Imam Al Mahdi

The great signs of coming Imam al mahdi

Operating as usual

05/05/2020

বিজ্ঞানী এলিস সিলভারের চাঞ্চল্যকর দাবি : মানুষ পৃথিবীর জীব নয়
=================================
তাঁর 'হিউম্যান আর নট ফ্রম আর্থ : এ সায়েন্টিফিক ইভ্যালুয়েশন অফ দ্য এভিডেন্স' বইটিতে রীতিমতো যুক্তি দিয়ে প্রমাণ করতে চেয়েছেন, 'মানুষ পৃথিবীর জীব নয়'।

বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং অনেক আগেই বলেছিলেন, “এলিয়েন আছে , অবশ্যই আছে।” নাসার গবেষকেরা কেপলার টেলিস্কোপের সাহায্যে এমন ২০টি গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন, যাদের মধ্যে সম্ভবত প্রাণ আছে। নাসার প্রথম সারির বিজ্ঞানী অ্যালেন স্টেফান , বিজ্ঞানী সিলভানো পি কলম্বানো , বিজ্ঞানী থমাস জুরবিউকেন বিভিন্ন সময় বলেছেন এলিয়েনদের থেকে নাসা আর বেশি দূরে নেই। কয়েক বছরের মধ্যেই নাসা এলিয়েনদের কাছে পৌঁছে যাবে।

কিন্তু সম্প্রতি নাসার এই বক্তব্যে জল ঢেলে দিয়েছেন এক বিজ্ঞানী। তাঁর চাঞ্চল্যকর মতবাদ নিয়ে ঝড় উঠেছে বিজ্ঞানপ্রেমীদের মধ্যে। তিনি দাবী করেছেন মানুষই এলিয়েন বা ভিনগ্রহের জীব। অথচ বিজ্ঞান বলেছিল, প্রায় ১৮ লক্ষ বছর আগে আফ্রিকায় সৃষ্টি হয়েছিল প্রথম মানব প্রজাতি হোমো ইরেকটাস।

ডঃ এলিস সিলভার বললেন , মানুষই ভিনগ্রহের জীব

আমেরিকার প্রখ্যাত ইকোলজিস্ট ডঃ এলিস সিলভার। তিনি তাঁর ‘হিউম্যান আর নট ফ্রম আর্থ: এ সায়েন্টিফিক ইভ্যালুয়েশন অফ দ্য এভিডেন্স’ বইটিতে রীতিমতো যুক্তি দিয়ে প্রমাণ করতে চেয়েছেন, ‘মানুষ পৃথিবীর জীব নয়’। বহুদিন ধরে গবেষণা করার পর তাঁর সিদ্ধান্ত , অন্য জীবদের মতো মানুষের সৃষ্টি পৃথিবীতে হয়নি।

কয়েক লক্ষ বছর আগে অন্য গ্রহ থেকে মানুষকে পৃথিবীতে ছেড়ে যাওয়া হয়েছিল। ডঃ সিলভার বলেছেন, মানুষের শরীরে থাকা অনেক ত্রুটি বুঝিয়ে দেয়, পৃথিবী আমাদের নিজের গ্রহ নয়। পৃথিবীর অনান্য উন্নত প্রাণীর সঙ্গে মানুষের শরীরের এত পার্থক্য কেন! এই প্রশ্নটির ওপরেই দাঁড়িয়ে আছে ডঃ এলিস সিলভারের মতবাদটি।

ডঃ সিলভারের সেই চাঞ্চল্যকর থিয়োরির কিছু ঝলক....

● ডঃ সিলিভারের মতে, পৃথিবীতে মানুষ ছাড়া থাকা সব প্রজাতির উদ্ভিদ ও প্রাণী পরিবেশ থেকেই সরাসরি তাদের প্রয়োজন মিটিয়ে নেয়। উদ্ভিদ তার গায়ে এসে পড়া সূর্যালোক, বাতাসের কার্বন-ডাই-অক্সাইড আর মাটি থেকে জল নিয়ে নিজের খাবার তৈরি করে নেয়। বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণীরা সরাসরি উদ্ভিদকে খেয়ে, বা অনান্য প্রাণীকে খেয়ে পৃথিবীতে বেঁচে থাকে। কিন্তু মানুষ প্রকৃতিতে স্বাভাবিকভাবে পাওয়া বা গজিয়ে ওঠা খাবার সরাসরি খেতে অপছন্দ করে কেন!

ডঃ সিলিভারের মতে, সরাসরি পরিবেশ থেকে নেওয়া খাবার হজম করতে পারে না একমাত্র মানুষই। তাই সে অন্যভাবে তার খাদ্যের প্রয়োজন মেটায়। মানুষ যদি পৃথিবীরই জীব হতো, তাহলে সে বাকি প্রাণীদের মতোই পরিবেশ থেকে পাওয়া খাবার সরাসরি খেয়ে হজম করতে পারত।

● মানুষকে এই গ্রহের সবচেয়ে উন্নত প্রাণী বলে মনে করা হয়। কিন্তু ডঃ সিলভারের মতে মানুষই হল পৃথিবীর সবচেয়ে খাপছাড়া জীব। মানুষই হল পৃথিবীর জলবায়ুতে টিকে থাকার পক্ষে সবচেয়ে অনুপযুক্ত জীব। কারণ, পৃথিবীর বাকি সব জীব সারাজীবন খোলা আকাশের নীচে, প্রখর রৌদ্র, তুমুল ঝড় বৃষ্টি সহ্য করে বেঁচে থাকতে পারে।

মানুষ কেন পৃথিবীর বাকি সব প্রাণীর মতো বৃষ্টিতে ঘন্টার পর ঘন্টা ভিজতে পারে না! কয়েকঘন্টার বেশি সূর্য্যের প্রখর রৌদ্রে থাকলে একমাত্র মানুষেরই কেন ‘সান স্ট্রোক’ হয়! সূর্য্যের আলোয় বেশিক্ষণ থাকলে আমাদের ত্বকের চামড়া কালো হয়ে যায় কেন! ! কেন সূর্যের আলোয় মানুষেরই চোখ ধাঁধিয়ে যায়! অন্য প্রাণীদের তো তা হয় না। এগুলি কি প্রমাণ করেনা সূর্য রশ্মি মানুষের পক্ষে উপযুক্ত নয় এবং মানুষ থাকত কোনও নরম আলোয় ভরা গ্রহতে।

● মানুষের মধ্যেই প্রচুর দীর্ঘস্থায়ী রোগ বা ক্রনিক ডিজিজ দেখা দেয় কেন! ডঃ সিলভারের মতে ব্যাক পেন (back ache) হল মানুষের অন্যতম দীর্ঘস্থায়ী রোগ। পৃথিবীর বেশিরভাগ মানুষ এই রোগে ভোগেন। কারণ মানুষ পৃথিবীর অনান্য প্রাণীর মতো চারপায়ে হাঁটে না। ফলে হাঁটা চলা ও বিভিন্ন কাজে মাধ্যাকর্ষণের সাহায্য পায় না। পৃথিবীর বাকি প্রাণীদের কি ঘাড়ে, পিঠে, কোমরে ব্যাথা হয়! মানুষের এই ‘ব্যাক পেন’ রোগটিই প্রমাণ করে, মানুষের দেহ অন্য কোনও গ্রহে বসবাসের উপযুক্ত হয়ে সৃষ্টি হয়েছিল। যে গ্রহের মাধ্যাকর্ষণ ছিল পৃথিবীর তুলনায় অনেক কমজোরি।

● পৃথিবীতে থাকা কিছু দীর্ঘজীবী প্রাণী, যেমন আফ্রিকার হাতি, অ্যালডাবরা ও গ্যালাপাগোস কচ্ছপ, বো-হেড তিমি, গ্রেটার ফ্লেমিঙ্গো, গ্রিন-উইং ম্যাকাওদের চোখেও কি চল্লিশের পর চালসে (হাইপার মেট্রোপিয়া) পড়ে! বয়েসের সঙ্গে সঙ্গে তাদের শ্রবণক্ষমতা কমে যায়!

● পৃথিবীর কোনও মানুষই ১০০% সুস্থ নয় কেন! প্রত্যেকেই এক বা একাধিক রোগে ভোগেন কেন!
● মানব শিশুর মাথা বড় হওয়ার জন্য নারীদের স্বাভাবিক উপায়ে প্রসব করতে প্রবল যন্ত্রণা ভোগ করতে হয়। প্রসব করতে গিয়ে আজ পর্যন্ত পৃথিবীতে লক্ষ লক্ষ মা ও শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মানুষ ছাড়া পৃথিবীর অন্য কোনও প্রজাতির লক্ষ লক্ষ স্ত্রী প্রাণী ও শাবক প্রসবকালে মারা গিয়েছে কি? মানব শিশু জন্মের পরেই পৃথিবীর উন্নত প্রাণীগুলির শাবকদের মতো হাঁটতে শেখে না কেন?

● মানুষের দেহে কেন ২২৩টি অতিরিক্ত জিন আছে! পৃথিবীর অনান্য প্রাণীদের দেহে অতিরিক্ত জিন নেই কেন!

● মানুষের ঘুম নিয়ে গবেষণা করে গবেষকরা বলছেন পৃথিবীতে দিন ২৪ ঘন্টার, কিন্তু আমাদের দেহের অভ্যন্তরীণ ঘড়ি (body clock) বলছে, আমাদের দিন হওয়া উচিত ছিল ২৫ ঘন্টার। মানবজাতির সৃষ্টিলগ্ন থেকেই দেহঘড়িতে একটি দিনের জন্য কেন ২৫ ঘন্টা বরাদ্দ করা হয়েছিল!

বিভিন্ন বিজ্ঞানী ডঃ সিলভারের থিওরিটির বিস্তর সমালোচনা করেছেন। কিন্তু অনেকে আবার তাঁর পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন। তাঁরা বলেছেন ডঃ সিলভার যে যুক্তিগুলি হাজির করেছেন, সেগুলি কিন্তু একেবারেই ফেলে দেওয়ার মতো নয়। সত্যিই তো পৃথিবীর অনান্য প্রজাতির জীবের চেয়ে আমরাই কেন আলাদা হলাম।

সত্যিই কি আমরা পৃথিবীর প্রাণী! নাকি আমরা ভিনগ্রহের প্রাণী হয়ে পৃথিবীকে শাসন করছি! রহস্যটির উত্তর লুকিয়ে আছে কালের গর্ভে। একটা প্রশ্নটা কিন্তু থেকেই গেল,মানুষের সৃষ্টি যদি পৃথিবীতে না হয়ে থাকে বা আমরাই যদি ভিনগ্রহ থেকে পৃথিবীতে এসে থাকি, তাহলে কাদের খুঁজতে নাসা ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলার খরচা করছে!

রপান্জন গোস্বামী , The ওয়াল্ল

#শেষে এটায় প্রমাণ হচ্ছে মানুষকে মহান আল্লাহই পাঠিয়েছেন পৃথিবীতে। সুতরাং নাস্তিক্যবাদ অনুযায়ী মানুষ এমনি পৃথিবীতে গজিয়ে ওঠেনি বা বিবর্তন হয়নি।😊 নাস্তিকদের মুখে গোবরের খুলুপ এটে গেলো 😀

17/04/2020

#স্কলার ইমরান নাজার হোসেন

তৃতীয় মহাযুদ্ধ কতটা নিকটে ?

অনেকেই আমাকে সেমিনারে প্রশ্ন করে তৃতীয় মহাযুদ্ধ কতটা নিকটে? আমি তাদের সবাইকে রাসুল (সঃ) এর একটি হাদিস মনে করিয়ে দিতে চাই।

নবী মুহাম্মদ (সঃ) বলেছেন যখন দেখবে জেরুজালেম প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে তখন মহাযুদ্ধ শুরু হবে- আবু দাউদ ৪২৯৪-৪২৪৪,ইবনু মাজা ৪২৯৫-৪২৯৬

এখন আপনাদের কাছে আমার প্রশ্ন হচ্ছে জেরুজালেম শহরটি কি প্রতিষ্ঠিত হয়নি?
ইহুদিরা হাজার হাজার বছর আগে যে জনপদ ইস্রাইল থেকে বিতাড়িত হয়েছিল সেখানে তারা পুনরায় ফিরে গিয়ে আবার ইস্রাইল কে একটি ইহুদিবাদি রাষ্ট্রে পরিনত করে ফেলেছে।

জেরুজালেম কে ইস্রাইলের রাজধানী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে ফেলেছে। অতএব জেরুজালেম প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে।

সামনের দিন গুলিতে জেরুজালেম শহরটি শুধুই বিকশিত আর উন্নত হতে থাকবে।

অতএব এখন আমাদের বুঝতে হবে আল-মালহামা মহাযুদ্ধ পারমানবিক যুদ্ধ একেবারেই আমাদের নাকের ডগায় চলে এসেছে।অতএব এই গ্লোবালাইজড শহরগুলি আমাদের ছাড়ার সময় চলে এসেছে কেননা এই শহরগুলির উপরে পারমানবিক বোমা মারা হবে।

28/03/2020

দাজ্জাল এখনো সম্মুখে এসে দাঁড়ায় নি,এখনো তার ক্রোধ নিয়ে হাজির হয় নি,তার আগেই ফিতনার সমুদ্রে আমাদের ঈমানের টালমাটাল অবস্থা। সকাল-বিকাল নিত্যনতুন গুজবে ঈমানের থোড়াই কেয়ার করে পঙ্গপালের মত ছুটছি। সামান্য গুজবে যেখানে ঈমান রক্ষা করা দায় হয়ে পড়েছে সেখানে সেদিন কি হবে,যেদিন এই কচু পাতার পানির মত টলায়মান ঈমানের মাঝেই হুটহাট এক সন্ধ্যায় কিংবা সকালে দাজ্জাল এসে হাজির হবে আমাদের দোরগোড়ায়।

বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাহাবাগনের মজলিসে যখনই দাজ্জালের আলোচনা করতেন, তখনই তাঁদের মধ্যে ভীতি সঞ্চারিত হয়ে যেত এবং কান্না শুরু করতেন। কিন্তু এর কারণ কি যে, আজ মুসলমানরা এই ব্যাপারে কোনোই চিন্তা করছে না?

কারণ একটাই, আজ মানুষ এই ফেতনাটিকে সেই অর্থে বুঝবার চেষ্টা করছে না, যে অর্থে নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বুঝিয়েছেন। আজ যদি কোন মুসলমান এই হাদিসটি শোনে, দাজ্জালের কাছে খাদ্যের পাহাড় ও পানির নহর থাকবে, তখন সে হাদিসটি এমন অবস্থায় শোনে যে, তাঁর পেট পরিপূর্ণ থাকে এবং পানির কোন অভাবই থাকে না। ফলে সে দাজ্জালের সময়কার পরিস্থিতিকেও নিজের ভরা পেট ও ভেজা গলার সময়কার অবস্থারই উপর অনুমান করে। এই হাদিসগুলো শোনার সময় তাঁর চোখের সামনে এ দৃশ্যটি মোটেও ভাসে না যে, তখনকার পরিস্থিতি এমন হবে যে, দিনের পর দিন নয়, সপ্তাহের পর সপ্তাহ কেটে যাবে, রুটির একটা টুকরোও জুটবে না। অনাহার মানুষকে কাহিল করে তুলবে। পানির অভাবে কণ্ঠনালীতে কাঁটা বিঁধবে।

আপনি বাইরে থেকে ফিরে যখন ঘরে পা রাখবেন, তখন দেখতে পাবেন, আপনার কলিজার টুকরো যে সন্তানটির একটি মাত্র ইশারাতে তাঁর প্রতিটি বাসনা ও দাবি পূরণ হয়ে যেত, আজ তীব্র পিপাসায় তাঁর জীবনটা বের হয়ে গেছে। কয়েক দিনের অনাহার তাঁর গোলাপের মতো সুন্দর মুখ থেকে জীবনের সব সৌন্দর্য-ঔজ্জ্বল্য ছিনিয়ে নিয়ে গেছে। দৃশ্যটি দেখামাত্র আপনার অন্তর খাঁ খাঁ করে উঠল। কিন্তু আপনি অসহায়, অক্ষম। কষ্ট সহ্য করতে না পেরে সন্তানের দিক থেকে মুখটা অন্যদিকে ফিরিয়ে নিলেন। কিন্তু সেদিকে তাকালেন, অদিকে পড়ে আছে আক্ষেপ আর যন্ত্রণার আরেকখানি প্রতিচ্ছবি – মা – আম্মাজান, হ্যাঁ, আপনার আম্মাজান! সেই মা, যিনি আপনাকে ক্ষুধার্ত পেটে কখনও ঘুমতে দেননি। যিনি আপনার ইঙ্গিতেই আপনার পিপাসার কথা বুঝে ফেলতেন। যিনি নিজের সমস্ত সবাদ-আহ্লাদকে আপনার জন্য কুরবান করে দিয়েছিলেন।

আজ আপনার সেই মা চোখের দৃষ্টিতে হাজারো প্রশ্ন ভরে নিয়ে যুবক পুত্রের দিকে তাকিয়ে আছেন এই আশায় যে, বাছা আমার আজ একটুকরো রুটি আর এক কাতরা পানি কোথাও থেকে সংগ্রহ করে এনেছে। কিন্তু পুত্রের মুখের লেখা পড়তে সক্ষম মা আপনার মুখাবয়বে লেখা জবাবটা পড়ে নিলেন। পুত্রের অসহায়ত্বের ফলে মায়ের চোখ থেকে কয়েক ফোঁটা অশ্রু গড়িয়ে পড়ল। আপনার কলিজাটা মুখে বেরিয়ে আসবার উপক্রম হল। আপনি ভেতরে ভেতরেই ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যেতে লাগবেন।

কষ্টটা সহ্য করতে না পেরে এবার আপনি অন্যদিকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন এই আশায় যে, সম্ভবত ওদিকে কেউ নাই। কিন্তু না, আছে। ওখানে একজন পড়ে আছে – আপনার জীবন সফরের সঙ্গিনী, পরীক্ষার প্রতিটি মুহূর্তে যে আপনাকে সাহস জুগিয়েছেন। কিন্তু আজ ঠোঁট দুটো তাঁর শুকনো। আর দেখতে না দেখতেই প্রেম আপনার অশ্রুতাপে গলে যেতে শুরু করল। অবশেষে আপনিও তো মানুষ। আপনার বুকেও তো গোশত পিণ্ডই ধুকধুক করে। সন্তানের স্নেহ, মায়ের মমতা ও স্ত্রীর প্রেম সবাই মিলে আপনার হৃদয়টাকে তামার মতো গলিয়ে দিল। কোথাও কোন আশ্রয় নেই, কোথাও কোন সহায় সহযোগিতা নেই। কেউ নেই আপনার প্রতি সাহায্যের হাত বাড়াবার। কি ভাবে থাকবে, প্রতিটি ঘরে, প্রতিটি দরজায় এই একই দৃশ্য।

কেউ নেই সাহায্য করবার – সকলেরই সাহায্য দরকার!

এমন সময় বাইরে থেকে সুস্বাদু খাবারের সুঘ্রাণ আর পানির কলকল শব্দ কানে ভেসে এল। আপনি ও আপনার পরিজন সবাই দৌড়ে বাইরে গেলেন। মনে হল, কষ্টের দিন বুঝি শেষ হয়ে গেছে। মানুষের এই বনে কোন ‘মাসিহা’ এসে পড়েছেন। আগত ‘মাসিহা’ ঘোষণা করছে, ‘ক্ষুধা পিপাসায় কাতর লোকেরা! এই সুঘ্রাণযুক্ত সুস্বাদু খাবার, এই ঠাণ্ডা পানি তোমাদেরই জন্য’।

ঘোষণাটি শোনামাত্র আপনার, আপনার পরিজন ও নগরীর অন্যান্য বাসিন্দাদের আধা জীবন যেন এমনিতেই ফিরে এসেছে। মাসিহা আবার বলতে শুরু করল, এই সবকিছুই তোমাদেরই জন্য। কিন্তু তোমরা কি বিশ্বাস কর যে, এই খাবার পানির মালিক আমি? তোমরা কি এই বাস্তবতাকে স্বীকার করছ যে, এ সব বস্তু সামগ্রী আমার অধীনে?

এই দ্বিতীয় ঘোষণাটি শোনার পর খাবার পানির প্রতি অগ্রসরমান আপনার পা কিছুক্ষনের জন্য থমকে গেল। আপনি কিছু ভাবতে শুরু করলেন। আপনার স্মৃতি বলল, এই শব্দগুলো তো চেনা চেনা মনে হচ্ছে। আপনার মনে পড়ে গেল, এই মাসিহাটা কে? কিন্তু সেই মুহূর্তে পেছন থেকে আপনার সন্তানের কান্না তীব্র হতে লাগল। মায়ের আর্তনাদ কানে এসে বাজল। স্ত্রীর করুণ আহাজারি কানে এসে ঢুকল। আপনি ছুটে গেলেন। আপনার কলিজার টুকরা – আপনার সন্তানটি মৃত্যু ও জীবনের মাঝে ঝুলছে। যদি কয়েক ফোঁটা পানি জুটে যায়, তাহলে শিশুটির জীবন বেঁচে যেতে পারে।

এখন একদিকে আপনার সন্তান, মা ও স্ত্রীর ভালবাসা, অপরদিকে ঈমান বিধ্বংসী একটি প্রশ্নের উত্তর।

একদিকে আনন্দপূর্ণ ঘর, অন্যদিকে বিলাপের আসর।

যেন একদিকে আগুন, অন্যদিকে মন মাতানো ফুল বাগান।

বলুন, বিবেকের বন্ধ জানালাগুলো খুলে দিয়ে ভাবুন, বিষয়টি কি এতই সহজ, যতটা আপনি মনে করছেন? বোধ হয় না। বরং তখনকার পরিস্থিতি হবে মানব ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ ফেতনা!

হযরত ইমরান ইবনে হুসাইন (রাঃ) বর্ণনা করেছেন, আমি আল্লাহর রাসুল (সাঃ) কে বলতে শুনেছি, “আদমের সৃষ্টি থেকে শুরু করে কিয়ামত সংঘটিত হওয়া পর্যন্ত সময়ে আল্লাহর নিকট দাজ্জাল অপেক্ষা বড় ফেতনা দ্বিতীয়টি নেই’। (মুসতাদরাকে হাকেম , খণ্ড ৪, পৃষ্ঠা ৫৭৩)

আরেক বর্ণনায় আছে, “আদম সৃষ্টি থেকে শুরু করে কিয়ামত সংঘটিত হওয়া পর্যন্ত সময়ে দাজ্জাল অপেক্ষা জঘন্য সৃষ্টি দ্বিতীয়টি আর নেই”। (সহিহ মুসলিম, খণ্ড ৪, পৃষ্ঠা ২২৬৬)

হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমাদের কেউ যখন নামাজে তাশাহহুদ পাঠ করবে, তখন সে যেন চারটি বিষয় থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করে। বলবে, হে আল্লাহ! আমি জাহান্নামের শাস্তি, কবরের শাস্তি, জীবন ও মৃত্যুর ফেতনা ও দাজ্জালের ফেতনা থেকে তোমার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি”। (সহিহ মুসলিম, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ৪১২)

দেখুন, আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর উম্মতকে দাজ্জাল থেকে রক্ষা করার জন্য কত চিন্তা করতেন যে, আমাদেরকে নামাজের মধ্যে দাজ্জালের ফেতনা থেকে আশ্রয় চাওয়ার দু’আ শিখিয়ে দিয়েছেন।

হযরত হুজায়ফা (রাঃ) বর্ণনা করেন যে, আমি আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, “দাজ্জাল যখন বের হবে, তখন তার সঙ্গে পানি ও আগুন থাকবে। কিন্তু মানুষ যাকে আগুন বলে দেখবে, সেটিই হবে শীতল পানি। আর যাকে পানি বলে দেখবে, সেটিই হবে আগুন। আর কেউ যদি দাজ্জালকে পায়, সে যেন সেই বস্তুটিতে অবতরণ করে, যাকে সে আগুন বলে দেখবে। কেননা, সেটিই হল সুমিষ্ট ঠাণ্ডা পানি”। (সহিহ বুখারি, খণ্ড ৩, পৃষ্ঠা ১২৭২)

অপর এক হাদিসে দাজ্জালের সঙ্গে গোশত ও রুটির পাহাড় থাকবে বলে উল্লেখ রয়েছে। তার অর্থ হল, যে লোক তার সম্মুখে মাথানত করবে, তার কাছে সম্পদ ও খাদ্যপন্যের সমারোহ থাকবে। পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি তাকে অমান্য করবে, তার উপর সব ধরনের অবরোধ আরোপ করে তার জীবনকে কোণঠাসা ও সংকটাপন্ন করে ফেলবে।

হায়! কী হবে সেদিন আমাদের ঈমানের অবস্থা? পারব কি সেদিন বিলালের মত ত্যাগ স্বীকার করতে? সুমাইয়া (রা.) কিংবা আফিয়া সিদ্দীকা হতে?? নাকি আর্তনাদ করে বলতে হবে,হায়! আমি যদি গাছ হয়ে যেতাম!
#‎দাজ্জাল_ইলুমিনাতি_রহস্য_ইমাম_মাহাদী এবং কেয়ামত মুখোশ উন্মোচন গ্রুপ থেকে নেয়া।

16/03/2020

কোয়ান্টাম মেথড ও মেডিটেশন কি ইসলামসম্মত? [অধ্যায় এক]
এই প্রশ্নটি সম্ভবত “কোয়ান্টাম মেথড কি” জাতীয় প্রশ্ন থেকে বেশি জিজ্ঞাসিত বাংলাদেশের ‘মুসলিম’ সংখ্যাগরিষ্ঠ সমাজে। কোয়ান্টাম মেথড ও মেডিটেশন ইসলামসম্মত কিনা তা নিরূপণে একদল মানুষ – যাদের একে জায়েয বা হালাল করার ‘প্রয়োজন’ রয়েছে – তারা মূলত তিনটি প্রয়াস দেখিয়ে থাকেন,
· ধর্মীয় সংস্কৃতি থেকে সরে গিয়ে নবউদ্ভাবিত তথাকথিত বৈজ্ঞানিক পন্থা (pseudoscientific method) বলে কোয়ান্টাম মেথড কে অভিহিত করতে চান যেটিতে সব ধর্মের মানুষের অংশগ্রহণের সুযোগ রয়েছে, অথবা
· কুরআন ও হাদিথের দলীল ব্যতিত বিভিন্ন সুত্র হতে মনগড়া ‘ইসলামিক’ বয়ান (narrative) কে কোয়ান্টাম-সমর্থক বলে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেন, অথবা
· ইসলাম অন্য সব ধর্মের মতই আরেকটি ‘দর্শন’, বরং ‘একটু’ বা ‘সবচেয়ে’ উত্তম দাবী করে উপসংহার টানার চেষ্টা করেন যে অন্য দর্শন বা ধর্মের সংস্কৃতি বা কোয়ান্টাম মেথড ইসলামের সাথে সাংঘর্ষিক নয়,
উপরোক্ত তিনটি অপপ্রয়াসের পরিপূরক এই সংকলনটি যার অধ্যায়গুলোতে শহীদ আল বোখারী এবং কোয়ান্টাম (যোগ) ফাউন্ডেশন এর দার্শনিকতার সম্ভাব্য উৎসসমূহ ও মেডিটেশনের অন্তর্নিহিত তাৎপর্য নিরূপণ করার চেষ্টা করা হয়েছে, ইন শা আল্লাহ। শহীদ আল বোখারী ‘মহাজাতক’ পেশায় একজন গণক (astrologer) থেকে আধ্যাত্মিকতায় (mysticism/spirituality) অনুপ্রবেশ করে কোয়ান্টাম মেথড নামে এই তথাকথিত বৈজ্ঞানিক পন্থা (pseudoscientific method) উদ্ভাবন করেছেন। কিভাবে করেছেন তা আল্লাহ সুব’হানাহু তা’আলাই ভাল জানেন। কিন্তু এটি করতে গিয়ে বোখারী ভদ্রলোক কোন কোন দর্শন (philosophy), বিশ্বাসসমূহ বা আকীদা (belief system), মতবাদের প্রভাব (influences) এবং পন্থা (method) অনুসরণ করেছেন, জেনে অথবা না জেনে, সেটি চিন্তার বিষয়। কারণ একজন মুসলিমের জন্য জ্ঞাত বা অজ্ঞাতসারে ইসলাম-বহির্ভূত যে কোন দর্শন বা মতবাদে বিশ্বাসী হওয়ার পরিণামে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যে ব্যাপারে আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা বলেছেন,
নিঃসন্দেহে আল্লাহর নিকট গ্রহণযোগ্য দ্বীন একমাত্র ইসলাম। এবং যাদের প্রতি কিতাব দেয়া হয়েছে তাদের নিকট প্রকৃত জ্ঞান আসার পরও ওরা মতবিরোধে লিপ্ত হয়েছে, শুধুমাত্র পরস্পর বিদ্বেষবশতঃ, যারা আল্লাহর নিদর্শনসমূহের প্রতি কুফরী করে তাদের জানা উচিত যে, নিশ্চিতরূপে আল্লাহ হিসাব গ্রহণে অত্যন্ত দ্রুত। সুরা আলে-ইমরানঃ ১৯
আর যে কেউ ইসলাম পরিত্যাগ করে অন্য কোনো ধর্ম অনুসরণ করে তা হলে তার কাছ থেকে কখনো তা কবুল করা হবে না। আর আখেরে সে হবে ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত। সুরা আলে-ইমরানঃ ৮৫
যদি সারা পৃথিবী পরিমাণ স্বর্ণও তার পরিবর্তে দেয়া হয়, তবুও যারা কাফের হয়েছে এবং কাফের অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছে তাদের তওবা কবুল করা হবে না। তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক আযাব! পক্ষান্তরে তাদের কোনই সাহায্যকারী নেই। সুরা আলে-ইমরানঃ ৯১
হে ঈমানদারগণ! আল্লাহকে যেমন ভয় করা উচিৎ ঠিক তেমনিভাবে ভয় করতে থাক। এবং অবশ্যই মুসলমান না হয়ে মৃত্যুবরণ করো না। সুরা আলে-ইমরানঃ ১০২
কোয়ান্টাম মেথড কিভাবে একটি ভয়াবহ শিরকী ও কুফরী ফিতনা এবং বিদাহ এর সমন্বিত রূপ সেটি ইসলাম সঠিকভাবে না জানলে নিরূপণ করা সম্ভব নয় যেহেতু নির্দিষ্ট মাপকাঠি ছাড়া সবকিছুই আপেক্ষিক। বর্তমান যুগে কুরআন ও হাদিথ ত্যাগ করায় ইসলাম কতখানি শিরক-কুফর-বিবর্জিত তা নিশ্চিত হয়ে বলা কঠিন কারণ ইসলামের মৌলিক বিষয়গুলোর প্রভাব একজন মুসলিমের জীবনে নেই বললেই চলে। ইসলাম সমর্থিত নয় এমন দর্শনের বিপথগামী প্রভাব সম্পর্কে লক্ষণীয়,
আর যে বিষয়ে তোমার কোনো জ্ঞান নেই তার অনুসরণ করো না। নিঃসন্দেহ শ্রবণশক্তি ও দৃষ্টিশক্তি ও অন্তঃকরণ — এদের প্রত্যেকটিকে তাদের সন্বন্ধে সওয়াল করা হবে। সুরা আল-ইসরাঃ ৩৬
আবু আব্দিল্লাহ্ আন্-নু‘মান ইবন বশীর (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেছেন- আমি রাসূলুল্লাহ ﷺ কে বলতে শুনেছি, নিঃসন্দেহে হালাল সুস্পষ্ট এবং হারামও সুস্পষ্ট, আর এ দু‘য়ের মধ্যে কিছু সন্দেহজনক বিষয় আছে যা অনেকে জানে না। অতএব, যে ব্যক্তি সন্দিহান বিষয় হতে নিজেকে রক্ষা করেছে; সে নিজের দ্বীনকে পবিত্র করেছে এবং নিজের সম্মানকেও রক্ষা করেছে। আর যে ব্যক্তি সন্দেহযুক্ত বিষয়ে পতিত হয়েছে; সে হারামে পতিত হয়েছে। তার অবস্থা সেই রাখালের মত যে নিষিদ্ধ চারণভূমির চারপাশে (গবাদি) চরায়, আর সর্বদা এ আশংকায় থাকে যে, যে কোন সময় কোন পশু তার মধ্যে প্রবেশ করে চরতে আরম্ভ করবে।
সাবধান! প্রত্যেক রাজা-বাদশাহর একটি সংরক্ষিত এলাকা আছে। আর আল্লাহর সংরক্ষিত এলাকা হচ্ছে তাঁর হারামকৃত বিষয়াদি। সাবধান! নিশ্চয়ই শরীরের মধ্যে একটি মাংসপিণ্ড আছে; যখন তা ঠিক থাকে তখন সমস্ত শরীর ঠিক থাকে, আর যখন তা নষ্ট হয়ে যায় তখন গোটা দেহ নষ্ট হয়ে যায় -এটা হচ্ছে কলব (হৃদপিণ্ড)।
ইমাম নওবীর ৪০ হাদিস, হাদিস ৬, [বুখারী: ৫২, মুসলিম: ১৫৯৯]
একজন মুসলিমের অবশ্য কর্তব্যের মধ্যে একটি হচ্ছে জীবদ্দশায় তার ঈমানকে সমস্ত কুফরী এবং শিরকী মতবাদ থেকে পরিশুদ্ধ করা এবং যথাযথ করতে চেষ্টা করা, যেভাবে আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা চেয়েছেন। কিন্তু সাংস্কৃতিক রণাঙ্গনে ইসলামকে মনে করা হয় আরব সংস্কৃতির আগ্রাসন (arab cultural imperialism) যাকে ‘জাতীয়তাবাদ’ (nationalism) এর প্রতি হুমকিস্বরূপ দেখা হয় এবং প্রতিহত করার চেষ্টা করা হয়। আরব সংস্কৃতি আর ইসলামিক সংস্কৃতির মধ্যে পার্থক্য একদমই স্পষ্ট – ইসলাম আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা কর্তৃক প্রদত্ত সংস্কৃতি এবং আরব ভূখণ্ডের সংস্কৃতি ইসলামের প্রভাবে যথেষ্ট প্রভাবিত। ইসলাম পরিপূর্ণভাবে অনুসরণ করার চেষ্টা করা মানেই আরব হয়ে যাওয়া নয়। একজন মুসলিমের জন্য জাতীয়তাবাদ ও পার্থিব সংস্কৃতির উপর যদি কোন ‘বিজাতীয় সংস্কৃতি’ কে স্থান দিতেই হয় তবে সেটি আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা কর্তৃক প্রদত্ত সংস্কৃতি ইসলাম, যা বিশ্বাসীদের পরিপূর্ণভাবে ধারণ করার চেষ্টা করা উচিৎ,
আবূ মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ্ ইবনে আমর ইবনুল আস (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন- রাসূল ﷺ বলেছেন: তোমাদের মধ্যে কেউই ততক্ষণ পর্যন্ত ঈমানদার হবে না, যতক্ষণ না আমি যা এনেছি তার প্রতি তার ইচ্ছা–আকাঙ্খা অনুগত না হয়ে যায়।
ইমাম নওবীর হাদিস ৪১, কিতাবুল হুজ্জাহ্ থেকে সহীহ্ সনদ, হাসান
অথচ অনেকেই একটি অনুমিতি (assumption) মানস্পটে ধারণ করেন যে ইসলাম ‘আধুনিকতার’ সাথে সাংঘর্ষিক একধরণের পশ্চাদগামী (regressive) অজ্ঞানতা। সুন্নাহ হচ্ছে সুঘ্রাণ মেখে এবং টাখনুর উপর কাপড় পরে এবং দাঁড়ি রেখে ‘হুজুর’ সদৃশ বাহ্যিক অবয়ব ধারণ করা এবং দুনিয়া ত্যাগ করে শুধু মসজিদে গিয়ে নামাজ পরা, মিষ্টি খাওয়া ইত্যাদি। এর কোন কোনটি সুন্নাহের অংশ হলেও, ইসলামের প্রকৃত অনুসরণ এবং সুন্নাহের প্রকৃত অনুকরণ না থাকায় রাসুলুল্লাহর ﷺ সুন্নাহর সাথে সাংঘর্ষিক দর্শন স্থান করে নিচ্ছে মুসলিমের জীবনে, ক্ষেত্রবিশেষে ইবাদতেও, এবং সচেতনতার অভাবে এগুলোর ভাল-মন্দ নিরূপণ করা সম্ভব হয়ে উঠছে না। সুন্নাহের গুরুত্বের ব্যাপারে আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা বলেছেন,
… রসূল তোমাদেরকে যা দেন, তা গ্রহণ কর এবং যা নিষেধ করেন, তা থেকে বিরত থাক এবং আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় আল্লাহ কঠোর শাস্তিদাতা। সুরা আল হাশরঃ ৭
যে লোক রসূলের হুকুম মান্য করবে সে আল্লাহরই হুকুম মান্য করল। আর যে লোক বিমুখতা অবলম্বন করল, আমি আপনাকে (হে মুহাম্মদ), তাদের জন্য রক্ষণাবেক্ষণকারী নিযুক্ত করে পাঠাইনি। সুরা আন-নিসাঃ ৮০
আর যে কোন বিষয়েই তোমরা মতবিভেদ কর, তার ফয়সালা আল্লাহর কাছে; তিনিই আল্লাহ, আমার রব, তাঁরই উপর আমি তাওয়াক্কুল করেছি এবং আমি তাঁরই অভিমুখি হই। সুরা আশ-শুরাঃ ১০
আল্লাহ ও তাঁর রসূল কোন কাজের আদেশ করলে কোন ঈমানদার পুরুষ ও ঈমানদার নারীর সে বিষয়ে ভিন্ন ক্ষমতা নেই যে, আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আদেশ অমান্য করে সে প্রকাশ্য পথভ্রষ্টতায় পতিত হয়। সুরা আল-আহযাবঃ ৩৬
বস্তুতঃ আমি [আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা] একমাত্র এই উদ্দেশ্যেই রসূল প্রেরণ করেছি, যাতে আল্লাহর নির্দেশানুযায়ী তাঁদের আদেশ-নিষেধ মান্য করা হয়। আর সেসব লোক যখন নিজেদের অনিষ্ট সাধন করেছিল, তখন যদি আপনার কাছে আসত অতঃপর আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করত এবং রসূলও যদি তাদেরকে ক্ষমা করিয়ে দিতেন। অবশ্যই তারা আল্লাহকে ক্ষমাকারী, মেহেরবানরূপে পেত। অতএব, তোমার [মুহাম্মদ] পালনকর্তার কসম, সে লোক ঈমানদার হবে না, যতক্ষণ না তাদের মধ্যে সৃষ্ট বিবাদের ব্যাপারে তোমাকে ন্যায়বিচারক বলে মনে না করে। অতঃপর তোমার মীমাংসার ব্যাপারে নিজের মনে কোন রকম সংকীর্ণতা পাবে না এবং তা হূষ্টচিত্তে কবুল করে নেবে। আর যদি আমি তাদের নির্দেশ দিতাম যে, নিজেদের প্রাণ ধ্বংস করে দাও কিংবা নিজেদের নগরী ছেড়ে বেরিয়ে যাও, তবে তারা তা করত না; অবশ্য তাদের মধ্যে অল্প কয়েকজন। যদি তারা তাই করে যা তাদের উপদেশ দেয়া হয়, তবে তা অবশ্যই তাদের জন্য উত্তম এং তাদেরকে নিজের ধর্মের উপর সুদৃঢ় রাখার জন্য তা উত্তম হবে। আর তখন অবশ্যই আমি তাদেরকে নিজের পক্ষ থেকে মহান সওয়াব দেব। আর তাদেরকে সরল পথে পরিচালিত করব। আর যে কেউ আল্লাহর হুকুম এবং তাঁর রসূলের হুকুম মান্য করবে, তাহলে যাঁদের প্রতি আল্লাহ নেয়ামত দান করেছেন, সে তাঁদের সঙ্গী হবে। তাঁরা হলেন নবী, ছিদ্দীক, শহীদ ও সৎকর্মশীল ব্যক্তিবর্গ। আর তাদের সান্নিধ্যই হল উত্তম। সুরা আন-নিসাঃ ৬৪-৬৯
যারা বিশ্বাস করেন যে আল্লাহ সুবহানাহু তাআলার ইসলাম মানুষের জন্য উদ্দিষ্ট একমাত্র দ্বীন, যার দর্শন সরল পথে চলতে এবং আল্লাহ সুবহানাহু তাআলার কাছে ফিরে গিয়ে বিচারের জন্য দাঁড়াতে একান্ত প্রয়োজন এবং যারা বিশ্বাস করেন যে শুধুমাত্র ইসলামিক মতবাদ অনুসরনীয় এবং আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা প্রেরিত রাসুলের ﷺ সুন্নাহ জীবনে অনুকরণীয় – তাদের জন্য সম্ভবত এই সংকলনটিতে চিন্তার খোরাক থাকতে পারে।
শহীদ আল বোখারীর কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন কেন ইসলামের সাথে সাংঘর্ষিক এটি অনুধাবন করতে ইসলামকে জানার কোন বিকল্প নেই। বোখারী চার দশক ধরে যে বিভ্রান্তি চর্চা করছে তা বুঝতে বেশ পরিসর নিয়ে আলোচনা প্রয়োজন। তাই কুরআন ও হাদিথের আলোকে ইসলামের মৌলিক বিষয় সম্পর্কে আলোচনা এখানে উপস্থাপন করা হয়েছে।
যারা ইসলামের মৌলিক বিষয়গুলো ভালভাবে জানেন তাদের কাছে সংকলনটির অনেক আলোচনা অতিরিক্ত মনে হতে পারে। তবে বিশদ আলোচনার উদ্দেশ্য এই যে যারা ইসলামকে ভালভাবে জানেন না অথবা সামগ্রিকভাবে কোন ধর্ম সম্পর্কেই ভালভাবে জানেন না, তারা যেন ইসলামের মৌলিক বিষয়ে অবগত থেকে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন সম্পর্কে চিন্তা করার অবকাশ পান। এ কারণে লেখাটির কলেবর কিছুটা বিস্তৃত হওয়াতে আলোচনা মূল প্রসঙ্গ থেকে অনেক সময় দূরে সরে গিয়ে থাকবে। লক্ষ্য করার বিষয় যে, মেডিটেশন এবং কোয়ান্টাম মেথড কোন কোন মতবাদ, দর্শন এবং উৎসের সাথে সম্পর্কিত এবং এ বিষয়ে ইসলামের দৃষ্টিকোণ থেকে কি বলা হয়েছে।
কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের সুদূরপ্রসারী প্রভাব কেন মুসলিম সমাজের জন্য হুমকিস্বরূপ তা ভাবতে এই সংকলনটি সহায়তা করবে, ইন শা আল্লাহ। আল্লাহ সুবহানাহু তাআলাই সর্বোত্তম জানেন। গ্রুপ থেকে নেয়া।

06/11/2019

জেরোজালেম বা এইলিয়া অঞ্চলের সব গোত্রই কোনো না কোনো সময় বিজেতাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছে। ফিনিশিয়ান, সামারাটিয়ান, বেদুইন-গাসসানিদসহ বিভিন্ন আরব গোত্র ও অন্যান্য সেমিটিক গোত্র নানা সময় বিজেতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছে এবং অধিকাংশ সময়ই বিজেতারা এদের গণহত্যা ও উচ্ছেদ করেছে। ইসরালাইটদের ইহুদি ধর্ম ও প্যাগান সেমিটিকদের ধর্ম নিয়ে একটি কথা বলে রাখা উচিত হবে যে, এই দুটো ধর্মের অনেক উপাদানের মিল ছিল, এমনও দেখা গেছে একই ব্যক্তি উভয় ধর্মে সম্মানিত, একই আচার উভয় ধর্ম পালন করছে; এর কারণ, উভয় ধর্ম একই উৎস থেকে এসেছে। পরবর্তীকালে ইসরালাইটদের ঈশ্বর-ধারণা একেশ্বরবাদিতায় রূপান্তরিত হয়েছে এবং অন্য সেমিটিক গোত্রগুলোর ঈশ্বর-ধারণা আগের মতো বহু-ঈশ্বরে রয়ে গেছে। রোমানদের ইসরালাইট তথা ইহুদি নিধন এতটাই ভয়াবহ ছিল যে, বস্তুত ইহুদি ধর্মের গতি-প্রকৃতি পরিবর্তন হয়ে যায়। রোমানদের নিপীড়ন শুরু করার আগে ইহুদি ধর্ম ও পরের ইহুদি ধর্মের ব্যাপক পার্থক্য আছে। এর কারণ রোমানরা যেভাবে পেরেছে সেভাবে ইসরালাইটদের নিধন, প্রায় সব ধর্মীয় ব্যক্তিত্বকে হত্যা, উপাসনালয়, ধর্মগ্রন্থ ধ্বংস করেছে।

বর্তমানে ইসরালাইট তথা ইহুদিদের যে ধর্ম আমরা দেখি তার চর্চা মূলত ৬০০ খ্রিস্টাব্দের দিক থেকে শুরু হয়। ৩১৩ খ্রিস্টাব্দে খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণ করে রোমান সম্রাট কন্সটানটাইন এবং ৩২৪ খ্রিস্টাব্দে খ্রিস্টান ধর্মকে রোমানরা ধর্ম হিসেবে স্বীকৃতি দেয়; কন্সটানটাইনের সময় খ্রিস্টান শহর হিসেবে জেরুজালেমের নাম পূর্ণ প্রচলন করে। এসময় মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা হিসেবে ইসরালাইটদের নতুন শত্রু সৃষ্টি হয় আর তারা হলো খ্রিস্টানরা। খ্রিস্টানরা যিশুর মৃত্যুর জন্য ইসরালাইটদের দায়ী করে। শুরু হয় সংঘাতের নতুন অধ্যায়, খ্রিস্টান-ইহুদি দ্বন্দ্ব। ৩৫১-৩৫২ খ্রিস্টাব্দে রোমানদের বিরুদ্ধে ইসরালাইটরা বিদ্রোহ করলে কঠোর হস্তে তা দমন করা হয় এবং আগের মতো ইসরালাইটদের হত্যা ও উচ্ছেদ করা হয়। ৩৬১ সালে রোমানরা ইসরালাইটদের জেরুজালেমে প্রবেশাধিকার দেয়, তাদের মন্দির তৈরির ও প্রার্থনা করার অনুমতি দেওয়া হয়। রোমান সম্রাট থিওডোসিয়াস খ্রিস্টান ধর্মকে ৩৮০ খ্রিস্টাব্দে রাষ্ট্রধর্ম ঘোষণা করেন। এসময় যিশুর অঞ্চল হিসেবে জেরুজালেম ও তৎসংলগ্ন এলাকা খ্রিস্টানদের কাছে গুরুত্ব পেতে থাকে।

এর মধ্যে ৩৯৫ সালে চূড়ান্তভাবে রোমান সাম্রাজ্য দু ভাগে ভাগ হয়ে পড়ে; পূর্বতন অংশকে বলা হতো বিজান্টিয়াম সাম্রাজ্য। বিজান্টিয়ামদের সময় জেরুজালেম খ্রিস্টান ধর্ম চর্চার প্রধান কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। ৬১৪ সালে পারশিয়ান-বিজান্টিয়াম যুদ্ধে ইসরালাইটরা পারশিয়ানদের পক্ষ নেয়। পারশিয়ান-ইসরালাইটদের যৌথবাহিনী জেরুজালেম জয় করে খ্রিস্টানদের চার্চগুলো ধ্বংস করে ফেলা হয়, খ্রিস্টানদের ওপর চালানো হয় গণহত্যা। ইসরালাইটরা পারশিয়ানদের অধীন প্যালেস্টিনা ও জেরুজালেম শাসন করতে থাকে। ৬১৭ সালে পারশিয়ান-ইসরালাইটদের দ্বন্দ্ব শুরু হয়। পারশিয়ানরা ইসরালাইটদের হাত থেকে প্যালেস্টিনার ক্ষমতা কেড়ে নেয়, ইসরালাইট সৈন্য ও সরকারি কর্মকর্তাদের সপরিবারে হত্যা করা হয়। জেরুজালেম থেকে তাদের বের করে দেয়, এর তিন মাইলের মধ্যে কোনো ইসরালাইটের প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ করে দেয়। ৬২৯ খ্রিস্টাব্দে বিজান্টিয়াম সম্র্র্র্র্রাট হেরাক্লিয়াস জেরুজালেম পুনরায় জয় এবং পারশিয়ানদের বিতাড়িত করেন। এসময় অধিকাংশ ইসরালাইট বিজান্টিয়ামদের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করে, তারা ইসরালাইটদের হত্যা ও উচ্ছেদ করা থেকে বিরত থাকে কিন্তু ইসরালাইটরা জেরুজালেমে বসবাস করতে পারত না। মূলত ইসরালাইটদের অধিকাংশই ১৩৫ খ্রিস্টাব্দের পর জেরুজালেম ও দক্ষিণ লিভান্ত ছেড়ে এশিয়া-আফ্রিকা-ইউরোপের নানা প্রান্তে চলে যায়।

৬৪১ খ্রিস্টাব্দে আরব মুসলমানরা হেজাজ অঞ্চল (বর্তমান সৌদি আরব) থেকে খ্রিস্টান ও ইসরালাইটদের বসতি অন্যত্র সরিয়ে নেয়। ৬৩৪-৬৩৮ খ্রিস্টাব্দে মুসলমান আরবরা জেরুজালেম ও লিভান্ত জয় করে। তখন জেরুজালেম খ্রিস্টানদের একটি পবিত্র শহর হিসেবে গণ্য হতো। আরবরা লিভান্ত জয়ের সময় খ্রিস্টান ও ইসরালাইটদের উচ্ছেদের বিষয়ে কৌশলগত কারণে সংযত ছিল,লিভান্ত জয়ের সময় আরব মুসলমানরা লিভান্তের খ্রিস্টান ও ইসরালাইটদের উচ্ছেদ না করে জিজিয়া কর চালু করে। এদিকে ১৩৫ খ্রিস্টাব্দে রোমানদের দ্বারা উচ্ছেদের পর ইসরালাইটদের অধিকাংশই সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ে। তবে অধিকাংশ ইসরালাইট ইউরোপে আশ্রয় নেয়। ইউরোপিয়ানরা ৩৮০ খ্রিস্টাব্দের পর শাসকের ধর্ম হিসেবে খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণ করা শুরু করে। খ্রিস্টান ধর্ম অনুসারে, ইসরালাইটরা যিশুকে ত্রুশবিদ্ধ করেছে। ফলে খ্রিস্টানরা ইসরালাইটদের শত্রু হিসেবে বিবেচনা করত। এর প্রভাব আমরা দেখতে পাই, ইউরোপে ইউরোপিয়ান খ্রিস্টানদের দ্বারা ইসরালাইটদের হত্যা ও উচ্ছেদের অসংখ্য ঘটনার মধ্য দিয়ে।

স্প্যানিশ-পর্তুগিজ ও ক্যাথলিক ইনকুইজিশানের সময় ক্যাথলিক খ্রিস্টানরা নানা সময় ইউরোপে অবস্থানরত অসংখ্য ইসরালাইটকে হত্যা ও উচ্ছেদ করেছে, ক্রুসেডের সময় এবং পরবর্তীকালে মধ্য ও আধুনিক যুগে খ্রিস্টানরা ইউরোপের বিভিন্ন অঞ্চলে ইসরালাইটদের গণহত্যা ও উচ্ছেদ করেছিল। স্পেন থেকে মধ্যযুগে ক্যাথলিক খ্রিস্টানরা ইসরালাইটদের উচ্ছেদ করলে অটোম্যানরা সে সময় ইসরালাইটদের আশ্রয় দিয়েছিল। ইউরোপের মুরিশ স্পেনে বেশ কয়েকবার মুসলমান ও খ্রিস্টানরা মিলে ইসরালাইটদের গণহত্যা ও উচ্ছেদ করেছে, মুসলমানদের সূচনালগ্ন হতে আধুনিক যুগ পর্যন্ত মুসলমান অধ্যুষিত অঞ্চলগুলোতে যে সব ইসরালাইট বসবাস করত, তারা বহুবার মুসলমানদের হাতে গণহত্যা ও উচ্ছেদের শিকার হয়েছে। সত্যি বলতে কি, প্রাচীন আমল থেকে শুরু করে বিংশ শতাব্দীর অর্ধাংশ পর্যন্ত ইজিপ্টিয়ান, অ্যাসিরিয়ান, ব্যাবিলোনিয়া, গ্রিক, রোমান, খ্রিস্টান, মুসলমান, আরব, অটোম্যান, পারশিয়ান, ইউরোপিয়ান, নাজি, ফ্যাসিস্ট, রুশ, সোভিয়েত সবাই নানা সময়ে ইসরালাইটদের পার্সিকিউট করেছে। পরিশেষে, এত বড় একটি লেখা লিখতে হয়েছে শুধুমাত্র দুটো প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য।

Want your school to be the top-listed School/college in Chittagong?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Agrabad
Chittagong
4100
Other Education in Chittagong (show all)
CHITTAGONG CANTONMENT PUBLIC COLLEGE CHITTAGONG CANTONMENT PUBLIC COLLEGE
Chittagong Cantonment , Biozid
Chittagong, 4209

ALLAH AMAaY GYAAN DAaO.....This is the most prestegious college in chittagong .....

BASE - Your BASE Lies Here BASE - Your BASE Lies Here
Chittagong, 4000

127 Momin Road, Opposite Kadam Mobarok

Lighthouse Advertising Chittagong Lighthouse Advertising Chittagong
Singapur Market, (2nd Floor), Shop No# 320-21 Access Road, Agrabad
Chittagong, 4100

Your Partner in Advertising & Managing Event.

Advanced Professional Education Advanced Professional Education
House # 36, Level 3, Road # 2/Kha, Sugandha R/A
Chittagong, 4203

ACCA, FIA, BBA, HND, HDA.

Bangla &BD.Studies care. Bangla &BD.Studies care.
Panchlish
Chittagong

A Coaching For O'Level & SSC Bangla & BD.Studies/BGS

তৌহিদ তৌহিদ

Chittagong

পেইজে আপনাকে স্বাগতম.

Japanese Language and Culture Japanese Language and Culture
Ali Plaza-2, Beside Chawkbazar Thana, Chawkbazar
Chittagong, 4226

জাপানিজ ল্যংগুয়েজ কোর্স �কোর্স লেভে?

Tanvir Sir Tanvir Sir
Chittagong

গনিত,বিজ্ঞান,ধর্ম একটা ছাড়া আরেকটা ব্যাখ্যা করা খুব কঠিন।তাই লাইক দিয়ে পাশেথাক সঠিক জ্ঞান অর্জনেরজন্য

Khan Safety Academy Khan Safety Academy
Chittagong

“Teaching the world to be careful is a constructive service worthy of God’s great gift of life.

TawSif AhMed TawSif AhMed
Mirsarai
Chittagong, 4311

Target School Target School
Chittagong

Hi,Am here to show you just enlighteing way to be unique in your life.

Clat Vision-Tution Media Clat Vision-Tution Media
Chittagong

If you want to be a home tutor please say us .We have many tuion find out.