বল্।
106) Shallow knowledge turns one’s head. ➫
অল্প বিদ্যা ভয়ঙ্করী।
107) Some have the hop,some stick in the
gap.
➫ কারো পৌষমাস,কারো সর্বনাশ।
108) Something is better than nothing.
➫ নাই মামার চেয়ে কানা মামা ভাল।
109) Spend within your means.
➫ আয় বুঝে ব্যয় কর।
110) Strike the iron while it is hot.
➫ ঝোপ বুঝে কোপ মার।
111) The child is father to the man.
➫ উঠতি মূলো পত্তনেই চেনা যায় ।
112) The near the church,the further from
God.
➫ আলোর নিচেই অন্ধকার।/প্রদীপের
নিচে আঁধার।
113) The very ruin of greatness are great. ➫
মরা হাতির দাম লাখ টাকা।/হাতি
বাঁচলেও লাখ টাকা,মরলেও লাখ টাকা।
114) There is many i slip between the cup
and the lip.
➫ না আঁচলে বিশ্বাস নেই ।
115) Tit for tat.
➫ যেমন কর্ম,তেমন ফল।/ইটটি মারলে
পাটকেলটি খেতে হয়।
116) To add fuel to the fire.
➫ আগুনে ঘৃতাহুতি দেওয়া।/এমনিই
ছাই,তার উপরে বাতাস।
117) To be forewarned is to be forearmed.
➫ সাবধানের মার নেই।
118) To blow hot and cold in the same
breath.
➫ এক মুখে দুই কথা।
119) To break a butterfly upon a wheel.
➫ মশা মারতে কামান দাগা।
120) To cast pearls before swine.
➫ উলুবনে মুক্তা ছড়ানো।
121) To count one’s chickens before they are
hatched.
➫ কালনেমির লঙ্কা ভাগ। (গাছে
কাঁঠাল,গোঁফে তেল।)
122) To err is human./To men is error.
➫ মানুষ মাত্রই ভুল করে।
123) To make mountain of a mole hill.
➫ তিলকে তাল করা ।
124) To pocket an insult.
➫ কিল খেয়ে কিল চুরি করা।
125) To pour water on a drowned mouse./To
slay the slain.
➫ মরার উপর খাঁড়ার ঘা।
126) To rob Peter to pay Paul.
➫ একের ধন কেড়ে অপরকে দান করা ।
127) To set a thief to catch a thief.
➫ কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলা।
128) To sound the trumpet before victory. ➫
গাছে কাঁঠাল,গোঁফে তেল।
129) To wash one’s dirty linen in public.
➫ হাটে হাড়ি ভাঙ্গা।
130) Too many cooks spoil the broth.
➫ অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট ।
131) Too much courtesy,too much craft.
➫ অতি ভক্তি চোরের লক্ষণ ।
132) Unity is strength.
➫ একতাই বল ।
133) Waste not,want not.
➫ অপচয় করো না,অভাবও হবে না ।
134) We shall catch larks when the sky falls.
➫ সাত মণ তেলও পুড়বে না,রাধাও নাচবে
না।
135) When the cat is away,the mice will
play.
➫ বামুন গেল তো লাঙ্গল তুলে ধর।
136) Where there is the will,there is the way.
➫ ইচ্ছা থাকলে উপায় হয়।
137) While in Rome,do as Romans do.
➫ যম্মিন দেশে যদাচার।
138) While there is life,there is hope.
➫ যতক্ষণ শ্বাস,ততক্ষণ আশ ।
139) Who is to bell the cat?/Who will bell
the cat?
➫ মেও ধরে কে?/বিড়ালের গলায় ঘণ্টা
বাঁধবে কে?
140) Wishes never fill the bag.
➫ শুধু কথায় পেট ভরে না।

Location

Category

Website

Address

করুয়াপাড়া, (ধারা বাজার-নালিতাব
Mymensingh
2260

Other Schools in Mymensingh (show all)
CBMC,B CBMC,B
At Winnerpar On A Panoramic 23 Acres Land 10 Km From Mymensingh Town Towards Dha
Mymensingh, 2200

Community based medical college Bangladesh was established as an academic enterprise of Community H

Nusan Jannat Hridoy Nusan Jannat Hridoy
Mymensingh

Chandab Dokkhin Government  Primary School Chandab Dokkhin Government Primary School
Chandab
Mymensingh, VALUKA

English Private programme, Mymensingh English Private programme, Mymensingh
আকুয়া, নাসিরাবাদ কলেজ রোড সংল
Mymensingh, 2200

All classes of English grammar will be discussed on this page . H.S.C/S.S.C Spoken English .

Ashraf chowdhury fazil madrasah Ashraf chowdhury fazil madrasah
Muzzampur, Nandail
Mymensingh, 2290

দারুছ ছুন্নাহ্ দাখিল মাদরাসা, দারুছ ছুন্নাহ্ দাখিল মাদরাসা,
Luxmipur, Fulbaria
Mymensingh, 2200

এই মাদরাসাটি ১৯৮৩ সালে ময়মনসিংহ জেলা?

Dewangonj Islamia High School Dewangonj Islamia High School
Nandail
Mymensingh

Fayaz Model School Fayaz Model School
17 Saheb Ali Road, Notun Bazar
Mymensingh, 2200

আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষার প্রয়াসে, ফয়েজ শিক্ষা পরিবার হয়ে উঠুক আপনার প্রথম পছন্দ।

RUHUL AMIN RASEL RUHUL AMIN RASEL
Mymensingh

love ma

বিজ্ঞান কি এতোই সোজা ? বিজ্ঞান কি এতোই সোজা ?
Jamtola Moar, Gafargoan
Mymensingh, 2230

We are ready to guide you properly and try to give you best.