কুমিল্লা জেলার মানুষ যে কারনে
গর্বিত।
★★★★
ইতিহাস:
১. ব্রিটিশ গভর্নর ওয়ারেন
হেস্টিংস বাংলায় যখন জেলা
ব্যবস্থা চালু করে তখন ১৮ জেলার
একটি ছিল কুমিল্লা।
২. হাজার বছরের ইতিহাস সমৃদ্ধ
কুমিল্লা অঞ্চলটি একসময় প্রাচীন
সমতট অঞ্চলের অধীনে ছিল।
খ্রিস্টীয় নবম শতাব্দীতে কুমিল্লা
জেলা হরিকেল অঞ্চলের
রাজাদের অধীনে আসে। অষ্টম
শতাব্দীতে লালমাই ময়নামতি দেব
বংশ এবং দশম থেকে একাদশ শতকের
মাঝামাঝি পর্যন্ত চন্দ্র বংশের
শাসনাধীনে ছিল। যার স্মৃতি চিহ্ন
এখনো কোটবাড়ি ও ময়নামতি
এলাকায় রয়ে গেছে।
৩. বিশাল আয়তনের কুমিল্লা থেকে
১৭৮১ সালে বৃহত্তর নোয়াখালী
এবং ১৯৮৪ সালে চাঁদপুর ও
ব্রাক্ষনবাড়িয়া জেলা কে পৃথক
করা হয়।
ঐতিহাসিক ঘটনা:
১.১৭৬৪ সালে ত্রিপুরার রাজার
বিরুদ্ধে শমসের গাজীর নেতৃত্বে
পরিচালিত কৃষক আন্দোলন এ
অঞ্চলের একটি ঐতিহাসিক ঘটনা।
যা পরবর্তীতে ব্রিটিশবিরোধী
আন্দোলনের প্রেড়না যুগিয়েছিল।
২. সাম্প্রদায়িক দাংগার ঘটনাকে
কেন্দ্র করে ১৯২১ সালে কাজী নজরুল
ইসলাম, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও মহাত্না
গান্ধী কুমিল্লা জেলায় বিচরন
করেন।
৩. ১৯৩১ সালের ১৪ ডিসেম্বর
ফয়জুন্নেসা বালিকা বিদ্যালয়ের
দুই ছাত্রী সুনীতি চৌধুরী ও শান্তি
ঘোষ গুলি করে ম্যাজিস্ট্রেট
মিস্টার স্টিভেন্সকে হত্যা করে।
স্বাধীনতা আন্দোলনে কোন
নারীর অংশগ্রহণ সেবারই প্রথম ঘটে।
৪. ভাষা আন্দোলন , স্বাধীনতা যুদ্ধ
সহ অনেক আন্দোলন সংগ্রামে
অবদানের জন্য এ জেলা ইতিহাসে
ঠাই করে নিয়েছে।
যোগাযোগ ব্যবস্থা :
১. উন্নত যোগাযোগব্যবস্থার জন্য
কুমিল্লাকে প্রাচ্যের হংকং এর
সাথে তুলনা করা হয়। এ জেলাটি
দেশের তিন বৃহত্তম জেলা ঢাকা,
চট্রগ্রাম, সিলেটের মধ্যবর্তী ও
নিকটবর্তী হওয়ায় এর অর্থনৈতিক
গুরুত্ব অপরিসীম।
জাতীয় অর্থনীতিতে কুমিল্লার
অবদান:
১. প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর এ জেলার
জ্বালানি গ্যাসের উপর ভর করেই
ঢাকা ও চট্রগ্রাম অঞ্চলে ভারী
শিল্পকারখানা গড়ে উঠেছে। এ
জেলার ৬ টি গ্যাস ক্ষেত্রের মধ্যে
তিতাস গ্যাস ক্ষেত্র থেকে ঢাকা
অঞ্চলে এবং বাখরাবাদ গ্যাস
ক্ষেত্র থেকে চট্রগ্রামে গ্যাস
সরবরাহ করে দেশের অর্থনীতিকে
টিকিয়ে রাখা হয়েছে।
২. যে সড়কটি একদিন বন্ধ থাকলে
দেশের অর্থনীতি স্থবির হয়ে যায়
সেই লাইফ লাইন নামে খ্যাত ঢাকা
চট্রগ্রাম মহাসড়কের সিংহভাগ এ
জেলার উপর দিয়ে বয়ে গেছে।
৩. তাছারা কুমিল্লা জেলার ঢাকা
চট্রগ্রাম মহাসড়কের পাশ ঘেষে ঘড়ে
উঠেছে অসংখ্য শিল্পকারখানা
রয়েছে কুমিল্লা ইপিজেট ও
কৃষিবান্ধব অর্থনীতি।
৪. কুমিল্লা জেলা থেকে আক্তার
হামিদ খানের হাত ধরেই এদেশে
সমবায় সমিতি, ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রম ও
ডিপ টিউবওয়েলের পানি ব্যবহার
করে শুষ্ক মৌসুমে ইরি চাষের প্রচলন
হয়েছিল যা পরবর্তীতে অভাব অনটন
লাঘবের দেশের রোল মডেল হয়ে
দাড়িয়েছে।
৫. বিদেশে সবচেয়ে বেশি
শ্রমশক্তি রপ্তানি হয় কুমিল্লা
জেলা থেকে এবং দেশে সবচেয়ে
বেশি রেমিটেন্স পাঠায় কুমিল্লা
জেলার মানুষ।
শিক্ষা ব্যবস্থা:
১. দেশের ২য় শিক্ষাবোর্ড কুমিল্লা
শিক্ষাবোর্ডের অধীনেই এক সময়
সমগ্র চট্রগ্রাম ও সিলেট বিভাগের
শিক্ষার্থীরা মাধ্যমিক ও
উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় অংশ নিত।
বর্তমানে এ জেলার শিক্ষার হার
৬০.৬%।
২. কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, আর্মি
সাইন্স এন্ড টেকনোলজি
ইউনিভারসিটি ও মেডিকেল
কলেজ, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ,
ভিক্টোরিয়া কলেজ, কুমিল্লা
ক্যাডেট কলেজ সহ এমন অসংখ্য
স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে দেশের
শিক্ষা ব্যবস্থায় অগ্রণী ভূমিকা
পালন করে যাচ্ছে।
জনসংখ্যা : ৬০ লাখ জনসংখ্যা
অধ্যুষিত কুমিল্লা জেলা ঢাকা ও
চট্রগ্রামের পর দেশের ৩য় জনবসতিপূর্ণ
অঞ্চল। এ জেলার প্রতি
বর্গকিলোমিটারে প্রায় ১৪৫৩ জন
মানুষ।
বিখ্যাত ব্যক্তি:
কুমিল্লা জেলার বিখ্যাত
ব্যক্তিদের নাম লিখতে গেলে
আমার হাত ধরে আসবে হয়তো লেখা
শেষ হবেনা তাই আমি শুধু আগের
প্রজন্মের গুটি কয়েক ব্যক্তির নাম
লিখে দিচ্ছি।
★ মহাস্থবির শীলভদ্র (৫২৯-৬৫৪) -
বিশ্বের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয়
নালন্দা বিহারের প্রধান ★ সাবেক
রাষ্ট্রপতি খন্দকার মোস্তাক ও
সাবেক প্রধানমন্ত্রী কাজী জাফর
★বুদ্ধদেব বসু ★ছান্দসিক কবি আব্দুল
কাদির ★উপমহাদেশের প্রখ্যাত
শিল্পি শচীন দেব বর্মন
★ধীরেন্দ্রনাথ দও ★ রাহুল দেব বর্মন
★ মেজর গনি ★আক্তার হামিদ খান
সহ কুমিল্লার অনেক প্রখ্যাত ব্যক্তির
মুখ দেখেছে বাংলাদেশ।
পর্যটন :
কুমিল্লাতে বহুসংখ্যক পর্যটন আকর্ষন
রয়েছে। কুমিল্লার লালমাই
ময়নামতি পাহাড়ে একটি সমৃদ্ধ
প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শন রয়েছে।
এখানে রয়েছে শালবন বিহার,
কুটিলা মুড়া, চন্দ্রমুড়া, রূপবন মুড়া,
ইটাখোলা মুড়া, সতের রত্নমুড়া,
রাণীর বাংলার পাহাড়, আনন্দ
বাজার প্রাসাদ, ভোজ রাজদের
প্রাসাদ, চন্ডীমুড়া প্রভৃতি। এসব
বিহার, মুড়া ও প্রাসাদ থেকে
বিভিন্ন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন
সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে যা
ময়নামতি জাদুঘরে সংরক্ষিত
রয়েছে।
কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট:
বাংলাদেশের প্রথম ক্যান্টনমেন্ট
কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট। ১ম
বিশ্বযুদ্ধের পর এই এলাকার উপর
সামরিক চেইন বজায় রাখার জন্য
ব্রিটিশ ক্রাউন দ্বারা প্রতিষ্ঠিত
হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটিশ
ভারতীয় সেনাবাহিনী এটা
ব্যবহার করে।১৯৭১ সালের
স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় বহু অস্ত্র
এখানে রক্ষিত ছিল। এবং মুক্তিযুদ্ধ
চলাকালীন অনেক দিক নির্দেশনা
এই ক্যান্টনমেন্ট থেকেই দেয়া
হতো।
কুমিল্লার বঞ্চনা :
কুমিল্লা যেমন সমৃদ্ধ অঞ্চলের নাম
তেমন বঞ্চিত অঞ্চলের নাম বটে এই
বঞ্চনা শুরু ১৯৫৬ সাল থেকে। ঐ সময়েই
বর্তমান চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
কুমিল্লা হওয়ার সব প্রস্তাবনা চূরান্ত
হয়ে গিয়েছিলো কিন্তু ঘটন
অঘটনের মধ্যে দিয়ে এটি আর
কুমিল্লা হয়ে উঠেনি। বর্তমানে
চট্রগ্রামের ভাটিয়ারীতে অবস্থিত
মিলিটারি একাডেমী কুমিল্লায়
ছিল কিন্তু আশির দশকে কুমিল্লার
মানুষের সেক্রিফাইস মাইন্ডের
সুযোগ নিয়ে এটি চট্রগ্রামে
সরিয়ে নেয়া হয়। বর্তমানেও আমরা
কিছু উন্নয়ন বঞ্চনার স্বীকার যেমন
একটি আন্তর্জাতিক মানের
স্টেডিয়াম, একটি বিজ্ঞান ও
প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ও কৃষি
বিশ্ববিদ্যালয় সহ কুমিল্লার
দাউদকান্দি, চান্দিনা,
ক্যান্টনমেন্ট হয়ে ঢাকা টু কুমিল্লা
রেল সংযোগ স্থাপন যা এই অঞ্চলের
মানুষের প্রাণের দাবি।
(collected)
Haripur Student WellFear Socitey
Organize page
ঈদ মোবারক...!
বুড়িচং- ব্রাহ্মণপাড়ার SSC পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ছাত্রছাত্রী ভাইবোনদেরকে জানাই শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। এবং দোয়া করি যেন ভাল কলেজে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পায়। হরিপুর স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার সোসাইটি
তিন কারণে কুমিল্লা বিভাগ হওয়া যুক্তিযুক্ত
১. দেশের প্রচীন চারটি পৌরসভার মধ্যে একটি কুমিল্লা। বাকি তিনটি ঢাকা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ। এর মধ্যে ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ হয়েছে অনেক আগেই। ময়মনসিংহ বিভাগও ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাচীন শহর কুমিল্লা বিভাগ হওয়ার দাবি রাখে এ কারনে।
২. ১৯৬২ সালেই কুমিল্লাকে বিভাগ করার কথা ছিল। সব আয়োজন চূড়ান্তও হয়েছিল। কিন্তু কুমিল্লার পরিবর্তে তখন করা হয় চট্টগ্রামকে। কুমিল্লাকে দেয়া হয় শিক্ষা বোর্ড। সেই বোর্ড ভেঙ্গে তিন টুকরো করা হয়। অর্ধ শতাব্দি ধরে বঞ্চিত কুমিল্লাবাসীর বঞ্চনার ইতিহাস ঘুছাতে কুমিল্লা বিভাগ হওয়ার যুক্তিযুক্ত।
৩. কুমিল্লা অঞ্চলে(কুমিল্লা, চাঁদপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ফেনী, লক্ষিপুর, নোয়াখালী) জনসংখ্যা ১ কোটি ৭৬ লাখ ৩৮ হাজার ৯ শ ৭০ জন। এর মধ্যে কুমিল্লায় ৫৬ লাখ ২ হাজার ৬ শ ২৫ জন অধিবাসী। জনসংখ্যার ভিত্তিতে কুমিল্লাকে বিভাগ করা জরুরি।
৪. ‘কুমিল্লা পদ্ধতি’র দেখানো পথে কৃষিখাতে উন্নতি করায় বাংলাদেশ আজ খাদ্যে সয়ংসম্পূর্ণ। বাংলাদেশ আজ খাদ্যে উদ্বৃত্ত দেশ। একারণে কুমিল্লাকে বিভাগ করার দাবি রাখে।
৫. প্রতœর্কীতির ক্ষেত্রে কুমিল্লা গৌরবময় ঐতিহ্যের অধিকারী। লালমাই ময়নামতি অঞ্চলে আবিস্কৃত প্রতœতাত্বিক নিদর্শন বাংলা ও বাঙালির ইতিহাসের এক গৌরবময় ঐতিহ্যের সন্ধান দিয়েছে। এসব প্রাচীন র্কীতি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ইতিহাসে কুমিল্লা অঞ্চলের সমহান অবদানের কথা পৃথিবীর সামনে তুলে ধরে। ১৯৫৫-৫৬ সালে খনন করে প্রাচীন র্কীতির ৫৪টি নিদর্শন আবিস্কার করা হয় যা আমাদের জাতীয় জীবনে পরম সম্পদ ও পরম গৌরব বস্তু।
৬. শিক্ষা ক্ষেত্রে কুমিল্লা অবদান গর্ব করার মতো। চতুর্থ ও পঞ্চম শতাব্দিতে কুমিল্লার দেবীদ্বারের গুনাইঘরে আশ্রম বিহার ও রাজ বিহার নামে দুটি বিহার (বিশ্ববিদ্যালয়) ছিল। বৌদ্ধ ভিক্ষুরা এখানে শিক্ষা লাভ করতেন। কুমিল্লা তথা সমতট রাজ্যে সপ্তম শতাব্দিতে ত্রিশটির বেশি বৌদ্ধ বিহার ছিল। সমতটের ব্রাহ্মণ রাজবংশে জন্মগ্রহণকারী শীলভদ্র জগদ্বিখ্যাত নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান আচার্য ও সর্বাধ্যক্ষ ছিলেন। তার জন্য বাঙালি জাতির মুখ উজ্জল হয়। তারই অব্যাহত ধারাবাহিকতা কুমিল্লা শিক্ষা ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রেখে আসছে। ১৮৩৭ সালে কুমিল্লা জেলা স্কুল প্রতিষ্ঠিত হয়। বেগম রোকেয়ার জন্মের ৯ বছর আগে কুমিল্লার নওয়াব ফয়জুন্নেসা প্রতিষ্ঠা করে ইংরেজি স্কুল। ১৮৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় দক্ষিণ পূর্ব অঞ্চলের অক্সফোর্ড খ্যাত কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ। কুমিল্লা জন্ম দিয়ে অনেক কৃতী শিক্ষক ও ছাত্র। এ কারণে কুমিল্লা বিভাগ হতে পারে।
৭. সুপ্রাচীনকাল থেকে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য নিয়ে সমগ্র উপমহাদেশে কুমিল্লা অনন্য স্থান দখল করে আছে। এই কুমিল্লা কৃতীসন্তানরা উপমহাদেশের সাংস্কৃতিক পরিমন্ডলকে সমৃদ্ধ করেছে। প্রাচীন শহর কুমিল্লাকে সার্ক সংস্কৃতি রাজধানী করার বিষয়টি বিবেচনাধীন।
৮. অনেক র্কীতিমান জন্মেছেন এই কুমিল্লায়। প্রতি শতাব্দিতেই কুমিল্লায় জন্মেছেন বিশেষ বিশেষ ব্যক্তিত্ব। জগদ্বিখ্যাত নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান আচার্য শীলভদ্র, বাংলা সাহিত্যের প্রথম ধারাবাহিক ইতিহাস লেখক দীনেশচন্দ্র সেন, উপমহাদেশের প্রখ্যাত সঙ্গীতজ্ঞ শচীন দেব বর্মন, নওয়াব ফয়জুন্নোসা চৌধুরানী, দানবীর মহেশচন্দ্র ভট্টাচার্য, শিক্ষানুরাগী রায়বাহাদুর আনন্দচন্দ্ররায়, গুনী শিক্ষক সত্যেন্দ্রনাথ বসু, সুর সম্্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দিন খান, ওস্তাদ আয়েত আলী খান, ভাষা সংগামের রুপকার শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত, জেলা প্রথম গদ্য লেখক কৈলাশচন্দ্র সিংহ প্রমুখের জন্মস্থান এই কুমিল্লা। এই কুমিল্লা জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মৃতিধন্য। কুমিল্লায় তার শশুরবাড়ি।
৯. রাজস্ব আদায়ে কুমিল্লা শীর্ষে। গত অর্থবছরে কুমিল্লা কাস্টমস এক্সাইজ এন্ড ভ্যাট অফিস আদায় করেছে এক হাজার ৮ শত ৫৫ কোটি টাকা। কুমিল্লা কর অঞ্চল গত অর্থ বছরে সাড়ে ৪ শ কোটি টাকার লক্ষ্য মাত্রার চেয়ে বেশি অন্তত ৫ শ কোটি টাকা কর আদায় করে দেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় ভূমিকা রাখছে। এ কারনে কুমিল্লা বিভাগ হওয়ার দাবি রাখে।
১০. মৎস উৎপাদন করে জেলার চাহিদা মিটিয়ে দেশের চাহিদা অন্তত এক লাখ মেট্রিক টন মাছ জোগান দিচ্ছে।
১১. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ভৌগলিক অবস্থান বিবেচনায় কুমিল্লায় বিমান বন্দর করা হয়। মিয়ানমারের সাথে যুদ্ধের জন্য। কুমিল্লা প্রতিষ্ঠা করা হয় সবচেয়ে বড় ময়নামতি সেনানিবাস। মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে দেশ স্বাধীনের পর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কুমিল্লায় বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেন।
১২. কুমিল্লার বাখরাবাদে আবিস্কৃত গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করার মাধ্যমে কুমিল্লা জাতীয় উন্নতিতে অবদান রাখছে।
১৩. কুমিল্লায় স্থল বন্দর রয়েছে।
১৪. স্টল বিমান বন্দর সুবিধাসহ রপ্তানি প্রক্রিয়াজাত করণ অঞ্চল ইপিজেড রয়েছে।
১৫. কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়সহ ৩টি বিশ্ববিদ্যালয় , ৫ শ সয্যা হাসপাতাল। সরকারি মেডিকেল কলেজসহ ৩টি মেডিকেল কলেজ আছে। সেই সাথে আছে আছে ক্যাডেট কলেজ, ট্যাকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার, বিএড কলেজ।
১৬. কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে কুমিল্লাকে বিভাগ করা যুক্তিকতা সুদৃঢ় হয়েছে।
মাইক্রোসফটের চেয়ারম্যান বিল গেটস; তুরস্কের নতুন অফিসের জন্য একজন কাবিল এমপ্লয়ি খুঁজছেন।
প্রায় ২০,০০০ আবেদনপত্র জমা পরল এই ২০,০০০ জনের মধ্যে, ‘তরফদার’ নামের এক বাংলাদেশীও আছেন। বিল গেটস, ২০,০০০ আবেদনকারীকেই এক সাথে একটা বড় হল রুমে ডাকলেন। ... বিল গেটস বললেন, এখানে যারা ‘জাভা প্রোগ্রামিং’ পারেন, শুধু তারা থাকবেন। বাকিরা, দয়া করে আসতে পারেন। ২০,০০০ এর মধ্যে ১০,০০০ জন হল ত্যাগ করলেন। তরফদার সাহেব মনে মনে ভাবলেন, আমি বরং থেকেই যাই এখানে... হারানোর তো কিছু নাই আমার...আর ‘জাভা প্রোগ্রামিং’ এমন কি জিনিষ!! চাকরিটা পেলে, দুই দিনে না’হয় শিখে নিব। দাড়িয়েই থাকি বরং বিল গেটস এবার বললেন, এখানে যাদের ‘নেটওয়ার্কিং এ দক্ষতা আছে, শুধু তারা থাকবেন। বাকিরা, দয়া করে আসতে পারেন।
১০,০০০ এর মধ্যে ৫,০০০ জন হল ত্যাগ করলেন। তরফদার সাহেব মনে মনে ভাবলেন, ‘নেটওয়ার্কিং’ আর এমন কি জিনিষ!! চাকরিটা পেলে, দুই দিনের মামলা এটা! বিল গেটস এবার বললেন, এখানে যাদের ‘ইউন্ডোজ ও ইউনিক্সএ দক্ষতা আছে’, শুধু তারা থাকবেন। বাকিরা, দয়া করে আসতে পারেন। ৫,০০০ এর মধ্যে ৩,০০০ জন হল ত্যাগ করলেন। তরফদার সাহেব মনে মনে ভাবলেন, ব্যাপার না... চাকরিটা পেলে, দুই দিনে শর্ট কোর্স করে নিব। বিল গেটস এবার বললেন, যারা তুরস্কের ভাষা ফ্লুয়েন্টলি বলতে পারেন… তারা থাকবেন… আর বাকিরা, দয়া করে আসতে পারেন।
২,০০০ এর মধ্যে ১,৯৯৮ জন হল ত্যাগ করলেন... দুইজন দাড়িয়ে রইলেন; তরফদার আর আরেক ভদ্রলোক বিল গেটস বললেন, “গুড, তোমরা দুইজন আমাদের সকল ক্রায়টেরিয়া ফুলফিল করেছো। তোমাদের এখন আমি টেস্ট নিব। তবে তার আগে আপনারা দুইজন একে অপরের সাথে তুরস্কের ভাষায় কিছু কথা বলুন তো দেখি” তরফদার সাহেব পাশের ভদ্রলোককে আমতা আমতা করে বললেন, ‘ভাইজান, কেমন আসুইন’ পাশের ভদ্রলোক দাঁত বের করে বললেন, ‘এই তো, বালাই আছি... আফনে?’
25/03/2015
আজ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।
ভাষার জন্য যারা প্রতিবাদ করেছেন,
শহীদ হয়েছেন;
তাদের প্রতিবাদ এবং ত্যাগের জন্য
আজও আমারা বাংলা ভাষায়
লিখতে লিখতে, পড়তে, মনের ভাব
প্রকাশ করতে পারছি।
তাদের জন্য অসীম শ্রদ্ধা।
বাংলাদেশের
সেরা ১০ বিশ্ববিদ্যালয়
১. ওয়ার্ল্ড রাঙ্কিং এ ২৫০৭
হওয়া ব্রাক
ইউনিভার্সিটি আছে বাংলাদেশ
সেরা বিশ্ববিদ্যালয় এর ১
নম্বরে ।
২. ব্রাক ইউনিভার্সিটির
পরে আছে বাংলাদেশের
স্বনামধন্য
প্রকৌশলী বিশ্ববিদ্যালয় বুয়েট।
বুয়েট এর অবস্থান বিশ্বে ২৬৬৭।
৩. বিশ্ব রাঙ্কিং এ ২৯৫৯
হওয়া ড্যাফোডিল
ইউনিভার্সিটি আছে দেশের ৩য়
অবস্থানে।
৪.বাংলাদেশে ৪র্থ
অবস্থানে আছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যা
বিশ্ব রাঙ্কিং এ তাদের অবস্থান
৩৫৯৫।
৫.ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের
পরে দেশের ৫ম অবস্থান
রয়েছে ইনডেপেনডেনট
ইউনিভার্সিটি।বিশ্বে তাদের
অবস্থান ৪০৭০।
৬.বিশ্ব রাঙ্ক ৪৩০৬ এ
আছে বাংলাদেশ
কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।দেশে ৬।
৭.৭ম এ আছে শাহজালাল
বিজ্ঞান ও
প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।
বিশ্বে তাদের অবস্থান ৪৪২৫।
৮.৮ম এ
আছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।
বিশ্ব রাঙ্ক ৪৪৯৩।
৯.৯ম এ আছে কুয়েট।বিশ্ব রাঙ্ক
৪৭৪৯।
১০.১০ম এ আছে ইসলামিক
ইউনিভার্সিটি অফ
টেকনোলজি।বিশ্ব রাঙ্ক ৫০২১।
বোর্ড পরীক্ষার সার্টিফিকেট
হারিয়ে গেলে যা করণীয়
সার্টিফিকেট, নম্বরপত্র
বা প্রবেশপত্র
হারিয়ে গেলে দেরি না করে এ
বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।
এর জন্য প্রথমে আপনার এলাকার
নিকটবর্তী থানায় একটি সাধারণ
ডায়েরি (জিডি) করতে হবে।
জিডির একটি কপি অবশ্যই নিজের
কাছে রাখতে হবে।এরপর
যেকোনো একটি দৈনিক
পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে নাম,
শাখা,পরীক্ষার কেন্দ্র, রোল নম্বর,
পাসের সাল, বোর্ডের নাম
এবং কিভাবে আপনি সাটিফিকেট,নম্বর
পত্র
অথবা প্রবেশপত্র হারিয়েছেন
তা সংক্ষেপে উল্লেখ
করতে হবে।
থানায় জিডি ও পত্রিকায়
বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর
আপনাকে যেতে হবে যে বোর্ডের
অধীনে পরীক্ষা দিয়েছেন সেই
শিক্ষা বোর্ডে। শিক্ষাবোর্ডের
‘তথ্যসংগ্রহ কেন্দ্র’
থেকে আবেদনপত্র সংগ্রহের পর
নির্ভুলভাবে পূরণ করতে হবে।
এরপর নির্ধারিত
ফি সোনালী ব্যাংকের
ডিমান্ড ড্রাফটের
মাধ্যমে বোর্ডের সচিব বরাবর
জমা দিতে হবে।
টাকা জমা হওয়ার পর আবেদন
কার্যকর হবে। আবেদনপত্রের
সঙ্গে মূল ব্যাংক ড্রাফট,পত্রিকায়
বিজ্ঞপ্তির কাটিং ও থানার
জিডির কপি জমা দিতে হবে।
আবেদনপত্রে যা পূরণ করতে হবেঃ
আবেদনপত্র পূরণের
ক্ষেত্রে প্রথমেই উল্লেখ
করতে হবে আপনি কোন পরীক্ষার
(মাধ্যমিক না উচ্চমাধ্যমিক)
কী হারিয়েছেন
এবং কী কারণে আবেদন করছেন।
আবেদনপত্রের বিভিন্ন
অংশে ইংরেজি বড়
অক্ষরে এবং বাংলায় স্পষ্ট
অক্ষরে পূর্ণ নাম, মাতার নাম,
পিতার নাম, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের
নাম, রোল নম্বর,পাশের বিভাগ/
জিপিএ, শাখা, রেজিস্ট্রেশন
নম্বর, শিক্ষাবর্ষ এবং জন্মতারিখ
সহ বিভিন্ন তথ্য লিখতে হবে।
পরবর্তী অংশে জাতীয়তা,
বিজ্ঞপ্তি যে দৈনিক পত্রিকায়
প্রকাশিত হয়েছে সেটির নাম ও
তারিখ
এবং সোনালী ব্যাংকের
যে শাখায় ব্যাংক ড্রাফট
করেছেন সে শাখার নাম, ড্রাফট
নম্বর ও তারিখ উল্লেখ করতে হবে।
আবেদনপত্রে প্রতিষ্ঠান প্রধানের
সুপারিশের প্রয়োজন হবে।
এতে তার দস্তখত ও নামসহ
সিলমোহর থাকতে হবে। আর
প্রাইভেট প্রার্থীদের আবেদনপত্র
অবশ্যই গেজেটেড কর্মকর্তার
স্বাক্ষর ও নামসহ সিলমোহর
থাকতে হবে।
নষ্ট হয়ে যাওয়া সনদপত্র/নম্বরপত্র/
একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্টের
অংশবিশেষ থাকলে পত্রিকায়
বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে না বা থানায়
জিডি করতে হবে না। এ
ক্ষেত্রে আবেদনপত্রের সঙ্গে ওই
অংশবিশেষ জমা দিতে হবে।
তবে সনদে ও নম্বরপত্রের
অংশবিশেষে নাম,রোল নম্বর,
কেন্দ্র, পাশের বিভাগ ও সন, জন্ম
তারিখ ও পরীক্ষার নাম
না থাকলে তা গ্রহণযোগ্য
হবে না। আর
বিদেশি নাগরিককে ব্যাংক
ড্রাফটসহ নিজ সরকারের
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের
মাধ্যমে আবেদনকরতে হবে।
কত টাকা লাগবেঃ
সাময়িক সনদ, নম্বরপত্র,
প্রবেশপত্রফি (জরুরি ফিসহ) ১৩০
টাকা। এ ছাড়া ত্রি-নকলের জন্য
১৫০ টাকা এবং চৌ-নকলের জন্য
২৫০ টাকা ব্যাংক ড্রাফটের
মাধ্যমে জমা দিতে হয়।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Cumilla
081