Leadership School and College

Leadership School and College

Comments

লোহাগাড়ায় এত এত স্কুল থাকতে আপনার সন্তানের জন্য Leadership School and College কেন ❓❓❓

৷৷৷ ৷৷৷৷৷৷৷৷ কারণ ৷৷৷৷৷৷৷৷ ৷৷৷

লিডারশিপ স্কুলের অনন্য পরিকল্পনাসূমহ:
✅ কোনো শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট পড়তে হয় না
✅ ছাত্র-শিক্ষক অনুপাত ১৫:১
✅ দূর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা কেয়ার এর ব্যবস্থা
✅ আধুনিক ও নান্দনিক পাঠদান পদ্ধতি ও পাঠ পরিকল্পনা
✅ প্রতি সেকশনে শিক্ষার্থী সংখ্যা ২০

🟢 অভিজ্ঞ ও নিবেদিত শিক্ষকমণ্ডলী
🟢 একাডেমিক ক্যালেন্ডার ও সৃজনশীল পদ্ধতির যথাযথ অনুসরণ
🟢 ক্লাসে আধুনিক শিক্ষা উপকরণ ব্যবহার
🟢 গাইড ও শ্রেণি শিক্ষকের নিবিড় পরিচর্যা
🟢 সমৃদ্ধ লাইব্রেরি
🟢 নিয়মিত অভিভাবক সভা


কো-কারিকুলার সুবিধা:
লেখাপড়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশ ও ভবিষ্যত ক্যারিয়ার গঠনে রয়েছে সুনিয়ন্ত্রিত কো-কারিকুলার সুবিধাসমূহ। এসবের অধিকাংশ বাস্তবায়িত হয় লিডারশিপ স্কুল কালচারাল একাডেমির মাধ্যমে।

🔴 নাচ, গান, অঙ্কন ও অভিনয় বিষয়ে পারদর্শী করে তোলা
🔴 ডিবেট ক্লাসের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ গ্রহণ
🔴 স্কাউট ও রোভারিং ও BNCC কার্যক্রমে অংশগ্রহণ
🔴 কম্পিউটার ট্রেনিং 💻 এবং Spoken English কোর্স
🔴 ল্যাঙ্গুয়েজ, আবৃত্তি, বিজ্ঞান ক্লাবে অংশগ্রহণের সুযোগ
🔴 নৈতিক শিক্ষা ও পবিত্র কোরআন শিক্ষার জন্য রয়েছে কোরআন
প্রশিক্ষণ

ভর্তি সংক্রান্ত তথ্য
01612 401093

Leadership School and College
নান্দনিক প্রতিষ্ঠান Leadership School and College এ ভর্তি চলছে।
পাঠের সুন্দর পরিবেশ একজন শিক্ষার্থীর মৌলিক অধিকার। আপনার কোমলমতি সন্তানকে পাঠের উত্তম পরিবেশ দিন যাতে সে দেশের জন্য আদর্শ নাগরিক হয়ে গড়ে উঠতে পারে।

আপনার সন্তানকে নিয়ে একদিন Leadership School and College ভিজিট করতে আসুন।
♦️♦️♦️ GILMAN ♦️♦️♦️

Come in today to get your favorite KUTI.

🔆 Ice Park, Amiraba, Lohagara.
🔆 Arab city centre, Court Bazar, Coxsbazar.

To Make Intellectual and Moral LEADERSHIP

Operating as usual

Photos from Leadership School and College's post 25/08/2023

🌹শিশুরা দেশ ও জাতির ভবিষ্যৎ কর্ণধার। 🌹
একটি জাতির ভবিষ্যৎ সুন্দর হবে কি অসুন্দর হবে তা নির্ভর করে শিশুদের বেড়ে ওঠার ওপর। তাদের যদি আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা হয়, তাহলে ভবিষ্যতে তারা জাতিকে পথ দেখাবে। অন্যথায় তারা একেকজন দেশ ও জাতির অশান্তির কারণ হয়ে দাঁড়াবে।

এ কথা অনস্বীকার্য যে শিশুদের আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে ধর্মীয় শিক্ষার বিকল্প নেই। কারণ ধর্ম মানুষকে তার সৃষ্টিকর্তার সঙ্গে পরিচয় করে দেয়।
তাঁর আদেশ-নিষেধ ও পছন্দ-অপছন্দ জানিয়ে দেয়। উত্তম চরিত্র ও নৈতিকতা শেখায়। গর্হিত স্বভাব ও কাজ থেকে বিরত থাকতে উৎসাহিত করে। এভাবেই ধর্মীয় শিক্ষা একটি শিশুকে একজন নীতিমান মানুষে পরিণত করে। এ কারণেই ইসলামে শিশুদের ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়ার প্রতি অত্যন্ত জোর দেওয়া হয়েছে।
রাসুল (সা.) বলেন, তোমরা সন্তানদের (শিশুদের) স্নেহ করো, তাদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করো এবং তাদের সদাচরণ ও শিষ্টাচার শেখাও।

(তিরমিজি) অন্য হাদিসে বলেন, বাবার পক্ষ থেকে সন্তানের প্রতি সর্বোত্তম উপহার হলো উত্তম শিক্ষা। (তিরমিজি) আরেক হাদিসে বলেন, তোমরা তোমাদের শিশুদের তিনটি স্বভাবের ওপর প্রতিষ্ঠিত করে তোলো তোমাদের নবীর প্রতি ভালোবাসা, নবীর পরিবারের প্রতি ভালোবাসা এবং কোরআন অধ্যয়ন। কেননা, কোরআনের ধারকেরাই সেদিন (কেয়ামতের দিন) নবী ও সজ্জনদের সঙ্গে আরশের ছায়ায় অবস্থান করবে, যেদিন আরশের ছায়া ছাড়া আর কোনো ছায়া থাকবে না। (তাবরানি) অন্য হাদিসে বলেন, নৈতিক শিক্ষা মা-বাবার ওপর শিশুর অধিকার। (বায়হাকি) খলিফা ওমর (রা.) বলেন, আল্লাহর কিতাব (কোরআন) শেখানো মা-বাবার ওপর সন্তানের অধিকার। (তারবিয়াতুল আওলাদ)

শিশুর ধর্মীয় শিক্ষার বিষয়টিকে ইসলাম বেশ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেছে। তাই মুসলমান হিসেবে অবশ্যই আমাদের সন্তানদের ইসলামের মৌলিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলা অর্থাৎ ইমান-আকিদা, আদব-আখলাক, বিশুদ্ধ কোরআন তিলাওয়াত এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দোয়া ও মাসায়েল শেখানো অভিভাবকদের জন্য ফরজ।

আমাদের শিশুরা ভবিষ্যতে চিকিৎসক, বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী, রাজনীতিবিদ, সরকারি কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী যা-ই হোক না কেন, একজন প্রকৃত মুসলমান হিসেবে তারা সব সময় সত্য ও সততার ওপর অবিচল থাকবে এবং দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করবে।
cp

Photos from Leadership School and College's post 24/08/2023

🌹Handwriting Activity 🌹
লিডারশিপ স্কুল এন্ড কলেজ
লোহাগাড়া চট্টগ্রাম।

23/08/2023

🌹Congratulations 🌹
১ম সামষ্টিক মূল্যায়নে
❤️ Best Achievement Award ❤️
অর্জন করেছে প্রিয় লিডারিয়ানরা।
লিডারশিপ স্কুল এন্ড কলেজ
লোহাগাড়া, চট্টগ্রাম।

22/08/2023

🌹ভালো বাবা-মা হতে চাইলে করনীয়🌹

সন্তান কোনো কারণে যদি কাঙ্ক্ষিত রেজাল্ট অর্জন করতে না পারে, তবে সবচেয়ে বেশি হতাশ অভিভাবকরাই হন। সন্তানের সঙ্গে বিরূপ আচরণ করেন তারা। কিন্তু তাদের এই বিরূপ আচরণ সন্তানের মনের উপর কী প্রভাব ফেলে সে ব্যাপারে অধিকাংশ অভিভাবকরাই অসচেতন। প্রায়ই দেখা যায় সন্তানদের আমরা অন্যদের সঙ্গে তুলনা করে থাকি। কে কেমন ফলাফল করলো, কে কী পারে আর আমার সন্তান কী পারে না তার তুলনা আমরা সন্তানদের সামনেই করি।

সন্তানকে কারো সঙ্গে তুলনা নয়
সন্তানদের যখন আমরা অন্যদের সঙ্গে বা তাদের সহপাঠী বা বন্ধুদের সঙ্গে তুলনা করি, তখন তাদের আত্মবিশ্বাস কমে যায়
সন্তানের মধ্যে এক ধরনের হিংসাবোধের জন্ম হয়। এই হিংসা ধীরে ধীরে তার অভ্যাসের অংশ হয়ে যায়। এবং জীবনের সব পর্যায়ে যে যখনই তার চেয়ে ভালো করবে তার সঙ্গেই বিরোধে জড়িয়ে পড়বে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে সারাজীবন সেই সম্পর্কের বিরোধ থাকতে পারে।

সন্তানের উপর এক ধরনের মানসিক চাপের সৃষ্টি হয়। যা কোনো কোনো সময় শারীরিক অসুস্থতারও কারণ হতে পারে। ফলে সন্তান তার সৃজনশীল গুণাবলী হারাতে পারে।

বাবা মায়ের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়। সন্তান তখন মনে করতে থাকে যে, তার বাবা মা তাকে ভালোবাসে না। তুলনা সহ্য করতে না পেরে অনেকেই বাবা মাকে ঘৃণা করতে শুরু করে এবং বাবা মায়ের সঙ্গে নিজের মনের ইচ্ছা প্রকাশ করতে না পারায় তাদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়। কখনো কখনো সন্তান ভুল পথেও পা বাড়ায়।

আমরা সবসময় একটি কথা বলে থাকি যে বাবা মা, সব সময় বাবা মা ই হয়। কিন্তু বিজ্ঞানসম্মত বিষয় হলো, বাবা মা কেমন তা তাদের সন্তানদের দৃষ্টিভঙ্গির উপর নির্ভর করে। সব বাবা মায়েরাই তার সন্তানের মঙ্গল চায়। চায় তারা যেন জীবনে সব সময় ভালো থাকে, সফল হয়। তবে সন্তান বড় হতে হতে বাবা মায়েদের মনে নানা রকম শঙ্কা আশঙ্কা বাসা বাঁধতে শুরু করে। তাদের সন্তান বিপথে যাচ্ছে না তো? নেশায় আসক্ত হচ্ছে না তো? সন্তানের বন্ধু বান্ধব ভালো তো? আর এই সব আশঙ্কা থেকেই নিজের অজান্তে বাবা মায়েরা সন্তানদের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করে ফেলেন। তাই সন্তানদের বড় হওয়ার সময়টাতে অভিভাবকদের সচেতনভাবে সন্তানদের সাথে আচরণ করতে হবে। যাকে বলে “গুড প্যারেন্টিং” বা যা কিনা সন্তান লালন পালনের আদর্শ কৌশল।

সন্তানের সঙ্গে কেমন আচরণ করবেন

সন্তানের ভালো কাজের প্রশংসা করুন, তার ছোটখাটো সাফল্যকেও উদযাপন করুন। জীবনে ব্যর্থতাকে যেন মেনে নিতে পারে এমনভাবে তার মানসিকতা তৈরি করুন। তার কোনো ব্যর্থতাকে বিদ্রূপ বা ব্যঙ্গ করবেন না। অপছন্দের কাজ করলে একটা পর্যায় পর্যন্ত সেটির প্রতি গুরুত্ব দেবেন না।

সন্তানকে কখনোই একই আদেশ বা নির্দেশ বারবার দেবেন না। তার পড়ার বই মুখস্থ করবেন না। স্কুলের বই–ব্যাগ তাকেই গোছাতে দিন। স্কুল থেকে সে যেন নিজের পড়া নিজেই তুলে নিয়ে আসে, তাতে উৎসাহ দিন। তার বই ব্যাগ গোছানো থেকে বিরত থাকুন, স্কুলের পড়া আপনি সংগ্রহ করবেন না।

সন্তানের সঙ্গে বিভিন্ন খেলা খেলুন। পরিবারের সবাই মিলে বেড়াতে যান। সামাজিক অনুষ্ঠানগুলোতে সন্তানকে নিয়ে যান।

সন্তানের কথাগুলো মন দিয়ে শুনুন। তার মতামতকে মূল্যায়ন করুন।

সন্তানকে গুণগত সময় দিন। যে সময়টুকুই তার সঙ্গে থাকছেন, সে সময়টুকু শুধু তাকেই দিন। সন্তানের ইলেকট্রনিক ডিভাইস বা মোবাইল ব্যবহার সীমিত করুন। তার সঙ্গে সময় কাটানোর সময় প্রয়োজনে আপনিও মোবাইল ফোন বা ট্যাব বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যবহার কমিয়ে দিন।

সন্তানের প্রতি আপনার ভালোবাসা প্রকাশ করুন। তাকে ভালোবাসছেন কিন্তু আপনার সন্তান সেটা অনুভব করতে পারছে না বা বুঝতে পারছে না, এমনটা যেন না হয়।
সন্তানের সামনে পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠ সদস্য বা তার শিক্ষকের সমালোচনা করবেন না। বাবা মা একে অপরকে ব্যঙ্গ বিদ্রূপ বা নিন্দা করবেন না, তর্কে জড়াবেন না, একে অপরকে বাজে কথা বলবেন না।

নজরদারি করবেন না, প্রয়োজনে তার সঙ্গে সরাসরি কথা বলুন।

তুমি কেন পারো না , বা তোমাকে এটা পারতেই হবে , এ ধরনের কথা কখনো সন্তানকে বলবেন না।
তার বন্ধুদের গুরুত্ব দিন। ভালো বন্ধুদের সঙ্গে মিশতে উৎসাহিত করুন। তবে পরিষ্কার ধারণা রাখুন তার বন্ধুদের সম্পর্কে।
তাকে নৈতিকতার শিক্ষা দিতে হলে বাবা মা নিজেরা মিথ্যা বলবেন না, আইন ও নিয়ম ভাঙবেন না (যেমন: সে বুঝতে পারে এমন কোনো মিথ্যা তার সামনে না বলা, লাইন ভেঙে লিফটের সামনে না যাওয়া)।
অন্য কারো সঙ্গে সন্তানের তুলনা করবেন না, তাকে অহেতুক সন্দেহ করবেন না, সন্তানের গায়ে হাত তুলবেন না।
সন্তানকে নিজের হাতে খেতে উৎসাহিত করুন। সে কম খায় এই অজুহাতে তাকে মুখে তুলে খাইয়ে দেবেন না।

বয়স অনুযায়ী তার শারীরিক পরিবর্তন আর নিরাপত্তা নিয়ে ধারণা দিন।

আপনার সন্তান আপনার সারা জীবনের স্বপ্ন এবং আরাধনার প্রাপ্তি। তার সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য নিজের আচরণে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনুন। সন্তানের আচরণে যদি কোনো পরিবর্তন বা অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করেন তবে মনোবিদ বা মনোরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। গুড প্যারেন্টিংয়ের জন্য সন্তান জন্মের পরপরই মানসিকভাবে নিজেকে প্রস্তুত করতে হবে। একটা কথা মনে রাখতে হবে, সময় পাল্টাচ্ছে, পাল্টে গেছে অনেক কিছুই। তাই আপনি আমি কেমন করে বড় হয়েছি সেই ভাবে, সেই বিবেচনায় আপনার সন্তানকে বড় করবেন এই ভাবনা করাটাই বোকামি। একটু সচেতন আর আর কৌশলী হলে আপনিও আপনার সন্তানের কাছে হয়ে উঠবেন একজন আদর্শ বাবা মা।
cp

20/08/2023

🌹পড়াশোনায় মনোযোগী করতে বাবা-মায়ের কর্তব্য

নিজ সন্তান পড়াশোনায় অমনোযোগী হলে তা নিয়ে কার না মন খারাপ হয়? কিন্তু মন খারাপে তো আর সমস্যা দূর হবে না। বর্তমান তথ্য-প্রযুক্তির যুগে বাচ্চারা মোবাইল, ল্যাপটপ গেইমস ইত্যাদি নিয়েই বেশি ব্যস্ত থাকতে পছন্দ করে। গেইমের একেকটা লেভেল পার হওয়ার তুলনায় তাদের কাছে বই পড়া, মুখস্ত করা ইত্যাদি একেবারেই পানশে লাগে।
অন্যদিকে, মন পড়ে থাকলে পড়ায় মনোযোগ ধরে রাখা যায় না। তাছাড়া একটানা বসে পড়তেও ভালো লাগে না ঘণ্টার পর ঘণ্টা। তবে বাবা-মা হিসেবে আমরা সন্তানদের পড়ায় মনোযোগী করে তুলতে কিছু সাহায্য করতে পারি। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক কীভাবে

তাদের পড়ায় আরো মনোযোগী করে তোলা যায়:
# আনন্দময় করে: শিশুরা আনন্দ চায়। পড়াশোনাও যদি আনন্দময় হয়ে ওঠে তবে তা করতে আগ্রহী হবে আপনার সন্তান। এ কাজটি করার সময় আপনার আচরণই আসল ভূমিকা পালন করে। লেখাপড়া মজাদারভাবে উপস্থাপন করুন। শিশুটি মজা করার আদলে পড়ার কাজটি সারবে।

# সঠিক উপায় বেছে নিন: বেশিরভাগ সময় বাচ্চারা মনে করে, লেখাপড়া অন্যান্য ব্যস্ত কাজের মতোই একটি কষ্টকর কাজ। তারা তো বুঝবে না যে, তাদের বড় হয়ে বড় কিছু হতে হলে পড়তে হবে। তাই আপনি যদি শিক্ষা অর্জনের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে লেকচার শুরু করেন, তবে তারা একে আরো বিরক্তিকর মনে করবে। তাদের জিজ্ঞাসা করুন, তাদের কী করতে ভালো লাগে? সেই ভালো লাগার সঙ্গে লেখাপড়াকে যোগ করে বোঝানোর চেষ্টা করুন। একটু বুদ্ধি খাটিয়ে বোঝালেই শিশুরা বোঝে।

# পুরস্কার: পড়ার জন্য ছোটদের পুরস্কৃত করুন। ঠিক মতো পড়লে দুটো চকলেট কি মন্দ হয়? অথবা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত পড়লে ৫ মিনিট খেলার সুযোগ। আর এসবের লোভে ঝটপট পড়ার কাজটা সেরে নেবে বাচ্চারা।

# টাইম ঠিক করে নিন: প্রতিদিনের নির্দিষ্ট কাজের জন্য নির্দিষ্ট সময় ঠিক করে নিন। বিশেষজ্ঞরা বলেন, প্রতি রাতে হোম ওয়ার্কের জন্য ৪৫ মিনিট যথেষ্ট সময়। শিশুকেও বলুন যে, তার পড়ার কাজটি অসীম সময় পর্যন্ত নয়। ঘড়িতে অ্যালার্ম দিয়ে বলুন, এটা বেজে ওঠার আগ পর্যন্ত তাদের পড়তে হবে, তার বেশি নয়।

# প্রশংসা করুন: ছোট বা বড় যে কাজই করুক না কেনো, শিশুটিকে উৎসাহ দিন। শিশুরা প্রশংসা বা উৎসাহ পেতে দারুণ ভালোবাসে। কাজেই পড়াশোনার কারণে যদি এই প্রশংসা পাওয়া যায়, তবে তা করতে পিছপা হয় না তারা।

# নিজেও পড়ুন: শিশুদের পড়াতে গেলে দেখা যায়, তাদের পড়ে পড়ে পড়ানো হচ্ছে। তা না করে, নিজে বরং অন্যকিছু পড়ুন। আপনার পড়া দেখে শিশুটিও তার পড়া পড়তে উৎসাহ বোধ করবে। আর তার নিজের পড়াটা নিজের করাই উত্তম।

সন্তান আল্লাহ্‌ পাকের পক্ষ থেকে এক বিশেষ নেয়ামাত, এই নেয়ামতের যথাযথ পরিচর্যা করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।
cp

Photos from Leadership School and College's post 19/08/2023

🌹শিশু শিক্ষার্থীরা ড্রয়িং করতে খুব পছন্দ করে
তাই তারা গভীর মনযোগ দিয়ে ড্রয়িং করছে।🌹
নার্সারি শ্রেণির প্রিয় লিডারিয়ানরা। ❤️

19/08/2023

🌹আর্ট ক্লাবে ড্রয়িং করেছে
১ম শ্রেণির লিডারিয়ানরা 🌹
লিডারশিপ স্কুল এন্ড কলেজ
লোহাগাড়া, চট্টগ্রাম।

18/08/2023

🌹শিশুর খাবারে অরুচির কারণ ও প্রতিকার🌹

শিশুর খাবারে অরুচি খুবই পরিচিত স্বাস্থ্য সমস্যা। বাবা-মা থেকে শুরু করে পরিবারের সবাই শিশুর রুচি নিয়ে চিন্তিত থাকেন। প্রায় সব বাবা-মায়েরই অভিযোগ, শিশু ঠিকমতো খেতে চায় না। শিশুর রুচি কমে যাওয়ার পেছনে বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। শিশুর স্বাভাবিক শারীরিক বৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য পর্যাপ্ত পুষ্টির প্রয়োজন। আর এ জন্য শিশুর রুচির বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

বাবা-মায়ের ভূমিকা : শিশুকে খাওয়ানোর ব্যাপারে বাবা-মায়ের ভূমিকা খুব গুরুত্বপূর্ণ। খাওয়ানোর সময় শিশুর সঙ্গে সংবেদনশীল আচরণ করতে হবে। খাবারকে শিশুর কাছে আকর্ষণীয় করে উপস্থাপন করতে হবে। শিশুর খিদে না থাকলেও তাকে জোর করে খাওয়ানোর চেষ্টা করা অনুচিত এতে রুচি কমে যায়। গবেষণায় দেখা গেছে, জোর করার কারণে খাবারের প্রতি শিশুর মনে ভয় ও অনীহা জন্ম নেয়। তাই জোর না করে নিয়মমতো খাওয়ার ব্যাপারে অভ্যস্ত করে তুলতে হবে।

শিশুকে সময় কম দেওয়া : শিশুর প্রতি বাবা-মায়ের মনোযোগ কমে গেলেও সে খাওয়া কমিয়ে দিতে পারে। ব্যস্ততার কারণে অনেকে হয়তো শিশুকে ঠিকমতো সময় দিতে পারেন না। শিশুর যত-পরিচর্যা কম হয়। এতে করে বাচ্চার রুচি কমে যায়, শিশুর বিকাশে বিরূপ প্রভাব ফেলে।

মানসিক চাপ : শিশুর যদি রুচি কমে যায়, ঘুম কম হয় এবং সব সময় তাকে বিরক্ত মনে হয়, তবে বুঝতে হবে কোনো কারণে শিশুটি মানসিক চাপে ভুগছে। মানসিক চাপ শিশুর রুচি কমে যাওয়ার অন্যতম কারণ। এ সময় শিশুকে পর্যাপ্ত সময় দিতে হবে। মানসিক চাপ কমিয়ে তাকে হাসিখুশি রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। সাধারণত শিশুরা ভয় পেলে, একাকী থাকলে কিংবা বাবা-মায়ের কাছ থেকে কম সময় পেলে মানসিক চাপে ভোগে।

শারীরিক অসুস্থতা : শারীরিক অসুস্থতার কারণে শিশুর খাওয়ার রুচি কমে যায়। সাধারণত জ্বর, গলা ব্যথা, শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ, কিংবা ডায়রিয়া হলে শিশুর খাবারের পরিমাণ কমে যায়। সাধারণত সুস্থ হয়ে উঠলেই বেশিরভাগ শিশুর রুচি ঠিক হয়ে যায়। শিশুর শারীরিক অসুস্থতার সময় খাবারের বিষয়ে সতর্ক হতে হবে। এ সময় শিশুকে অল্প-অল্প করে বারবার খাওয়াতে হবে। পাশাপাশি দ্রুত সুস্থতার জন্য ডাক্তারের পরামর্শ মতো চিকিৎসা গ্রহণ করতে হবে।

কৃমির সংক্রমণ : কৃমির সংক্রমণ শিশুদের শরীরে বিরূপ প্রভাব ফেলে। কৃমি শিশুর পরিপাকতন্ত্রে প্রবেশ করে সেখানে পরজীবী হিসেবে অবস্থান করে। এর ফলে শিশুর নানাবিধ রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়ে। রুচিও কমে যায়। কৃমির সংক্রমণ হলে শিশুকে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী
কৃমির ওষুধ খাওয়াতে হবে।

রক্তশূন্যতা : রক্তশূন্যতা রুচি কমে যাওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ। রক্তশূন্যতায় ভোগা শিশুরা অন্য শিশুদের তুলনায় দুর্বল ও ক্লান্ত থাকে। এরা বেশিরভাগ সময়ই বিরক্ত থাকে এবং প্রায়ই কান্নাকাটি করে। সময়মতো রক্তশূন্যতার চিকিৎসা না করালে এসব শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়।

এসব কিছুর পাশাপাশি শিশু ঠিকমতো বেড়ে উঠছে কি না সেদিকেও নজর রাখতে হবে। যদি দেখা যায় যে, শিশু সমবয়সীদের মতোই বাড়ছে এবং তার ওজনও ঠিক আছে তাহলে বুঝতে হবে তার শরীরে পুষ্টির কোনো ঘাটতি নেই। অর্থাৎ আপনার শিশুর খাওয়া-দাওয়া স্বাভাবিক আছে।
cp

17/08/2023

🌹এই রোদ এই বৃষ্টি। ঘন কালো মেঘে ভরে ওঠে আকাশ। পরক্ষণেই বৃষ্টি হয়ে ঝরে পড়ে আর দেখা দেয় রোদ ঝলমলে দিন। প্রকৃতির এই পালাবদলে হঠাৎ করেই বাড়ে অসুস্থতা। বিশেষ করে শিশুদের নিয়ে বর্ষাজুড়েই থাকে নানা দুশ্চিন্তা। বৃষ্টিতে ভিজে যেমন ঠান্ডা, সর্দি জ্বর আসে তেমনি হঠাৎ গরমের ঘাম থেকেও হতে পারে মৌসুমি রোগবালাই।

অতিরিক্ত বৃষ্টিতে পানি দূষিত হওয়ার পাশাপাশি ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসের প্রকোপ দেখা দেয়। বৃষ্টিতে ভিজে অনেক শিশুই আক্রান্ত হয় ঠাণ্ডা, জ্বর, গলা ব্যথায়। তাছাড়া যে সব শিশুর অ্যাজমার প্রবণতা থাকে তাদের এই মৌসুমে শ্বাসকষ্ট কাশি বেড়ে যায়। জীবানুমুক্ত রাখতে তাই শিশুকে পরিষ্কার পরিছন্ন রাখুন। বৃষ্টিতে ভিজে গেলে সাথে সাথে মাথা শরীর মুছে ভেজা জামা বদলে ফেলুন। শিশুর জামাকাপড় জীবাণুমুক্ত করার জন্যে স্যাভলন কিংবা ডেটল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

বাড়ির বাইরের মতই বাড়ির ভিতরও জীবাণু আক্রান্ত হতে পারে। কেননা স্যাঁতস্যাঁতে জায়গা থাকলেই জীবানু হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই পরিষ্কার পরিছন্ন রাখতে হবে বাড়িটাকেও। শিশুর হাঁচি কাশি শুরু হলেই ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী অ্যান্টি-হিস্টামিন জাতীয় ওষুধ দিন। এতে শিশুর হাঁচি কাশি প্রকোপ আকার ধারণ করতে বাঁধা দিবে।

বর্ষা মৌসুমে শিশুকে সুস্থ রাখতে তার খাওয়া-দাওয়ার প্রতি হতে হবে সচেতন। শরীরে পানি ঘাটতি যেন না হয় তার দিকে খেয়াল রাখতে হবে। পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করাতে হবে শিশুকে। যে পানি পান করাবেন তা সময় নিয়ে ভাল ভাবে ফুটিয়ে নিতে হবে।
cp

16/08/2023

🌹বাড়ন্ত শিশুর স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস🌹

স্কুলগামী বা বাড়ন্ত বয়সের একটি শিশুর মানসিক ও শারীরিক বৃদ্ধি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই সময় থেকেই চেষ্টা করতে হবে তাকে একটি স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসে অভ্যস্ত করানোর। ছোটবেলা থেকেই শিশুকে সুষম খাদ্যাভ্যাসে অভ্যস্ত করতে পারলে তার শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টি চাহিদা পূরণ হবে।

চলুন জেনে নিই স্কুলগামী শিশুর স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস তৈরির কিছু প্রয়োজনীয় টিপস-

● ব্যস্ততার কারণে অনেক মা সন্তানকে প্রক্রিয়াজাত খাবার বা ফ্রোজেন ফুড দিয়ে থাকেন। শিশুকে প্রক্রিয়াজাত খাবার না দিয়ে বাসায় তৈরি খাবারে অভ্যস্ত করুন। শিশুর প্রতিদিনের খাদ্যতালিকা থেকে অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার বাদ দিন।

● আপনার শিশুর লাঞ্চবক্স বা টিফিনে ব্যালেন্সড ফুড রাখার চেষ্টা করুন। শিশুর দুপুরের খাবারে সবজি, খাদ্যশস্য এবং প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার রাখুন।

● শিশুর প্রধান পানীয় হিসেবে তাকে পানি খেতে উৎসাহিত করুন। সারাদিনে যেন আপনার শিশু পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করে সেটি নিশ্চিত করুন। তাকে ঘরে তৈরি ফলের শরবত দিতে পারেন। তবে বাজারের প্রক্রিয়াজাত জুস বা কোমল পানীয় পান করতে নিরুৎসাহিত করুন।

● শিশুকে প্রতিদিন একটি সুষম খাবার দিতে চেষ্টা করুন। যেমন একটি প্লেটকে যদি আমরা ৪ ভাগে ভাগ করি, তার অর্ধেক ফল ও সবজি, এক-চতুর্থাংশ শস্য এবং প্রোটিন দিয়ে বাকি এক চতুর্থাংশ পূরণ করুন।

● শিশুকে প্রতিদিন অন্তত এক ঘণ্টা শারীরিক পরিশ্রম করতে দিন। তাকে মাঠে বা পার্কে নিয়ে খেলাধুলা করতে দিন বা দৌড়াদৌড়ি করতে দিন। শারীরিক পরিশ্রম করার ফলে তার ক্ষুধা লাগার প্রবণতা বৃদ্ধি পাবে এবং খাওয়ার প্রতি সে আগ্রহী হবে।

● রান্না করার সময় আপনার সন্তানকে আপনার রান্নার কাজে সাহায্য করতে উৎসাহিত করতে পারেন। সন্তানের বয়সের উপযুক্ত যেকোনো কাজে সাহায্য করতে তাকে উৎসাহিত করুন।

● অনেক মায়েরাই সন্তানের ওজন বৃদ্ধি নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েন এবং তাকে ওজন কমানোর ডায়েটে অভ্যস্ত করেন। আপনার ছোট্ট সোনামণিকে ওজন কমানোর ডায়েটে অভ্যস্ত না করে তাকে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনে উৎসাহিত করুন।

● আপনার সন্তানের খাদ্যতালিকায় পর্যাপ্ত প্রোটিন, আয়রন এবং ভিটামিন বি টুয়েলভ নিশ্চিত করুন।

● আপনার সন্তানকে কখনোই খাবার খেতে খুব বেশি জোরাজুরি না করে তার পছন্দ বুঝুন এবং সে অনুযায়ী তাকে খাবার দিতে চেষ্টা করুন। খাওয়ার সময়টা যেন তার কাছে আনন্দদায়ক হয় সে পরিবেশ নিশ্চিত করুন।
cp

Photos from Leadership School and College's post 15/08/2023

🖤 জাতীয় শোক দিবস-২০২৩ 🖤
চিত্রাঙ্কন করেছে প্রিয় লিডারিয়ানরা
লিডারশিপ স্কুল এন্ড কলেজ
লোহাগাড়া। চট্টগ্রাম।

14/08/2023

🌹শিশুদের স্মৃতিশক্তি বাড়াতে নিয়মিত কী কী খাওয়াবেন?🌹

১. একদম ছোট বয়স থেকেই শিশুদের পুষ্টিকর খাবার খাওয়ানো দরকার। কারণ এটি যেমন তাদের শরীরের পুষ্টির জন্য প্রয়োজন, তেমনই মানসিক বিকাশের জন্যও দরকারি। খাবারে পুষ্টিগুণের অভাব হলে শিশুর মস্তিষ্কের সঠিক বিকাশ বা স্মৃতিশক্তির পুরোপুরি বিকাশ নাও হতে পারে।

২. ৩ থেকে ৫ বছর বয়সি শিশুদের খাবারে সবচেয়ে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। তাহলেই তাদের শরীর, মন এবং স্মৃতিশক্তির সঠিক বিকাশ হয়। শিশুদের পড়াশোনা এবং ভবিষ্যৎ জীবনে উন্নতির জন্য স্মৃতিশক্তি অত্যন্ত দরকারি। তাই ছোট থেকেই ওদের খাবারের বিষয়ে সচেতন হন। শিশুদের স্মৃতিশক্তি বাড়াতে কী কী খাওয়াবেন? জেনে নিন।

৩. মাছ এবং ডিম: মানুষের মস্তিষ্ক গঠনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হল ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড। শরীরে এটির অভাব হলে মস্তিষ্কের বিকাশে অসুবিধা হতে পারে। তাছাড়া স্মৃতিশক্তিও দুর্বল হতে পারে এর ফলে। তাই আমিষ খাবারের ক্ষেত্রে আপত্তি না থাকলে শিশুদের ছোট থেকেই মাছ এবং ডিম খাওয়ান। এর ওমেগা-৩ স্মৃতিশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করবে।

৪. যাঁদের আমিষ খাওযার ক্ষেত্রে সমস্যা আছে, তাঁরা তো বটেই, তার পাশাপাশি মাছ বা ডিম খেলেও শিশুদের খাওয়ান বিভিন্ন ধরনের বাদাম এবং বীজ। এতেও প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ থাকে। এগুলি মস্তিষ্কের বিকাশ বিকাশ এবং স্মৃতিশক্তি জোরদার করতে সাহায্য করবে।

৫. নানা ধরনের সবুজ শাকসবজি ওদের খাওয়াতেই হবে। এতে যেমন একই সঙ্গে বহু ধরনের ভিটামিন থাকে, তেমনই থাকে beta-carotene এবং folate। এগুলি মস্তিষ্কের গঠনে সাহায্য করে। এর ফলে স্মৃতিশক্তি বাড়ে। পড়াশোনার ক্ষেত্রেও উন্নতি হয় এর ফলে।

৬. বিভিন্ন ধরনের বেরি জাতীয় ফল অবশ্যই খাওয়ান শিশুদের। এগুলি ভিটামিন C-এ ঠাসা। এছাড়াও এতে আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, ফসফরাস, জিঙ্কের মতো উপাদান রয়েছে। এর সবগুলিই মস্কিষ্কের বিকাশ এবং স্মৃতিশক্তির জন্য ভালো। তাই একদম ছোট থেকেই শিশুদের এই সব ফল খাওয়াতে শুরু করুন।

৭. ওটস: এতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার আছে। খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমাতে এটি সাহায্য করে। পেটের নানা সমস্যা দূর করে। শরীরের জন্য উপকারী ব্যাকটিরিয়ার পরিমাণ বাড়াতে পারে ওটস। তাই শিশুদের নিয়মিত ওটস খাওয়ান। প্রত্যক্ষভাবে না হলেও পরোক্ষভাবে এটি মস্তিষ্কের বিকাশে সাহায্য করবে।

12/08/2023

🌹নোটিশ ❤️
লিডারশিপ স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, অতিবৃষ্টি ও বন্যা পরবর্তী আগামীকাল রবিবার থেকে (১৩/০৮/২৩) শ্রেণি পাঠদান ও অফিস কার্যক্রম যথারীতি চলবে।

শিক্ষার্থীবৃন্দ স্কুল নির্ধারিত ইউনিফর্ম পরিধান করে যথাসময়ে স্কুলে উপস্থিত হওয়ার অনুরোধ রইল।
অধ্যক্ষ
লিডারশিপ স্কুল এন্ড কলেজ
লোহাগাড়া, চট্টগ্রাম।

11/08/2023

আগামী রবিবার থেকে (১৩/০৮/২৩) স্কুল খোলা থাকবে।

10/08/2023

🌹শিশুর জ্বরে করনীয়🌹

মৌসুমি জ্বর নানা ধরনের ভাইরাসের কারণে হতে পারে। যেমন করোনাভাইরাস, ডেঙ্গু, রাইনো ভাইরাস, ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস, রেসপিরেটরি সিনসাইটিয়াল ভাইরাস ইত্যাদি। সব ভাইরাস জ্বরের লক্ষণ এক নয়।
ভাইরাস জ্বরে শিশুদের সাধারণত সর্দি কাশি, গলা, মাথা ও শরীর ব্যথা হয়। অনেক সময় পাতলা পায়খানা ও বমি হতে পারে। ডেঙ্গু জ্বরে ১০১ থেকে ১০৫ ডিগ্রি তাপমাত্রা থাকতে পারে। সঙ্গে প্রচণ্ড মাথাব্যথা, বিশেষ করে মাথার পেছনে ও চোখের কোটরে প্রচণ্ড ব্যথা। মেরুদণ্ডেও প্রচণ্ড ব্যথা করে। জ্বর একটানা থাকতে পারে, আবার ঘাম দিয়ে জ্বর ছাড়ার পর আবার জ্বর আসতে পারে। চার দিন পর হঠাৎ করে ছেড়ে দিতে পারে জ্বর।

কখন জটিলতা
• জ্বর ছেড়ে দেওয়ার পর ৪৮ থেকে ৯৬ ঘণ্টা ক্রিটিক্যাল পিরিয়ড বা খারাপ সময় শিশুর জন্য। এই জ্বরবিহীন সময়ে শরীরে লাল র‍্যাশ উঠতে পারে, চুলকানি হতে পারে, যা অবশ্য তিন দিনের বেশি থাকে না।
• ডেঙ্গুতে হঠাৎ করে রক্তচাপ কমে গিয়ে জটিল (ক্রিটিক্যাল) পর্যায়ে চলে যেতে পারে। তখন ক্রিটিক্যাল কেয়ার সাপোর্ট প্রয়োজন হয়।
• সাধারণ সর্দি জ্বর শিশুদের তেমন কোনো ঝুঁকির মধ্যে ফেলে না। তবে কখনো কখনো নিউমোনিয়ার মতো জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে।

কখন হাসপাতালে যাবেন
• জ্বর যদি তিন দিনের বেশি স্থায়ী হয় এবং এর তীব্রতা বাড়তে থাকে।
• প্রচণ্ড কাশি ও কাশির সঙ্গে যদি বুক দেবে যায়, শ্বাসের গতি স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হয়। যেমন দুই মাসের কম বয়সী শিশুর শ্বাসের গতি মিনিটে ৬০ বা তার বেশি; দুই মাস থেকে এক বছরের কম বয়সী শিশুদের ৫০ বা তার বেশি এবং এক থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত ৪০ অথবা তার বেশি হলে দেরি না করে বাচ্চাকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে।

সাধারণ সর্দি জ্বরে করণীয়
• সাধারণ সর্দি জ্বর হলে শিশুকে বিশ্রামে রাখতে হবে।
• প্যারাসিটামল, অ্যান্টিহিস্টামিন জাতীয় ওষুধ চিকিৎসকের পরামর্শমতো খাওয়াতে হবে।
• কুসুম গরম পানি দিয়ে গা মুছে দিতে হবে।
• প্রচুর তরল ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়াতে হবে, সঙ্গে বুকের দুধও।
• কাশির জন্য কুসুম গরম লেবুর শরবত ও বড় বাচ্চা হলে মধু দিয়ে লেবু চা দিতে হবে।

মনে রাখতে হবে
• শিশুদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য দরকার ব্যায়াম, খেলাধুলা। সঙ্গে পুষ্টিকর খাবার ও প্রচুর পরিমাণে পানি।
• এখন যেহেতু ডেঙ্গুর সময়, সে জন্য জ্বর হলে অবহেলা করা উচিত নয়। দেরি না করে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।
cp

07/08/2023

🖤নোটিশ 🖤
সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে , অতিবৃষ্টি ও বন্যার কারণে ০৮/০৮/২০২৩ রোজ মঙ্গলবার স্কুল ও অফিস কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

07/08/2023

🖤নোটিশ 🖤
সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে , অতিবৃষ্টি ও বন্যার কারণে ০৭/০৮/২০২৩ রোজ সোমবার স্কুল ও অফিস কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

05/08/2023

❤️Congratulations❤️
🌹 ৪১ তম বিসিএসে পররাষ্ট্র ক্যাডারে ১ম হওয়া আমাদের লোহাগাড়া উপজেলার পুটিবিলা ইউনিয়নের সন্তান সাজ্জাদ হোসেনের নিজের লেখা বাস্তব গল্প. 🌹

::শূন্য থেকে শিখর::
সাজ্জাদ হোসাইন হৃদয়

আমার পড়াশোনার হাতেখড়ি মায়ের হাতেই। কোন ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাওয়ার পূর্বেই আমি বর্ণমালা, ছড়া, বিভিন্ন সুরা, দোয়া এসব শিখে ফেলি। আমাকে শিক্ষিত করে তোলার নিমিত্তে আমার মায়ের যুদ্ধের কেবল শুরু। তারপর সময়ের পরিক্রমায় আমি গ্রাম ছেড়ে শহরে এসে থিতু হই। প্রতিবার আমাকে শহরের বাসে তুলে বাসের হেল্পারকে হাতে পায়ে ধরে আমার মায়ের সে কি কান্না!, তার আদরের সন্তানকে যেন ঠিক জায়গায় সে নামিয়ে দেয়।

বাস ছেড়ে যাওয়া অব্দি মা দাঁড়িয়ে থাকতেন, আর দুইহাতে চোখের পানি মুছতেন। সেই ত্যাগের মধ্যে নিশ্চয়ই দোয়া ছিলো, স্বপ্ন ছিলো - ছেলে একদিন বড় হবে, মানুষের মতো মানুষ হবে।

হ্যাঁ, এটাই আমার কাছে মায়ের একমাত্র চাওয়া ছিলো। যেন আমি ভালো মানুষ হই। হিংসা নয়, বিনয়ই আমার ভাষা হয় যেন। সবসময় বলতেন, 'অনেক টাকা পয়সার দরকার নেই, সঠিক পথে থেকে সহজ সুন্দর জীবন যাপন করতে পারলেই হবে '।আজ আল্লাহ আমাকে মায়ের সেই আদেশ পালনে আরেক ধাপ এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ দিলেন।

অনেক কথা মনে পড়ছে আজ, অনেকের কথা মনে পড়ছে আজ। ছোটবেলার এহেসান স্যার, শাহজাহান স্যার, রাসেল স্যার, লিটন স্যার, নার্গিস ম্যাডাম, শেলী ম্যাডাম, সুইটি ম্যাডাম, মাদ্রাসার বড় হুজুরের কথা খুব মনে পড়ছে। কলেজিয়েটের আবসার স্যার, বোরহান স্যার, সুশান্ত স্যারের কথা মনে আসছে যারা বিভিন্ন সময়ে আমাকে কম বেতনে প্রাইভেট পড়াতে হাসিমুখে রাজি হয়েছিলেন। স্কুলের মসজিদের মুয়াজ্জিন হুজুরের কথা মনে পড়ছে যিনি আমার অভিভাবকের মতো ছিলেন। হোস্টেলের তাজু ভাইয়ের কথা মনে পড়ছে যিনি সকাল দুপুর রাতে আমাকে রান্না করে খাইয়েছেন। এই মানুষগুলো আমাকে বিভিন্নভাবে তৈরী করেছেন আজকের আমি'র জন্যে।

মনে পড়ছে আমার শ্রদ্ধেয় খালেক ভাইয়া, প্রিয় আঙ্কেল আর ছোট আব্বুর কথা যারা আমাকে শহরে আনা নেয়া করেছেন অনেক বছর। হোস্টেলের সময়, স্কুলের বড় মাঠ, আপনভোলা মেস, মনে পড়ছে সবকিছুর কথা। জীবনে চলার পথে এই মানুষ, ঘটনাগুলো হতে যে শিক্ষা লাভ করেছি, যে অভিজ্ঞতাপ্রাপ্ত হয়েছি তা আমাকে আরো শাণিত করেছে।

আজ আমার বলতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা নেই আমার আজকের এই অর্জন আমার পরিবারের জন্যেই সম্ভব হয়েছে। আমার বাবাকে অল্প বয়সে হারালেও আমি জানি বাবার দোয়া সবসময় আমার মাথার উপর ছায়া হয়ে ছিলো। আমার এমন কোন অভাব নেই যা আমার ভাই দূর করেননি, না চাইতেই সব পেয়েছি আমি উনার কাছে। মা ছিলো বলে আমার কখনো দোয়ার কমতি হয়নি। মমতাময়ী মা সারাক্ষণ আমার জন্যে জায়নামাজে কান্না করে গেছেন। পেয়েছি বোনের অপরিসীম স্নেহ, আদর। ভাবীর কাছে পেয়েছি ছোট ভাইয়ের মতো ব্যবহার। স্ত্রীর কাছে পেয়েছি অকৃত্রিম ভালোবাসা ও সাহস। আমি পরীক্ষা দিতে গেলে এই মানুষগুলো রোজা রাখতো, নামাজে বসে সেজদায় আল্লাহর কাছে আমার সুস্থতা ভিক্ষে করতো। বিয়ের পর পাওয়া দ্বিতীয় পরিবারে আমার গুরুজনেরাও সবসময় আমার জন্যে আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ জানিয়েছেন। আজ আমি ব্যর্থ হলে এই মানুষগুলোর দুঃখ হতো, মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ তা চান নি।

দোয়া মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারে। আর এই দোয়ার কোন কমতি আমার ছিলো না। আমি যখন যেখানে গিয়েছি, থেকেছি, সেখান থেকেই দোয়ার ভান্ডার নিয়ে এসেছি। জেনেশুনে কোনদিন কাউকে কষ্ট দিতে চাইনি, চেষ্টা করেছি বড় ভাই, ছোট ভাই, বন্ধু, মেসের খালা, রিক্সাওয়ালা সবার সাথে সুন্দর ব্যবহার করতে। বিনিময়ে আমার পাওনা হলো কাড়ি কাড়ি দোয়া। আজ এই দোয়াই আমাকে পৌঁছে দিলো আমার স্বপ্নের দ্বারপ্রান্তে।

আমার জীবনের গল্প আল্লাহ অশেষ রহমতের সাথে লিখেছেন। নাহলে এভাবে সব মিলে যাবে কেন! আগস্টেই আমার বিয়ে, আগস্টেই আমার প্রথম চাকরি পাওয়া, আর আজ আগস্টেই আমার বিসিএস স্বপ্ন পূরণ। তাও আবার জীবনের প্রথম বিসিএসে বসেই পররাষ্ট্র ক্যাডারে প্রথম হওয়ার মতো অকল্পনীয় ফলাফল। আল্লাহর রহমত আর মানুষের দোয়া আমাকে শূন্য থেকে শিখরে নিয়ে আসলো। এর জন্যে শুকরিয়া জানানোর ভাষা আমার জানা নেই।

আজ আমার অর্জনের মাধ্যমে জয়ী হলেন আমার মা, আমার ভাই। জীবনের বেশিরভাগ সময় কোন সাধ আহলাদ পূরণ করতে না পারা আমার মায়ের জন্যে এটাই আমার সর্বোচ্চ উপহার। 'ভাইকে এতো পড়িয়ে লাভ নেই'- মানুষের মুখে এমন কথা শুনেও কানে না তোলা বড় ভাইটার জন্যে আমার পক্ষ থেকে এই উপহার। আজকের এই অর্জনের মাধ্যমে তাদের কষ্ট, ত্যাগ স্বীকারকেই মূলত আমি স্বীকৃতি দিলাম। আমার পরিবারকে সম্মানিত করতে পেরে, আমার বাবার নাম উজ্জ্বল করতে পেরে আজ আমি ধন্য।

এবার সময় দেশের জন্যে কিছু করার। মহান আল্লাহর দরবারে সেই তৌফিক এবং শক্তি আমাকে দেয়ার আর্জি রাখলাম।

সংগৃহীত

04/08/2023

🌹পৃথিবীর সব দেশের শিশুদের
কিছু বিশেষ অধিকার রয়েছে। 🌹

শিশু অধিকারগুলো হলো :
১. জন্ম নিবন্ধনের অধিকার
২. একটি নাম পাওয়ার অধিকার
৩. স্নেহ ও ভালবাসা পাওয়ার অধিকার
৪. পুষ্টি ও চিকিৎসা পাওয়ার অধিকার
৫. খেলাধূলা ও বিনোদনের অধিকার
৬. শিক্ষার অধিকার
৭. মেয়ে ও ছেলে শিশুর সমান সুযোগ লাভের অধিকার ইত্যাদি।

সুস্থ ও সুন্দরভাবে বেড়ে উঠার জন্য এসব অধিকার পূরণ হওয়া খুবই প্রয়োজন। পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলো শিশুদের এসব অধিকার পূরণ করা। আজকাল এর পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিও এখানে অবদান রেখে চলেছে।

আজকের শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যত-এ কথাটি বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে স্বীকৃত। অনেক সময় অন্যান্য অনেক প্রয়োজনীয় অপ্রয়োজনীয় বিষয়ের চাপে শিশুর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধিকার বিনোদনের ব্যাপারটি প্রায় উপেক্ষিত থাকছে। শহরজুড়ে শিশুদের পোশাক, খেলনার দোকান, পার্ক, স্কুল, খেলাধুলা শেখার কোচিং থাকলেও প্রকৃত বিনোদনের ব্যবস্থা নেই। শিশুর বিনোদনের সবচেয়ে বড় মাধ্যম হচ্ছে খেলাধূলা। আর আজকাল খেলার মাঠ বা বাড়ির সামনের উঠানের দেখা মেলাই তো কঠিন। গ্রামের প্রতিষ্ঠানগুলোতে মাঠ থাকলেও শহরে তেমন দেখা যায় না। আবার যেখানে মাঠ আছে সেখানেও অনেক ক্ষেত্রে খেলাধূলার সুযোগ থাকে না।
স্কুলের ছুটির ঘণ্টা বাজলেই তাদের দৌড়াতে হয় কোচিং বা প্রাইভেট টিউটরের কাছে। বইয়ের ভারে ক্লান্ত শিশুরা সন্ধ্যায় ঘরে ফেরে। এত কিছুর মাঝে খেলার সময় আর হয় না। তাই বিনোদনের জন্য শিশুদেরও খুঁজতে হচ্ছে অন্য কিছু।

আর এই অন্য কিছু গুলো ধিরে ধিরে তাদেরকেও রুপান্তর করে ফেলছে “অন্যকিছু” তে। আর সেই “অন্যকিছু” যে অন্য অনেক ভালো কিছু না তা বলাই বাহুল্য। এতে শিশুদের সুস্থ সংস্কৃতির সঙ্গে দূরত্ব তৈরির পাশাপাশি অপসংস্কৃতির আগ্রাসন বাড়ছে। ফলে শিশুদের মাঝে নৈতিক মূল্যবোধের ব্যাপক ঘাটতি তৈরি হচ্ছে এবং তাদের ভবিষ্যৎ হয়ে উঠছে অনিশ্চিত।

তাই, সুস্থ বিনোদন, তা খেলাধূলাই হোক বা অন্যান্য পরিচ্ছন্ন আনন্দের খোরাকই হোক না কেন শিশুবিকাশে তার কোন বিকল্প আগেও ছিলো না, এখনো নেই এবং কখনো থাকবেও না। আর এই কথাটি মনে রেখে আমরা অভিভাবকেরা যত দ্রুত সম্ভব সন্তানদের মন মননের কল্যাণে জরুরী ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করবো কল্যান আমাদেরকে ততটাই স্ব-স্বস্তি স্পর্শ করবে।

তাই আসুন পঙ্কিলতার অতলে হারিয়ে গিয়ে নব-আবিষ্কৃত যতসব যন্ত্রনির্গত নীল আলোর বিচ্চছুরণ থেকে আদরের সন্তানদের উজ্বল ভবিষ্যতকে সুরক্ষিত করতে বর্ণিল হই সেই রঙে

যেই রঙের কথা স্বয়ং আল্লহ রব্বুল আলামীন আমাদের বলেছেনঃ
صِبۡغَۃَ اللّٰهِ ۚ وَ مَنۡ اَحۡسَنُ مِنَ اللّٰهِ صِبۡغَۃً ۫ وَّ نَحۡنُ لَهٗ عٰبِدُوۡنَ ﴿۱۳۸﴾
আমরা আল্লাহরই রংয়ে রঞ্জিত, আল্লাহ অপেক্ষা কে শ্রেষ্ঠতম রঞ্জনকারী? এবং আমরা তাঁরই বান্দা।
cp

Photos from Leadership School and College's post 03/08/2023

🌹লিডারশিপ স্কুল মাঠে অনুশীলনরত
প্রিয় লিডারিয়ান ফুটবলার🌹

Photos from Leadership School and College's post 02/08/2023

🌹আর্ট ক্লাবে ড্রয়িং করেছে
কেজি শ্রেণির লিডারিয়ানরা 🌹

01/08/2023

🌹পড়ার অভ্যাস হলো জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। আর শিশুদের সফলতা অর্জন কিংবা মানসিক বিকাশে পড়ার অভ্যাস আরও গুরুত্বপূর্ণ। শিশুরা যত বেশি পড়বে, শব্দভাণ্ডার ততো সমৃদ্ধ হবে। পড়ার অভ্যাস শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশে সহায়তা করে। এছাড়া তাদের মনোযোগী হতে ব্যাপক ভূমিকা রাখে।

সাধারণত, পড়ার অভ্যাস গড়ে ওঠে পরিবার থেকে এবং এটি অল্প বয়স থেকে শুরু হতে পারে। তাই শিশুর মধ্যে যেন পড়ার অভ্যাস গড়ে ওঠে সেজন্য বাবা-মাকে সচেতন হতে হবে এবং বই পড়তে উৎসাহ যোগাতে হবে। এখানে কিছু টিপস তুলে ধরা হলো।

পড়ার নির্দিষ্ট স্থান
আগেই বলা হয়েছে পড়ার অভ্যাস পরিবার থেকেই শুরু হয়। তাই পরিবারে শিশুর পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলার সর্বোত্তম উপায়গুলোর একটি হলো পড়ার জন্য নির্দিষ্ট স্থান তৈরি করা। সেটি অনেক বড় জায়গা হতে হবে বা অনেক বইয়ের তাক থাকতে হবে এমন নয়। এটি কেবল ঘরের ছোট কোনো কোণ হতে পারে। যেখানে শিশু পছন্দ করবে এমন আকর্ষণীয় পড়ার উপকরণ রাখতে হবে। একটি আরামদায়ক চেয়ার, ছোট টেবিল দিয়ে ওর জন্য পরিবেশটা অনুকূল করতে হবে। যেন প্রিয় বই পড়ার সময়টাকে সে নিজের মতো করে উপভোগ করতে পারে।

শিশুর সামনে পড়ুন
শিশুরা বড়দের আচরণ পর্যবেক্ষণ করে এবং অনুসরণ করে। তাই যদি চান শিশুরা পড়ার প্রেমে পড়ুক, তাহলে তাদের সামনে বড়দেরও একই কাজ করতে হবে। সারা রাত টিভিতে প্রিয় সিরিজটি দেখে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় ব্যয় না করে শিশুর সামনে আবেগ দিয়ে বই পড়ুন। এজন্য ম্যাগাজিন, বই বা অন্য কিছু পড়বেন কিনা কিনা তা গুরুত্বপূর্ণ নয়। গুরুত্বপূর্ণ হলো শিশুর মধ্যে পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে তাদের সামনে বড়দেরও কিছু না কিছু পড়তে হবে। তাহলে সে বুঝবে পড়া একটি অপরিহার্য একটি বিষয় এবং মজার জিনিস।

শিশুকে বাছাই করতে দিন
শিশু কী পড়তে বা ওর আগ্রহ কিসে সেটা ওকে বেছে নিতে দিন। হতে পারে সে রূপকথার গল্প বা কল্পকাহিনীর বই ছাড়াও অন্যান্য বইয়ের প্রতি আগ্রহী। সে রহস্য, বিজ্ঞান-কথাসাহিত্য বা যে কোনো ধরনের গল্পের বই পছন্দ করতে পারে। শিশুকে স্থানীয় লাইব্রেরি বা নিকটবর্তী বইয়ের দোকানে নিয়ে যান। সেখানে সে কী পড়তে চায় তা স্বাধীনভাবে বাছাই করতে দিন, যা ওর আগ্রহকেও বাড়াবে।

প্রতিদিনের জীবনে পড়া অন্তর্ভুক্ত করুন
পড়া মানে শুধু বই নিয়ে বসে থাকা বা ভালো বইতে মগ্ন থাকা নয়। পড়া এমন একটি বিষয় যা প্রতিদিনের জীবনে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। একটি সাধারণ দিনে ছোট ছোট ‘পড়ার মুহূর্তগুলো’ শিশুটির পড়ার অভ্যাস বিকাশে আরও সহায়তা করতে পারে। এই পড়ার মুহূর্তগুলো মুদি তালিকা, রাস্তার চিহ্ন, রেসিপি বা দিকনির্দেশনা শব্দগুলোর মতো বিষয়ও হতে পারে।

বাড়িতে পড়ার উপকরণ রাখুন
বাড়িতে শিশুর পড়ার নানা উপকরণ রাখুন। যা তাদের পড়ার আগ্রহ বাড়াতে সহায়তা করতে পারে। বিভিন্ন ধরণের বই, কমিকস, ম্যাগাজিন এবং অন্যান্য বইয়ের জন্য আলাদা আলাদা র‌্যাক তৈরি করুন। যেন সে সহজেই তার পছন্দের বই বেছে নিতে পারে। এটি করলে তার পড়া শুধু পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। পরিবর্তে তারা বুঝতে পারবে পড়া আসলে মজাদার, বিনোদনমূলক এবং ভালো একটি শখ।

পড়ার মতো ইতিবাচক অভ্যাস গড়ে তোলা একটি শিশুকে বিভিন্নভাবে উপকৃত করতে পারে। এই সহায়ক টিপসগুলো আপনার সন্তানের পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে সাহায্য করবে।
cp

31/07/2023

🌹আর্ট ক্লাবে ড্রয়িং করেছে
৩য় শ্রেণির লিডারিয়ানরা 🌹

Photos from Leadership School and College's post 30/07/2023

🌹আর্ট ক্লাবে ড্রয়িং করেছে
নার্সারি শ্রেণির লিডারিয়ানরা 🌹

29/07/2023

🌹আর্ট ক্লাবে ড্রয়িং করেছে
২য় শ্রেণির লিডারিয়ানরা 🌹

28/07/2023

🌹এসএসসি / দাখিল সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদেরকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন
❤️ LSC 💚

28/07/2023

🌹রিমাইন্ডার পোষ্ট, জুম'আর দিনের বিশেষ আমল,

রাসুল ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি জুমার দিনে সূরা কাহাফ পড়বে তার জন্য এক জুমা থেকে আরেক জুমা পর্যন্ত আলো বিচ্ছুরিত হবে (মুসতাদারেক হাকিম: ২/৩৯৯, বায়হাকী: ৩/২৪৯, ফয়জুল ক্বাদীর: ৬/১৯৮)

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি শুক্রবার দিন সূরা কাহাফ পাঠ করবে, তার পা থেকে আকাশের উচ্চতা পর্যন্ত নূর হয়ে যাবে, যা কেয়ামতের দিন আলো দিবে এবং বিগত জুমা থেকে এই জুমা পর্যন্ত তার সব গুনাহ মাফ হয়ে যাবে (আত তারগীব ওয়াত তারহীব: ১/২৯৮)

27/07/2023
26/07/2023

🌹আপনার শিশু কি ঠিকমতো খেতে পারে না? সারাদিন খিটমিট করে? কোনোকিছুতেই যেন তেমন একটা আগ্রহ নেই–ক্লান্তি আর অবসাদে ভুগছে?

ওজন মোটামুটি ভালোই আছে তারপরও কি এই সমস্যাগুলোয় ভুগছে? এই সমস্যাগুলো এখন প্রায় কমবেশি সব শিশুদের মধ্যেই দেখা যায়।

এগুলো মূলত শিশুর অপুষ্টির লক্ষণ। চলুন আজকে তাহলে আমরা জেনে নিই কীভাবে শিশুদের এই অপুষ্টিতে ভোগা প্রতিরোধ করা যায়:

শিশুদের ক্ষেত্রে অপুষ্টি কী?

অপুষ্টি হলো এমন একটা অবস্থা যেখানে আপনার শিশু তার শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোর বিকাশে সহায়ক প্রয়োজনীয় ভিটামিন এবং মিনারেল সমৃদ্ধ

সুষম খাবার গ্রহণ করে না। পর্যাপ্ত পুষ্টির অভাবে শিশুর শারীরিক ও আচরণগত বিভিন্ন প্রকার জটিল রোগ দেখা যায়।

শিশুদের মধ্যে অপুষ্টির লক্ষণ ও উপসর্গ:
ক্লান্তি ও অবসাদ
খিটখিটে স্বভাব
মনোযোগহীনতা
শুষ্ক ও খসখসে ত্বক
মাড়িতে রক্তপাত
ক্ষুধামান্দ্য
কম শারীরিক বৃদ্ধি বা একদমই বৃদ্ধি থেমে যাওয়া
ফুলে যাওয়া পেট
ধীর আচরণ ও ধীর বুদ্ধিগত বিকাশ
হজমজনিত সমস্যা
পেশির ভর হ্রাস
ক্রমশ ওজন কমতে থাকে

অপুষ্টি প্রতিরোধে খাবার:

অপুষ্টি রোধ করতে আপনার শিশুকে–

প্রত্যেক ঋতু বা মৌসুম ভিত্তিক ফল ও সবজি খাওয়াতে হবে।
ফল ও শাকসবজি প্রতিদিন কমপক্ষে দুই বার খাওয়াতে হবে।
দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্য যেমন ক্ষীর, পায়েস বা দুধের তৈরি সেমাই খাওয়ানো যেতে পারে।
ভাত, রুটি, আলু মানে শর্করা জাতীয় খাবার খাওয়াতে হবে।
ডিম, মাছ, মসুর ডালের মতো প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খাওয়াতে হবে।
পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করাতে হবে। প্রতিদিন দেড় লিটারের বেশি পানি পান করাতে হবে।
প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় তেল, চর্বি ও বাদাম জাতীয় খাবার রাখতে হবে।

আর খেয়াল রাখতে হবে; শিশুকে কখনই জোর করে ভয় দেখিয়ে খাওয়ানো যাবে না। এছাড়াও শিশুদের অপুষ্টি প্রতিরোধের অংশ হিসেবে প্রতিটি পরিবারকে

স্বাস্থ্যকর ও শিশুবান্ধব পুষ্টি সম্পর্কে সজাগ থাকতে হবে। শিশুর জন্মের পর প্রথম ছয় মাস বুকের দুধ খাওয়াতে হবে। এটি সর্বোত্তম বৃদ্ধি এবং একটি শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার পূর্ণ বিকাশ অর্জনে সহায়তা করে। জন্ম থেকে প্রথম তিন বছর পর্যন্ত ভালো এবং স্বাস্থ্যকর পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার একটি শিশুর সুন্দর ও উজ্জ্বল বৃদ্ধির ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।
cp

Want your school to be the top-listed School/college in Amirabad?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Videos (show all)

🌹Library Reading ❤️
বাচ্চাদের আনন্দের মুহূর্ত 🥰🥰
আমাদের শিক্ষার্থীরা.......❤️❤️
❤️লিডারশিপ বাগানের ফুলেরা🌺🌺🌺🌺
বাচ্চাদের আনন্দের মুহূর্ত ****
🌹 লিডারশিপ স্কুল এন্ড কলেজের  সামাজিক কার্যক্রমের অংশ হিসাবে লোহাগাড়ার কলাউজান দাওরুত তাওহীদ আল ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসায়...
Today's activity ❤️❤️❤️
Class Activity
বাচ্চাদের ভারসাম্য দৌঁড়....
"শিশুদের গড়ে তোলার সবচেয়ে  উত্তম পন্থা হলো তাদেরকে আনন্দ দেওয়া।"       __ অস্কার ওয়াইল্ড
🌹Memory Of Leaderian ❤️
🌹 Playing Football ❤️

Location

Category

Telephone

Website

Address


হাশেম পার্ক, লোহাগাড়া থানার সামনে লোহাগাড়া, চট্টগ্রাম।
Amirabad
9643

Opening Hours

Monday 08:30 - 14:00
Tuesday 08:30 - 14:00
Wednesday 08:30 - 14:00
Thursday 08:30 - 14:00
Saturday 08:30 - 14:00
Sunday 08:30 - 14:00
Other Schools in Amirabad (show all)
Sukchari High School Sukchari High School
Amirabad

Sukchari High School is a reputed school in Sukchari Area.

West Kalauzan Shah Majidia Shishu Academy West Kalauzan Shah Majidia Shishu Academy
পশ্চিম কলাউজান, বাংলাবাজার
Amirabad, আমিরাবাদ,লোহাগাড়া,চট্টগ্রাম

it's a famous & ideal school at lohagara,chittagong.....