মাজদিয়া ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসা

মাজদিয়া ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসা

Comments

শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে এপরুভ করার অনুরোধ রইল।

▶️ফাজিল উচ্চতর ইংরেজি সাজেশন ◀️

⚛️ বাংলাদেশে আমারাই প্রথম ফাজিল ৩য় বর্ষের উচ্চতর ইংরেজি এর সাজেশন প্রদান করে থাকি।

▶️বিগত ১৪ বছরের প্রশ্ন এনালাইসিস করে দেশের সর্ব প্রথম সর্বোচ্চ কমনের নিশ্চয়তা দিয়ে তৈরি আমাদের সাজেশন।

🔯 আপনার কপি সংগ্রহ করতে আজই আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

ইনবক্সে আপনার নাম ও মোবাইল নাম্বার দিয়ে নক করুন।
দাখিল পরীক্ষা /২১ অ্যাসাইনমেন্ট
অনলাইন ক্লাস

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from মাজদিয়া ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসা, High School, mazdiea , dhapari, ishurdy, pabna, Ishurdi.

Operating as usual

24/09/2021

দাখিল পরীক্ষার রুটিন ২০২১

Photos from মাজদিয়া ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসা's post 05/08/2021

আলিম পরীক্ষা 2021 ফরম পূরণের বিজ্ঞপ্তি

23/07/2021

দাখিল পরীক্ষার অ্যাসাইনমেন্ট সংক্রান্ত
#জরুরী

Photos from মাজদিয়া ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসা's post 28/09/2017
23/05/2017

মাদ্রাসা ইসলামি শিক্ষার বিশেষ প্রতিষ্ঠান। মাদ্রাসা শিক্ষার সূচনা হয় হযরত মুহাম্মদ (স.) এর যুগে। তিনি ৬১৪ খ্রিস্টাব্দে মক্কার সাফা পাহাড়ের পাদদেশে দারুল আরকাম, হিজরতের পর মসজিদে নববীর উত্তর-পূর্ব দিকে সুফফা আবাসিক মাদ্রাসা এবং দারুল কুররাহ মাদ্রাসা স্থাপন করেন। এ ছাড়া মসজিদে নববী (৬২২ খ্রি.) এবং মদীনার আরও ৯টি মসজিদ শিক্ষায়তন হিসেবে ব্যবহূত হয়। খলিফাদের মধ্যে হযরত ওমর (রা.) সিরিয়ায় ও হযরত আলী (রা.) বসরা ও কুফায় বৃহৎ দুটি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। উমাইয়া যুগে দেশের বৃহদায়তন মসজিদগুলি মাদ্রাসারূপে ব্যবহূত হতো। আববাসীয় বংশের শাসকগণ মাদ্রাসা শিক্ষার পৃষ্ঠপোষকতা করেন। তাঁদের অনেকেই মসজিদ কেন্দ্রিক মাদ্রাসা নির্মাণ করা ছাড়াও আলাদা মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। এ সময় মসজিদে শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষাদান বাধ্যতামূলক ছিল।
বঙ্গদেশে মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা চালু হয় সুলতানি আমলে (১২১০-১৫৭৬)। এ সময়ে বঙ্গদেশে বহু মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে মহিসন্তোষে মওলানা তকীউদীন আরাবীর মাদ্রাসা প্রাচীনতম। ১২৪৮ সালে সুলতান নাসিরউদ্দীন, বদরউদ্দীন ইসহাক, মিনহাজউদ্দীন, নিজামউদ্দীন দামিস্কি ও শামসউদ্দীন খাওয়ারিজমী একটি মাদ্রাসা শিক্ষা কারিকুলাম তৈরি করেন যা এক শতাব্দীকাল কার্যকর ছিল।
মওলানা আবু তাওয়ামা ১২৭৮ সালে সোনারগাঁয়ে একটি মাদ্রাসা স্থাপন করেন এবং এটি ছিল তৎকালীন বাংলায় সর্ববৃহৎ মাদ্রাসা। সুলতান আলাউদ্দীন হোসেন শাহ (১৪৯৩-১৫১৯) গৌড় ও মালদহে বহু মাদ্রাসা স্থাপন করেন। সুলতানি আমলে মাদ্রাসার পাঠ্যসূচিতে ছিল আরবি, নাহু, সরফ, বালাগাত, মানতিক, কালাম, তাসাউফ, সাহিত্য, ফিকাহ ও দর্শন।
মুগল আমলে মাদ্রাসা শিক্ষার পাঠক্রম বর্ধিত করে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখা চালু করা হয়। সে আমলে পর্যায়ক্রমে জ্যোতির্বিদ্যা, গণিত, ভূগোল, হিসাববিজ্ঞান, কৃষি, লোকপ্রশাসন, জীববিদ্যা, প্রাণিবিদ্যা ও চারুকলা প্রভৃতি বিষয় পাঠক্রমে অন্তর্ভুক্ত ছিল।
বর্তমানে বাংলাদেশে আলিয়া মাদ্রাসা, কওমী মাদ্রাসা এবং স্বতন্ত্র মাদ্রাসা এ তিন ধারার মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা চালু রয়েছে। তবে মাদ্রাসা শিক্ষার সূচনা থেকে এ পর্যন্ত নির্দিষ্ট কোনো ধারা ছিল না। ১৭৮০ সালে কলকাতা আলিয়া মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার পর বঙ্গে মাদ্রাসা শিক্ষায় আলিয়া মাদ্রাসা ধারা এবং ১৮৯৯ সালে চট্টগ্রাম দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার পর কওমী মাদ্রাসা ধারার প্রচলন হয়।
আলিয়া মাদ্রাসা উচ্চতর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। সরকার গঠিত শিক্ষা কমিশন কর্তৃক প্রণীত পাঠ্যক্রম ও পাঠ্যসূচি অনুযায়ী আলিয়া মাদ্রাসায় ৫টি স্তর ইবতেদায়ী (প্রাথমিক) ৫ বছর, দাখিল (মাধ্যমিক) ৫ বছর, আলিম (উচ্চ মাধ্যমিক) দুই বছর, ফাযিল (ডিগ্রি) দুই বছর এবং কামিল (স্নাতকোত্তর) দুই বছর মোট ১৬ বছরের কোর্স পরিচালিত হয়। কামিল (স্নাতকোত্তর) পর্যায়ে তাফসীর, হাদিস, ফিকাহ, আরবি সাহিত্য এবং মুজাবিবদ শাখায় দুই বছর মেয়াদি কোর্সের শেষে ডিগ্রি প্রদান করা হয়। বাংলাদেশে দু’ধরনের আলিয়া মাদ্রাসা রয়েছে: সরকার কর্তৃক পরিচালিত মাদ্রাসাগুলি সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা এবং সরকার অনুমোদিত ও অনুদানপ্রাপ্ত মাদ্রাসাগুলি বেসরকারি আলিয়া মাদ্রাসা।
বাংলাদেশে আলিয়া মাদ্রাসা কলকাতা আলিয়া মাদ্রাসার আদলে প্রতিষ্ঠিত। কলকাতা আলিয়া মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার পর হতে আলিয়া মাদ্রাসা সংস্কারের জন্য সরকার বিভিন্ন সময় কমিটি গঠন করে। আলিয়া মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার প্রায় ১০ বছর পর ১৭৯১ সালে মাদ্রাসার পরিচালনা পর্ষদ আলিয়া মাদ্রাসা শিক্ষা কারিকুলাম ও সিলেবাস প্রবর্তন করে। এ সিলেবাস কলকাতা আলিয়া মাদ্রাসার অধিভুক্ত বাংলা (আসামসহ), বিহার ও উড়িষ্যার সকল মাদ্রাসায় বাস্তবায়ন করা হয়। ১৮৬৯ সালের কমিটি কলকাতা আলিয়া মাদ্রাসায় কিছু সংশোধনী আনে। ১৮৭১ সালে বিচারপতি নরম্যান কমিটি বেঙ্গল মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তন সাধন করে। ১৮৭৩ সালে মোহসীন ট্রাস্টের অর্থে ঢাকা মাদ্রাসা (বর্তমান সরকারি কবি নজরুল কলেজ), চট্টগ্রাম দারুল উলুম মোহসিনীয়া মাদ্রাসা (বর্তমানে সরকারি মোহসীন কলেজ) ও রাজশাহী মাদ্রাসা (বর্তমানে রাজশাহী সরকারি মাদ্রাসা) প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৮৮২ সালের হান্টার কমিটির রিপোর্ট ১৮৮৪ সালে বাস্তবায়িত হয়। ১৯০৭ সালের কলকাতা কনফারেন্সে কলকাতা আলিয়া মাদ্রাসাকে সমমানের তিন বছরের টাইটেল ক্লাস খোলার অনুমতি দেওয়া হয়। ১৯১০ সালে এ.এইচ হার্লের নেতৃত্বে গঠিত মোহমেডান এডুকেশন অ্যাডভাইজরি কমিটি মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থায় কতিপয় সংস্কারের প্রস্তাব করে।
১৯১৪ সালে অধ্যক্ষ শামসুল উলামা আবু নসর ওয়াহিদের নেতৃত্বে গঠিত মোহমেডান এডুকেশন অ্যাডভাইজরি কমিটি কর্তৃক প্রণীত কারিকুলামে ওল্ড স্কিম ও নিউ স্কিম ব্যবস্থার প্রস্তাব করা হয় এবং ১৯১৫ সালে তা বাস্তবায়িত হয়। মুসলমানদের ইংরেজি শিক্ষায় আগ্রহী করে তোলার লক্ষ্যে জুনিয়র ও সিনিয়র নামে দু’ধরনের নিউ স্কিম মাদ্রাসা চালু হয়। জুনিয়র মাদ্রাসায় পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত আর সিনিয়র মাদ্রাসায় মাধ্যমিক শ্রেণি পর্যন্ত পড়ানো হতো। এসব সিনিয়র মাদ্রাসার পাঠক্রমে ইংরেজি ভাষাকে বাধ্যতামূলক করে সরকারি সাহায্যভুক্ত করা হয়। সরকারি চাকুরি পেতে মুসলিম শিক্ষার্থীরা নিউ স্কিম মাদ্রাসায় পড়তে বিশেষ আগ্রহী ছিল।
শামসুল হুদা কমিটি ১৯২৭ সালে বাংলা ও আসামের ওল্ড স্কিম সিনিয়র মাদ্রাসাগুলির আলিম, ফাযিল ও ফখরুল মুহাদ্দিসীন শ্রেণির কেন্দ্রীয় পরীক্ষা মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক গ্রহণ করার প্রস্তাব করে। এ কমিটি প্রণীত কামিলের সিলেবাসে সিয়াহ্ সিত্তা (বুখারী, মুসলিম, নাসাঈ, তিরমিযী, ইবন মাযা, আবু দাউদ), অসূলুল হাদিস, তাফসীরুল বায়যাবী, তাফসীরুল কাশশাফ, তাফসীরুল কবীর, তাফসীরুল মাজমুউল বয়ান, ফিকাহ, অসূলুল ফিকাহ, মানতিক, ইসলামের ইতিহাস ইত্যাদি বিষয়গুলির অন্তর্ভুক্তির প্রস্তাব করা হয়।
১৯২৭ সালে Muhamadan Education-এর Assistant Director of Public Instruction কে চেয়ারম্যান এবং কলকাতা আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষকে রেজিস্ট্রার করে Board of Central Madrasah Examinations, Bengal নামে সর্বপ্রথম একটি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড গঠিত হয়। ১৯২৭ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড একটি সরকারি সংস্থা হিসেবে মাদ্রাসা-ই-আলিয়ার সাথে যুক্ত ছিল।
১৯৩১ সালের Muslim Education Advisory Committee বা মোমেন কমিটি, ১৯৩৮-৪০ সালের মাওলা বখশ কমিটি আলিয়া মাদ্রাসা শিক্ষার সংস্কারের সুপারিশ করে। ১৯৪৬ সালের সৈয়দ মোয়াজ্জমউদ্দিন হোসাইন কমিটি আলিয়া মাদ্রাসা শিক্ষার সংস্কার ও উন্নয়নে যে সুপারিশ করে তা ১৯৪৭ সালের ১ জুলাই হতে কার্যকর হয়। এ সুপারিশে নিম্নোক্ত বিষয়গুলি কামিল শ্রেণির হাদিস বিভাগে অন্তর্ভুক্ত ছিল: সিয়াহ সিত্তা, নুখবাতুল ফিকর, তাফসীরুল বায়যাবী, তাফসীরুল কাশশাফ, আল-ইতকান, ইসলামের ইতিহাস, হাদিস শাস্ত্রের ইতিহাস। কামিল শ্রেণির ফিকাহ্ বিভাগে ফিকাহ, অসূলে ফিকাহ, হাদিস, কালাম, ইসলামের ইতিহাস ও ফিকাহ শাস্ত্রের ইতিহাস, ইফতা এবং কামিল শ্রেণীর আদল বিভাগে প্রাচীন ও আধুনিক গদ্য, পদ্য, ইসলামের ইতিহাস এবং আরবি সাহিত্যের ইতিহাস ও সাহিত্য সমালোচনা ইত্যাদি পাঠ্যভুক্ত ছিল।
১৯৪৭ সালের পূর্ব বাংলায় আলিয়া মাদ্রাসা পাঠ্যসূচি অনুসারে সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়া ঢাকা, সিলেট সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা ও বগুড়া সরকারি আলিয়া মাদ্রাসাসহ সরকার অনুমোদিত ও বোর্ড কর্তৃক মঞ্জুরিপ্রাপ্ত অসংখ্য মাদ্রাসা গড়ে ওঠে।
১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর মাদ্রাসা-ই-আলিয়া ঢাকায় স্থানান্তরিত হলে ১৯৪৮ সালে মাদ্রাসা বোর্ডের পরীক্ষাসমূহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক গৃহীত হয়। ১৯৪৯-৫১ সালের আকরম খাঁর East Bengal Education System Reconstruction Committee, ১৯৫৬ সালের আশরাফউদ্দীন চৌধুরী কমিটি, ১৯৫৭ সালের আতাউর রহমান শিক্ষা সংস্কার কমিশন, ১৯৫৮ সালের এম.এম শরীফ জাতীয় শিক্ষা কমিশন, ১৯৬৩ সালের ড. এস.এম হোসাইনের Islamic Arabic University Committee, ১৯৬৯ সালের ইমামুদ্দীন চৌধুরীর Madrasa Review Committee, ১৯৭২-৭৩ সালের বাংলাদেশ জাতীয় শিক্ষা কমিশন, ১৯৭৩ সালের মাদ্রাসার শিক্ষা সংস্কার সংস্থা মাদ্রাসা শিক্ষার উন্নয়নে বিভিন্ন সুপারিশ করে।
১৯৭৫ সালের কুদরত-ই-খুদা কমিটির সুপারিশের আলোকে মাদ্রাসা বোর্ড নিয়ন্ত্রিত আলিয়া মাদ্রাসাসমূহে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও বহুমুখী পাঠ্যসূচি প্রবর্তিত হয়। ১৯৭৮ সালে অনুষ্ঠিত আলিম ও ১৯৮০ সালে অনুষ্ঠিত ফাযিল পরীক্ষায় এ সিলেবাস কার্যকর হয়। উক্ত দু’শ্রেণিতে মাদ্রাসার নির্ধারিত সকল পাঠ্যপুস্তক ছাড়াও সাধারণ শিক্ষার এইচ.এস.সি এবং এস.এস.সি-এর সম্পূর্ণ কোর্স অর্ন্তভুক্ত করে ফাযিল শ্রেণিকে সাধারণ শিক্ষার এইচ.এস.সি এবং আলিমকে এস.এস.সি-এর মান দেওয়া হয়। এ কমিটি মাদ্রাসায় বিজ্ঞান শাখা চালু করে।
১৯৭৮ সালে প্রফেসর মুস্তফা বিন কাসিমের নেতৃত্বে Senior Madrasah Education System Committee গঠিত হয়। ১৯৭৯ সালের ৪ জুন হতে বোর্ডটি একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়। জনশিক্ষা পরিচালক প্রফেসর বাকী বিল্লাহ খান এর প্রথম চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন।
১৯৮৪ সালে মুস্তফা বিন কাসিমের কমিটির সুপারিশের আলোকে সাধারণ শিক্ষার স্তরের সঙ্গে মাদ্রাসা বোর্ড নিয়ন্ত্রিত আলিয়া মাদ্রাসা শিক্ষা স্তরের নিম্নরূপ সামঞ্জস্য করা হয়: ইবতেদায়ী (প্রাথমিক) ৫ বছর, দাখিল (মাধ্যমিক) ৫ বছর, আলিম (উচ্চ মাধ্যমিক) ২ বছর, ফাযিল (ডিগ্রি) ২ বছর এবং কামিল (স্নাতকোত্তর) ২ বছর মোট ১৬ বছর। এ কমিটি কর্তৃক প্রণীত সিলেবাস ১৯৮৫ সালে অনুষ্ঠিত দাখিল ও ১৯৮৭ সালে অনুষ্ঠিত আলিম পরীক্ষায় কার্যকর হয়। উক্ত দু’শ্রেণিতে মাদ্রাসার নির্ধারিত সকল পাঠ্যপুস্তক ছাড়াও সাধারণ শিক্ষার যথাক্রমে এস.এস.সি এবং এইচ.এস.সি-এর সম্পূর্ণ কোর্স অন্তর্ভুক্ত করে দাখিলকে এস.এস.সি এবং আলিমকে এইচ.এস.সি-এর সমমান দেওয়া হয়। সাধারণ শিক্ষার সঙ্গে সমন্বিত হওয়ার কারণে শিক্ষার্থীরা এখন মাদ্রাসা শিক্ষা শেষে উচ্চতর শিক্ষার জন্য অনুমোদিত যে কোনো কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারে। কিন্তু ফাযিল (ডিগ্রি) এবং কামিল (স্নাতকোত্তর) সাধারণ শিক্ষার সঙ্গে সমন্বিত না হওয়ার কারণে শিক্ষার্থীরা শুধু মাদ্রাসা বা স্কুলে চাকুরির ক্ষেত্রে সমমান পায়, অন্য ক্ষেত্রে নয়।
মাদ্রাসা শিক্ষা সংস্কারের ফলে আলিয়া মাদ্রাসার সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে থাকে। ১৯০৭-০৮ সালে এদেশে ইবতেদায়ী হতে কামিল পর্যন্ত মাদ্রাসা ছিল ২,৪৪৪টি। ১৯৪৭ সালে ৩টি সরকারি মাদ্রাসাসহ (দাখিল হতে কামিল পর্যন্ত) আলিয়া মাদ্রাসার সংখ্যা ছিল ৩৭৮টি। ১৯৭১ সালে দাখিল, আলিম, ফাযিল ও কামিল মাদ্রাসার সর্বমোট সংখ্যা ছিল ৫০৭৫টি। ২০০৭ সালে মাদ্রাসার সংখ্যা দাঁড়ায় মোট ৯,৪৯৩টিতে। তন্মধ্যে দাখিল ৬,৭০০টি, আলিম ১,৪০০টি, ফাযিল ১,০৮৬টি এবং কামিল ১৯৮টি।
২০০৬ সালের পূর্ব পর্যন্ত মাদ্রাসা বোর্ড আলিয়া মাদ্রাসা শিক্ষার ইবতেদায়ী (প্রাথমিক) হতে কামিল (স্নাতকোত্তর) পর্যন্ত সকল স্তরের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ করত। বর্তমানে Islamic University (Amendment) Act, 2006 মোতাবেক সাধারণ শিক্ষার সাথে আলিয়া মাদ্রাসা শিক্ষা সমন্বিত করার কারণে ফাযিল (ডিগ্রি) ৩ বছর এবং কামিল (স্নাতকোত্তর) ২ বছর মোট ৫ বছরের কোর্স চালু হয়েছে। তাই সিদ্ধান্ত হয় যে, ২০০৬ সালের পর থেকে মাদ্রাসা বোর্ড শুধু দাখিল ও আলিম পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ করবে। উক্ত আইন অনুসারে ১,০৮৬টি ফাযিল (স্নাতক) ও ১৯৮টি কামিল (স্নাতকোত্তর) মাদ্রাসা অর্থাৎ ১,২৮৪টি মাদ্রাসা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধিভুক্ত হয়। এতে সাধারণ শিক্ষার সাথে মাদ্রাসা শিক্ষার দীর্ঘ দিনের বিরাজমান পার্থক্য দূরীভূত হয়।
কওমী মাদ্রাসা আরবি ‘কওমুন’ শব্দ থেকে ‘কওমী’ শব্দের উৎপত্তি। কওমী শব্দের অর্থ হলো জাতীয়। তাই কওমী মাদ্রাসার যথার্থ অর্থ হলো জাতীয় মাদ্রাসা বা জাতীয় শিক্ষায়তন। কওমী মাদ্রাসা শিক্ষাকে কেন্দ্র করে চারটি ধারা প্রচলিত রয়েছে: (ক) কিতাব বিভাগ বা দরসিয়াত বিভাগ, (খ) মক্তব বিভাগ, (গ) সহীহ কুরআন শিক্ষা ও কিরাত বিভাগ, এবং (ঘ) হিফ্জুল কুরআন বিভাগ। সরকারি সাহায্য ও প্রভাবমুক্ত এবং ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের আর্থিক সহায়তায় প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত মাদ্রাসাই কওমী মাদ্রাসা। দরসে নিযামি শিক্ষাক্রমের ভিত্তিতে শিক্ষাদান করা হয় বলে এগুলিকে দরসে নিযামি মাদ্রাসা নামেও আখ্যায়িত করা হয়।
হাজী ইমদাদুল্লাহ মুহাজিরে মক্কী (রহ.), মওলানা রশীদ আহমদ গাঙ্গুহী (রহ.), মওলানা কাসেম নানুতুবী (রহ.) প্রমুখ আলেম জনগণের সহযোগিতায় ১৮৬৬ সালে প্রথমে ভারতের উত্তর প্রদেশের দেওবন্দে দারুল উলুম দেওবন্দ মাদ্রাসা এবং ১৮৬৭ সালে সাহারানপুরে মাজাহিরে উলুম মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন।
এ দেওবন্দ মাদ্রাসাই বাংলাদেশে কওমী মাদ্রাসার উৎস। ১৮৯৯ সালে এ মাদ্রাসার আদলে চট্টগ্রাম দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এদেশে কওমী মাদ্রাসার সূচনা ও বিকাশ ঘটে। এজন্য এ মাদ্রাসাকে উম্মুল মাদারিস বা মাদ্রাসা সমূহের জননী বলা হয়। মোল্লা কুতুবউদ্দীন শহীদ (মৃ. ১৭১১ খ্রি.) উপমহাদেশে প্রচলিত দরসে নিযামিয়ার উদ্ভাবক হলেও তাঁর পুত্র মোল্লা নিযামুদ্দীনের (মৃ. ১৭৪৮ খ্রি.) সময় এ শিক্ষা ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নতি ও প্রসার লাভ করে এবং তা দরসে নিযামিয়া নামে অভিহিত হয়।
বর্তমান বাংলাদেশে প্রচলিত কওমী মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা দুটি পর্যায়ে বিভক্ত: প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা এবং উচ্চ শিক্ষা। দুটি পর্যায়ে ৬টি স্তর এবং এ ৬টি স্তরে ১৬টি শ্রেণি রয়েছে। আল্ মারহালাতুল ইবতিদায়িয়্যা বা প্রথম স্তরে আওয়াল, ছানী, ছালেছ, রাবে ও খামেছ এ ৫টি শ্রেণি রয়েছে। আল-মারহালাতুল মুতাওয়াস্সিতা বা দ্বিতীয় স্তরে আওয়াল, ছানী ও ছালেছ এ ৩টি শ্রেণি রয়েছে। আল-মারহালাতুছ ছানুবিয়্যাহ্ আল-আ’ম্মাহ্ বা তৃতীয় স্তরে আস সানাতুল উলা ও আস সানাতুছ-ছানীয়া এ দুটি শ্রেণি রয়েছে। দ্বিতীয় পর্যায়ে রয়েছে ৩টি স্তর এবং ৬টি শ্রেণি। আল-মারহালা সানুবিয়্যাহ্ উ’ল্ইয়া বা প্রথম স্তরে রয়েছে আসসানাতুল-উলা ও আস সানাতুছ-ছানীয়া এ দুটি শ্রেণি। মারহালাতুল-ফযীলত (স্নাতক) বা দ্বিতীয় স্তরে রয়েছে আসসানাতুল-উলা ও আসসানাতুছ-ছানীয়া এ দুটি শ্রেণি। মারহালাতুত-তাক্মীল (স্নাতকোত্তর) বা তৃতীয় স্তরে আসসানাতুল-উলা বা দাওরায়ে-হাদিস, আসসানাতুছ-ছানীয়া বা তাক্মীল ফিত্-তাখাস্ছুছ এ দুটি শ্রেণি রয়েছে। তবে বাংলাদেশের প্রায় শতভাগ কওমী মাদ্রাসাতে এ স্তরের কোর্স ১ বছরে দাওরায়ে হাদিস পর্যায়ে সম্পন্ন করা হয়। দ্বিতীয় বর্ষের কোর্স সম্পূর্ণ ঐচ্ছিক।
১৯৭৮ সালে দরসে নিযামি মাদ্রাসাগুলি পরিচালনার জন্য সর্বপ্রথম বিফাকুল মাদারিস নামে বেসরকারি কওমী মাদ্রাসা বোর্ড গঠিত হয়। এ ছাড়া চট্টগ্রামের পটিয়া মাদ্রাসা কেন্দ্রিক ইত্তেহাদুল মাদারিস, সিলেটের আজাদ দ্বীনি এদারায়ে তা’লীম বাংলাদেশ, বগুড়ার জামিল মাদ্রাসা কেন্দ্রিক তানযীমুল মাদারিস নামে এবং ফরিদপুরের গওহরডাঙ্গা মাদ্রাসা কেন্দ্রিক বিফাকুল মাদারিসসহ আঞ্চলিক ভিত্তিতে আরও ১১ টি পৃথক কওমী মাদ্রাসা বোর্ড গড়ে উঠেছে।
১৯৯৮ সাল পর্যন্ত সারাদেশে বিফাকুল মাদারিস-এর অধীনে ২,০৪৩টি মাদ্রাসা কওমী মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে নিবন্ধিত হয়। ২০০৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে ১০ হাজারের অধিক কওমী মাদ্রাসা গড়ে উঠেছে। তাক্মিল বা দাওরায়ে-হাদিস (স্নাতকোত্তর) পর্যায়ের প্রায় আড়াই শত এবং মহিলা মাদ্রাসা রয়েছে অর্ধশত।
মক্তব ইরান ও ভারতীয় উপমহাদেশে শিশুকিশোরদের প্রাথমিক পর্যায়ের কুরআন শরীফ, দীনিয়াত ও আরবি শিক্ষার প্রাথমিক স্তরের প্রতিষ্ঠানকে মক্তব, নুরানী বা ফুরকানিয়া মাদ্রাসা নামে অভিহিত করা হয়। সাধারণত স্থানীয় কোনো মসজিদে প্রাথমিক পর্যায়ের ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়া হয়। মসজিদের ইমাম ও মোয়াজ্জিনরাই সাধারণত এর শিক্ষক হিসেবে কাজ করেন। ২০০৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে ৭০ হাজার ফুরকানিয়া ও মসজিদ ভিত্তিক মক্তব রয়েছে।
সহীহভাবে কুরআন ও কিরাত শিক্ষার জন্যও মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ ছাড়া আল্-কুর্আন মুখস্ত করার জন্য গড়ে উঠেছে অনেক হাফেজিয়া মাদ্রাসা। ২০০৮ সালে এ মাদ্রাসার সংখ্যা ছিল ৪ হাজারের অধিক।
স্বতন্ত্র মাদ্রাসা বাংলাদেশে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান নিয়ন্ত্রিত এবং স্বতন্ত্র শিক্ষাক্রম ও সিলেবাসে পরিচালিত মাদ্রাসাসমূহের মধ্যে মৌলিকভাবে পাঁচটি শিক্ষা ধারা লক্ষ করা যায়। সেগুলি হচ্ছে: (১) কিন্ডার গার্টেন মাদ্রাসা ও ক্যাডেট মাদ্রাসা, (২) শর্ট কোর্স মাদ্রাসা, (৩) স্বতন্ত্র ও বিশেষ নেসাবের মাদ্রাসা, (৪) উচ্চতর ইসলামি শিক্ষা, গবেষণা ও বিশেষ কোর্সের (তাখাচ্ছুস) মাদ্রাসা, এবং (৫) আহলে হাদিস মাদ্রাসা। এ পাঁচ শ্রেণির মাদ্রাসার মধ্যে প্রথম চার শ্রেণির মাদ্রাসার নির্ধারিত কোনো সিলেবাস নেই। ‘আহলে হাদিস’ কর্তৃক পরিচালিত নিজস্ব সিলেবাস অনুসরণকারী চল্লিশটির মতো মাদ্রাসা রয়েছে। এর অধিকাংশ বৃহত্তর রাজশাহী জেলায় অবস্থিত। বাংলাদেশে এ জাতীয় সর্ববৃহৎ মাদ্রাসা হলো ঢাকার উত্তর যাত্রাবাড়ীতে জামিয়া মুহাম্মাদিয়া আরাবিয়া এবং রাজশাহীর নওদাপাড়ার আল মারকাযুল ইসলামী আস সালাফী। কওমী মাদ্রাসার আদলে গড়া এ সকল মাদ্রাসা সম্পূর্ণ আহলে হাদিস কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত। এগুলি জনগণের আর্থিক সহায়তা এবং আরব বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাহায্য সংস্থার অনুদানে পরিচালিত হয়ে থাকে। [আ.ব.ম সাইফুল ইসলাম সিদ্দিকী]
তথ্য সূত্র :বাংলা উইকিপিডিয়া

Timeline photos 21/05/2017

**বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড** বাংলাদেশের মাদরাসা শিক্ষা পরিচালনার জন্য গঠিত বোর্ড। এটি ১৯৭৮ সালের মাদরাসা শিক্ষা অধ্যাদেশবলে স্থাপিত হয়। বাংলাদেশে মাদরাসা শিক্ষার আধুনিকীকরণ ও মানোন্নয়নের লক্ষ্যে এর কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর দেশের সকল মাদরাসা পরিচালনা করে। একজন অধ্যক্ষের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে উপাধ্যক্ষের সহযোগিতায় যাবতীয় একাডেমিক, প্রশাসনিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়।
কারিকুলাম:
দাখিল ৬ষ্ঠ-৮ম
দাখিল জেনারেল
দাখিল Muzabbid
দাখিল বিজ্ঞান
দাখিল হিফযুল কুরাআন
দাখিল বিজনেস স্টাডিস
আলিম জেনারেল
আলিম Muzabbid
আলিম বিজ্ঞান
আলিম বিজনেস স্টাডিস

24/04/2017

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) বর্ননা করেছেন

নাবী(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যখন সলাতের আযান দেয়া হয়, শাইতান পিছন ঘুরে বায়ু ছাড়তে ছাড়তে পালিয়ে যায় যেন আযানের শব্দ সে শুনতে না পায়। আযান শেষ হলে সে পুনরায় ফিরে আসে। আবার যখন ইকামাত দেয়া হয় তখন সে পলায়ন করে। ইকামাত শেষ হলে সে পুনরায় ফিরে আসে এবং সলাত আদায়কারীদের মনে সন্দেহ-সংশয় সৃষ্টি করতে থাকে। সে তাকে বলে, এটা স্মরণ কর, এটা স্মরণ কর। সে কথাগুলো সলাতের আগে তার স্মরণও ছিল না। শেষ পর্যন্ত সলাত আদায়কারী দ্বিধায় পড়ে যে, সে বলতেও পারে না যে, কত রাকা’আত পড়ল।

(সহিহ মুসলিম)

Timeline photos 29/03/2017
Photos from মাজদিয়া ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসা's post 28/01/2017

বিদায় অনুষ্ঠান ২০১৭

26/01/2017

আজ‌কে অত্র প্র‌তিষ্ঠা‌নে ২০১৭ সা‌লের দা‌খিল প‌রিক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান অনু‌ষ্ঠিত হ‌চ্ছে সবাই আম‌ন্ত্রিত আমন্ত্র‌নে
মও: র‌ফিউ‌দ্দিন খান

06/09/2016

"প্রচন্ড কষ্টের মূহুর্তে যখন তুমি
নিজেকে নিজেই বুঝাইতে শিখবাঃ
"সব ঠিক হয়ে যাবে"
তখনই বুঝবা, তুমি বড় হয়ে গেছো !!
Am i right

Timeline photos 03/09/2016

সুখবর সুখবর সুখবর

21/08/2016

যেদেশে ১৭ বছর পড়ালেখা করে
পড়ালেখার
পাঠ চুকিয়ে চাকরির আবেদন করতে
গিয়ে বেকার
যুবক শোনে "অভিজ্ঞতা ছাড়া চাকরি
দেয়া হয়না",
তখন প্রশ্ন জাগে তাহলে ১৭বছর
ওয়ার্কশপে
কাজ শিখলেই হতো!

- যেদেশে পাশ করার ৪ বছরের মধ্যে
বিয়ে
করতে গেলে পাত্রীর মা "প্রতিষ্ঠিত
পাত্রের"
দোহাই দিয়ে বিদায় করে দেয়
সেখানেও প্রশ্ন
আসে ১৭ বছর পড়ালেখা না করে তো
ব্যবসার
চিন্তা করলেই হতো, কাড়ি কাড়ি টাকা
থাকতো !

- এদেশে কি সার্টিফিকেট আর ২
টাকার
পুরোনো নোটের মধ্যে আদৌ কি
কোন
পার্থক্য থাকছে? ১৭ বছর পড়াশোনা করে
যদি
১২হাজার টাকা বেতনে সকাল ৯টা টু
রাত ৯টা ডিউটির
অফার আসে তাহলে নামের আগে ওই
"ইঞ্জিনিয়ার/ গ্রেজুয়েট" শব্দের দরকার
কি?
সিএনজি চালিয়েও ১৫হাজারেরও
বেশী ইনকাম করা
যায়!

তারুণ্যের হতাশা হাজার মোটিভেশনাল
বাণী
শুনিয়ে দূর করা যায়না। রাতারাতি
বদলে দেয়াও যায়না।

প্ল্যান কী আপনাদের? আগামী দশ বছর
পর
যে আরো কয়েক লাখ যুবক বেকার হবে
তাদের জন্যে পরিকল্পনা কি এখন
থেকেই
করে রাখা উচিত না? নাকি পাশ করে
বের হলেই
কোন এক সমাবেশে মোটিভেশনাল
স্পীচ
দিয়ে দায় সারবেন। পেটে ভাত না
থাকলে
মোটিভেশন পিছন দিয়ে পালাবে।

08/08/2016

আমি শুধু ঘুমাবার জন্য পৃধিবীতে আসিনি,
না শুধু খাওয়ার জন্যও না
এমনকি ঘুরেবেরাবার জন্যও না।
এখানে আমার কিছু কাজ রয়েছে যা আমি নাকরে
ফিরলে সৃষ্টিকর্তার দেওয়া এই সুন্দর জীবন সম্পূর্নটাই
বৃথা।(Sahadat)

08/08/2016

একজন সফল ব্যক্তি সেই যে গড়ে তুলতে পারে শক্ত ভিত সেইসব ইট-পাথর দিয়ে যা কিনা তার দিকেই লোকে ছুঁড়েছিল !আত্মবিশ্বাসের সাথে দিনটা শুরু করো
Good morning all

01/08/2016

আজ অত্র মাদরাসায় জ‌ঙ্গি বির‌ধী অ‌ভিযান , সকল ছাত্র ছা‌ত্রি উপ‌স্থিত থ‌কা বাধ্যতামুলক

20/07/2016

নোবেল পুরস্কার
নোবেল পুরস্কারের প্রবর্তক- আলফ্রেড নোবেল
নোবেল পুরস্কার দেয়া হয়- ১৯০১ সাল
প্রথমে নোবেল পুরস্কার দেয়া হত- ৫ টি ক্ষেত্রে :
পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, চিকিৎসা শাস্ত্র, শান্তি ও
সাহিত্য)
বর্তমানে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয় – ৬ টি
ক্ষেত্রে : পদার্থ, রসায়ন, চিকিৎসা শাস্ত্র, শান্তি ও
সাহিত্য ও অর্থনীতিতে (পরে অর্থনীতি যোগ করা হয়)
অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়- ১৯৬৯
সালে
প্রতি বছর নোবেল পুরস্কার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রদান করা
হয়- ১০ ডিসেম্বর
নোবেল পুরস্কারের অর্থমূল্য- ১ কোটি সুইডিশ ক্রোনার
(১৪ লক্ষ ২০ হাজার ডলার)
নোবেল পুরস্কার প্রদানকারী সংস্থা- ৪ টি। যথা :
(ক) নোবেল কমিটি অব দি নরওয়েজিয়ান পার্লামেন্ট
(নরওয়ে)- শান্তি
(খ) সুইডিশ একাডেমি (সুইডেন)- সাহিত্য
(গ) রয়েল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্স (সুইডেন)- পদার্থ,
রসায়ন ও অর্থনীতি
(ঘ) ক্যারোনিস্কা ইনস্টিটিউট (সুইডেন)- চিকিৎসা
শাস্ত্র
শান্তিতে নোবেল পুরস্কার দেয়া হয়- নরওয়েতে
এ পর্যন্ত নোবেল পুরস্কার দেয়া হয়নি যেসব সালে- ১৯৪০,
১৯৪১, ১৯৪২ সাল (দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারণে)
শান্তিতে সর্বাধিক তিনবার নোবেল পাওয়া সংস্থা-
রেড ক্রস (১৯১৭, ১৯৪৪, ১৯৬৩)

18/07/2016

বিদ্রোহী কবিতা

বল বীর-
বল উন্নত মম শির!
শির নেহারী' আমারি নতশির ওই শিখর হিমাদ্রীর!
বল বীর-
বল মহাবিশ্বের মহাকাশ ফাড়ি'
চন্দ্র সূর্য্য গ্রহ তারা ছাড়ি'
ভূলোক দ্যূলোক গোলোক ভেদিয়া
খোদার আসন ‘আরশ’ ছেদিয়া,
উঠিয়াছি চির-বিস্ময় আমি বিশ্ববিধাতৃর!
মম ললাটে রুদ্র ভগবান জ্বলে রাজ-রাজটীকা দীপ্ত
জয়শ্রীর!
বল বীর-
আমি চির-উন্নত শির! আমি চিরদুর্দম, দূর্বিনীত, নৃশংস,
মহাপ্রলয়ের আমি নটরাজ, আমি সাইক্লোন, আমি
ধ্বংস!
আমি মহাভয়, আমি অভিশাপ পৃথ্বীর,
আমি দূর্বার,
আমি ভেঙে করি সব চুরমার!
আমি অনিয়ম উচ্ছৃঙ্খল,
আমি দ’লে যাই যত বন্ধন, যত নিয়ম কানুন শৃঙ্খল!
আমি মানি না কো কোন আইন,
আমি ভরা-তরী করি ভরা-ডুবি, আমি টর্পেডো, আমি
ভীম ভাসমান মাইন!
আমি ধূর্জটী, আমি এলোকেশে ঝড় অকাল-বৈশাখীর
আমি বিদ্রোহী, আমি বিদ্রোহী-সুত বিশ্ব-বিধাতৃর!
বল বীর-
চির-উন্নত মম শির! আমি ঝঞ্ঝা, আমি ঘূর্ণি,
আমি পথ-সম্মুখে যাহা পাই যাই চূর্ণি’।
আমি নৃত্য-পাগল ছন্দ,
আমি আপনার তালে নেচে যাই, আমি মুক্ত জীবনানন্দ।
আমি হাম্বীর, আমি ছায়ানট, আমি হিন্দোল,
আমি চল-চঞ্চল, ঠমকি’ ছমকি’
পথে যেতে যেতে চকিতে চমকি’
ফিং দিয়া দেই তিন দোল্;
আমি চপোলা-চপোল হিন্দোল।
আমি তাই করি ভাই যখন চাহে এ মন যা’,
করি শত্রুর সাথে গলাগলি, ধরি মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা,
আমি উন্মাদ, আমি ঝঞ্ঝা!
আমি মহামারী, আমি ভীতি এ ধরীত্রির;
আমি শাসন-ত্রাসন, সংহার আমি উষ্ণ চির অধীর।
বল বীর-
আমি চির-উন্নত শির! আমি চির-দূরন্ত দুর্মদ
আমি দূর্দম মম প্রাণের পেয়ালা হর্দম্ হ্যায় হর্দম্ ভরপুর্
মদ। আমি হোম-শিখা, আমি সাগ্নিক জমদগ্নি,
আমি যজ্ঞ, আমি পুরোহিত, আমি অগ্নি।
আমি সৃষ্টি, আমি ধ্বংস, আমি লোকালয়, আমি শ্মশান,
আমি অবসান, নিশাবসান। আমি ঈন্দ্রাণী-সুত হাতে
চাঁদ ভালে সূর্য
মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণ তূর্য;
আমি কৃষ্ণ-কন্ঠ, মন্থন-বিষ পিয়া ব্যথা বারিধির।
আমি ব্যোমকেশ, ধরি বন্ধন-হারা ধারা গঙ্গোত্রীর।
বল বীর-
চির-উন্নত মম শির! আমি সন্ন্যাসী, সুর সৈনিক,
আমি যুবরাজ, মম রাজবেশ ম্লান গৈরিক।
আমি বেদুইন, আমি চেঙ্গিস,
আমি আপনারে ছাড়া করি না কাহারে কূর্ণিশ।
আমি বজ্র, আমি ঈষাণ-বিষানে ওঙ্কার,
আমি ইস্রাফিলের শৃঙ্গার মহা-হুঙ্কার,
আমি পিনাক-পাণির ডমরু ত্রিশুল, ধর্মরাজের দন্ড,
আমি চক্র-মহাশঙ্খ, আমি প্রণব-নাদ প্রচন্ড!
আমি ক্ষ্যাপা দুর্বাসা, বিশ্বামিত্র-শিষ্য,
আমি দাবানল-দাহ, দহন করিব বিশ্ব।
আমি প্রাণ-খোলা হাসি উল্লাস, -আমি সৃষ্টি-বৈরী
মহাত্রাস
আমি মহাপ্রলয়ের দ্বাদশ রবির রাহু-গ্রাস!
আমি কভু প্রশান্ত, -কভু অশান্ত দারুণ স্বেচ্ছাচারী,
আমি অরুণ খুনের তরুণ, আমি বিধির দর্পহারী!
আমি প্রভঞ্জনের উচ্ছাস, আমি বারিধির মহাকল্লোল,
আমি উজ্জ্বল, আমি প্রোজ্জ্বল,
আমি উচ্ছল জল-ছল-ছল, চল ঊর্মির হিন্দোল-দোল!-
আমি বন্ধনহারা কুমারীর বেনী, তন্বী নয়নে বহ্নি,
আমি ষোড়শীর হৃদি-সরসিজ প্রেম উদ্দাম, আমি ধন্যি!
আমি উন্মন, মন-উদাসীর,
আমি বিধবার বুকে ক্রন্দন-শ্বাস, হা-হুতাশ আমি
হুতাশীর।
আমি বঞ্চিত ব্যথা পথবাসী চির গৃহহারা যত পথিকের,
আমি অবমানিতের মরম-বেদনা, বিষ-জ্বালা, প্রিয়
লাঞ্ছিত বুকে গতি ফের
আমি অভিমানী চির ক্ষূব্ধ হিয়ার কাতরতা, ব্যাথা
সূনিবিড়,
চিত চুম্বন-চোর-কম্পন আমি থর থর থর প্রথম পরশ
কুমারীর!
আমি গোপন-প্রিয়ার চকিত চাহনি, ছল ক’রে দেখা
অনুখন,
আমি চপল মেয়ের ভালোবাসা, তাঁর কাঁকণ-চুড়ির কন্-
কন্।
আমি চির শিশু, চির কিশোর,
আমি যৌবন-ভীতু পল্লীবালার আঁচর কাচুলি নিচোর!
আমি উত্তর-বায়ু মলয়-অনিল উদাস পূরবী হাওয়া,
আমি পথিক-কবির গভীর রাগিণী, বেণু-বীণে গান
গাওয়া।
আমি আকুল নিদাঘ-তিয়াসা, আমি রৌদ্র-রুদ্র রবি
আমি মরু-নির্ঝর ঝর-ঝর, আমি শ্যামলিমা ছায়াছবি!
আমি তুরীয়ানন্দে ছুটে চলি, এ কি উন্মাদ আমি উন্মাদ!
আমি সহসা আমারে চিনেছি, আমার খুলিয়া গিয়াছে
সব বাঁধ! আমি উত্থান, আমি পতন, আমি অচেতন চিতে
চেতন,
আমি বিশ্বতোরণে বৈজয়ন্তী, মানব-বিজয়-কেতন।
ছুটি ঝড়ের মতন করতালী দিয়া
স্বর্গ মর্ত্য-করতলে,
তাজী বোর্রাক্ আর উচ্চৈঃশ্রবা বাহন আমার
হিম্মত-হ্রেষা হেঁকে চলে! আমি বসুধা-বক্ষে
আগ্নেয়াদ্রী, বাড়ব বহ্নি, কালানল,
আমি পাতালে মাতাল, অগ্নি-পাথার-কলরোল-কল-
কোলাহল!
আমি তড়িতে চড়িয়া, উড়ে চলি জোড় তুড়ি দিয়া দিয়া
লম্ফ,
আমি ত্রাস সঞ্চারি’ ভুবনে সহসা, সঞ্চারি ভূমিকম্প।
ধরি বাসুকির ফণা জাপটি’-
ধরি স্বর্গীয় দূত জিব্রাইলের আগুনের পাখা সাপটি’।
আমি দেবশিশু, আমি চঞ্চল,
আমি ধৃষ্ট, আমি দাঁত দিয়া ছিঁড়ি বিশ্ব-মায়ের অঞ্চল!
আমি অর্ফিয়াসের বাঁশরী,
মহা-সিন্ধু উতলা ঘুম্ঘুম্
ঘুম্ চুমু দিয়ে করি নিখিল বিশ্বে নিঝ্ঝুম
মম বাঁশরীর তানে পাশরি’।
আমি শ্যামের হাতের বাঁশরী। আমি রুষে উঠে যবে ছুটি
মহাকাশ ছাপিয়া,
ভয়ে সপ্ত নরক হাবিয়া দোযখ নিভে নিভে যায়
কাঁপিয়া!
আমি বিদ্রোহ-বাহী নিখিল অখিল ব্যাপিয়া! আমি
শ্রাবণ-প্লাবন-বন্যা,
কভু ধরনীরে করি বরণীয়া, কভু বিপুল ধ্বংস ধন্যা-
আমি ছিনিয়া আনিব বিষ্ণু-বক্ষ হইতে যুগল কন্যা!
আমি অন্যায়, আমি উল্কা, আমি শনি,
আমি ধূমকেতু জ্বালা, বিষধর কাল-ফণী!
আমি ছিন্নমস্তা চন্ডী, আমি রণদা সর্বনাশী,
আমি জাহান্নামের আগুনে বসিয়া হাসি পুষ্পের হাসি!
আমি মৃন্ময়, আমি চিন্ময়,
আমি অজর অমর অক্ষয়, আমি অব্যয়!
আমি মানব দানব দেবতার ভয়,
বিশ্বের আমি চির-দুর্জয়,
জগদীশ্বর-ঈশ্বর আমি পুরুষোত্তম সত্য,
আমি তাথিয়া তাথিয়া মাথিয়া ফিরি স্বর্গ-পাতাল
মর্ত্য!
আমি উন্মাদ, আমি উন্মাদ!!
আমি সহসা আমারে চিনেছি, আজিকে আমার খুলিয়া
গিয়াছে সব বাঁধ!! আমি পরশুরামের কঠোর কুঠার,
নিঃক্ষত্রিয় করিব বিশ্ব, আনিব শান্তি শান্ত উদার!
আমি হল বলরাম স্কন্ধে,
আমি উপাড়ি' ফেলিব অধীন বিশ্ব অবহেলে নব সৃষ্টির
মহানন্দে। মহা- বিদ্রোহী রণ-ক্লান্ত
আমি সেই দিন হব শান্ত,
যবে উৎপীড়িতের ক্রন্দন-রোল, আকাশে বাতাসে
ধ্বনিবে না,
অত্যাচারীর খড়গ কৃপাণ ভীম রণ-ভূমে রণিবে না -
বিদ্রোহী রণ-ক্লান্ত
আমি আমি সেই দিন হব শান্ত!
আমি বিদ্রোহী ভৃগু, ভগবান বুকে এঁকে দিই পদ-চিহ্ন,
আমি স্রষ্টা-সূদন, শোক-তাপ-হানা খেয়ালী বিধির
বক্ষ করিব-ভিন্ন!
আমি বিদ্রোহী ভৃগু, ভগবান বুকে এঁকে দেবো পদ-চিহ্ন!
আমি খেয়ালী বিধির বক্ষ করিব ভিন্ন! আমি চির-
বিদ্রোহী বীর -
আমি বিশ্ব ছাড়ায়ে উঠিয়াছি একা চির-উন্নত শির!

Timeline photos 30/04/2016

দপ্তরি জম‌শেদ এর বিদায় অনুষ্ঠা‌নে

30/04/2016

যে যত বড়ই হওনা কেন ,জান্নাত কিন্তু তোমার মা‌য়ের পা‌য়ের নি‌চে
হা‌বিব

19/02/2016

এই পেজটা আপডেট রাখতে, কিছু এডমিন দরকার,,, অগ্রহিরা কমেন্ট করেন

19/02/2016

»ভালোবাস তাকে,
যার কারনে পৃথিবী দেখেছো,,
»ভালোবাস তাকে,
যে .১০. মাস .১০. দিন
তোমাকে গর্ভেরেখেছে,,
»ভালবাসো তাকে-
যে তুমাকে কখনও ছেরে যাবেনা..!
»ভালোবাস তাকে,
যার পায়ের নিচে তোমার
জান্নাত আছে.....

Timeline photos 08/02/2016

খুব বেশি মনে পড়ছে

31/01/2016

নামাজ নিয়ে কোন অযুহাত নয়
। নামাজ কায়েম করতে হবে ।
আমাদের দেশে যদি এমনটা
হতো তাহলে এদেশে আর
কোন অন্যায় হতো না । কেন
যারা নামাজ আদায় করে
তারা বিনয়ী হয় । তারা
কখনো অন্যায় কাজ করতে
যাবে না । কেন এই নামাজ
হলো সত্য মিথ্যার
পার্থক্যকারী । নামাজ ছাড়া
জীবন মূল্যহীন । নামাজ
কায়েম করতেই হবে ।

24/01/2016

মুসলমান পিঠ দেখানো জাতি নয়।
মুসলমান এমন এক জাতি যারা মৃত্যুকে অলিঙ্গন
করতে জানে।
তারা একাই নির্ভয়ে কোন শত্রুর শক্তিশালী
কাফেলার ভিতর প্রবেশ করে একাই সব লন্ডভন্ড
করে দিতে পারে।

24/01/2016

,
allah ta'ala amader aro ekti shundor shokal daan korlen. Amra jeno amader prattohik kajgulo gusie korte pari.
-AMEEN.

15/01/2016

নিশ্চয় নামাজ সকল পাপ কাজ থেকে দুরে রাখে,
#প্রমানিত
MD Habib Ullah

12/01/2016

এক স্ত্রী গভীর রাতে প্রতিদিন স্বামীর পাশ থেকে ঘুম
থেকে উঠে আধা ঘন্টা এক ঘন্টার জন্য কোথায় যেন যায়!-
কিন্তু একা সে কোথায় যায় এবং কেন যায়…? ! স্বামীতো চিন্তায় অস্থির।
তাহলে বউ কি আমার কোন খারাপ সম্পর্কে
জড়িয়ে গেল…? !
আবার ভাবছে বউতো ঠিকমতো নামাজও পড়ে! তাহলে কি সে লোক দেখানো নামাজ পড়ে,,,,,,? নাকি ভাল মানুষের আড়ালে
অন্য কিছু করছে,,,,,?
:
নাহ্, অবশেষ স্বামী সিদ্ধান্ত নিলো' আজ সে বউয়ের আসল রূপ
না দেখে ছাড়বে না।
দিনের বেলায় বউয়ের আল্লাহ রাসুলের
কথা।
আর মাঝ রাতে পর পুরুষের সাথে মেলা মেশা করা.!!
ছিঃ ছিঃ
:
আজ স্বামীর আর ঘুম আসছেনা।
কখন বউ বের হবে সেই চিন্তায়।
রাত যখন গভীর হল, আস্তে আস্তে বউ উঠে নলকূপে গেল।
আর স্বামী দূরথেকে লক্ষ করছে।
তার বউ একটু পরে এসে পাশের রুমে গেল….!!! কিন্তু অন্ধকার বলে কিছুই বুঝা যায় না,
সে যে কি করছে।
আর কারো শব্দ নেই ওখানে,
তাহলে একদম
একা একা কি করছে সে,,,,,,?!
'
ওর সন্দেহটা আরো বেড়ে গেল। প্রায় আধ ঘন্টা পর কান্নার
শব্দ পেয়ে সে আস্তে আস্তে দরজার কাছে কান দিল।
কান্না আরো স্পষ্ট হল কি যেন বলছে সে, তা বেশি বুঝতে
পারছেনা,,,,,!! এখন কান্না কিছুটা কমেছে কথা অল্প অল্প
বুঝা যায়।

কিন্তু এবার স্ত্রীর সেই কথাগুলো শুনে থমকে গেল স্বামী।
তার কথা গুলো ছিল এমন””>
হে আল্লাহ”” তুমি সবকিছুর মালিক””ও সকল কিছুর
সৃষ্টিকর্তা”আমাদের পালনকর্তা”” তাই তোমার কাছে একটাই
চাওয়া আমার। তুমি আমার স্বামীকে মুত্তাক্বী পড়হেজগার ও
নামাজী বানিয়ে দাও মালিক”। “আর তুমি আমাকে সৎ সন্তান
দান কর আল্লাহ”। “যারা আমার স্বামীর দুশমন ও শত্রু তাদের
তুমি হেদায়েত দান কর”‘!
:
একথা শুনে স্বামী তার চোখের পানি আর ধরে রাখতে
পারলোনা। সে নিজের ভুল বুঝতে পেরে, তখনি সে প্রতিজ্ঞা
করল। জীবন থাকতে কখনো সে আর পাপকাজ করবেনা। এবং
পরিপূর্ণ ভালো হয়ে যাবে। এবং সে তার স্ত্রীকে কখনোই
আর অবিশ্বাস করবেনা" এবং সব সময় তাকে ভালোবাসবে
সে। আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলকে এমন একজন করে স্ত্রী
মিলিয়ে দিও। যে নিজে নামাজ পরবে ও নিজের স্বামীকে
নামাজের কথা স্বরন করিয়ে দিবে।

>>>সবাই বলেন আমীন>>

12/01/2016

যে মেয়ে মাথার কাপড় ছাড়া চলবে
কিয়ামতের দিন
তার একটা চুল একটা সাপ হয়ে তাকে
কামড়াবে।"

__হযরত মোহাম্মদ (সঃ)

13/04/2015

নতুন সিম! নতুন অফার!! নতুন প্যাকেজ!!!

*দৈনন্দিন জীবনের প্রত্যেক পেরেশানি থেকে যদি বাঁচতে চান তাহলে আজ
থেকেই ব্যবহার শুরু করুনঃ


'নামাজ" সিম কার্ড।

* কারনঃ-
“নামাজ” আপনাকে দিচ্ছে আপনার মালিকের সাথে নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে ফ্রি! কথা
বলার ৫ টি সুযোগ! তাও আবার প্রত্যেকদিন। এর সাথে সাথে পাচ্ছেন
অানলিমিটেড ফ্রি
"রহমত" - "বরকত" - "শান্তি"।

*শুধু এটা না; সাথে আরো আছে "তাহাজ্জুত" প্যাকেজ - যা দিচ্ছে রাত
১২.০০ থেকে ভোর ৪.০০ টা পর্যন্ত আল্লাহ্ রাব্বুল আলামিনের কাছ
থেকে সব কিছু চেয়ে নেওয়ার সুবর্ন সুযোগ।...

Want your school to be the top-listed School/college in Ishurdi?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Mazdiea , Dhapari, Ishurdy, Pabna
Ishurdi
Other Ishurdi schools & colleges (show all)
RARS High School, Ishwardi. RARS High School, Ishwardi.
Alhaj Mor, Pabna
Ishurdi, 6620

RARS High School is one of the largest & reputed educational institute at Ishwardi under the district

Chandra Prava Vidyapith - চন্দ্র প্রভা বিদ্যাপীঠ Chandra Prava Vidyapith - চন্দ্র প্রভা বিদ্যাপীঠ
Paksey
Ishurdi, 6622

School in Paksey, Ishurdi, Pabna, Bangladesh

Dashuria M. M. High School Dashuria M. M. High School
Dashuria, Ishwardi
Ishurdi, 6620

One of the most renowned school of Pabna Zilla.

A.T.M High School, Ishurdi A.T.M High School, Ishurdi
Ishurdi, 6600

Established: 1965 Visibility: Non Government School.

Sara Marwari Model School and College Sara Marwari Model School and College
Schoolpara
Ishurdi, 6620

সরকারি সাঁড়া-মাড়োয়ারী মডেল স্কুল এ্যান্ড কলেজ

Baghail School & College Baghail School & College
Paksey, Pabna
Ishurdi, 6622

Baghail School And College is one the most renowned school in Ishurdi upazila.It has 3 own building.Many students complete their study from here.

Babulchara High School Babulchara High School
Babulchara Bazar, Babulchara, Digha, Ishwardi, Pabna
Ishurdi, 6620

A Famous High School in Babulchara, Digha, Ishwardi, Pabna, Rajshahi, Bangladesh

Department Of English.Ishurdi Government College. Department Of English.Ishurdi Government College.
Ishurdi, 6620

English Department IGC Page id coad no@+[1611654662405199:]