𝗔𝗗-𝗗𝗨𝗛𝗔 𝗜𝘀𝗹𝗮𝗺𝗶𝗰 𝗔𝗰𝗮𝗱𝗲𝗺𝘆

𝗔𝗗-𝗗𝗨𝗛𝗔 𝗜𝘀𝗹𝗮𝗺𝗶𝗰 𝗔𝗰𝗮𝗱𝗲𝗺𝘆

Comments

অনেক ধন্যবাদ ভাইজান এতো তাড়াতাড়ি বইগুলো পাঠিয়ে দেওয়ার জন্য। মাত্র ২ দিনে হাতে পেলাম। আপনাদের ব্যবসায় আল্লাহ তায়ালা বরকত দান করুন। আমিন
বই order করে খুব দ্রুত হাতে পেলাম। thank you 𝐄𝐛𝐚𝐚𝐝𝐚𝐡 𝐒𝐡𝐨𝐩
ধন্যবাদ ইবাদাহ বুকশপ। এতো সুন্দর করে প্যাকেজিং করে দেওয়ার জন্য। বইয়ে সামান্য পরিমানেও স্পট বা দাগ পড়ে নি। আল্লাহ তায়ালা আপনাদের ব্যবসাতে বরকত দান করুন। আমিন
আলহামদুলিল্লাহ।

ইবাদাহ বুকশপ থেকে বই গুলো পেলাম। তাদের ব্যবহার অনেক ভালো লাগলো। তাছাড়া, তারা আমাকে যথাসাধ্য সাহায্য করেছেন। শুভকামনা ভাইদের জন্য
আলহামদুলিল্লাহ। অর্ডারকৃত বই দুটি হাতে পৌঁছেছে।

অসংখ্য কৃতজ্ঞতা #ইবাদাহ কে।
এই ৩ টা বই কিনার অনেক ইচ্ছা ছিল। কিন্তু সুলভ মূল্যে কোথাও পাওয়া যাচ্ছিল না। পরবর্তীতে আমার এক বন্ধুর থেকে Ebadaah - ইবাদাহ পেজ সম্পর্কে জানতে পারলাম। আমি এর আগে কখনো অগ্রিম টাকা পে করে বই অর্ডার করি নি। আমার প্রথম অভিজ্ঞতা অনেক ভালো হলো। আলহামদুলিল্লাহ বই ৩ টা অনেক তাড়াতাড়ি পেয়ে গিয়েছি। ধন্যবাদ জানাই ইবাদাহ পেজের ভাইয়াকে। আশা করি এইভাবেই আমাদের ভালো সার্ভিস দিবেন। দুয়া এবং ভালোবাসা নিবেন।
অনেক ধন্যবাদ ভাইজান রতো সুন্দর করে পাকেট করে দেওয়ার জন্য। আর ভাবতেই পারি নি এতো তাড়াতাড়ি বইটি হাতে পাবো। অনেক ধন্যবাদ। আপনাদের জন্য অনেক দোয়া রইল যেন আপনাদের সামনের পথ যেন আরো সুন্দর হয়।
বই গুলো হাতে পেয়েছি

জাযাকাল্লাহ খাইরান
আসসালামু আলাইকুম,
গত পরশুদিন এই ব‌ইগুলোর অর্ডার করেছিলাম। আলহামদুলিল্লাহ,আজ হাতে পেলাম।প্যাকেজিং ও সুন্দর ছিল।আর এটাই ছিল আমার প্রথম অনলাইন থেকে ব‌ই কেনা।অনেক অনেক শুকরিয়া ২ দিনের মাঝেই ব‌ই পাঠিয়ে দেয়ার জন্য।
জাযাকাল্লাহ খায়রান।
আলহামদুলিল্লাহ, বইটি হাতে পেলাম।

خيركم من تعلم القرآن وعلمة=طلب العلم فريضة على كل مسلم

Operating as usual

15/08/2023

কয়জনা পায় এমন জীবন বলো
যার প্রয়ানে সবার হলো চক্ষু টলোমলো।
-আরিফ আজাদ

06/08/2023

নগদ ভিক্ষা বন্ধ করুন।✍️👇✍️
ভিক্ষুককে (খাবার +পানি) দিন। নগদ এক টাকাও নয়।
ফলস্বরূপ, আন্তর্জাতিক / জাতীয় / রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে, 'ভিক্ষুক' এর দলগুলি ভেঙে যাবে এবং শিশুদের অপহরণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হবে , বিশ্বে এ জাতীয় চক্রের অবসান ঘটবে।
আমরা এখন থেকে ভিক্ষুককে অর্থ দেব না।
গাড়িতে কিছু বিস্কুট প্যাকেট এবং পানি রাখুন।
আপনি যদি এই প্রচারের সাথে একমত হন, তবে এই ধারণাটি ফরোয়ার্ড ও বাস্তবায়ন করুন।

03/08/2023

হায়রে সাংবাদিক ভাই,
কেন যে এই পাকিস্তানি নিউজ টা বাংলা করে বাংলাদেশে আপলোড দিয়ে রাস্ট্রীয় আয়ে ব্যাঘাত ঘটালেন?
বলেন আমার ভুল হয়েছে ক্ষমা করে দিন।

23/07/2023

একটি নতুন জীবন মানে
একটি অনিবার্য মৃত্যুর সংবিধান।
-আরিফ আজাদ

21/07/2023

প্রাপ্ত বয়স্ক অবস্থায় শিক্ষার জন্য প্রথম ধাপ হচ্ছে প্রচুর আগ্রহ এবং চেষ্টা তৈরি করা।
আর সেটা যদি হয় অনলাইনে তাহলে তো এর মাত্রা বাড়াতে হবে দ্বিগুণ।

19/07/2023

٠١/٠١/١٤٤٥ هجري....
Happy Arabic New Year 1445

18/07/2023

HSC পরীক্ষার্থীদের উপলক্ষে আমাদের কুরআন শিক্ষা কোর্সের নতুন ব্যাচ এর ঘোষণা আসবে শীগ্রই। ইনশাআল্লাহ।

18/07/2023

ইনশা আল্লাহু তায়ালা।

03/07/2023

যখন কোন কিছু বিনামূল্যে পাওয়া যায়,
বুঝে নিও তার জন্য অনেক বড় মূল্য দিতে হবে।

নোবেল বিজয়ী ডেসমন্ট টু টু একবার বলেছিলেন, 'যখন মিশনারীরা আফ্রিকায় এসেছিল, তখন তাদের বাইবেল ছিল এবং আমাদের জমি ছিল' । তারা বলল, 'আমরা আপনার জন্য প্রার্থনা করতে এসেছি'। আমরা চোখ বন্ধ করেছি, যখন খুললাম তখন আমাদের হাতে বাইবেল ছিল, আর তাদের হাতে আমাদের জমি ছিল।"

একইভাবে যখন সোশ্যাল নেটওয়ার্ক সাইট এলো। তখন তাদের ফেসবুক - হোয়াটসঅ্যাপ ছিল, আর আমাদের ছিল স্বাধীনতা ও গোপনীয়তা।

তারা বলেছিল 'এটা বিনামূল্যে'। আমরা চোখ বন্ধ করেছিলাম এবং যখন খুললাম তখন আমাদের ফেসবুক এবং হোয়াটসঅ্যাপ আছে এবং তাদের কাছে আমাদের স্বাধীনতা ও ব্যক্তিগত তথ্য আছে।

যখনই কোন কিছু ফ্রী পাওয়া যায় তখনই তার মূল্য আমাদের স্বাধীনতা দিয়ে দিতে হয়।

"জ্ঞান থেকে শব্দ বোঝা যায়, অভিজ্ঞতা থেকে অর্থ বোঝা যায়"

12/10/2022

শিক্ষার কোন বিকল্প নেই, জানার কোন অন্ত নেই।
এই সমাজে যেই জ্ঞানী সেই সম্মানিত।

10/10/2022

একাডেমিক বই গুলোর পাশাপাশি আমাদের সকল স্টুডেন্টস দেরকে বলবো তারা যেন ইসলামিক আউট বই গুলো পরে এবং দ্বীনের ব্যাপারে তাদের নলেজ গুলো সুচারু করে।

08/10/2022

নিশ্চয়ই আল্লাহ আপনাকে দিবেন যা আপনার জন্য কল্যাণকর।

17/05/2022

Students দেরকে বলছি!
কুরআন যতটুকু শিখছেন যেভাবেই শিখছেন, চেষ্টা করবেন সকাল সন্ধ্যায় নিজের পড়ার সময় যেন কায়দা কানুন গুলো প্রয়োগ হয়।

Photos from 𝗔𝗗-𝗗𝗨𝗛𝗔 𝗜𝘀𝗹𝗮𝗺𝗶𝗰 𝗔𝗰𝗮𝗱𝗲𝗺𝘆's post 17/05/2022

কুরআনের সরল ও সহজ অনুবাদ জানার জন্য এই নুসখাটি অসাধারণ ভুমিকা রাখবে।
কুরআন শিক্ষার কোর্সের পর ইনশাল্লাহ কিছু স্পেশাল ক্লাস থাকবে অনুবাদ ধরিয়ে দেওয়ার উপর।

29/01/2022

আলহামদুলিল্লাহ আমাদের ৩য় তম ব্যাচের প্রথম ক্লাস সফল ভাবেই শেষ হয়েছে।

21/01/2022

বহুল পরিচিত ইসলামিক ইতিহাস গ্রন্থ
সংগ্রামী সাধকদের ইতিহাস
সায়্যিদ আবুল হাসান আলী নদবী রহিঃ

PDF Download link:

১ম খন্ড
https://bit.ly/3GRkd4q
২য় খন্ড
https://bit.ly/3GUs1Cn
৩য় খন্ড
https://bit.ly/33Te7lm
৪র্থ খন্ড
https://bit.ly/3FOIyq3

এছাড়াও সায়্যিদ আবুল হাসান আলী নদবী রহঃ এর সকল বই এর PDF আমাদের bdboighor.com ওয়েবসাইটে পেয়ে যাবেন।

20/01/2022

PDF বই এর জন্য এই ওয়েবসাইটে বিজিট করুন।
bdboighor.com

10/01/2022

‘ইতিহাস’ খুব ছোট্ট একটি শব্দ। কিন্তু এর অর্থের বিশালতা এবং মর্মের গভীরতা পরিমাপ করা বেশ কঠিন। ইতিহাসের মাধ্যমে আমরা অতীতের বিভিন্ন গোত্র-বংশ, জাতি-ভূখণ্ড এবং ব্যক্তিদের যাবতীয় ঘটনাবলী সম্পর্কে জানতে পারি। অতীতের আলোকে বর্তমানের সময় ও সমাজকে বিশ্লেষণ করতে পারি। অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে আমাদের পথচলা নির্ধারণ করতে পারি।

বইটির নাম যেহেতু ❝ইসলামের ইতিহাস❞ সেই হিসেবে ইসলাম সম্পর্কিত সকল ইতিহাস উঠে এসেছে এখানে। আরবের স্বভাব-প্রকৃতি, মরুসমাজ, ইসলামপূর্ব আরবের সামাজিক এবং ভৌগোলিক অবস্থা এবং অবস্থান। মুহাম্মাদের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জন্মগ্রহণ থেকে শুরু করে নবুওয়তপ্রাপ্তি, তাঁর সংগ্রামী এবং কর্মময় জীবন, অতঃপর মহান রবের নিকট প্রত্যাবর্তন—সবকিছুই উঠে এসেছে এই বইয়ে।

খেলাফতে রাশেদা, খেলাফতে বনু উমাইয়া, খেলাফতে আব্বাসীয়া এবং খেলাফতে উসমানীয়াসহ আরো যতো খেলাফত-ব্যবস্থা পৃথিবী শাসন করেছে সকলের ইতিহাস বিশুদ্ধ তথ্যের আলোকে তুলে ধরা হয়েছে।

বইটিতে আরো উঠে এসেছে স্পেনে উমাইয়াদের শাসনামল, সেখানে আমাদের সোনালী অতীতে কথামালা। সেলজুক এবং আইয়ূবীদের রাজত্ব, ক্রুসেডের কারণ এবং পৃথিবীব্যাপী ক্রুসেডের প্রভাব, সালাহউদ্দীনের বাইতুল মাকদিস বিজয়, মঙ্গলদের আক্রমণ এবং তাদের তাণ্ডবলীলার বিবরণ উঠে এসেছে এই বইটিতে

প্রিয় পাঠক! আপনি হয়তো ভাবছেন, যেখানে ’ইতিহাস’ বলতে শতশত খণ্ড এবং হাজার হাজার পৃষ্ঠার সংকলন বোঝায় ইসলামি ইতিহাসের এতো এতো আলাপসালাপ এবং কথাবার্তা বলতে গিয়ে না জানি লেখককে কতো হাজার পৃষ্ঠা লিখতে হয়েছে!!?

বিশ্বাস করুন, লেখক ড. মুহাম্মাদ ইবরাহিম আশ-শারিকি’র সফলতা এবং স্বার্থকতা ঠিক এই জায়গায়। তিনি মাত্র সাড়ে তিনশো পৃষ্ঠায় ইসলামের পুরো ইতিহাসকে তুলে এনেছেন এবং অত্যন্ত সুখপাঠ্য করে পাঠকের সামনে উপস্থাপন করেছেন।

বই : ইসলামের ইতিহাস (নববী যুগ থেকে বর্তমান)
লেখক : ড. মুহাম্মাদ ইবরাহিম আশ-শারিকি
প্রকাশনী : মাকতাবাতুল আসলাফ -Maktabatul Aslaf
মুদ্রিত মূল্য : ৪৭০৳

অর্ডার করতে আপনার নাম ঠিকানা মোবাইল নাম্বার লিখে মেসেজ করুন অথবা কল করুন এই নাম্বারে
01743011655

09/01/2022

ইতিহাসের হাতে যারা মার খেয়ে আহত হয়, তাদের দাওয়াই খোঁজে নিতে হয় ইতিহাস থেকেই। বাঙালি মুসলিম জনগোষ্ঠী ইতিহাসের মার খেয়ে রক্তাক্ত। কিন্তু সেই রক্তক্ষরণ মূলত হচ্ছে ইতিহাসের বিকৃতির কারণে। সাম্প্রদায়িক মানসিকতা এবং ঔপনিবেশিক স্বার্থের কলমে বাংলা ও বাংলা ভাষা-সাহিত্যের ইতিহাসে ইসলাম ও মুসলমানকে দাঁড় করা হয়েছে আসামীর কাঠগড়ায়। মামলাটি অনেক বড়। মুসলিম বিজয় নাকি এই জনপদে নিয়ে এসেছিলো বর্বরতা, ধর্মীয় জবরদস্তি , হত্যা ও বিনাশ। যার ফলে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে নেমে এসেছিলো অন্ধকার যুগ। থেমে গিয়েছিলো বাঙালির মনন ও সৃজনশীলতা। একদল ঐতিহাসিক মুসলিম বিজয়ের সময় থেকে প্রায় দেড় শতাব্দীকে আখ্যা দিয়েছেন অন্ধকার যুগ! যা ইতিহাসের বইয়ে তো আছেই, স্থান পেয়েছে পাঠ্যপুস্তকেও। কিন্তু আসলেই কি তখন অন্ধকার নেমে এসছিলো? বাংলায় নেমে এসছিলো বর্বরতা? এ প্রশ্নের জবাব খোঁজেছেন কবি, দার্শনিক মুসা আল হাফিজ। তিনি দেখিয়েছেন, তখনকার প্রকৃত চিত্র। বাংলা ভাষা ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর জীবনে ইসলাম কীভাবে আশীর্বাদ হয়ে এসেছিলো? কীভাবে নিশ্চিত করেছিলো মুক্তি ও কল্যাণ! এ বই ইতিহাসের গ্রন্থ ও পাঠ্যপুস্তকে স্থান পাওয়া অন্ধকার যুগের সেই মিথকে শুধু চ্যালেঞ্জ করে না, বরং মিথ্যা প্রতিপন্ন করে। ইতিহাস বিকৃতির জখমের দাওয়াই দেয় ঐতিহাসিক তত্ত্ব-তালাশের পরিক্রমায়। বইটি শুধু ইতিহাস পাঠকদের জন্য জরুরী নয়, এতে নিহিত সত্যের অবগতি প্রয়োজন প্রতিটি বিদ্যালয়ে, প্রতিটি ধারায়। এ বিষয়ে ইতোপূর্বে ভুল বক্তব্য শোনেননি, এমন শিক্ষিত বাঙালি কমই আছেন। ফলে সত্য ও যথার্থ বক্তব্যের জন্য এ গ্রন্থ সবারই কাজে আসবে ইনশা আল্লাহ

বই: বাংলা সা‌হি‌ত্যে অন্ধকার যুগ: মিথ বনাম বাস্তবতা
লেখক : মুসা আল হা‌ফিজ
প্রকাশনায় : রাইয়ান প্রকাশন
বিষয় : বাংলা সা‌হি‌ত্যের ই‌তিহাস
বাইন্ডিং : হার্ডকাভার
পৃষ্ঠা সংখ্যা : ১২০
প্রচ্ছদ মূল্য : ১৮৫৳
ছাড়কৃত মূল্য: ১২০ টাকা
শর্ট পি‌ডিএফ: shorturl.at/qBRS8

অথবা ইনবক্স করুন: https://www.facebook.com/Ebaadahshop
যোগা‌যোগ : 01743011655

09/01/2022

📖 অসুস্থতার সময়টা আয়িশার ঘরে কাটাতে স্ত্রীদের থেকে অনুমতি নেওয়া

‘আয়িশা সিদ্দীকা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন, ‘আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ব্যথা তীব্র হওয়ার পর অসুস্থতার সময়টা আমার ঘরে কাটানোর জন্য তিনি স্ত্রীদের কাছে অনুমতি চান। সবার সম্মতির পর দুজনের সাহায্যে বের হয়ে আসেন। পা টেনে চলছিলেন তিনি। তাকে নিয়ে আসছিলেন আব্বাস ও আরেকজন ব্যক্তি। ঘরে প্রবেশের পর নবিজির ব্যথা আরো তীব্র হয়। এ সময় তিনি বললেন, ‘আমার শরীরে সাত বালতি পানি ঢালো। আমি যেন লোকদেরকে প্রতিশ্রুতি দিতে পারি।

নবিজিকে হাফসার বাথটাবে বসানো হলো। আমরা তাঁর গায়ে পানি ঢালছিলাম। একপর্যায়ে তিনি বললেন, ‘ঠিক আছে, যথেষ্ট হয়েছে।’ একটু সুস্থতা অনুভূত হলে তিনি সাহাবিদের কাছে চলে যান। ‘আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন, ‘আল্লাহর রাসূলের চেয়ে তীব্র যন্ত্রণাকাতর মানুষ আমি আর দেখিনি।’

আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, ‘নবিজির অসুস্থতার সময় একবার এসে দেখলাম তিনি ভীষণভাবে গড়াগড়ি করছেন। আমি অবাক হয়ে বললাম, ‘আপনি এভাবে গড়াগড়ি করছেন! তবে আপনার জন্য এতে আছে দুটি প্রতিদান।’ তিনি বললেন, ‘হ্যাঁ, যেকোনো মুসলিম ব্যক্তিকে বিপদ স্পর্শ করলে আল্লাহ তার ভুলগুলো ঝেড়ে ফেলেন, যেমন গাছের পাতা ঝরে পড়ে।’

📖 তাঁর সমাধিকে সিজদার স্থান বানানো নিষেধ

আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের একদম শেষের দিককার কথা ছিল, ‘আল্লাহ তা’আলা ইয়াহূদি খ্রিষ্টানদেরকে ধ্বংস করুন, ওরা ওদের নবিদের কবরের স্থানকে মাসজিদ বানিয়ে নিয়েছিল।’

📖 মুসলিমদের নিয়ে আবু বাকর সিদ্দীকের সালাত আদায়

আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ভীষণ অসুস্থ। সাহাবিদের নিয়ে সালাত আদায় করতে পারবেন না তিনি। বিলাল আযান দিলেন। ঘনিয়ে এল জামাতের সময়। নবিজি বললেন, ‘আবু বাকরকে নামাজ পড়াতে বলো।’ তাঁকে বলা হলো, ‘আবু বাকর নরম মনের মানুষ, আপনার স্থানে দাঁড়ালে কেঁদে ফেলবেন, নামাজ পড়াতে পারবেন না।’ নবিজি পুনরায় নির্দেশ দিলেন, ওদিকে আবারও তাঁকে আগের কথাই শোনানো হলো। অবশেষে তিনি তৃতীয়বার নির্দেশ দেওয়ার পর বললেন, ‘আসলে তোমরা সবাই ইউসুফকে দেখা সঙ্গিনীদের মতো, মনের আসল ব্যাপারটা কেউ প্রকাশ করছে না। আবু বাকরকে বলো মুসল্লিদের নিয়ে নামাজ পড়াতে।’

আবু বাকর রাদিয়াল্লাহু আনহু বের হলেন। এদিকে নবিজিও একটু হালকা অনুভব করছেন। ফলে তিনি বের হলেন দু’জন ব্যক্তির কাঁধে ভর করে। আমি এখনো যেন দেখতে পাচ্ছি, নবিজি অনেকটা পা টেনে সামনে চলছেন। আবু বাকর রাদিয়াল্লাহু আনহু নবিজিকে দেখে পেছনে সরতে উদ্যত হলেন। আল্লাহর রাসূল ইঙ্গিতে বললেন নামাজ পড়াতে, কিন্তু তিনি পারলেন না। সরে এলেন। আল্লাহর রাসূল তার পাশে দাঁড়িয়ে নামাজ পড়ান। আর মুকাব্বিরের কাজ করেন আবু বাকর সিদ্দীক রাদিয়াল্লাহু আনহু।

📖 নববি জীবনের অন্তিম মুহূর্ত

নিয়মিত মুসল্লিদের নিয়ে নামাজ পড়ছেন আবু বাকর সিদ্দীক রাদিয়াল্লাহু আনহু। সোমবার দিন সুবহে সাদিকের পরের দৃশ্য। সাহাবায়ে কেরাম কাতারবন্দি হয়ে দাঁড়িয়ে আছেন নামাজের অপেক্ষায়। রবের সামনে দাসত্বের অনুভূতি নিয়ে বিনম্র চিত্তে দাঁড়ানো মুসলিমদের দেখতে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দরজার পর্দা উঠালেন। বিমুগ্ধ চোখে দেখছেন দা’ওয়াহ ও জিহাদের প্রতিফলন। এই তো তিনি নির্মাণ করতে পেরেছেন সালাত প্রতিষ্ঠা ও সংরক্ষণে নিবেদিত একটি মানব কাফেলা। যারা তাঁর অনুপস্থিতিতেও নামাজে যত্নবান থাকবে।
হৃদয় জুড়ানো মোহন এই দৃশ্য দেখে সিক্ত হয় নবিজির চোখজোড়া। পৃথিবীর পটে এই সফল চিত্রটি আল্লাহ তাঁকে দিয়ে আঁকিয়েছেন। আল্লাহর রাসূল পরম নির্ভরতায় নিশ্চিন্ত, প্রশান্ত। বদ্ধমূল বিশ্বাস তাঁর, আল্লাহর এই ইবাদাত আর দীনের সাথে এই সম্পর্ক চিরকালীন, তাঁর বিদায়ের পরও টুটবে না প্রেমময় এই মজবুত বন্ধন।

হৃদয়ে তাঁর উচ্ছলতা ও পুলকের জোয়ার। অপার্থিব মুগ্ধতার দ্যুতিতে দীপিত চেহারা মুবারাক। সাহাবায়ে কেরাম বলছেন, ‘আয়িশার ঘরে দাঁড়িয়ে পর্দা তুলে নবিজি আমাদের দেখলেন। তাঁর চেহারা যেন মুসহাফের পত্র। মৃদু হাসি ফুটল ঠোঁটে। মনে হচ্ছিল খুশির আতিশয্যে আমরা হারিয়ে যাব। ধারণা করছিলাম নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নামাজে আসবেন; কিন্তু তিনি ইঙ্গিতে নামাজ শেষ করতে বলে কক্ষে প্রবেশ করলেন। ঝুলিয়ে দিলেন পর্দা।’

নামাজ শেষে কয়েকজন সাহাবি কাজে বেরিয়ে যান। আবু বাকর রাদিয়াল্লাহু আনহুর মেয়ে ‘আয়িশার ঘরে ঢুকে বললেন, ‘আমি তো দেখছি আল্লাহর রাসূলের ব্যথা অনেকটা প্রশমিত হয়েছে। আমি তাহলে একটু আসি!’ আবু বাকরের এক স্ত্রী—বিনতে খারিজা থাকতেন সুনহ নামক এলাকায়। নবিজিকে একটু সুস্থ দেখে তিনি সেই স্ত্রীর কাছে চলে যান।

📖 মহামহিম বন্ধুর সান্নিধ্যে

ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মৃত্যুযন্ত্রণা। এমন সময় উসামা ইবনু যাইদ তাঁর কাছে এলেন। নবিজি নীরব, কারও সঙ্গে যেন তাঁর কথা বলার সামর্থ্য নেই। আল্লাহর রাসূল আসমানের দিকে হাত উঠালেন। কিছুক্ষণ পর আলতোভাবে রাখলেন উসামার দেহে। তিনি বুঝলেন, নবিজি তার জন্য দু’আ করেছেন।

‘আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা আল্লাহর রাসূলকে বুকের মাঝে হেলান দিয়ে রাখেন। মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছেন তিনি। চোখ দুটি সজল। বিরহ যাতনার এই মুহূর্তে মিসওয়াক নিয়ে ঘরে এলেন আবু বাকরের ছেলে আবদুর রাহমান। নবিজি সেদিকে বারবার দেখছেন। ‘আয়িশা বললেন, ‘এটা আপনার জন্য নেব?’ নবিজি ইঙ্গিতে নিতে বলেন। ‘আয়িশা ভাই থেকে মিসওয়াক নিয়ে চিবিয়ে নরম করেন। পরম যত্নে মিসওয়াক করান আল্লাহর রাসূলকে। এসবের মধ্য দিয়েও তিনি বারবার বলছেন, ‘আমি মহামহিম বন্ধুর সান্নিধ্য কামনা করছি।’

পাশেই একটি পানির পাত্র। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সেটাতে হাত ভিজিয়ে চেহারায় বুলিয়ে বলছেন, ‘আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহা নেই..., নিশ্চয়ই মৃত্যুর রয়েছে নিদারুণ যন্ত্রণা!’

সামনেই বেদনাদগ্ধ মনে বসে আছেন নবিজির কলিজার টুকরা ফাতিমা রাদিয়াল্লাহু আনহা। তিনি কাঁদছেন। বাবার ব্যথাকাতর চেহারা দেখে ভেঙে পড়ছেন তিনি। অন্তর দেয়ালে একটা ক্ষত সৃষ্টি হচ্ছে। ক্রমশ প্রসারিত হচ্ছে এই ক্ষত—যেন শেষ নেই। বাবার কথা ভেবেই তিনি উদ্বিগ্ন, উৎকণ্ঠিত। কম্পিত গলায় বললেন, ‘আহা আব্বু, ভীষণ কষ্ট হচ্ছে তোমার!’

আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ক্ষীণ আওয়াজে বললেন, ‘মামণি—আজকের পর তোমার বাবার আর কোনো কষ্ট থাকবে না।’ এ কথা বলে তিনি সামনের দিকে হাত উঠালেন। যেন প্রসারিত করেছেন কাউকে ধরার জন্য। আর প্রার্থনার সুরে বলছেন, ‘আমাকে মহামহিম বন্ধুর সান্নিধ্যে নিয়ে চলো। আমাকে মহামহিম বন্ধুর সান্নিধ্যে নিয়ে চলো...। হে আল্লাহ, মৃত্যুযন্ত্রণায় আপনি আমাকে সাহায্য করুন। আমাকে ক্ষমা করুন, আমাকে করুণার চাদরে জড়িয়ে নিন। আমাকে মিলিত করে দিন মহামহিম বন্ধুর সাথে।’ বলতে বলতে দুনিয়ার জীবন থেকে বিদায় নিয়ে ফেরেশতার হাত ধরে রওনা করেন এক অনন্ত অসীম মহাজীবনের পথে। যে জীবন অফুরান, অনিঃশেষ—পরম বন্ধুর সুরভিত সান্নিধ্যে স্নিগ্ধময়।

প্রাণহীন দেহের হাতটা ঋজু ভঙ্গিতে নেমে এল নিচে। ফাতিমা রাদিয়াল্লাহু আনহা বুঝলেন, নিশ্চিত হয়েছে বাবার মহাকালের যাত্রা। তিনি আর পৃথিবীতে নেই। আর ডাকবেন না তাকে কলিজার টুকরা বলে। স্নেহের আবেশে আর বসাবেন না কাছে। দীর্ঘ অভুক্ততায় আর তিনি পাঠাবেন না গোস্ত ও রুটির টুকরো। তাঁর পদধুলায় আর ধন্য হবে না ঘরের দোর। এক অসীম যন্ত্রণা আচ্ছন্ন করল তার অন্তরটাকে। আর্তনাদের সুরে তিনি বললেন, ‘আজ বাবা তাঁর রবের ডাকে সাড়া দিলেন। বাবার জন্য অপেক্ষা ঘুচবে জান্নাতুল ফিরদাউসের। জীবরীলকে জানিয়ে দেবো তাঁর শোকসংবাদ...।’ আল্লাহর রাসূলকে সমাধিত করার পর ফাতিমা রাদিয়াল্লাহু আনহা বললেন, ‘তোমরা আল্লাহর রাসূলের ওপর মাটি দিতে পারলে!’

📖 কীভাবে বিদায় হলেন দুনিয়া থেকে?

বিদায়ের সময় আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ছিলেন আরব উপদ্বীপের শাসক। শক্তিধর রাজা-বাদশারা তখন তাঁর ভয়ে ভীত। সাহাবায়ে কেরাম নিজেদের সবকিছু নিয়ে তাঁর জন্য সর্বত নিবেদিত ছিলেন। অথচ তিনি কোনো দিরহাম-দিনার কিংবা দাস-দাসী রেখে যাননি। পার্থিব ঐশ্বর্যের কিছুই ছিল না তাঁর ঘরে। ছিল শুধু একটা সাদা গাধি, অস্ত্র ও সাদাকাহ হিসেবে নির্ধারিত একখণ্ড ভূমি। মৃত্যুর সময় তাঁর বর্মটি এক ইয়াহূদির কাছে কয়েক কেজি যবের বিনিময়ে বন্ধক ছিল।

দিনটি ছিল ১১ হিজরির রবীউল আউয়াল মাসের ১২ তারিখ সোমবার। আকাশে সূর্যটা খানিক হেলে পড়েছিল। আল্লাহর পয়গাম পৌঁছে দিতে ৬৩ বছর সময় পেয়েছিলেন তিনি পৃথিবীতে। মুসলিমদের জন্য দিনটি সবচেয়ে শোকাবহ, ব্যথাতুর, অসীম বেদনার। মানবজীবনের জন্য বিষাদময়। যেমন তাঁর জন্মের দিনটি ছিল সবচেয়ে সৌভাগ্যের।

আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলতেন, ‘আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যেদিন মাদীনায় আসেন, আমার মনে পড়ে, সেদিন সবকিছুই এক অপার্থিব আলোয় আলোকিত হয়েছিল। আর বিদায়ের পর নেমে এসেছিল গহিন অন্ধকার। নবি-বিয়োগের পর উম্মু আইমান কাঁদছিলেন। কান্নার কারণ জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, ‘আমি তো জানতাম নবিজি একদিন চলে যাবেন, কিন্তু আমি কাঁদছি ওয়াহি অবতরণ বন্ধ হয়ে গেল বলে।’

📖 রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ওফাত পরবর্তী পরিস্থিতি এবং আবু বাকরের দৃঢ়তা

ইবনু রজাব বলেন, আল্লাহর রাসূলের তিরোধানে মুসলিমরা অস্থির হয়ে পড়েন। শোকের ছায়া নেমে আসে সবার মাঝে। ব্যথাকাতরতা সবাইকে হতবুদ্ধি করে দেয়, করে ফেলে দিশেহারা। অনেকে যেন শক্তিশূন্য হয়ে বসে পড়েছে, হারিয়ে ফেলেছে দাঁড়াবার সামর্থ্য। অনেকে বাকহীনের মতো হয়ে গেছে, বন্ধ করে দিয়েছে আলাপন। কেউ কেউ বিরহ বিচ্ছেদ সইতে না পেরে তাঁর মৃত্যকেই অস্বীকার করে বসে।

আপতিত এই বিপদ ও এর সাথে সম্পর্কিত বিষয়গুলো স্পষ্ট করে বলেন, ‘দীনের মাঝে সবচেয়ে বড় বিপদ হলো আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘তোমাদের কেউ বিপদে আক্রান্ত হলে সে যেন আমার বিপদের কথা স্মরণ করে, কেননা এটাই সবচেয়ে বড় বিপদ।’ আল্লাহর রাসূল সত্য বলেছেন। কিয়ামাত পর্যন্ত আগত মুসলিম জাতির জন্য তাঁর প্রয়াণের মতো বড় বিপদ আর নেই। তাঁর ওফাতের মধ্য দিয়ে বন্ধ হয়ে গেছে ওয়াহির দরজা, সমাপ্তি ঘটেছে নবুওয়াতের; আর প্রথম বড় সংকট দেখা দেয়, আরবরা দলে দলে মুরতাদ হয়ে গেছে।’

‘উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু নবিবিয়োগের এই ঘটনা কিছুতেই মানতে পারছিলেন না। তিনি বলছিলেন, আল্লার রাসূলের মৃত্যু হয়নি। তিনি তাঁর রবের কাছে গেছেন, যেমন মূসা আলাইহিস সালাম চল্লিশ দিনের জন্য জাতি থেকে বিচ্ছিন্ন ছিলেন। এরপর আবার ফিরে এসেছেন। রাসূলুল্লাহও আবার ফিরে আসবেন, যেমন ফিরে এসেছিলেন মূসা। খবরদার, যে বলবে রাসূলের মৃত্যু হয়েছে, তার হাত-পা কেটে ফেলব।

এ সময় আবু বাকর সিদ্দীক রাদিয়াল্লাহু আনহু সুনহ নামক স্থানের বাড়িতে ছিলেন। নাবি প্রয়াণের শোকসংবাদ শুনে ছুটে আসেন মাদীনায়। পুরো শহরজুড়ে ছেয়ে আছে থমথমে নীরবতা। যেন মৃতদের নগরী। কারো মুখে কথা নেই। যেন মহাকালের নিস্তব্ধতা গ্রাস করেছে মাদীনাবাসীকে। সিদ্দীক রাদিয়াল্লাহু আনহু মাসজিদে নববিতে ঢুকলেন। মুহাজির ও আনসার সাহাবিরা মূক হয়ে বসে আছেন। সবার চোখে ছলছল করছে ব্যথার তপ্ত অশ্রু। কারো সাথে তিনি কথা বললেন না। বলবেন কীভাবে! সবার চেহারা যে ঢেকে আছে বিষণ্নতার কালো ছায়ায়!

তিনি ‘আয়িশা সিদ্দীকার ঘরে ঢুকলেন। আল্লাহর রাসূলের দেহ মুবারাক চাদরাবৃত। বুকটা চিনচিন করে ওঠে অচেনা যাতনায়। বেদনার বরফ জমে ওঠে বুকে। বিষাদের অনলে দগ্ধ হয় হৃদয়। চাপা কষ্টের দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে আসে অন্তর থেকে। সে নিঃশ্বাসে কলিজাপোড়া গন্ধ। মৃদু লয়ে নবিজির কাছে এসে ঝুঁকলেন। কাঁপা হাতে চাদর সরিয়ে চেহারা অবমুক্ত করলেন। ললাটে চুমু একে দিলেন প্রেমময় ঠোঁটে।

কান্নার জোয়ার উছলে উঠল তার চোখের নদীতে। কপোল বেয়ে অশ্রু গড়িয়ে পড়ছে টুপটুপ করে। যেন গোলাপের পাপড়ি থেকে শিশিরবিন্দু ঝরছে। আবু বাকর আজ অঝোর ধারায় কাঁদছেন। চোখের জলে ভিজে যাচ্ছে বুক; কিন্তু না, এ কান্নায় হালকা হচ্ছে না মন, গলছে না জমে থাকা যন্ত্রণার বরফ। তবে অদৃশ্য কিছুর ছোঁয়া পেলেন বুকে। মুঠো মুঠো সাহসে পূর্ণ হচ্ছে অন্তর। কপোল থেকে অশ্রু মুছলেন। কান্নাজড়িত আড়ষ্ট কণ্ঠে বললেন, আপনার জন্য আমার মা-বাবা কুরবান হোক। আল্লাহর কসম, মহান আল্লাহ আপনার জন্য দুবার মৃত্যুর কথা লিপিবদ্ধ করেননি। যে মৃত্যু আসার ছিল, তা এসে গেছে।

আবু বাকর সিদ্দীক রাদিয়াল্লাহু আনহু বের হলেন। বাইরে ‘উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু কথা বলছেন। তার উচ্চারিত প্রতিটি বাক্যে ক্রোধ ঝরছে। আবু বাকর বললেন, ‘উমার, বসে পড়ো। আল্লাহর প্রশংসা ও মহিমার পর তিনি বললেন, যারা মুহাম্মাদের উপাসনা করত তারা জেনে নাও, নিশ্চয় মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আর দুনিয়াতে নেই। মৃত্যুর পেয়ালায় চুমুক দিয়েছেন তিনি। আর যারা এক আল্লাহর ইবাদাত করত তারা জেনে নাও, নিশ্চয়ই আল্লাহ চিরঞ্জীব, তাঁর মৃত্যু নেই।’ তাঁর কণ্ঠে উচ্চারিত হলো এই আয়াত—
‘আর মুহাম্মাদ শুধুই একজন রাসূল, তাঁর পূর্বে অনেক রাসূল গত হয়েছেন। তাঁকে যদি মৃত্যু স্পর্শ করে, অথবা তিনি নিহত হন, তবে কি তোমরা পৃষ্ঠ প্রদর্শন করবে? নিশ্চয়ই যে পিঠ দেখিয়ে ভাগবে, সে আল্লাহর কোনোই ক্ষতি করতে পারবে না; এবং আল্লাহ অচিরেই কৃতজ্ঞচিত্ত বান্দাদের যথার্থ প্রতিদান দেবেন।’ (সূরা আলে ইমরান, ৩:১৪৪)

‘উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, ‘আবু বাকরের মুখে এই আয়াত শোনার পর আমি যেন তিরে বিদ্ধ হলাম, পা স্থির রাখতে পারছিলাম না। পড়ে যাচ্ছিলাম মাটিতে। তার তিলাওয়াতের পর বিশ্বাস হলো, নবিজি আসলেই আর নেই।’

কুরতুবি রাহ. বলেন, ‘এই আয়াত উপস্থাপন সিদ্দীক রাদিয়াল্লাহু আনহুর অসীম সাহসিকতার পরিচয় বহন করছে। মজবুত সাহসিকতায় পূর্ণ সুসংহত হৃদয়ই কেবল বড় কোনো বিপদের সময় স্থির-অবিচল থাকতে পারে। আর মুসলিম জীবনে আল্লাহর রাসূলের ওফাতের চেয়ে বড় কোনো বিপদ হতেই পারে না। এমনই বিপদঘন মুহূর্তে প্রকাশ পেয়েছে তার সাহসিকতা ও ইলমের প্রখরতা। ‘উমারের মতো মানুষ যখন বলছিলেন, নবিজির মৃত্যু হয়নি, উসমান ভেঙে পড়েছেন, চুপসে গিয়েছিলেন ‘আলি রাদিয়াল্লাহু আমহুম। এমন সময় সুনহ থেকে এসে আবু বাকর সিদ্দীক রাদিয়াল্লাহু আনহুই সবার সামনে প্রকৃত বিষয়টা পরিষ্কার করেন।

আল্লাহ তা’আলা আবু বাকর সিদ্দীক রাদিয়াল্লাহু আনহুকে অশেষ অনুকম্পায় আবৃত করে নিন। উম্মাহর ওপর আসা বহু বিপদ তার হাতে প্রতিহত হয়েছে, ফিতনার দ্বার তিনি রুদ্ধ করেছেন, কুরআন-সুন্নাহর আলোকে সমাধান করেছেন উদ্ভূত বহু সমস্যা। অথচ এগুলো ‘উমারের মতো মানুষের কাছেও সুপ্ত ছিল। কাজেই এই আবু বাকর সিদ্দীক রাদিয়াল্লাহু আনহুর অধিকার সম্পর্কে জানুন। সম্মান করুন যথার্থ অর্থে। আল্লাহর রাসূলের ভালোবাসার এই মানুষটিকে ভালোবাসুন। তাঁর প্রতি ভালোবাসাও ঈমানের অংশ, আর শত্রুতা পোষণ মুনাফিকি কাজ।

📖 আল্লাহর রাসূলের গোসল, কাফন ও সালাত

‘আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন, ‘আল্লাহর রাসূলের গোসলের সময় হলে সাহাবিরা আলোচনা করছিলেন, ‘বুঝতে পারছি না, কী করব? আমাদের মৃতদের মতো তাঁর কাপড় আলাদা করব, নাকি কাপড়সহ-ই গোসল দেবো? সবাই ছিলেন দ্বিধান্বিত। সমাধানে আল্লাহ তাদের চোখে ঘুম ঢেলে দিলেন। প্রত্যেকেই ঘুমে এমন বিভোর হয়েছিলেন যে, থুতনি বুকের সাথে লাগছিল। এমন সময় ঘরের প্রান্ত থেকে একজনের আওয়াজ এল। কেউ বুঝতে পারেনি তিনি কে ছিলেন? তিনি বললেন, ‘আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে কাপড়-সহই গোসল করাও।’

এবারে সাহাবিরা নবিজিকে এভাবেই গোসল করান। জামার ওপর দিয়েই পানি ঢেলেছেন। হালকা করে মলেছেন জামা দিয়েই। ‘আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন, ‘আমি পরে যা অনুধাবন করেছি, প্রথমেই তা বুঝতে পারলে নবিজিকে শুধু স্ত্রীরাই গোসল দিত।

ইয়েমেনি তিনটি কাপড় দিয়ে নবিজিকে কাফন পরানো হয়। এখানে কোনো জামা ও পাগড়ি ছিল না। সকল মুসলিম তাঁর জানাযার সালাত পড়েছেন। ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, ‘আল্লাহর রাসূলের ওফাতের পর পুরুষরা ঢুকে ইমাম ব্যতীত একাকী নামাজ পড়েছেন। পুরুষদের পর নারীরা। নারীদের নামাজ শেষে শিশুরা জানাযা পড়েছে। সবশেষে দাস শ্রেণির লোকেরা প্রবেশ করে একাকী নামাজ পড়েছে। কেউ ইমাম হয়নি।’

ইবনু কাসীর রাহ. বলেন, ‘এটাই হয়েছে। সাহাবিরা নবিজির জানাযার নামাজ পড়েছে একা একা। কেউ ইমাম হয়নি। এ ঐকমত্যের কাজে কেউ দ্বিমত করেনি।’

আল্লাহর রাসূলের দাফনের ব্যাপারটায় প্রথমে মুসলিমরা মতভিন্নতায় ছিলেন। কেউ বলছিলেন মিম্বারের কাছে দাফন করা হবে, কেউ বলছিলেন জান্নাতুল বাকিতে। একজন বললেন, তাঁর নামাজের জায়গায়। এরপর আবু বাকর সিদ্দীক রাদিয়াল্লাহু আনহু এসে সমাধান দেন—যা শুনেছিলেন আল্লাহর রাসূলের কাছে।

‘আয়িশা ও ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন, ‘আল্লাহর রাসূলের ওফাতের পর গোসল হয়ে গেলে দাফনের স্থান নির্ণয়ে সাহাবিরা মতভেদ করেন। এ সময় আবু বাকর বললেন, ‘আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে শোনা কথা আমি ভুলে যাইনি। তিনি বলেছেন, ‘আল্লাহ যেকোনো নবিকে উঠিয়ে নেওয়ার পর আবশ্যক হলো সেই স্থানেই দাফন করা।’ কাজেই নবিজিকে ঘরের বিছানার কাছে সমাহিত করো।’ এই হাদীসের বিশুদ্ধতার ব্যাপারে মতভেদ থাকলেও নবিজিকে তাঁর ওফাতের স্থানেই দাফন করা ছিল একটি ঐক্যবদ্ধ সিদ্ধান্তের বিষয়।

ইবনু কাসীর রাহ. বলেন, ‘সূত্র পরম্পরায় আমরা এ কথাই জেনে আসছি, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ‘আয়িশার ঘরেই দাফন করা হয়েছে। মাসজিদের পূর্বদিকে হুজরার কাছে। পরবর্তী সময়ে সেখানে আরো দাফন করা হয়েছে আবু বাকর ও ‘উমারকে।’

আল্লাহর রাসূলের কবর ছিল লাহাদ। উলামায়ে কেরামের ঐকমত্য হলো, ‘লাহাদ ও সিন্দুকি কবর, উভয়টিই জায়েয। তবে মাটি যদি শক্ত হয়, ভেঙে না পড়ে, তখন লাহাদ কবরই উত্তম। আর ভেঙে পড়ার আশঙ্কা থাকলে সিন্দুকি কবর হবে।

আলবানি রাহ. বলেছেন, ‘লাহাদ, সিন্দুকি উভয়টিই জায়েয। কারণ, উভয় আমলই আল্লাহর রাসূলের যুগ থেকে চলে আসছে। তবে প্রথমটি উত্তম। কেননা, আল্লাহ তাঁর নবির জন্য অবশ্যই উত্তমটিই চয়ন করেন।’

কবর সামান্য উঁচু করা হয়েছিল। জুমহুর উলামা বলেছেন, মুস্তাহাব হলো কবর সামান্য উঁচু রাখা। এই মাসআলায় দীর্ঘ মতানৈক্যের কথা আছে। এখানে সঙ্গত কারণে সেদিকটা উল্লেখ করছি না। ইবনুল কায়্যিম রাহ. উভয় মতকে কাছাকাছি এনেছেন এভাবে, ‘সাহাবিদের কারো কবর একেবারে উঁচু ছিল না, আবার সমতলও না। নবিজির কবরও এমনই ছিল এবং তাঁর সাথিদ্বয়ের কবরও। আল্লাহর রাসূলের কবর ছিল সমতল ভূমি থেকে সামান্য উঁচু।

ইবনু ইসহাকের বর্ণনা অনুযায়ী আল্লাহর রাসূলের কবরে নামবার সৌভাগ্য হয়েছিল ‘আলি ইবনু আবি তালিব, ফজল ইবনু আব্বাস, কুসাম ইবনু আব্বাস এবং আল্লাহর রাসূলের মাওলা শাকরানের। ইমাম নববি ও মাকদিসি আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুর কথাও উল্লেখ করেছেন।

ইমাম নববি রাহ. বলেছেন, ‘বর্ণিত আছে, বিবৃত সাহাবিদের সাথে উসামা ইবনু যাইদ ও আউস ইবনু খাওলাও ছিলেন। লাহাদ কবরে তাঁকে সমাহিত করা হয়। কবরের ওপর দেওয়া হয়েছিল নয়টি ইট। এরপর মাটি ঢেলে দেওয়া হয়।

অধিকাংশ উলামায়ে কেরামের মতে নবিজিকে দাফন করা হয়েছে বুধবার রাতে। আর জমহুর উলামাগণ বলেছেন, ‘নবিজির ওফাত হয়েছে সোমবার দিনে এবং দাফন করা হয়েছে বুধবার রাতে।’

আল্লাহর রাসূলের বিদায়ে রোদ্দুর দিবসেই যেন নেমে এসেছিল ঘোর অন্ধকার। অসীম বিষণ্ন-মর্মদগ্ধতা আচ্ছন্ন করেছিল সাহাবায়ে কেরামের অন্তরগুলোকে। জীবনে যেন অনিবার্য হয়েছিল এক মহাবিপর্যয়। মাদীনার চারপাশজুড়ে দিনটাতে শুধুই হাহাকার পড়েছে। বিরহ পীড়নে দগ্ধ অন্তর থেকে উৎসারিত হচ্ছিল বিচ্ছেদ বেদনার মর্মস্পর্শী কবিতা। নবিজীবনের মতোই চিরায়ত হয়ে আছে কবিতাগুলোও।


ড. ‘আলি মুহাম্মাদ সাল্লাবি
রউফুর রহীম তৃতীয় খণ্ড থেকে কয়েকটি টুকরো
সিয়ান । বিশুদ্ধ জ্ঞান । বিশ্বমান।
অর্ডার করতে আপনার নাম ঠিকানা মোবাইল নাম্বার লিখে মেসেজ করুন। অথবা কল করুন এই নাম্বারে
01743011655 (bkash)
https://www.facebook.com/Ebaadahshop

09/01/2022

প্রিয় বোন আমার! তুমি কি জানো পর্দাহীনতা ও অশ্লীলতার কুফল কী? শরয়ী পর্দার প্রতি যত অবহেলা করা হচ্ছে নারীর প্রতি সহিংসতা ততই বাড়ছে। নারী জাতি আজ কাগজে-কলমে আগের চেয়ে অনেক বেশি শিক্ষিত, বেশি সচেতন; কিন্তু বলো, নারীদের প্রতি সামাজিক অনাচার বেড়েছে না কমেছে? নিত্য-নতুন পন্থায় নারীদের ওপর নির্যাতন করা হচ্ছে।

প্রিয় বোন আমার! অভ্যন্তরীণ পর্দার পাশাপাশি বাহ্যিক বা পোশাকী পর্দাহীনতাই প্রথমত গায়রে মাহরামের সাথে অবাধ মেলামেশা আর অশ্লীলতাকে উস্কে দেয়। অতঃপর এই অবাধ মেলামেশা অবৈধ যৌন সম্পর্কের দিকে নিয়ে যায়। আর এসব অবৈধ যৌন সম্পর্কের অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নারী তার তথাকথিত প্রেমিক পুরুষ কর্তৃক ধর্ষিতা হয়!

প্রিয় বোন আমার! রূপ আর যৌবনের উল্লাসে নিজেকে ভেসে যেতে দিও না। এই তারুণ্য, দেহের শক্তি ও রূপ-সৌন্দর্যের উপর ভরসা করে সিদ্ধান্ত নিও না। কারণ এসবের কোনো স্থায়ীত্ব নেই। আল্লাহ চাইলে যে কোনো সময় তা কেড়ে নিয়ে অসুন্দর বৃদ্ধা বানিয়ে দিতে পারেন। দেখ কত সুন্দরী রোগে-শোকে ভোগে বা দুর্ঘটনার শিকার হয়ে চিরবিদায় নিচ্ছে। কতজন না মরেও অভিশপ্ত জীবন যাপন করছে। তুমি যে এমন অসহায়ত্বের শিকারে পরিণত হবে না, তার কি কোনো গ্যারান্টি আছে? পৃথিবীতে কত মানুষই তো ইতিহাস হয়ে আছে; কিন্তু তারা কি কেউ মৃত্যুর দংশন থেকে বাঁচতে পেরেছে?
..

বই: আপনিও হবেন পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী নারী
মুদ্রিত মূল্য: ৩৮০ টাকা
বিক্রয়মূল্য: ১৯০ টাকা
প্রকাশনায়: Pothik prokashon

📌অর্ডার করতে আপনার নাম ঠিকানা নাম্বার লিখে ম্যাসেজ করুন।
অথবা কল করুনঃ 01743011655

বিডিবইঘর.কম 09/01/2022

সুখবর!
এখন আমাদের ওয়েবসাইট থেকেও বই কিনতে পারবেন। এবং সকল প্রকার বই এর সরাসরি PDF পড়তে পারবেন।
ভিজিট করুনঃ bdboighor.com

বিডিবইঘর.কম মিজানুর রহমান আজহারীর লেখা প্রথম বই মেসেজ এর রিভিউ। মিজানুর রহমান আজহারী কে চেনেন না এমন কোন ব্যক্তি ...

09/01/2022

আসসালামু আলাইকুম!
দীর্ঘ বিরতির পর আবারো শুরু হলো Ebaadah Shop এর পথচলা।

06/11/2021

বই এর পাশাপাশি এখন PDF পাচ্ছেন। আমাদের ই তৈরি ওয়েবসাইট bdboighor.com এ।
এখনই বিজিট করুন।
পেয়ে যাবেন নানাবিধ অপশন।

04/11/2021

একটি ওয়েবসাইটের জন্য এড ব্যানার তৈরি করলাম।
দেখে আসুন। BDBOIGHOR.COM

04/11/2021

#নতুন_বই #শব্দতরু
সমাজের সঙ্গে জনসমাজের নাড়ীর সম্পর্ক রয়েছে। এ সম্পর্ককে এড়িয়ে চললে কিংবা অস্বীকার করলে প্রথমোক্তের মৃত্যু অপরিহার্য। এ জন্যে সমাজ সংস্কার ব্যক্তি-সংষ্কারের ওপর যতখানি নির্ভরশীল, বাইরের কোন বিষয়ের ওপর ততখানি নয়। অন্য দিকে রাষ্ট্র হলো সমাজের মুখপাত্র এবং তার স্বার্থের প্রতিভূ। এ কথা থেকে স্বতঃসিদ্ধ হয় যে, রাষ্ট্রের প্রকৃতিতে প্রতিবিম্বিত হয় সমাজের স্বভাব। জনসমাজকে ঘিরেই প্রতিষ্ঠিত হয় একটি সমাজ। তেমনি সমাজকে অবলম্বন করেই জন্ম নেয় একটি দেশ, একটি রাষ্ট্র।
একটি দেশের উন্নতি-অনুন্নতি নির্ভর করে সে দেশের জনগণের ওপর; যে জাতি যত সভ্য , সে দেশ তত উন্নত। আমাদের দেশ কতটা উন্নত, জাতি হিসেবে আমরা কতটা সভ্য‌—সে বিবেচনা পাঠকই করবে। তবে এটুকু নিশ্চিত যে, বর্তমানে আমাদের ব্যক্তি-জীবন, সমাজ-জীবন ও রাষ্ট্রীয় জীবনের পরতে-পরতে ছড়িয়ে আছে হরেক রকমের অসংগতি। এ অসংগতি লুকিয়ে আছে আমাদের চিন্তায়, আমাদের ভাবনায়; আমাদের মন-মননে ও মানসিক অঙ্গনে; আমাদের চলনে-বলনে, আচরণে-উচ্চারণে এবং যাপিত জীবনের নানাবিধ প্রাঙ্গণে। ইসলামের বয়ানে কীভাবে এসব অসংগতি কাটিয়ে একজন সুন্দর ও পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলা যায়, তারই অনবদ্য গ্রন্থনা— জীবনদর্শন ও ইসলাম।

বই : জীবনদর্শন ও ইসলাম
লেখক : ড. আব্দুর রহমান রাফাত পাশা রহ.
অনুবাদ : শাহেদ বিন হোসাইন
পৃষ্ঠা সংখ্যা : ৯৬
বাঁধাই : পেপারব্যাক
প্রচ্ছদ মূল্য : ১২৭ টাকা

----

জান্নাত চির সুখের ঠিকানা। মুমিনের কাজকর্ম সবকিছুই আবর্তিত হয় জান্নাতকে ঘিরে। আল্লাহর কিছু কিছু বান্দা দুনিয়াতেই তাদের নেক কাজ, ইখলাসের পরাকাষ্ঠা স্বরূপ জান্নাতের সুসংবাদ লাভে ধন্য হন।‌ বইটি জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত ২৭ জন নারী সাহাবীর জীবনীর সংকলিত রূপ যাতে পাঠক জানতে পারবেন, সোনালী যুগের এই সোনালী মানুষগুলোর জান্নাতের সুসংবাদ পাওয়ার আমলগুলো সম্পর্কে। কিভাবে তারা দুনিয়াতেই এই মহান সৌভাগ্য অর্জন করেছেন।

রাজনীতি, অর্থনীতি, কাব্যালংকার, সন্তান প্রতিপালন, মধ্যরাতে প্রভুর দরবারে তাদের নিরব আহাজারি, জিহাদের ময়দানে অভিজ্ঞ ঘোরসাওয়ারের ন্যায় যুদ্ধের‌ নিপুণতা প্রদর্শন, সৃষ্টিজীবের প্রতি তাদের দয়াদ্র আচরণ, হাদিস ও ফিকাহ শাস্ত্রে গভীর ব্যুৎপত্তি এই সবকিছু দ্বারাই তাদের চরিত্র মাধুর্য সজ্জিত ছিল।

মহান চরিত্রের এই নারীগণের মাঝে এমন আরও অনেক বিষয় রয়েছে যা আমাদের মুসলিম বোনদেরকে উৎসাহিত করবে।

বই : নারী সাহাবীদের দীপ্তিময় জীবন
লেখক : মাহমুদ আহমাদ গাদ্বানফার
অনুবাদ : উম্মে উসামা
সম্পাদনা : আহমাদ ইউসুফ শরীফ
পৃষ্ঠা সংখ্যা : ২৫৬
বাঁধাই : পেপারব্যাক
প্রচ্ছদ মূল্য : ৩৪৭ টাকা

অর্ডার কনফার্ম করতে আপনার নাম ঠিকানা নাম্বার লিখে ম্যাসেজ করুনঃ
https://www.facebook.com/Ebaadahshop

04/11/2021

ভালো কিছু সংগ্রহে রাখুন।

04/11/2021

রাত অনেক। ক্লান্ত দেহে ঘুমিয়ে পড়েছেন পৃথিবীর সবচেয়ে কোমলপ্রাণ মানুষটি। দুই চোখের কোণে একটুখানি বেদনার নোনাজল। কেউ দেখেনি। সবার অলক্ষ্যে গড়িয়ে পড়েছে কখন যেন।
ঘুমিয়ে আছেন রহমতের নবি। ঘুমঘোরে স্বপ্নে এলেন এক ফেরেশতা। তাঁর হাতে এক খণ্ড রেশমি রুমাল। ধরে আছেন রাসুলের চোখের সামনে। ফেরেশতার চোখে হাসির ঝিলিক।
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘কী এটা?’
ফেরেশতা মুচকি হেসে অভয় দিয়ে বললেন, ‘নিজ হাতে সরিয়ে ফেলুন রেশমি কাপড়ের দোপাট্টা।’
রাসুল হাত বাড়ালেন। রেশমখ- সরালেন। পর্দা সরাতেই পেছনে দেখতে পেলেন একটা মুখাবয়ব অঙ্কিত। ছোট্ট এক বালিকার মুখচ্ছবি। চেনা চেনা লাগছে...এ তো তাঁর প্রিয় বন্ধু আবু বকর-তনয়া আয়েশার মুখচ্ছবি। এ ছবি...! তাঁর মুখাবয়ব আমাকে দেখানো হচ্ছে কেন?
বলা হলো, ‘এ-ই সেই সৌভাগ্যবতী মেয়ের মুখচ্ছবি, যে এ জনম এবং পরজনমেও আপনার স্ত্রী হবে। হবে প্রিয়দের মাঝে আপনার প্রিয়তমা।’
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম ঘুম থেকে জেগে উঠলেন। কী দেখলেন তিনি আজ স্বপ্নে? এ কি প্রত্যাদিষ্ট ওহির সত্যদর্শন নাকি ঘুমঘোরে দেখা অলীক স্বপ্ন? না না...তাই বা কী করে হয়! তিনি স্পষ্ট দেখেছেন ফেরেশতাকে। দেখেছেন ফেরেশতার হাতের রেশমি বায়োস্কোপ। রেশমের ঝালর সরিয়ে দেখেছেন ছোট্ট এক বালিকার মুখ। সে যে আয়েশা!
কিন্তু আয়েশা...! মনের মধ্যে দ্বিধা-দ্বন্দ্ব। কী করে সম্ভব!

বইটি অর্ডার করুন ইবাদাহ শপে।
যোগাযোগঃ 01743011655

Photos from 𝗔𝗗-𝗗𝗨𝗛𝗔 𝗜𝘀𝗹𝗮𝗺𝗶𝗰 𝗔𝗰𝗮𝗱𝗲𝗺𝘆's post 13/10/2021

আলহামদুলিল্লাহ।
ইবাদাহ'র আজকের সরবরাহ 🥰

10/10/2021

কার কার পড়া হয়েছে বইটি!

Photos from 𝗔𝗗-𝗗𝗨𝗛𝗔 𝗜𝘀𝗹𝗮𝗺𝗶𝗰 𝗔𝗰𝗮𝗱𝗲𝗺𝘆's post 05/10/2021

হুদহুদ প্রকাশন থেকে প্রকাশিত বেস্ট সেলার বই
'আপনি যখন মা' নিয়ে কিছু কথা।
..............

#প্রারম্ভিক কথন :-

একটি আদর্শ পরিবার নির্মানে একজন মায়ের গুরুত্ব অপরিসীম।
সন্তান কে গর্ভধারন থেকে শুরু করে শিশুর বড় হয়ে ওঠা। প্রতিটি
পর্যায়ে একজন মায়ের পরম স্নেহ ও পরিচর্যা শিশুকে সুস্থ ও
সুরক্ষিত রাখে। সন্তান প্রতিপালনের সিংহভাগ দায়িত্বই একজন মা
নিজের কাঁধে তুলে নেয়। এমন একটি গুরুভার দায়িত্ব সামাল
দেওয়ার জন্য একজন মা কে এ বিষয়ে জ্ঞাত ও সচেতন থাকা
প্রয়ােজন। সন্তান প্রতিপালনে মায়ের ভূমিকা ও কর্তব্যপালনে
সহায়তা করতে 'হুদহুদ প্রকাশন' নিয়ে এসেছে একটি আদর্শ
বই 'আপনি যখন মা। আলােচ্য বইটি প্রতিটি 'মা' এর জন্য একটি
আদর্শ গাইডবুক স্বরূপ। আধুনিক তত্ব ও গবেষণার ভিত্তিতে সন্তান
প্রতিপালনের প্রতিটি পর্যায়ে কখন কি প্রয়ােজন সে বিষয়ে বিস্তারিত
আলােকপাত করা হয়েছে।


#বইটির সংক্ষিপ্ত বিষয়বস্তু :-

আলােচ্য এই বইটি সন্তান গর্ভধারনের পর থেকে নিয়ে কথা বলতে
শেখা পর্যন্ত একজন মায়ের কী কী করণীয় তা বিভিন্ন অধ্যায়ে
পর্যায়ক্রমে আলােচনা করা হয়েছে। লেখক তার অভিজ্ঞতার
আলােকে 'মেডিকেল সাইন্স' ও 'ইসলাম প্রদত্ত শিক্ষার' মিশেলে
তার ভাবনাকে প্রসারিত করেছেন। আলােচ্য বইটি কে লেখক দশটি
অধ্যায়ে বিভক্ত করেছেন।
প্রথম অধ্যায়ে সন্তান জন্মানাের পূর্বে একজন মায়ের অনুভূতি ও
সন্তান কে স্বাগত জানানাের প্রস্তুতি বিষয়ক মূল্যবান টিপস দেওয়া
হয়েছে। দ্বিতীয় অধ্যায়ে সন্তান জন্মের পর থেকে তিন মাস বয়স
পর্যন্ত তার রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়ােজনীয় পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি প্রসবিনী মায়ের যত্নের কথা বলা হয়েছে। তৃতীয় অধ্যায়ে
৩-৪ মাসের বাচ্ছার যত্নের কথা বলা হয়েছে। প্রথম দুধ খাওয়ানাে,
বাচ্ছার পােষাক পরিচ্ছদ, বাচ্ছার ঘুম না এলে করনীয় ইত্যাদি
বিষয়ে আলােচিত হয়েছে। চতুর্থ অধ্যায়ে ৪-৬ মাসের বাচ্ছার যত্নের
কথা বলা হয়েছে। দুধের সাথে কি কি বাড়তি খাবার দেওয়া যাবে
তা আলােচিত হয়েছে। পঞ্চম অধ্যায়ে ৭-১২ মাসের বাচ্ছার
খাদ্যপুষ্টি, শান্তিতে ঘুম পাড়ানাের কৌশল, বাচ্ছার নিরাপত্তার বিষয়ে
আলােচিত হয়েছে। ষষ্ঠ অধ্যায়ে ১-২ বছরের বাচ্ছার পরিচর্যার
বিষয় গুলি আলােচিত হয়েছে। এর মধ্যে বাচ্ছাকে স্বাস্থ্যকর খাবার
খেতে উৎসাহিত করা, দুধ দাঁতের যত্ন, বাচ্ছার জেদি, ক্ষিপ্রতা
ইত্যাদি স্বভাবের প্রতিকার, টয়লেট ট্রেনিং ইত্যাদি। সপ্তম অধ্যায়ে
২-৪ বছর শিশুর পরিচর্যার বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এই
অধ্যায়ে নবিজির সাথে শিশুর পরিচয়, টেলিভিশন ব্যাবহারে
সতর্কতা, বিভিন্ন মজাদার খেলার সাথে শিশুর পরিচয় ঘটিয়ে দেওয়া
এবং শিশুকে নৈতিক শিক্ষার পাঠ দেওয়া হয়েছে। অষ্টম অধ্যায়ে
শিশুদের বিভিন্ন রােগের সাথে পরিচয় ঘটিয়ে দেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি এই সমস্ত রােগের লক্ষন ও প্রতিকারের উপায় বাতলে
দেওয়া হয়েছে। নবম অধ্যায়ে দূর্ঘটনা প্রতিরােধে সতর্কতা ও
প্রতিকারের বিষয়ে আলােচিত হয়েছে। দশম অধ্যায়ে 'ফার্স্ট এইড
চিকিৎসার সাথে পরিচয় ঘটিয়ে দেওয়া হয়েছে।


#বইটির প্রধান বিশেষত্ব :

১। আলােচ্য বইটি গ্লোসি আর্ট পেপারে মুদ্রিত হয়েছে। বইয়ের
পাতায় হাত দিলেই প্রিমিয়াম ফিলিং আসে। তার সাথে বিষয়ের
সাথে প্রাসঙ্গিক রঙবে রঙিন ছবির সমাহার যা বইটি কে আলাদা
মাত্রা দিয়েছে। এককথায় বইটির বিন্যাস আউটস্ট্যান্ডিং। বইটি
হাতে নিলে আপনি পড়তে বাধ্য।
২। বইটি 'প্রসবিনী মা' ও 'শিশুর পরিচর্যার একটি প্র্যাক্টিক্যাল
ওয়ার্ডবুক। শিশুর যত্ন ও পরিচর্যার বিষয়গুলাে পয়েন্ট আকারে তুলে
ধরা হয়েছে। প্রতিটি অধ্যায়ে ধাপে ধাপে শিশুর যত্ন ও করনীয়
বিষয়গুলাে উল্লেখিত হয়েছে। বাচ্ছার মানসিক ও শারীরিক বিকাশে
কি কি প্রয়ােজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া উচিত তা বুলেটিন এর সাহায্যে
তুলে ধরা হয়েছে।
> লেখক প্রতিটি বিষয় কে আধুনিক তত্ব ও গবেষণার ভিত্তিতে
বিশ্লেষণ করেছেন। ফলে বইটির গ্রহনযােগ্যতা বৃদ্ধি পেয়েছে।
৩। বইটি কে লেখক মেডিকেল সাইন্সের আলােকে বিশ্লেষণ
করেছেন। পাশাপাশি সুকৌশলে ইসলামি ভাবাদর্শ কে সন্নিবেশিত
করেছেন।

#বইটি কাদের জন্য :-

বইয়ের নামকরণ দেখেই পাঠক নিশ্চিত ভাবে বুঝে ফেলেছেন বইটি
কাদের জন্য। জি.বইটি পৃথিবীর সকল সন্তান সম্ভবা মা ও সদ্য
সন্তানের জন্মদাত্রী মায়ের জন্য একটি আদর্শ বই। বিবাহের পরে
পরেই একজন মা তার নিজের দায়িত্ব সমন্ধে সচেতন হতে বইটি পাঠ করতে পারেন। তবে শুধুমাত্র 'মা' কেন..? একজন বাবারও
বইটি অবশ্য পাঠ্য। কারন সন্তান প্রতিপালন শুধুমাত্র মায়ের কর্তব্য। পিতামাতার সম্মিলিত প্রয়াসেই সন্তানের আগামী সুন্দর হয়।
তাই ভাবি সন্তানের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব ভাগাভাগি করে নিতে
একজন পিতার জন্যও বইটি অবশ্য পাঠ্য। তাছাড়া সাধারণ
পাঠকও বইটি পাঠ করতে পারেন ভবিষ্যতের দায়িত্ব সমন্ধে
সচেতন হতে।

#শেষ কথা :-

শিশু জন্ম দেওয়া এবং বড়াে করা পৃথিবীতে সবচেয়ে স্বাভাবিক
একটি কাজ হলেও পুরাে প্রক্রিয়াটি বেশ জটিল। এই জটিল
বিষয়কে সহজ, আনন্দময় করার জন্য মায়েদের ক্ষেত্রে কিছু বিষয়
সম্পর্কে জানা বা শেখা অপরিহার্য হয়ে উঠে। সেগুলাে হল, সব
চেয়ে ভালাে কোন উপায়ে নবাগত শিশুকে কেমন ভাবে বড় করতে
হবে। শারীরিক, মনস্তাত্ত্বিক, আধ্যাত্মিকভাবে সুস্থরুপে শিশুকে বড়
করে তুলতে চাইলে তার সুস্থতা, ঈমান, নৈতিক মূল্যেবােধ এবং
সুস্থ নীতি-নৈতিকতার বিষয়ের দিকে খেয়াল রাখতে হবে যার
গােছানাে একটি নির্দেশনা বইটিতে পাওয়া যাবে ইন শা আল্লাহ।

#একনজরে_বই পরিচিতি

বইয়ের নাম :- আপনি যখন মা
লেখক :- দুয়া রউফ শাহীন।
অনুবাদক :- মাসুদ শরিফ
প্রকাশক :- হুদহুদ প্রকাশন
প্রচ্ছদ মূল্য :- ৮০০ টাকা
ইবাদাহ মূল্যঃ ৪০০ টাকা
© রিভিউঃ শেখ ইমরান
=====
𝐄𝐛𝐚𝐚𝐝𝐚𝐡 𝐒𝐡𝐨𝐩

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Videos (show all)

এখনো পর্যন্ত কেউ ঢাকাকে এভাবে দেখেনি।😳😮#cullected
আপনার ছোট্ট কাজটি।A Beautiful Short-film By Arif Azad😍ইউটিউব থেকে দেখুনঃ- https://youtu.be/YQFomaJvofM
বিয়ে করার আগে এই বইটি একবার পড়ুন || বিবাহ-পাঠ || The Book's Review With Najir Muhammad || for better view:https://youtu....
For better view:Touch thes link:https://youtu.be/yBWHaZntAKo
হামাস বইটির অফিসিয়াল রিভিউ। বইটি পড়ার আগে একবার রিভিউ দেখে নিন। মজা টা দ্বিগুণ বেড়ে যাবে।For better view:https://youtu.b...

Location

Category

Telephone

Address


Dhaka
JIRABO
Other Educational Camps in Dhaka (show all)
Azhar Academy- BD Azhar Academy- BD
Dhaka, 1219

Islamic Da'wah for all

Al-Quran Learning Institute-AQLI Al-Quran Learning Institute-AQLI
Satarkul, North Badda
Dhaka, 1212

Your Born , Your Life , Your Faith , Your Death, All are belongs to your LORD. If You want to learn

কুরআনের আলোকে আরবি ব্যাকরণ কুরআনের আলোকে আরবি ব্যাকরণ
Savar
Dhaka, 1000

Come to learn Arabic Language.

Aqua Innovation Hub Aqua Innovation Hub
Sher-e-Bangla Nagar
Dhaka, 1207

Aqua Innovation Hub (AIH) is a student organization/club from Sher-e-Bangla Agricultural University.

Dhaka English Language Club Dhaka English Language Club
Dhaka, 1219

All kinds of information will be available on this page to learn English.

Techie Academy Techie Academy
Dhaka, 1219

Hello everyone! Techie academy teaches you how to earn money online. If you're thinking about making

StudyBee Academic Care StudyBee Academic Care
68 No. Ward DSCC, Hajeenagar, Demra
Dhaka, 1361

মানসস্মত ও সৃজনশীল পাঠদানে StudyBee পরিবার

Programming Hero Courses Programming Hero Courses
Dhaka
Dhaka

Job/Intern Focused Learning. Guided Career Oriented mission for hard-working Learners.

Praggo Academy Praggo Academy
House-11/13, Road-5, Block-C, Banasree
Dhaka, 1219

একাডেমি ও প্রফেশনাল এডুকেশন সেন্টার

Street Eight Academy Street Eight Academy
Khilkhet-To-Ichapura Road
Dhaka